কবি শঙ্খ ঘোষ স্মরণে দেয়ালিকা
.
দেয়ালিকার শেষ প্রান্তে যেতে>>>
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে স্ক্রল করে!
This page scrolls sideways - Left - Right !
.  যে কোনো কবিতায় ক্লিক্ করলেই সেই কবিতাটি আপনার ব্রাওজারের ডান দিক ঘেঁষে ফুটে উঠবে
ছড়া,
সে যে কোন ধরণেরই হোক না কেন, এই দেয়ালে তুলতে
হলে আমাদের কাছে নিচের ইমেলে পাঠাবেন। আমাদের
ওয়েবসাইটের সম্পাদক মণ্ডলীর অনুমোদন সাপেক্ষে
আমরা তা তুলে দেবো।

সোশিয়াল মিডিয়ার দৌলতে অনেক অনবদ্য সুন্দর
কবিতা আমরা পাচ্ছি। কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই
কবির নাম জানা যায়না। সঠিক কবির নাম জানালে
আমরা সেই কবিতার পাশে কবির নাম-প্রেরক কে
কৃতজ্ঞতা জানাবো।

আমাদের ই-মেল:
srimilansengupta@yahoo.co.in    

তাহলে আর দেরী কেন?
ছড়ার ছররা ছড়িয়ে,
দেয়াল তুলুন ভরিয়ে...!
.                                                      রাজেশ দত্ত     
কবিদের পাতায় যেতে তাঁদের নামের উপর ক্লিক করুন
পাঁজরে দাঁড়ের শব্দ - বিপুল চক্রবর্তী
শিরদাঁড়া - আর্যতীর্থ
আলো পড়ে আসা গোধূলি বেলার বাঁক - ইউনিট থিয়েটার
একটা ভালো কবি - আর্যতীর্থ
ভীষণ প্রিয় হলেও তবু ছাড়তে হয় - শুভদীপ চক্রবর্তী
বি - অনুপ মুখোপাধ্যায়
শঙ্খ ঘোষ কবি - দুষ্টকবি
একটি পাখি, খাঁচা ছিল না, শঙ্খ ঘোষ নাম - ফিদা হুসেন
হাপ্রস্থান - বাবলু গিরি
কেঁদে নেব প্রতিটি স্মরণে - নীলিম গঙ্গোপাধ্যায়
পদচিহ্ন পড়ে থাকে বারান্দা জুড়ে - অনুপম বসু
দাহ - শ্রীজাত
মোহ - শ্রীজাত
শ্রীচরণকমলেষু - বীথি চট্টোপাধ্যায়
শঙ্খ কবি - তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য
পাঞ্চজন্য - দেবেশ ঠাকুর
পাঞ্চজন্য - অশোক চক্রবর্তী
কবিতা মানুষ - মনামী ঘোষ
পায়ের মুদ্রা - অজিত বাইরী
নিজের আখের গুছিয়ে যারা - অতনু বর্মন
স্যর ২ - সুতপা সেনগুপ্ত
শঙ্খ বিহীন - ঋতশ্রী মজুমদার
.
.
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে কবির পাতা
কবির মূল সংগ্রহ
এখানে তোলা হয়েছে  ২১.৪.২০২১
শিরদাঁড়া  কবি আর্যতীর্থ

বাংলার শেষ শিরদাঁড়া, তোমায় সেলাম।
কলমের পায়ে এই ফুল রাখলাম।
এই অন্ধতা যুগে জেগে থাকা চোখ,
চলে গেলে, কোনখানে রাখবো এ শোক?
বলবে কে এখন আর আমাদের কথা?
ক্ষমতার বকশিসে জোটে নীরবতা
অথবা ফুলেল তেলে মাখা চাটুগান,
ওড়াবে কে সত্যের সটান নিশান?
ভাবনায় বাঁধ আজ, পদে পদে বাধা,
জরিমানা জারি করে কথার পেয়াদা।
অসময়ে কেউ নেই কবিতার পাশে
এবারে খুঁজবো দিক কোন কম্পাসে?
অবশ্য এই যাওয়া ঠিক যাওয়া নয়,
অমলিন কবিতারা জ্বলে অক্ষয়।
তবে আর কেন কাঁদি একলা হলাম,
শরীর তো সকলেরই  আয়ুর গোলাম।
হারাবো না শিরদাঁড়া, এ  কথা দিলাম।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা. . .    

এখানে তোলা হয়েছে  ২১.৪.২০২১
<<<এই দেয়ালিকার
<<< শুরুতে ফিরতে
.
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
ইউনিট থিয়েটার
ফেসবুক . . .    
মিলনসাগরে ইউনিট থিয়েটারের প্রাণপুরুষ
কবি অসীম ভট্টাচার্যর কবিতার পাতা . . .    

এখানে তোলা হয়েছে  ২১.৪.২০২১
আলো পড়ে আসা গোধূলি বেলার বাঁক
ইউনিট থিয়েটার
·
আলো পড়ে আসা গোধূলি বেলার বাঁক,
পেরিয়ে এসেছো সময়ের জনপদে,
তবু বিহঙ্গ অনন্ত পুরের ডাক,
নদী ছুঁয়ে থাকা কোমল অস্তহ্রদে।
আসা আর যাওয়া কালের গভীরে লীণ,
পদ্যের র খাতা দুঃসহ অপচয়,
কবিতার কাছে যতটুকু ছিল ঋণ,
মৃত্যু র কাছে জমা ছিল সংশয়।
মন খারাপে কবির কাছে যাই,
আওড়ে গিয়েছি সুসভ্যতা র দোষে,
স্পন্দনহীন প্রাণের পরের লাইন,
আটকে থেকেছে নিথর শঙ্খ ঘোষে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
কবি আর্যতীর্থ
মিলনসাগরে কবির পাতা
কবির মূল সংগ্রহ

এখানে তোলা হয়েছে  ২১.৪.২০২১
একটা ভালো কবি  কবি আর্যতীর্থ

শবযাত্রাতে গিয়েছে কয়েকজনই,
শোকের মিছিল নামবেনা আজ পথে
কলমের কাছে যেসব কলম ঋণী,
ভাইরাস নুন ঘষেছে তাদের ক্ষতে।
বাইরে সূর্য পুড়িয়ে দিচ্ছে সব,
উস্কে দিচ্ছে পোড়া বটটার স্মৃতি
অন্তিমে এসে ভীষণ একাকী শব,
জীবনেও যার গতি ছিলো বিপরীতই ।
একটা ভালো কবির মৃত্যু হলো,
অপাঠক লোকে অশ্রাব্য শোকে মাতে,
আহা বেচারিকে কেউ একটা গিয়ে বলো,
তেমন ক্ষমতা নেই মরণের হাতে।
অমরকে আর কিভাবে মারবে কে রে?
পার্থিব গেলে কথা মরে যায় বুঝি?
কান পেতে শোনো , আওয়াজ উঠছে বেড়ে,
শঙ্খধ্বনিতে কাঁপে সব গলিঘুঁজি।
যবনিকা নয়, বিরতি ধরতে পারো,
যোদ্ধারা দ্রুত ঝালিয়ে নিচ্ছে পাঠ,
শিবিরে শিবিরে কুশীলব জোটে আরো,
জাগছে আবার কুরুক্ষেত্র মাঠ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
শঙ্খ পড়লে শিরদাঁড়া ওঠে জেগে,
হামাগুড়ি দেওয়া মানুষও দাঁড়ায় সিধে,
মৃত বলে যাকে সমকাল দিলো দেগে,
আবার সে বাঁচে শেষ লড়াইয়ের জিদে।
শঙ্খের ঘোষ ওই শোনো নানাদিকে,
চিত্তের প্রিয় কবিতারা পায় স্বর,
বেচারি সূর্য বোঝে আজ সেও ফিকে ,
শঙ্খের তেজ তার চেয়ে ভাস্বর।
কত ভালো কবি নিক অপাঠক শিখে,
শঙ্খ বাজছে এখন সবার ঘর।
.
কবি শুভদীপ চক্রবর্তী
সুদীপ ভট্টাচার্যর ফেসবুক থেকে . . .

এখানে তোলা হয়েছে  ২১.৪.২০২১
ভীষণ প্রিয় হলেও তবু ছাড়তে হয়
কবি শুভদীপ চক্রবর্তী

ভীষণ প্রিয় হলেও তবু ছাড়তে হয়
অনন্তকাল সাজিয় রাখা যায় না তো
বুকের মধ্যে পাথর রাখাও জানতে হয়!
বৃক্ষ বলেন, "আজব ভারি বায়না তোর..
এই যে আমার হাতের মুঠি আলগা দিই
পালিয়ে যাবার সাহস আছে তোর কাছে?"
দ্বৈত কলম। আগুন এবং আহ্লাদী.......
তিনিই পারেন জুড়তে সোহাগ নিম গাছে!
এখন কেবল চোখের ঘেরায় বন্দী নেই
এখন তিনি আকাশ দেখেন দূর থেকে...
ঈশ্বরীদের নাম যিনি দেন নন্দিনী
তাঁকেও কেমন চুপ হতে হয় সুর থেকে!
অনন্তকাল সাজিয়ে রাখা যায় না তো।
নিদ্রাবিহীন রাত্রি বলে, "আঙুল চোষ..."
এবার তিনি অমর হলেন। অমর্ত্য
চিরস্থায়ী তোমার আমার শঙ্খ ঘোষ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
কবি অনুপ মুখোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির গণসঙ্গীতের পাতা . . .  


এখানে তোলা হয়েছে  ২১.৪.২০২১
কবি
কবি অনুপ মুখোপাধ্যায়

ছন্দের খোদা
শংখদা
আলবিদা......
#
যে রঙই বসুক তখতে
গোলামীর লেশ নেই রক্তে
বিবেকের বজ্রনির্ঘোষ
কবি শংখ ঘোষ
আর হবে না দেখা......
---------------
অনুপ মুখোপাধ্যায়, ২১.৪.২১
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
দুষ্টকবি
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .  

এখানে তোলা হয়েছে  ২১.৪.২০২১
.
কবি ফিদা হুসেন
ফেসবুক পাতা . . .  


এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৪.২০২১
একটি পাখি, খাঁচা ছিল না, শঙ্খ ঘোষ নাম
কবি ফিদা হুসেন

একটি পাখি, খাঁচা ছিল না, শঙ্খ ঘোষ নাম,
একটি পাখি, খাঁচা নিল না, চিত্তপ্রিয় ঘোষ,
কথা রেখেছিল পৃথিবী তার,
করে দিয়েছিল নরক বসত তাহার।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে উন্নয়ন তাকে করেছে প্রণাম,
বেঁধে বেঁধে থেকে বিকাশবাবুর বাড়িয়েছে আক্রোশ,
যমুনাবতী সরস্বতীর আগুন
নিয়ে,বাবরের প্রার্থনা গুনগুন
গেয়ে, বিরক্ত হয়ে, অমন বুকে আগলে রাখা
মুসাফিরখানা হঠাৎ করিয়া ফাঁকা
উড়ান দিল সে, আলোর পাখি সে,
মাওবাদী,আলোকবর্ষ পথে
হাওয়ায় হাওয়ায় গিরিপর্বতে, সৈকতে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি শঙ্খ ঘোষ
(৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩২ - ২১ এপ্রিল, ২০২১)

মিলনসাগরে কবি শঙ্খ ঘোষের কবিতার পাতায় যেতে
উপরে কবির ছবিতে অথবা
এখানে ক্লিক করুন . . .
.
কবি বাবলু গিরি
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .  


এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৪.২০২১
মহাপ্রস্থান
কবি বাবলু গিরি

এ কোন নিস্তব্ধ যাত্রা
মহামৃত‍্যুর দ্বারে, এ কেমন যাত্রা-
মহাপ্রস্থানের পথে, সৃষ্টির শঙ্খ বাজিয়ে ।
বাজুক শঙ্খ নিনাদে, অক্ষরে,
মহাপৃথিবীর ঘরে ঘরে।
যাত্রা করো যাত্রা করো হে মহা মানব,
আবার জন্ম নিতে হবে কোনো এক অক্ষরমণ্ডলে ।
বাজুক শঙ্খ, সাজাও অমৃতলোক,
ওই আসছেন অক্ষর ও শব্দ নিয়ে,
বরণ করো মহাযজ্ঞে, শঙ্খের নিনাদে ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
কবি অনুপম বসু
কবির ফেসবুক . . .  

এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৪.২০২১
পদচিহ্ন পড়ে থাকে বারান্দা জুড়ে
চিতাকাঠ শুষে নেয় ছন্দের বিছানা
তবু থাকে অলক্ষ্য মেরুদন্ড এক
চিতা জানে-বিপণন শব্দ সে এখনও মানে না॥
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
কবি নীলিম গঙ্গোপাধ্যায়
কবির ফেসবুক . . .  

এখানে তোলা হয়েছে  ২৪.৪.২০২১
কেঁদে নেব প্রতিটি স্মরণে
এতো মৃত্যু একটি মরণে!
.
কবি শ্রীজাত
কবির ফেসবুক . . .  
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .  


এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৪.২০২১
দাহ  কবি শ্রীজাত
এখনও দু’হাতে ধানের গন্ধ লেগে
এখনও দু’পায়ে দেশকালহীন মাটি
আগুন লেগেছে বিকেলের স্থির মেঘে...
এখনও ভাবছি, তোমার সঙ্গে হাঁটি।
তুমি তো আমার লেখা দেখানোর মন।
তুমি তোলো চোখ, তবে হয় দিক চেনা
এবারে কঠিন অপেক্ষাভঞ্জন
যখন সত্যি তুমি আর ফিরবে না।
তাহলে কান্না কার কাছে নিয়ে যাব?
তবে আশ্রয় কে দেবে, বারংবার?
খোলা জানলায় আকাশ হরিদ্রাভ,
কেবল সে-ঘরে বসে নেই তুমি আর...
ধুলো নিয়ে ফেরা তীর্থের নামে আজ
সে-ঘরটুকুই পৃথিবীর মতো ঘোরে...
দিনরাত্রির আলোছায়া কারুকাজ
আমাকে দেখায়, কবিতার এ-শহরে -
সন্ধের গায়ে সূর্যাস্তের দাহ
রাত্রে উড়বে চিরকালীনের ছাই...
তোমার না-থাকা, সেও এক অবগাহন
যেটুকু না-পাওয়া, তোমাকে সেটুকু পাই।
এ কেমন ঘোর, শান্ত ও বেসামাল?
সে-দ্বিধা কেবল ভেঙে দিতে পারে ঘুমই।
যেন-বা আমারই মৃত্যু হয়েছে কাল
দূর থেকে এসে শিয়রে বসেছ তুমি...
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
কবি শ্রীজাত
কবির ফেসবুক . . .  
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .  


এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৪.২০২১
মোহ কবি শ্রীজাত

মাটি নিজের ধর্ম রাখে ক্ষমায়।
আমরা দেখি দূরের পরিক্রমায়
যেমন ছবি পাঠায় উপগ্রহ,
এই যে বাঁচা সন্ধানে সন্ধানে
শব্দ ছাড়া কী ছিল, তার মানে?
কাব্য ছাড়া কী হতো, তার দ্রোহ?
আজ একজন নিজের জীবন লিখে
রাখল পালন অক্ষরে, সবদিকে।
তার প্রতি তাই সমস্ত সম্মোহ।
এবার যেন অন্ত হলেই ভাল।
শরীরে বাঁধ, আরুণি উদ্দালক
বরণ করুক জলের অবরোহ...
গ্রন্থ থেকে গ্রন্থি এনে শিরায়
ভাসলো মাটি গহনে, গম্ভীরায়
এখন আমার একটি কেবল মোহ –
যাব যখন শেষ আগুনের বাঁকে,
তখন যেন বুকের ওপর থাকে
শঙ্খ ঘোষের কবিতাসংগ্রহ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
কবি বীথি চট্টোপাধ্যায়
কবির ফেসবুক . . .  
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .  


এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৪.২০২১
শ্রীচরণকমলেষু
কবি বীথি চট্টোপাধ্যায়

হৃদকমলে লেগেছে আজ চরাচরের ধুম
বন্ধ হোল শঙ্খ ঘোষের রঙিন ক্লাসরুম।
চলে গেলেন পড়ানো থেকে হঠাৎ ছুটি নিয়ে
গলির মোড় দাঁড়িয়ে আছে একলা হয়ে গিয়ে।
ক্লাসরুমটা ফাঁকা সেখানে হাজার মুখ ছাওয়া
শূন্য চেয়ার; অজস্র বই, যাওয়া তো নয় যাওয়া।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
কবি তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য
কবির ফেসবুক . . .  


এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৪.২০২১
শঙ্খ কবি কবি তন্দ্রা ভট্টাচার্য্য

অকাল বৈশাখী  ঝড়
ধার করেছে শ্রাবণ মেঘের ঘর
প্লাবন  এলো দুচোখ ভরে
ঐ আকাশ  কার্পাস তুলোর দেশে
কে যেন যায়  ভেসে? ব‍্যাকুল চোখে দেখি
কবি হাসেন নীরব থাকার দেশে।
ছড়ানো কাব‍্য ভার বট বৃক্ষ স্নেহ  পারাবার
ধুম্র  মেঘের মায়াজাল কবিতা লেখে
অশ্রুরেখা জল।
শেষের রেশের কবিতা পড়বোনা আর আজ
"নিভন্ত এই চুল্লীতে "  কে দিয়েছে আঁচ?
দূরে কোথায়    যেন শঙ্খ বাজে
কান্না ভেজা হাওয়ার মাঝে
নক্ষত্রের কায়া পতন পড়ে আছে আলো
ছায়া পথ।  আকাশ পথে পাড়ি দিল
শঙ্খ কবির কবিতা রথ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
.
কবি দেবেশ ঠাকুর
কবির ফেসবুক . . .    
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   

এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৪.২০২১
পাঞ্চজন্য (শ্রী শঙ্খ ঘোষ শ্রদ্ধাভাজনেষু)
কবি দেবেশ ঠাকুর

শঙ্খ বেজে যুদ্ধ শুরু, শঙ্খ বেজে শেষ
মহাভারতের কথা অমৃত সমান
যা আমার অষ্মিতা তাই বিদ্বেষ
এখানে বর্জ্য জমে পর্বতপ্রমাণ।
সকলেই কৃপাভুক,পণ্যভুক নয়
মেরুদণ্ড কারো কারো সজনের ডাঁটা
কোনো শঙ্খ পাঞ্চজন্য,অনন্তবিজয়
যে দেশে কলম-ই শাক হামাগুড়ি হাঁটা।
তোমাকে দেখেই ভাবি আছে প্রাণ আছে
শিরদাঁড়া সোজা রেখে সিধে হাঁটা যায়
চমস্কির পাতা থেকে জল আর মাছে
ছায়া কি নিজেই নাচে?রোদ্দুর নাচায়!
তুমি এই সময়ের রৌদ্রস্নাত মুখ
তুমি এই তমসায় একমাত্র দ্যুতি
বড়ো বিপন্নতা কবি, স্নায়ুতে অসুখ
খুলব হাড়ের মালা?শ্রীবঙ্গের পুঁতি!
বিনম্রতা এত শক্ত,এত তৃণবৎ
সহিষ্ণুতা তরুবৎ- নির্বাক মুখ
বর্ণপরিচয়ে দাও শব্দ-শপথ
কলম ছুঁলেই সারবে হাড়ের অসুখ।
তোমার বিদায় নয়, স্বাগত জীবন,
গান্-স্যালুটের অস্ত্রে 'উন্নয়ন' গান
নৈ:শব্দ আজকে হোক তোমার ভুবন
অবরুদ্ধ যন্ত্রনার চাপা অভিমান।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি অশোক চক্রবর্তী
কবির ফেসবুক . . .     

এখানে তোলা হয়েছে  ২৫.৪.২০২১
.
পাঞ্চজন্য (শঙ্খ ঘোষকে) কবি অশোক চক্রবর্তী।
২০০৯/১০ সালে শঙ্খ ঘোষ লালবাজার (পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ সদর দফতর) অভিযান করে কিছু
নাম করা কবি ও শিল্পীদের মুক্ত করে আনেন। এই কবিতাটি তার পরে লেখা হয়েছিল।

আমরা নিজস্ব কাজ ফেলে রেখে এসেছি মিছিলে
মিছিলে এসেছি আর করজোড়ে মিনতি করেছি
আর কেন রক্তপাত হে প্রভু এবার ক্ষ্যামা দাও
বাইরে ঠ্যাঙাড়ে আর অন্তরঙ্গে শ্রমিক বিপ্লব
আমরা সকলে মিলে বলেছি কাতর অনুনয়ে
এবার থামাতে হবে মানুষ মারার উৎসব
সেকথা শুনেও তবু নাগরিক শান্তিরক্ষীদল
অস্ত্র ও বন্দুক তুলে হেসে বললে---আরে আহাম্মক

আমাদের নেতা নেই দলপতি কখনো ছিল না
আমরা কারোর জন্য কোনদিন কিছুই করিনি
কেবল দেখেছি কত বালবৃদ্ধ তরুণ তরুণী
প্রাণ দিল দেহ দিল গুণ্ডারক্ষীদের হাতে তুলে
তাদের ঘনিষ্ঠ মুখ, অসহায় দূরদর্শনের
মধ্যে দেখে মনে হল আমাদের দায়বোধ আছে
কাউকে ভাকিনি তবু সকলেই কি করে জেনেছে
লালবাজার থেকে আর চৌরিঙ্গী ও নন্দন চত্বরে

রাস্তার ধারে বসে পার্থ, আলি, চান্দ্রেয়ী রসুল
পরস্পরের সঙ্গে দুঃখের আগিনে হাত সেঁকে
হঠাৎ কি করে যেন কালো কালো পুলিশের গাড়ি
লাঠি চার্জ ধরপাকড়, শান্তি চাও! জেলে চল ঘুঘু
জেলের সম্মুখে বাজে পাঞ্চজন্য, শান্ত উচ্চারণে---
ছেড়ে দাও। সেই শব্দে এমনকী পাতাও নড়ে না
তথাপি জেলের দ্বার খুলে গেল হিং টিং ছট
একান্তে কামনা করি---হে সময় সংবিৎ ফেরাও
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি মনামী ঘোষ
মিলনসাগরে কবির কবিতা ও
বৈষ্ণব পদাবলীর পাতা . . .   
কবির ফেসবুক . . .     

এখানে তোলা হয়েছে  ২৬.৪.২০২১
.
কবিতা মানুষ
কবি মনামী ঘোষ

বাবুদের লজ্জা হল?
মেয়েদের পাড়ায় পাড়ায়
ধারালো শব্দ মিছিল
কষাঘাত,  বিবেক নাড়ায়!

শঙ্খ স্তব্ধ হল?
কবিতার ঢেউ কি থামে?
তোমার ওই চাবুক কলম
প্রতিবাদ অন্য নামে

এতো যে কথা বলি
তার চেয়ে শব্দহীনই
স্তব্ধ বাঙ্ময়ওতো
তার কাছে শব্দ ঋণী

কবিতায় মূর্ত ছিল
শব্দে ছন্দে গাঁথা
বোধে সেই বিমূর্ততা
মশাইয়ের এ কলকাতা
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি অজিত বাইরী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বির ফেসবুক . . .    

এখানে তোলা হয়েছে  ৩০.৪.২০২১
.
পায়ের মুদ্রা
কবি অজিত বাইরী

বাতি হাতে থেকেছো সর্বদা পুরোভাগে;
শর্তহীন ছিলে একমাত্র কবিতার সত্যের কাছে।
অক্ষমের উপহাস আর নিঃশব্দ তর্জনীর সামনে
দাঁড়িয়ে থেকেছো অটল বিটপীর মতো।
আজ শূন্যতা বুকে বড় বাজে;
যেন মহাসমুদ্রের থেমে গেছে শঙ্খনাদ।
যে মাটিতে রেখেছিলে পা, বহুকাল পরেও
থেমে থেমে যাবে তোমার পায়ের মুদ্রা।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি অতনু বর্মন
কবির ফেসবুক পাতা. . .    

এখানে তোলা হয়েছে  ১৬.৫.২০২১
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি সুতপা সেনগুপ্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কবির ফেসবুক . . .    

রচনা ১০.৫.২০২১
এখানে তোলা হয়েছে  ১৭.৫.২০২১
.
স্যর ২  
কবি সুতপা সেনগুপ্ত

আলোকবর্তিকার পাশে তুমিও দাঁড়াও
তোমার চোখের জল বাষ্প হয়ে মিশে যায়
এক দেহ থেকে অন্য দেহে
প্রপঞ্চ এমনই
তার কোনও লোকসান নেই
তুমি শুধু অন্ন বস্ত্র গৃহ মনে
আন্দোলিত নাজেহাল তটের বালুকা
জীবন মরণ নিয়ে
একটিকে হেলা কর, অন্যটিকে বাধা দাও
তবু বাষ্প থাকে, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি
যা প্রপঞ্চ থেকে কেড়ে
তোমারই প্রগাঢ় উপহার
নিজেকে
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দেয়ালিকার শেষ ছড়াটিতে যেতে>>>
কবি ঋতশ্রী মজুমদার
কবির ফেসবুক . . .    

রচনা ১..২০২১
এখানে তোলা হয়েছে  
৩১.৫.২০২১
.
শঙ্খ বিহীন কবি ঋতশ্রী মজুমদার
আমাদের পথ গেছে থেমে
শব্দেরা মুখচোরা আজ
আমাদের ভালো নেই মন
শঙ্খ বিহীন এল সাঁঝ।
এ সাঁঝের কাব্যিক নামে
শব্দেরা করে কোলাকুলি
শব্দহীন বিপন্ন সময়ে
ঘুমিয়েছে হরবোলা বুলি।
আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি
খুলে চোখ মেপে নিই জল
নিলামে ওঠেই যদি আজ
শব্দের অকূল অতল!
তবে তুমি রয়ে যাবে কবি
উদ্বায়ী নশ্বর দেহ-
স্রষ্টারা কবে আর বল
ছেড়ে যায় সৃষ্টির গেহ?
সৃষ্টিরা যায় নাকো থেমে
শুধু, নির্বাক শব্দের ধার-
আয়ু লিখে রেখে যায় তবু
ভগ্নিল এ নদীর পাড়।
ভালো থেকো অমৃতলোকে
মৃতেরা ফেরেনা- তবু জানি
নিরলস চির শব্দেরা
বয়ে নেবে তব তরীখানি।