কবি গোবর্দ্ধন দাস - জগদ্বন্ধু ভদ্র তাঁর "গৌরপদ-তরঙ্গিণীর" ১ম সংকলনে (১৯০২) ৪ জন গোবর্দ্ধননের
সন্ধান দিয়েছিলেন। তাঁরা হলেন . . .
১। রঘুনাথ দাসের পিতা গোবর্দ্ধন দাস।
২। জয়পুরের গোকুলচন্দ্র বিগ্রহের প্রধান কীর্ত্তনিয়া ও পদকর্ত্তা, যিনি ১৭০০শক অর্থাৎ ১৭৭৮খৃষ্টাবেদের
লোক বলে জানা যায়।
৩। নরোত্তম দাসের এক শিষ্য।
৪। রসিমঙ্গলে শ্যামানন্দের শাখার এক গোবর্দ্ধন দাসের উল্লেখ রয়েছে।

সতীশচন্দ্র রায় তাঁর সম্পাদিত বৈষ্ণবদাসের শ্রীশ্রীপদকল্পতরুর ৫ম খণ্ডের ভূমিকায় লিখেছেন যে এই চার
জনের মধ্যে কারো নামে কবি বা পদকর্তা হওয়ার কথা লেখা পাওয়া যায় নি। এ নিয়ে মৃণালকান্তি ঘোষ
ভক্তিভূষণ, তাঁর সম্পাদিত জগদ্বন্ধু ভদ্রর গৌরপদতরঙ্গিণীর ২য় সংস্করণে (১৯৩৪)
সতীশচন্দ্রের ব্যাখ্যাকে
খণ্ডন করার চেষ্টাও করেছেন। কিন্তু তিনিও কোনও গোবর্দ্ধন দাসের পদকর্তা হবার প্রমাণ দিতে পারেন নি।

১৯০৫ সালে
দুর্গাদাস লাহিড়ী তাঁর "বৈষ্ণব পদলহরী" সংকলনে পদকর্তা হিসেবে নরোত্তম দাসের শিষ্যকেই
মেনে নিয়েছেন। তিনি আরও লিখেছেন “
ইনি অল্প বয়সেই কবি নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।” ইনিও তাঁর
উদ্ধৃতির সমর্থনে কোনও তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেন নি।

তাই এখনও পর্যন্ত গোবর্দ্ধন দাসের পরিচিতি অধরাই রয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে গবেষক ও বিশেষজ্ঞগণের
কাজের অবকাশ রয়েছে।

বৈষ্ণবদাসের পদকল্পতরুতে তাঁর ১৬টি পদ রয়েছে।
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি -                                   পাতার উপরে . . .  
শিক্ষাবীদ, সাহিত্যিক, গবেষক ও প্রাচীন পুথির সংগ্রাহক,
শ্রী আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ, সুরেশচন্দ্র  
সমাজপতি সম্পাদিত “সাহিত্য” পত্রিকার পৌষ, ১৩২৫ সংখ্যায় (ডিসেম্বর ১৯১৮), তাঁর “সঙ্গীত শাস্ত্রের  
একখানি প্রাচীন গ্রন্থ” প্রবন্ধে লিখেছেন . . .
“. . .
বৈষ্ণব পদাবলীর মত সুন্দর জিনিস বঙ্গসাহিত্যে আর নাই। কাণের ভিতর দিয়া মরমে পশিয়া প্রাণ
আকুল করিয়া তুলিতে পারে, এমন সুধাস্রাবী ঝঙ্কার বৈষ্ণব পদাবলী ভিন্ন বাঙ্গালায় আর কিছুতে নাই
।”



আমরা
মিলনসাগরে  কবি গোবর্দ্ধন দাসের বৈষ্ণব পদাবলী আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই  
প্রচেষ্টার সার্থকতা।   


কবি গোবর্দ্ধন দাসের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।   


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৯.৯.২০১৯

...
গোবর্দ্ধন সম্বন্ধে দুর্গাদাস লাহিড়ীর উদ্ধৃতি   
বৈষ্ণব পদাবলী সম্বন্ধে আবদুল করিমের উদ্ধৃতি    
বৈষ্ণব পদাবলী নিয়ে মিলনসাগরের ভূমিকা     
বৈষ্ণব পদাবলীর "রাগ"      
কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও উত্স গ্রন্থাবলী     
মিলনসাগরে কেন বৈষ্ণব পদাবলী ?     
*
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
*

এই পাতার উপরে . . .
গোবর্দ্ধন সম্বন্ধে দুর্গাদাস লাহিড়ীর উদ্ধৃতি -                                            পাতার উপরে . . .   
দুর্গাদাস লাহিড়ী তাঁর ১৯০৫ সালে প্রকাশিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন বৈষ্ণব পদলহরী তে গোবর্দ্ধন দাস
সম্বন্ধে লিখেছেন . . .

ইনি সুবিখ্যাত বৈষ্ণব কবি নরোত্তমদাসের শিষ্য ছিলেন। সুতরাং তাঁহারই সমসাময়িক বলা যাইতে পারে।
ইনি অল্প বয়সেই কবি নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেন। ইহাঁর পদগুলি সরল ও ভাবমূলক
।”
এই পাতার কবিতার ভণিতা -
গোবর্দ্ধন, গোবর্দ্ধন দাস,
দীন গোবর্দ্ধন দাস
.