
| কলকাতায় আরব্য রজনীর দেয়ালিকা |
| যে কোনো কবিতায় ক্লিক্ করলেই সেই কবিতাটি আপনার ব্রাওজারের ডান দিক ঘেঁষে ফুটে উঠবে |
| |||||
| বহ্বারম্ভ কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২৩.৭.২০২২। নেতার ঘরে টাকা গোনা কোটির থেকে শুরু , আমরা শুধু শ’ হাজারে আটকে আছি গুরু! সময় এমন সব্বোনেশে, তাও থাকে না মাসের শেষে, খরচা ক্লেশে ব্যাঙ্কে জমা মান থেকে যায় শূন্য ঘেঁষে, পায়ের তলায় ভিত কিছু নেই , বালি ঝুরুঝুরু, দেখছি ছবি, নেতার ঘরে নোটের তাড়া পুরু। উৎস খোঁজার কুৎসা গেয়ে যতই নাচো ধিন-তা, আজ পেরোলেই কালকে হবে বিস্মৃতিতে লীন তা। দেড়শো কোটির বাটি ঘটি, নিংড়ে যে সব হাজার কোটি, দুয়ারে সেই বান্ডিলেরা আসবে সেরেফ জিতলে ভোটই, দেশের সেবক সাজেন যারা , সবার সেটাই চিন্তা, বদলাবে এই ট্রেন্ড কোনোদিন, আশা খুবই ক্ষীণ তা। যে সব টাকা ধরা পড়ে , ধরার পরে যায় কই? এ ঝাঁক ছেড়ে বদলিয়ে রঙ অন্য ঝাঁকে যায় কৈ। যেই না যাওয়া, ভোজবাজি হয়, পা-ঝাড়ারা আর পাজি নয়, বিশ বাঁও-য়ে বিষ-মামলা ডোবে, আর এগোতে কেউ রাজি নয়, গঙ্গামাফিক সাফ হয়ে যায় ভ্রষ্ট নেতার আয়-বই, চোর যেন না দাঁড়ায় ভোটে, কোর্টে তেমন রায় কই? কাজেই টাকার ছবি দেখে বৃথাই করা উল্লাস, ঘটছে এবং ঘটেই যাবে, যতই সে ঘা চুলকাস। ব্যাপারটা বোঝ সব আনাড়ি, এসব খালি দেখনদারি, সৎ লোকে যে জেতে না ভোট প্রমাণ আছে লাখো তারই, ফেসবুকে এই লেখায় ছেঁড়া হিন্দি ভাষার চুল খাস, ওপরতলায় চাইছে না কেউ করতে বিষের মূল নাশ। সিলিং ফ্যানে লটকানো শব একটা ভোটের ভুল লাশ.. |
|
|
| এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে স্ক্রল করে! This page scrolls sideways - Left - Right ! |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| · কী উপায় কবি পবিত্র সরকার রচনা ২৩.৭.২০২২। ক্ষমতা আর দুর্নীতি--কী চমকপ্রদ সমীকরণ। মন্ত্রী হলে, শুরু হল--ফ্ল্যাট, বাড়ি আর জমি করণ। সঙ্গে নানা উপসর্গ, নামল সিবিআইয়ের খড়্গ। আমজনতার একটি মাত্র রাস্তা এখন, বমি-করণ। |
| কবি পবিত্র সরকার কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| · কটা চাই? কবি পবিত্র সরকার রচনা ২৩.৭.২০২২। প্রশ্নটা বুঝি বোকার মতন, নাকি মনে করো ঠাট্টা-- একটি মানুষ কী হিসেবে বাড়ি বানায় সাতটা-আটটা ? একটা জীবন, তার বেশি নেই, থাকা সম্ভব সব বাড়িতেই ? জেল যদি হয় আর-একটা বাড়ি--ফুর্তির পরাকাষ্ঠা। |
| কবি পবিত্র সরকার কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| ঘেন্না জমুক কথা, সুর ও কণ্ঠঃ কাজী কামাল নাসের। গান্ধীমূর্তির পাদদেশে দীর্ঘদিন ধরে অবস্থানরত রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির শিকার হবু শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অবস্থা দেখে রচিত। যন্ত্রায়োজন - কাজী কামাল নাসের। রেকর্ডিং, মিক্সিং ও মাস্টারিং - কাজী কামাল নাসের। ভিডিও - কাজী কামাল নাসের। রচনা ২২.৫.২০২২। টিভির খবরে যে মেয়েটির কান্না এলো ভেসে যোগ্য হয়েও প্রাপ্য চাকরি পায়নি দিনের শেষে শিক্ষিকার ওই চাকরি মেয়ের ন্যায্য দাবিই ছিল সেই দাবি আর স্বপ্ন যারা ধুলোয় মিশিয়ে দিল তাদের জন্য ঘেন্না জমুক প্রতিবাদের বেশে এ গান আমি লিখছি মেয়ে তোমায় ভালবেসে॥ তুমি শুধুই তুমি তো নও, আছে এমন কতো! যাদের অতীত শুধুই ধূসর, ধূসর ভবিষ্যৎও। তোমার ভোটেই আজকে যারা চোদ্দতলায় বসে স্বপ্ন তোমার লুটছে তারাই দিব্যি দেঁড়ে-কষে! পাশ না করেও মন্ত্রীকন্যা চাকরি পেয়ে গেল তোমরা আজও পথেই থাকো, চোখের জলই ফেলো! অভিজ্ঞতাই হোক হাতিয়ার আবার দিনের শেষে বন্ধু কারা, কারাই বা ফাঁদ পাতছে সর্বনেশে নাও চিনে নাও, এই তো সময়, ঘুম থেকে আজ জাগো আর থেকো না ভেজা বারুদ, একটুখানি রাগো সেই আগুনেই কালীরামের ঢোল যদি যায় ফেঁসে আবার নতুন গান বানাবো তোমায় ভালবেসে॥ |
| কবি কাজী কামাল নাসের কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| আনন্দের বাজার... কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী রচনা ২৭.৭.২০২২। পছন্দসই জীবন কিনতে তুচ্ছ হিরে... মরকতও! বার্গেইন নয়। দিতেই হবে, উধাও সকল তর্ক তো। এটাই যদি নিয়ম... বেশ তো... দাখিল করো তোমার রেস্ত। রেট চার্টে স্পষ্ট লেখা জীবনবাবুর দর কতো! |

| কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| টাকার রচনা কবি রুদ্র মহম্মদ শহিদুল্লাহ্ টাকা তিন বেলা পেট ভরে খায় । টাকা চায়নিজ রেস্তোরায় যায় । হাসে । টাকা গান গায় । সোনারগাঁয়ে লাঞ্চ করে টাকা । টাকা মিলাদ দেয় । এক বেলা কাঙালি ভোজের আয়োজন করে । টাকা কোরবানির গরু কেনার প্রতিযোগিতায় নামে । গরুর গলায় মালা ঝোলে ক্রেতা জিন্দাবাদ পায় । টাকা পাঁচশ পঞ্চান্ন সিগারেট খায় । টাকা মুচকি হাসে । টাকা বারে, সোনারগাঁয়ে মদের বিল দেয়- পাঁচ, সাত, দশ হাজার, আরো বেশি- কখনো আরো বেশি । টাকা বিদেশী স্যুট পরে, বিদেশী জুতোয় ঢাকে শ্রীচরন, চরনের ছিরি । টাকা কাঞ্জিভরন পরে, সাউথ ইন্ডিয়ান সিল্ক, অর্ডারি জামদানী মিহি মসলিন । টাকা ঢাকা ক্লাবে যায় । গলফ্স খ্যালে । তিন তাসে মগ্ন হয় টাকা । টাকা নাচে । স্তন কোমর নিতম্ব ঝাঁকিয়ে, সঙ্গমের ভঙ্গিতে নাচে টাকা । টাকা হুররে । টাকা হাহ্ হা । টাকা খিলখিল । টাকা ঝুম চাক । টাকা চাকবুম । টাকা বুমবুম । টাকা মার্কিন । টাকা দিল্লী । টাকা ব্যাংকক । টাকা থাইল্যান্ড । টাকা সৌদি । সঙ্গমে রুচি ফিরিয়ে আনতে টাকা স্ত্রী বদল করে । টাকা চেঞ্জে যায়, টাকা সংবাদ সম্মেলন করে । টাকা বক্তৃতা দেয় । টাকা বক্তৃতা লেখায় । জীবনটা ছাপে । টাকা মার্সিডিজে চ’ড়ে গুলশান যায়, ধানমন্ডি যায় । টাকা মোজাইক মসৃন বাড়িতে থাকে, কার্পেটে পা ডুবিয়ে হাঁটে । টাকা কমোডে হাগে, বাথটবে নায় । |
| কবি রুদ্র মহম্মদ শহিদুল্লাহ্ মিলনসাগরের মুক্তিযুদ্ধের গান ও কবিতার দেয়ালিকায় কবির কবিতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| বানিও না কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২৪.৭.২০২২। গা হিম করা সর্বনাশের মিম বানিও না। হাস্যরসে চুবিয়ে তাকে ক্রোধ থামিও না। ক্রদ্ধ হওয়ার এখন সময়, চুটকি চটুল আর ভালো নয়, লাফ ইমোজি লটকে দিয়ে মন মানিও না, দেশখেকোকে রসিকতার থিম বানিও না। প্রশ্ন করো সুযোগ পেলে কিংবা সুযোগ করে, বোবা ধরা আড়ষ্ট জিভ উঠুক এবার নড়ে, প্রশ্নটা নয় কে তৃণমূল, কে বিজেপি বাম, শুকনো আঁটি তোমায় দিয়ে চুষছে কারা আম. হিসেব সেটার নিতে হবে ব্যক্তি ধরে ধরে, তোমার সমর্থনের প্রতীক ঢাল বানিও না, নিজের বাছার জন্য আঁধার কাল বানিও না। পক্ষ এখন কেবল দুটো , হ্যাভ নট আর হ্যাভ, ‘নট’এর মুখেই অর্থনীতির তাবত ক্রস আর জ্যাব, চোয়াল ভাঙা রাইট হুকে ,হ্যাভকে কাঁধে বয়ে, হ্যাভ নটেরা আছেন বেঁচে এই দেশে নেই হয়ে তাঁদের শোকের সান্ত্বনা নয় মিম বানানোর ল্যাব, রাগ আর ঘৃণায় হাসির ছলে ক্ষোভ জানিও না, ঠাট্টা দিয়ে খুবলে খাওয়া নখ ঢাকিও না। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| আলোচনা চলছে..... কবি ঋতশ্রী মজুমদার রচনা ২৮.৭.২০২২ আমরা যারা সরব হয়েছি আজ, মৌন নামের মুখোশ রেখে খুলে- হাসির আড়ালে বিক্ষত অন্তর, প্রতিবাদটাই যাচ্ছি ক্রমে ভুলে। যেদিকে তাকাই মজার ছড়াছড়ি, কেমন যেন বোকার মত হাসি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যদি বাজানো যেত হ্যামলিনের বাঁশি! আমরা যারা আম জনতার ভিড়ে, সকাল সকাল ভোট দিতে চলে যাই, এখন কেন যে চুপ করে দেখি টিভি, ভয়হীন হয়ে প্রতিবাদ করা চাই! আর এক শ্রেণীর দোষ দেবনা আমি, রাজার সাথে জুড়েই থাকেন তারা বুদ্ধিজীবীরা চিরকাল স্মিত হাসে, সুবিধেবাদীরা হয় নাতো ঘরছাড়া! আর চুপ নয়, এগিয়ে আসুক মিছিল, রাজপথে হোক মুখোমুখি আজ দেখা গরিব মানুষের ভাত কেড়ে যারা গড়ে, টাকার প্রাসাদ!আদতে রক্তে লেখা। |
| কবি ঋতশ্রী মজুমদার কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| চুপ কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২৬-৭-২০২২। চুপ থাকাটাও এক ধরণের রাজনীতি। কখনো তা দায় এড়ানো রাজভীতি কিংবা নীরব সমর্থনের রাজপ্রীতি, মোটের ওপর চুপ থাকা নয় বোকার গুণ, আপনি বাঁচলে বাপের নামের নাম নতুন। বলবে যে, সে বলবে নিজের মন খুলে। জড়িয়ে যাবে কখন আবার কোন ভুলে, দুয়ারে তার আসবে পুলিশ কোন রুলে, এসব ভেবে স্বর করে যে রুদ্ধ আজ, শান্তি ভানে সেই তো আসল যুদ্ধবাজ। ছিলো আছে থাকবে অনেক কাজ খারাপ। একেকজনের কাছে সেটার এক এক মাপ, করছে কে তার ভিত্তিতে হয় দোষ বা মাফ, কিন্তু সেটা বলবে যে কেউ মুখ ফুটে, ঝগড়া করার লোক যাবে তার ঠিক জুটে। মত জানালেই তোমার শিবির চিনবে কেউ রোজের জীবন দুলিয়ে যাবে হরেক ঢেউ, মূক থাকা মুখ চায় না আসুক তা আদৌ, তার জীবনের নিটোলে না পড়লে ডেন্ট, চলছে চলুক, যেমন চালায় গভরমেন্ট। কুটিলতম রাজনীতি তাই ‘ নো কমেন্ট’ । |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| · অহংকার কবি পবিত্র সরকার রচনা ২৭.৭.২০২২। বেশ করেছি, পরে ঘুরছি চোরের হাতের গলার মালা। কী করবি কর্, পাসনি তোরা, এই তো তোদের গায়ের জ্বালা ? মালার সঙ্গে আর যা আছে, তাও দুর্লভ তোদের কাছে ; বেশি কথা বলবি, তবে শুনবি প্রচুর গাল রে '--'। |
| কবি পবিত্র সরকার কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| · শেষ নেই কবি পবিত্র সরকার রচনা ২৭.৭.২০২২। তালিকার শেষ নেই--যা হয়েছে লুট সব ; সম্পদে সম্পদে বীভৎস উৎসব। যার হাতে কলকাঠি, সে তো বলে টাকা মাটি ? মানুষের কাজ করি--ধরে কেন খুঁত সব ? |
| কবি পবিত্র সরকার কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| উড়ন্ত সব টাকা কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২৮-৭-২০২২। আধিকারিকরা টাকা গুনছিলেন । এত কোটি টাকা হাত দিয়ে গোনা সম্ভব নয়, সুতরাং মেশিনে। ফড় ফড় শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যাচ্ছে না, যদিও মন্ত্রীমশাইয়ের ঘনিষ্ঠ সহকারীর বাড়ির প্রতি কামরায় এসি, টাকার পরিমানের অসম্ভবতায় সকলের কপালেই বিন্দু বিন্দু ঘাম। এমন সময় ঘটনাটা ঘটলো। নোটের বান্ডিল ছেড়ে প্রথমে একটি টাকা উড়লো, তারপর আরেকটি। কিছুক্ষণের মধ্যে হাজার গোলাপী নোট উড়ে বেড়াতে লাগলো ঘরময়, যেন খাঁচাবন্দী পাখি, দরজা খোলা পেলেই উড়ে যাবে। ওত পেতে থাকা মিডিয়ার কল্যাণে মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে গেলো সেই দৃশ্য, কোনো কল্প-জাদুর সিনেমার মতো টাকার নোটেরা নিজেরাই উড়ছে। আস্তিক বললেন, ঈশ্বরের মহিমা। নাস্তিক বললেন, নির্ঘাত কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। রাজার বিরোধী বললেন, ওতে ঠিকানা লেখা বখরাদারদের। রাজার পক্ষ বললেন, প্রমাণিত, ওই টাকা আমাদের নয়। বুদ্ধিজীবি বললেন, ব্যাপারটা খতিয়ে দেখতে হবে। আর বাকি রইলো যারা, তারা কেবল ফরোয়ার্ড করলো আর মিম বানালো। কিছু তো একটা করতে হবে। নির্দেশ এলো ওপরের থেকেও ওপরতলা থেকে, দরজা খুলে দাও, দেখো কোনদিকে উড়ে যায় টাকার ঝাঁক, হয়তো সন্ধান পাওয়া যাবে এই কোটি-কাণ্ডের কাণ্ডারী কটি। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| এতো যে বঞ্চনা সয়ে যাই কবি প্রবীর কুমার চৌধুরী। রচনা ২৮.৭.২০২২। এতো যে বঞ্চনা সয়ে যাই যৌবনের ধর্ম পোড়াই মেরুদন্ডহীন নীরবে সমর্থিত বলে ছড়াচ্ছে গুজবে । রেগে কেউ কেউ বলে চোখ মটকে রোষানলে সব কিছু হচ্ছে ছলেবলে প্রোপগন্ডা হিংসায় রসাতলে। কেউ বলে ওরে চুপ কর অজান্তেই খুঁড়ছিস নিজ কবর যার যতটুকু প্রাপ্য নেওয়া সাজে পরিচয় মেলে আপনার কাজে। এতযে লোভ হবে কি ভোগ ভেবেছিস পরে কত দুর্ভোগ ধর্মের কল বাতাসে নড়ে মরিস না যেন ঝরে পড়ে। কাম, ক্রোধ, বাসনা, সুন্দরী ললনা অর্থের মোহ পদস্খলনের ছলনা নারী নয় হরি, পাপের সিঁড়ি "অতি চালকের গলায় দড়ি"। |
| কবি প্রবীর কুমার চৌধুরী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| টাকা-পাহাড়ের উপত্যকায়, হায় কবি দেবেশ ঠাকুর। রচনা ২৫.৭.২০২২। এই যে সাজানো আছে টাকার পাহাড় কাঞ্চনজঙ্ঘার মত সুবর্ণের স্তুপ বেকারের , দধীচির পাঁজরের হাড় গান্ধীজীর ছবিগুলো নিরুত্তর। চুপ-- ধর্মতলা শুয়ে থাকে ত্রিপলের ছায়া বয়স বেড়েই চলে, বাড়ছে বেকার হয়তো সভ্যতা ছিল আজটেক, মায়া-- এখন সবার যুদ্ধ, যা ছিল একার কার টাকা কার ঘরে! কালসর্প লোভ কত টাকা দরকার বৈভব-যাপনে? লোভে পোড়ে নাকতলা, ধর্মতলা ক্ষোভ ভূমিকম্প বোঝা যায় মাটির কাঁপনে! সরস্বতী বিক্রি করে লক্ষ্মীর বাজার আর কত টাকা খেলে ভর্তি হবে পেট! গুরুদন্ড বেঁকে গেছে, ভেঙে গেছে মাজা তুমি কি নিশ্চিত জানো, মানুষ গবেট! |
| কবি দেবেশ ঠাকুর মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| চটির অর্থ কবি শুভ জোয়ারদার। রচনা ২৫.৭.২০২২। পার্থর স্বার্থতে অর্পিতা অর্থ রেখেছেন বস্তাতে, খুলিয়া অনর্থ। সস্তাতে চাকরির বিনিময়ে বিত্ত অর্পিতা ট্রেজারার, পস্তানো চিত্ত। কোটিকোটি বেকারের শোণিতের সলিলে কাগজের ট্রান্সফার রিসর্টের দলিলে। প্রাইমারি শিক্ষাতে অজ গাধা যাহারা তাদের বাড়িতে আজ সিআরপি পাহারা। মন্ত্রীরা ঘানিটানে, প্রশাসন অস্বচ্ছ উলঙ্গ রাজপাট, খোলাখুলি কচ্ছ। অর্পিতা ভালোমেয়ে আনপাড়া যায় না বাতায়ন খোলা রেখে গলিতে তাকায় না, কুকুরেরা ইদানীং চটিজুতো খায় না !!! ২৫ জুলাই ২০২২ যতোটা হজম হবে ততোটাই খান নতুবা কমোডে বসে পিচকারী-গান, নমুনাটি পান! |
| কবি শুভ জোয়ারদার মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| বলি, ও বুদ্ধিজীবী, লেখক কবি কবি রুদ্রনীল ঘোষ। ভিডিওটি আমরা পেয়েছি শ্রী তরুণজ্যোতি তেওয়ারির ফেসবুক পাতা থেকে। শুনে শুনে লেখা। বলি, ও বুদ্ধিজীবী, লেখক কবি ঘুমিয়ে গেলেন নাকি? হাতা পেয়ে গাতার ভয়ে লজ্জা পাওয়া বাকি! দিচ্ছো কাকে ফাঁকি! আপনারা নাকি বাংলার মুখ বাংলার সব বিবেক। মানুষ নিয়ে ভাবেন নাকি যদি মুখ থাকে তো করুন ওই এগারোর রিমেক। অপশাসন করতে নিকেশ জাগিয়েছিলেন মানুষ। এখন মুখে কুলুপ এঁটে ওড়ান কিসের ফানুস। বাংলার মা বিস্মিত আজ মাটি জুড়ে লজ্জা। মানুষ চিনছে লুটেরাদের বাংলার শরসজ্জা। ও বুদ্ধিজীবী শিল্পী কবি ওহে বঙ্গভূষণ। রাজ্যে মানুষ পথে নামুন ঘোচান বঙ্গ দূষণ। |
| কবি রুদ্রনীল ঘোষ তরুণজ্যোতি তেওয়ারির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
লক্ষ কোটির গল্প দেখি ছেঁড়া কাঁথার আড়াল দিয়ে কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী রচনা ২৮.৭.২০২২। লক্ষ কোটির গল্প দেখি ছেঁড়া কাঁথার আড়াল দিয়ে। আমরা গাধা, নাটক দেখে মুগ্ধ। ভাবছি, সত্যি কি এ? এর মধ্যেই কোথায় জানি, দিন যাপনের আত্মগ্লানি... পাঁচশ দিনের কান্না যাপন গান্ধীমূর্তি দেয় কাঁপিয়ে। আমরা বোকা... চ্যানেল-খেকো... দেখছি সেসব বেজায় ইয়ে কলঙ্কিত নায়কবাবুর অপ্রকাশ্য কয়টি বিয়ে! কোন রাউন্ডে কেমন তেজি টাকার হিসেব সোনার কেজি... হায় Bhaskar, এর মধ্যেই লোপাট তোমার পাওনা ডিএ। |
| কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| স্কেপগোট কবি আর্যতীর্থ। রচনা ২৮-৭-২০২২। একটা মিথ্যা কথা বলতে হবে তোমায়। রাজি? কি! কী? সেটা ক্রমশ প্রকাশ্য। আগে কথা দাও, বলবে। ইল্লি আর কি! খামোখা মিথ্যে বলবো কেন? ধরো তাতে একজনের প্রাণ বাঁচবে। আচ্ছা, তাহলে বলতেই পারি। যার প্রাণ বাঁচবে সে একজন লুণ্ঠনকারী। ধ্যাৎ! তার জন্য আমি মিথ্যে কথা বলতে যাবো কেন! তোমাকে বখরা দেবে, রাতারাতি হয়ে যাবে অতিশয় ধনী। আচ্ছা, তাহলে ভাবতে পারি। শতাংশে কত? দুটো জিনিসের শতাংশ হয় না। শূন্য আর অন্তহীন। তোমার নিবাস শূন্যে । তবু জিজ্ঞেস করছো? তাও তো ঠিক। আচ্ছা রাজি। অগ্রিম পাবো? পাবে। দেখো, এই নোটের তাড়া। নেবে কিনা ভাবো। নেবো, নেবো। ঘরেতে অভাব থিতু, পূর্ব-প্রজন্ম সিন্দবাদের বুড়োর মতো ঘাড়ে চেপে আছে, উত্তর-প্রজন্মের ভবিষ্যৎ ভূতের মতো কল্পিত অস্তিত্বে, বিশ্বাস করলে আছে, বাস্তবে হয়তো বা নেই। একাকী লড়াই করে শিরদাঁড়া ফাঁপা, নোয়ানো বা বেঁকানো অতীব সহজ, উপযুক্ত মূল্য পেলে বেচে দিতে পারি। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |
| · ভয় কবি পবিত্র সরকার রচনা ২৮.৭.২০২২। এখনও চলছে ঠিকঠাক, তবে মাঝে মাঝে খুব ভয় হয়-- গোপনে গোপনে বৈঠক বসে, 'সেটিঙে'র বুঝি জয় হয়। হলে সেটা হবে খুব আপসেটিং ; বড়বাজারে কি চলছে বেটিং ? পাবলিক থাকো পাহারাতে, যেন সত্যের নিশ্চয় হয়। |
| কবি পবিত্র সরকার কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |
| · জেগে থাকো কবি পবিত্র সরকার রচনা ২৮.৭.২০২২। এখন কেউ ঘুমিয়ো না হে, সময় জেগে থাকবার ; এ মুহূর্ত ডাইনে-বাঁয়ে তীক্ষ্ণ নজর রাখবার। সিংহাসনটা কোথায় টলছে, কে কী করছে, কে কী বলছে ; প্রস্তুতি নাও, টাটকা রঙে নতুন ছবি আঁকবার। |
| কবি পবিত্র সরকার কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |
| ছড়াচিমটি ৩৮ কবি শুভ জোয়ারদার। রচনা ২৫.৭.২০২২। ঝানু রাম দারোগার খুব নামডাক , দুবেলা চৌকি-টোলে থেমে থাকে ট্রাক। দারোগা হস্ত পাতে হাতেনাতে ফল দারোগার ঘরদোর সপ্ত-মহল। দারোগার গা রোগা না,উদর বিপুল পাল্টিতে সহজাত, আজ ঘাসফুল ! দিদিদের গুডবুকে প্রমোটার পাশে হাতকাটা দিলীপরা রোজ দেয় ক্যাসে। ও রাম -দারোগা শোনোঃ হারামে তো খাও কোনো দিন ভেবেছো কি জীবন টা ফাও? যতই কামাও বাপু মেলেনা হিসাব একদিন লোকে মুখে করবে পিসাব , জি সাব জি সাব! শুভ জোয়ারদার ২৫ জুলাই ২০১৩॥ |
| কবি শুভ জোয়ারদার মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২৯.৭.২০২২ |
| পাঁচশো দিনরাত কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২৯.৭.২০২২। পাঁচশো দিন। চাকরিহীন। জীবন থেকে দু’সাল ঋণ। বেকার থাকার, হতাশ হবার পাঁচশো দিন । স্বপ্নগুলো মটাশ ভাঙার পাঁচশো দিন। বাচ্চা কোলে, ঝড়বাদলে হকের দাবির চাবি চাওয়ার পাঁচশো দিন। নিজের ঘামে, নিজের নামে, রুজির খোঁজে পাঁচশো দিন। রাষ্ট্র জুড়ে নাকডাকা-তে, বারণ ওদিক নেই তাকাতে, তবুও কারা তাকায় চোখে, বক্কা ফাঁপায় আর না ঠকে বলছে কারা, যোগ্যতাকে মান করে সব চাকরি দিন, সেই বেকারের বেগার খাটার, বেকার কাঁদার পাঁচশো দিন। পাঁচশো রাত। আকাশ ছাদ। রাষ্ট্র যখন ঘুমিয়ে কাত, পেটের ভাতের জন্য লড়ে হাজার হাজার যোগ্য হাত। পাঁচশো রাত, নেই বরাত, কেউ দেখে না অশ্রুপাত, |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |
|
| · কান পেতে শুনি চারিদিকে চাষি কবি মনিরুল রচনা ২৮.৭.২০২২। কান পেতে শুনি চারিদিকে, শুধু কোটি আর কোটি ! গাঁ-গেরামে মা-বোনেরা, ধর জুতো-ঝাঁটা-বটি !! |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |
| · দূর্নীতি উবে গিয়ে চাষি কবি মনিরুল রচনা ২৯.৭.২০২২। দূর্নীতি উবে গিয়ে, শিরোনামে এলো সেক্স টয় ! মিডিয়া করতে পারে, তার মা-বোনেরে বিক্রয় !! |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |
| দুয়ারে গর্ত কবি রুদ্রনীল ঘোষ। ভিডিওটি আমরা পেয়েছি শ্রী তরুণজ্যোতি তেওয়ারির ফেসবুক পাতা থেকে। শুনে শুনে লেখা। একুশে জুলাই মঞ্চ থেকে বেচলো দিদি মুড়ি বাইশে জুলাই অর্পিতাদের ফ্ল্যাটে কোটি কুড়ি! মুড়ি বেচার টাকা নাকি চাকরি চুড়ির টাকা ও দিদিভাই জবাব তো দিন মালিক আপনি একা। কুড়ি কোটি নোটের পাহাড় দেখলো বঙ্গবাসী অর্পিতাদের উন্নয়নেই আমার দিদি খুশি। তৃণমূলের দুর্গাপুজোয় অর্পিতারাই মুখ নেতার কাছের মানুষ হলেই পাবে অপার সুখ। কিন্তু সুখের ঘরে অসুখ হলো ঢুকলো ঘরে ইডি জেরার মুখে মন্ত্রী জানায় পাপের এ বি সি ডি। |
| কবি রুদ্রনীল ঘোষ তরুণজ্যোতি তেওয়ারির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |
| বুদ্ধিজীবী কথা, সুর ও কণ্ঠ - কাজী কামাল নাসের। যন্ত্রায়োজন - কাজী কামাল নাসের। রেকর্ডিং, মিক্সিং ও মাস্টারিং - কাজী কামাল নাসের। ভিডিও - কাজী কামাল নাসের। একটি হোম ভিডিও প্রযোজনা। বর্তমান পরিস্থিতিতে, রাজ্যের তথাকথিত 'বুদ্ধিজীবী'দের অবস্থান প্রসঙ্গে কবি তাঁর এই গানটি পুনর্বার তাঁর ফেসবুকে শেয়ার করেছেন। আমরা ছবি আঁকি, কত কবিতা লিখি টক-শো, সিনেমা ও নাটকে রই বাজারি লোকজন বুদ্ধিজীবী বলে দাগিয়ে দিলে বেশ খুশিও হই। গিরগিটির মতো হিসেব কষে বুঝি কবে কী রঙে হবো মানানসই সময়ে ঠিক রঙে রঙিন হতে পারি নিন্দুকেরা করুক হৈ চৈ! যখন যে শাসক, তার দিকেই থাকি অতীত পরিচয় যাই ভুলে মধুতে কখনোই কম পড়েনা কিছু থাকলে বসে ক্ষমতার ফুলে! শাসক অন্যায় করছে দেখলেও টিভিতে বাঁধা বুলি আওড়াবোই মানুষ মরলেও হিসেব করে কাঁদি আমরা ভাড়া করা রুদালি নই! |
| কবি কাজী কামাল নাসের কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |
| · মহাভারত পাল্টে যাচ্ছে কবি রাখালরাজ মুখার্জী রচনা ২৪.৭.২০২২। মহাভারত পাল্টে যাচ্ছে হিসেব কি আর মেলে ? দ্রৌপদী আজ রাষ্ট্রপ্রধান , পার্থ এখন জেলে "। |
| কবি রাখালরাজ মুখার্জী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |
|
|
| পরিবর্তনের গান দুষ্ট কবি, রচনা ১০.২০১৬। এই তো সেদিন পরিবর্তন আনলো জোয়ার মনে, ভাবলো সবে “নিলাজ প্রদর্শন”-টা যাবে থেমে! কী যে ব’লে দু কান ম’লে ডুব দিলো বাংগালি, আড়ালে যা চলতো, এখন চলছে খোলাখুলি! ভুলিয়ে সারদাকে, নারদাকে গুলিয়ে দিয়ে গন্ধ ঢাকে উন্নয়ণের ধূপ-ধুনো জ্বালিয়ে। থীমের পূজোর পোয়াবারো, টাকার খেলায় মেতে। প্রজার উপরী পাওনা --- মুখ্যমন্ত্রী কাটলে ফিতে। নেয় না নালিশ থানায় গেলে, দলের মত্ না পেলে, ব্যস্ত পুলিশ উন্নয়ন-উত্সবের জাঁতাকলে! ক’টা বছর সুযোগ পেয়ে ফুর্তি করার তালে দেশ ডুবেছে সিণ্ডিকেট আর তোলাবাজির চালে! পেটোয়া ক্লাবের ঠাকুর-মিছিল, লাল-সরণী পরে ভিক্ষে পাওয়া দু-লাখ ফেরত দিচ্ছে ধামা ধ’রে! এ শরতেও দুগ্গা মায়ে দুষ্টকবি কয়--- লজ্জা দে মা, শরম দে মা, একটু দে মা ভয়॥ . ********************* ১০.২০১৬ |
| সমকালের পাঁচালী কবি ঋতশ্রী মজুমদার। রচনা ৩০.৭.২০২২। শুন শুন বন্ধুগণ শুন দিয়া মন- বিচিত্র কাহিনী এক করিব বর্ণন বঙ্গ দেশেতে দেখি আয়োজন কত টাকা গুনিবার তরে অফিসার যত- জমায়েত হইয়াছেন মন্ত্রীর ডেরায় সোনা টাকা রত্নের কিবা মহিমায়! এদিকে মনুষ্যজাতি আহার না পায়- খেসারির ডাল খাইয়া মরণের প্রায়। চাকরি ও শিক্ষার নাহি সহাবস্থান- মন্ত্রী পরিষদ বুঝি করিবে প্রস্থান! সে গুড়ে মেশায় বালি বুদ্ধিজীবীগণ মুখেতে কুলুপ আঁটে আমজনগণ! গণতন্ত্র বুঝি তাই লাটেতে উঠিয়া চোরতন্ত্রে নাম তার দিয়াছে লিখিয়া এত গেল কারচুপি মন্ত্রী বিদ্বজ্জনের- আকাশে জমিল মেঘ ঈশান কোণে। |
| কবি ঋতশ্রী মজুমদার কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৭.২০২২ |
| পাঁচশো দিন কবি অতনু দত্ত। রচনা ২৮.৭.২০২২। পাঁচশো দিন পাঁচশো দিন, ভাবলে ঘেন্না, ভাবলে ছি: ধুঁকছে ওরা মরছে ওরা, আপনারই কি, আমার কি? না চালচুলো, নেতার ছায়া, থাকার মধ্যে চরম জেদ হকের দাবি মানতে হবে যায় যাক প্রাণ নেই তো খেদ ফুটপাথে সব ঘর বেঁধেছে বিক্রি তাদের স্বপ্নসার ধুঁকছে ওরা মরছে ওরা, এবার দেশে ধুন্ধুমার। হঠাৎ ফটাস কুমড়ো পটাস পাপের ঘড়া সব সপাট কুবের দেখে লজ্জা পাবে, এমন আমির রাজ্যপাট বান্ধবীদের প্রাণ ভোমরা। বয়স? সে তো সংখ্যা এক থাকলে টাকা আর ক্ষমতা কোথায় রাজা কোথায় শেখ বুকনি ঝাড়ে শোনায় বাণী, আড়াল পেলেই হারেমবাজ বাইরে তিনি শুদ্ধ সফেদ, অন্দরে তার কালোর সাজ রাজ্য না থাক রাজ্য আছে দুর্নীতির আর চুরির কল সঙ্গী যত বাটপার আর শিরদাঁড়াহীন লোভীর দল ভাঙলো শেষে লোহার প্রাসাদ চোখের জল আর নিঃশ্বাসে ঘুষের টাকার পাহাড় কষে ফেললো বেঁধে নাগপাশে। মাকড়সা জাল ছড়িয়ে আছে কোথায় শুরু শেষ কোথায় ধুঁকছে ওরা কাঁদছে ওরা আর কত হার যোগ্যতার এর পরও কি শিক্ষা হবে? চোখের চামড়া তাও বাকি? পাঁচশো দিন পাঁচশো দিন... ভাবলে ঘেন্না, ভাবলে ছি: |
| কবি অতনু দত্ত কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩১.৭.২০২২ |
বুদ্ধদেব যে রক্ত চাটছে নাস্তায় কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী রচনা ৩১.৭.২০২২। বুদ্ধদেব যে রক্ত চাটছে নাস্তায়... শুভাদার আঁকা সেই ছবি ছিল রাস্তায়। তোদের ছবি ও ফ্লেক্সে ফ্লেক্সে ঝুলত। পরিবর্তন... চেয়েছিলি, নেই ভুল তো! সার্টিফায়েড ছবি কিনছিল ক্রেতারা... সত্যিই তোরা চিনতি না নাকি কে তারা? সততার এই প্রতিমূর্তিতে মুগ্ধ তোরা নাবালক, সরল সহজ শুদ্ধ... তারপর তোরা? সব্বারই পেল ঘুম কি? ভাগ যোগে খুশি? কেউ কি দিচ্ছে হুমকি? ও বুদ্ধিজীবী, মগজটা কয় জিবি তোর? শুধু খেয়ে যাবি? স্বদেশ কে কিছু দিবি তোর? দেখতে পাস না, বাবুরা এবং বিবিরা? কেলেঙ্কারির আসল চেহারা কী বিরাট! এই সমস্ত দাগ খাওয়া সব চোরেরা। ও বুদ্ধিজীবী সত্যিই কেউ তোর এরা? |
| কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১.৮.২০২২ |
| বন্ধু বন্ধু কুলের আঁটি চাষি কবি মনিরুল। রচনা ২৯.৭.২০২২। বন্ধু বন্ধু কুলের আঁটি, উপর উপর ঝগড়াঝাঁটি ! জনগনের পিছনে গিয়ে, চলে পরস্পরকে চাটাচাটি !! তাদের কথায় গরম খেয়ে, ভাইয়ের মাথায় মারি লাঠি ! লড়িয়ে দিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে, তারা কামায় কোটি কোটি !! গরীর গরীব ভাবটি করে, পায়ে পরে হাওয়াই চটি ! তারা গরীবও নয় বন্ধুও নয়, কেউ বা নট আর কেউ বা নটী !! সৌজন্যবোধের ধুয়ো তুলে, এত গলা ফাটাও যারা ! বলো সবাই যদি সবার বন্দু হবে, তবে শত্রু হবে কারা?? |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩০.৭.২০২২ |

মধ্যবিত্ত আজও ইলিশ খাওয়ার আগে ভাবে কবি সোমাদ্রি সাহা। রচনা ২৭.৭.২০২২। মধ্যবিত্ত আজও ইলিশ খাওয়ার আগে ভাবে একটু পরেই ট্র্যাকে করে কোটি কোটি যাবে... বড্ড লজ্জা করে, ভোট নয় নোট গণনা চলছে ব্রেকিং নিউজে কলি কালের শেষ কথা বলছে... মানুষের কতটুকু প্রয়োজন? কিসের এতো লোভ গ্যাস কিনছি এগারোশোতে, কোথায় রাখি ক্ষোভ। অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি, বেকারের দল কাঁদছে ৫০০ দিনে লক্ষ্মীর ভান্ডার ও ভাঙা সাইকেলেও নাও পাপকে চিনে লোভের জন্য ভোট দিয়ে পাগলা পাগলিকে করেছি রানি জাগুক বিবেকানন্দ, এখন দরকার শান্তি মুক্তির বাণী আর কী বিএড করে শিক্ষকের স্বপ্ন দেখব আমরা ফ্রডের জন্য কেন দোষ দেবো শুধু ঐ জামতারা? |
| কবি সোমাদ্রি সাহা কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১.৮.২০২২ |
| মা মাটি মানুষ কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী রচনা ১.৮.২০২২। মামাটি মানুষ ছিল, নাম গণতন্ত্র। বাতাসে উড়েছে খুব শয়তানি মন্ত্র। মামা চায় সকলের খাদ্য ও বস্ত্র ভাগ্নেভাগ্নি কয়… ধর্মই অস্ত্র। মাসতুতো ভাইবোন দু’জনই দুরন্ত পেট ভরা খিদে আর হাঁ মুখ অনন্ত। তারা জানে কোনও মতে জিয়োলে অশান্তি… জিতে গেলে, ফ্রিতে মেলে জেল্লা ও কান্তি সারদা এসএসসি ও কেউ বা পিএনবি ওনারের প্রাইড আর নেবারের এনভি। তলে তলে সাঁট করে নিজে হয় মুক্ত আইন আইনের পথে চলে … লোকায়ুক্ত। মেলা খেলা উৎসব, ফেডারেল ফ্রন্টও! হেঁসেলে রান্না চলে … ছ্যাঁচড়া ও ঘন্ট। তালে গোলে যদি কোলে ছিঁড়ে পড়ে শিকেটি দেশের যা’ হবে হোক… ফিউচার রিকেটি! ওর আছে এজেন্সি, এটার সিআইডি। আমি খাব... তুইও খাবি, বুঝেছিস ভাইডি? ক্ষমতার লীলা দেখে যদিও অসুস্থ জনগণ ভাবে তবু, মামাটি মানুষ তো! |
| কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১.৮.২০২২ |
| কার ঘরে কবি আর্যতীর্থ, রচনা ১.৮.২০২২। কার ঘরে আসে ই ডি কার ঘরে আসে না, ফর্মূলা তার যে কী কেউ ঝেড়ে কাশে না, ধান খায় সব পাখি খাজনার থেকে রোজ তবু শুধু বুলবুলি নিয়ে কেন এত খোঁজ, বোঝে তা চালাক লোকে, মুখ যার ঘাসে না তার ঘরে কর-হানা, রাজা যার পাশে না। এ গাঁয়ে সবাই ঠগ, বাছলে তা উজাড়ই কেউ নেই বোকা যারা সততার পূজারী রামু খায় , শামু খায়, যদু মধু বাদ নয় ভোট এলে কাঠি পড়ে সততার বাদ্যয়, তা শুনে নাচুনি লোক ভোট শেষে লুজার-ই, শাঁখের করাত দেশ কেটে চলে দুধারই । দেশ-সেবা মানে জেনো সেবা করা আত্মই, আমরা প্রলাপ শুনে নানাদিকে কাত হই। ভোটে জিতে যারা মোটে ধনী হতে পারেনি সংখ্যাটা কোনোকালে কলেবরে বাড়েনি, |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১.৮.২০২২ |
| ছড়ামৃত কবি শুভ জোয়ারদার। কবিতাটি ১.৮.২০২২ তারিখের "অমৃতনাদ" কাগজে প্রকাশিত হয়। কবিতাটি আমরা পেয়েছি কবির ফেসবুক থেকে। |
| কবি শুভ জোয়ারদার মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ১.৮.২০২২ |

| ·জুতো খানা ছুঁড়েছে সে চাষি কবি মনিরুল রচনা ২.৮.২০২২। জুতো খানা ছুঁড়েছে সে, বহু রাগে, ক্ষোভে, দুখে ! জুতোখানা পড়েছে যে, ক্লীব সমাজেরই মুখে !! "...জোকা ইএসআই হাসপাতাল থেকে বেরনোর মুখে পার্থের দিকে জুতো ছুড়লেন এক মহিলা। পার্থকে সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার জোকা ইএসআই হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্যপরীক্ষা করিয়ে তখন বের করানো হচ্ছিল পার্থকে। বেরোনোর সময় তাঁর গাড়ির দিকে জুতো ছোড়েন ওই মহিলা। যদিও জুতো পার্থের গায়ে লাগেনি। গাড়িতে লেগেই পড়ে যায় জুতো।... তাঁর ছোড়া জুতো পার্থের গায়ে না লাগায় মহিলার আফসোস, ‘‘জুতোটা ওঁর টাকে লাগলে শান্তি পেতাম।’’ তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনি কেন এই কাজ করলেন? তারই জবাব শুভ্রা বলেন, ‘‘এটা আমাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। হাজার মানুষ চাকরি পায়নি ওঁদের জন্য। তাঁদের সবার ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।’’ --- আনন্দবাজার পত্রিকা, কলকাতা, ০২ অগস্ট ২০২২ |
| কবি মনিরুল কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৮.২০২২ |
| বোধোদয় কেন গেলাচ্ছ কবি শিল্পা দে রায়। রচনা ১.৮.২০২২। |
| কবি শিল্পা দে রায় কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৮.২০২২ |

| সৎ অসৎ কবি আর্যতীর্থ, রচনা ৩.৮.২০২২। সৎ ভাবে কেউ বলুক বরং, অসৎ আমি, রোজ সততার ভড়ং করার এ ভণ্ডামি বুঝছে সবাই, কোন পকেটে কখন যে কে গুঁজছে থোকা, দাঁত চিপে তাও জিভে আগল, বেবাক কথা হচ্ছে রোখা, কারণ পুলিশ ওদিকপানেই , মাস্তানেরাও, অবাক ব্যাপার, রাম রাবণে মারবে দুজন, মুখ খোলা আজ বড্ড হ্যাপার, কিন্তু যেদিন বামাল বাওয়াল, চোর প্রমাণ হয় সম্মানিত, হেবো পেঁচি আলি হারু চেঁচিয়ে বলে সব জানি তো, এই গতকাল জোড়হাত করে ছিলো যেসব মেয়ে আর ছেলে, আজকে তারাই ছুঁড়ছে জুতো ভিড়ের মাঝে সুযোগ পেলে, ঠোঁট উল্টিয়ে বলছে শুনি বরাবরই এমন ছিলেন, তার চেয়ে কেউ নিজেই বলুক মশাই আমি নিখাদ ভিলেন। সবাই জানি পয়সা বিনে নড়নচড়ন কিচ্ছু না হে, চাকরি বলো ব্যবসা বলো সবই ভাসে সেই প্রবাহে। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৩.৮.২০২২ |
| নরেনভাই'এর সাথে বায়না-নামা কবি গৌতম তালুকদার। রচনা ৬.৮.২০২২। নরেনভাই'এর সাথে বায়না-নামা তাহলে একটা হোল। সাফ-কোবালা কখন হবে, কেমন হবে, কত ঘড়া মোহর লাগবে - সেকথা আপাততঃ র'ল॥ তাই, যেমন হচ্ছিল তেমনই হবে। দালান ভর্তি নোট হবে, বস্তা ভর্তি সোনা হবে, গ্রাম-শহরের জমি হবে, ইন্টারন্যাশনাল স্কুল হবে, আকাশচুম্বী টাওয়ার হবে, লাখো স্মার্ট সিটি হবে, আইন কানুন ভোগে যাবে, পুলিশগুলো চোর বাঁচাবে, আমলাগুলো ভেড়া হবে, কর্মচারীরা বোবা হবে, আরও অনেক কিছুই হবে॥ যেমন চলছে তেমন চলবে। লাখপতি বিলিওনিয়ার হবে, নেতা-মন্ত্রীদের গায়ে তেল গড়াবে, চোর বাটপার লোমশ হবে॥ |
| কবি গৌতম তালুকদার কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৬.৮.২০২২ |
| ম্যাজিক কথা কবি সুদীপ তন্তুবায় নীল। রচনা ২.৮.২০২২। কাকা, আমি মন্ত্রী হতে চাই ভোটব্যাঙ্কে কমতি কিছু নাই। লুটবো টাকা, সেলাম দেবে আমার দুধেল গাই। কাকা, আমি মন্ত্রী হতে চাই। শিক্ষা স্বাস্থ্য যাক না চুলোয়! ঘুম বিছানার নরম তুলোয় আমিও ঠিক মানসী আর অর্পিতাদের চাই। চাওয়া আমার ভীষন অল্প মধ্যিখানে টাকার গল্প লক্ষ কোটি ছড়িয়ে দেব চোখের ইশারায়। কাকা, তাই মন্ত্রী হতে চাই। কাঁদুক মানুষ, ভেজাক পাতা শুনেও আমি শুনবো না তা নইলে আমি কিসের নেতা কিসের মন্ত্রী ভাই! নাই কিল চড়, নাই রে ঘুষি পাঁচশোতে সব ভীষন খুশী হসপিটালের বেডটা থাকুক ডাকলে সিবিআই। |
| কবি সুদীপ তন্তুবায় নীল কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৮.২০২২ |
| টালমাটালের কাল কবি শুভ জোয়ারদার। রচনা ৭.৮.২০২২। কবিতাটি আমরা পেয়েছি কবির ফেসবুক থেকে। শিল্পী কবি বুদ্ধিজীবী হয়ত অনেক আছেঃ কিন্তু জোরে ঘেউঘেউ হয় পাছে, চেনের প্রান্ত শক্ত বাঁধা, সিংহাসনের কাছে ! |
| কবি শুভ জোয়ারদার মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৭.৮.২০২২ |
| এই তো আসল যুক্তিতক্কো কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী রচনা ৭.৮.২০২২। এই তো আসল যুক্তিতক্কো! এমন দেখাক টিভির আসর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজতে থাকুক যুদ্ধ বাদ্য প্রবল কাঁসর। চালাক যারা, এই মওকায়, স্থাবর এবং অস্থাবরে... জমাতে থাক স্বর্ণ, মুদ্রা... অবাক কোনও গোপন ঘরে। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃ |
| কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৮.৮.২০২২ |
|
| ২২শে শ্রাবণ কবি জাহির। রচনা ২২/০৪/১৪২৯ (৮.৮.২০২২)। ২২শে শ্রাবণ আজ আর রবি নাই নাই রোদ্দুর নাই শ্রাবণ মেঘের ঘটা, চারদিক ঘিরে আছে কোটি কোটি অপাদের অপার্থিব ছটা। ঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃঃ অপা - অর্পিতা পার্থ |
| কবি জাহির কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ৮.৮.২০২২ |
| ইডির তরী অজ্ঞাত কবি। কবিগুরু'র অনুপ্রেরণায়। গরজে মেঘ, ঘন বরষা। জেলে একা বসে’ আছি, নাহি ভরসা। রাশি রাশি ভারা ভারা তোলাবাজি হ’ল সারা, কত ফ্ল্যাট টাকাভরা সোনায় ঠাসা। তুলিতে তুলিতে টাকা এল বরষা। একখানি ছোট ঘর আমি একেলা, চারিদিকে মিডিয়া করিছে খেলা। পরপারে দেখি আঁকা অপারানি মসীমাখা মুখখানি মেঘে ঢাকা প্রভাত বেলা। এ পারেতে ছোট জেল আমি একেলা। গান গেয়ে তরী বেয়ে কে আসে পারে! দেখে’ যেন মনে হয় দিদি আহা রে! গটমট চলে যায়, মোর দিকে নাহি চায়, ভাইগুলি নিরুপায় চুপ দু’ধারে, দেখে’ নাহি মনে হয় চিনি উহারে! |
| অজ্ঞাত কবি ইনটারনেটে প্রাপ্ত . . . এখানে তোলা হয়েছে ৯.৮.২০২২ |
| কবি দেবদাস মাজী কবির ফেসবুক পাতা . . . রচনা ১৫.৮.২০২২ এখানে তোলা হয়েছে ১৮.৮.২০২২ |

| টাকার হদিস কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২২.৮.২০২২। ফড়ফড়িয়ে উড়ছে টাকা, চতুর্দিকে ঘুরছে টাকা, তোমার শুধু হাত বাড়িয়ে ধরতে জানা চাই, যাচ্ছে টাকা এহাত ওহাত, বইছে নদী, টাকার প্রপাত, সঠিক রঙের সাবানে স্নান করতে জানা চাই। সেই টাকা নেই শিক্ষা-ঘরে, দিন চলে তার ভিক্ষা করে, এই আকালে রোজ শোনা যায় ‘চাকরি দাও’য়ের হাঁক মিলবে তা যে যোগ্য তারই, সে স্বপ্নটা ঠগ গো ভারী, কাটা খাঁড়ি সাঁতরে বেড়ায় শ’কুমীরের ঝাঁক। রাজনীতি আর কোটা মিলে, মেধা খেলো আস্ত গিলে পুষ্টি পেতে রোজই তাদের ঢালাও খানা চাই, ডিগ্রী এখন সেরেফ কাগজ, মন্ত্রী নেতার কমোড-হাগজ, শিক্ষা দিয়ে পেট ভরানো ভাবতে মানা তাই। সেই টাকা নেই শ্রমের খাটায়, ঘামের দামও এখন ভাঁটায়, |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২২ |
| মোচ্ছব কবি আর্যতীর্থ, রচনা ২২.৮.২০২২। ন হাজার নশো নব্বই স্কুল সরকারি । শতকরা পঁচিশে নেই হেডমাস্টার। আগামীর যে আলো ভারী দরকারি, ওই ভাঙা ক্লাসরুমে জেনো বাস তার। তেতাল্লিশ হাজার নাকি বারোয়ারি পুজো। সরকারি নয় কেউ, সবই প্রাইভেট। তবু ষাট হাজার ঢালে প্রায় খালি কুঁজো। ভোট আসে, ভোট আশে দেওয়া তাই ভেট। ধরো, বিকল্প পশ্চিমবঙ্গে এক কোনো, ওই টাকাগুলো যদি দেওয়া হতো স্কুলে? লাভ আর ক্ষতির ভাগ মনে মনে গোনো, রাজনীতি ক্ষণকাল তাকে রেখে তুলে। পুজো কি হতো না তবে? ভাবো ভালো করে, হাজার তেতাল্লিশ কমতো কি সংখ্যাটা একও? পাঁচ দশ দিন ধরে পথ আলো করে, আঁধার হচ্ছে থিতু কিভাবে তা দেখো। বলতেই পারো তুমি এটা হেরিটেজ ইউনেস্কো দিয়েছেন সেই তকমাটি, বিশ্বে ছড়াবে সেই সুচারু ফুটেজ একত্র যেইখানে মানুষ মা মাটি। |
| কবি আর্যতীর্থ মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির মূল সংগ্রহ . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২২.৮.২০২২ |
| রাজকাহিনি কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী, রচনা ২.৯.২০২২। এক যে রাণী তার যে ছানা সে বাচ্চাটির খুব বাহানা। খায় সে সোনা... কপাল দোষে। (বাচ্চা বেলায় দুধ খেত সে!) ডাইরেক্টলি খাচ্ছে সোনা? মোটেই সেরম ভুল ভেবো না! কয়লা গোরু এবং বালি প্রসেস করলে স্বর্ণথালি। ব্যাঙ্ককে এক ব্যাঙ্কে খোকা জমায় নাকি টাকার থোকা! এই দেশেও বিরাট ব্যাপার রাজপ্রাসাদে এসক্যালেটার। হতেই পারে! এমবিএ সে। ভুয়ো? বিচার নেই কি দেশে? ডিগ্রিলোভের রোগ... জেনেটিক। রাণীর থেকেই পেয়েছে ঠিক। বক্তিমে তার নিখুঁত ভারি। রাণীর কপি। তুই তোকারি। দুষলে তাকে... সে অগত্যা করবে নাকি আত্মহত্যা? রাণীও তার নিজের গলায় একদা ফাঁস ধর্মতলায়। তাই না শিখেই ছানার ইচ্ছে! ফাঁসে ঝোলার হুমকি দিচ্ছে! |
| কবি অরুণাচল দত্তচৌধুরী কবির ফেসবুক পাতা . . . এখানে তোলা হয়েছে ২.৯.২০২২ |
| মহাবিদ্যা কথা সুর ও কণ্ঠ যন্ত্রানুষঙ্গ ও সম্পাদনা - কবি পল্লব কীর্ত্তনীয়া। কত টাকা ঝাড়ত বাবু সোনা পার্থ ধরা পড়ে সব মাটি করলি টাকা ঝুড়ি ঝুড়ি হল তবু এ কি চুরি হল? এত সহজেই ধরা পড়লি! সব আমাকে বলেনি আর যদি দলে নিই বোকা পরমাত্মীয় ওটাকে চুপি চুপি খাচ্ছিল দলও কত পাচ্ছিল কে বলেছে বান্ধবী জোটাতে? আমি মানি জানি না মানি চুরি মানি না ঘাস ফুলে সব্বাই সাদা রে সাদা পথে করি চুরি সেটাই তো বাহাদুরি ধরা পড়ে বোকা হাঁদা গাধা রে! সারদা নারদা হল তাতে কী বা গেল এলো আমিও করেছি কেলো ডেলোতে একটু পড়লে পাকে ধরি ফেলি মোদিদাকে চুরিতে শিখিনি আমি ফেল হতে |
| কবি স্বপনকুমার বিজলী কবির ফেসবুক পাতা . . . কবিতাটি মাসিক চিচিংফাঁক পত্রিকার সেপ্টেম্বর ২০২১ সংখ্যায়ে প্রকাশিত হয়েছিলো। এখানে তোলা হয়েছে ২৫.৯.২০২২ |

| আমরা তো ভাই ফালতু মানুষ কবি উত্থানপদ বিজলী খেতের ফসল উচ্ছে পটল বেগুন কিংবা মুলো খোলা হাটে বিক্রি করে যেমন চাষীগুলো তেমন করে চাকরী কেন বিক্রি করে ওরা প্রাপ্য যাদের হচ্ছে বৃথা তার পিছনে ঘোরা ধর্না দিয়ে বছর কাবার, পুলিশ মারে লাঠি --- জোর-জুলুমে মান কি বাঁচে! নেড়ে এ কলকাঠি? কয়লা-চুরি গরু-চুরি হচ্ছে নাকি দেশের? দেখার যদি কেউ না থাকে আসছে তো দিন ক্লেশের। কোটি-কোটি টাকার তাড়ায় ঘর ভরে যায় কাদের ? দেদার সুখে কাটবে চোরের ছেলেমেয়ে মা-দের। আমরা সবাই ফালতু মানুষ ফ্যালফেলিয়ে দেখি --- জমিয়ে তুলি চায়ের দোকান। চেঁচাই, হচ্ছে এ কি! মদের দোকান স্কুলের পাশে দেদার বিকোয় মদ চল খেতে যাই মৌজ করে, আমরা কোথায় বদ? দেহের পক্ষে ক্ষতিকারক.., ছোট্ট করে লেখা ঢুলুঢুলু নেশার চোখে যায় না সেসব দেখা সব ফাঁদেতে ফোকর থাকে, বুঝতে পারি কই ---- জেল থেকে চোর ফুলের মালায় বের হয় বুঝি ওই! |
| কবি উত্থানপদ বিজলী মিলনসাগরে কবির পাতা . . . কবির ফেসবুক পাতা . . . রচনা ২৮.১০.২০২২ এখানে তোলা হয়েছে ২৮.১০.২০২২ |