কবি জ্ঞানদাস-এর বৈষ্ণব পদাবলী
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
কবি জ্ঞানদাস-এর পরিচিতির পাতায় . . . |
প্রাণ নন্দিনী রাধা বিনোদিনী
প্রাণনন্দিনি রাধা বিনোদিনি
কবি জ্ঞানদাস
প্রাণনন্দিনি রাধা বিনোদিনি
কবি জ্ঞানদাস
এই পদটি ১৮৯৫ সালে প্রকাশিত, রমণীমোহন মল্লিক দ্বারা সম্পাদিত “জ্ঞানদাস” গ্রন্থের ৫৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
“এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা” পদটির সঙ্গে এই “প্রাণ নন্দিনী রাধা বিনোদিনী” পদটিকে প্রশ্ন ও উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে। পাঠক চাইলে এই পদ দুটির উপর ক্লিক্ করে তা পড়ে নিতে পারবেন।
“এ তোর বালিকা চান্দের কলিকা” পদটির সঙ্গে এই “প্রাণ নন্দিনী রাধা বিনোদিনী” পদটিকে প্রশ্ন ও উত্তর হিসেবে ধরা হয়েছে। পাঠক চাইলে এই পদ দুটির উপর ক্লিক্ করে তা পড়ে নিতে পারবেন।
শ্রীরাধিকার বাল্য লীলা।
॥ তুড়ি॥
প্রাণ নন্দিনী, রাধা বিনোদিনি,
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপ নগরে, প্রতি ঘরে ঘরে,
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে, কাহার বাটীতে,
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ ক্ষীর মোদক, চিনীক দলক,
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন, কস্তূরী কুঙ্কুম,
কে রচিল তোর ভালে।
কে বান্ধিল হেন, বিনোদ লোটন,
নব মল্লিকার মালে॥
অলকা তিলক, ললাটে ফলক,
কে দিল চম্পক দাম।
জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ
কহ জননীর ঠাম॥
॥ তুড়ি॥
প্রাণ নন্দিনী, রাধা বিনোদিনি,
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপ নগরে, প্রতি ঘরে ঘরে,
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে, কাহার বাটীতে,
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ ক্ষীর মোদক, চিনীক দলক,
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন, কস্তূরী কুঙ্কুম,
কে রচিল তোর ভালে।
কে বান্ধিল হেন, বিনোদ লোটন,
নব মল্লিকার মালে॥
অলকা তিলক, ললাটে ফলক,
কে দিল চম্পক দাম।
জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ
কহ জননীর ঠাম॥
এই পদটি ১৩০৬ বঙ্গাব্দে (১৮৯৯ সালে) প্রকাশিত অরুণোদয় রায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, “সংগীত-সার-সংগ্রহ”, ১ম খণ্ড, ১৮৭ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার বাল্য লীলা।
॥ তুড়ি॥
প্রাণ নন্দিনী, রাধা বিনোদিনি,
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপ নগরে, প্রতি ঘরে ঘরে,
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে, কাহার বাটীতে,
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ ক্ষীর মোদক, চিনীক দলক,
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন, কস্তূরী কুঙ্কুম,
কে রচিল তোর ভালে।
কে বান্ধিল হেন, বিনোদ লোটন,
নব মল্লিকার মালে॥
অলকা তিলক, ললাটে ফলক,
কে দিল চম্পক দাম।
জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ,
কহ জননীর ঠাম॥
॥ তুড়ি॥
প্রাণ নন্দিনী, রাধা বিনোদিনি,
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপ নগরে, প্রতি ঘরে ঘরে,
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে, কাহার বাটীতে,
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ ক্ষীর মোদক, চিনীক দলক,
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন, কস্তূরী কুঙ্কুম,
কে রচিল তোর ভালে।
কে বান্ধিল হেন, বিনোদ লোটন,
নব মল্লিকার মালে॥
অলকা তিলক, ললাটে ফলক,
কে দিল চম্পক দাম।
জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ,
কহ জননীর ঠাম॥
এই পদটি ১৩০৭ বঙ্গাব্দে (১৯০০ সালে) প্রকাশিত, বঙ্গবাসীর সহ-সম্পাদক হরিমোহন মুখোপাধ্যায় দ্বারা সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “সঙ্গীত-সার-গ্রন্থ” ১ম খণ্ড, এর ১৩৪ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার বাল্য লীলা
॥ তুড়ী॥
প্রাণ নন্দিনী, রাধা বিনোদিনী, কোথা
গিয়াছিলা তুমি। এ গোপ নগরে, প্রতি
ঘরে ঘরে, খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥ বিহান
হইতে, কাহার বাটীতে, কোথা গিয়াছিলা
বল। এ ক্ষীর মোদক, চিনীক দলক, কে
তোর আঁচরে দেল॥ অগোর চন্দন, কস্তুরী
কুঙ্কুম, কে রচিল তোর ভালে। কে বান্ধিল
হেন, বিনোদ লোটন, নব মল্লিকার মালে॥
অলকা তিলক, ললাটে ফলক, কে দিল
চম্পক দাম। জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ,
কহ জননীর ঠাম॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধিকার বাল্য লীলা
॥ তুড়ী॥
প্রাণ নন্দিনী, রাধা বিনোদিনী, কোথা
গিয়াছিলা তুমি। এ গোপ নগরে, প্রতি
ঘরে ঘরে, খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥ বিহান
হইতে, কাহার বাটীতে, কোথা গিয়াছিলা
বল। এ ক্ষীর মোদক, চিনীক দলক, কে
তোর আঁচরে দেল॥ অগোর চন্দন, কস্তুরী
কুঙ্কুম, কে রচিল তোর ভালে। কে বান্ধিল
হেন, বিনোদ লোটন, নব মল্লিকার মালে॥
অলকা তিলক, ললাটে ফলক, কে দিল
চম্পক দাম। জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ,
কহ জননীর ঠাম॥
এই পদটি ১৩১২ সালে (১৯০৫) প্রকাশিত, দুর্গাদাস লাহিড়ী সম্পাদিত, "বৈষ্ণব-পদলহরী" গ্রন্থের ১৯৯-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার বাল্য-লীলা।
॥ তুড়ী॥ ( প্রশ্ন )
প্রাণ নন্দিনি, রাধা বিনোদিনি,
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপনগরে, প্রতি ঘরে ঘরে,
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে, কাহার বাটীতে,
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ ক্ষীর মোদক, চিনীক দলক,
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন, কস্তুরী কুঙ্কুম,
কে রচিল তোর ভালে।
কে বান্ধিল হেন, বিনোদ লোটন,
নব মল্লিকার মালে॥
অলকা-তিলক, ললাটে ফলক,
কে দিল চম্পকদাম।
জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ
কহ জননীর ঠান॥
॥ তুড়ী॥ ( প্রশ্ন )
প্রাণ নন্দিনি, রাধা বিনোদিনি,
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপনগরে, প্রতি ঘরে ঘরে,
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে, কাহার বাটীতে,
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ ক্ষীর মোদক, চিনীক দলক,
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন, কস্তুরী কুঙ্কুম,
কে রচিল তোর ভালে।
কে বান্ধিল হেন, বিনোদ লোটন,
নব মল্লিকার মালে॥
অলকা-তিলক, ললাটে ফলক,
কে দিল চম্পকদাম।
জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ
কহ জননীর ঠান॥
এই পদটি ১৩২৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯২০ সালে প্রথম প্রকাশ এবং পরবর্তী সংস্করণ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ বা ১৯৫৬ সালের পরে প্রকাশিত, শ্রীবিমানবিহারী মজুমদার ভাগবতরত্ন, সংকলিত ও সম্পাদিত বৈষ্ণব-পদাবলী সংকলন, “জ্ঞানদাস ও তাঁহার পদাবলী”, শ্রীরাধার বাল্যলীলা, ৫৭-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রাণ নন্দিনি, রাধা বিনোদিনি,
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপ নগরে প্রতি ঘরে ঘরে,
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে, কাহার বাটীতে,
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ ক্ষীর মোদক, চিনীকদলক,
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন কস্তূরী কুঙ্কুম,
কে রচিল তোর ভালে।
কে বান্ধিল হেন, বিনোদ লোটন,
নব মল্লিকার মালে॥
অলকা-তিলক, ললাটে ফলক,
কে দিল চম্পকদাম।
জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ
কহ জননীর ঠাম॥
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপ নগরে প্রতি ঘরে ঘরে,
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে, কাহার বাটীতে,
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ ক্ষীর মোদক, চিনীকদলক,
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন কস্তূরী কুঙ্কুম,
কে রচিল তোর ভালে।
কে বান্ধিল হেন, বিনোদ লোটন,
নব মল্লিকার মালে॥
অলকা-তিলক, ললাটে ফলক,
কে দিল চম্পকদাম।
জ্ঞানদাস কহে, সব বিবরণ
কহ জননীর ঠাম॥
বিনোদ লোটন – সুন্দর খোঁপা।
এই পদটি ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত, "বৈষ্ণব পদাবলী" সংকলনের, শ্রীগৌরচন্দ্র, ৩৭৪-পৃষ্ঠায় এই রূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার প্রতি কীর্তিদার উক্তি
॥ তুড়ী॥
প্রাণনন্দিনী রাধা বিনোদিনী
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপনগরে প্রতি ঘরে ঘরে
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে কাহার বাটীতে
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ খীর মোদক চিনীক কদলক
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন কস্তুরী কুম্ কুম্
কে রচিল তোর ভালে।
কে বাঁধিল হেন, বিনোদ লোটন
নবমল্লিকার মালে॥
অলকা তিলকে ললাটেফলকে
কে দিল চম্পকদাম।
জ্ঞানদাস কহে সব বিবরণ
কহ জননীর ঠাম॥
॥ তুড়ী॥
প্রাণনন্দিনী রাধা বিনোদিনী
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপনগরে প্রতি ঘরে ঘরে
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে কাহার বাটীতে
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ খীর মোদক চিনীক কদলক
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন কস্তুরী কুম্ কুম্
কে রচিল তোর ভালে।
কে বাঁধিল হেন, বিনোদ লোটন
নবমল্লিকার মালে॥
অলকা তিলকে ললাটেফলকে
কে দিল চম্পকদাম।
জ্ঞানদাস কহে সব বিবরণ
কহ জননীর ঠাম॥
এই পদটি ১৯৫৬ সালে, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত, হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় ও শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বারা সংকলিত ও সম্পাদিত, “জ্ঞানদাসের পদাবলী” গ্রন্থের ৩৩-পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
শ্রীরাধার প্রতি কীর্তিদার উক্তি
॥ তুড়ী॥
প্রাণনন্দিনী রাধা বিনোদিনী কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপ-নগরে প্রতি ঘরে ঘরে খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে কাহার বাটীতে কোথা গিয়াছিলা বল।
এ খীর মোদক চিনি কদলক কে তোর আঁচরে দিল॥
অগোর চন্দন কস্তুরী কুম্ কুম্ কে রচিল তোর ভালে।
কে বাঁধিল হেন বিনোদ লোটন নব-মল্লিকার মালে॥
অলকা তিলকে ললাট-ফলক কে দিল চম্পক-দাম।
জ্ঞানদাস কহে সব বিবরণ কহ জননীর ঠাম॥
॥ তুড়ী॥
প্রাণনন্দিনী রাধা বিনোদিনী কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপ-নগরে প্রতি ঘরে ঘরে খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে কাহার বাটীতে কোথা গিয়াছিলা বল।
এ খীর মোদক চিনি কদলক কে তোর আঁচরে দিল॥
অগোর চন্দন কস্তুরী কুম্ কুম্ কে রচিল তোর ভালে।
কে বাঁধিল হেন বিনোদ লোটন নব-মল্লিকার মালে॥
অলকা তিলকে ললাট-ফলক কে দিল চম্পক-দাম।
জ্ঞানদাস কহে সব বিবরণ কহ জননীর ঠাম॥
এই পদটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত, ৩৪৪৫টি পদ বিশিষ্ট, কাঞ্চন বসু সম্পাদিত পদাবলী সংকলন “বৈষ্ণব পদাবলী” সঙ্কলনের ৬৩৮ পৃষ্ঠায় এইরূপে দেওয়া রয়েছে।
প্রাণনন্দিনী রাধা বিনোদিনী
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপনগরে প্রতি ঘরে ঘরে
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে কাহার বাটীতে
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ খীর মোদক চিনি কদলক
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন কস্তুরী কুম্ কুম্
কে রচিল তোর ভালে।
কে বাঁধি লহেন বিনোদ লোটন
নবমল্লিকার মালে॥
অলকা তিলকে ললাটেফলকে
কে দিল চম্পকদাম।
জ্ঞানদাস কহে সব বিবরণ
কহ জননীর ঠাম॥
*********************
প্রাণনন্দিনী রাধা বিনোদিনী
কোথা গিয়াছিলা তুমি।
এ গোপনগরে প্রতি ঘরে ঘরে
খুঁজিয়া ব্যাকুল আমি॥
বিহান হইতে কাহার বাটীতে
কোথা গিয়াছিলা বল।
এ খীর মোদক চিনি কদলক
কে তোর আঁচরে দেল॥
অগোর চন্দন কস্তুরী কুম্ কুম্
কে রচিল তোর ভালে।
কে বাঁধি লহেন বিনোদ লোটন
নবমল্লিকার মালে॥
অলকা তিলকে ললাটেফলকে
কে দিল চম্পকদাম।
জ্ঞানদাস কহে সব বিবরণ
কহ জননীর ঠাম॥
*********************
