কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা
এ তোর বালিকা চাঁদের কলিকা
কবি জ্ঞানদাস
এ তোর বালিকা চাঁদের কলিকা
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের, শ্রীরাধিকার জন্মোৎসব, ৫৮-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
এই “এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা” পদটির সঙ্গে “প্রাণ নন্দিনী রাধা বিনোদিনী” পদটিকে প্রশ্ন ও উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে। পাঠক চাইলে এই পদ দুটির উপর ক্লিক্ করে তা পড়ে নিতে পারবেন।
এই “এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা” পদটির সঙ্গে “প্রাণ নন্দিনী রাধা বিনোদিনী” পদটিকে প্রশ্ন ও উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে। পাঠক চাইলে এই পদ দুটির উপর ক্লিক্ করে তা পড়ে নিতে পারবেন।
॥ তুড়ি॥
এ তোর বালিকা, চান্দের কলিকা,
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়, সদাই হৃদয়ে,
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া, কোলেতে রেখেছ,
এহেন সোণার ঝিয়ে॥ ধ্রু
তড়িত জিনিয়া, বদন সুন্দর,
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক,
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ,
তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের, প্রেয়সী হইবে,
সঙরিবা যদি জীয়ে॥
দুহিতা বলিয়া, দুখ না ভাবিহ,
ইহোঁ উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে, শুনেছি কমলা,
ইহাঁর অংশের অংশ॥
এ তোর বালিকা, চান্দের কলিকা,
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়, সদাই হৃদয়ে,
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া, কোলেতে রেখেছ,
এহেন সোণার ঝিয়ে॥ ধ্রু
তড়িত জিনিয়া, বদন সুন্দর,
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক,
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ,
তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের, প্রেয়সী হইবে,
সঙরিবা যদি জীয়ে॥
দুহিতা বলিয়া, দুখ না ভাবিহ,
ইহোঁ উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে, শুনেছি কমলা,
ইহাঁর অংশের অংশ॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, শ্রীরাধার বাল্যলীলা, ৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
এ তোর বালিকা চাঁদের কলিকা
দেখিয়া জুড়াবে আঁখি।
হেন মনে লয় এ হেন রূপক
পদুকা করিয়া রাখি॥
শুন বৃকভানু প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রাখ্যাছ
এ হেন সোনার ঝিয়ে॥
তড়িত জিনিয়া বদন সুন্দর
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ অতি বিলক্ষণ
তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে
সঙরিবা যদি জীয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুখ না ভাবিহ
ইহ উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কয় শুন্যাছি কমলা
ইহার অংশের অংশ॥
দেখিয়া জুড়াবে আঁখি।
হেন মনে লয় এ হেন রূপক
পদুকা করিয়া রাখি॥
শুন বৃকভানু প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রাখ্যাছ
এ হেন সোনার ঝিয়ে॥
তড়িত জিনিয়া বদন সুন্দর
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ অতি বিলক্ষণ
তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে
সঙরিবা যদি জীয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুখ না ভাবিহ
ইহ উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কয় শুন্যাছি কমলা
ইহার অংশের অংশ॥
টীকা ---
শ্রীরাধার জন্মিবার পর কোন প্রৌঢ়া গোপী বৃষভানুর পত্নীকে বলিতেছেন।
এ হেন রূপক পদুকা করিয়া রাখি - এমন তোমাক মেয়ের রূপ, দেখিয়া ইচ্ছা গলায় পদক করিয়া রাখি।
তড়িত জিনিয়া বরণ সুন্দর - ইহার গায়ের রং বিদ্যুতের প্রভাকেও হারাইয়া দেয়।
সোঙরিবা যদি জীয়ে - তোমার মেয়ে যদি বাঁচিয়া থাকে তাহা হইলে সে যখন কোন মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে দেখিবে তখন আমার ভবিষ্যদ্বাণীর কথা মনে করিও।
কমলা ইহার অংশের অংশ - লক্ষ্মী-শ্রীরাধার অংশেরও অংশ। নারদ পঞ্চরাত্রে আছে যে মহালক্ষ্মী রাধার বামাজ হইতে আবির্ভূতা হইয়াছেন। কৃষ্ণদাস কবিরাজ চরিতামৃতে (১|৪) লিখিয়াছেন যে শ্রীরাধার *লক্ষ্মীগণ হয় যে তাঁর অংশ-বিভূতি।”
শ্রীরাধার জন্মিবার পর কোন প্রৌঢ়া গোপী বৃষভানুর পত্নীকে বলিতেছেন।
এ হেন রূপক পদুকা করিয়া রাখি - এমন তোমাক মেয়ের রূপ, দেখিয়া ইচ্ছা গলায় পদক করিয়া রাখি।
তড়িত জিনিয়া বরণ সুন্দর - ইহার গায়ের রং বিদ্যুতের প্রভাকেও হারাইয়া দেয়।
সোঙরিবা যদি জীয়ে - তোমার মেয়ে যদি বাঁচিয়া থাকে তাহা হইলে সে যখন কোন মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে দেখিবে তখন আমার ভবিষ্যদ্বাণীর কথা মনে করিও।
কমলা ইহার অংশের অংশ - লক্ষ্মী-শ্রীরাধার অংশেরও অংশ। নারদ পঞ্চরাত্রে আছে যে মহালক্ষ্মী রাধার বামাজ হইতে আবির্ভূতা হইয়াছেন। কৃষ্ণদাস কবিরাজ চরিতামৃতে (১|৪) লিখিয়াছেন যে শ্রীরাধার *লক্ষ্মীগণ হয় যে তাঁর অংশ-বিভূতি।”
এই পদটি আনুমানিক ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “পদামৃত লহরী”, এর ২০ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার জন্মোৎসব
॥ রাগিণী তুড়ি - তাল লোফা॥
এ তোর বালিকা, চাঁদের কলিকা, দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে, সদাই হৃদয়ে, পসরা করিয়া রাখি॥ শুন বৃষভানু
প্রিয়ে। কি হেন করিয়া, কোলেতে রেখেছ, এ হেন সোণার
ঝিয়ে॥ তড়িত জিনিয়া, বদন সুন্দর, মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম, সে নাম রাখুক, আমরা রাখিলাম রাধা॥ স্বরূপ
লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ, তুলনা দিব বা কিয়ে। মহাপুরুষের প্রেয়সী
হইবে, সঙরিবা যদি জীয়ে॥ দুহিতা বলিয়া, দুঃখ না ভাবিহ,
ইহো উদ্ধারিবে বংশ। জ্ঞান দাস কহে, শুনেছি কমলা, ইহার
অংশের অংশ॥
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৫৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার জন্মোৎসব
॥ রাগিণী তুড়ি - তাল লোফা॥
এ তোর বালিকা, চাঁদের কলিকা, দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে, সদাই হৃদয়ে, পসরা করিয়া রাখি॥ শুন বৃষভানু
প্রিয়ে। কি হেন করিয়া, কোলেতে রেখেছ, এ হেন সোণার
ঝিয়ে॥ তড়িত জিনিয়া, বদন সুন্দর, মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম, সে নাম রাখুক, আমরা রাখিলাম রাধা॥ স্বরূপ
লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ, তুলনা দিব বা কিয়ে। মহাপুরুষের প্রেয়সী
হইবে, সঙরিবা যদি জীয়ে॥ দুহিতা বলিয়া, দুঃখ না ভাবিহ,
ইহো উদ্ধারিবে বংশ। জ্ঞান দাস কহে, শুনেছি কমলা, ইহার
অংশের অংশ॥
এই পদটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত, নবদ্বীপ চন্দ্র ব্রজবাসী ও খগেন্দ্রনাথ মিত্র সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন “শ্রীপদামৃতমাধুরী”, ৩য় খণ্ড এর ৫৭ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার জন্মোৎসব
॥ শ্রীরাগ - দুঠুকী॥
এ তোর বালিকা, চান্দের কলিকা,
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে, সদাই হৃদয়ে,
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু-প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া, কোলেতে রেখেছ,
এহেন সোণার ঝিয়ে॥ ধ্রু॥
তড়িত জিনিয়া, বদন সুন্দর,
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক,
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ,
তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের, প্রেয়সী হইবে,
সঙরিবা যদি জীয়ে॥
দুহিতা বলিয়া, দুখ না ভাবিহ,
ইঁহো উদ্ধারিব বংশ।
জ্ঞানদাস কহে, শুনেছি কমলা,
ইঁহার অংশের অংশ॥
॥ শ্রীরাগ - দুঠুকী॥
এ তোর বালিকা, চান্দের কলিকা,
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে, সদাই হৃদয়ে,
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু-প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া, কোলেতে রেখেছ,
এহেন সোণার ঝিয়ে॥ ধ্রু॥
তড়িত জিনিয়া, বদন সুন্দর,
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক,
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ,
তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের, প্রেয়সী হইবে,
সঙরিবা যদি জীয়ে॥
দুহিতা বলিয়া, দুখ না ভাবিহ,
ইঁহো উদ্ধারিব বংশ।
জ্ঞানদাস কহে, শুনেছি কমলা,
ইঁহার অংশের অংশ॥
এই পদটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত, সুধীরচন্দ্র রায় ও দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের কন্যা অপর্ণা রায় সম্পাদিত “কীর্ত্তন পদাবলী” বৈষ্ণব পদ সংকলনের ২১৩ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার জন্মখণ্ড
॥ শ্রীরাগ - দুঠুকি॥
এ তোর বালিকা, চান্দের ক@@
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে, সদাই হৃদয়ে,
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু-প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রেখেছ
এহেন সোনার ঝিয়ে॥ ধ্রু॥
তড়িত জিনিয়া, বদন সুন্দর,
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ
তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে
সঙরিবা যদি জীয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুঃখ না ভাবিহ,
ইহোঁ উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে, শুনেছি কমলা,
ইঁহার অংশের অংশ॥
॥ শ্রীরাগ - দুঠুকি॥
এ তোর বালিকা, চান্দের ক@@
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে, সদাই হৃদয়ে,
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু-প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রেখেছ
এহেন সোনার ঝিয়ে॥ ধ্রু॥
তড়িত জিনিয়া, বদন সুন্দর,
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ
তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে
সঙরিবা যদি জীয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুঃখ না ভাবিহ,
ইহোঁ উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে, শুনেছি কমলা,
ইঁহার অংশের অংশ॥
@@ - অপাঠ্য অক্ষর - "কলিকা" হবে।
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ৫২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
এই পদটি ১৩৪৮ বঙ্গাব্দে (১৯৪১ খৃষ্টাব্দ) প্রকাশিত, চাঁদপুর ও মেছড়া স্কুলের ভূতপূর্ব্ব হেডমাস্টার মহাশয় হরিলাল চট্টোপাধ্যায় দ্বারা সংগৃহীত ও প্রকাশিত, বৈষ্ণব পদাবলী সংকলন “শ্রীশ্রীপদরত্নমালা” ৪র্থ সংস্করণ (১ম সংস্করণ ১৩২৩ বঙ্গাব্দ বা ১৯১৬ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থের ৫২ পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার জন্মলীলা
॥ তুড়ী॥
এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে, সদাই হৃদয়ে,
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া, কোলেতে রেখেছ,
এহেন সোণার ঝিএ॥ ধ্রু॥
কমল জিতিয়া, বদন সুন্দর,
হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম, সে নাম রাখুক,
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ,
তুলনা দিব বা কিএ।
মহাপুরুষের প্রিয়সী হইবে
সোঙরিবে যদি জিএ॥
দুহিতা বলিয়া, দুঃখ না ভাবিহ,
ইহ উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে, শুনেছি কমলা,
ইহার অংশের অংশ॥
॥ তুড়ী॥
এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে, সদাই হৃদয়ে,
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া, কোলেতে রেখেছ,
এহেন সোণার ঝিএ॥ ধ্রু॥
কমল জিতিয়া, বদন সুন্দর,
হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম, সে নাম রাখুক,
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ লক্ষণ, অতি বিলক্ষণ,
তুলনা দিব বা কিএ।
মহাপুরুষের প্রিয়সী হইবে
সোঙরিবে যদি জিএ॥
দুহিতা বলিয়া, দুঃখ না ভাবিহ,
ইহ উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে, শুনেছি কমলা,
ইহার অংশের অংশ॥
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৩৭৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার জননী কীর্ত্তিদার প্রতি প্রতিবেশিনীর উক্তি
॥ শ্রীরাগ॥
এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে সদাই হৃদয়ে
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানুপ্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রেখেছ
এহেন সোণার ঝিয়ে॥
কমল জিনিয়া বদন সুন্দর
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপলক্ষণ অতি বিলক্ষণ
তুলনা দিব যে কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে
সোঙরিবে যদি জিয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুখ না ভাবিহ
এহো উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে শুনেছি কমলা
ইহার অংশের অংশ॥
॥ শ্রীরাগ॥
এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে সদাই হৃদয়ে
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানুপ্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রেখেছ
এহেন সোণার ঝিয়ে॥
কমল জিনিয়া বদন সুন্দর
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপলক্ষণ অতি বিলক্ষণ
তুলনা দিব যে কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে
সোঙরিবে যদি জিয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুখ না ভাবিহ
এহো উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে শুনেছি কমলা
ইহার অংশের অংশ॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার জননী কীর্তিদার প্রতি প্রতিবেশিনীর উক্তি
॥ শ্রীরাগ॥
এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে সদাই হৃদয়ে পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু-প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রেখেছ এ হেন সোনার ঝিয়ে॥
কমল জিনিয়া বদন সুন্দর মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ-লক্ষণ অতি বিলক্ষণ তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে সোঙরিবে যদি জিয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুখ না ভাবিহ এহো উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে শুনেছি কমলা ইহার অংশের অংশ॥
॥ শ্রীরাগ॥
এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয়ে সদাই হৃদয়ে পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানু-প্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রেখেছ এ হেন সোনার ঝিয়ে॥
কমল জিনিয়া বদন সুন্দর মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপ-লক্ষণ অতি বিলক্ষণ তুলনা দিব বা কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে সোঙরিবে যদি জিয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুখ না ভাবিহ এহো উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে শুনেছি কমলা ইহার অংশের অংশ॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬০২ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয় সদাই হৃদয়ে
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানুপ্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রেখেছ
এ হেন সোনার ঝিয়ে॥
কমল জিনিয়া বদন সুন্দর
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপলক্ষণ অতি বিলক্ষণ
তুলনা দিব যে কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে
সোঙরিবে যদি জিয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুখ না ভাবিহ
এহো উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে শুনেছি কমলা
ইহার অংশের অংশ॥
*********************
এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা
দেখিয়া জুড়ায় আঁখি।
হেন মনে লয় সদাই হৃদয়ে
পসরা করিয়া রাখি॥
শুন বৃষভানুপ্রিয়ে।
কি হেন করিয়া কোলেতে রেখেছ
এ হেন সোনার ঝিয়ে॥
কমল জিনিয়া বদন সুন্দর
মুখে হাসি আছে আধা।
গণকে যে নাম সে নাম রাখুক
আমরা রাখিলাম রাধা॥
স্বরূপলক্ষণ অতি বিলক্ষণ
তুলনা দিব যে কিয়ে।
মহাপুরুষের প্রেয়সী হইবে
সোঙরিবে যদি জিয়ে॥
দুহিতা বলিয়া দুখ না ভাবিহ
এহো উদ্ধারিবে বংশ।
জ্ঞানদাস কহে শুনেছি কমলা
ইহার অংশের অংশ॥
*********************
