আমরা  মিলনসাগরে  কবি স্বপ্ন মধুকরের কবিতা তুলে আনন্দিত। মিলনসাগরে কবি স্বপ্ন মধুকরের হিন্দী
কবিতার পাতা আমরা তৈরী করেছিলাম বহু পূর্বে, ৭ই সেপ্টেম্বর ২০০৭ সালে। সেই পাতায় যেতে
এখানে
ক্লিক করুন . . . ।  



কবির সঙ্গে যোগাযোগ -
ঠিকানা - ৫০৬ / এফ, অভিনন্দন সরণী, ২ নম্বর বাছাড় পাড়া রোড, ঠাকুরপুকুর, কলকাতা ৭০০ ০৬৩।
চলভাষ ও হোয়াটসঅ্যাপ -    +৯১ ৬২৯০৯ ৮৪৫০৯।
কবির ফেসবুক -
https://www.facebook.com/profile.php?id=100026971245657       



উত্স -   
  • বির সঙ্গে চলভাষ ও হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ


কবি স্বপ্ন মধুকরের বাংলা কবিতার মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন
मिलनसागर में कवि स्वप्न मधुकर का हिन्दी कविता के लिये यहां क्लिक कीजिए . . .



আমাদের ই-মেল - srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১.৩.২০২১                                                            ^^ উপরে ফেরত   
...
কবি স্বপ্ন মধুকরের শিক্ষাজীবন -                                                      পাতার উপরে . . .   
কবির স্কুলজীবন কাটে নেপাল সংলগ্ন, বিহার প্রদেশের সুপৌল জেলার "কুনৌলী বাজার জাগেশ্বর" হাইস্কুলে।
যেখানে তাঁর
দুই ক্লাস জুনিয়ার ছিলেন নেপালের ছাত্র,  পরবর্তীকালে  স্বনামধন্য গায়ক উদিত নারায়ণ ঝা।
তখন সেই স্কুলে অনেক নেপালী ছেলে
 আসতো  পড়াশুনা  করতে।  কবির  কলেজ জীবন কাটে বীরপুরে।
সেখান থেকে আই.এস.সি.
 পাশ  করেন।  এরপর  কবির পিতার মৃত্যুর পরে তাঁরা আরারিয়া শহর ছেড়ে
পূর্ণিয়া
 শহরে  বসবাস  শুরু  করেন।  পরবর্তী  লেখা-পড়া  কলকাতায়  মেকানিক্যাল ডিপ্লোমা ড্রইংগ ও
ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে।
*
কবি স্বপ্ন মধুকর -  জন্মগ্রহণ করেন বিহারের
আরারিয়া শহরে।  কবির আসল নাম স্বপন কুমার
রায়।  পিতা  অহিভূষণ রায় এবং মাতা নিরুপমা
দেবী।  পিতা  ছিলেন  ব্রিটিশ  আমলের  ডিস্ট্রিক্ট
বোর্ডের এল.এম.এফ ডাক্তার
(Licentiate of Medical
Faculty)
। দেশ স্বাধীন হওয়ার কিছু বছর পর তাঁর
চাকরিতে ঘন ঘন বদলি হতে থাকে।  পরিবার বড়ছিল, তাই  সবাইকে  নিয়ে নিজের কাছে রাখা সব সময়
সম্ভব হতো না।  এই  বদলির চাকরিতে বীতশ্রদ্ধ হয়ে তিনি একদিন  রেগে-মেগে  চাকরিতে রিজাইন  করে
প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করতে শুরু করেন। কবি তখনো ছোট।

তখন তাঁদের বাড়ীর কাছে গার্লস  স্কুল বলে কিছু ছিল না। কাজেই বড়দিকে তাঁর জ্যেঠিমা কলকাতায় এনে
ম্যাট্রিক পাস করিয়েছিলেন। আর মেজদি শান্তিনিকেতন থেকে পাস করে আরারিয়ার মিডিল স্কুলে টিচারের
চাকরি পেয়েছিলেন। বাকি তিন দিদির জন্য কবির পিতা অহিভূষণ রায়, দেড় বিঘা জমি দান ক’রে, নিজের
তত্বাবধানে কাঁচা বেড়ার স্কুল ঘর তৈরী করিয়েছিলেন।  চাঁদা  তুলে  চ্যারিটি ফান্ড গড়ে, সেই ফান্ডের টাকা
দিয়ে স্কুল চলত।  তাঁরই প্রচেষ্টায়  তখন হিন্দির সাথে সাথে স্কুলে, বাংলা মিডিয়ামও শুরু হয়েছিল। কমিটি
গঠন হয়েছিল।  সেই কমিটির সিদ্ধান্তে স্কুলের নাম করণ হয় "গার্লস হাইস্কুল"। সেই স্কুলেই প'ড়ে কবির তিন
দিদি ম্যাট্রিক পাস করেন।  বর্তমানে সেই স্কুলের  তিন  তলা  পাকা দালান হয়েছে। পরবর্তীকালে স্কুলটিকে
পুরোপুরি সরকারি স্কুলে পরিণত করা হয় এবং স্কুলের নাম পাল্টে "আরারিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়" রাখা
হয় এবং তা  হিন্দি মিডিয়ামে  রূপান্তরিত  করা হয়।  কেবল  মাত্র বাঙালীদের জন্য  মাতৃ-ভাষা পড়ানোর
ব্যবস্থা করা হয়।
কবি স্বপ্ন মধুকরের শিক্ষাজীবন     
কবি স্বপ্ন মধুকরের কর্মজীবন    
কবি স্বপ্ন মধুকরের বাংলা কবিতা    
मिलनसागर में कवि स्बप्न मधुकर का हिन्दी कविता   
কবি স্বপ্ন মধুকরের কর্মজীবন -                                                        পাতার উপরে . . .   
কলেজ পাশ করার পর কবি কলকাতায় পাকা-পাকি ভাবে বসবাস শুরু করেন। চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত
ফ্রিল্যান্স ড্রয়িং করে টুক-টাক উপার্জন করতেন আর খ্যাতনামা গানের শিল্পী অমরনাথ মুখার্জির সুরে
হিন্দিতে গান লিখতেন। তারপর কলকাতায় অনেক ছোট-বড় কম্পানিতে চাকরি করে শেষে "গন্টারম্যান-
পাইপার্স (প্রাঃ) লিমিটেড কম্পানিতে চাকরি শুরু করেন। লক্ষ্মী নিবাস ইস্পাত গ্রুপের মিত্তলদের, রোল
ফাউন্ড্রিতে প্রায় ২২ - ২৩ বছর কোয়ালিটি কন্ট্রোল বিভাগে, ইন্সপেকশনে অ্যাসিস্টেন্ট ম্যানেজার পদে
কাজ করেন। সেখান থেকে অবসর গ্রহণ করার পরে তিনি টাটা গ্রুপের একটা সিস্টার কোঃ তে ২০১৭ - ১৮
সাল পর্যন্ত কাজ করেন। বর্তমানে কবির নিবাস দক্ষিণ কলকাতার ঠাকুরপুকুরে।
*
কবি স্বপ্ন মধুকরের কবিতা -                                                           পাতার উপরে . . .   
বিজ্ঞানের ছাত্র হওয়া সত্বেও তিনি বাংলা ও হিন্দি সাহিত্যের অনুরাগী ছিলেন। কলেজ পাশ করার পর
কিছুকাল তিনি খ্যাতনামা গীতিকার-সুরকার সুধীন দাশগুপ্তর শিষ্য শিল্পী অমরনাথ মুখার্জির সুরে হিন্দিতে
ভজন, গীত ও গ়জল লিখেছিলেন।

তারও আগে বিহারের  বীরপুর  কলেজে  পড়াকালীন কোন একটি হিন্দী সাহিত্য জলসা বা কবি-সম্মেলনে
অংশগ্রহণ করে তাঁর একটি স্বরচিত হিন্দী কবিতা পাঠ করেছিলেন। সেই কবিতাপাঠ শুনে তাঁর কলেজের
কলা বিভাগের স্বনামধন্য অধ্যাপক  ডঃ দীনদয়াল মিশ্র “বিপ্র”,  ভীষণ  খুশী  হয়ে  কবিকে  জড়িয়ে  ধরে
বলেছিলেন, “এই ছেলেটির হিন্দী সাহিত্যে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়। স্বপন, সমাজের সব পরিবেশ, পরিস্থিতি ও
ক্ষেত্র থেকে রস তুলে আনতে সক্ষম। তাই আমি এর নাম রাখছি “স্বপ্ন মধুকর”। এর মধ্যে আমি সমাজের
দর্পণ দেখতে পাচ্ছি।” সেই থেকে কবির নাম হয় “স্বপ্ন মধুকর”। বাংলা কবিতার ক্ষেত্রেও তিনি এই নামই
ব্যবহার করেন।

কবি বলেন যে তাঁর সারা জীবন কেটে গেছে কেবল রুজি-রুটির চক্করে! এখন পর্যন্ত তাঁর কোনও কাব্যগ্রন্থ
প্রকাশিত হয়নি এবং মানুষের ভালবাসা ছাড়া কোনও পুরস্কার
বা সম্মাননা তাঁর এখনও জোটে নি।
*