কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিবাদী কবিতার সূচী

.                                                      মূল সূচীতে ফেরত . . .    

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে     

অপমানিত হে মোর দুর্ভাগা দেশ    
আজি এ ভারত লজ্জিত হে    
আফ্রিকা    
আমরা নূতন যৌবনেরই দূত    
আমাদের যারা হল শুরু এখন, ওগো কর্ণধার    
আমারে বাঁধবি তোরা সেই বাঁধন কি তোদের আছে    
আমি ভয় করব না ভয় করব না      
আমি মারের সাগর পাড়ি দেব    
উলঙ্গিনী নাচে রণরঙ্গে    
একদিন যারা মেরেছিল তাঁরে গিয়ে    
একসূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন    
এ কী অন্ধকার এ ভারতভূমি    
এখন আর দেরি নয় ধর গো তোরা    
এবার তোর মরা গাঙে বান এসেছে    
ওদের বাঁধন যতই শক্ত হবে      
ওরে আগুন আমার ভাই    
ওরে নূতন যুগের ভোরে    
কেন চেয়ে আছ গো মা মুখপানে    
চলো যাই, চলো যাই, চলো যাই      
চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য, উচ্চ যেথা শির    
Where the mind is without fear    
দুই বিঘা জমি    
দুঃসময়॥ যদিও সন্ধ্যা আসিছে মন্দ মন্থরে    
দুরন্ত আশা॥ মর্মে যবে মত্ত আশা    
দেশ দেশ নন্দিত করি    
ধর্মমোহ॥ ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে    
নাই নাই ভয়, হবে হবে জয়      
নিশিদিন ভরসা রাখিস    
নিশীথেরে লজ্জা দিল অন্ধকারে রবির বন্দন    
প্রশ্ন॥ ভগবান, তুমি যুগে যুগে দূত পাঠায়েছ বারে বারে    
বাঁধন ছেঁড়ার সাধন হবে    
বাংলার মাটি বাংলার জল    
বাধা দিলে বাধবে লড়াই, মরতে হবে     
বিধির বাঁধন কাটবে তুমি এমন শক্তিমান     
ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলে আগুন জ্বালো    
ভাঙো বাঁধ ভেঙে দাও    
মৃত্যুঞ্জয়॥ দুর হতে ভেবেছিনু মনে    
সঙ্কোচের বিহ্বলতা নিজেরে অপমান     
সবলা॥ নারীকে আপন ভাগ্য জয় করিবার    
সর্ব খর্বতারে দহে তব ক্রোধদাহ    
হতভাগ্যের গান॥ কিসের তরে অশ্রু ঝরে, কিসের লাগি দীর্ঘশ্বাস    
হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী    
হে মোর চিত্ত, পূণ্য তীর্থে    


মূল সূচীতে ফেরত . . .    


























.
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA