| .. |
| ... |
| দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . রচনা ১৫.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৫.২০২১ |
| করোনা ভাইরাস ও পরিযায়ী শ্রমিকের দেয়ালিকা |
| দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে লিখি কথা | আমি যে বেকার, পেয়েছি লেখার স্বাধীনতা || |

| এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে স্ক্রল করে! This page scrolls sideways - Left - Right ! |
| ছড়া, সে যে কোন ধরণেরই হোক না কেন, এই দেয়ালে তুলতে হলে আমাদের কাছে নিচের ইমেলে পাঠাবেন। আমাদের ওয়েবসাইটের সম্পাদক মণ্ডলীর অনুমোদন সাপেক্ষে আমরা তা তুলে দেবো। সোশিয়াল মিডিয়ার দৌলতে অনেক অনবদ্য সুন্দর কবিতা আমরা পাচ্ছি। কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই কবির নাম জানা যায়না। সঠিক কবির নাম জানালে আমরা সেই কবিতার পাশে কবির নাম-প্রেরক কে কৃতজ্ঞতা জানাবো। আমাদের ই-মেল: srimilansengupta@yahoo.co.in তাহলে আর দেরী কেন? ছড়ার ছররা ছড়িয়ে, দেয়াল তুলুন ভরিয়ে...! . রাজেশ দত্ত কবিদের পাতায় যেতে তাঁদের নামের উপর ক্লিক করুন |
| |||||


| চীন অথবা আমেরিকা থেকে শুরু হওয়া করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের লড়াই, মানুষের জীবন, ভয়, আতঙ্ক, কান্না, হাসি, ঠাট্টা, সুখ-দুঃখ এবং সতর্কতা - তাই নিয়ে এই পাতার ছড়া ও কবিতা |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| শেকল ছেঁড়ো কবি আর্য তীর্থ চেন ভেঙে দাও ,শেকল ছেঁড়ো সাবান দিয়ে, চৌকাঠে দাও দুষ্টুরোগের রথ থামিয়ে। ট্রেনে বাদুর, বাসের ভেতর চ্যাপ্টা চিঁড়ে, ভাইরাসে তো খামচে দেবেই এমন ভিড়ে, ঘরে ফিরে সবার আগে সাবান হাতে, ধোয়ার পরে তবে কথা লোকের সাথে। তোমায় না দেয় ভাইরাস তার দূত বানিয়ে চেন ভেঙে দাও, শেকল কাটো সাবান দিয়ে। তোমার থেকে আমি , আমার থেকে ওর হাতের ছোঁয়ায় ভাইরাসেরা ছুটন্ত খুব জোর। আশেপাশে দেখছো যাদের, শিকলি সবাই, ও পথ দিয়েই নিঃসাড়ে হয় মানুষ জবাই। যেই তুমি যাও রাস্তাঘাটে দোকানপাটে, ঝন ঝন ঝন , তোমার সাথেই শেকল হাঁটে। কোভিড টিবি সব জীবাণুর একই দাওয়াই. না ধুলে হাত নিজের হাতে তাদের খাওয়াই। ভিড়ের থেকে ফিরেই যেও কলের কাছে, হাতটা ধুলেই তোমার থেকে মানুষ বাঁচে। |
| সামনে এলেই বন্ধু যাদের জাপ্টে ধরো এখন তা স্রেফ বোকামি না, ভয়ঙ্করও। বদলে ফেলো সব চুমুদের উড়ুক্কুতে, কয়েকটা দিন প্রেমের রেটিং যাক নিচুতে। হ্যান্ডশেক বা হাই ফাইবও ভুলতে হবে, মোটের ওপর , ভুগবে তারা যারাই ছোঁবে। নমস্কারেও হাত ছুঁয়ে যায় আরেক হাতে, বরং পারো দূরের থেকে হাত নাড়াতে। চাইছে কোভিড আংটা বনো ওর শেকলে চেন ভেঙে দাও, শেকল ছেঁড়ো সাবানজলে। হারবে কোভিড আমরা সবাই একলা হলে। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২১.৩.২০২০ |
| করো না, কোরো না কবি আর্য তীর্থ দিন এসেছে রুটিনগুলো বদলে নেবার স্টেজ থ্রি দ্বারে, কে জানে কি হবে এবার। এসো ঘাঁটি রোজনামচার থোড় আর বড়ি ‘করো না’ আর ‘কোরো না’দের লিস্টি করি। দুধের প্যাকেট জলে ধুয়ো আসার পরেই কোথায় কোথায় ছুঁয়ে এলো তা জানা নেই। মোবাইলে তো খবর এখন পাওয়া সহজ বাদ দিয়ে দাও দশ হাত ঘোরা খবর-কাগজ। অ্যামাজন ও সুইগিরা থাক বন্ধ কদিন কাদের ছুঁয়ে কৌটো আসে, বলা কঠিন। ক্যুরিয়ারে ঘর বয়ে খাম নিয়ে এলে না খুলে তা একখানা দিন রেখো ফেলে। কাজের মাসী ঢোকার পরেই সটান কলে হাত ধোবে সে একটা মিনিট সাবান জলে কাজের সময় ধরতে মোবাইল কোরো মানা, ( বলা সহজ, মানবে কত আছে জানা) যে যতবার কলিংবেলে টিং করে যায় ঠিক ততবার বেলটি মোছার রেখো উপায় লিক্যুইড সোপ বা সাবানজলে ভেজা ন্যাতা এখন তা নয় শূচিবাই-এর আদিখ্যেতা। |
দু চারদিনের সবজিবাজার একসাথে হোক ছুঁয়ে দেখে তবেই কেনে ওইখানে লোক। বাড়ি ফিরেই সবজিকে ধোও কলের জলে, নিজের হাতেও সাবান দিতে কেউ না ভোলে। রিমোট মোবাইল কিবোর্ড সাফাই করতে হবে শত্রু তোমার আঙুলডগা চায় নীরবে। সাইকেল বা বাইক এখন তোমার বাহন হাঁটতে শেখো , অটোয় চাপা নয় অকারণ। যাত্রা শুরু এবং শেষে , পারলে ফাঁকে জলে ধুয়ে ছুঁয়ে নিও সাবানটাকে। জিম পুল আর জুম্বা নাচা এখন নিষেধ বাড়লে মাসল ইম্যুনিটির হয় না প্রভেদ। কোচিং ক্লাসকে মারো গুলি এই কটা দিন, ক্রিকেটও বাদ, বাঁচলে পরে তবেই শচীন। বাড়ি ফিরেই পোশাকগুলো ছিটকে ছেড়ে সাবানজলে ফেলো কোভিডচিহ্ন ঝেড়ে। বয়স্কদের হাঁটতে যাওয়াও মুলতুবি থাক পার্কে এখন বেঞ্চিগুলো মাছি তাড়াক। যতই মনে হোকনা এসব শূচিবায়ু, মানলে এসব বাড়বে প্রিয়জনের আয়ু। স্টেজ থ্রি আসে, তৈরী রেখো প্রতি স্নায়ু.. |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ কবিতাটি আমাদের পাঠিয়েছেন ডঃ সোমেন ব্যানার্জী এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| ভেতর যাও কবি আর্যতীর্থ দেশ ডেকেছে আজকে তোমায়, ঋণ চুকাও বাইরে বিপদ, সব নাগরিক ভেতর যাও। বাঘ বেরোলে নিশুতরাতে যেমন মানা, এই কটাদিন তেমন ভেবেই বেরিওনা, রাস্তা থেকে সব জমায়েত দূর হটাও, দেশকে যদি ভালোবাসো, ভেতর যাও। তত্ত্বকথার বকমবকম অনেক হোলো, দোহাই এবার বাস্তবিকের চোখটা খোলো ভাবছো যদি থাকলে ঘরে চলবে কি আর মরলে তুমি, বিশ্ব ঠিকই চলবে ডিয়ার, ঘরের বাকি লোকদেরও কি সেই দশা চাও? আগে বাঁচো , তারপরে কাজ, ভেতর যাও। শাহীনবাগের এবার ওঠার সময় হলো, মারী থামুক , তারপরে ফের আওয়াজ তোলো করোনা ঠিক বুঝতে চায়না এন আর সি কি তার কাছে এক সবরকমের দাড়ি টিকি খুব বোকামো বাইরে বসে বিরোধিতাও, লড়াই টড়াই পরে হবে, ভেতর যাও। |
| ধার্মিকেরা হপ্তাদুয়েক একলা থাকুন, বন্ধ ঘরে একলা নিজের ইষ্ট ডাকুন। ধর্মস্থানে ঝুলুক কদিন মস্ত তালা ঘরের ঠাকুর পরুন ফুলের ঝুটো মালা নিজেই কেন নিজের বাকি আয়ু কাটাও? আর ক’বছর থাকতে বেঁচে, ভেতর যাও। বাইরে ঘোরে মহামারী , ওষুধবিহীন দোহাই তোমার, ঘরে থাকো এই কটা দিন। লাশের পরে লাশ হয়েছে কত দেশে, কেউ জানেনা সংখ্যা কোথায় দাঁড়ায় শেষে যেচে কেন এই দেশে সেই শঙ্কা বাড়াও? চাইছে ভারত, সব নাগরিক ভেতর যাও। আজকে সবাই দেশপ্রেমের প্রমাণ দাও। |
| কবি রাজেশ দত্ত মিলনসাগরে কবির পাতা রচনা - ২৩.৩.২০২০ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| করোনায় করণীয় কবি রাজেশ দত্ত নাই বা রাখলে হাতে হাত, অন্তরে হও একসাথ। বন্ধন গড়ো প্রাণে প্রাণে, ভরসা থাকুক বিজ্ঞানে। অজ্ঞানতা, কুসংস্কার ঘুচিয়ে মনের অন্ধকার যুক্তিবাদের আলো জ্বালো, স্বাস্থ্যবিধান মেনে চলো। রুদ্ধ যখন ঘরের দোর --- সংহতি দিক মনের জোর। বন্ধ ঘরেও সজাগ থেকো, মনের জানলা খুলেই রেখো। শৃংখল নয়, শৃঙ্খলা থাক -- আতঙ্ক সব দূর হয়ে যাক। লড়াই চলুক, ভয় কোরোনা। রুখবোই এ মারণ করোনা॥ সবাই ভালো থেকো। সাবধানে থেকো। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| কুশপুতুল কবি আর্যতীর্থ তোমরা বলো যুদ্ধে যেতে, বর্ম নেই। উত্তেজনা আটকে আছে হরমোনেই পুরনো মাস্ক , স্যানিটাইজার গরহাজির, রোজ সকালে আউটডোরে দারুণ ভিড়, শত্রু কোভিড এসব দেখে চনমনেই, আমরা বোধহয় শহীদ হতেই জন্ম নিই। PPE কি হাতের মোয়া, অমনি পাবো ওসব ছাড়াই অগত্যা তাই যুদ্ধে যাবো। যদিও জানি বর্মবিহীন সংগ্রামে, হার নিশ্চিত, যুদ্ধ শুধু ঢং নামে, তবুও কেউ এত কি আর তলিয়ে ভাবো, হারলে পরে সেই তোমাদের ধমক খাবো। |
| আসল ব্যাপার, আমরা শুধু কুশপুতুল, কাঁধের ওপর চাপানো যায় বেবাক ভুল অস্ত্রে খরচ, স্বাস্থ্যখাতে প্রাপ্য ঢুঁ ঢুঁ মানি তো নেই, তাই জুটছে বাণীই শুধু, লড়াই করার সবকিছু আজ অপ্রতুল, ‘ তৈরী ভারত’ , নেতার দেওয়া ভয়াল গুল। লড়াই করতে মানুষ শুধু তৈরী আজ, দিচ্ছে না কেউ মাঠে নামার যুদ্ধসাজ। হাজার কোটির রাফায়েল বা অ্যাপাচে না PPE আর স্যানিটাইজার চাইছে সেনা, ফ্রন্টলাইনে অস্ত্র জোগান রাজার কাজ, ফক্কা সবই, ভুল ছবি দেয় বক্কাবাজ। ঝুটো লাগে গণতালির ওই আওয়াজ। |
| |||||||||||
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৩.২০২০ |
| অন্যপক্ষ কবি আর্যতীর্থ রোদ্দুরে কি একটু বেশি আলো? পাখি ডাকে একটু যেন জোরে পৃথিবীও অনেকখানি ভালো, কাশে না আর বুক ধরে রোজ ভোরে। চতুর্দিকে ফুরফুরে ভাব ভারী, গাছরা নানান রঙ মেখেছে চুলে, বাতাস জুড়ে বইছে সুবাস তারই, বেরোয় সবাই আস্তানা দোর খুলে। বেরোয় হরিণ রোজনামচা মেনে, খরগোশেরা গর্ততে নেই মোটে, বেরোয় বাঘও শিকার পাবে জেনে, মোষ সম্বর গায়ে ঘেঁষে ছোটে। বলছে কারা বিশ্ব জুড়ে অসুখ? মানুষ ছাড়া ফাউ নাকি বাদবাকি? হোমো স্যাপিয়েন্স পাংশু করে মুখ, দিব্যি আছে বাকি পশুপাখি। হাওয়া এখন দূষণরহিত প্রায়, নদীরা সব স্বচ্ছতোয়া আরো, কোভিড যখন মানুষ মেরে খায়, ক্ষতি তখন হয়না বাকি কারো। ঘর ছিনানো মানুষ এখন ঘরে, গুনতি তবু বাড়িয়ে চলে লাশ, যদি বা তার বেরোতে ভয় করে, বাকি কারো যায় আসেনা খাস। বোধহয় মানুষ সৃষ্টি হওয়ার পরে, পৃথিবী নেয় বুক ভরে ফের শ্বাস। |
| |||||
| দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৩.২০২০ |

| YouTube এ সৈকত সেন রাণার, কবি আর্যতীর্থের "ভেতর যাও" কবিতা পাঠ। |

| দেবাশিস রায়ের গান কথা দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩.৫.২০২০ |
| চিকিত্সক যোদ্ধাদের প্রতি দেবাশিস রায়ের গান। সুর ও কণ্ঠ - দেবাশিস রায়, কথা দুষ্টকবি। |

| The Notorious Poet His Pages in Milansagar . . . Wrote on - 2.5.2020 Published on - 3.5.2020 |
| To the Medical Warriors |

| কবি বিশ্বজিত চ্যাটার্জী কোভ্যাক্সিনের জন্যে আমি ঘুরছি অলিগলি, কেউবা যেন বললো কানে, "নেই কি পতঞ্জলি?" গরুর হিসি, ভাইপো পিসি, গুহায় বসা সাধু, কেউতো কিছু করবেনা ভাই, মরতে হবে চাঁদু। |
| |||||||||||
| কবি সায়ন দাস কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৮.২০২১ |
| আমাদের দেখা হোক মহামারী শেষে কবি সায়ন দাস, রচনা ২৩.৩.২০২০। |

| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৪.২০২১ |
| অসাড় কবি আর্যতীর্থ এতটা অসাড় তুমি কবে হলে দেশ? মহামারী আজ যেন ব্যবসা বিশেষ, প্রাণবায়ু বেচে কেউ দশগুণ দামে, আরো কত নিচে বলো সম্মান নামে? কি করো ওপরে বসে, হে সিংহাসন? চিরনিমিলিত আঁখি খুলবে কখন? রাম দেশী বীর পান কোটি দুহাজার, Ramdesivir নিয়ে কৃষ্ণ-বাজার, এসব দেখেও থাকো এমন নীরব, শব নয়, পোড়া দেশে ভোট বুঝি সব? এতটা অসাড় কেন তুমি নাগরিক? মাস্ক ছাড়া বেরিয়েছো, মাথা আছে ঠিক ? হাবিজাবি খেয়ে যাও করোনা তাড়াতে, অথচ করছো ভিড় দোকানে পাড়াতে, মারীর আগুনে ঢালো দুই হাতে ঘি ও, ঘরে বুঝি কেউ নেই সেরকম প্রিয়? ম’দি মোদী কাস্তে’র হিসেবটা পরে, আপাতত ঢোকো গিয়ে ঘরের ভেতরে, প্রথম সুযোগ এলে নিয়ে নাও টিকা, মাস্ক পরো, দেশে জুড়ে আজ বিভীষিকা। |
| জানি এই সব বলা বধিরের কানে, অসাড় কতটা তুমি, সমকাল জানে। তুমিও অসাড় আজ, প্রভাবী মিডিয়া ভূমিকা তোমারও বড় দুখজাগানিয়া। মঞ্চে মিছিলে দেখে বড় বড় নাম, তুমি সব ভুলে যাও চতুর্থ থাম, ক্যামেরা প্যানিং করে ভিড়ে ও শ্লোগানে, করোনাবিধির কথা গেছে কোনখানে, সে ব্যাপারে খোঁজ নিতে পা নড়বড়ে, নেতা কাছে এলে বুঝি ভারী ভয় করে? অবশ্য তোমারই বা কতটুকু দোষ, মালিকেরা হাতজোড় আপোষ-পাপোষ, ট্যাঁ ফোঁ একটু হলে চাকরিটি নট, অথবা মধ্যরাতে দরজায় খট। যে স্বপ্ন দেখেছিলে কিছু মেলেনি তো, ফ্রীডম অফ প্রেস সে তো বহুকালই মৃত। কিছু বোকা লোক মানে করোনার বিধি মঞ্চের থেকে হাসে জী , দাদা, দিদি। বেনিয়মই যেই দেশে চলে লাগাতার, অসহায় বিজ্ঞান সেখানে অসার। কুষ্ঠরোগীর মতো এ দেশ অসাড়........ |
| কবি অনন্য কুমার মিত্র পাঠিয়েছেন শ্রী বিদ্যুত চৌধুরী তাঁর ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৪.২০২১ |
| দাও এনে দাও অজ্ঞাত কবি চাই না তোমার হিন্দুরাষ্ট্র চাই না নতুন এরোপ্লেন, পারো যদি শ্বাস নিতে দাও দাও এনে দাও অক্সিজেন। মগজ ভরা অন্ধভক্তি শ্মশান ভরা লাশের ঢেউ, হারিয়েছো কি কাউকে নিজের ভুগেছে কি তোমার কেউ ? চাই না বিলাস হাজার কোটির তোমার নতুন পার্লামেন্ট, মন্দির চাও? তুমিই রাখো তোমারই সে অর্নামেন্ট। যত খুশি থালা বাজাও মেতে থাকো কুম্ভমেলায়, তোমার নামের স্টেডিয়ামে কর্পোরেটের টাকার খেলায়। |
কোথায় তোমার পিএম কেয়ারস আলাদিনের প্রদীপ জিন ? হাসপাতালের বেড তো গায়েব কোথায় তোমার আচ্ছে দিন ? মানুষ বিনা চিকিৎসাতে পথে ঘাটেই মরে যদি, রাজা তুমি ক্ষমা করো রাজা তুমি ছাড়ো গদি । তোমার যতো বাহাদুরি আমার করের টাকার দেন, পারো যদি বেড এনে দাও দাও এনে দাও অক্সিজেন । পারো যদি শ্বাস নিতে দাও দাও এনে দাও অক্সিজেন॥ |
| কবি সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঠিয়েছেন শ্রী বিদ্যুত চৌধুরী তাঁর ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৪.২০২১ |
| হেমন্তের অরণ্যে ফিরে এসো--- কবি সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ২৯.০৪.২০২১। গড়াল সূর্য মেরুদণ্ডে মৃত্যু - শীতল ছোঁয়া রুদ্রদহন প্রখর গ্রীষ্ম দিনেও দেখি নামে ক্রমে বিকেল সে হেমন্তের! ভরা প্রাচুর্য তবু অরণ্য অবাক চোখে দেখে ঘাটতি আজকে প্রাণের অক্সিজেনেও প্রতাপই ভেঙেছে শাখা যে বসন্তের। বেজেছে তূর্য প্রহর গুনছে মানুষ এখন একা শব-অরণ্যে ফিরে এসো পোস্টম্যান! 'পুরোনো অরণ্যে' সভ্যতা ভেসে যায় - - - ধরো হাত দিকভ্রান্তের। |
| কবি অজিত বাইরী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৪.২০২১ |
| শব আগলে বসে আছি কবি অজিত বাইরী শব আগলে বসে আছি আমি শব আগলে বসে আছে নৌসাদ দাহ করার কিংবা গোর দেবার সুযোগটুকুও মিলছে না। সব শ্মশান, সব গোরস্থান ভরে গেছে শবে; বাতাসে শুধু সৎকারের হাহাকার। শত চুল্লির শিখা জিভ বাড়াচ্ছে একের-পর-এক চিতার দিকে। একই কবরে উপর্যুপরি শব চাপিয়ে সংকুলান হচ্ছে না কবরস্থানের। এ মৃত্যু-মিছিলের শেষ কোথায়? মৃত্যু শুধু অপরিণাম ধ্বংসের কথা বলছে। |
| কবি সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঠিয়েছেন শ্রী বিদ্যুত চৌধুরী তাঁর ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৪.২০২১ |
| রৌদ্রস্নানে কবি সুস্মিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানলা খুলে বসে আছি সেই কখন! ভোর তাই আজ উছলে পড়েছে ঘরে-- দোয়েল - চড়ুই-কোয়েল সুপুরি গাছে বিলাবল রাগে কত যে সোহাগ গাঁথে। খানিক বাদেই হেঁকে যায় ফেরিওলা রুজি রোজগারে, প্রয়োজনে অন্যরা তাদের যাপন দ্বন্দ্বে অথবা লঘু রসালাপে 'তবুও শান্তি তবু আনন্দ তবু অনন্ত জাগে।' খোলা জানলায় স্তব্ধতা হাত ছোঁয় মৃত্যু মিছিলে ক্লান্ত দু চোখ দেখে ধর্মের মদে মাতালের পরিণতি - - - ক্ষমতা-দ্বন্দ্বে দাপুটে সমুন্নতি! সারি সারি চিতা একা নির্জনে জ্বলে থেকে থেকে শুনি গর্জে উঠছে চাবুক - - - 'তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ? তুমি কি বেসেছ ভালো?' |
| 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' সক্কলে এ যুগের কবি ডেকেছেন ভালোবেসে কবির চিতার প্রদাহ নিভুক এবার--- দধীচির হাড়ে জ্বলুক শপথ মশাল যে আছো যেখানে প্রতিবেশী, পরবাসী সময় হয়েছে ভোলার - - আপন-পর খুলেছি জানলা--- এবার - - - রোদে ধুয়ে যাক ঘর। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৪.২০২১ |
| ঢেউ কবি আর্যতীর্থ ঢেউটা এসে গেছে। অবিশ্বাসীদের বিশ্বাস নড়িয়ে, রাজনৈতিকদের ফাঁপা দাবী উড়িয়ে, ভাইরোলজিস্ট আর ডাক্তারদের আশঙ্কা সত্যি করে, হাসপাতালের প্রতি কোণায় জ্বরের রোগী ভর্তি করে, বৈজ্ঞানিক অভ্রান্তিতে ঢেউটা এসে গেছে। কিন্তু তবুও কি সব ভেসে গেছে? না ভাসেনি। এখনো আপনার কাছে বুকে স্টেথোস্কোপ বসানোর ডাক্তার আছেন, বাড়ি ছেড়ে হাসপাতালে পড়ে থাকা নার্স আছেন, কফ থুতু মুছে ফের অক্সিজেনের নল লাগানোর ওয়ার্ডবয় আছেন, লালা সংগ্রহ করা নির্ভীক টেকনিশিয়ান আছেন, বাড়ি দেওয়া নেওয়া করার অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার আছেন। বিশ্বাস করুন, এরা কোত্থাও যাননি, এই সুনামির মুখে নিজেদের জায়গা থেকে একচুল নড়েননি, চোরাবালিতে কোমর ঢুকিয়ে, বিষণ্ণ রোজনামচায় তাঁরা রোজ যুদ্ধক্ষেত্রে যান, যদিও জানেন আগামী নির্মল আকাশের দিনগুলোতে তাঁদের কথা কেউ মনেও রাখবে না। কোভিড বিজয় হলে, দেশ তাঁদের কোনো মঞ্চে ডাকবে না। তাহলে ঢেউয়ে ভাসলো কী? |
| ভেসে গেছে অডাক্তার মাতব্বরদের ‘সব ঠিক হ্যায়’ এর আস্ফালনগুলো, প্রতিটি বেড না পেয়ে মরা রোগী আসলে বিনা চিকিৎসায় নয়, ডুবেছেন আত্মসর্বস্ব নেতাদের বাগাড়ম্বরে ভুল মানুষদের করা বিশ্বাসে। এই ঢেউ আড়াল করেছিলো অনচ্ছ মিথ্যার অটল কুয়াশা, কুহকিনী কথাদের মায়াজালে ভুলে আপনারা ভেবেছিলেন, মেলা চলবে, সভা ও মিছিল চলবে, জমায়েত চলবে, স্নান চলবে, সমবেত প্রার্থনা চলবে, টিকার বিদেশে যাওয়া চলবে, রাজার নতুন প্রাসাদ বানানো চলবে, সাড়ে সাত হাজার কোটির যুদ্ধবিমান কেনা চলবে, ফাঁকা বাড়িতে ডাক্তারনার্সহীন সুপারস্পেশালিটি চলবে, বীমার নামে ভাঁওতা চলবে, অনুদানের নামে ভিক্ষা চলবে, অথচ কোভিড নাইনটিন কিচ্ছুটি না বলে লক্ষ্মী জীবাণুর মতো কাউকে ছোঁবে না। কোভিড বিজয় হলে, দেশ তাঁদের কোনো মঞ্চে ডাকবে না। তাহলে ঢেউয়ে ভাসলো কী? ভেসে গেছে অডাক্তার মাতব্বরদের ‘সব ঠিক হ্যায়’ এর আস্ফালনগুলো, |
| প্রতিটি বেড না পেয়ে মরা রোগী আসলে বিনা চিকিৎসায় নয়, ডুবেছেন আত্মসর্বস্ব নেতাদের বাগাড়ম্বরে ভুল মানুষদের করা বিশ্বাসে। এই ঢেউ আড়াল করেছিলো অনচ্ছ মিথ্যার অটল কুয়াশা, কুহকিনী কথাদের মায়াজালে ভুলে আপনারা ভেবেছিলেন, মেলা চলবে, সভা ও মিছিল চলবে, জমায়েত চলবে, স্নান চলবে, সমবেত প্রার্থনা চলবে, টিকার বিদেশে যাওয়া চলবে, রাজার নতুন প্রাসাদ বানানো চলবে, সাড়ে সাত হাজার কোটির যুদ্ধবিমান কেনা চলবে, ফাঁকা বাড়িতে ডাক্তারনার্সহীন সুপারস্পেশালিটি চলবে, বীমার নামে ভাঁওতা চলবে, অনুদানের নামে ভিক্ষা চলবে, অথচ কোভিড নাইনটিন কিচ্ছুটি না বলে লক্ষ্মী জীবাণুর মতো কাউকে ছোঁবে না। এই পারস্পরিক অশ্রাব্য গালিগালাজের বন্যার মধ্যে একটি রাজনৈতিক স্বরও স্বাস্থ্যের পরিকাঠামো ও পরিষেবার দাবী তোলেনি। ঢেউয়ে যদি কিছু ভেসে থাকে, ভেসে গেছে সেই সব ফাঁপা ফুটো বুলি, জনতার হিত চেয়ে যাদের দরজাগুলো কখনো খোলেনি। |
| ভয় নেই, শতকরা নিরানব্বই ভাগ লোক টিকে থাকবেন এ ঢেউয়ের পরে। কিছু প্রিয়জন হারিয়ে, জমানো টাকা রোগাঞ্জলি দিয়ে , বেড না পেয়ে বাড়িতে জ্বরে ও ভয়ে আধমরা হয়েও শতকরা নিরানব্বই ভাগ লোক এই ঢেউ চলে গেলে থেকে যাবেন। থাকবেন রাজনীতিবিদ, থাকবেন অভিনেতা, প্রবল কুচক্রী এবং দুর্বিনীত লোকের সাথে নিতান্ত নিরীহ যারা সব মেনে নেয়, সকলেই থাকবেন। শুধু দেওয়ালে ঝোলা ফটোর সংখ্যা কটা বাড়বে, আর কিছু নয়। আর কিছু নয়? আজীবন, আমৃত্যু থেকে যাবে ভয়, আর সেটা রোগের থেকেও বেশি অন্যকিছুর। আপনারা জেনে গেছেন তিননম্বর, চারনম্বর বা পরবর্তী যে কোনো ঢেউতেই, চোরাবালির ওপরে দাঁড়ানো কিছু ডাক্তার নার্স ছাড়া আপনাদের পাশে কেউ নেই। আর্যতীর্থ |
| कवि राहुल गांधी उनका फेसबुक . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৪.২০২১ |

| কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৪.২০২১ |
| না আমায় বোলোনা কবি সান্ত্বনা চ্যাটার্জী না আমায় বোলোনা না এখন সময় নয় এ মৃত্যু পুরীতে, প্রেম ভালোবাসা দখিনা বাতাস, আনবেনা কিছুতেই। কবির হৃদয় আজ হয়েছে শশ্মান, আগুন জ্বলছে দাউ দাউ, সেখানে কেউ না কেউ পুড়ে হচ্ছে ছাই। তাই, গান গাইবে না মন গান গাইবে না! হুহু হূতাশন বয়ে আনে দখিনা বাতাস, বয়ে আনে চির চেনা চিতার গন্ধ, সেখানে জ্বলছে দেহ, বন্ধ মনের দরজায় কান্নার ঢেউ। কেউ ডাকবেনা সেই চির চেনা পথে , ফুলে ঢাকা মধু বেলা পড়বে না মনে, প্রেমের কুঁডি সব অকালেই ঝরে গেছে, এখন কেবলই লড়াই মৃত্যুর সাথে। |
| ভালোবাসা হয়েছে কংকাল এ কোন সকাল। প্রেম এমন শশ্মান দেখেনি কখনোও । সারি সারি চিতা জ্বলে, লেলিহান শিখা, করেছে গ্রাশ সকল আশ্বাস মন দেখছে দূরে আপন চিতা মহাকাল যেন, এমন নিষ্ঠুর দিনে ছেড়ে গেছে যত আশা ভালোবাসা দলে গেছে অত্যাচারীর পায়। কেমন করে গান গায় কি করেই বা মালা গাঁথে বকুল কথায়। না গাইবে না মন গান গাইবে না।। |
| কবি অশোক চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৪.২০২১ |
| তোর কথা মনে পড়ে আজও কবি অশোক চট্টোপাধ্যায়, এপ্রিল ২৯, ২০২১ তোর কথা মনে পড়ে আজও। সন্ধ্যার আঁধারে আঁচলে গিট দিয়ে প্রতিশ্রুতির স্বপ্নগুলি বাঁধা, লতাগুল্মে রেখে দেওয়া আগামির চাবি।নৌকার দাঁড়ে ছলাৎ ছলাৎ শব্দে মরমীয়া সুরে গলা সাধা। এখন বাতাসে কান্না। ফাঁকা পথে সারি সারি চুল্লি জ্বলে ওঠে হিসেবি সওদাগর কড়ি গোনে দিবানিশি। দেশের মানচিত্র ছোটে আরও বড়ো চুল্লিতে দেহ রেখে সতী হবে বলে! নিশি রাত, বাঁকা চাঁদ, বসে থাকে বনচ্ছায়াতলে। |
| কবি বিশ্বজিৎ রায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৪.২০২১ |
| কালো দিন কবি বিশ্বজিৎ রায় ঝকমকে রোদ্দুর ফুঁড়ে বেরিয়ে এলো আবার সেই ভয়ঙ্কর কালো দিন --- নাচ গান খেলা মেলা সুরাপানের আনন্দে যারা গিটার বাজাচ্ছিলাম এতদিন মায়াবী বাগানে বসে, হঠাৎ ধেয়ে আসা ঝড়ের কারণে তারা বন্ধ করে দিলাম সব উল্লাস, বৃন্দগান--- একে একে নিভে গেল সব ঝাড়বাতি, রঙিন ছবিগুলি ঘুরতে থাকল চারপাশে যেন সাদাকালো নেগেটিভের ছায়াযান ... ভেবেছিলাম, বিষদাঁত ভেঙে গেছে সর্বনাশীর, হয়ত সে আর ফিরে আসবেনা , অথচ, সবাইকে অবাক করে, কিছুদিন বিশ্রাম নিয়ে চতুর্গুন শক্তি বাড়িয়ে আবার দিল হানা, সঙ্গে আরও তীক্ষ্ণ বিষের ফণা .... |
| কবি রুদেন্দ্র প্রসাদ ঘোষ কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৪.২০২১ |
| কোভিড'য়ের বিকল্প অনুদান কবি রুদ্রেন্দ্র প্রসাদ ঘোষ আমি বাঁচি, অথবা মরি- এ'কথা আজ এই মুহূর্তে নিতান্তই অবান্তর আর মূল্যহীন। মানব-সভ্যতা'র হাল যদি হয় সঙ্গীন; অবিলম্বে 'যেন-তেন-প্রকারেণ', বাঁচাও পৃথিবীরে। কারণ-- পৃথিবী যদি বাঁচে, বাঁচবে মহতি প্রকৃতি। বেঁচে রবে প্রাণী, অটুট রবে বিশ্বের পরিধি। পূর্ণ মহিমায় বিরাজমান রবে সৌর-পরিমন্ডলের আরও আছে যত গ্রহ-উপগ্রহ-তারকা। 'করোনা'--! সেই বাণী নিয়ে তুমি এসেছো এই পৃথিবীতে। বিঞ্জানী হয়রান! তুমি তো জানো; মানুষ বড়ই স্বার্থান্বেষী। নিজের স্বার্থ পূরণে-- নির্দ্বিধায় দিতে পারে আর সবই জলাঞ্জলি। দেবাদিদেব 'নীলকন্ঠ' মহাদেবের কৃপা-অনুদানে একদা পৃথিবীর মানবেরে, আর তার পরিজনের সমৃদ্ধ করেছে মহাকাল ব্যাপী, জন্ম-জন্মান্তর। কিন্তু; সেই কথা মানব আর রাখেনি স্মরণে। অন্যথা; তোমার আবির্ভাবের আর ছিল'না কোনো কারণ। 'করোনা'! তোমার মহামারী করুণা দূরে ঠেলে, পরস্পরের প্রতি অবিশ্বাস আর শত্রুতা, সম্প্রতি মানবের হৃদয়ে এনেছে ফিরায়ে আস্থা মিত্রতা, এনেছে নানা সেবা-শুশ্রুষার ডালি। আজ আপামর জনগণ বারবার ওঠে উচ্চারী-- 'চরৈ বেতি', 'চরৈ বেতি', 'চরৈ বেতি'। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৪.২০২১ |
| ড্যাশ কবি আর্যতীর্থ ( দুঃখিত। খারাপ কথা পারতপক্ষে বলি না, কিন্তু ভোট শেষ হতেই এই ফতোয়া আর যাই হোক, জনস্বার্থে নয়) ভোটের বিলাস সাঙ্গ হলো, এবার শ্রমের ড্যাশ মারি, শ্রমের দিনের মান্যতাতে এলো নোটিশ সরকারি। ভোটের ভিড়ের নিংড়িয়ে ঘাম রাজনীতি খায় লাভের গুড়, ভোটের শেষে মে দিবসে ভেতর যাওয়ার উল্টো সুর। আটটা দফায় কার্ভ উঠিয়ে রাজ্য জুড়ে মই বেয়ে, নেপোরা সব বন্ধ করেন ঢেঁকুর তুলে দই খেয়ে । পজিটিভও ভোট দিতে আয়, চাঁদকপালে টি যেন, কমিশনের সে বায়নাতে থমকে দাঁড়ায় বিজ্ঞানও । ভেতর থাকার হুকুম তবে শুধুই বোধহয় মুদ্রাদোষ, বুথের ভেতর ডজন শিকার ভেট পেয়ে যায় সে রাক্ষস। পোলিং এজেন্ট, অফিসার আর ছাপোষা সব কর্মীকে, কপাল ঘষে হুজুররা সব দিলেন ভাগ্যে জ্বর লিখে। খোঁজ কি তাঁদের কেউ করেছে, ভোটের পরে সুস্থ কে, কেউ করেনি, আমটা খেয়ে আঁটি আবার চুষতো কে। ও দিদি আর শালা’র যুদ্ধে স্বাস্থ্য শহীদ মাঝখানে, ঠিক কতটা ভুল ছিলো তা, জ্বরের রোগী আজ জানে। ॥ ভোট শেষ হবার পরেই সরকারের লক-ডাউনের ফতোয়ার বিরুদ্ধে লেখা॥ |
| কে কতটা করলো খারাপ, জিভের ডগায় মুখস্থই, চেঁচায়নি কেউ ভিড়ের থেকে, অ্যাই রাজা তোর মুখোশ কই। দোষের ভাগী অন্যদলের নেত্রী নেতা কমরেডও, প্যান্ডেমিকের মাঝদরিয়ায় তাই তো অমিল আজ বেডও। যুক্তি শোনান বুদ্ধিমানে, শানিয়ে নিয়ে তাঁর বাচন, ‘গণতন্ত্রের খুব প্রয়োজন সঠিক সময় নির্বাচন।’ আজকে যখন গণচিতায় চতুর্দিকে পুড়ছে শব, লাগছে কেমন হে জ্ঞানীরা ডেমোক্রেসির এ উৎসব? আজ বাদে কাল ভোটের রেজাল্ট, দুপক্ষেরই আসুক যেই, হাসপাতালের রোগীর ভিড়ে আগামীতে কমতি নেই। ভোটের বিলাস সাঙ্গ করে, পুড়িয়ে দিয়ে বঙ্গদেশ, স্বাস্থ্যবিধি দেড়খানা মাস ছিঁড়লো বিশেষ অঙ্গকেশ। আজকে হঠাৎ শ্রমদিবসে ভেঙেছে ঘুম সরকারি, হুকুম এলো আয় জনতা, তোর পকেটের ড্যাশ মারি। আছোলা বাঁশ আসছে আরো, আমরা বসে ল্যাজ নাড়ি। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ৭.৫.২০২১ |
| প্যানিক কবি আর্যতীর্থ প্যানিক কোরো না। বাড়লে বুকের ধুক, চাপ ফেলে খুব সেটা অক্সিমিটারে, জোর করে মনে জোর আনা চাই আজ, শ্বাসকষ্টের সাথে জ্বর যদি বাড়ে। কিচ্ছু না এ করোনা, সর্দি কাশির মতো ভীষণ সুশীল , তড়িঘড়ি ডাক্তার দেখাতে গেলেই হবে ভারী মুশকিল, একগাদা টেস্ট সি টি আর সেই আর টি পি সি আর, প্যানিক ঘাপটি মেরে করবে শিকার, তার চেয়ে ঘরে বসে ... এই দেখো, এইখানে মৃদু দ্বিধা আছে, বসলে মোবাইল নিয়ে অথবা টি ভির কাছে , করবে প্যানিক ঘরে বসে কি করবে জানিনা তা ঠিক। পাশের বাড়ির সাথে কথা যদি বলো, শারীরিক দূরত্ব থাকলেই হলো... আরে ধুর, সেখানেও গোলযোগ, কথাতে আসবে উঠে ও আপদ রোগ, চেনা কেউ পজিটিভ কিংবা ঝামেলা বেড পেতে, শেষ অবধি দুতরফে প্যানিকই জেতে, কাজেই কাজ নেই কথা বলে বাবা কারো সাথে, বাড়িতেই মন দাও কাগজ পড়াতে। থুড়ি থুড়ি, খবরের কাগজেরা ছাপে খালি জ্বর, ছবি দেখে চোখে জল, বুক ধড়ফড়, |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৫.২০২১ |
| ফুলমণি ও করোনার বিবরণ কবি দেবেশ ঠাকুর সকলেই কবি নয়-- যদি এই বাক্যবন্ধ মানি সকলেই ডাক্তার?সকলেই জীববিজ্ঞানী? স্বেচ্ছাবন্দিত্বের ঘরে ফুলমণি অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিবিড় ভয়ের সঙ্গে অপ্রাকৃত জীবনযাপন ছুঁতে ভয় ধুতে ভয় আত্মজন পর করে বাস এক শব্দ বুকে বসে রাজ করে, তীব্র অবিশ্বাস। লাল নীল গোল ফুল সকলের স্নায়ু জুড়ে ফুটে চিমটি কেটে বাঁচা বোঝো প্রতিদিন মাঝ রাতে উঠে ব্যক্তি থেকে দল থেকে প্রতিদিন শত গসপেল মানুষই আদম, ঈভ। হাতে ধরা জ্ঞানের আপেল অজস্র আশ্বাসবাক্য জুড়ে জুড়ে মস্ত বড়ো ভয় দার্শনিক বোধে বন্ধু ঘনীভূত করে সংশয় সকলেই সব বোঝে। শত জানে! সর্বজ্ঞ নেটদুনিয়ায় ভয়ে কুঁচকে আছে দেশ।মুখে বলি, আয় খুনি, আয়- এর বাণী ওকে দাও, ভাগ করো ব্যক্তিতে, গ্রুপে যোগ করে বোঝা গেল বসে আছি বারুদের স্তূপে অতঃপর! তা জানো না। বহুরূপী, ভয় ছড়িয়ো না স্নায়ুর অসুখে ভুগে মানুষের শুরু দিন গোনা ভয়ে সন্দেহে আজ প্রিয়জন পর হয়ে যায় প্রাজ্ঞ নিদান দিন, আর রাষ্ট্র। তোমার কী দায় ভয় দেখানো? দোহাই, অর্ধসত্য ভয় পাঠিও না কেউই মিডাস নয়। ছুঁলে মৃত্যু! না কি খাঁটি সোনা! |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ৭.৫.২০২১ |
| লড়াই কবি আর্যতীর্থ যাদের যাওয়ার কথা ছিলো না, তারা দুম করে চলে গেলো। শেষ দেখা কেউ দেখেনি, কারণ তাদের ঘরে জ্বর এসেছিলো, ঝড়ের মতন জ্বর তছনছ করে গেছে ছাপোষার সাজানো বাগান, স্মৃতির টুকরোগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে, আগামীর আশা সব ভেঙে খানখান, ঘরের লোকের হাতে মানুষের বিনিময়ে এসে গেছে একমুঠো ছাই, সেটাও গচ্চা দিয়ে হাজার কয়েক। মারীতে কমেনি কিছু জীবিত’র খাঁই। আমরা জীবিত যারা এখনো পড়িনি জ্বরে, আধা মরে গিয়েছি আগেই, শিউরে উঠছি রোজই নিভে যেতে দেখে চেনা পৃথিবীকে, আগামীর কিছু নেই খেই, তাদের এখন কাজ নিয়মিত কপি পেস্ট করে যাওয়া আত্মার শান্তি চাহিদা, শোকের খবর পেলে রিফ্লেক্স অ্যাকশনে আঙুলের ডগা বেয়ে চেনা মুসাবিদা। আসলে এ অশান্ত সময়ের যাত্রীরা শান্তির সান্ত্বনা খুঁজে খুঁজে মরি, তারিখ অসার হলো যে সব জীবনে, শান্তি পেয়েছে তারা তাই আশা করি। তবু এ মৃতের গল্প নয়, আজ যারা বেঁচে আছি লড়ে যেতে হবে প্রাণপণ, সৈনিক ভাবে শুধু আজকে বাঁচার কথা, যুদ্ধের মাঝখানে পড়ে সে যখন। লড়াই একার নয়, সঠিক বর্ম নিয়ে বিনা ছুঁয়ে সাথে থেকে যেতে হবে লড়ে, কত কম শোক নিয়ে শেষে পৌঁছানো যাবে, আমাদেরই ওপরে তা নির্ভর করে। অনাগত আগামীতে যেইদিন পৌঁছাবো, মাস্ক খুলে শ্বাস নেবো জোরে, ভুলো না তাদের কথা, আমাদের পাশে লড়ে যারা চলে গেলো দুম করে। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির মূল সংগ্রহ এখানে তোলা হয়েছে ১২.৫.২০২১ |
| অনড় আর্যতীর্থ রচনা ১০ই মে ২০২১। মারুক না লোক জ্বরের কষাই, আমরা তো স্রেফ মাছি মশাই, কোষ্ঠী জুড়ে শনির দশাই, করেন কী আর রাজামশাই, দোষ কেন দাও তাঁকে? যতই উনি প্রাসাদ বানান, বিদেশ থেকে বিমান আনান, লোকের ভিড়ে তারিফ জানান, মগজ ধোওয়ার অস্ত্র শানান, খেয়াল কি কেউ রাখে? রাখেও যদি , বলেন না কেউ, বাঘের পেছন ডাকেন না ফেউ, মারছে মানুষ করোনা ঢেউ, যায় আসে কি তাদের আদৌ ওপর যারা থাকে? পাঁচ বছরের একটি ভোটে, পুচ্ছ নড়ে গুচ্ছ নোটে, একটু যদি ভিক্ষে জোটে, বেশির ভাগই সেদিক ছোটে, ভাত খুঁটে খায় কাকে। সেটাই যখন নিয়ম দেশে , সহ্য করো তখন হেসে, |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির ফেসবুক . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . এখানে তোলা হয়েছে ১২.৫.২০২১ |
| টিকা-ধরণ আর্যতীর্থ রচনা ১০ই মে ২০২১। জি এস টি তুলে দিলে দর যাবে বেড়ে, অর্থনীতির প্যাঁচ বোঝে হায় কে রে, রাজকর বেশি হলে কমে যদি দাম, নিয়মের খুরে তবে রইলো প্রণাম। বিক্রেতা দুইজন, ক্রেতা হলো তিন এভাবেই বন্টন দেশে ভ্যাক্সিন। কেন্দ্রের দর থেকে রাজ্য ডবলে তারও দ্বিগুন দেবে প্রাইভেট হলে। তুমি যদি বিক্রেতা হতে হে সুজন ভালো করে ভাবো যেতো কার দিকে মন। ব্যবসায়ী চাইবেই লাভ হোক বেশি, সস্তায় মাল দেবে আশা কোনদেশি? সুতরাং প্রাইভেটে যত অর্ডার, দিয়েথুয়ে তারপর পাবে সরকার। ভ্যাক্সিন না পাওয়ার এই হাহাকারে, আড়াইশো পৌঁছাবে এক দুহাজারে। রাজ্য বরাত দিক যত না কোটিতে, দু চার লাখ পাবে টিকার ঘটিতে। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির ফেসবুক . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . এখানে তোলা হয়েছে ১২.৫.২০২১ |
| এসো আর্যতীর্থ রচনা ১১ই মে ২০২১। ( রবীন্দ্রনাথকে ২৫শে বৈশাখ উপলক্ষ্যে ) জীবাণু এখন বিষাইছে বায়ু, ভাগ্যের হাতে বাকি পরমায়ু আজ-এর বিষাদ আগামী ঢেকেছে থিতু কুয়াশার মতো, চেনা বৃত্তটা রোজ যায় ক্ষয়ে, মানুষ ফটোতে যায় নেই হয়ে, সময়ের সাথে বেড়ে চলে শুধু উপশমহীন ক্ষত। এসময় এসো , হে কবিসাধক, আতংক ভয় বিষাদ ও শোক পেরিয়ে আবার আলোর ভরসা ফেরাও দেশের প্রাণে, এখন আর কিছু নেই হারাবার, সময় এসেছে ঘুরে দাঁড়াবার, ভয় তাড়াবার জাদুকাঠি আছে তোমার কবিতা গানে। বানাবো না আর তোমাকে দেবতা, চালু রেখে এই উপাসনা প্রথা ঋষি বলে এক মস্ত পাঁচিল তুলেছে জন্মভূমি, মালা দেওয়া ছেড়ে তোমার ছবিকে, জীবনের মাঝে আনবো কবিকে আমাদের মাঝে তোমাকে টানবো যেমন চেয়েছো তুমি। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির ফেসবুক . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . এখানে তোলা হয়েছে ১২.৫.২০২১ |
| ওরা কারা আর্যতীর্থ রচনা ১১ই মে ২০২১। ( উত্তরপ্রদেশ ও বিহারে করোনায় মৃতদের দেহ গঙ্গায় ভেসে আসার খবরে ) নদী বেয়ে ওরা ভেসে যায় কারা? আধপোড়া লাশ, পচে গলে যাওয়া, নাক চাপা দাও, পূতিময় হাওয়া, কারা ওরা কারা, কারা যায় ভেসে, আমাদের নদী, আমাদের দেশে? গ্রাম ছিলো কোনো, ছিলো প্রিয়জনও, হয়তো বা চাষী, মুটে বা হাটুরে, সেই প্রিয়জনই জলে দিলো ছুঁড়ে, যাও ভেসে যাও রোগ নিয়ে সাথে, উপায়ান্তর নেই কারো হাতে, প্রান্তর ভরে সার সার চিতা, ওখানে মেলেনি শবের গ্রহীতা, পিতা বা পুত্র, কন্যা বা মাতা, যাও ভেসে যাও নামহীন হয়ে, আমাদের দেশে, দেশের নদীতে, দেখো নাগরিক শব যায় বয়ে। কাগজ কি ছিলো? আধার ভোটার.. তবুও নদীতে ঠাঁই হলো তার। চল্লিশ মন কাঠ দরকার, চল্লিশ মন , লাশ জ্বালাবার। |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১২.৫.২০২১ |
| সেইসব নাইটিংগেল কবি দেবেশ ঠাকুর যাদের হাতের স্পর্শে ব্যথাতুর স্বস্তি খুঁজে পায় যাদের পলকপাতে ত্রস্ত প্রাণ হয় উদ্বেল মমত্ব ঝরে পড়ে যাদের উপস্থিতি প্রশান্ত ভাষায় শুভ্র বসনে জাগে প্রতিজন নাইটিংগেল। এখন দেশের থেকে কেন জানো দ্বেষ ভারি হয়? মানুষ ক্ষয়ের দেশে জয় ফেলে খুঁজছে নিকেল শাসন শাসানি ভুলে দৃপ্ত যারা আজও অসংশয় সিক্ত চোখ মুছে দেয় এক একজন নাইটিংগেল। তোমাদের মুখ চেয়ে আর্তের মনে কিশলয় স্মিত হাসি কুন্দ যেন উদ্বেগে প্রীতির মিশেল কত শত বিপন্নের ব্যথা ক্ষত করো নিরাময় আলোকবর্তিকা নিয়ে শয্যাপাশে নাইটিংগেল। অনেক উপেক্ষা ভুলে অপেক্ষার নাম ভালো থাকা সেবা যেন দ্যুতিময়-- পাশে পড়ে সংসার হেঁসেল যাদের চোখের ভাষা নিষ্পলক ভালোবাসা মাখা তোমরাই জাগরণ, জাগানোর নাইটিংগেল। |
| খবরে প্রকাশ - দু দিন হলো যমুনা ও গঙ্গায় শত শত করোনায় মৃতের শব ভেসে আসছে। |

| কবি এসকে জাহির আব্বাস কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১২.৫.২০২১ |
| কবি শুভ্রনীল চক্রবর্তী কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৫.২০২১ |
| পাশাপাশি দুই ঘরে বন্দী কবি শুভ্রনীল চক্রবর্তী পাশাপাশি দুই ঘরে বন্দী _ পৃথিবী . শরীর জুড়ে তার বিস্ফোরণ সিলিং এ ঝোলানো কঠিন ব্যাধি . মহামারী লেখা সিংহাসন !! বাষ্পে তে বাস ___ লাঞ্ছিত লাংস . অক্সিজেনের সম্মোহন কালোবাজারির ঘেরাটোপে আজ . মহামারী লেখা সিংহাসন !! খাদ্যের খাতিরে হন্যে মানুষ . অর্থনীতির অবনমন পরিযায়ী শ্রম তাই --- গাড়ী চাপা যায় মহামারী লেখা সিংহাসন !! অন্নদাতা অন্ন হীন আজ মানুষের নেই কোনো জীবনের দাম শ্বাস কেড়ে আজ শাসক তুমি মহামারী লেখা তোমার সিংহাসন !! |
| কবি অশোক চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . রচনা মে ১৩, ২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৫.২০২১ |
| জলে ভাসছে মনুষ্যত্ব কবি অশোক চট্টোপাধ্যায় জলে ভাসছে মনুষ্যত্ব, রাস্তায় মানবতার চিতা জ্বলছে। বেপাত্তা অকসিজেন, লুকোচুরি খেলছে টিকা ! হে বন্ধু সুদামা, এখনও ওরা তূন থেকে বের করছে অস্ত্র; জিঘাংসায় লক লক করছে ওদের জিভ লালার বিষ দেখে ভয়ে কুঁকড়ে যাচ্ছে তরতাজা রক্ত রাস্তায় জ্বলছে মানবতার চিতা মনুষ্যত্ব ভাসছে জলে শঙ্কার শেকল গলায় পরে আমরা কি ওদের বশ্য পোষ্য হয়ে যাচ্ছি ? হে বন্ধু সুদামা হয় কথা বলো নয়তো জাহান্নামে যাও... |
| আমি স্বেচ্ছাচারী কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় তীরে কি প্রচণ্ড কলরব 'জলে ভেসে যায় কার শব কোথা ছিলো বাড়ি?' রাতের কল্লোল শুধু বলে যায় --- 'আমি স্বেচ্ছাচারী।' সমুদ্র কি জীবিত ও মৃতে এভাবে সম্পূর্ণ অতর্কিতে সমাদরণীয়? কে জানে গরল কিনা প্রকৃত পানীয় অমৃতই বিষ ! মেধার ভিতর শ্রান্তি বাড়ে অহর্নিশ। তীরে কি প্রচণ্ড কলরব 'জলে ভেসে যায় কার শব কোথা ছিলো বাড়ি?' রাতের কল্লোল শুধু বলে যায় --- 'আমি স্বেচ্ছাচারী।' ১০.৫.২০২১ তারিখ থেকে, উত্তর প্রদেশ ও বিহারে, যমুনা ও গঙ্গায় করোনা মহামারীতে মৃতদের শব ভেসে আসার সংবাদে আমরা অত্যন্ত বিচলিত বোধ করছি। এই "শব ভেসে যাওয়া" নিয়ে কবি শক্তি চট্টেপাধ্যায়ের এই কবিতাটি এখন সোসিয়াল মিডিয়ায় মানুষ পোস্ট করছেন। এই কবিতাটিকে কিছুটা বদলে বর্তমান নৃশংস অবস্থার কথা বর্তমান কবিদের অনেকেই বলার চেষ্টা করছেন। আমরা তাই এই কবিতাটি এখানে তুলে দিলাম। কবিতাটি অবশ্যই রয়েছে মিলনসাগরে, ১২৫টি কবিতা নিয়ে, কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার পাতাতেও . . . । |
| কবি শক্তিচট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১২.৫.২০২১ |

| খবরে প্রকাশ - দু দিন হলো যমুনা ও গঙ্গায় শত শত করোনায় মৃতের শব ভেসে আসছে। |

| কবি মলয় রায়চৌধুরী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . মিলনসাগরে হাংরি জেনারেশান বা হাংরিয়ালিস্ট আন্দেলনের কবিতার পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৫.২০২১ |
| কবি সুমন সেনগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . রচনা ১৫.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৫.২০২১ |

| দুষ্টকবি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . রচনা ১৫.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৫.২০২১ |

| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪..৫.২০২১ |
| লাশপদাবলি কবি দেবেশ ঠাকুর এখন সকাল রাতের থেকেও কালো ভরা গঙ্গায় লাশ ভেসে যায় জলে কার মৃতদেহ-- ভেসেছে কঙ্কালও মৃত্যু--মৃত্যু-- গাঙ্গেয় অঞ্চলে। এই লাশ কার জানিনা আমি তুমি শবের গায়ে শিবির-চিহ্ন কিনা! ঠিকানা ছিল আমার জন্মভূমি ভাসা লাশের আরেকটি নাম ঘৃণা-- যা ভেসে যায় উপেক্ষা তার নাম আত্মজনের অসহায়তার ভেলা বৈতরণী হে, মৃত্যুতে ভাসলাম জীবনের নাম আজকে অবহেলা। কবীর ভাসাই জলে, কুবের পানি মন্দাকিনী পুণ্য মৃত ধরে বালিতে পোঁতা মানুষের নাম জানি বর্ণ এখন বিবর্ণসঙ্করে। লাশও কিছু বলতে চাইছে, শোনো বলতে চাইছে বিষন্ন দুই তীরও বিসমিল্লার সানাই ছোঁবে মনও? |
| কবি স্বপ্না দে কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৫.২০২১ |
| হেসে ওঠো কবি স্বপ্না দে এক একটা দিন একটু অন্যরকম লাগে সকালের মোলায়েম রোদ্দুরে বসে তুমি ভিটামিন d খাচ্ছিলে আর মনের অন্দরে ঘুণপোকা কুরে কুরে খাচ্ছিল তোমাকে তোমার অক্সিজেন লেবেল কমে আসছে তোমার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে তবু তুমি রোদ ছেড়ে ওঠো নি রোদ্দুর নাকি জীবাণু নাশক শরীরে তোমার ভিটামিন ডি আর অন্দরে কুরে কুরে খাক করে দেওয়া ঘুণপোকা । এর ই মধ্যে একটা অ্যাম্বুলেন্স সাইরেন বাজাতে বাজাতে চলে গেলো দম বন্ধ হয়ে এলো তোমার কার বাড়ি থেকে গেলো এই মানুষ ও কি অক্সিজেন পাবে নাকি লাশ হয়ে ভেসে যাবে গঙ্গায় |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির ফেসবুক . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৫.২০২১ |
| ঠিক থাকা আর্যতীর্থ, রচনা ১৪ই মে ২০২১। ঠিক আছিস? ঠিক আছো? ঠিক কি আছেন? মুঠোফোনে মেসেজের হয় লেনদেন। কাকে ঠিক থাকা বলে? কেউ জানে না তা, সজ্জিত মলাটের মাঝে ছেঁড়া পাতা, কজন লুকিয়ে রাখে বুঝবে তা কে রে, জীবন যে কার কবে বসে হাঁটু গেড়ে, ফুরিয়ে যাওয়ার আগে যবনিকা ভেবে নিজেকে শূন্য দেয় বেঠিক হিসেবে, সে খবর উপচায় কটা মুঠোফোনে? বালিশও জানেনা ভেজে কিসের কারণে। ঠিক আছেন? ঠিক আছিস? ঠিক আছো তো? কি যে ভালো হতো যদি হ্যাঁ বলা যেতো! কাকে ঠিক থাকা বলে আজকের দিনে? বড় চড়া সুদ কাটে এ মারীর ঋণে, কারো ঘরে রোগ বসে, কারো ঘরে খিদে, কারো গায়ে বেকারির কাঁটা আছে বিঁধে, বেতন যাদের চালু ওয়ার্ক ফ্রম হোমে, নিজগৃহে পরবাসী তারা ক্রমে ক্রমে, যে পৃথিবী ভয় পায় শুনে পজিটিভ, আমরা সে দুনিয়ায় বাসা বাঁধা জীব, সবদিকে খাদ হলে যাবো কোনদিক, কাউকে রাখেনি ঠিক এ প্যান্ডেমিক। |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৫.২০২১ |
| ঢুকে মসজিদ প্রাঙ্গনে কবি মনিরুল ঢুকে মসজিদ প্রাঙ্গনে, বসি ছেড়ে ছেড়ে ! সব মানিয়া স্বাস্থ্যবিধি, লই নামাজ'টা পড়ে !! ****************** নামাজে বসিয়া করি, হাত তুলে মোনাজাত ! দুর হোক অতিমারী, দুর হোক কালো রাত !! |
| कवि अखिल कविराय Akhilendu Arjeria कवि का फेसबुक . . . यहां प्रकाशित हुआ 7.6.2020 এখানে তোলা হয়েছে ৭.৬.২০২০ |

| খবরে প্রকাশ - যমুনা ও গঙ্গায় শত শত করোনায় মৃতের শব ভেসে আসছে। |

| কবি অভিজিৎ দাশগুপ্ত কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৩.৫.২০২১ |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৪.৫.২০২১ |
| ধম্মো ধম্মো করে কবি মনিরুল ধম্মো ধম্মো করে, সে করে চিল চিৎকার ! হয় না মুরোদ তার, করে মৃতদেহ সৎকার !! কত ধর্মের ধ্বজাধারী, সেথা কত কত সাগরেদ ! কুকুরে ছিঁড়ছে লাশ, সেথা নেই কারো মনে খেদ ?? |
| সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . রচনা ১৬.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ১৬.৫.২০২১ |

| কবি আরশাদ চৌধুরী কবির ফেসবুক . . . রচনা ১৭.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ১৭.৫.২০২১ |

| Gujarati poet Parul Khakhar from Amreli wrote this poem on dead bodies floating in Ganga. Hindi translation by Ilyas Mansuri. English translation by Salil Tripathi & Bengali Translation by Sandip Malakar. Parul Khakhar had to face so much anger from the blind Bhakt’s.of Modi, that Her Facebook account has been frozen due to trolling and threat. Courtesy Reddit.com. গুজরাটের কবি "পারুল খখর" এর মূল কবিতাটির বঙ্গানুবাদ - সন্দীপ মালাকার। তাঁর ফেসবুক পাতায় যেতে . . .। |
| Poet Parul Khakhar কবির ফেসবুক বন্ধ করে দিতে হয়েছে, নরেন্দ্র মোদীর অন্ধ ভক্তদের ট্রলিং ও শাসানির কারণে। এখানে তোলা হয়েছে ১৭.৫.২০২১ |

| .. |
| কবি অশোক চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . রচনা ১৭.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ১৭.৫.২০২১ |

| .. |
| কবি শ্রীজাত মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . রচনা ১৭.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ১৭.৫.২০২১ |

| কবি নীলিম গঙ্গোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . রচনা ১৮.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৫.২০২১ |
| সময়টা এখন কবি নীলিম গঙ্গোপাধ্যায় বাজপাখি সাময়িক গুটিয়েছে নখ সংক্রমণ শেষে থামা ভোট উৎসব ইতিমধ্যে ঘরে ঘরে সেঁধালো মড়ক নদীপথ বেছে নিল ছুঁড়ে দেওয়া শব ফলাফল উগলালো ভোটের লড়াই বিরোধী পক্ষ এক, আরেকের গদি অনুসারে বাটা হবে সিন্ডিকেট খাঁই আপাতত চিতা কম দায় নিক নদী শকুনের ঠোঁটে ঠোকরায় নাগরিক ছেঁড়ে শ্বাদন্তে শবদেহ সারমেয় গোমূত্রে এই রোগ সেরে যাবে ঠিক বিধায়ক বিশ্বাসী তাতে নেই সন্দেহ এদেশের সুচেতনা রাক্ষসের হাতে নির্বিকার ভাগ্যবাদী রইলে এতক্ষণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে ধর্ষকের দাঁতে তাই ফুঁসে ওঠা চাই, নব জাগরণ |
| .. |
| अज्ञात कवि सर्बजीत कौर ग्रेवाल के फेसबुक से . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৯.৫.২০২১ |

| कवि अमनदीप सेखों कवि का फेसबुक . . . এখানে তোলা হয়েছে ১৫.১২.২০২০ |
| কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . রচনা ২০.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ২০.৫.২০২১ |

| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির ফেসবুক . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . এখানে তোলা হয়েছে ২১.৫.২০২১ |
| যোদ্ধা কবি আর্যতীর্থ রচনা ২১ই মে ২০২১। মহামারীর এই মারণক্ষেত্রে ঈশ্বরেরা আপাতত সাইডলাইনে। প্রতিটি সমবেত প্রার্থনাসভা থেকে উঠে এসেছে বিষ, পাপ পুণ্যের হিসেবরক্ষক তাবত উপাসনালয় নিজেদের ভক্তদের জন্যই দুয়ার রুদ্ধ করেছে, পরমেশ্বরের রোগ না হলেও, তাঁর অছি বলে দাবী করা প্রতিটি ধর্মধ্বজাধারীরই শরীর সুস্থ রাখা দরকার। বিজ্ঞানের ওপর ভরসা করেও সভ্যতা ঠকে গেছে। সে বেচারি রাজনীতির বেতনভূক, এতদিন বোমারু বিমান আর পৃথিবী গুঁড়িয়ে দেওয়ার মতো মারণাস্ত্র বানিয়ে রাষ্ট্রদের ‘সব সে বড়া খিলাড়ি’র ম্যাসকট ছিলো, হঠাৎ করেই তাকে ভ্যাকসিন তৈরির রান্নাঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বভাবতই , কোথাও নুন কম তো কোথাও ঝাল বেশি। কখনো দুটোই ঠিক হলে সে টিকায় তখন ব্যবসায়ীদের একচ্ছত্র অধিকার হবে। তাহলে এই সময়ে মানুষের হয়ে যুদ্ধ করছে কে? সর্বাঙ্গে ক্ষতদাগ নিয়ে , ভোঁতা অস্ত্রহাতে মানুষ আর রোগের মাঝে কে দাঁড়িয়ে আজ রণাঙ্গনে, হাজার আঘাতেও যে বারবার উঠে দাঁড়াচ্ছে বাচ্চার রলি-পলি খেলনার মতো, ব্যবস্থা করছে অক্সিজেনের , |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির ফেসবুক . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . এখানে তোলা হয়েছে ২১.৫.২০২১ |
| উন্নয়ন কবি আর্যতীর্থ রচনা ২২শে মে ২০২১। চাইছো যেটা, মিলবে না তা কক্ষনো এই দেশে, চুনোর দামও দুনোর থেকে বিশগুনা হয় শেষে সেটা হোক না যা হোক। হোক না যা হোক কিনবে তা লোক হুড়মুড়িয়ে ঠিকই, চাহিদারা এই দেশে তাই আগুন জ্বালায় ধিকি, লেবু লঙ্কা পেঁয়াজ লেবু লঙ্কা পেঁয়াজ কাল থেকে আজ হঠাৎ দাবানলে, বাজার গেলেই সে উত্তাপে পকেট যাবে জ্বলে, এখন নিয়ম সেটাই , এখন নিয়ম সেটাই , জুটবে যে ছাই ভাগ্য সেটা জানে, যাচ্ছি তবু সবাই ভেসে সমকালের টানে, কোথাও থামছি না তো, থামছি না তো, সে বিখ্যাত প্রবচনের মতো, সাত মন তেল পুড়িয়ে রাধা নাচলে ভালো হতো, কিন্তু নাচছে কোথায়? নাচছে কোথায়, ওই শোনা যায় অক্সিজেনের অভাব, প্যান্ডেমিকেও বদলাবে কি ঝোপ বুঝে কোপ স্বভাব, অমন আশাই বৃথা, |
| নতুন মহীমায় কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায় |
| কবি সান্ত্বনা চট্টোপাধ্যায় মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . রচনা ২৩.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ২৩.৫.২০২১ |

| কবি বাবলু গিরি মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক . . . রচনা ২৪.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ২৪.৫.২০২১ |

| কবি ডঃ সুদীপ মণ্ডল মিলনসাগরে কবির পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৮.৫.২০২১ |
| আজকে যারা নেগেটিভ ডঃ সুদীপ মণ্ডল আজকে যারা নেগেটিভ কালকে পজেটিভ, বুঝিনা করোনা তোমার মোটিভ। ভালোবেসে কারে তুমি জড়িয়ে ধরো ভালোবাসার শেষে আবার কেটে পড়ো, তুমি করোনা নিজে জানো না বাঁচার টিপস, বুঝিনা করোনা তোমার মোটিভ। মুখে মাস্ক হাতে স্যানিটাইজার ছ’ফুট দূরত্ব, এই তিন নাকি আমাদের বাঁচার তিন শর্ত, উই ওয়ান্ট এ করোনা ফ্রি ওয়ার্ল্ড পিসফুলি উই ওয়ান্ট টু লিভ, বুঝিনা করোনা তোমার মোটিভ। |
| কবি আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় কবির ফেসবুক . . . ইয়াস মহাঝড়ের পরে রচনা ২৮.৫.২০২১ এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৫.২০২১ |

| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা কবির ফেসবুক . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৫.২০২১ |
| বেওসা কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২৯.৫.২০২১। কোভিড কাদের মারছে এবং কাদের ধরেও মারছে না, চেষ্টা করেও তাদের কোনো প্যাটার্ন চেনা যাচ্ছে না। ছক মেলে না কোমর্বিডে , কার কী কখন নেই জানা এ বাঁশবনে বিজ্ঞানীরা হাতড়ে খোঁজা ডোমকানা। ওষুধ কতই এলো গেলো , এই আছে এই নেই বলে, ডাক্তারেরাও হাত তুলে দেন হারিয়ে গেছে খেই বলে। ভরসা ছিলো কাল ক্লোরোকুইন, আজ আইভারমেকটিনে কেউ বা হাঁকেন এসব বেকার, সব সমাধান ভ্যাক্সিনে। একটা ব্যাপার দেখছি বটে, বলছে ওষুধ যখন যা, ঠিক সে সময় বাজার ঘুরে সেটাই পাওয়া যাচ্ছে না। হোক না সেটা সি ভিটামিন, কিংবা অ্যান্টিভাইরালই, হোয়াটসঅ্যাপে রটলে পরেই সব দোকানে স্টক খালি। অক্সিজেনের এই বাজারে দাম চড়েছে পাঁচ ছ’গুন, চাইলে রসিদ বলবে দোকান মশাই নিজের পথ দেখুন। তিনটাকা মাস্ক বেচছে বারো’য়, হুড়মুড়িয়ে কিনছে লোক, হুজুররা সব সুখেই আছেন, এসব দিকে নেই কো চোখ। ভুলেও কোনো কোভিড পেলে জিভ চেটে নেয় কর্পোরেট, জীবিত বা মৃতই বেরোক, লাখ দশেকের তেনার ভেট। উপরি দাবী হাজার পাঁচেক মৃতদেহের শেষ কাজে যে যাই বলুক লাগছে মারী কিছু লোকের বেশ কাজে। কাউকে জানে মারছে কোভিড, বাকির পকেট করছে শেষ প্রতিবাদের ঢেউ ওঠে কই, আমরা ভীষণ বাধ্য মেষ। মহামারীর বেওসাদারি দেখতে এসো আমার দেশ। |