আমরা মিলনসাগরে কবি বিধুভূষণ বসুর কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই
প্রচেষ্টার সার্থকতা। এই পাতা, স্বাধীনতা সংগ্রামী কবি বিধুভূষণ বসুর প্রতি মিলনসাগরের শ্রদ্ধার্ঘ্য।
উত্স -
- শিবপ্রসাদ চক্রবর্তী সম্পাদিত “চতুষ্কোণ” পত্রিকার জ্যৈষ্ঠ ১৩৭৬ বঙ্গাব্দ সংখ্যা (মে ১৯৬৯)।
- "শিকার" গল্পটি পড়তে, মিলনসাগর থেকে PDF ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .।
- “পল্লীচিত্র” মাসিক পত্রিকার বিরুদ্ধে দেশদ্রোহের মামলার PDF পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .।
- সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু, "সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান ১ম খণ্ড", ৫ম সংস্করণ, ২০১০।
- MARXIST INDIANA Blog.
- Sushanta Sarkar, Banglapedia.
- বাংলা উইকিপেডিয়া।
- বারীন্দ্রকুমার ঘোষ, "দ্বীপান্তরের কথা", ১৯২০।
- উল্লাসকর দত্ত, "আমার কারা জীবনী", ১৯৩৭।
- হেমচন্দ্র কানুনগো, "বাংলায় বিপ্লব প্রচেষ্টা", ১৯২৮।
- মদনমোহন ভৌমিক, আন্দামানে দশ বছর, ১৯৫৮।
- যোগেশচন্দ্র বাগল, "মুক্তির সন্ধানে ভারত", ১৯৪০।
- উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, "নির্বাসিতের আত্মকথা", ১৯২১।
- উমা মুখোপাধ্যায় ও হরিদাস মুখোপাধ্যায়, "শ্রীঅরবিন্দ ও বাংলায় বিপ্লব", ১৯৭২।
- তারিণীশঙ্কর চক্রবর্ত্তী, “বিপ্লবী বাংলা (১৭৫৭-১৯১২)”।
- নলিনীকিশোর গুহ, “বাংলায় বিপ্লববাদ", ১৯২৯।
- সুপ্রকাশ রায়, "ভারতের বৈপ্লবিক সংগ্রামের ইতিহাস", ১৯৪৯।
- সৌমেন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়, "স্বদেশী আন্দোলন ও বাংলা সাহিত্য", ১৯৬০।
- উমা মুখোপাধ্যায়, "স্বদেশী আন্দোলন ও বাংলার নবযুগ", ১৯৬১।
- চিনময় চৌধুরী, "রাজরোষে আদালতের আঙিনায়", ১৯৬২।
- নলিনী দাস, "স্বাধীনতা সংগ্রামে দ্বীপান্তরের বন্দী", ১৯৭১।
- Cellular Jail - Andaman & Nicobar Islands.
- Nangla Political Dacoity Case, National Archives, www.abhilekh-patal.in
- সেলুলার জেলে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নামের ফলকের ছবি www.cabaltimes.com ।
- সেলুলার জেলে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নামের সূচি www.literacyparadise.com ।
কবি বিধুভূষণ বসুর মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।
আমাদের ই-মেল - srimilansengupta@yahoo.co.in
এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ২৪.২.২০২১ ^^ উপরে ফেরত
...
কবি বিধুভূষণ বসু - জন্মগ্রহণ করেন অবিভক্ত
বাংলার, খুলনা জেলার, বাগেরহাট মহকূমার কাঠাল-
গ্রামে। পিতা যদুনাথ বসু। খুলনা জেলার বিষ্ণুপুরে
ছিল কবির পৈতৃক নিবাস।
কবি বিষ্ণুপুর এবং মূলঘর বিদ্যালয়ে পড়েছেন।
কবির দৃষ্টি শক্তি অতি ক্ষীণ হওয়ার জন্য মাত্র ১৭
বছর বয়সে তাঁকে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হয়। তাঁর
পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তিনি তাঁর আত্মীয়দের কাছে মানুষ হন। গ্রামে তাঁদের বাড়িতে দুর্গা পূজা
অনুষ্ঠিত হতো। বিধুভূষণ বসু সেই পূজায় মুসলমানদেরও নিমন্ত্রিত করতেন বলে ব্রাহ্মণরা তাঁদের পূজা
বয়কট করেছিলেন। সমাজের বিরুদ্ধে গিয়ে তিনি তাঁর দুই কন্যাকে নার্সিং পড়ান।
কবি বিধুভূষণ বসু, “পল্লীচিত্র” পত্রিকা সম্পাদন করার কালে সেই পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর লেখা “শিকার”
গল্পটির জন্য ৪ বছরের কারাবরণ করেন। গল্পটির PDF ডাউনলোড করে পড়তে এখানে ক্লিক্ করুন . . .।
দেশবিভাগের পরে, তিনি নিজের গ্রাম ছেড়ে কলকাতায় চলে আসতে বাধ্য হন।
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী ও আইন অমান্য আন্দোলনে কবি বিধুভূষণ - পাতার উপরে . . .
কবি বিধুভূষণ বসু বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করেন। সেই সময় তিনি গ্রামে গ্রামে সভা
করতেন, নিজের ছোট নাটক “বঙ্গবাসীর সোনার স্বপন”-এ (চরিতাভিধান) অভিনয় করতেন। নাটকটি কিছু
দিনের মধ্যেই ব্রিটিশ সরকার নিষিদ্ধ করে দেয়। পরে স্বদেশি যাত্রাদল গঠন করে “মীরকাশিম” নাটক
অভিনয় করতে থাকেন। এ যাত্রাপালাও সরকার নিষিদ্ধ করে দেয়। তিনি ১৯৩০ সালে গান্ধীজির ডাকা
আইন অমান্য আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করেও কারারুদ্ধ হয়েছিলেন।
শিকার গল্প রচনার জন্য কারাবাস - পাতার উপরে . . .
শিবপ্রসাদ চক্রবর্তী ও সম্পাদক মণ্ডলী দ্বারা সম্পাদিত “চতুষ্কোণ” পত্রিকার ১৩৭৬ বঙ্গাব্দের জ্যৈষ্ঠ সংখ্যায়
(মে ১৯৬৯) শিকার গল্পটি পুনর্মুদ্রিত হয়। সেই গল্পটির মুখবন্ধে গল্প ও গল্পকারের ঐতিহাসিক পটভূমিকা
বর্ণন করতে গিয়ে তাঁরা যা লিখেছিলেন, আমরা তা হুবহু এখানে তুলে দিলাম। "শিকার" গল্পটি পড়তে,
মিলনসাগর থেকে তার PDF ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক্ করুন . . .।
“বাংলাদেশের প্রবীণতম সাহিত্যিক শ্রীযুক্ত বিধুভূষণ বসুর পঞ্চনবতিতম জন্মবার্ষিকী কদিন আগে
উদযাপিত হল। শতাব্দীর সমীপে উপনীত এই অগ্রজতম কথাসাহিত্যিক আজকের পাঠকের কাছে বিস্মৃত
হলেও, এক সময় ইংরেজ সরকার এবং দেশীয় কায়েমী স্বার্থ তাঁর সাহিত্যের বস্তু-উপাদানে ভীত হয়ে
রাজদণ্ড দেওয়া থেকে শুরু করে হত্যার প্রয়াস করা অবধি কিছুই বাকী রাখেনি। যে গল্পটি এখানে আমরা
মুদ্রিত করছি, এটি গ্রকাশিত হবার ফলে ১৯০৯ সালে বিধুভূষণকে রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাদণ্ড বরণ
করতে হয়। এটি ব্যতীত তাঁর “সতীলক্ষ্মী” উপন্যাস, “রক্তযজ্ঞ” এবং “মীরকাসিম" নাটক এবং “বঙ্গবাসীর
সোনার স্বপন” গীতিনাট্য ঐ একই অভিযোগে বৃটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। “ভোটরঙ্গ”, “দুই বিঘা
জমি” প্রভৃতি নাটিকা লেখার ফলে কায়েমী স্বার্থের বাহক জমিদার শ্রেণীর অপ্রিয়ভাজন হন বিধুভূষণ, যার
পরিণতিতে তাঁকে হত্যা করারও চেষ্টা হয় ঐসব মহল থেকে।
আইনঅমান্য আন্দোলনের অংশ হিসেবে “কাজের কথা” গ্রন্থখানা প্রকাশ করেও বিধুভূষণ পরবর্তী জীবনে
আবার কারাদণ্ডে ও জরিমানায় দণ্ডিত হন। দেশ-বিভাগের পর থেকেই তিনি কলকাতাবাসী।”
কবির সম্পাদনায় “পল্লীচিত্র” পত্রিকা প্রকাশন ও দেশদ্রোহের মামলা - পাতার উপরে . . .
এরপর তিনি খুলনার বাগেরহাটে “পল্লীচিত্র” নামের মাসিক পত্রিকা প্রকাশনা শুরু করে তাঁর লেখা সেখানে
ছাপতে থাকেন। এই পত্রিকার আষাঢ় ১৩১৬-র সংখ্যায় (জুন ১৯০৯) তাঁর “শিকার” নামক দেশাত্মবোধক
গল্প রচনার জন্য চার বছর সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করেন।
এই পত্রিকার ঐ সংখ্যাতেই প্রকাশিত হয় কবি নগেন্দ্রনাথ চন্দ্রর দেশাত্মবোধক কবিতা “এস মা পল্লীরাণী”।
ব্রিটিশ সকরার “পল্লীচিত্র” পত্রিকার সম্পাদক বিধুভূষণ বসু, প্রেসের মালিক অবনীমোহন দেব এবং রচয়িতা
কবি নগেন্দ্রনাথ চন্দ্রর বিরুদ্ধে, এই কবিতার জন্য, রাজদ্রোহের মামলা করে। সেই মামলার সরকারী নথির
PDF পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .।
তা থেকে যা জানা যায় তা এই যে, ১৯০৯ সালের ডিসেম্বরে, ছোটলাট, এঁদের মার্সি পিটিশন নামঞ্জুর করলে,
মামলায় খুলনার ম্যাজিস্ট্রেট, প্রেসটি বাজেয়াপ্ত করেন, সম্পাদক বিধুভূষণ বসুর ২ বছর এবং প্রেসের
মালিক অবনীমোহন দেবের ২ মাস হাজতবাসের সাজা শোনানো হয়। কলকাতা হাইকোর্টে সরকার মামলা
হেরে গেলে সাজা মুকুব হয়ে যায়। নগেন্দ্রনাথের বিরূদ্ধে তখন “নাংলা রাজনৈতিক ডাকাতী মামলা” (Nangla
Political Dacoity Case) বা খুলনা ষড়যন্ত্র মামলা (Khulna Conspiracy Case) চলছিল দেখে এই মামলায় তাঁর
সাজা মুলতুবি রাখা হয়।
কবি নগেন্দ্রনাথ চন্দ্রর দ্বীপান্তর - পাতার উপরে . . .
কবি নগেন্দ্রনাথ চন্দ্রর বিরুদ্ধে উপরোক্ত “নাংলা রাজনৈতিক ডাকাতী মামলা” (Nangla Political Dacoity
Case) বা খুলনা ষড়যন্ত্র মামলা (Khulna Conspiracy Case) চলছিল দেখে, কবি বিধুভূষণ বসু সম্পাদিত
“পল্লীচিত্র” পত্রিকায় প্রকাশিত কবি নগেন্দ্রনাথ চন্দ্রর “এস মা পল্লীরাণী” কবিতার মামলায় তাঁর সাজা মুলতুবি
রাখা হয়। কিন্তু অল্পকাল পরেই সেই মামলায় তাঁর ৭ বছর দ্বীপান্তরে সশ্রম কারাদণ্ডের সাজা হয় এবং
তাঁকে কালাপানি অর্থাৎ আন্দামানের সেলুলার জেলে দ্বীপান্তরে পাঠানো হয়। তিনি সেখানে ১৯০৯ থেকে
১৯১৬ সাল পর্যন্ত, কবি বারীন্দ্র কুমার ঘোষ, ভূপেন্দ্র নাথ ঘোষ, হেমচন্দ্র দাস (কানুনগো), ইন্দু ভূষণ রায়,
যতীন্দ্র নাথ নন্দী, ফণীভূষণ রায়, পুলিন বিহারী দাস, ত্রৈলোক্য চক্রবর্তী, উল্লাস্কর দত্ত, কবি বীরেন্দ্রচন্দ্র
সেন প্রমুখদের সঙ্গে বন্দীদশা কাটিয়েছিলেন। সেলুলার জেলে তাঁর নাম আমরা পাই সেখানকার
স্বাধীনতা সংগ্রামীদের নামাঙ্কিত ৪ নং শ্বেতপাথরের শীলায় ২৭ নম্বরে খোদাই করা। মিলনসাগরে কবি
নগেন্দ্রনাথ চন্দ্রর কবিতার পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন . . .।
কবি বিধুভূষণ বসুর সমাজসেবা - পাতার উপরে . . .
বিধুভূষণ বসু সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি শিক্ষাদানের জন্য স্কুলের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
একটি ডাকঘর তাঁরই উদ্যোগে খোলা হয়েছিল।
কবি বিধুভূষণ বসুর সাহিত্য সম্ভার - পাতার উপরে . . .
কবির দৃষ্টিশক্তি অতি ক্ষীণ হওয়ার জন্য মাত্র ১৭ বছর বয়সে তাঁকে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে হয়। তিনি
সাহিত্যসেবাকেই তাঁর জীবনের মূল উদ্দেশ্য স্থির করেন এবং লেখা শুরু করেন। কবির মাত্র ১৮ বছর বয়সে
লেখা "লক্ষ্মী মেয়ে" তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। তাঁর প্রথম বড় উপন্যাস “চারুচন্দ্র”।
তাঁর অসংখ্য কবিতা, গল্প ও গান একসময় খুবই জনপ্রিয় ছিল। তিনি প্রধানত স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়েই
গল্প ও উপন্যাস রচনা করেছেন। স্বাধীনতা আন্দোলনের বিরুদ্ধবাদী এক এম.এল.এ. পদপ্রার্থী জমিদারকে ব্যঙ্গ
করে ভোটরঙ্গ লিখে মানহানির দায়ে পড়েন। ১৯২৮ সালে পুত্রশোক ভুলতে তিনি একমাসে সাতটি উপন্যাস
লিখেছিলেন। হিন্দি ও গুজরাটিতেও তাঁর রচনা অনুবাদ করা হয়েছে। তাঁর “অমৃতে গরল”, উপন্যাসটি
বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। ১৯১৪ সালে তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ “বনমালা” (১৯১৪) তিনি রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।
৮৬ বছর বয়সে সম্পূর্ণ অন্ধ হয়ে যাবার আগে পর্যন্ত তিনি লিখে গিয়েছেন। তাঁর রচিত “রক্তক্ষয়” ও
“মীরকাশিম” এবং ও “সোনার ফসল” (১৯১০) (বাংলা উইকি) নাটক ইংরেজ সরকার বাজেয়াপ্ত করে।
কবির "দাদা" নাটকটি চারণ কবি মুকুন্দ দাস অভিনয় করেন। কবি বিধুভূষণের অনুজ-পৌত্র, NIT Dugapur
(National Institute of Technology Durgapur) এর ডাইরেক্টর অধ্যাপক অনুপম বসু আমাদের জানিয়েছেন যে,
যেহেতু নাটকটি অভিনয় ও মঞ্চস্থ করার সময় চারণ কবি মুকুন্দ দাস এই গীতিনাট্যের গানগুলি গাইতেন,
মানুষ মনে করতে শুরু করে যে এই গানগুলি চারণ কবিরই নিজেস্ব রচনা। কবির "দাদা" গীতিনাট্যর যে
৩০টি গান আমরা এখানে তুলেছি, তা আমরা, ১৯৭২ সালে প্রকাশিত, ডঃ জয়গুরু গোস্বামীর “চারণকবি
মুকুন্দদাস (রচনা সম্ভার সহ)” গ্রন্থের সঙ্গে মিলিয়ে দেখে পাইনি। গানগুলি মিলনসাগরের চারণ কবি মুকুন্দ
দাসের কবিতা ও গানের পাতাতেও নেই।
বিধুভূষণ বসুর উপন্যাসের সংখ্যা ১৭, ছোটো গল্প গ্রন্থের সংখ্যা ২, সাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থের সংখ্যা ৩,
নাটকের সংখ্যা ৮, গীতিনাট্যের সংখ্যা ২, গীতিকাব্যের সংখ্যা ১। তিনি গান্ধীজি ও চিত্তরঞ্জন দাশের
জীবনীও লিখেছেন।
কবি বিধুভূষণ বসু, “পল্লীচিত্র” পত্রিকা সম্পাদন করার কালে সেই পত্রিকায় প্রকাশিত তাঁর লেখা “শিকার”
গল্পটির জন্য ৪ বছরের কারাবরণ করেন। গল্পটির PDF ডাউনলোড করে পড়তে এখানে ক্লিক্ করুন . . .।
কবির রচনাসম্ভারে রয়েছে "লক্ষ্মী মেয়ে" (১৮৯৫), “লক্ষ্মী মা” (১৮৯৭), “সতী-লক্ষ্মী” (১৮৯৯) হিন্দি এবং
গুজরাটি ভাষায় অনুবাদ করা হয়, “চারুচন্দ্র” (১৯০০), “অমৃতে গরল” (১৯০১), “সুভদ্রা” (১৯১২), “পাপিষ্ঠা”
(১৯১৪), “গোধন”, “কামিনী-কাঞ্চন” (১৯২৫), পল্লী সংস্কার মূলক সামাজিক গীতিনাট্য “দাদা” (১৯২৫), “বনমালা”
(১৯১৪), “লক্ষ্মী বউ” (১৯০৫), “স্বয়ম্বরা” (১৯২৯), “দীপালির বাজি” (১৯২৬), সামাজিক গীতিনাট্য "ব্রহ্মচারিণী"
(১৯২৫), “বিষের বাতাস” (১৯২৮), “প্রখরা” (১৯২৮), “কুলের বলি” (১৯২৯), পৌত্রান্ত, মধুমিলন, “জ্যাঠাইমা”,
“নষ্টোদ্ধার বা বাংলার মেয়ে” (১৯২৮), "ভোটরঙ্গ", "দুই বিঘা জমি" (১৯৫৯), "পরিণাম" (১৯৫৯) প্রভৃতি।
তাঁর রচিত নাটকের মধ্যে রয়েছে “ভগিনী বিদ্রোহ”, “বিমাতা”, “বাপের ভিটা”, “সুদর্শন”, “দুইবিঘা জমি” ও
“কালাপাহাড়” প্রভৃতি। নাটক “মীরকাশিম” (১৯০৫), “রক্তক্ষয়” (১৯১০), ও “সোনার ফসল” (১৯১০) (বাংলা
উইকি) যা ব্রিটিশ শাসক নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
এছাড়া লিখেছেন চরিতগ্রন্থ “মহাত্মা গান্ধীর জীবন চরিত” (১৯১১) এবং “দেশবন্ধু চরিত্রমহিমা” (১৯২৫)। তিনি
স্মৃতিকথা (১৯৫৯) নামে তাঁর একটি আত্মজীবনীও লিখেছিলেন।
তাঁর “গীতিহার” (১৯১৭) নামক কাব্যগ্রন্থে শতাধিত কবিতা সংকলিত হয়েছে।
কৃতজ্ঞতা স্বীকার - পাতার উপরে . . .
কবি বিধুভূষণ বসুর কবিতার এই পাটাটি তৈরী করতে, কবির জীবন সম্বন্ধে তথ্য ও ছবির জন্য আমরা
যাঁদের কাছে ঋণী রইলাম তাঁরা হলেন কবির পৌত্রী শ্রীমতী অনিন্দিতা হোম, কবির অনুজ-পৌত্র, NIT
Durgapur (National Institute of Technology Durgapur) এর ডাইরেক্টর, অধ্যাপক অনুপম বসু, এবং প্রখ্যাত
রবিন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুমিত্রা চট্টোপাধ্যায়। মিলনসাগরে শিল্পী সুমিত্রা চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গীতের পাতায় যেতে
এখানে ক্লিক করুন . . .।
কবি বিধুভূষণ বসুর কবিতা ও গান - পাতার উপরে . . .
দুর্ভাগ্যবশত আমরা কবি বিধুভূষণ বসুর “গীতিহার” (১৯১৭) কাব্যগ্রন্থটি হাতে পাইনি। কিন্তু তাঁর পল্লী-
সংস্কারমূলক সামাজিক গীতি-নাট্য “দাদা”, উপন্যাস “অমৃতে গরল”, “বিষের বাতাস”, “চারুচন্দ্র”, “সুভদ্রা”,
নাটক “দুই বিঘা জমি” থেকে গান এখানে তুলে দিয়েছি।