| করোনা ভাইরাস ও পরিযায়ী শ্রমিকের দেয়ালিকা |
| দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে লিখি কথা | আমি যে বেকার, পেয়েছি লেখার স্বাধীনতা || |

| এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে স্ক্রল করে! This page scrolls sideways - Left - Right ! |
| ছড়া, সে যে কোন ধরণেরই হোক না কেন, এই দেয়ালে তুলতে হলে আমাদের কাছে নিচের ইমেলে পাঠাবেন। আমাদের ওয়েবসাইটের সম্পাদক মণ্ডলীর অনুমোদন সাপেক্ষে আমরা তা তুলে দেবো। সোশিয়াল মিডিয়ার দৌলতে অনেক অনবদ্য সুন্দর কবিতা আমরা পাচ্ছি। কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কবির নাম জানা যায়না। সঠিক কবির নাম জানালে আমরা সেই কবিতার পাশে কবির নাম-প্রেরক কে কৃতজ্ঞতা জানাবো। আমাদের ই-মেল: srimilansengupta@yahoo.co.in তাহলে আর দেরী কেন? ছড়ার ছররা ছড়িয়ে, দেয়াল তুলুন ভরিয়ে...! . রাজেশ দত্ত কবিদের পাতায় যেতে তাঁদের নামের উপর ক্লিক করুন |
| |||||


| চীন অথবা আমেরিকা থেকে শুরু হওয়া করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের লড়াই, মানুষের জীবন, ভয়, আতঙ্ক, কান্না, হাসি, ঠাট্টা, সুখ-দুঃখ এবং সতর্কতা - তাই নিয়ে এই পাতার ছড়া ও কবিতা |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| শেকল ছেঁড়ো কবি আর্য তীর্থ চেন ভেঙে দাও ,শেকল ছেঁড়ো সাবান দিয়ে, চৌকাঠে দাও দুষ্টুরোগের রথ থামিয়ে। ট্রেনে বাদুর, বাসের ভেতর চ্যাপ্টা চিঁড়ে, ভাইরাসে তো খামচে দেবেই এমন ভিড়ে, ঘরে ফিরে সবার আগে সাবান হাতে, ধোয়ার পরে তবে কথা লোকের সাথে। তোমায় না দেয় ভাইরাস তার দূত বানিয়ে চেন ভেঙে দাও, শেকল কাটো সাবান দিয়ে। তোমার থেকে আমি , আমার থেকে ওর হাতের ছোঁয়ায় ভাইরাসেরা ছুটন্ত খুব জোর। আশেপাশে দেখছো যাদের, শিকলি সবাই, ও পথ দিয়েই নিঃসাড়ে হয় মানুষ জবাই। যেই তুমি যাও রাস্তাঘাটে দোকানপাটে, ঝন ঝন ঝন , তোমার সাথেই শেকল হাঁটে। কোভিড টিবি সব জীবাণুর একই দাওয়াই. না ধুলে হাত নিজের হাতে তাদের খাওয়াই। ভিড়ের থেকে ফিরেই যেও কলের কাছে, হাতটা ধুলেই তোমার থেকে মানুষ বাঁচে। |
| সামনে এলেই বন্ধু যাদের জাপ্টে ধরো এখন তা স্রেফ বোকামি না, ভয়ঙ্করও। বদলে ফেলো সব চুমুদের উড়ুক্কুতে, কয়েকটা দিন প্রেমের রেটিং যাক নিচুতে। হ্যান্ডশেক বা হাই ফাইবও ভুলতে হবে, মোটের ওপর , ভুগবে তারা যারাই ছোঁবে। নমস্কারেও হাত ছুঁয়ে যায় আরেক হাতে, বরং পারো দূরের থেকে হাত নাড়াতে। চাইছে কোভিড আংটা বনো ওর শেকলে চেন ভেঙে দাও, শেকল ছেঁড়ো সাবানজলে। হারবে কোভিড আমরা সবাই একলা হলে। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| করো না, কোরো না কবি আর্য তীর্থ দিন এসেছে রুটিনগুলো বদলে নেবার স্টেজ থ্রি দ্বারে, কে জানে কি হবে এবার। এসো ঘাঁটি রোজনামচার থোড় আর বড়ি ‘করো না’ আর ‘কোরো না’দের লিস্টি করি। দুধের প্যাকেট জলে ধুয়ো আসার পরেই কোথায় কোথায় ছুঁয়ে এলো তা জানা নেই। মোবাইলে তো খবর এখন পাওয়া সহজ বাদ দিয়ে দাও দশ হাত ঘোরা খবর-কাগজ। অ্যামাজন ও সুইগিরা থাক বন্ধ কদিন কাদের ছুঁয়ে কৌটো আসে, বলা কঠিন। ক্যুরিয়ারে ঘর বয়ে খাম নিয়ে এলে না খুলে তা একখানা দিন রেখো ফেলে। কাজের মাসী ঢোকার পরেই সটান কলে হাত ধোবে সে একটা মিনিট সাবান জলে কাজের সময় ধরতে মোবাইল কোরো মানা, ( বলা সহজ, মানবে কত আছে জানা) যে যতবার কলিংবেলে টিং করে যায় ঠিক ততবার বেলটি মোছার রেখো উপায় লিক্যুইড সোপ বা সাবানজলে ভেজা ন্যাতা এখন তা নয় শূচিবাই-এর আদিখ্যেতা। |
দু চারদিনের সবজিবাজার একসাথে হোক ছুঁয়ে দেখে তবেই কেনে ওইখানে লোক। বাড়ি ফিরেই সবজিকে ধোও কলের জলে, নিজের হাতেও সাবান দিতে কেউ না ভোলে। রিমোট মোবাইল কিবোর্ড সাফাই করতে হবে শত্রু তোমার আঙুলডগা চায় নীরবে। সাইকেল বা বাইক এখন তোমার বাহন হাঁটতে শেখো , অটোয় চাপা নয় অকারণ। যাত্রা শুরু এবং শেষে , পারলে ফাঁকে জলে ধুয়ে ছুঁয়ে নিও সাবানটাকে। জিম পুল আর জুম্বা নাচা এখন নিষেধ বাড়লে মাসল ইম্যুনিটির হয় না প্রভেদ। কোচিং ক্লাসকে মারো গুলি এই কটা দিন, ক্রিকেটও বাদ, বাঁচলে পরে তবেই শচীন। বাড়ি ফিরেই পোশাকগুলো ছিটকে ছেড়ে সাবানজলে ফেলো কোভিডচিহ্ন ঝেড়ে। বয়স্কদের হাঁটতে যাওয়াও মুলতুবি থাক পার্কে এখন বেঞ্চিগুলো মাছি তাড়াক। যতই মনে হোকনা এসব শূচিবায়ু, মানলে এসব বাড়বে প্রিয়জনের আয়ু। স্টেজ থ্রি আসে, তৈরী রেখো প্রতি স্নায়ু.. |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন ডঃ সোমেন ব্যানার্জী এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| ভেতর যাও কবি আর্যতীর্থ দেশ ডেকেছে আজকে তোমায়, ঋণ চুকাও বাইরে বিপদ, সব নাগরিক ভেতর যাও। বাঘ বেরোলে নিশুতরাতে যেমন মানা, এই কটাদিন তেমন ভেবেই বেরিওনা, রাস্তা থেকে সব জমায়েত দূর হটাও, দেশকে যদি ভালোবাসো, ভেতর যাও। তত্ত্বকথার বকমবকম অনেক হোলো, দোহাই এবার বাস্তবিকের চোখটা খোলো ভাবছো যদি থাকলে ঘরে চলবে কি আর মরলে তুমি, বিশ্ব ঠিকই চলবে ডিয়ার, ঘরের বাকি লোকদেরও কি সেই দশা চাও? আগে বাঁচো , তারপরে কাজ, ভেতর যাও। শাহীনবাগের এবার ওঠার সময় হলো, মারী থামুক , তারপরে ফের আওয়াজ তোলো করোনা ঠিক বুঝতে চায়না এন আর সি কি তার কাছে এক সবরকমের দাড়ি টিকি খুব বোকামো বাইরে বসে বিরোধিতাও, লড়াই টড়াই পরে হবে, ভেতর যাও। |
| ধার্মিকেরা হপ্তাদুয়েক একলা থাকুন, বন্ধ ঘরে একলা নিজের ইষ্ট ডাকুন। ধর্মস্থানে ঝুলুক কদিন মস্ত তালা ঘরের ঠাকুর পরুন ফুলের ঝুটো মালা নিজেই কেন নিজের বাকি আয়ু কাটাও? আর ক’বছর থাকতে বেঁচে, ভেতর যাও। বাইরে ঘোরে মহামারী , ওষুধবিহীন দোহাই তোমার, ঘরে থাকো এই কটা দিন। লাশের পরে লাশ হয়েছে কত দেশে, কেউ জানেনা সংখ্যা কোথায় দাঁড়ায় শেষে যেচে কেন এই দেশে সেই শঙ্কা বাড়াও? চাইছে ভারত, সব নাগরিক ভেতর যাও। আজকে সবাই দেশপ্রেমের প্রমাণ দাও। |
| কবি রাজেশ দত্ত মিলনসাগরে কবির পাতা রচনা - ২৩.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| করোনায় করণীয় কবি রাজেশ দত্ত নাই বা রাখলে হাতে হাত, অন্তরে হও একসাথ। বন্ধন গড়ো প্রাণে প্রাণে, ভরসা থাকুক বিজ্ঞানে। অজ্ঞানতা, কুসংস্কার ঘুচিয়ে মনের অন্ধকার যুক্তিবাদের আলো জ্বালো, স্বাস্থ্যবিধান মেনে চলো। রুদ্ধ যখন ঘরের দোর --- সংহতি দিক মনের জোর। বন্ধ ঘরেও সজাগ থেকো, মনের জানলা খুলেই রেখো। শৃংখল নয়, শৃঙ্খলা থাক -- আতঙ্ক সব দূর হয়ে যাক। লড়াই চলুক, ভয় কোরোনা। রুখবোই এ মারণ করোনা॥ সবাই ভালো থেকো। সাবধানে থেকো। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| কুশপুতুল কবি আর্যতীর্থ তোমরা বলো যুদ্ধে যেতে, বর্ম নেই। উত্তেজনা আটকে আছে হরমোনেই পুরনো মাস্ক , স্যানিটাইজার গরহাজির, রোজ সকালে আউটডোরে দারুণ ভিড়, শত্রু কোভিড এসব দেখে চনমনেই, আমরা বোধহয় শহীদ হতেই জন্ম নিই। PPE কি হাতের মোয়া, অমনি পাবো ওসব ছাড়াই অগত্যা তাই যুদ্ধে যাবো। যদিও জানি বর্মবিহীন সংগ্রামে, হার নিশ্চিত, যুদ্ধ শুধু ঢং নামে, তবুও কেউ এত কি আর তলিয়ে ভাবো, হারলে পরে সেই তোমাদের ধমক খাবো। |
| আসল ব্যাপার, আমরা শুধু কুশপুতুল, কাঁধের ওপর চাপানো যায় বেবাক ভুল অস্ত্রে খরচ, স্বাস্থ্যখাতে প্রাপ্য ঢুঁ ঢুঁ মানি তো নেই, তাই জুটছে বাণীই শুধু, লড়াই করার সবকিছু আজ অপ্রতুল, ‘ তৈরী ভারত’ , নেতার দেওয়া ভয়াল গুল। লড়াই করতে মানুষ শুধু তৈরী আজ, দিচ্ছে না কেউ মাঠে নামার যুদ্ধসাজ। হাজার কোটির রাফায়েল বা অ্যাপাচে না PPE আর স্যানিটাইজার চাইছে সেনা, ফ্রন্টলাইনে অস্ত্র জোগান রাজার কাজ, ফক্কা সবই, ভুল ছবি দেয় বক্কাবাজ। ঝুটো লাগে গণতালির ওই আওয়াজ। |
| |||||||||||
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| অন্যপক্ষ কবি আর্যতীর্থ রোদ্দুরে কি একটু বেশি আলো? পাখি ডাকে একটু যেন জোরে পৃথিবীও অনেকখানি ভালো, কাশে না আর বুক ধরে রোজ ভোরে। চতুর্দিকে ফুরফুরে ভাব ভারী, গাছরা নানান রঙ মেখেছে চুলে, বাতাস জুড়ে বইছে সুবাস তারই, বেরোয় সবাই আস্তানা দোর খুলে। বেরোয় হরিণ রোজনামচা মেনে, খরগোশেরা গর্ততে নেই মোটে, বেরোয় বাঘও শিকার পাবে জেনে, মোষ সম্বর গায়ে ঘেঁষে ছোটে। বলছে কারা বিশ্ব জুড়ে অসুখ? মানুষ ছাড়া ফাউ নাকি বাদবাকি? হোমো স্যাপিয়েন্স পাংশু করে মুখ, দিব্যি আছে বাকি পশুপাখি। হাওয়া এখন দূষণরহিত প্রায়, নদীরা সব স্বচ্ছতোয়া আরো, কোভিড যখন মানুষ মেরে খায়, ক্ষতি তখন হয়না বাকি কারো। ঘর ছিনানো মানুষ এখন ঘরে, গুনতি তবু বাড়িয়ে চলে লাশ, যদি বা তার বেরোতে ভয় করে, বাকি কারো যায় আসেনা খাস। বোধহয় মানুষ সৃষ্টি হওয়ার পরে, পৃথিবী নেয় বুক ভরে ফের শ্বাস। |
| |||||
| দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |

| YouTube এ সৈকত সেন রাণার, কবি আর্যতীর্থের "ভেতর যাও" কবিতা পাঠ। |

| দেবাশিস রায়ের গান কথা দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩.৫.২০২০ |
| চিকিত্সক যোদ্ধাদের প্রতি দেবাশিস রায়ের গান। সুর ও কণ্ঠ - দেবাশিস রায়, কথা দুষ্টকবি। |

| The Notorious Poet His Pages in Milansagar . . . Wrote on - 2.5.2020 Published on - 3.5.2020 |
| To the Medical Warriors |

| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৯.৫.২০২০ |
| রেল লাইনে ষোড়শ লাশ কবি দেবেশ ঠাকুর রক্তমাখা রুটি, নাকি সংবিধানের পাতা? রেললাইনে পড়ে আছে পিষ্ট ষোড়শ দেহ এদিক-ওদিক সস্তা চটি শতচ্ছিন্ন ছাতা রাষ্ট্রনীতির চোখে মুখে প্রচণ্ড সন্দেহ। পরিযায়ী শ্রমিক মানে যক্ষপুরীর বিশু? ঠিকানা নেই আধার আছে--আঁধার চারিদিক মায়ের কোলে বাপের কাঁধে ফসিল নীরব শিশু ভোটের সময় ছাড়া যারা নিতান্ত প্রান্তিক। যাদের হাতে চাকা ঘোরে।একুশ তলা বাড়ি গড়ে ওঠে যাদের ছোঁয়ায় পারাপারের সেতু হাজার মাইল পাড়ি দেবে অন্নহীনের সারি মরলে শবব্যবচ্ছেদে খুঁজবে কারণ, হেতু-- এদিক রোগ, ওদিক খিদে মধ্যিখানে ফেরা কোন রাজ্যের সীমায় পড়ে কোন রাজ্যের লাশ ঘর নেই যার ঘরবন্দি! জের নেই তার জেরা! দাক্ষিণ্যের ছবি তোলা বিপন্ন বিশ্বাস। মহারাষ্ট্রে বাংলা কাঁদে, বাংলাতে ঝাড়খন্ড এনার আঙুল ওনার দিকে--আঙুল কলাগাছে টম কাকার কুটিরে পায় ক্রীতদাসের বন্ড? আমার যখন ভোটার নয় ওদের কি দাম আছে! শ্রমিক হাঁটে উলুবেড়িয়ায়,সুরাতে, ইন্দোরে গায়ে ছেটাও রাসায়নিক শুদ্ধ করো বিষে ক্ষুধাদীর্ণ ষোড়শ পদের রুটি ধুলোয় পড়ে রেশন না থাক বরাদ্দ হোক এক এক গরম শিসে-- |
| রেল লাইনে ষোড়শ লাশ কবি দেবেশ ঠাকুর রক্তমাখা রুটি, নাকি সংবিধানের পাতা? রেললাইনে পড়ে আছে পিষ্ট ষোড়শ দেহ এদিক-ওদিক সস্তা চটি শতচ্ছিন্ন ছাতা রাষ্ট্রনীতির চোখে মুখে প্রচণ্ড সন্দেহ। পরিযায়ী শ্রমিক মানে যক্ষপুরীর বিশু? ঠিকানা নেই আধার আছে--আঁধার চারিদিক মায়ের কোলে বাপের কাঁধে ফসিল নীরব শিশু ভোটের সময় ছাড়া যারা নিতান্ত প্রান্তিক। যাদের হাতে চাকা ঘোরে।একুশ তলা বাড়ি গড়ে ওঠে যাদের ছোঁয়ায় পারাপারের সেতু হাজার মাইল পাড়ি দেবে অন্নহীনের সারি মরলে শবব্যবচ্ছেদে খুঁজবে কারণ, হেতু-- এদিক রোগ, ওদিক খিদে মধ্যিখানে ফেরা কোন রাজ্যের সীমায় পড়ে কোন রাজ্যের লাশ ঘর নেই যার ঘরবন্দি! জের নেই তার জেরা! দাক্ষিণ্যের ছবি তোলা বিপন্ন বিশ্বাস। মহারাষ্ট্রে বাংলা কাঁদে, বাংলাতে ঝাড়খন্ড এনার আঙুল ওনার দিকে--আঙুল কলাগাছে টম কাকার কুটিরে পায় ক্রীতদাসের বন্ড? আমার যখন ভোটার নয় ওদের কি দাম আছে! শ্রমিক হাঁটে উলুবেড়িয়ায়,সুরাতে, ইন্দোরে গায়ে ছেটাও রাসায়নিক শুদ্ধ করো বিষে ক্ষুধাদীর্ণ ষোড়শ পদের রুটি ধুলোয় পড়ে রেশন না থাক বরাদ্দ হোক এক এক গরম শিসে-- |
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৫.২০২০ |
| বলো, ভারতবর্ষ বলো কবি অজিত বাইরী শোন ভারতবর্ষ, তাদের কথা শোন-- যারা রেললাইনে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। শোন ভারতবর্ষ, তাদের কথা শোন-- যাদের ক্ষুধার পোড়া রুটি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলো রেললাইনের আশপাশে। বাড়ি ছাড়া সেইসব পরিযায়ী শ্রমিকদের কথা শোন, যারা বহুদূরের পথ পাড়ি দিয়ে ফিরতে চেয়েছিল স্ত্রী, পুত্র- কন্যা, পরিবার, পরিজনের কাছে । যারা ফেরার কোন যান না-পেয়ে হাঁটতে শুরু করেছিল মাইলের-পর-মাইল । কেউ চল্লিশ, কেউ পঞ্চাশ মাইল হেঁটে এসেছিল, তারপর ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল রেললাইনের উপর । বোঝেনি এ- পথে দৌড়ে আসবে মৃত্যুদূত; আর ফলের খোসার মতো পিষে দিয়ে যাবে। |
| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ২৯.৪.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৫.২০২০ |
| চড়াই এখন করছে বড়াই কবি মুকুল পুরকায়স্থ চড়াই এখন করছে বড়াই মানুষ ভয়ে চুপ.. ফুড়ুৎ করে বলে গেলো বেটা বেওকুফ॥ কিচির মিছির করে শালিক বলছে মাথা ঠুকে... মানুষ শালা ভয়ের চোটে ঘরে গেছে ঢুকে॥ কোকিল এখন উকিল বাবু কাঠ গড়াতে মানুষ... এদের প্রভু বিচার করো হারিয়ে গেছে হুঁশ॥ ক্যাচর ম্যাচর ছাতার গুলো বলছে ল্যাজটি তুলে... ঘরে গড়াও ছাদে বেড়াও কম্ম শিকেয় তুলে॥ |
| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ১৩.৪.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ১৫.৫.২০২০ |
| ভোট ফুরালে গরীব হটো কবি মুকুল পুরকায়স্থ ভোট ফুরালে গরীব হটো কেউ অত মনে রাখেনা... কারণ ছাড়া অকারণে অত ভালোবাসাবাসি থাকেনা॥ পরিযায়ী ভাই ভরসা দুপাই আকাশেতে প্লেন ওড়ে না... কোলে কাঁকে বাছা ঘুমিয়ে গেছে দানাপানি পেটে জোটেনা॥ কদম কদম বাড়িয়েছি পা নেতাজি তুমি দেখোনা... স্বাধীনতা আজ ভরপেট্টা শুধু দুবেলা অন্ন জোটেনা॥ কোষাগারে আজ অর্থ প্রচুর মহাকাশে পদচারণা... শ্রমিকের পেট শূন্য আজও দেখিয়ে দিলো করোনা॥ উঁচু নিচু নয়, জাত পাত নয় বিভাজন ভেদ ভাঁঙোনা... এমন দিনে কে বাঁচে মরে তুমি আমি কেউ জানিনা॥ সমতায় ফেরো বলছে সময় অনেক হয়েছে ছলনা... মহামারী কালে বুকে বুক বাঁধো হোক নতুন বিশ্ব রচনা॥ |
| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ৯.৫.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ১২.৫.২০২০ |
| আমায় মাল দেনা চাল ফেলে কবি মুকুল পুরকায়স্থ আমায় মাল দেনা চাল ফেলে আমায় মাল দেনা চাল ফেলে... মাল পেলে আর চাল কি হবে থাকবো ঘুমের কোলে, আমায় মাল দেনা চাল ফেলে॥ আমি মালের লাগিয়া হইবো বিবাগী পিটছে পুলিশে গেলে.. ঘরে বসে তাই যদি মাল পাই ছেড়ে দেবো চাল, তেলে, আমায় মাল দেনা চাল ফেলে॥ বুকের এ তৃষ্ণা মিটাইবো সুখে ভেসে যাবো জলে জলে .. যদি এমন সুদিন আসে কোনোদিন.. ওহে করোনা করুণা বলে আমায় মাল দেনা চাল ফেলে॥ |
| কবি সুতপা সেনগুপ্ত মিলনসাগরে কবির পাতা , . . রচনা ১৬.৫.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ১৭.৫.২০২০ |
| প্রকৃত স্বদেশ তুমি দেখে নাও করোনার ঝড়ে কবি সুতপা সেনগুপ্ত প্রকৃত স্বদেশ তুমি দেখে নাও করোনার ঝড়ে সাদায় কালোয় গুলে, ঘুলে গিয়ে অমৃতে জহরে থেমে থাকো ভালো থাকো মুঠি নয় থাকো তোলা হাতে প্রধান জানিয়ে দেন আটটার সকালে বা রাতে লকডাউন বাতি ধরে লকডাউন হাততালি বাজায় সিডিশন লেগে যাবে মুখ যদি খুলেছে প্রজার বলো কবুতর, কী কী পেলে কত শাপে কত বর নিজেরই দানাকে নিজে চেটে বলো, হলে স্বয়ম্ভর প্রকৃত স্বদেশ তুমি চিনে নাও ফাকিং স্পিরিটে স্বয়ম্ভর লাঠি পড়ে স্বয়ম্ভর শ্রমিকের পিঠে |
| কবি ডঃ সুদীপ মণ্ডল মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৪.২০২০ |
| মৃত্যুঞ্জয়ী ডঃ সুদীপ মণ্ডল বন্ধু; জানি আসবো ফিরে মরণ পার করে, মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে তোমার কাছেই আসবো আবার ফিরে। তোমার ডাক কি ভুলতে পারি মরণের কাছে কি হারতে পারি, মৃতসঞ্জীবনী মন্ত্র লয়ে তুমি দাঁড়ায়ে রয়েছ দ্বারে। তোমার হাতে রাখবো হাত ছিনিয়ে আনবো রঙীন প্রভাত, পৃথিবী ঘুরবে আলোর পথে রবে না অন্ধকারে। |
| |||||||||||
| |||||||||||
| |||||||||||
| |||||||||||
| কবি সুতপা সেনগুপ্ত মিলনসাগরে কবির পাতা , . . রচনা ১৬.৫.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ১৭.৫.২০২০ |
| লক ডাউন চিৎকার ৮ কবি সুতপা সেনগুপ্ত ভারতবর্ষ হাঁ করে দেখছে ভারতবর্ষ হেঁটে যায় লাঠি অপমান অনিশ্চয়তা আতঙ্ক খিদে রক্ত কীটনাশকের ধূম লেগে গেছে যেন সব কিড়ে-মাকোড়া তৃতীয় যুদ্ধ? ক্রীতদাস প্রথা? পরিযায়ী পথভিখিরি? নাড়িভুড়ি ছিঁড়ে ছিটকে উঠছে বমিপেচ্ছাপে একাকার ভারতসংস্কৃতির পেছনে ঢুকে গেছে এক লিঙ্গ ভারতবর্ষ হাঁ করে দেখছে, হাঁ-মুখেও তার ঢুকে যায় ... ব্রাহ্মণ্যের ক্যাপিটাল বাবু হিংস্র মেক ইন ইন্ডিয়া |
| |||||||||||
| কবি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . ছবিটি পাঠিয়েছেন শ্রী বিনায়ক ব্রত সেন তাঁর ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৫.২০২০ |
| হচ্ছেটা কি (?!) ছিঃ . . কবি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় |
| |||||||||||

| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ১০.৪.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৫.২০২০ |
| এমনিতে ছিলো কুঁড়ে বাঙালি কবি মুকুল পুরকায়স্থ এমনিতে ছিলো কুঁড়ে বাঙালি কাজ থেকে ছিলো সরে... ঢপ দিয়ে চপ ভাজা সারাদিন ইয়ে দিয়ে বাঘ মারে।। লকডাউনে দুঃখ কতো যেনো কতো কাজের ছেলে... ইধারকা মাল উধার করা বাকি সময় মালে।। কর্ম বিমুখ আরো যে হলো করোনারই জেরে... ঘুম খাওয়া ঘুম দম মারো দম সেটা ভালোই পারে।। এবার কি করবি ও বাঙালি থমকে গেলো সব... জমি টমি সব চটকে গেলো সিন্ডিকেট ও শব।। |
| |||||||||||
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৫.২০২০ |
| নরক কবি আর্যতীর্থ জ্বরের মতন করে বিভাজন আর বোঝায় নি কেউ। বিদেশ থেকে উড়ে যারা এসেছিলো, তারা জুড়ে বসেনি আদৌ, আধার রেশন ভোটারকার্ড পেরিয়ে রীতিমতো অশোকস্তম্ভের দিব্যি দেওয়া পাসপোর্ট হোল্ডার তারা। নজরদারিতে দিশেহারা হয়ে সেই ভারতীয়রা দেখলো, গোটা পাড়া দিচ্ছে পাহারা, ঘরের বাইরে পা দিলেই ফিসফাস শোনা যায় গুপ্তচরের, ‘ওই দ্যাখ, ওরাই অগ্রদূত সেই ভয়ানক জ্বরের’। করোনা বাড়তেই দেশটা ভাগ হতে থাকলো প্রদেশে প্রদেশে, আঁকচাআঁকচিতে যেন টেকটোনিক প্লেটের আর্তনাদ। মহারাষ্ট্র বনাম ইউ পি, এম পি বনাম ছত্তিশগড়, বাংলা বনাম গুজরাট.. না রঞ্জি বা সন্তোষ ট্রফি নয়, কোটি মানুষের রোটি বনাম মকানের এক তু তু ম্যায় ম্যায় খেলা, যেখানে শুধু হারা আর হারিয়ে যাওয়া আছে তিনবেলা, ধুঁকে ধুঁকে মরে যাওয়া আছে, রেললাইনে থ্যাৎলানো পরিযায়ী লাশ আছে, রাজপথে অনন্ত প্রহর হাঁটা আছে, কিন্তু নাগরিক অধিকার বলে কিছু নেই কারো কাছে। যারা ফিরলো বা ফিরলো না, তারা বাঙালী, ওড়িয়া , বিহারী, ছত্তিশগড়ি বা ইউ পি রহনেওয়ালা, ভারত তাদের চেনে না। দূরসম্পর্কের দরিদ্র আত্মীয়দের মতো, ওদের চিনলে বড় জ্বালা। |
| স্টেজ ফোর মুখে রাষ্ট্রীয় মাস্ক পরে নিলেই স্টেজ টু হয়ে যায়, হিসেবটা স্যানিটাইজ করা চাই সাবধানী হাতে, চেনা শহর , মফস্বল, বস্তি বা পাড়া আজ লাল কমলা সবুজ টুকরোয় ভাগ হচ্ছে বেহিসেবী ছুরির আঘাতে, হোয়াটসঅ্যাপে নজর করলেই সাবধানবাণী শোনা যাবে, ‘শুনছিস, অমুক জায়গায় একটা ধরা পড়েছে রে’ ধরা পড়েছে? চোর, ডাকাত না উগ্রবাদী গো? ওরা যে বর্তমান বা আগামীর আমি তুমি ও সে, এই ধারণাটা সবাই জেনেও অস্বীকার করছি এখন, গাঁয়ে ফিরলে ঢুকতে দিচ্ছি না, পাড়ায় ডাক্তার নার্স পুলিশ সাফাইকর্মীর নিত্য জ্বালাতন, ক্রমশই নিজের ঘরের বানান বদলিয়ে ‘গড়’ বানিয়ে নিচ্ছে সবাই, বৃত্ত ছোটো হতে হতে, ভাগশেষে শুধু আজ আমাকেই পাই, যেখানে শারীরিক নয়, সামাজিক দূরত্বে আছে পৃথিবীর বাকি সব লোক। মেলামেশা আর মিলমিশের অর্থ গুলিয়ে ফেলে, তিন মাসে বানিয়েছি দেশটা নরক। |
| |||||||||||
| কবি সুতপা সেনগুপ্ত মিলনসাগরে কবির পাতা , . . রচনা ১৬.৫.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ১৭.৫.২০২০ |
| লক ডাউন চিৎকার ৩ কবি সুতপা সেনগুপ্ত শাসক, আমাকে শেখাও দেশপ্রেম ধর্ষণ করে মা দিদি বৌদি ডাকো রাম লেখা ইটে আমরা তোমার হারেম মরদকে খোজা করো, চোখে মারো চাকু আমাকে তোমার স্বদেশ শেখাও প্রেমিক গণ নয় আজ আমরা সবাই রায়ত করসেবা দিয়ে পীড়নের অকাদেমি ত্রিশূলে বেঁধানো ভ্রূণে ভক্তের চাহত তবু অ-বশ্য? স্লোগান তুলছে ক্ষত? লাথি মারো পেটে, ভাঙো স্বাধীনের হাড় মাটিতে শুইয়ে স্বদেশকে উপগত... মা কাকে বলছ? তুমি তো মাতৃজার! |
| |||||||||||
| কবি পার্থ দাশগুপ্ত কবির ফেসবুক পাতা , . . রচনা ৩১.৫.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৫.২০২০ |
| আজকের ব্রতচারী গান কবি পার্থ দাশগুপ্ত চল অফিস চালাই ভুলে প্রাণের বালাই ঝেড়ে দায়ের বোঝা করি মগজ ধোলাই। আজান, পিদিম দিয়ে করি ধম্মো ঢালাই শিক্ষে শিকেয় তুলে থাকি বোবা-কালা-ই। শ্যামের বাঁশি শুনে দু-কান ঝালাপালা-ই দু-কান কাটার মুখে শুধু যাত্রাপালা-ই। মোমের বাতি জ্বালাই বাজাই বাসন থালা-ই হাতে তালি দিয়ে সাজাই বরণডালা-ই। |

| কবি গিরিধারী চঁন্দ কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন শ্রী শেখর মজুমদার তাঁর ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৫.২০২০ |
| Translation by Dr. Tushar Chakraborty. Don’t be angry with me, I will not cry for food, Hay Maa, didn’t you see, I had always been good. Oh Maa wake up soon, Take me in your lap please, Look at the Idd moon, This train we mustn't miss. Won't weep for aching leg, Cannot take it any more, For milk I will not ever beg, Just show smile of your. Maa, I'm your poor little child, I'm calling you time and again, Can't you hear my voice mild, Are you down with much pain? Tear is dripping down my eyes, The chest is heaving in fear, Covered in sheet my Maa lies, As still as the motherland, dear. |
| কবি অমিতাভ ভট্টাচার্য কবির ফেসবুক পাতা , . . কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৫.২০২০ |
| আউট অফ সিলেবাস অমিতাভ ভট্টাচার্য ভাইরাসটা ঠিক ঈশ্বরের সিলেবাসে ছিল না। ওনার কারবার মাক্রো লেভেলে, দানব বা অসুর হলে উনি একবার চেষ্টা করে দেখতেন, কিন্তু ভাইরাস . . . ঝড়ঝাপটা অবশ্য তিনি বোঝেন সমীরণ থেকে কালবৈশাখী এসব দেখাশোনার জন্যে অমৃতর ভাগ পাওয়া দেবতারা আছেন। কিন্তু সাইক্লোন সুপার সাইক্লোন? ঐ যে বললাম আউট অফ সিলেবাস। দোষটা অবশ্য ঈশ্বরের পুরোটা নয়, তাঁর অথরাইজড এজেন্টরাও দোষী। ঈশ্বরকে তাঁরা সংস্কৃত হিব্রু আর আরবির বাইরে কিছুই শেখালেন না। |

| কবি সৃজন সেন মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৫.২০২০ |
| কবি অশোক চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগের কবির পাতা , . . কবিতাটি পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা . . . রচনা - মে ১৬-১৭, ২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৫.২০২০ |
| চার অধ্যায় অশোক চট্টোপাধ্যায় ১ ত্রাণের সাথে পরিত্রাণের দ্বন্দ্ব ছিলো ভারি। দ্বন্দ্ব এখন শিকেয় তোলা। শুকনো মুখের সারি স্বপ্নে দেখে দুমুঠো ভাত তাজা টগর ফুল দিনের শেষে সন্ধ্যা নামে রান্না ঘরের ঝুল দুখিরামের গলায় দড়ি, কান্না আমিনার বুকের ওপর নিথর শিশু, সঙ্গে শামিন আর বসির মিয়াঁ, তিন্নি পিসি, গজেন, বাবর আলি খিদেয় কাতর ঘুমায় বালক এবং তারক ঢালি হাঁটতে গিয়ে ঘুরছে মাথা, রাত্রি ঘনায় চোখে। তিনটে কুমির কাঁদতে থাকে খালের জলে শোকে ২ আর কতটা হাঁটলে তবে পায়ের মাটি পাবো শামিন, বাবর, গজেন তিন্নি পিসির বাড়ি যাবো চেনা আকাশ, সবুজ ছায়া, ভাঙা ঘরের আলো অন্ধকারে দিয়ার হাসি কুঁড়ে ঘরের ঝালোর পুলিশ আছে, সান্ত্রি আছে, নেতা মন্ত্রী কতো মুখের ভাষণ, স্বৈরশাসন, কালা কানুন শত আমার দেশেই অনিকেত, শ্মশান-কবরগুলি সব হয়ে যায় বিদেশ বিভুঁই এবং নয়ানজুলি |
| কবি দীপন মিত্র কবির ফেসবুক পাতা , . . রচনা ৪.৬.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৬.৬.২০২০ |
| আমার দেবতা-৫ কবি দীপন মিত্র দিল্লির নিজামুদ্দিনে দেবতার কানে মোবাইল - হুহু করে কাঁদে, - তার শিশুপুত্র মরণ-শয্যায় মাঝখানে পথ বন্ধ, যানহীন আটশো মাইল; কুমারী বছর বারো তিনদিন তিনরাত পায়ে তেলেঙ্গানা থেকে হাঁটে – গ্রাম তার ঐ ছত্তিশগড়ে দু-ঘন্টায় পৌঁছে যাবে যখন সে, পৌঁছে গেছে প্রায় ঢলে পড়ে তার শব, চোখ দুটি জননীর ক্রোড়ে শৈশবের গ্রাম ভেজে চোখে-লাগা অশ্রুর ফোঁটায় পেটে বাচ্চা, হেঁটেছে সে পাঁচশো মাইল রাজাবতী জন্ম দেয় বৃক্ষতলে, চেয়ে দেখে গোটা দেশবাসী হে ভারত, ভুলিও না যে…. সীতা, সাবিত্রী দময়ন্তী তোমার নারীজাতির আদর্শ…. আজ সে শ্রমদাসী হে ভারত, ভুলিও না, লিখে রাখো কলঙ্ক-কাহিনি গড়ে তোলো, গরিবেরা, শ্রমিকেরা আজাদ-বাহিনী |
| |||||||||||
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগের কবির পাতা , . . রচনা - ৫.৬.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৬.৬.২০২০ |
| ছাপ কবি দেবেশ ঠাকুর ওরা কি ঘরছাড়া? আঙুলে টিপ-- অকাল ভোট?নাকি নির্বাসন ওদের দেশ কোথা? ময়নাদ্বীপ? প্রতিটি পা ফেলায় অনুশাসন। ওরা কি পরিযায়ী পাখির দল? সাইবেরিয়া থেকে বঙ্গভূম-- স্বদেশে গর্জালে দল মাদল ফিরেছে ক'জন? কার মরণঘুম? আঙুলে কালি যার-- শূদ্র কাল-- হেঁটে বা ট্রেনে ফেরে ইউলিসিস যুদ্ধশেষে ধোঁয়া ম্লান সকাল খুঁটেছে মাঠে মাঠে ধানের শীষ। বম্বে থেকে ফেরে নিঃস্ব প্রাণ দ্বারকা থেকে ফেরে রিক্ত জীব শোণপাংশুর ছবি দৃশ্যমান অশ্বমেধ করে হয়গ্রীব। আঙুলে টিপছাপ 'পরিযায়ী'-- ডোল না দু'হাতে কর্ম চাই সকল আংকিক ধরাশায়ী অনড় যোদ্ধা কি বর্ম চাই! |
| দুপায়ে ফোঁসকা জ্বলছে বড়ো শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ দুপায়ে ফোঁসকা জ্বলছে বড়ো চলছেনা আর পা, ট্রলি ব্যাগে শুয়ে বলছে খোকা বাড়ি কত বাকি? পান্তা খাবো রে মা॥ হতাশ দু'চোখ মৃদু স্বরে বলে কটা দিন বাকি আর, অমন করে কাঁদিস নে বাপ জাগিস নে বার বার॥ দেশের মাটি কামড়ে যারা পরিযায়ী আজ তারা, ধনীর দুলালে ফেরাতেই হবে হাওয়াই জাহাজে তাড়া॥ কেনো বিভাজন বলোহে রাজন শ্রমিক কেনো মরে, ঘামের মূল্য পায়না কেনো অন্ন থাকেনা ঘরে॥ |
| শিল্পীকবি মুকুল পুরকায়স্থ মিলনসাগরে শিল্পীর ভাস্কর্যের পাতা মিলনসাগরে তাঁর কবিতার পাতা রচনা ১৫.৫.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৬.৬.২০২০ |
| याददाश्त कमज़ोर है कवि अखिल कविराय याददाश्त कमज़ोर है , नहीं रहेगा याद ; इसीलिए श्रीमान ने , किया देश बर्बाद । किया देश बर्बाद , जानते हैं सच्चाई ; हिन्दू मुस्लिम करो , माफ हर खून है भाई । कहें "अखिल" कविराय , पाएं बच्चे ज्यों टॉफी ; भले फर्जिकल होय , एक स्ट्राइक है काफी । |
| कवि अखिल कविराय Akhilendu Arjeria कवि का फेसबुक . . . यहां प्रकाशित हुआ 7.6.2020 এখানে তোলা হয়েছে ৭.৬.২০২০ |
| केरल में हथिनी मरी, खूब मचाए शोर कवि अखिल कविराय केरल में हथिनी मरी , खूब मचाए शोर ; लगभग वैसा हादसा , हुआ हिमाचल ओर ; हुआ हिमाचल ओर , गाय ने बम इक खाया ; जबड़ा टूटा तुरत , नहीं सुर्खी ये पाया। कहें "अखिल" कविराय , अरे गौ भक्त कहां हैं? दोषी हिन्दू देख , नहीं वह रोष यहां हैं? |
| कवि अखिल कविराय Akhilendu Arjeria कवि का फेसबुक . . . यहां प्रकाशित हुआ 7.6.2020 এখানে তোলা হয়েছে ৭.৬.২০২০ |
| কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . রচনা ৭.৬.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ৭.৬.২০২০ |
| বাংলার তিন অধ্যায় কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত করোনার অভিশাপে পরিজন কেহ কাছে নাই। সংক্রমণ,মৃত্যুমিছিল নিত্যসঙ্গী হোয়ে আছে তাই। জীবন,জীবিকার নির্বাচনে মোরা আজ বিভ্রান্ত। বাঁচার লড়াইয়ে লড়তে গিয়ে আমরা হয়েছি ক্লান্ত। ব্যাবসার মন্দার সাথে কোপ পড়েছে পকেটে। দুর্দশার কথা ভেবে ভাঁজ পড়ছে ললাটে। |
| |||||||||||
| |||||||||||
| কবি রোহন ভট্টাচার্য আমরা পেয়েছি সুপ্রীতি মুখোপাধ্যায়ের ফেসবুক পাতা থেকে . . . এখানে তোলা হয়েছে ৮.৬.২০২০ |
| মাস্ক পরিল। হাত ধুইল। থালাও বাজাইল কবি রোহন ভট্টাচার্য মাস্ক পরিল। হাত ধুইল। থালাও বাজাইল। তবু, ঔষধ আসিল না। তালা ঝুলিল। ইকনমি পড়িল। মজুরও মরিল। তবু, করোনা মরিল না। দাম চড়িল। ভাড়া বাড়িল। কর্মী ছাঁটিল। তবু, মাইনে ঢুকিল না। আখড়া খুলিল। লাইন পড়িল। পয়সা উঠিল। তবু, রেশন আসিল না। নেতা চ্যাঁচাইল। পুলিশ ঠ্যাঙাইল। ঝড়ে ভ্যাঙাইল। অনুদান আসিল না। ব্যাংক খুলিল। ইএমআই কাটিল। পেছন ফাটিল। তবু, অফিস খুলিল না। কিউবা ডাক্তার পাঠাইল। আম্রিকা হুমকি পাঠাইল। চিন সেনা পাঠাইল। নেপাল চিঠি পাঠাইল। পাকিরা পঙ্গপাল পাঠাইল। বাকিরা রাজ্যপাল পাঠাইল। তবু, মাল্যকে দেশে পাঠাইল না। আম্বানি টাকা পাঠাইল। ট্রাম্পকে ক্লোরোকুইন পাঠাইল। নবান্নে লোক পাঠাইল। বিদেশে প্লেন পাঠাইল। জুতিয়া পাকিস্তান পাঠাইল। তবু, গরীবকে বাড়ি পাঠাইল না। ভাণ্ডে কেস জমিল। ফাণ্ডে টাকা জমিল। স্বর্গে ভিড় জমিল। মর্গে লাশ জমিল। ঘিলুতে ক্রোধ জমিল। তবু, বোধ জমিল না। সকালে অ্যাপ নামিল। বিকালে র্যাফ নামিল। স্পেশাল টিম নামিল। ঘোড়ার ডিম নামিল। সস্তায় শ্লোক নামিল। রাস্তায় লোক নামিল না। কেহ বাড়িতে থাকিল। কেহ মারিতে থাকিল। দেশ চলিতে থাকিল। দ্বেষ দলিতে থাকিল। মানুষ হাঁটিতে থাকিল। মান-হুঁশ, ফাটিতে থাকিল না। মন্দির খুলিতেছে। মসজিদ খুলিতেছে। ইস্কুল খুলিতেছে না। মামলা ঝুলিতেছে। কোভিড ঝুলিতেছে। চক্ষু খুলিতেছে না। পাজি ভাটাইতে থাকিল। বাজি ফাটাইতে থাকিল। কাজি বিচার লিখিল না। নামাজ শিখিল। মন্ত্র শিখিল। অঙ্ক শিখিল না। প্লেন চলিতেছে। বাস চলিতেছে। ট্রেন চলিতেছে। পেট চলিতেছে না। ক্ষুধা বাড়িতেছে। জ্ঞান ঝাড়িতেছে। গালি পাড়িতেছে। গুলি মারিতেছে। তবু, রা কাড়িতেছে না। ম্যানিফেস্টো পোড়াইবে। হরেকেষ্ট শোনাইবে। বেশি ট্যাঁ-ফোঁ চলিবে না। মোমবাতি জ্বলিয়াছে। চিতাও জ্বলিবে। তবু, বরফ গলিবে না। শ্রমিক দধীচি হইবে। পাঁজরে রেলপথ হইবে। কেহ কথা বলিবে না। |
| কবি আতাউর রহমান কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন শেখর মজুমদার। তাঁর ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৬.২০২০ |
| পরিযায়ী শ্রমিক কবি আতাউর রহমান মাতৃভূমি পারেনি দিতে রুটি কাপড় আর বাসস্থান তাই তো আজ পরিযায়ী শ্রমিক ছেড়েছি জন্মস্থান জীবিকার খোঁজে ছুটি আমরা রাজ্য থেকে রাজ্যে ভিটা ছেড়ে কিছু পারিশ্রমিকে মেতেছি নানা কার্যে নুন আনতে পান্তা ফুরোয় এটাই রোজকার নামচা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে হেথা,কোনমতে যায় বাঁচা মরণ বাঁচন যুদ্ধে ,সুখের চেয়ে ,দুঃখের পাল্লা ভারি জানিনা কখন থামবে কোথায় এই জীবনের গাড়ি রক্ত জল করে আধপেটা খেতাম ডাল-ভাত-রুটি গোদের ওপর বিষ ফোঁড়া হয়ে করোনা টিপল টুঁটি ৪ ঘন্টার নোটিশে লকডাউনে স্তব্ধহল জীবন যাত্রা যেখানে আছো সেখানেই থাকো প্রধানমন্ত্রীর বার্তা অপরিকল্পিত দীর্ঘলকডাউনে রুজি রোজগার বন্ধ অনাহারে মৃতপ্রায় মজদুর সরকার বাহাদুর অন্ধ দুর্বিসহ নরক যন্ত্রনা ছেড়ে,পায়ে হেঁটেই করি যাত্রা বোঁচকাবুচকি,বাচ্চাগাচ্চা নিয়ে ১০০০ কি.মি রাস্তা |
| |||||||||||
| কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . রচনা ১৩.৬.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ১৭.৬.২০২০ |
| বয়স্করা ঘরেই থাকুন কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত বয়স্করা ঘরেই থাকুন, বলছে এটাই মানতে, ইমিউনিটি নেইকো তাদের করোনাকে মারতে। আমরা যারা বয়স্করা আছি ঘরের মাঝে, কে আনবে ঔষুধ মোদের কে লাগবে কাজে। করোনা কে কাবু করা নয় যে সোজা কাজ, এ কথাটি মানতে মোদের নেইকো কোনো লাজ। আর কত দিন এমনি করে থাকবো মোরা বদ্ধ, জানি নাতো কোন পাপে হয়েছি মোরা জব্দ। বেশ কিছুদিন বাঁধবে বাসা শুনছি লোকের মুখে, মুক্তি যে নাই তাড়াতাড়ি থাকতে হবে দুখে। |
| কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . রচনা ২০.৬.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২০.৬.২০২০ |
| আনলক ১ কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত ভোট যেমন বিষম বালাই, পেটের জ্বালাও তাই, লকডাউনের আনলক ওয়ানে এরই বার্তা পাই। বিরক্তি,শূন্যতায় ভরা লকডাওনের ক্ষ্মণ, শিথিল হোল অনেকটাই স্বস্তি পাচ্ছে মন। খুলেছে বাস,খুলেছে হোটেল খুলেছে ট্যাক্সি,অটো, রেস্তোরাঁ, মল সব খুলেছে সাথে আছে টোটো। চায়ের দোকান,পানের দোকান কিছুতে নেই ভীতি, সর্বদাই ব্যাস্ত মোরা মানছি না কোন নীতি। সংক্রমণের সংখ্যা এখন বাড়ছে ধাপে ধাপে, এমনি ধারায় চললে পরে পেরিয়ে যাব বিশ্বকে। |
| অজ্ঞাত কবি আমাদের কবিতাটি পাঠিয়েছেন সাগরিকা সেনগুপ্ত এখানে তোলা হয়েছে ২০.৬.২০২০ |
| নেই নেই নেই নেই পার্কে তে শিশু নেই দোলনায় দোলা নেই ট্রেন, বাস চলা নেই মাইকের গান নেই হোটেলে তে খাওয়া নেই কারো বাড়ি যাওয়া নেই আড্ডার রোল নেই মন্দির খোলা নেই স্কুলে গিয়ে পড়া নেই রাস্তায় প্রেম নেই দেরি করে ফেরা নেই ভালো শাড়ি পরা নেই ঘোরাঘুরি করা নেই মাদলের বোল নেই ফুটবলে গোল নেই বিরাটের ছয় নেই পশুদের ভয় নেই প্রিয়জনের দেখা নেই ফোন ছাড়া কথা নেই রান্নার ধূম নেই শান্তি তে ঘুম নেই লাখো লাখো জান নেই ইরফান খান নেই ঋষি কাপুর নেই শেষ কোথা জানা নেই চিন্তার শেষ নেই মুখ খুলে চলা নেই করোনা র মরণ নেই????? |
| কবি মাহমুদ হায়াত তাঁর ইমেল - mahmudhayat71@gmail.com এখানে তোলা হয়েছে ২২.৬.২০২০ |
| কোভিড নাইন্টিন কবি মাহমুদ হায়াত মৃত্যুর ঘ্রাণ ছুঁয়ে বুকের চিলেকোঠায় তাবৎ গঙ্গাফড়িং নাচে, মুখে মাস্ক নিয়ন মেনে হাত ধুই। চেনা হাছি-কাঁশি বুকের মধ্যে তোলপাড় করে খোঁজে ভিন্ন অর্থের ব্যঞ্জনা। জানালা খোলা মাঝে মাঝে পলকা হাওয়া চোখে লাগে, তখন বাঁচার স্বপ্নে কোমর সোজা হয়ে ওঠে। তবু ভুল করে কেন জানি লিখে ফেলি নিজের এপিটাপ। যদিও মৃত্যুর কোন বয়স সীমা নেই। স্বেচ্ছায় হোমকোয়ারেন্টাইনে আছি, পথে পথে শবযাত্রা ঝরা পাতার শংখধ্বনি। পৃথিবী এবার তোমার মৃত্যুর কুঁচকাওয়াজ থামাও... |
| কবি মাহমুদ হায়াত তাঁর ইমেল - mahmudhayat71@gmail.com এখানে তোলা হয়েছে ২২.৬.২০২০ |
| ক্ষুধার্ত মানুষ কবি মাহমুদ হায়াত শরীরে সলতে পোড়া গন্ধ, চোখে মুখে বিম্বিত হতাশার পূর্বাভাস, করোনার ভয় পিছনে ফেলে জীবিকার টানে ঝাঁকে ঝাঁকে শহরে ছুটছে ক্ষুধার্ত মানুষ, যেমন বনপোড়া হরিণ বিপদসংকুল জেনেও... লোকালয়ে খোঁজে জীবনের নিরাপদ আশ্রয়। |
| কবি মাহমুদ হায়াত তাঁর ইমেল - mahmudhayat71@gmail.com এখানে তোলা হয়েছে ২২.৬.২০২০ |
| কখন সকাল হবে কবি মাহমুদ হায়াত নিজেই নিজের লাশ কাঁধে নিয়ে গোরস্থানের পথ ধরে হাঁটছি, ভুল জন্মের মতো ফেরারি মাথায় নিয়ে। প্রতিটা দিন যেন খরস্রোতা নদীর মতো দীর্ঘ! অভব্য পারের পূর্বাভাস। কতো আর নিজের মধ্যে সাঁতারানো যায়? বুক জুড়ে সিসিফাসের কষ্ট। অলস যাপন, ঘরে বসে সূর্য ওঠে, ঘরে বসেই ডোবে, এই রাত্রি কখন সকাল হবে? |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২২.৬.২০২০ |
| দুই ফুটপাত কবি আর্যতীর্থ লাইনটা বেশ লম্বা ছিলো, নাহোক ধরো কিলোমিটার, মাস্কে সবাই দূরে দূরে, স্তম্ভিত এক মিছিল যেন, দাঁড়িয়ে আছে মুখে কুলুপ, বাক্যে ছেটায় থুতু দেদার, সেসব থেকেই জ্বরের পোকা, বোকার মতো কথা কেন? মাস্কে কিছু যায়না বোঝা, জিভ দিয়ে কি ঝরছে লালা, হাজার চোখে তৃষ্ণা লেখা, খুলবে কখন সাধের দোকান, কারবাসের দিন পেরিয়ে, আজ খুলেছে বন্দীশালা, ইচ্ছা সবার গুচ্ছ বোতল, আজই কিনে ফ্রিজে ঢোকান। উল্টোদিকের ফুটপাতটায়, আরেক রকম মানুষ সারি গোল চক্রের মধ্যে বসে, দৃষ্টি উদাস সমুখপানে, জীর্ণ শরীর ছিন্ন বসন, তারাও কিন্তু মুখোশধারী, এঁরাও কথা বলেন না কেউ, শুকায় লালা খিদের টানে। এন জি ও রা খাবার বাঁটে, তারই আশায় এঁদের আসা রুজি গেছে লকডাউনে, রোগের ভয়ে রুটিও হাওয়া, বাসস্থানের নেই ঠিকানা, পেটের ভেতর খিদের বাসা, কোনোক্রমে দয়ার দানে, এক দুবেলা জোটে খাওয়া। |
| খুললো দুয়ার মদ দিতে আজ ,ওই ফুটপাত উঠলো জেগে, দু চার বোতল কিংবা পেটি, যার যেরকম হপ্তা খোরাক, সবার হাতেই কড়কড়ে নোট, দোকান খালি হচ্ছে বেগে, লোক ভাবে আজ আবশ্যকই, মিডিয়া যতই কথা ঘোরাক। এই ফুটপাত হচ্ছে সজাগ, ওই যে আসে ভাত দেওয়া ভ্যান সকাল থেকে ছুঁচোর ডনে, আজের জন্য পড়বে ইতি, হাত ধোওয়া নেই এদের কারো, সাবান কি আর এন জিও দেন রাতের খিদেয় সান্ত্বনা দেয়, দুপুরবেলার খাওয়ার স্মৃতি। ঘন্টা দুই বা তিনের পরে, সব শুনশান দু ফুটপাতেই, যে যার মতো খাঁই মিটিয়ে, গেছে ফিরে নিজের ডেরায় একলা পুলিশ দিচ্ছে টহল, তা ছাড়া আর মনিষ্যি নেই ব্যস্ত কুকুর খাবার খোঁজে, এদিক ওদিক ঘোরাফেরায়। মদ-ফুটপাত বললো ডেকে, ওরে ও ভাই যমজ সাথী মানুষগুলোর রকমসকম , আজও ঠাহর হয়না বিশেষ, একদিকে এই নেশার গুঁতো, অন্য দিকে খিদের লাথি, নেতারা যে মাইক বাজান, এদের মাঝে কোনটা সে দেশ? ভাত- ফুটপাত বললো হেসে, খুঁজিসনা ভাই তার ঠিকানা, আমিও ভারত, তুইও ভারত, মধ্যে পথের লাইন টানা। হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও, ঘুচবে না ওই তফাৎখানা.. |
| কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . রচনা ২৯.৬.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৬.২০২০ |
| করোনা ও বেকারত্ব কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত বিশ্বব্যাপী বেকারত্ব, বাড়ছে ক্রমেই ক্ষত মূল্য বৃদ্ধির চাপ করেছে আহত, অস্তিত্ব সংকটে আজ, হাতে নেই কোনো কাজ শান্তি আজ চলে গেছে রয়েছি শঙ্কিত। রেলকে কেন্দ্র করে, কত লোক কাজ করে তাদের হাতে আজ নেই কোন কাজ, বেকার হয়েছে তারা, বদ্ধ ঘরে দিশাহারা পড়ে আছে সমাজের এককোনে আজ। শহর তলীর লোক, কাজেতে করেনি যোগ নেই কোনো কাজের আশ্বাস, যারা আসে নিত্যদিন, হোয়েছেন কর্মহীন নিভে গেছে সমস্ত উচ্ছ্বাস। বন্ধ হয়ে আছে ট্রেন,নেই কোনো লেনদেন স্তব্দ হয়ে আছে দীর্ঘদিন, পরিচারিকারা আজ,হারিয়েছে সব কাজ ছেয়ে গেছে জীবনে দুর্দিন। উন্মুক্ত হয়েছে দ্বার, ব্যবসা খাচ্ছে মার নেই কোন ক্রেতার সন্ধান কোন কিছু কিনিবার, ইচ্ছা নাই জনতার ঘরেতে পড়ে আছে হয়ে মুহ্যমান। |
| দেব দর্শন কবি রূপক ঘোষ। সকল স্বাস্থ্য কর্মী, নার্স, ডাক্তার ও পুলিশ কর্মীদের উৎসর্গ করা কবিতা। যারা কোভিড ১৯ এ মানুষের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করেছেন। শিশু মনে ছিল সাধ, দেব - দেবী দেখবো। কোথা থাকে কি করে, সব কিছু জানবো॥ মা কে বলি দেব - দেবী, থাকে কোনখানেতে? মা বলে দেব - দেবী, থাকে দেবালয়ে তে॥ দেবালয়ে গেছি আমি, দেব - দেবী দেখতে। কথা কেউ কয় নাকো, পারিনি তাই জানতে॥ মা কে বলি দেব - দেবী, কথা কেউ বলে না। মা বলে দূর বোকা, দেব কথা বলে না॥ |
| কবি দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৭.২০২০ |
| বিদায় শুভ্রজিৎ কবি দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায় |


| ওই ছেলেটা কবি সুচন্দ্রা মুখোপাধ্যায় ও বাড়িতে বাঁশ বাঁধছে, এ বাড়িতে পড়ছে খিল প্রশাসনের বড্ড নজর, খুঁজে খুঁজে করছে সিল। ওই ছেলেটার কেস পজিটিভ, শ্বাসকষ্ট, ভীষণ জ্বর হাসপাতালে জায়গা কোথায়, তুই সাধারণ, ঘুরেই মর। ওই ছেলেটা মরে মরুক, ওমন শত মরছে রোজ চুপ!! সকলে ব্যস্ত ভীষণ, সময় মতো নেবে খোঁজ। ওই ছেলেটা মরেই গেল, ছড়িয়ে গেল কোভিড ঠিক গায়ের ওপর চাপিয়ে দিল কালো রঙের পেলাস্টিক। মায়ের আবার কিসের চাওয়া, ও তো এখন দেশের লোক বডিখানা হাপিস হবে, ঘরেই বসে কর না শোক। মরবি নাকি আওয়াজ তুলিস, জায়গা যদি না মেলে হাসপাতালে জায়গা কোথায়? একটাই কি তোর ছেলে? পরের জম্মে হইবি সেলেব, দিব্যি পাবি আরাম ঘর এখন তুই খুব সাধারণ, এধার ওধার ঘুরেই মর। তুই তো দেখি বড্ড বোকা, খবরটা কি তোর হবে? বিকিয়ে যাওয়া মিডিয়া.. সেলেবেরই খবর দেবে। তাই তো বলি, লড়াই চলুক, সাধারণের থাকুক মিল নইলে আবার প্রশাসনের, বড্ড নজর, করবে সিল। |
| কবি কৃষ্ণ ধর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৮.২০২০ |
| নির্ভয় কবি কৃষ্ণ ধর কবি দৈনিক বসুমতী ও যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। এশিয়াটিক সোসাইটির মাসিক বুলেটিনের এপ্রিল ২০২০ সংখ্যায় প্রকাশিত। রচনা - ৪ এপ্রিল, ২০২০। মিলনসাগরে প্রকাশ - ১৯.৮.২০২০। ব্যাঙ্গমা বলছে ব্যাঙ্গমিকে শোনো শোনো কান পেতে শোনো ব্যাঙ্গমি বলে কী আর শুনবো সবই তো পুরনো পুথির বাক্য একই ছাঁদে ঢালা সবারই এক কথা- পালা পালা পালা কোথায় পালাবে তারা? কার কাছে যাবে? কে আছে ডেকে নিতে ছাদহীন ঘুঘুচরা ভিটেতে তাদের একদিন শিখেছিল মানুষকে সঙ্গে নিয়ে থাকো এখন ত্রস্ত তারা দিশেহারা পরিযায়ী পাখিদের মতো। ব্যাঙ্গমা বলছে, এত ঘৃণা, এত বিষ, জমা ছিল তবে কেন একদিন জেনেছিল মানুষ মানুষের জন্য মানুষের মাপেই সব কিছুর বাছ ও বিচার মৃত্যুনীল বিষের অক্ষরে ধ্বংস ও বিনাশের ভয় আকাশে বাতাসে ছড়ায় ব্যর্থ করো ব্যর্থ করো তারে মানুষই ফেরাবে তাকে শুভ চেতনায় |
| কবি রঞ্জিত বিশ্বাস গ্রাম চাঁদপুর, পোঃ বিজয়পুর, জেলা নদীয়া। পেশা - শিক্ষকতা। ফোন নং +৯১ ৮১৪৫০৬১৭৮৪ এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৮.২০২০ |
| করোনা বধ কাব্য কবি রঞ্জিত বিশ্বাস ষষ্ঠী খুড়ো, ষাটোর্ধ্ব বুড়ো, বুঝিয়েছে তাকে কেহ, করোনার ভয়ে, স্বামী স্ত্রী দ্বয়ে, পলিথিনে মুড়েছে দেহ। ঘুমের ঘোরে, বিড়বিড় করে, গিন্নী বললো রাতে, "চিন্তা কোরোনা,কমবে করোনা, বিছুটি ঘষলে দাঁতে। মাঝারি নেতা ,মাছ বিক্রেতা, বললো,"আমি একাই, প্রখর রোদে, করোনা রোধে, গুজব রটানো ঠেকাই।" গগন দারোগা,বড়ই রোগা, লকডাউনের ত্রাস, পাকিয়ে গোঁফ,বললো,"চোপ, করোনা করবো হ্রাস।" |
| কবি রঞ্জিত বিশ্বাস গ্রাম চাঁদপুর, পোঃ বিজয়পুর, জেলা নদীয়া। পেশা - শিক্ষকতা। ফোন নং +৯১ ৮১৪৫০৬১৭৮৪ এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৮.২০২০ |
| করোনার ডিসকাউন্ট কবি রঞ্জিত বিশ্বাস ভাইরে আমি ক্ষুদ্র ভাইরাস করোনা, কোন শক্তিই আমার চেয়ে বড়ো না। চীন আমাকে চিনেছে খুব ভালোয়, দেরি হবে যে ফিরতে তাদের আলোয়। প্রান নিয়েছি আপ্রাণ ইতালি, স্পেনে, বিশ্ববাসী এ খবর গিয়েছে জেনে। ব্রিটেনে ও পেয়েছি বিরাট সাকসেস গ্রেট, সেখানে দিনে দুশো মৃত্যুর রেট। ইন্ডিয়াতে ও ধীরেই গন্ডি পেরোয়, বাহক তো বাইরে খুবই কম বেরোয়। সমস্যা হচ্ছে এখানে পরতে ছড়িয়ে, এরায় কি দেবে শ্রাদ্ধের চালটা চড়িয়ে? তাইতো নিয়েছি সিদ্ধান্ত আমি জাস্ট, লকডাউনটা ভাঙ্গতেই হবে মাস্ট। ডিসকাউন্ট দেবো মানুষের মৃত্যুতে, ষাটের নীচের সোনাদের রাখবো ফুর্তিতে। রাস্তায় তারা ঘুরুক, নিঃশ্চিন্তে যাই হোক, আমি ও খুঁজে পাবো প্রচুর বাহক। যাদের হয়েছে বয়স ষাটের বেশী, তাদের কিন্তু করবো আমি শেষ ই। বাহক না পেলে আমিই মরবো শেষে, ডিসকাউন্ট তাই দিলাম বাঁচার উদ্দেশ্যে। |
| কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . রচনা ২৬.৮.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৮.২০২০ |
| করোনার শেষ প্রহর কবি তড়িৎ দাশগুপ্ত . ক্রোধ জ্বালা বাড়ে নিত্যদিন অহরহ জাগিতেছে মনে কবে আসিবে সুদিন। . কবে পাব সমাপ্তির পথ ভঙ্গ হবে মারণ রোগের, এই চলমান রথ। ক্ষুদ্র পরমাণু তুমি,কোন অস্ত্রে রয়েছ সজ্জিত . রক্তচক্ষু অহঙ্কারে মত্ত . চরিত্র বদল করে, . অচেনা অদৃশ্য মূর্তি ধরে . প্রতি ঘরে ঘরে . ছড়িয়াছ কোন অধিকারে, . স্বপ্ন সব করেছ মলিন . এনেছ দুর্দিন। . স্তব্ধ আজ বিপ্পন্ন প্রকৃতি করোনার রুদ্ররোসে বিদীর্ণ হয়েছে সব স্মৃতি। . অশান্তিতে পূর্ণ আজি মন বসে সব গৃহকোণে থেমে গেছে যত উন্নয়ন। পুত্র,কন্যা,বন্ধু সব অকস্মাৎ চলে গেছে দূরে . দূরত্ব বজায় রাখিবারে, . সাথেতে এসেছে মাস্ক, . পরিহার করি সব লাজ . ভোগান্তি অশেষ |
| কবি অমিতাভ প্রামাণিক কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন শেখর মজুমদার। তাঁর ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২০ |
| অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কবি অমিতাভ প্রামাণিক অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ঝরিয়ে দিল আমার যত কেশ। তারই করোলারি - রাতবিরেতে লম্বা হল দাড়ি। সেই সেবারের শীতে ভুল করেছি ত্বকের যত্ন নিতে, শেভ করিনি, সেভ করেছি পয়সা বোরোলিনে - চামড়াটা তাই শুকিয়ে দিনে দিনে রাইনোসম আজি। এবার তবে তোমরা হলে রাজি খুলতে পারি আশ্রম একখানি। দিনের শেষে গোটা চারেক বাণী ভাসিয়ে দেব, স্নিগ্ধ হবে শহুরে কলকাতা। হাত ঘুরিয়ে ফুল আর বেলপাতা মঞ্চে ছুঁড়ো, প্রণামীটা বাক্সে ফেলাই বিধি। ওর থেকে তো ভাগ বসাবে ভাইপো এবং দিদি। এই করোনার কালে মাছ নেই আর জালে, ফুলকো লুচির শুল্ক উধাও, কেন্দ্রের বঞ্চনা! এসব রোগে গোবর এবং চোনা কম পড়লে পাশেই আছে খাটাল। রোগীর মাথায় ভেঙে দু-চার কাঁঠাল, দশ লাখ বিল, হাফ ফান্ডে, নইলে হবে চা পান? চপের বেসন, ইউ-এন 'নেশন', সার্টিফিকেট জাপান! সবই তো ভাই, মায়া। দেখলে হবে? খর্চা আছে ভায়া। |
| কবি আর্যতীর্থ কবির ফেসবুক পাতা থেকে . . . মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১.১.২০২১ |
| নির্দোষ কবি আর্যতীর্থ দু হাজার বিশ। সবাই বলছো জানি এ বছর কাটলেই বাঁচি, মাস্ক পরে, হাত ধুয়ে জীবাণুর সাথে রোজ খেলা কানামাছি সহ্য হয়না। খুনে এ বছর খেলো বয়েসের গোটা এক সাল খুবলিয়ে , সোয়াস্তি নেই আজ ঘর বার কাজ ও ছুটিতে।অবশেষে আসছে এগিয়ে, বছরের শেষ, এইবারে বাঁচা যাবে। সে আশার বীজ মনে পুষে, পারলে দৌড়ে যাই আমরা একুশে, কিন্তু যাচ্ছি যাকে দিনরাত দুষে, সত্যি কি তার অপরাধ? এ বিশ্বযুদ্ধতে যত হলো অকারণ লাশ, প্রতিটি চাকরি খোয়া সদ্যবেকার, খালিপেট খিদেদের ত্রাস সন্ত্রাস, তাদের কারণ কি কেবল করোনা? জামলো মকদম, নাম মনে পড়ে? চটকানো মৃতদেহ চোদ্দটা শ্রান্ত মানুষের, ক্যামেরা ফোকাস করে রুটির ওপরে, রক্তের ছিটে যেন রাষ্ট্রের স্নেহ মাখা জেলি। মনে পড়ে কত লোক হাঁটলো অযুত ক্রোশ? রোজকার রোজগার গাঢ় অনিশ্চিতে, সে ভবিতব্য ছিলো জীবাণুর দোষ, নাকি সেটা রাষ্ট্রের পরিকল্পনাহীন হুকুমের ফল? ফুলেফেঁপে লাল হলো কিছু ব্যবসায়ী, আম্বানি পাঁচনংয়ে এই কোভিডেই। ব্যাঙের আধুলি সব হলো উদ্বায়ী, অথচ ধনীতম হলো ধনীতর, সেও কি বলবে ওই কোভিডের রোগে? জীবন ও জীবিকার এই তছনছে, সেনসেক্স গগনে চড়ে কার উদ্যোগে? |
| কিছু ডাক্তার শুধু ফাঁকতালে গেছে মারা। কিছু পুলিশের গেছে জান, আকাশে ছেটানো ফুল, ভুয়ো হাততালিসহ দেওয়া শহীদের সম্মান, আড়াল করেছে সব। এখনও স্বাস্থ্যে ব্যয় নয়খানা রাফায়েল থেকে কমদামী, যার পরিবর্তন নেই। খুলে গেছে সব শুধু ইস্কুল বাদে। কোথায় চলেছে আগামী, সেটা নিয়ে কেউ নয় ভাবিত তেমন। শুধু ভিড় করে নেতাদের হচ্ছে ভাষণ, সকলের জন্য স্বাস্থ্য যার উপজীব্য নয়। সেখানে মুখ্য আজও ধর্মতোষণ, যেন মন্দির মসজিদই জোগাবে পেটের ভাত, শিশুমৃত্যুর হার কমবে তাতেই, যেন নেতা জিতে গেলে পালাবে কোভিড।আজও ধর্ষণে দেশে কোনো হ্রাস নেই। এই সব বিষ ছিলো কোভিডের আগে থেকে, কত আর করে যোগ জীবাণু বেচারা, মুখোশ পরিয়ে দিয়ে আদতে উলঙ্গ করে দিয়েছে সে শাসনের হিংস্র চেহারা, যেখানে নাগরিক শুধু ভোটদাতা, অধিকারের পাওনাদার সে বনেনা কখনো, বড়জোর কৃপাভিক্ষা পেতে পারে কিছু, খামোখা ডেমোক্রেসির মায়াজাল বোনো। প্রথমে হাঁটলো পরিযায়ী, এখন হাঁটছে কৃষক। আগামীতে হয়তো তুমিও। সে হাঁটায় কোভিডের দোষ নেই কোনো। |
| *********** কবি আর্যতীর্থ কবির ফেসবুক পাতা . . . মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.১.২০২১ *********** |
| টিকা এলো দেশে কবি আর্যতীর্থ এসে গেছে ভ্যাক্সিন, এই বারে দ্যাখ সিন, ভ্যাঁ করে কেঁদে ফেলে পালাবেই ভাইরাস দুটো ইঞ্জেকশনে, ভরসা ফেরাবে মনে, স্মৃতি হয়ে যাবে এই মুখোশের ছাইপাশ। খবর আসছে ওই, ভ্যাক্সিন যায় কই, পৌঁছালো কত লাখ কোন কোন নগরে নেতাদের মুখে হাসি এসো এসো পুরবাসী মিডিয়া পেটান ঢ্যাড়া শত ঢোল ডগরে। যদিও যায়নি জানা, টিকার মুন্সিয়ানা, কত শতাংশ সেটা কাজ করে করোনায় তবুও অপেক্ষাতে, কবে টিকা আসে হাতে, ডুবন্ত মানুষ যে আঁকড়াতে খড়ও চায়। বলতে জয় শ্রীরাম গররাজি ঘাস বাম, আর যারা ময়দানে গেরুয়ার বৈরী, সিরাম ইস্টিটিউট, এ লড়াইয়ে রংরুট হাঁকতে ‘জয় সিরাম’ গোটা দেশ তৈরী। |
| তবুও অবিজ্ঞান , থামিয়েছে টিকাদান দিনক্ষণ বদলেছে জ্যোতিষের ভ্রান্তি, ভ্যাক্সিন আছে হাতে আসে যায় কি তাতে, দেওয়া শুরু হবে হলে শেষ সংক্রান্তি। আজ দিলে চীন হানা টেনে নিয়ে পাঁজিখানা, বাহিনী দেখবে বুঝি অশ্লেষা মঘাকে, বোঝেননা কর্তারা পজিটিভ হয় যারা আসলে দেখায় তারা হিমবাহ ডগাকে। এসময়ে জমায়েতে সহজেই ফাঁদ পেতে কোভিড শিকার ধরে ভালো করে গুছিয়ে মেলা স্নান ইত্যাদি গাছে না উঠতে কাঁদি করোনার কাছে সেটা ছড়াবার সূচি হে। ভিড়ে ভ্যাক্সিন দিলে দুই পাখি এক ঢিলে বেশি লোক পেতো আর আটকাতো জ্বরটাও, তিথিতে আটকে রেখে, জনতাকে বলা ডেকে জীবাণু শরীরে নিয়ে যার যার ঘর যাও। |
| এতটা পেরিয়ে বাধা ভ্যাক্সিন আসে দাদা, পেয়ে গেলে নিয়ে নিয়ো পড়ে পাওয়া সুযোগে তবুও ভুলো না মাস্ক সাবানের হোমটাস্ক, যতদিন গোটা দেশ ভোগে এই কু-রোগে। একটা ব্যাপার আর দেখে রাখা দরকার নেওয়ার গরজ মোটে কেন নেই নেতাদের, এই দেশে সবকিছু খরচ তাঁদের পিছু ভ্যাক্সিন নিতে বাধা দেয় আজ কে তাদের। জনগণ গিনিপিগ নিলে আগে তারা নিক আশা করি কেউ নেই এরকম চিন্তার এম পি ও এম এল এ কে, টিকাদানে আগে রেখে আছেন সবার সাথে পরিচয় দিন তার। তা নইলে সে ঘটনা হবে বড় নিন্দার। |
| *********** কবি শশাঙ্কশেখর রায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৭.১.২০২১ *********** |
| বিষময় দু-হাজার বিশ কবি শশাঙ্ক শেখর রায় দু-হাজার বিশ, উনিশের ধান্দাবাজ উত্তরাধিকারী, গোপনে এনেছো তুমি সর্বনাশা বিষের ভাণ্ডার ভাণ্ডারে এনেছো ভরে করোনা ভাইরাস -- কোভিড--১৯ অঙ্গে বিষ, সঙ্গে বিষ, বিষবাষ্প তোমার নিঃশ্বাসে আবর্ত গড়েছো এক বিষময় মৃত্যু পরিবেশে ভাইরাস ছড়িয়ে দিলে পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে প্রতি ঘরে ঘরে এনেছো নিশ্চিত মৃত্যু ভয়ানক অতিমারী যাকে স্পর্শ করে দাঁত -নখ -চোখ-মুখ হিংসা আর জিঘাংসায় মাখা নিয়ে এলে ঘরে ঘরে নিদারুণ মৃত্যুর যন্ত্রণা হায়নার দুষ্টু খিদে নিয়ে সারাক্ষণ থেতে চাও মানুষের লাশ রক্তের আঁচড়ে আঁকো মৃত্যুর আল্পনা, একি সর্বনাশ এতেও মেটেনি সাধ, আবার এনেছো তুমি দুরন্ত “আমপান” লণ্ডভণ্ড সমাজ সংসার, গৃহহারা-অন্নহারা বিপন্ন জীবন প্রেমপ্রীতি ভালবাসা শেষ হয়ে গেছে, হারিয়েছে ছন্দ লয় গান পৃথিবীটা প্রেতপুরী যেন, পেতনীরা অট্টহাসে বিকট চিত্কারে পৃথিবী আতঙ্কে থরথর চারিদিকে মৃত্যুভয় ভীতি এরই মাঝে দাপিয়ে চলেছে দেখি ঘৃণ্য রাজনীতি ; এসে গেছে দু-হাজার একুশ, এনেছে খবর বিজ্ঞানিরা পেয়ে গেছে কোভিড খোঁজার অস্ত্রাগার সন্ধান পেয়েছে তার দু-হাজার বিশের সেই “কালা--যাদুঘর” বহুখুঁজে পেয়ে গেছে বিষের নিদান অস্ত্র করোনা -ভ্যাকসিন আমি জেগে আছি অন্ধকারে, সুদিনের আশায় আশায় আমার প্রত্যয় -- অশুভ বিদায় হবে, আসবে সে দিন শুভশক্তি পারে বিশ্বে আকাঙ্খিত জয়। |
| *********** কবি স্বপ্ন মধুকর স্বপন কুমার রায়, তারাতলা, मिलनसागर में कवि का हिन्दी कविता . . . এখানে তোলা হয়েছে ২০.২.২০২১ *********** |
| আজ এরা ভিখারি কবি স্বপ্ন মধুকর. রচনা ১লা জুলাই ২০২০ শহরে এখন দেখা মেলা ভার- . যত্র তত্র ভিখখারির। মধ্যবিত্তের বুক ফাটে তো, . মুখ নাহি ফাটে এ ভিখারির॥ লকডাউনের জেরে পড়েছে- . মধ্যবিত্তরাই যাতা-ক'লে। তাই এঁরা আজ লিখিয়েছে- . নাম সর্বহারার দলে॥ ঘরে ঘরে আজ অভাব অনটন- . মধ্যবিত্তের প্রাণ অষ্ঠাগত। গরীবের ক্ষুদা,মিটায় ত্রাণদাতা, . শুধু বিত্তবানের কোষাগার ঠাসা যত॥ গরীবের পো দোকানে যায় ছুটে- . নুন আনতে পান্তা ফুরায় যে। ছাদে দাঁড়ায় অভাগা মধ্যবিত্ত, . ভাগ্যকে কোষে যায় যে॥ |
| *********** কবি স্বপ্ন মধুকর স্বপন কুমার রায়, তারাতলা, मिलनसागर में कवि का हिन्दी कविता . . . এখানে তোলা হয়েছে ২০.২.২০২১ *********** |
| জেল খাটা শহর কবি স্বপ্ন মধুকর, রচনা ২৩-০৪-২০২০ কোন এক বিভীষিকাময় সন্ধ্যা বেলায়, পুর্নিয়া লাইন বাজারের মোড়ে; এক আগন্তুক এসে জিজ্ঞেস করে, শহর তুমি কেমন আছো? লকডাউনের জেরে ! জেল খাটা ক্লান্ত শহর, তাও থাকে চুপ করে ; নির্বাক শহর - আফিস ফেরত বাবুদেরকে, ভিড় গাড়িতে এপার ওপার করে। বহুদিন পর খুলল শহর, মলিনতার হাঁপ ছেড়ে; লোকের জবাব দেয় না, সে যে- রাখে মাথাটি হেঁট করে॥ ঈশ্বর তুমি বলতে পারো! আর কতো চাও বলিদান? মানুষ ছিল তোমার শ্রেষ্ঠ জীব, এই তো ছিল নিদান। মর্ত্যে যদি মানুষ নাই বা রাখো, দাও না কেন,অন্য গ্রহের সন্ধান? তোমার শক্তি, মোদের ভক্তি, দুই মিলে কাজ হউক আবার মহান॥ |
| *********** কবি অনুপম বসু কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৮.২.২০২১ *********** |
| চৌকাঠে রাখিস না পা কবি অনুপম বসু চৌকাঠে রাখিস না পা ও পারে নিষাদী মারণ হুংকার এ পারে নির্বীজ জীবন চৌকাঠে রাখিস না পা এতদিন হলো তবু কোনো গন্তব্য নেই এতদিন হলো নেই কোনো চীৎকৃত উচ্চারণ চারপাশে সারাদিন ‘ভালো আছি’ 'ভালো আছি" খেলা ভাতঘুম চারপাশে সারারাত নীরব হনন চৌকাঠে রাখিস না পা চৌকাঠ বড় বেশী প্রশ্ন করে আজ॥ |
| *********** কবি গৌতম দত্ত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৪.২০২১ *********** |
| ভরে গেছে বিষ কবি গৌতম দত্ত তর্ক কোরো না – শুধু সতর্ক হও . বাতাসে উড়ছে শুধু বিষ – আর ভাষণের অহর্নিশ চিৎকার এ দেশ কার ! ভেবে নিও শুধু . শ্বাসবায়ু বিক্রি চলে বাজারে বাজারে অন্ধকারে গোপনে দাম ওঠে পড়ে যে যেমন পারে লাভ বুঝে নেয় অচেতন অন্তরে . এই দেশ চেয়েছিলে বুঝি উল্লাসকর ! ভাঙা ঘটি বাটি হাতে মাঠের ওপর দল বেঁধে সারি সারি মাথা গুণতিতে গাঁথা আঙুলের চাপ তিনরঙা কাপড় ওড়ে খোঁয়ারে ভাগাড়ে অগুন্তি সাদা সাদা লাশ বেহিসেবি অংকের গড়ে ! . মাস্ক নাও মুখের ওপরে। ২৪ এপ্রিল, ২০২১ |
| *********** কবি অঞ্জন চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৪.২০২১ *********** |
| এ পৃথিবী আমার নয় কবি অঞ্জন চট্টোপাধ্যায় এ মৃত্যু মিছিলের ভূমি , এ পৃথিবী আমার নয় রেহাই পায় না প্রতিবাদী ডাক্তার , মুক্তমন কবি ধর্মের নামে জাতের নামে নিত্য হানাহানি বদ ঔরস জাত এ ভূমি কি করে আমার হয়? নিত্য ঘুম ভেঙে ওঠার পর প্রস্তুতি শব মিছিলের মানুষ জানে না কার দোষে কার পাপের ফলে শুধু দোষারোপ এক থেকে বর্তায় অন্যেতে আমার জন্ম এ স্থানে ? আমি যাজক এই ভাগাড়ের? এ ভূমিতে মনুষ্যত্বের মাপকাঠি সাতাশ তলার প্রভু এ ভূমিতে কই দেখি না তো দাপিয়ে চলা কোনো সাধারণ এ ভূমি রেষারেষি গণতন্ত্রের একছত্র ময়দান এ ভূমি বিশ্বের বিষ্ময় ! এ বিষ্ময় আমার কি ছিল কভু? কারা যেন গড়ার কারিগর , জেহাদ করেছে জারি যত কিছু এতো কালের , জীর্ণ দীর্ণ যতো রাজ্যের পর লোপাট করতে হবে । গড়ে দিতে হবে নব্য কারিগর এ সাফাইয়ের ভূমি কি কোনো কালে আদৌ আমারই? |
| নিয়ত প্রশ্ন ঠোকর কষায় কাঠঠোকরারা যতো কোন বেজন্মা জারজ সন্তানের কৃতকর্ম এই হীন আজকের এই বাঞ্জার পৃষ্ঠভূমি , অক্সিজেন বিহীন প্রাণ বায়ু বিহীন এই কী অধিকার আমার , তোমার মতো? নভে ডানা মেলে উড়ে উড়ে ফেরে শত সহস্র গিধ্ ওরাও যে জেনে ফেলেছে আর বাকী নেই কিলবিল করতে থাকা মানুষের আয়ু এ ভূমির এ মাটি আমার ? এই আমার শক্তপোক্ত ভিত? মানি না । এর চাইতে সে অরণ্যই তো ছিল ভালো সম্পদ নেই , রেষারেষি নেই , নেইকো গণতন্ত্রই আগুনের আঁচ নেই , অস্ত্র বলতে ভোঁতা পাথরই সই এ অনুর্বর আমার নয় ! আমার অরণ্য তবুও ছিল ভালো.... |
| *********** কবি গৌতম দত্ত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৫.৪.২০২১ *********** |
| রাজা - কবি গৌতম দত্ত, ২৫ এপ্রিল, ২০২১ চুপ করো – থামো শব্দহীন হও যা বলছি শোনো রাজার বিকল্প নেই কোনও . মহাশ্মশানের সংজ্ঞা বদলে দিয়েছি দেখো মাঠ ঘাট ফুটপাথ আজ লাশের আঁচে কি সহজ রঙিন সারা দিন খোঁড়ো যে যেখানে পারো যতখানি কবরের মাপ মৃতের অভাব নেই চারদিকে আগুনের তাপ। . বেওসায়ী শোনো – লুটে নাও যত পারো বাধা নেই কোনো শুধু চাঁদাটুকু দিয়ে যেও সঠিক অফিসে তাহলেই ঠিকঠাক সবকিছু কত অনায়াসে . মাস্ক নিও অন্তত পোড়া এই দেশে শুন্য সাহসে। |
| *********** কবি Aro Ek Ekalobya Onuragi কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৪.২০২১ *********** |
| হাসপাতালে গেলেই মৃত্যু যদি বয়স হয় বেশি একটু শুনেছি এটাও নাকি সরকারি ফরমান, যদি সে হয় পেনশনভোগী এবং সাস্থ্যবান... |
| कवि संजय निगम कवि का फेसबुक . . . यहां प्रकाशित हुआ 26.4.2021 এখানে তোলা হয়েছে ২৬.৪.২০২১ |

| *********** কবি দেবাশিস দণ্ড কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৭.৪.২০২১ *********** |

| কবি সায়ন দাস কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৮.২০২১ |
| আমাদের দেখা হোক মহামারী শেষে কবি সায়ন দাস, রচনা ২৩.৩.২০২০। |

| *********** কবি শ্রীমন্ত শুভ জোয়ারদারের ফেসবুক থেকে . . . রচনা ৯.৫.২০২০ মিলনসাগরে প্রকাশ ১৫.৫.২০২১ *********** |
| রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে কবি শ্রীমন্ত রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে অনেক চিঠি, কতই ফাইল, ওরা শুধু হেঁটেই মরছে, হাঁটছে হাজার হাজার মাইল! কোন তারিখে হাঁটার শুরু? লেখা আছে জামার ঘামে, তোমার আমার নতুন খাবার ফেসবুকে বা ইনস্টাগ্রামে। হাইওয়েতে হাঁটতে মানা টহল দিচ্ছে রাজার পাইক, তোর ছবিতে ক’টা কমেন্ট? আমার ফোটোয় এত্ত লাইক! রাষ্ট্র যদি রাস্তা রোকে, ভরসা তখন রেলের লাইন, আমি তুমি দিব্যি মানছি মাংস ভাতের কোয়ারেন্টাইন! হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হলে, রেললাইনে ক’খান রুটি ছিটকে পড়ে অন্ধকারে, ঘুমের মধ্যেই হাঁটার ছুটি! হাঁটছে আরও, হাঁটবে আরও মরল নেহাত ক'জন মোটে, রাষ্ট্র তখন হিসেব কষে, কী আর ফারাক পড়বে ভোটে ? |