এই কবি সম্বন্ধে আরও তথ্য এবং নতুন কোনও পদ আমাদের কাছে পাঠালে আমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে  
প্রেরকের নাম এই পাতায় উল্লেখ করবো


আমরা
মিলনসাগরে  কবি রতিরাম দাসের বৈষ্ণব পদাবলী তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে
পারলে  এই  প্রচেষ্টার সার্থকতা।



কবি রতিরাম দাসের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রথম প্রকাশ - ২৪.১.২০১৯

...
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
কবি রতিরাম দাস - এই কবি সম্বন্ধে ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত প্রিয়নাথ জানা সম্পাদিত বঙ্গীয় জীবনীকোষ
১ম খণ্ড থেকে জানা যায় যে এই কবির “সারগীতা” বা “গ্রন্থরসামৃত” সপ্তদশ শতকে শ্রীমদ্ভাগবতগীতার প্রথম
প্রাপ্ত অনুবাদ। রতিরাম দাসের গুরু শান্তিপুর নিবাসী রাধাচরণ ঠাকুর ছিলেন  
নরোত্তম দাসের  প্রশিষ্য
বেহারী তর্কালঙ্কারের শিষ্য। গুরুর আজ্ঞায় রতিরাম দাস গীতা-পাঁচালী রচনা শুরু করেন।

সপ্তদশ শতকের কবি হওয়ার সুবাদে ইনি
রাধামোহন ঠাকুরেরও পূর্ববর্তী কবি ছিলেন।

নৃসিংহচন্দ্র মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত “সাহিত্য সংহিতা” পত্রিকার আষাঢ়-শ্রাবণ, ১৩০৯ সংখ্যায় (জুন-জুলাই
১৯০২),
আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের “অপিরকাশিত প্রাচীন পদাবলী” প্রবন্ধে এই কবির চারটি পদটি
পেয়েছি। সেখানে পাদটীকায় আবদুল করিম মহাশয় এই কবির উপরোক্ত “সারগীতা” নামক গ্রন্থের উল্লেখ
করেছেন।
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
রতিরাম দাস, রতিরাম
.
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি -                                   পাতার উপরে . . .  
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .
“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”