মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


ব্যাকুলিত হিয়া          নাথে সম্বোধিয়া
কহিছে কান্দিয়া নগেন্দ্ররাণী
আজির শপনে          দেখ্যাছি নয়নে
আমার ভবনে আইল ভবানী।
তার তৃনয়নেতে জলধারা আমায় বলে উঠ গো জননী।
আমি আশ্বাছি জনমদুখিনী।

.                                                ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


নীল ঘটা শ্রী অঙ্গ ছটা ভেদি ব্রহ্মা কটা উশৃত
সরূধির শিরে রূচির মালা আজ ঘন লম্বিঁত।......
তপন দহণ শশাঙ্কশহ নয়ন-ত্রয় শোভে।
বিমুক্ত কুন্তল শৌরভে অতি ভ্রোমরা ভ্রমে লোভে।
রথরথীরাজি গজ বাজিরে অদণ করিছে বদণে।
হায় অধরে রুধিরধারা ধারা সারা বহিছে
ত্রিনয়নে খেরে দহন দেখ দনুজ দহিতেছে
মরি ভয় হেরি বামার রূপ গ্রাশিছে বরূথিনী
প্রমাদঘটীনী রুধিরতটিনী বহিছে তরঙ্গিনী


.                ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


ছিল বড় আসা মনে                    হৈল না কার্য্য কারণে
ভাসাইলে আশৃত জণে ণিরাকুল পারাবারে।
আমার জা হবার হৈল                    তোমার কলঙ্ক রৈল
শ্রীহরেন্দ্র কহে কপাল কে কোথা এড়াইতে পারে।


.                                               ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


তাহে দেখি বিপরিত                       প্রতারনা জথোচিত
এই কি উচিত তোমার কও গো করূণাময়ী।
দিন দয়াময়ি নাম                         সে বুঝি তামশ ধাম
শ্রীহরেন্দ্রে কহে বড় দুষ্ খেত কটি কয়ি।



.                                               ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


বহুশাস্ত্রে বহুধর্ম্ম                                     লিখে নানাবিধ কর্ম্ম
মা কিন্তু পরম আয়াষে সিদ্ধি অতঃপর ভাল না বাশী
কহিছে হরেন্দ্র মর্ম্ম                              শ্যামা আমার সর্ব্বধর্ম্ম
ঐ পাদপদ্মে আমার গয়া গঙ্গা বারাণশী।


.                                               ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


আমার যত ধর্ম্ম যত কর্ম্ম যত অভিপ্রায়
তোমার চরণে সমর্প্পণ সমুদায়।
তোমার নাম লইয়া যদি আমার এজে প্রাণ জায়
তবে কি করিবে বেদসাস্ত্রে গয়া আর গঙ্গায়।


.               ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


তুমি ভাল বাশ বা না বাশ এহি দুরাত্মায়
আমি ভালবাসি জেন সদাকাল মা তোমায়।
জখন রাখ যে ভাবেতে                    শুখেতে কিঁম্বা দুষ্ খেতে
কিঞ্চিত চলিত চিত হয় জে না তারা তায়।
শ্রীহরেন্দ্র ভূপে ভণে                         য়ন্য আশা নাঞিক মনে
এ দেহ পতনে স্থাণ পাই জেণ ঐ রাঙ্গা পায়।


.                                                  ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


তৃগুণাত্মীকা ত্রিলোকমাতা তুমি কালী ব্রঁহ্ম শনাতনী . . . . .
তৃতা যুগেতে শূর্য্যবংশে অবতীর্ন্ন হৈলে
বিখ্য়াত হৈছিল তোমার নাম তারা শ্রীরামনারায়ণ বল্যে . . . . .
দ্বাপরে শ্রীনন্দনন্দন হৈয়্যা বৃঁন্দাবনে
নাশীলে কংশাশূরে অন্য দুষ্ট বহুজনে
যুগে যুগেতে এইরূপেতে তুমি পুরূষ প্রিকৃতি হৈয়া
খণ্ডিছ ভূমিভার হরেন্দ্রে এ পদ প্রচারে।



.                  ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


হায় মত্স্য ক্রুর্ম্ম বরা আদি দশরূপ জার
কালী তারা আদি দশ মহাবিদ্যা আর
প্রিথিবী আকাশ শুন্য অনল অনিল
স্থাবর জঙ্গম রবি শশাঙ্ক শলিল
এহি ব্রহ্মময়িময় কহিছে হরেন্দ্র রায়।



.                  ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি


চল মণ কাশী হও অবিরত কাশীবাশী।
কাশী মহাষ্মশাণ জথা উশাণ বিরাজমাণ সর্ব্বদা।
অন্নপূর্ণারূপে জথা বিরাজেণ মুক্ষদা
চল এমণ ধামে মণরে আমার জুক্তিকামে পাবে কীর্ত্তী অবিনাশী।


.                  ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি

টোড়ি----ঢিমাএকতালা

দিগ্ বাস গলিত কেশ |
মরি ঘোর সমরে বামা কে রে |
কে রে সুন্দর হরহৃদিসরোবর
রক্তোত্পল পদে প্রকাশ ||
তাই এ তনু ধারণে, এ তিন ভুবনে,
এমন মূর্তি দেখি নাই |
ভূপে কয় মোর মনে লয়
বটে বটে বটেরে ভাই
এমন মূর্তি দেখি নাই |
মায়ের ওষ্ঠাধর নব দিবাকর
বদনাঙ্কিতে তিমির নাশ |
ভয়ে দিতিসুতকুল সব চেয়ে রইল,
ভাবে ছলছল, সজল আঁখি, |
ভূপে কয়, মোর মনে লয়,
তারার বরণ তারায় রাখি
তারার বরণতারায় রাখি |
কীবা ত্বঞ্চলাকুল দন্ত উজ্জ্বল অম়তার্ণব অট্ট হাস

.            ****************                                        
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি

বেহাগ----ঢিমেএকতালা

ভুবন ভুলালে রে কার কামিনী ওই রমণী  |
বামার করে করাল শোভিছে ভাল
করবাল যেন দামিনী  ||
সজল জলদ শোণিত অঙ্গে
নাচে ত্রিভঙ্গে তাল বিভঙ্গে রে
মায়ের শিরে শিশু শশী ,ষোড়শী রূপসি
শশিমুখী কাশীবাসিনী  ||
অট্ট অট্ট অট্ট হাসিছে রে
নাশিছে  দনুজ মাভৈ ভাষিছে রে,
শ্রীহরেন্দ্র কহিছে হৃদি প্রকাশিছে
তব রূপে ভবজননি  ||


.        ****************                                                     
উপরে   




মিলনসাগর
*
মহারাজ হরেন্দ্রনারায়ণের শাক্তগীতি

খাম্বাজ---একতালা

তার কী শমনে ভয় মা যার শ্যামা  |
শ্রীহরেন্দ্র ভূপে কয়, ভবে কী আর আছে ভয়,
অন্তে যাব তাঁর ধামে বাজাইয়ে দামা  ||

.        ****************                                                     
উপরে   




মিলনসাগর
*