আমরা  মিলনসাগরে  কবি মোজাম্মেল হকের কবিতা তুলে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে পারলে এই
প্রচেষ্টার সার্থকতা।



উত্স -   
  • সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু, "সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান ১ম খণ্ড", ৫ম সংস্করণ, ২০১০।
  • বাংলা উইকিপেডিয়া ওয়েবসাইট।


কবি মোজাম্মেল হক্-এর কবিতার মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন



আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতার প্রথম প্রকাশ - ১৮.৪.২০২১                                                            ^^ উপরে ফেরত   
...
কবি মোজাম্মেল হক্  -  জন্মগ্রহণ করেন নদীয়া জেলার শান্তিপুরের বাউইগাছি গ্রামে।  পিতা
নাসিরউদ্দিন আহমেদ।
 স্যার আজিজুল হক কবির জ্যেষ্ঠ পুত্র। কবি খ্যাতনামা সাহিত্যিক ও "মোসলেম
ভারত"
পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

১৯০৯ সালে তিনি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায়, আবু আল-কাসিম ফিরদৌসির “শাহনামা” অনুবাদ করেন।
এছাড়া তাঁর রচনাসম্ভারে কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে “কুসুমাঞ্জলি” (১৮৮১), “অপূর্ব দর্শন” (১৮৮৫), “প্রেমাহার”
(১৮৯৮), “হজরত মুহাম্মদ” (১৯০৩),  “জাতীয় ফোয়ারা” (১৯১২), “ইসলাম সঙ্গীত” (১৯২৩) প্রভৃতি।


অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে “মহর্ষি মনসুর” (১৮৯৬), “ফেরদৌসি চরিত” (১৮৯৮), “তাপস কাহিনী” (১৯১৪),
“খাজা মইনউদ্দিন চিশতি” (১৯১৮), “হাতেমতাই” (১৯১৯), “টিপু সুলতান” (১৯৩১), “শান্তিপুরের রাসলীলা”
প্রভৃতি। তাঁর উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে “জোহরা” (১৯১৭) ও “দরফ গাজি খান” (১৯১৭)।

তাঁর সম্পাদিত পত্রিকার মধ্যে রয়েছে “শান্তিপুর” মাসিকপত্র, “লহরী” ও “মোসলেম ভারত” পত্রিকা।
কবি
নজরুল ইসলামের
, বাংলার সাহিত্যাকাশে ধূমকেতুর মতো উত্থান ঘটেছিল এই “মোসলেম ভারত” পত্রিকায়
তাঁর লেখা প্রথম প্রকাশিত হয়ে।

রায়বাহাদুর দীনেশচন্দ্র সেন, সর্বপ্রাচীন বাংলা ভাষায় শ্রীচৈতন্যের অনুগামী গোবিন্দ কর্ম্মকারের লেখা
চৈতন্যজীবনী, “গোবিন্দদাসের করচা” গ্রন্থটি সম্পাদনা করার সময়ে কবি মোজাম্মেল হকের লেখা নদীয়ার
ইতিহাস এবং অবস্থান সম্বন্ধে আলোচনার উদ্ধৃতি দিয়েছেন ওই গ্রন্থের টীকায়।