হিন্দু দেব-দেবীদের কবিতায় অষ্টোত্তর শতনাম - বাংলা ভাষায় বিভিন্ন
দেবদেবীদের ভজনার জন্য রচিত গীত বা বন্দনা কে বলা হয় পাঁচালী। এর সাথেই দেব-দেবীদের একশো
আটটি নাম নিয়ে রচিত হয়েছে এশোত্তর শতনাম স্তোত্র।  সংক্ষেপে  এই  দুইকে নিয়েই বলা হয় সেই দেব
অথবা দেবীর পাঁচালী।

হিন্দু বাঙালীরা প্রায় সবাই লক্ষ্মীর পাঁচালী শুনতে অভ্যস্ত। সবার বাড়ীতেই প্রতি বৃহষ্পতিবার লক্ষ্মী পূজার
দিন এওতি নারীগণ এই লক্ষ্মীর পাঁচালী পাঠ করে থাকেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো এই যে এই নামকীর্তন
রচনার ছন্দ ও তাল এমন যে যিনি শোনেন এবং যিনি পড়েন, তাঁরা এক বিরল আনন্দের মধ্যে সেই  
সময়টুকু উপভোগ করেন। যাঁরা ভক্তিভরে শোনেন তাঁরা তো আধ্যাত্মিক উত্তোরণের কথা ভাবেন। আর
যাঁরা তেমন ভাবে চিন্তা করেন না, তাঁরাও এই পাঁচালী পাঠকে উপভোগ করেন।  

এই পাঁচালীর বই পাওয়া যায় যে কোনো দশকর্ম ভাণ্ডারে,  যেখানে পূজা-অর্চনার সামগ্রী বিক্রী করা হয়ে
থাকে। আমরা বিভিন্ন দেবদেবীর পাঁচালী সংগ্রহ করে মিলনসাগরে তুলে দিলাম, যাতে পৃথিবীর যে কোনো
প্রান্তের মানুষ এই পাঁচালীর সুখানুভূতি লাভ করতে পারেন।

পাঁচালী অবশ্যই কবিতা এবং এর ছন্দরস প্রশ্নাতীত। তাই মিলনসাগরের কবিদের সভায় পাঁচালী-গানের
রচয়িতা কবিদের আসন নির্দিষ্ট করা হলো।

দুঃখের বিষয় হলো এই যে আমাদের সংগৃহীত আটটি পাঁচালীর মধ্যে কেবল শ্রীশ্রীকৃষ্ণের পাঁচালীর রচয়িতা
শ্রী নরোত্তম দাস,
এবং শ্রীশ্রী সূর্যের পাঁচালীকার শ্রী কালীপ্রসন্ন বিদ্যারত্ন ব্যতীত আর কোনো পাঁচালীকারের
নামই আমাদের জানা নেই। অন্য পাঁচালীগুলো সবই সম্পাদিত প্রকাশনা। সম্পাদকের নাম যদিও উল্লেখিত
রয়েছে। এর বেশী আর কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।

শ্রীশ্রীকৃষ্ণের পাঁচালীর রচয়িতা শ্রী নরোত্তম দাস (
ষোড়শ শতক), বৈষ্ণব পদাবলীর রচয়িতা ছিলেন।
মিলনসাগরে
নরোত্তম দাসের বৈষ্ণব পদাবলীর পাতায় যেতে এখানে ক্লিক্ করুন

যদি আপনারা অন্যান্য পাঁচালীকারদের সম্বন্ধে নতুন কোনো তথ্য এবং ছবি পাঠাতে পারেন তা হলে আমরা
এই পাতায় সেই প্রেরকদের নাম উল্লেখ করে প্রকাশিত করবো।

বিভিন্ন হিন্দু দেব-দেবীর অষ্টোত্তর শতনাম  
মিলনসাগরে   তুলে আমরা আনন্দিত।


উত্স – দশকর্মা ভাণ্ডারে প্রাপ্ত বিভিন্ন পাঁচালী গ্রন্থ।

হিন্দু দেব-দেবীদের কবিতায় অষ্টোত্তর শতনামের মূল পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন।    


আমাদের ই-মেল -
srimilansengupta@yahoo.co.in     


এই পাতা প্রকাশ - ১৭.০৭.২০১৩
..