কবি গীতিকার গিরীন চক্রবর্তীর গান
*
গান্ধীজীর অমর কাহিনী
কথা ও সুর - কবি গিরীন চক্রবর্তী (১৯৪৮)
কণ্ঠ - সত্য চৌধুরী
গানটি শুনে লেখা। তাই ভুলত্রুটি দেখলে জানাবেন। আমরা শুধরে দেবো।
গানটি শুনতে ইউটিউবের
sounak93 Channel এর এই লিঙ্কে ক্লিক করুন . . .
https://www.youtube.com/watch?v=gxJxkaPtyWg   

আঠারো শো উনসত্তর সালে দোশরা অক্টোবরে
মোহনদাস করমচান্দ গান্ধী জন্মে পোরবন্দরে
আঁধার ঘেরা ধরায় হলো নবীন সূর্য্যোদয়
জয় মহাত্মা জয় বাপুজী জয় গান্ধীজী জয়
জয় মহাত্মা জয় বাপুজী জয় গান্ধীজী জয়
হাজার বছর মুছে যাবে রবে পরিচয়
জয় মহাত্মা জয় বাপুজী জয় গান্ধীজী জয়

ব্যারিস্টারি পড়তে মোহন দূর লণ্ডনে যায়
দেশে ফিরে গেলেন প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায়
কালার প্রতি সাদার সেথায় ভীষণ অত্যাচার
প্রতিবাদে পেলেন আখ্যা কুলী ব্যারিস্টার
আফ্রিকাতে ভারতবাসী যে লাঞ্ছনা পায়
ভারতে ফিরিয়া তাহা ভারতকে জানায়
ইহার পরে আফ্রিকাতে আবার গেলেন ফিরে
স্বেতাঙ্গরা জাহাজঘাটে ধরল তাঁরে ঘিরে
এমন মারই মারল ওরা ঘুচে গেল জ্ঞান
দেহের মাঝে কোনোমতে রয়ে গেল প্রাণ
সত্যাগ্রহ করেন তিনি সত্য উদ্ধার করে
অমানুষিক কত দুঃখ সইলেন কারাঘরে
সত্যাগ্রহ আন্দোলন যে শুরু সেই থেকে
আচরিলেন যেই ধর্ম লোকে তাই শেখে
সফল হল সেই আন্দেলন বিশ বছর পরে
গান্ধী-স্মাট চুক্তি ওরা স্ব-ইচ্ছাতে করে
হাজার বছর মুছে যাবে রবে পরিচয়
জয় মহাত্মা জয় বাপুজী জয় গান্ধীজী জয় . . .

আফ্রিকা হইতে এলেন কলকাতা কংগ্রেসে
দেশের সেবায় দিলেন যে যোগ স্বেচ্ছাসেবক বেশে
সবরমতী আশ্রম তিনি করিলেন প্রতিষ্ঠা
যত কর্মী যত ত্যাগী এলেন লয়ে নিষ্ঠা                ---
১ম রেকর্ডের ১ম পিঠের শেষ। ৩মিঃ ৩০সেঃ
খাদি আর চরকার প্রচার নিলেন যোগীর ভূষণ
তাইতে "ন্যাংটা ফকীর" আখ্যা দিল শাসকগণ
"সবার উপর মানুষ সত্য" দিতে এ সন্ধান
বরণ করে নিলেন বাপু হাজার অপমান
রহেন হরি যে জন মাঝে সেই তো হরিজন
এই সত্যেরই প্রকাশ তরে সঁপিলেন জীবন
হিন্দু হয়েও রয় হরিজন ভারতে অস্পৃশ্য
ব্যথায় গলে তাঁহার হৃদয় সইতে এ পাপ-দৃশ্য
দুখী কৃষকজনের তরে কাঁদে বাপুর প্রাণ
চম্পারণের সত্যাগ্রহ করে সাক্ষ্যদান
কবির কবি বাংলার রবি "মহাত্মা" নাম দিলেন
বুদ্ধ যিশু শ্রীচৈতন্যের সম শ্রদ্ধা পেলেন
হাজার বছর মুছে যাবে রবে পরিচয়
জয় মহাত্মা জয় বাপুজী জয় গান্ধীজী জয় . . .

ভারত স্বার্থ সফল হবে করিয়া প্রত্যয়
প্রথম মহাযুদ্ধে বাপু ব্রিটিশ সহায় হয়
যুদ্ধ শেষে সহযোগের চরম পুরস্কার
ব্রিটিশ করে রাউলট আইন ভেঙে অঙ্গীকার
মানবতার ভিত্তি পরে তৃতীয় সংযোগে
অসহযোগ নীতি রচেন হিংসার বিয়োগে
আউলাট আইন প্রতিবাদে অসহযোগ অস্ত্র
প্রয়োগ যবে হলো শুরু ব্রিটিশ হলো ত্রস্ত
বন্ধ হলো স্কুল ও কলেজ বন্ধ হয় সরকার
অন্যায় আইন ভেঙে লোকে যায় কারাগার
হিন্দু-মুসলিম বুক পেতে লয় মেশিনগানের গুলি
শহিদ খুনে লাল হয়ে যায় জালিয়ানওয়ালার ধূলি
আন্দোলনে দেশ ভেসে যায় ব্রিটিশ শাসন টলে
এই সময়ে বিধি বিরূপ জনগণের ছলে
চৌরীচৌরা পুড়ে ছারখার জণগণের হাতে
আন্দোলন থামালেন বাপু ব্যথা পেয়ে তাতে
অনশন করেন বাপু পঞ্চদিবস ধরি
কিছুমাত্র পাপ যদি হয় যায় তাহাতে হরি
দেশের তরে মোদের বাপু কত কষ্ট পান
ছয়টি বত্সর ভুগিতে শ্রম কারাগারে যান
দুই বত্সর পরে বাপু পড়েন কঠিন রোগে
বিনা শর্তে মুক্তি পেলেন অদৃষ্টেরই ভোগে             ---
১ম রেকর্ডের ২য় পিঠের শেষ। ৭মিঃ ০৭সেঃ
`ষোলোই জুন পঁচিশ সনে দেশবন্ধু গত
বাপু রহেন বাংলাদেশে জনসেবায় রত
দশ লক্ষ টাকা তোলেন স্মৃতি রক্ষা তরে
চিত্তরঞ্জন সেবাসদন সেই টাকাতে গড়ে
খিলাফতের আন্দোলনে হিন্দু-মুসলিম মিলন
হয়েছিল বাপুর ত্যাগে ইতিহাসের লিখন
সেই মিলনকে একেবারে ভাঙিতে অচিরে
ভাইয়ে ভাইয়ে লাগায় বিরোধ ব্রিটিশ ধীরে ধীরে
বাপু ভাবেন এই যে বিরোধ কভু নাহি যাবে
যতদিন না ভারত পূর্ণ স্বাধীনতা পাবে
তিরিশ সনের ছাব্বিশ তারিখ জানুয়ারী মাসে
সেই দাবী করেন কংগ্রেস বাপুজীর আশ্বাসে
সেই দাবী মিটাইতে কত ঘটে ঘটন
সতেরোটি বছর কাটে কে বা করে গণন
লবন আইন ভঙ্গ হলো বিরাট অভিযান
লক্ষ লোকে গেল জেলে কতই দিল প্রাণ
বারদৌলী সত্যাগ্রহ সাইমন কমিশন
লণ্ডনে গোল বৈঠক আইন ভঙ্গ আন্দোলন
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ এল এল ক্রিপস্ মিশন
ব্যার্থ তাহা একেবারে সময় কর্তন
বাপুজী কন্ ভারত ছাড়ো ওহে ব্রিটিশ রাজ
এই প্রস্তাব মানিযা লন কংগ্রেস ওসমাজ
আগাখানের প্রাসাদেতে বন্দী হলেন সবাই
ছেড়ে গেলেন চিরতরে কস্তুরবা ও দেশাই
দুঃখ যাহার বক্ষমালা দুঃখ তিলক ভালে
সচল অটল রহেন তিনি কি করিবে কালে
হিন্দু-মুসলিম বিদ্বেষ যে হায় দিনে দিনে বাড়ে
আলোচনার তরে বাপু যান জিন্নার দ্বারে
বড়লাট ওয়াভেল সাথে হলো আলোচনা
সকল চেষ্টা ব্যর্থ হলো দেশেরই লাঞ্ছনার
ছেচল্লিশ সনে বিলাত হতে মন্ত্রী মিশন আসে
বাপু বলেন লহ এঁদের পরম বিশ্বাসে
সরকার এক গঠন হলো কংগ্রেস-লীগে মিলে
দ্বন্দ্ব শুধুই বেড়েই যায় প্রেম নাহি দিলে
বিরোধ বাধে পাকিস্তানের জোর দাবীতে হায়
ছেচল্লিশের আগস্ট মাসে দাঙ্গা কলকাতায়
নোয়াখালির গ্রামে গ্রামে মৃত্যু শিখা ছড়ায়
গেল প্রাণ গেল মান আতঙ্কেতে পালায়
নোয়াখালির গ্রামে গ্রামে নিয়ে মিলন বাণী
বাপু ঘোরেন হাসি মুখে সয়ে কষ্ট গ্লানি              ---
২য় রেকর্ডের ১ম পিঠের শেষ। ১০মিঃ ৪৩সেঃ
লোকের প্রাণের ভয় দূরে যায় ফিরে আসে গ্রামে
গীতা আর কোরান সাথে অভয় রাম নামে
রঘুপতি রাঘব রাজারাম পতিত পাবন সীতারাম
উনিশশো সাতচল্লিশেরই পনেরোই আগস্ট মাসে
স্বাধীন হলো ভারত তবু বিদ্বেষ নাহি নাশে
পাঞ্জাব আর কলকাতাতে দাঙ্গা লাগে ভীষণ
নরনারী হারালো প্রাণ কে করে তার গণন
শান্তির দূত বেলেঘাটায় রহেন মুসলিম ঘরে
অশান্ত জন সাধে বাপুর প্রাণ বিনাশের তরে
বেদনায় মুহ্যমান বাপু শান্তির চিন্তা সার
জীবন পণ অনশন বাপু সাধিলেন আবার
তারি ফলে ঘুচলো দ্বন্দ্ব কলকাতা শহরে
হিন্দু মুসলিম একই সাথে নির্ভয়ে বিহরে
পাঞ্জাব হতে সম্প্রদায়ী বিষ পশে দিল্লী নগর
সেথায় গিয়েও রচেন বাপু রামধুনেরই আসর
তবু দাঙ্গা মেটে না হায় বাড়ে ক্ষণে ক্ষণে
করেন ব্রত প্রাণ বিসর্জন তখন অনশনে
বাপুর ব্রতর পুণ্যফলে শান্তি এল ফিরে
পাপ রইল সম্প্রদায়িক গোপন চিত্ত ঘিরে
হায় মনে পড়ে উনিশশো আটচল্লিশ সালের তিরিশে জানুয়ারী
চলেন প্রার্থনা সভায় বিড়লা ভবন ছাড়ি
সেই পাপ সেই হিংসা মূর্তি ধরে আসে
অহিংসারই পুণ্য-কায়া তিন গুলিতে নাশে
"হা রাম শ্রীরাম" বলি শ্রীরামেরই কোলে
কাঁদাইয়া সারা ভারত গেলেন বাপু চলে
ক্ষমাসুন্দর বাপুজী গো আমাদেরই ক্ষমো
মহাত্মা তোমারে নমি নমি নম নম
হাজার বছর মুছে যাবে রবে পরিচয়
জয় মহাত্মা জয় বাপুজী জয় গান্ধীজী জয়
জয় গান্ধীজী জয়, জয় গান্ধীজী জয়, জয় গান্ধীজী জয় ---
২য় রেকর্ডের ২য় পিঠের শেষ। ১৪মিঃ ১৪সেঃ

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
আমার গগন হতে গেল চাঁদ চিরতরে
কথা ও সুর - কবি গিরীন চক্রবর্তী
কণ্ঠ - বিনয় অধিকারী
গানটি শুনে লেখা। তাই ভুলত্রুটি দেখলে জানাবেন। আমরা শুধরে দেবো।
গানটি শুনতে গানা.কম এর এই লিঙ্কে ক্লিক করুন . . .
https://gaana.com/song/amar-gagan-hote   

আমার গগন হতে গেল চাঁদ চিরতরে
তোমার গগনে আছে তোমার গগনে আছে
অপরূপ নীলা ভরে অপরূপ নীলা ভরে
আমার গগন হতে

আমার কাননে হায় বায়ু কেঁদে ফিরে যায়
আমার কাননে হায় বায়ু কেঁদে ফিরে যায়
তোমার কানন ছায় তোমার কানন ছায়
প্রতিকুল ঝড়ে ঝড়ে প্রতিকুল ঝড়ে ঝড়ে
আমার গগন হতে

আমার কিছুই নাহি সব অবসান
তোমার অনেক আছে আলো হাসি গান
আমার কিছুই নাহি সব অবসান
তোমার অনেক আছে আলো হাসি গান
তুমি চল জয়রথে আমি ঘুরি পথে পথে
তুমি চল জয়রথে আমি ঘুরি পথে পথে
তুমি থাক ঝলমল আমি কাঁদি অনাদরে
তুমি থাক ঝলমল আমি কাঁদি অনাদরে
আমি কাঁদি অনাদরে
আমার গগন হতে গেল চাঁদ চিরতরে

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
ময়ূরপঙ্খী লৌকা আমার ম্যাঘনার চরে বাড়ী
কথা ও সুর - কবি গিরীন চক্রবর্তী
কণ্ঠ - আব্বাসউদ্দিন আহমেদ
গানটি শুনে লেখা। তাই ভুলত্রুটি দেখলে জানাবেন। আমরা শুধরে দেবো।
গানটি শুনতে গানা.কম এর এই লিঙ্কে ক্লিক করুন . . .
https://gaana.com/song/mayurpankhi-lauka-amar    

ময়ূরপঙ্খী লৌকা আমার ম্যাঘনার চরে বাড়ী
ওরে বাও বাতাসের লগে মুই লাগাই আড়াআড়ি
ওরে বাও বাতাসের লগে মুই লাগাই আড়াআড়ি
ময়ূরপঙ্খী লৌকা আমার ম্যাঘনার চরে বাড়ী

হীরামণি আর তোতামণির বাণিজ-বেসাত ছাড়ি
মনের সুখে গাই রে মুই নাও দৌড়ানের সারি
ওরে মনের সুখে গাই রে মুই নাও দৌড়ানের সারি
ময়ূরপঙ্খী লৌকা আমার ম্যাঘনার চরে বাড়ী

আসমানে এক কন্যা তার পিন্ধনে লাল শাড়ী
আসমানে এক কন্যা তার পিন্ধনে লাল শাড়ী
ওরে রূপ লৈয়া তার চান্দো-সুরুযে করে কাড়াকাড়ি
ওরে রূপ লৈয়া তার চান্দো-সুরুযে করে কাড়াকাড়ি
ময়ূরপঙ্খী লৌকা আমার ম্যাঘনার চরে বাড়ী

সুন্দরিয়া কন্যা তার দুধে আলতার গাও
তারই আশায় পরাণ বাইন্ধা বাই রে আমার নাও
তারই আশায় পরাণ বাইন্ধা বাই রে আমার নাও
লৌকা আমার হেইলা দুইলা চলে পাখনা নাড়ি
ওরে লৌকা আমার হেইলা দুইলা চলে পাখনা নাড়ি

বাইচ খেলাতে আমার সাথে পবনও যায় হারি
ওরে বাইচ খেলাতে আমার সাথে পবনও যায় হারি
ময়ূরপঙ্খী লৌকা আমার ম্যাঘনার চরে বাড়ী
ওরে বাও বাতাসের লগে মুই লাগাই আড়াআড়ি
ময়ূরপঙ্খী লৌকা আমার ম্যাঘনার চরে বাড়ী

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
ফুল ছিল ফুলবনে
কথা - কবি গিরীন চক্রবর্তী
সুর - দুর্গা সেন
কণ্ঠ - অসিতবরণ
গানটি শুনে লেখা। তাই ভুলত্রুটি দেখলে জানাবেন। আমরা শুধরে দেবো।
গানটি শুনতে ইউটিউবের
pikeyenL7 Channel এর এই লিঙ্কে ক্লিক করুন . . .
https://www.youtube.com/watch?v=hlBEzNcG86s    

ফুল ছিল ফুলবনে ছিল চাঁদ নীলিমাতে
যবে তুমি ছিলে তুমি ছিলে মোর সাথে
ছিল চাঁদ নীলিমাতে
ফুল ছিল ফুলবনে ছিল চাঁদ নীলিমাতে
যবে তুমি ছিলে তুমি ছিলে মোর সাথে
ছিল চাঁদ নীলিমাতে

আজ তুমি নাই ফুল নাই নীলিমায় চাঁদও নাই
আজ তুমি নাই ফুল নাই নীলিমায় চাঁদও নাই
শুধু বারি ঝরে বারি ঝরে আঁখিপাতে
ফুল ছিল ফুলবনে ছিল চাঁদ নীলিমাতে
যবে তুমি ছিলে তুমি ছিলে মোর সাথে

এক দিন এ জীবনে এক ছিনু দুইজনে
মনে পড়ে যায় বলে জল আসে আঁখি কোলে
এক দিন এ জীবনে এক ছিনু দুইজনে
মনে পড়ে যায় বলে জল আসে আঁখি কোলে
স্মৃতি কাঁদে বেদনাতে স্মৃতি কাঁদে বেদনাতে

হারানো দিনের লাগি আজও হিয়া রয় জাগি
মোর হারানো দিনের লাগি আজও হিয়া রয় জাগি
নয় সাথী হারা সাথীহার একা রাতে
ফুল ছিল ফুলবনে ছিল চাঁদ নীলিমাতে
যবে তুমি ছিলে তুমি ছিলে মোর সাথে
ছিল চাঁদ নীলিমাতে

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
মনেরে মানাই যদি মানে না তো আঁখি
কথা - কবি গিরীন চক্রবর্তী (১৯৪২)
সুর - চিত্ত রায়
কণ্ঠ - শৈল দেবী
গানটি শুনে লেখা। তাই ভুলত্রুটি দেখলে জানাবেন। আমরা শুধরে দেবো।
গানটি শুনতে ইউটিউবের
pikeyenL7 Channel এর এই লিঙ্কে ক্লিক করুন . . .
https://www.youtube.com/watch?v=M5xG3Mb2Gbg    

মনেরে মানাই যদি মানে না তো আঁখি
মনেরে মানাই যদি মানে না তো আঁখি
নিরজনে নিশিরাতে ডুবে থাকি থাকি
মনেরে মানাই যদি মানে না তো আঁখি

মরমের ব্যথা বহি আঁধারে একলা রহি
মরমের ব্যথা বহি আঁধারে একলা রহি
যে পথে সে গেল তারই ধূলি বুকে মাখি
যে পথে সে গেল তারই ধূলি বুকে মাখি
মনেরে মানাই যদি মানে না তো আঁখি

মন বনে ছিল যবে ভরা সুর মেলা
আঁখি তুলে চাহিনিকো করি’ অবহেলা
মন বনে ছিল যবে ভরা সুর মেলা
আঁখি তুলে চাহিনিকো করি’ অবহেলা
আজি যত গাহি গীতি বাঁশী সুরে তারি স্মৃতি
আজি যত গাহি গীতি বাঁশী সুরে তারি স্মৃতি
পাবে কি তাহারে আমারও গানের পাখি
পাবে কি তাহারে আমারও গানের পাখি
মনেরে মানাই যদি মানে না তো আঁখি
মনেরে মানাই যদি মানে না তো আঁখি

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
== একটি বিনীত আবেদন ==
কবির ছাত্রছাত্রী, বন্ধু-স্বজন, তাঁদের উত্তরসূরী, গবেষক ও পুরোনো রেকর্ড
সংগ্রাহকদের কাছে কবির রচিত আরো গান ছড়িয়ে থাকতে পারে।  
সকলকে একান্ত অনুরোধ একত্রে তা সংকলন করুন। আমাদের
অনুমান কবির শতাধিক গান পাওয়া যাবে। আমাদেরও পাঠাতে পারেন।
*
আমি গানেওয়ালী - গান গেয়ে যাই
গীতিকার ও সুরকার - গিরীন চক্রবর্ত্তী
কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা কমল চট্টোপাধ্যায়
ছায়াছবি “রক্তের টান”, মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫০ সনের ৯ই জুন।
আমরা কৃতজ্ঞ জনাব লিয়াকত হোসেন খোকন মহাশয়ের কাছে কারণ এই গানটির কথার
আমরা পেয়েছি তাঁর ফেসবুক পাতা থেকে।
সেই পাতায় যেতে . . .       

আমি গানেওয়ালী - গান গেয়ে যাই,
সুরে সুরে সবার মনে ছন্দ জাগাই।
আমারই গান শুনবে যে জন,
রবে না তার মনে বেদন।
খুশির রঙে হৃদয় তারই হবে রোশনাই,
আমি গানেওয়ালী - গান গেয়ে যাই।
গানের সাথে চটুল -চালে,
নাচি আমি তালে তালে
মোর নূপুরে বন - ময়ূরে পেখম ধরাই।
বুকে যাহার ব্যথা আছে,
সে এসো আজ আমার কাছে।
দিল -দরদী দূর করে দি সকল ব্যথাই,
আমি গানেওয়ালী - গান গেয়ে যাই।

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
আমি যে হারানোর দলে
গীতিকার ও সুরকার - গিরীন চক্রবর্ত্তী
কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা কমল চট্টোপাধ্যায়
ছায়াছবি “রক্তের টান”, মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫০ সনের ৯ই জুন।
আমরা কৃতজ্ঞ জনাব লিয়াকত হোসেন খোকন মহাশয়ের কাছে কারণ এই গানটির কথার
আমরা পেয়েছি তাঁর ফেসবুক পাতা থেকে।
সেই পাতায় যেতে . . .       

আমি যে হারানোর দলে,
মিটিল না সাধ মিটিল না আশা,
এ জনম গেল বিফলে।
আসিয়াছিলাম এই ধরণীতে
হাসি -খুশি ল'য়ে বাঁশী বাজাইতে,
হারাইনু হাসি, হারাইনু বাঁশী,
শুধু ভাসি নয়ন জলে।
না ফুরাতে খেলা চলে যায় বেলা,
সময় আমার নাহি।
বসি নিরাশার নদী কূলে একা
বেদনার গান গাহি।
এই সুন্দর পৃথিবী হইতে
সাধ নাহি যায় বিদায় লইতে
তবু চিরতরে যেতে হবে স'রে
ব্যথা লয়ে হিয়া তলে
আমি যে হারনোর দলে।
এ জনমে গেল বিফলে।
আসিয়াছিলাম এই ধরণীতে...

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
মোরা এই দেশেরই ছেলেমেয়ে
গীতিকার ও সুরকার - গিরীন চক্রবর্ত্তী
কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা কমল চট্টোপাধ্যায়
ছায়াছবি “রক্তের টান”, মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫০ সনের ৯ই জুন।
আমরা কৃতজ্ঞ জনাব লিয়াকত হোসেন খোকন মহাশয়ের কাছে কারণ এই গানটির কথার
আমরা পেয়েছি তাঁর ফেসবুক পাতা থেকে।
সেই পাতায় যেতে . . .       

মোরা এই দেশেরই ছেলেমেয়ে -
এই দেশেরই গাহি গান
সকল দেশের সেরা এ দেশ,
স্বর্গও নয় এর সমান।
মোদের দেশের জনগণ, এরা যে অতি সাধারণ।
তবুও এদের মাঝেই অসাধারণ জাগে বীর্য্যবান।
এরা যে ঘরে ব'সেই চিত্তবলে
বিশ্বজয়ের পায়রে মান।
মোরা এ দেশেরই ছেলেমেয়ে -
এ দেশেরই গাহি গান।
মোরা কচি - কাঁচার দল যেন শ্যামল দুর্ব্বাদল।
জানি আমাদেরও মাঝে আছে বিরাট মহীরুহের ফল।
মোরা নহি অসহায়, স্বয়ং বিধাতা সহায়।
মোরা বন্ধন -হীন জন্ম -স্বাধীন সত্য -সরল -প্রাণ।
মোরা ভালবাসায় ভেদ - বিভেদের আনব
চির - অবসান।
মোরা এই দেশেরই ছেলেমেয়ে -
এই দেশেরই গাহি গান।

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
আমরা আছি বড় খাসা
গীতিকার ও সুরকার - গিরীন চক্রবর্ত্তী
কাহিনী - যোগেশচন্দ্র চৌধুরী।
চিত্রনাট্য ও পরিচালনা - পশুপতি কুন্ডু।
ছায়াছবি “মাকড়সার জাল”, মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫৩ সালের ১লা মে।
আমরা কৃতজ্ঞ জনাব লিয়াকত হোসেন খোকন মহাশয়ের কাছে কারণ এই গানটির কথার
আমরা পেয়েছি তাঁর ফেসবুক পাতা থেকে।
সেই পাতায় যেতে . . .  

আমরা আছি বড় খাসা,
রেডিওতে ব্যায়াম করি, শিখি রাষ্ট্র ভাষা
ফুটপাতেতে হাজার হাজার,
চলছে গোপন কালোবাজার।
শ্মশানঘাটে বৈঠকখানা - গোয়াল ঘরে বাসা
ডাক্তার ডাক্তারী ছেড়ে করতেছে মোক্তারী,
ছাগল ভেড়ায় লাঙ্গল টানে গাধায় টানে গাড়ী!
আমরা কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা - বাক্য ছাড়ি লম্বা লম্বা
নিজের পায়ে কুড়ুল মারি এমনি সর্বনাশা,
যে দেশ ছাওয়া হাহাকারে শুধুই হাহারবে....

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর
*
আমরা গড়িব নূতন স্বর্গ বিশ্বের ও বিস্ময়
গীতিকার ও সুরকার - গিরীন চক্রবর্ত্তী
কাহিনী - যোগেশচন্দ্র চৌধুরী।
চিত্রনাট্য ও পরিচালনা - পশুপতি কুন্ডু।
ছায়াছবি “মাকড়সার জাল”, মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫৩ সালের ১লা মে।
আমরা কৃতজ্ঞ জনাব লিয়াকত হোসেন খোকন মহাশয়ের কাছে কারণ এই গানটির কথার
আমরা পেয়েছি তাঁর ফেসবুক পাতা থেকে।
সেই পাতায় যেতে . . .     

আমরা গড়িব নূতন স্বর্গ বিশ্বের ও বিস্ময়,
হয়েছে হইবে আঁধিয়ার দূর নাহি কোন সংশয়,
রূপে রসে গন্ধে বর্ণে উজ্জ্বল,
প্রাণে প্রাণে আমরা ফোটাব কমল,
মিথ্যা যাবে না শপথ মোদের দিব সেই পরিচয়,
মন্দ বলিয়া রবে না কিছুই আমাদের অলকায়
সত্যাশ্রয়ী হব সকলে, রবে না কেউ অসহায়,
মানুষ সত্য সবার উপরে,
এই নীতি হবে বাহিরে ঘরে
সাধনা মোদের সিদ্ধ হবেই, জেনেছি নিশ্চয়॥

.              ****************                          
.                                                                            
সূচীতে . . .    


মিলনসাগর