
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে ২ ॥ দুষ্ট কবি ( কাব্য ও কার্টুন )॥ |
|
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে ক্ষমা প্রার্থনা গুরু-চণ্ডালী দোষে ভরা এই ত্রিপদী কাব্যের ছড়া দুষ্টকবি ক্ষমা তাই চায়। কবিতা গুচ্ছটি সারা ছন্দপতনে গেছে মারা ছন্দে পাঠ করাই এখন দায়॥ তবুও করজোড়ে বলে পাঠক, তুমি ঈশ্বর হলে তোমারই কারণে রচনা। এ নৈবেদ্য গ্রহণ কর ক্ষমা-ঘেন্না করে পড় তাতেই কবির ধন্য রচনা॥ |
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে দুষ্টকবি মিলন তিনি হাসির খোরাক এখন পরিবর্তন-ধামা যে ধরিয়াছিলেন! পরিচিতরা শুধান দাদা ক্যামনে রাত্রে ঘুমান? বিবেকের কি গলাই টিপিয়া দিলেন? শুধু দুষ্টকবিই নন এমন হাজার হাজার জন দেখেছিল এক সুন্দর স্বপন। তাঁরা চাননি অন্য কিছু ছোটেনি অর্থ-ক্ষমতা পিছু চান ত্রাসমুক্ত-গণতন্ত্র স্থাপন॥ পরিবর্তন হলো ঠিকই মাতে উল্লাসে দশ দিকই তাহারপরই মুখোশ পড়িলো খ’সে। ক্ষমতায় দিদির দল প্রয়োগ বামেদেরই ছল্ বল্ সেই স্বপন দিলো নির্দয়ভাবে পিষে॥ মানুষের কাছে গিয়ে বলেছি --- আসবে দিদি নিয়ে --- বিগত দিনের কালো মেঘের শেষ। মিথ্যে সে সব আজ চলে নৈরাজ্য-ত্রাসের রাজ চোর-ডাকাত-খুনে-ধর্ষকে নিলো দেশ॥ ভুল করি নাই কোনো আবার পরিবর্তন হানো এদের হটিয়ে চাই অন্য মুখ। সকল হতাশা দলি’ ভাঁজে বিস্মৃত তাঁর কলি “বাংলা জ্বলছে তাই জ্বলুক”॥ . ************************** কলকাতা, ১২.৭.২০১৫ অমিত রায় ও প্রবীর বলের কণ্ঠে, দেবাশিস রায়ের সুরে, অমিত রায়ের সঙ্গীতায়োজনে, দুষ্টকবি রচিত, সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের এই জনপ্রিয় "বাংলা জ্বলছে তাই জ্বলুক" গানটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন . . . |
| আরও পড়ুন সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কবিতার সংগ্রহে সিঙ্গুরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে . . . রচনাকাল ৫/১/২০০৭ - ২৩/৩/২০০৭ নন্দীগ্রামের কে কোথায় দাঁড়িয়ে . . . রচনাকাল ২০.৩.২০০৭ ~ ১.৮.২০০৭ |
| আরও পড়ুন সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কবিতার সংগ্রহে, নীচে ক্লিক করে সিঙ্গুরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে . . . রচনাকাল ৫/১/২০০৭ - ২৩/৩/২০০৭ নন্দীগ্রামের কে কোথায় দাঁড়িয়ে . . . রচনাকাল ২০.৩.২০০৭ ~ ১.৮.২০০৭ |


| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে সুবোধ বালক যথা রয়েছে বঙ্গে হেথা নিত্যি-নূতন তার খেলা। বেকার দুষ্টকবি দেখে করে কভি কভি ধৃষ্টকাব্যে ছেলেখেলা॥ একদা সে নন্দনে বামেদের বন্ধনে গুলজার করিতেন নরক। দিদিভাইর গুষ্টির করিতেন তুষ্টি মিডিয়া চ্যানেলে বে-ধড়ক॥ কাস্তে হাতুড়ি ধোওয়া ভলগার বারি ছোঁওয়া অবারিত বাণী, দিবা-রজনী। হঠাৎ সেদিন দেখি বলে, সেই দিদিই নাকি “নিও কমিউনিজমের জননী”! মুর্খ বা শিক্ষিত কাফের বা দিক্ষিত আছেন যতজন এই বঙ্গে। মাথা চুলকিয়ে টাক হয়ে গেলো হতবাক এই পরিবর্তনী রঙ্গে॥ এত বড় সম্মানে দিদি গ’লে, সজ্ঞানে ভাবেন --- কি দেবেন তাহায়! বড় দেরী করে এলি! ভূষণের ব্যাগ খালি! তখন, গৌড়বঙ্গ V.C. সহায়॥ সমাবর্তন হইলে D.Litt তাহারে দিলে কিছু তো দেওয়াই হবে তাকে। দিদিও দিলেন ঢা’লি সম্মাননার ডালি সুবোধ D.Litt পেল জেঁকে॥ D.Litt হইলো বটে মুড়ালো গাছটি নটে গল্পটি ফুরালো কি শেষে? হরিদাস বাঙ্গালি দিলো জোরে হাততালি কিন্তু, সত্য Delete হবে কিসে? . ***************** কলকাতা, ১৫.১২.২০১৫ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে শঙ্কুদেব পণ্ডা ধরিয়া দিদির ঝাণ্ডা নেতা ছিলেন যুব-তৃণমুলের। দিদির প্রিয় ভ্রাতা দলের যুব নেতা শিক্ষা জগত নাচিত তার তালে॥ এত প্রিয় ভ্রাতা মাথায় দিদির ছাতা যারে তারে বলিতেন নাকি যা-তা। বিশ্ববিদ্যালয়ে তথা যত শিক্ষালয়ে তিনিই ছিলেন শেষ-কথার দাতা॥ পরিবর্তনের আগে যখন নন্দীগ্রাম জাগে ধরেন এক বাম নেতার ঘুষ। তার, রিপোর্টারির চোটে সেই নেতার চাকরি ছোটে এখন জানি, সে সবই ছিল ফুস্॥ পরিবর্তনের পরে মা সারদার ঘরে তিনিও নাকি মাথা ঠেকাইয়াছিলেন। গণমাধ্যমে শোনা ইডি সিবিআই-র বোনা সেই জালে ধরা তিনিও পড়িয়া গেলেন॥ দিদির সাফ কথা নেতারা, খাইলে যথা তথা দলের নামে দিও নাকো দোষ। অর্ধচন্দ্র খাইয়া দলে শঙ্কু এখন বলে ---দলের হইয়া কামাইয়াও, করি আফসোস! গেল, পার্টি অফিসে থাকা উদ্বাস্তু, পথে একা দিদির কথায় সবাই দিল আড়ি। দুষ্টকবি জিঘায় এখন বাঁচার কি উপায়? রাজ-সাক্ষী হইলে এড়াবে, কোমরেতে দড়ি! . ***************** কলকাতা, ১৫.১২.২০১৫ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে সরস্বতী বিদ্যেবতী চক্ষু দাও মা, দাও সুমতি ধন্য দেখে তোমার অবতার। ঘোর কলিতে আবার এলে শুধু , গুলাম আলী চিনতে পেলে বন্দিলেন জলসায়, কলকাতার॥ আমরা অবোধ পাপী-তাপী সারাক্ষণ নিন্দে জপি আমরা তাই চিনিতে পারি নাই॥ দিদি-রূপে নব-কলেবর দৃশ্যত সে অতি মনোহর ইনডোর স্টেডিয়ামের এরিনায়॥ মুম্বাই শহরে মানা করিয়াছিল শিবসেনা পাকিস্তানীর সঙ্গে কথা নয়। সেই কারণে গুলাম আলী পান নি সেথায় হাত তালি ভারতে বন্ধ সকল জলসা হায়॥ এই না শুনে সর্বপ্রথম দিল্লী-রাজা বুক ঠুকে কন্ তাঁর রাজ্যে গুলাম গাইবে গান। অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিয়া বিরোধীদের সামাল গুলাম আলীরে নিমন্ত্রণ পাঠান॥ তাই না শুনে দিদিও খাড়া এমন সুযোগ যায় না ছাড়া আর কদিনেই আসিছে নির্বাচন! তিনিও গুলামেরে কহেন আদাব মিঞা, হেথায় আহেন, বলিয়া, তাঁরে জানান নিমন্ত্রণ॥ কি যেন এক হঠাৎ কারণ দিল্লী, গুলাম করলে বারণ “অন্দর কী বাত”, আমরা জানিনা। টুনটুনিতে বলিছে শুনি দিদির কোনো পেয়ারের গুণী দিদি-তে "হ্যাঁ" আর দিল্লী-তে করাইলো "মানা"॥ |

| এরই মধ্যে গুলাম-দেশী পাঠানকোটে করিলো পেশী মারিলো সাত জওয়ান ইণ্ডিয়ান। বিশ্বে পাকিস্তানের সুনাম সেথা কিছুই করেনা কাম কিন্তু, উগ্রবাদের আঁতুড় ঘর মহান॥ উঠিলো ছিঃ ছিঃ রব নিন্দায় ভারতবাসী সরব সাতটি চিতায় অগ্নি লেলিহান। ক্রিয়া-কর্ম হয় নাই শেষ কাটে নাই গণহত্যার লেশ কিন্তু, দিদির চাই-ই গুলামের প্রোগ্রাম॥ পুত্র-সম সাতটি জওয়ান দেশের জন্য দিলো পরাণ দাগ কাটে নাই গুলাম-ভক্তের মনে। আর ক’টা দিন পিছিয়ে দিলে হইতো কি ভুল কোনো চালে ? জিঘায় দুষ্ট কবি ও কয় জনে॥ কবে কার কথা---দিদি শোনে নির্বাচনের ঘন্টা গোণে সংখ্যালঘুর ভোটের স্বপ্নাবেশ! নিত্য পুলিশ ফাঁড়ি জ্বলে ধর্ষণ খুন সঙ্গে চলে চোর-ডাকাতের ফাইল পুড়িয়া শেষ॥ প্রশ্ন মনে জাগে ভায়া দেশে যখন শোকের ছায়া কেন, পাকিস্তানী গায়ক নিয়েই মাতি ? জওয়ানের তাজা লাশের উপর খুব জমিলো জলসা জবর গুলাম বলেন - দিদিই সরস্বতী! ভক্ত গুলাম, দিদি দেবী সঙ্গে আবার পুরুত সেবী! রশীদ বাবা দ্বিজ এ উত্সবে! দুষ্টকবির এমন ছড়া তালিবানী গন্ধ ছড়ায় সঙ্গীত-প্রেমী উঠিবে রে রে রবে! . ************************** কলকাতা, ১৫.১.২০১৬ |
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে দেশপ্রিয় পার্কের বড় দুর্গা দেশপ্রিয় পার্কের থানে দুইহাজার পনেরোর থীম্-এ “বড় দুর্গা” কৃতিত্বের রাখে দাবী। ভাঙিলো বঙ্গের সর্ব রেকর্ড এত বড় সাইজের গড্ দেখে নাই ভেতো-বঙ্গজ-কূল কভি॥ স্পনসর ছিল স্টার সিমেন্ট কাছা দিয়া মাঠে নামেন নূতন গৌরী সেন এর ভূমিকায়। কোলকাতা শহর জুড়িয়া পোস্টার দিল নজর কাড়িয়া খরচ নাকি কোটির ডাক হাঁকায়॥ সেই পোস্টার দেখিয়া দেখিয়া বাঙালী মনস্থির করিয়া কোমর বাঁধিল --- এ দুর্গা দেখিবেই। সকলেরই পড়িলো চোখে জানিলো ত্রিভূবনের লোকে কেবল পুলিশই তা জানিতে পারে নাই॥ আসিলো শরতের কাল শিউলি-কাশফুলে সকাল নৌকায় চাপি’ দুর্গা আসিলো দেশে। পরিবর্তনের পরের সমাজ মধ্যগগনে দিদিভাইর রাজ বাঙালী থাকে রোজ উত্সবের রেশ-এ। থানা-পুলিশ-ক্লাবদের মিটিং উপরতলার আদেশের ব্রীফিং--- পূজায় দিদিরে না ডাকিলে, নয়! দিদিরে না পাইলে বুঝেন--- শাসক দলের নেতারা আছেন যেন উদ্বোধনে উহাদেরি ডাকা হয়॥ |

| মা-দুর্গার কদর গিয়াছে কদর, কে ফিতে কাটিতে আসে মন্ত্রী, নিদেন নেতা শাসক দলের। বিদ্বজনেরা ভাবিয়া না পায় পুলিশের এই সরল উপায় কী করিয়া ক্লাব কর্তারা ভোলে॥ বঙ্গজগণ তাড়ায় মাতি’ তৃতীয়াতেই পড়ে ঢাকে কাঠি দেবীর আগমন ভি.আই.পি.-দের সাথে॥ যাহা হোউক, আসিলো পুজা মণ্ডপে মণ্ডপে দশভূজা উপচিলো ভীড় কোলকাতার রাজপথে। দেশপ্রিয় পার্কের কর্তা অগ্রাহ্য করিয়া পুলিশের বার্তা সৌরভরে দিয়া ফিতা কাটাইলো। পূজা কমিটির প্রমুখ ঢাকিয়াছিল প্রতিমার শ্রীমুখ এইবার তাহা উন্মুক্ত করিয়া দিলো। অষ্টাশি ফীটের সমান! গিরিবালা গিরি-প্রমান! দেখিয়া বাঙালীর সার্থক জীবন। শিল্পী মিন্টু পালের কীর্তি মনে রাখিবে পরবর্তী বহু বহু যুগের মানুষ জন॥ এইবার শুরু হইলো ঠ্যালা বড়-দুর্গার দর্শন-মেলা গন্তব্য সবার দেশপ্রিয় পার্ক। ক্রমে ক্রমে ভীড় বাড়িলো পঞ্চমীতেই মাত্রা ছাড়িলো ভাঙিলো সব ভীড়ের রেকর্ড মার্ক॥ দেখিয়া ভীড় বড়-দুর্গার দর কমিলো অন্য পূজার দিদির ফিতে-কাটাও খাইলো ঝাড়। মুখ রাখিতে পুলিশের কর্তা বলিয়া --- নাই নিরাপত্তা NO ENTRY বোর্ড বসাইলো পূজার দ্বার॥ |
| “বেআইনী পূজা” বলেন কর্তা ক্লাবের দোষের রাঁধেন ভর্তা নালিশ-এফ.আই.আরের ঝড় থানায়। মানুষ যাতে দেখিতেও না পায় দিলেন ঢাকিয়া সেই প্রতিমায় এতই ছিল তাঁর নিরাপত্তার দায়! ইহার উপর টিভি মিডিয়ায় এই খবর যেন আর না ছড়ায় দেওয়া হইলো তাহারও নির্দেশ। না দেখিয়া এই বড়-দুর্গা ব্যথিতরা, ধরে রাস্তা, ঘরকা অথবা করে অন্য পূজায় প্রবেশ॥ শহর কলকাতা যায় চেনা পথে-পার্বনে ভীড়ের হানা ভীড়েই ইহার আসল পরিচয়। দশ-বারো লাখ ব়্যালিতে হয় লাখ লাখ নিত্য মিছিলে যায় সেই ভীড় রোজ এই পুলিশই সামলায়! হঠাৎ এই বড়-দুর্গায় পুলিশ কর্তা পাইলো কেন্ ভয়? কাহারও আজ বাকি নাহি বুঝিতে। দিদির ছোঁওয়া না পাইলে ভাই কোনো কাজে কারো অধিকার নাই “পূজা বন্ধ” কি এই বার্তাই দিতে? বিশ্বাস করিবেন না এই বাত্ নিন্দুকে ছড়াইতেছে অপবাদ রটনা সারা “বিশ্ব-বঙ্গ” জুড়ে! দুষ্টকবি খাইয়া গুজিয়া প্রশ্ন করে এ-কলি ভাঁজিয়া দিদির রাজ্যে এমনও কি হইতে পারে?! . ************************** কলকাতা, ১৮.১.২০১৬ |
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে কৃষি মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা বলিতেন তিনি খুল্লাম খুল্লা দিদির চেয়ে Danger নাহি জানি। এলো পরিবর্তন দেশে বাম ফ্রন্ট গেল ধ্বসে শাসকেরে নামাইলো পথে টানি॥ তাহার কিছু কাল পরে পার্টি-অফিস খুলতে ভাঙরে রেজ্জাক সেবার তথায় গিয়াছিলেন। দিদির প্রিয় ভাই আরাবুল প্যাঁদাইয়া তাঁহারে চাখাইয়া ধূল হাসপাতালের ভাত খাওইয়া দিলেন॥ ছিলেন জাত কমিউনিস্টো গিয়া ক্ষমতার গুড়, মিষ্টো ধম্মে কম্মে মন দিলেন তিনি। লাল ঝাণ্ডা বাক্সে রাখিয়া ফিরিয়া, কাবায় মাথা টেকিয়া “হাজী” হইয়া সংবাদে ফের, শুনি॥ বুঝি, হাজী হইবারই তালে চোখের ঠুলি পড়িলো খুলে দেখিতে পাইলেন দলের যত দোষ। ক’য়ে চ্যাটাং চ্যাট্যাং কথা দলের নিন্দা যথা তথা খ্যাদাইয়া দিলো দল, কি আফসোস॥ নিজে, কৃষক নেতা ব’লে মন্ত্রী, খোশ-মেজাজে দলে ছিলেন না কম, কাহারো অপেক্ষা। একটুও না দমিয়া, তিনি গড়েন নতুন দল, জানি নিজের দলেও খাইলেন ঘাড়ধাক্কা॥ |

| ফাটে পরিবর্তন-ফানুস কাহিল্, মা-মাটি-মানুষ দিদির প্রিয়, ভাই-বোনদের দয়া। ধর্ষণের ঢালাও হুমকি ধর্ষিতারা বিরোধী-চুমকি প্রশাসন, ভয়ে পলায় কাশী-গয়া॥ গরীব-গুর্বো লোকের টাকা সারদা লুঠিয়া করিলো ফাঁকা দিদির ছবি, বিকোয় কোটির দামে। বেফাস্, মুখে "ডেলো" বলিয়া কুণাল গেলো জেলে চলিয়া বলির পাঁঠা মদন কারাধামে॥ তেলেভাজা হইলো শিল্প দলের লাগাম ধরিলো ভাইপো বস্তা ভরিয়া বাংলাদেশে চালান ধনরাশি। সেই টাকা নাকি খাগড়াগড়ে বোমা হইয়া শব্দে পড়ে। কুটীর-শিল্পে তৈরী হয় ফিদায়ীন-সন্ত্রাসী॥ ধর্মীয় প্রতিবাদের আড়ে যারা, মাদক-জালনোট পাচার করে কালিয়াচকে পোড়ায় থানা এবং রেকর্ডরাশি॥ মুসলিম ভীত, বুঝিতে পারি, হিন্দুও ত্রাসে গাহিতে নারি!? দিদিভাই কয় - “সব ঠিক হ্যায়”, হাসি'॥ ত্রিফলা বাতিতে ছাইয়া দেশ ক্ষুদে বিগবেন করি’ উন্মেষ লণ্ডন ধরি’ আনিলো কলকাতায়। নীল-সাদায় রাস্তা ঘাট থানা পুড়িয়া ভস্মীমাত সিণ্ডিকেট-রাজ পিণ্ডি চটকায়॥ |
| নারীর গোপন অঙ্গে বিছুটি ছাইলো বঙ্গে গো-বলয়-নীতি আয়ারাম-গয়ারামের বেচা কেনা। ভালো লোকদের ছাঁটিয়া বাদ গুণ্ডাবাজের ক’রে আবাদ দিদির বাহিনী হইলো কুরু সেনা॥ এমতবস্থায় কাটিলো কাল আসিলো ভোটের মহা সকাল আরাবুল যত, ফিরিলো দিদির দলে। বাকি যত ছিল ধান্ধাবাজ দিদিরে ধরিতে, কুচকাওয়াজ রেজ্জাক, দিদির সভায় হত্যে দিলে॥ দিদির দিল্, দরাজ দরিয়া ক্ষমিয়া তাঁহারে নিলেন বরিয়া বসিতে দিলেন আরাবুলদেরই পাশে। মুখপোড়া এই দুষ্ট কবি বলে আহা! কি সুন্দর ছবি সাপে-নেউলে দেখিনি সখার বেশে॥ . ************************** কলকাতা, ১৪.২.২০১৬ |
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে “বহুজ” কবীর সুমন জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে কোথা কবে কহিয়াছেন সত্য, মধুসূদন। ব্রাহ্মণ জন্মাইলে নরে পইতে ঝুলাইয়ে ঘাড়ে পায় “দ্বিজ” সম্মানের ভূষণ॥ “দ্বিজ” চাটুজ্জে সুমন হইয়া কবীর সুমন আরও এক জন্ম নিলেন বটে। কপাল করিলে পরে যে আরও জন্ম লাভ ক’রে “বহুজ” উপাধি কি তাঁর খাটে ? সাংসদের কোটার বখারায় টান পড়িলে হায় মহা শত্রু হইয়াছিলেন দিদি। বঙ্গবিভূষণের ডালি ঘুচাইলো মনের কালি দিদি হইলো আবার মহানিধি॥ সম্প্রতি যাদবপুরে বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে সারমেয় জন্ম তাঁর দেখিলাম! দেখাইতে দিদিরে ভক্তি লাগাইয়া সকল শক্তি কহেন, --- “আমি মমতার ডোবারম্যান”॥ তর্ক-বিতর্ক রচি বাজারটা ঠিক বুঝি খেলুন, সংসদীয় মাওবাদের ঘুঁটি। এই মহা জন্মদিনে “বহুজ” কবীর সুমনে দুষ্ট কবির প্রণাম শত কোটি। . ************************** কলকাতা, ২২.৩.২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে নারদার পদাবলী শান্ত হয়নি এখনও সারদা, ঝড়ের আকারে আইলো নারদা, স্টিং অপারেশনের ঝুলি নিয়া। ঝুলি হইতে একে একে বাহির হইলো, তাহা দেখে স্তম্ভিত সারা বাংলা এবং দুনিয়া॥ ইহার পূর্বেও আছিল স্টিং কুকর্মের যারা চালাইতো রিং তাদের তুলিতো গোপন-ভিডিও-ক্যামেরায়। এবার ভাঙিলো সর্ব রেকর্ড এক মাদী ও বারো মরদ নারদের পাতা ফাঁদে পড়িলো ধরা। দেখিলো বাংলা অবাক নেত্রে জন-প্রতিনিধি তাদের ক্ষেত্রে কেমন করে মা-মাটি-মানুষ সেবা। সততার ঢোল বাহিরে বাজায় আড়ালে, ঘুষ হাত পেতে নেয় বিন্দুমাত্র লজ্জা করে কে বা॥ প্রসূন, সুলতান, কাকলী দেবী, মেয়র শোভন, মন্ত্রী ববি, সেই নন্দীগ্রামের শুভেন্দু অধিকারী॥ মুকুল, মদন, সৌগত রায়, সুব্রত মুখও নাহি বাদ যায়, দিদির প্রিয় ভাই-বোনেদের সারি। কেহ নিলো গুনে হাতটি পেতে কাহারো চালান সোজা ড্রয়ারেতে কেহ বা চাপিয়া পকেটে ভরিয়া লয়। গেঞ্জি পড়িয়া ঘুমের ঘোরে বা হয়তো মালের আবেশ-ভরে কেহ, ধূমের আড়ালে টাওয়েল মুড়িয়া নেয়॥ অতটাকা দেখে কেহবা অবাক্, টাকা না ছুঁইয়া রহিয়া পাক্, চামচে রে কেহ গুনিয়া লইতে কয়। পথেঘাটে ঘুষ পুরুষেরা খায় দেখিয়া সবার চোখ সয়ে যায় এবার দেখিলো নারীরা কেমনে খায়॥ |
| ভাইপোকে স্টিং বিঁধিতে না পারে, কিন্তু তাহারই অফিসের ঘরে দুই সাকরেদ দিলো বরাভয়। স্মরণে, জর্জ-মন্ত্রীর গদি দিদির চাপেই গিয়াছিল নদী তাঁর বাড়িতেও অন্যে টাকা খায়॥ মউকা পাইয়া বিরোধী দল তুলিছে পথে জোর শোরগোল ---দিদির দলের এ কিরকম ছবি! ভোটের আগে বলিছে দিদি--- চক্রান্ত করে সব বিরোধী, মানুষ, এর বিচার করবে সবই॥ যদি, ভিডিও-ফুটেজ মিথ্যে ধরি’ দেখুক ফুটেজ যাচাই করি’ দিদির হাতেই থানা-পুলিশ তো রে। সে সব কিছুই করছে না ঘুষ, খাচ্ছে কিন্তু গিলছে না সততার ঐ হাওয়াই, যাচ্ছে ছিঁড়ে॥ আছেন পুলিশ, আছেন আমলা, ব্যাপার আরও গভীর-মামলা নারদা প্রকাশে, স্টিং-এর দ্বিতীয় ক্ষেপ। জোর জমেছে ভোটের সকাল সততার আজ এমন আকাল নেতারা খায় জানিতো, এবার দেখিলো ভিডিও টেপ॥ যাহোক করিয়া তাইরে নাইরে রইলো না আর কোর্টের বাইরে কোর্টে মামলা, বিরাধীর গোঁফে তা। কল্যাণবাবু দিদির উকীল খাবি খাইয়া ছুঁড়িলেন ঢিল বলেন হুজুর, ঘুষ নয় এ যে মহান অনুদান!! যাঁরা, বিকিয়ে মাথা দিদির কাছে দুষ্টকবির তাঁদের কাছে, নাই যে কোনো কিছুই আজকে বলার। যাঁরা, দিদিরে আজও ভালোবাসে যাঁদের, ভালোয়-মন্দে যায়-আসে এখন সময়, মনের দরজা খোলার॥ সত্য-মিথ্যা প্রমাণিত নয়, রচিতো না পদ, দুষ্টকবি কয়, দিদি যদি, যাচিতেন নিজে, এই টেপ-বালাই। কল্যাণ, কোর্টে বলিলেন যাহা তাহাতে মানিয়া লইলেন ইহা যে, টাকা লেনদেন কিছু তো হইয়াছিলোই॥ . ************************** কলকাতা, ১৮.৩.২০১৬ |
|
|
|
|

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে বাজাইয়া সঙ্গে রণ-তূর্য পঞ্চ-পরিক্রমা-সূর্য শেষ করিল বঙ্গে দিদির রাজ। আসি আসি বলিয়া অন্তে প্রকাশে নির্বাচন নির্ঘন্টে গণতন্ত্রের উত্সবের মেজাজ॥ ইলেকশন-কমিশনের কর্তা দিলেন এক স্পষ্ট বার্তা--- হেথা, শান্তিপূর্ণ-ভোটের নাই আশ্বাস। অন্যত্র যদি দুইদিনে ভোট এ রাজ্যে দিয়া সাতদিন মোট, তবুও, সুষ্ঠু ভোটের উঠিবে নাভিশ্বাস॥ শাসন-যন্ত্র করিয়া বিকল হরিয়া মানুষের সকল শান্তি, অধিকার ও স্বাধীনতা, শাসন কুক্ষিগত করিয়া দিদি দেন ভাষণ, বঢ়িয়া, বিলাইয়া বলয়, সাইকেল নীল-সাদা॥ শুনিয়া নির্বাচনের ঘন্টা নাচিয়া ওঠে দিদির মনটা প্রকাশেন সর্বাগ্রে দলের তালিকা। ডিগবাজি খাওয়া বুদ্ধিজীবী, ক্ষুধার্ত সেলিব্রিটি-হেভি, অনেককেই দেখিয়া ভাগিবেন দেবী কালিকা॥ ধান্দাবাজ, যত দলবদলী, পুলিশ-পেটানো চক্রীর ডালি, সিণ্ডিকেট-রাজের নমস্যের সঙ্গম, বঙ্গের কিছু নর্দমার কীট সংখ্যায় নহে কো মিত ছাঁকিয়া তোলেন ভোট-লুঠে-পারঙ্গম॥ দুষ্ট কবি কহে --- “দিদি, বঙ্গের শাসন-নিধি, থাকিত আমরণ, তোমার হস্তেই। মানুষেরে বিশ্বাস করি, দুষ্টের দমন সারি’, যদি, পালন করিতে কেবল বঙ্গের শিষ্টে”। . ************************** কলকাতা, ৬.৩.২০১৬ |
|
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে নির্বাচন নব রঙ্গে আবার আসিল বঙ্গে কমিশন বাজাইলো ভোটের বাঁশী। জঙ্গল-রাজ-রূপী বিহারে ভোট করাইয়া, ফ্রী অ্যাণ্ড ফেয়ারে কমিশন হোঁচট খাইলেন হেথা আসি’॥ সুভাস-রবীন্দ্র-নজরুল বিদ্যাসাগর-বঙ্কিম-অতুল বাঙালী যাঁদের ধুইয়া খায়--- এই প্রজন্মের জীবন-যজ্ঞে সে গুণ দেখা মহা সৌভাগ্যের মানুষ বলিতেই এখন দ্বিধা হয়॥ তাহাই বোধহয় সঠিক বুঝিয়া কমিশন দেয় সাত দিনের পুড়িয়া রাজ্যে শুরু করেন হাঁক ডাক। ভোটের পূর্বে একমাস ধরিয়া কেন্দ্রীয় ফৌজ দশদিক ঘিরিয়া বাজাইলো কমিশনের কাঁসর-ঢাক॥ এতকিছু হইবার পরে ভোট যে দিন আইলো দ্বারে রাস্তায় ঘাটে কেন্দ্রের ফৌজ উধাও। বুথের ভেতর দখলদারী করে রাজ্যের উর্দিধারী দিদির ভাইদের সামলাইতে নাহি কেউ॥ দুষ্টকবি শঙ্কা করে দিদি আর মোদীর বরে এইবার নির্বাচনও যাইবে বহি’। ভোটের দিনেই রাশ-টা টানি কমিশন হয় ঠুটো-জ্ঞানী এই দেশে কি গণতন্ত্র র'বে নাহি? . ************************** কলকাতা, ৭/৪/২০১৬ |

| সোরাব পাইছে শাস্তি - চুরির তুমি আরও উঁচু ভরির তোমার সেবায় কত মানুষ, গেছে উপরে। তোমার হেরোইনের কোপে বেঁচে যারা, নরক ভোগে দিদিরে রিজিউমি পাঠাও, কুরিয়ার করে! বলিতেছেন দিদি সবে ভোটটা কেবল তাঁরেই দিবে প্রার্থী কেবা, তাহা দেখার নাহি প্রয়োজন! এক্কেবারে সত্য এটা দিদির যথার্থ কথা অনেক প্রার্থী, সত্য, দেখিলে - দৃশ্যদূষণ!! কয়েকজন তো কারাগারে সাজা-প্রাপ্ত, বৌ-এর ঘাড়ে নারদাতে টাকা হাতায়, দেখি কতজন। কত সারদাতে কামায় কতজন বোমা বানায় সিণ্ডিকেটের নায়কেরাই দিদির প্রিয়জন॥ যদি থাকো সিণ্ডিকেটে দল থেকে দেবো ছেঁটে বলেন দিদি জনসভা হেঁকে! সিণ্ডিকেটের নেতার ভারে উড়ালপুলও ভাঙিয়া পড়ে মৃত্যু মিছিল রাজ্যে লেগেই থাকে॥ সঙ্গে আছেন কেনা গোলাম বুদ্ধিজীবী যাহাদের নাম উলটে যাওয়া চামচিকে, ছাগল, পাঠা, খাসী। নেতা নেপোয় মারিছে দই ফোটাইয়া কথার খই মিডিয়াতে দোষ ঢাকেন, আমরা শুনে হাসি॥ বলছে দিদি --- ভাইরা ভালো বিরোধিদের প্রচার কালো একেক জন তুলসিপাতা, গঙ্গাজলে ধোওয়া। তবুও যদি সন্দ থাকে দন্দ্ব ভুলে, চোখ বুজাকে ভোট টা দিও কেবল তাদের, আমায় হবে দেওয়া। তাই তো বলে দুষ্টকবি আনসার মিয়া, সময় আভি রিজিউমিটা পাঠাও দিদির কাছে। তোমার গুণাবলীর কাছে নেই যে কেহই ধারে কাছে লুফিয়া নিয়া তোমায় মিয়া, বসতে দেবেন পাশে॥ . ******************** কলকাতা, ৮.৪.২০১৬ |
| জবর রিজিউমির পদাবলী পঞ্চাশ কোটির হেরোইন সাথে তৃতীয়বার কোলকাতাতে পড়লো ধরা ড্রাগ-পাচারকারী। নিম্ন আদালতের রায় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত, হায়! আনসার রহমান, আসামী “বেচারি”॥ দুষ্টকবি বোললো হেসে কাঁদছো কেন? ভাবনা কিসে? ভাগ্যে, ধরা পড়লে ইণ্ডিয়াতে! ভালো উকীল পাইলে ধরো নইলে একটু সবুর করো “মানবাধিকার” থাকবে তোমার সাথে॥ নিমখরচে মামলা হইবে খুনী-ধর্ষক ছাড়া পাইবে মধ্যরাতেও আদালতে চলিবে শুনানি। বিষে মারিয়াছো যাদের চুকিয়া গেছে ল্যাঠা তাদের “মানবাধিকার” তোমারই কেবল দামী॥ আরও ভালো পন্থা আছে বঙ্গের বাংগালির কাছে প্রাণটা তোমার বাঁচিবেই, উপরন্তু . . . বাকি জীবন সুখে থাকিবে সবাই তোমায় সেলাম ঠুকিবে নেতা-মন্ত্রী হইলে হবে বাড়বাড়ন্ত ॥ দোষী সাব্যস্ত আসামী তায় সংখ্যালঘু তুমি ভোটে সংখ্যালঘু নেতা, দিদির বড় মিত। রাণিগঞ্জে সোহরাব আলি সাজা-প্রাপ্ত আছেন ভালই সেই “বেচারা”-র বউ পাইলো, দিদির টিকিট॥ দিদির কাছে সংখ্যালঘু মানেই হলো মস্ত-ঘুঘু সংখ্যালঘু-ভালো-মানুষ দিদির চোখের বিষ। ভদ্রলোক হইলে তো ভাই সত্য-মিথ্যা করবে যাচাই দিদির শুধু লাগে ভোটে সিণ্ডিকেট-ফিনিশ্! |
| আনন্দবাজার পত্রিকা, কলকাতা, শনিবার, ৯ এপ্রিল ২০১৬, পৃষ্ঠা-৫ থেকে জানা যায় যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আনসার রহমান মাদক- সহ মোট তিন বার ধরা পরে, এনসিবি সূত্রের খবর। প্রথমবার ধরা পড়ে ১৯৮৭ সালে, কলকাতা পুলিশের হাতে। তখন তার কাছ থেকে ১ কিলোগ্রাম হেরোইন ও ৪৭ কিলোগ্রাম চরস পাওয়া যায়। সে বার দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয় তার। কিন্তু সাজার মেয়াদ শেষ হবার আগেই ১৯৯২-তে ভাল ব্যবহারের জন্য ছাড়া পেয়ে যায় সে। ১৯৯৫ সালে ফের হেরোইন-সহ সে ধরা পড়ে। আনসার রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেয় ২০০১ সালে। হাই কোর্ট ফাঁসির সাজা রদ করে দিয়ে তাকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। এই সাজার বিরুদ্ধে আনসার যায় সুপ্রীম কোর্টে। সেখানে সে জামিন পেয়ে যায় এবং ছাড়া পেয়েই আবার সে ও তার সাকরেদ দীপক গিরি মাদক চোরাচালানের কারবার শুরু করে দেয়। ৩.২.২০০২ তারিখে সল্টলেকের এস.এ. ব্লকের রাস্তায় ফের আনসার ধরা পড়ে। তার কাধের ঝোলা ব্যাগ থেকে পাওয়া যায় ৩ কিলোগ্রাম হেরোইন। তার সাকরেদ দীপক গিরির বাড়ি থেকে পাওয়া যায় ৫০ কেজি হেরোইন। |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে কমরেড মহম্মদ সেলিম কঠোর তাঁর বাম তালিম সিপিএমের তিনি একজন বীর। এখন পলিটবুরোর খুড়ো এম.পি. জানে-মানে পুরো পরিবর্তন-উত্তর-বঙ্গে, নেতা বিরোধীর॥ যাইহোক পাঁচ বছর গেল নির্বাচন আবার এলো বেঁচে থাকতে নীচু তলায় জোট। সেনাপতি সূর্য মিশ্র অধীরবাবুও বড় অহিংস আতঙ্কিত মানুষ! চাইছে বিকল্পের ভোট॥ নির্বাচনী ভাষণ থেকে সেলিম সাহেব বললে হেঁকে রক্ত ঝরার হিসাব নেবেন পালটা! পাঁচ বছরের বিরোধী দল অর্থ-জন-বলে দুর্বল আশায় মানুষ --- শুধরে নেবে দলটা!! বেফাস এমন কথা বলে নির্বাচনটা চটকে দিলে যেন, মারলে ছোরা সূর্যবাবুর পিঠেই। মনে করালেন বানতলা নেতাই-সিঙ্গুর-ধানতলা হত্যা, বিজনসেতু-নন্দীগ্রামের বাটে। বদলা নেওয়া থামবে কবে? বঙ্গে শান্তি ফিরবে কবে? আসবে কবে গণতন্ত্র এই রাজ্যের বুকে? সেলিমবাবুর এমন কর্ম ব্যথিত করলো সবার মর্ম দুষ্টকবি সিঁদুরে মেঘ দ্যাখে॥ . ******************** কলকাতা, ১০.৪.২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে নজরবন্দী অনুব্রত নির্বাচনের তৃতীয় দিনে জয়দেব-রবির বীরভূমে অনুব্রতই করাইয়া দিল ভোট। একজনেই ভোট করাইলেন একজনই সেই ভোট পাইলেন ১১ সীটই দিদিরে দিলেন ভেট॥ ত্রিসিংহ মুরতি ভোট-কমিশন করিলেন অনেক তর্জন-গর্জন অবশেষে প্রয়োগ করিলেন ব্রহ্মাস্ত্র। অনুব্রত রে নজরবন্দী করিয়া দিলাম! কেমন ফন্দী! দেখি ও ব্যাটা কেমনে ধরে অস্ত্র॥ “বয়েই গেল” কয় অনুব্রত আমি তো খেলছি আমারই মতো নির্বাচন কমিশন করবে আমার কি? যেন, ভুত আমার পুত পেতনি আমার ঝি দিদি আমার বুকে আছেন, করবে আমার কি?! দরজায় রহিলো ম্যাজিস্টারেট কেন্দ্র বাহিনীর গান ও বুলেট্ ভিডিও তুলিলো, ভিডিও ক্যামেরাম্যান ! যেথা ইচ্ছা গেলেন তিনি মিটিং সারিলেন দরোজা টানি নজরদারী, দুষ্টকবি কহে --- প্রহসন॥ . ******************** কলকাতা, ১৭.৪.২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে নির্বাচনের দ্বিতীয় অঙ্কে কমিশন কত গভীর পঙ্কে ডুব দিয়াছে, তাহাই বোঝা গেলো। মোদি-দিদির লাগাম-চাবুক কমিশনারদের করিয়াছে মূক করদাতাদের বোঝা-ই রহিয়া গেলো॥ দমকল-পুলিশ আটকে রাখছে জ্বালছে লুটছে মারছে কাটছে বিরোধীদের জান-মান-ইজ্জত। প্রশ্ন উঠলে চালায় ভাঙা সেই, একই কথার রেকর্ডখানা “বাম আমলেও এটাই ছিল গত”॥ দুষ্টকবি সব্বারে কয় সরাইতে সন্ত্রাস আর ভয় পরিবর্তন, মানুষ চাহিয়াছিল। সেই, ত্রাসেই যদি রাজ্য চলে কি লাভ হইলো শাসক বদলে? বামরা তাহলে কি দোষ করিয়াছিল? . ************************** কলকাতা, ১১/৪/২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশন ও বুদ্ধিজীবী দুই হাজার ষোলো ইলেকশানে দিদি ও ভাইয়েরা ভোটের দিনে এমন ত্রাস রচিলো জনপদে। থাকিতে না পেরে ঘরের কোণে এত সন্ত্রাস দেখিয়া নয়নে বিশিষ্ট বিদ্বজ্জনেরা নামিলো পথে। তেমাথা-সিংহ-মুরতি সাজিয়া কমিশন দেন অভয়-গুজিয়া গিলিতে পারেনা বাঙালীরা জলে গুলে। ফুলবেঞ্চ যবে কলিকাতায় ইলেকশন কমিশনের খাতায় নালিশ করিয়া আসিলেন তাঁরা মিলে॥ অশীতিপর শঙ্খ ঘোষ নিঃশব্দে কবিতা করে নির্ঘোষ বিবেক-বালাই দংশে বাংগালিকে। সঙ্গে ছিলেন বোলান গঙ্গো মিরাতুন-কৌশিক-সুজাত-সঙ্গো দেখিলাম সাথে জাস্টিস গাঙ্গুলীকেও॥ দেখিয়া দিদি চটিয়া কয় হাওয়াই চটিটি পড়িয়া পায় মোদেরও অনেক বুদ্ধিজীবী সাথে। দলের যত নোংরা কাজ করিছে যা, ছেড়ে শরম-লাজ সাফ করিবার দায় ইঁহাদেরি কাঁধে॥ টিভি-মিডিয়াতে দেখিলো যেই করছিল যাহা, ফেলিয়া তাই দিদির বুদ্ধিজীবীরা মিটিং করে। টপ্ সিক্রেট সেই মিটিং কবে, কোথায়, হইলো ব্রিফিং দুষ্টকবি জানিবে কেমন ক’রে ? গুণে-মানে তাঁরা কম কিসের? স্ব-স্ব ক্ষেত্রে তাঁহারা শের লাভ-ক্ষতির হিসেবেও ধনবান! নৃসিংহ-অভি-প্রসূন-সুবোধ কমিশন দ্বারে জোর প্রতিরোধ প্রতুল কবি গা’ন বাংলায় গান॥ |

| বাংলা ভাষাকে বন্দিয়া যত কাব্য-গীতি হয়েছে রচিত নিঃসন্দেহে তাঁহারই রচনা শ্রেষ্ঠ। এই অবতারে তাঁহারে দেখিয়া ভারাক্রান্ত হৃদয়ে এ লিখিয়া দুষ্টকবি হয় অনুশোচনা-ক্লিষ্ট॥ ছিট্ ফুট যাহা ঘটিতেছে হেথা ইস্কুলেতেও ঘটে তো, আহা তাহা লইয়া বাড়ি মাথায় ক্যান? নির্বাচনে এমন শান্তি সবই মোদের দিদির কান্তি ভোট দাও গিয়া, করিও না ঘ্যান্ ঘ্যান্॥ গাহিলেন তাঁরা দিদির গান--- নাহি সন্ত্রাস! কেন অপমান? অনুব্রতর, গুড়-বাতাসা, কমিশনকে করেন দান॥ মিডিয়াতে দিয়া তড়িৎ বাইট গলা ভিজাইয়া কোক্ আর স্প্রাইট দিদির আঁচলে গিয়া মুখ লুকান॥ কমিশন, গুড় বাতাসা পাইয়া আহ্লাদে আটখানা হইয়া স্বরণ করেন দিদি-মোদীর ডীল্। মুচকি হাসিয়া তেমাথা কন্ চালাইয়া যান এই গট-আপ রণ তাই তো দিয়াছি নির্বাচনে ঢিল্!! . ******************** কলকাতা, ১৭.৪.২০১৬ |
দেয়ালে দেয়ালে মনের খেয়ালে লিখি কথা | আমি যে বেকার, পেয়েছি লেখার স্বাধীনতা || |
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে নির্বাচনের চতুর্থ দিনে খোদ কলকাতায় ভোটের ক্ষণে লাগাম ছাড়া সন্ত্রাসের ছায়ায় ভোট। মোদি-দিদির উহ্য মিতালি কমিশনের দুই চোখে ঠুলি ঠুটো জগন্নাথ আধিকারিক পাকায় ঘোঁট॥ দুষ্টকবি সব্বারে কয় সরাইতে সন্ত্রাস আর ভয় পরিবর্তন, মানুষ চাহিয়াছিল। সেই, ত্রাসেই যদি রাজ্য চলে কি লাভ হইলো শাসক বদলে? বামরা তাহলে কি দোষ করিয়াছিল? . ************************** কলকাতা, ২১/৪/২০১৬ |


| এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে স্ক্রল করে! This page scrolls sideways, Left-Right ! |
| |||||
|
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে সুনীল গুপ্ত নাম তাঁর বঙ্গে, ভোটের দায় যার চীফ ইলেকশন অফিসার, উপযুক্ত!? জবর আই.এ.এস. তিনি কিন্তু, দেখিয়া তাহার কাণ্ড, মানি--- মেরুদণ্ড বেমালুম অবলুপ্ত॥ মেনিমুখো সুনীল গুপ্ত যেন কুম্ভকর্ণ, চিরসুপ্ত, দেখেও দেখেনা ভোটের নামে দাঙ্গা। নালিশ করিলে রিসিভ করে সোজা পাঠায় দিল্লী-দরবারে যেন পোস্ট অফিসের কাজেই তিনি চাঙ্গা॥ দিদি-মোদীর চুক্তির তরে সারাক্ষণ তার অফিস-ঘরে থাকেন, দিদির অফিসার-অন-স্পেশাল ডিউটি। এইবার সব খোলসা হয় কেন, বঙ্গের ভোটে মাত্সান্যায় আর বিহারে ছিল শান্তিতে ভোটাভুটি॥ ভোটের কমিশনের কর্তা কী ডীল্ করিছে? কেমন দর? তা জানিতে চাহে আজ দেশবাসী। এ কি রঙ্গ মোদী-মমতার দুষ্টকবির তো নাহি ক্ষমতা তাই, কলমের খোঁচায় ক্ষোভানলের হাসি॥ . ************************** কলকাতা, ২৪/৪/২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে বঙ্গে ভোটের পঞ্চম দিনে নাচিলো বিরোধী, মিডিয়ার সনে শান্তিতে নাকি ভোট ছিলো এই দিন। নিজের ভোটটি দিতে পারিয়া সুনীল গুপ্ত হাঁফ্ টি ছাড়িয়া খানিক্ নাচিয়া নিলেন তা ধিন্ ধিন্॥ প্রমাণ করিলো ভোট কমিশন চাহিলেই তাঁরা মনের মতন পারেন করিতে শান্তির অবাধ ভোট। এতেই দিলেন প্রমাণ করি আগের ভোটের যা ছিল ছিরি সবই অমোঘ মোদী-দিদির ঘোঁট॥ এমন মহা-শান্তির ভোটে দিদির উন্নয়ণের চোটে চলে, ধর্ষণ-খুন-শাসানী দেবার পাট! বাড়ি বাড়ি ঢুকে বাংলার মার যাতে না পৌঁছায় বুথের দ্বার দুগ্ধ-পোষ্য শিশুও যায়নি বাদ॥ নকশাল-ছাপ মন্ত্রী দলের বুথের দখল লইয়া, চলে ছাপ্পা ভোটের অবাধ কারোবার। বুঝিয়া ফেলিবে “বোকা” জনগণ মোদী-দিদির এই গট-আপ রণ দুষ্টকবি কয় --- তাই শান্তিতে এই বার॥ . ************************** কলকাতা, ২৪/৪/২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে শাসক-দলের বুদ্ধিজীবী রাজা, রাণী বা নেতারা নিত্য মানব সেবায় ঢালিয়া চিত্ত ত্যাগিয়া প্রচুর, করে যাহা কিছু কর্ম! বাজারী যত মিডিয়া, হায়! কী যে বলে আর কীই যে খায় এক রত্তি বোঝে না তাহার মর্ম॥ মহান “অনুপ্রেরণা” মাথে এত শত কাজ করিবার পথে “প্রকাশে-আড়ালে”, কত কি করিতে হয়। সে সব কর্মে বড় দায়ভার, উত্পাদিছে বর্জ্য-পাহাড়, দল-পথ হয় মলিন, আবর্জনায়॥ ফেলিয়া যাওয়া বর্জ্যের ঢের, সাফ করিতে নিয়োগ, তাঁদের “শাসক-দলের বুদ্ধিজীবী” কয়। নেতা-মন্ত্রীর ময়লার ঢের যতটা পারে “ঢাকিয়া”, ফের বাকি “অমূল্য”, চেঁচাইয়া কহিতে হয়॥ মিডিয়ায় মিডিয়ায়॥ বাজারের যত মিডিয়ার ঘরে সব কাজ ফেলে, সন্ধ্যার পরে সাজিয়া গুজিয়া হাজিরা লাগান এঁরা। অভিযোগ খণ্ডাতে গিয়ে লড়ে, অরক্ষনীয় কে রক্ষার তরে যায়, যুক্তি-তর্ক তাঁহাদের, মাঠে মারা॥ দুষ্টকবির আগ্রহ জাগে জানিতে, এঁদের কেমন লাগে দলের মলের সাফাই-কর্মী হওয়া। নেতা-নেপোয় তো মারিছে দই! এঁদেরও কিছু কি জুটিছে খই? নচেত রোজ, মিডিয়ায় ক্যান্, হাসির খোরাক হওয়া!? যে সব কথা ইঁহারা কহেন নেতা-নেত্রীর গুণ গাহেন সেকথা কি আসে অন্তর থেকে উঠে? রাজা বা রাণীর কৃপায় ধন্য হইয়া, নিজেরে করিয়া পণ্য কিছু তো মূল্য হবেই হবে দিতে!! . ************************** কলকাতা, ২৬/৪/২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে সৌমেন মিত্র, পুলিশ কমিশনার বঙ্গের ষষ্ঠ দিনের ভোটে যে কথা উঠিলো সবারই ঠোঁটে “ভোটের ত্রাতা” শিরোপাটা হবে কার? সব তারকারে ফেলিয়া পিছনে নিঃসন্দেহে নায়ক এ দিনে সৌমেন মিত্র, পুলিশ কমিশনার॥ প্রমাণ হইলো মেরুডণ্ড এখনও হয়নি লণ্ড ভণ্ড দেশের পুলিশ এখনো ভরসা-বান। বাঘেতে-গরুতে খাইলো জল এক ঘাটে, ভোটে, সকলদল গাহে দুষ্টকবি, সৌমেনের জয়গান॥ . ************************** কলকাতা, ১/৫/২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে যাদুকর জাইদি সাহেব ভোটে দিলেন সাতটি ক্ষেপ কারণ! দিদির বঙ্গ শান্তি-সুখের বস্তি। দিদি-মোদি সৌহার্দের বন্দী তাঁদের নাকি গোপনে সন্ধি রাজ্যে কুস্তি, দিল্লীতে খুব দোস্তি॥ প্রথম চারটি ভোটের দিনে তাঁদের দেন ভেট গুণে লাঠে তুলে অবাধ নির্বাচন। রাজধানি কলিকাতায় ঘুচাইতে সেই কলঙ্ক, মাথায়, দিলেন দুদিন, অবাধ ভোটের পাচন॥ আরেকটি দিন কি হবে ভাই দুষ্ট কবি ভাবছে সেটাই কারা পাবে জাইদি বাবার ভেট! মাঝখানেতে মরুক ক’টা শিশুদেরও ধরে পেটা দিদির দাওয়াই খেয়েই ভরা পেট!! . ************************** কলকাতা, ৪/৫/২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে সাহসী পুলিশ ভীতু পুলিশ প্রথম চারে করছিলো লুঠ বঙ্গদেশের ভোটের ভুত পঞ্চম আর ষষ্ঠ বারে রুখলো পুলিশ ওঝা। শাসিয়ে দিদি করলে নালিশ বললে ভিতু ওসব পুলিশ বীরপুঙ্গব পুলিশ যত, আমার আঁচল-পোঁছা॥ হুমকি শুনে খোলা সভায়, আঁচল-পোঁছারা ভয় পেয়ে যায় রাজ্যজুড়ে ভুতের নেত্য আবার চালু হলো। ক্ষ্যাপা-ষাঁড় দিনে-রাতে রক্ত দিদির হাতে দুষ্টকবি লিখলে ছড়া কিই বা এলো গেলো॥ . ************************** কলকাতা, ৪/৫/২০১৬ |

| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে টি এন সেশান ইলেকশনটি ফুরলো নটে গাছটি মুরলো ফুরায় না যে তবু ভোটের ত্রাস। কত মানুষ ত্রাসের ঠ্যালায় ভোটের দিনে দিনের বেলায় ভোট না দিয়ে ঘরেই হাস-ফাস॥ কত জনের জ্বললো জীবন জীবিকাতে লঙ্কা দহন কত শিশুর গায়ে পড়লো হাত। ভোট-কমিশন ভোটের খেল্-এ যদি চলে ডালে ডালে রাজনৈতিক দাদা-দিদি চলে পাতায় পাত॥ দুষ্টকবির পড়ছে মনে টি এন সেশান কমিশনে ঠাণ্ডা করেছিলেন যত ভোটে ভুতের নাচ। তার তুলনায় জাইদি সাহেব ছিলেন তিনি প্রায়ই গায়েব সেশান সাহেবের পাশে বড্ড বামন আজ॥ . ************************** কলকাতা, ৬/৫/২০১৬ |


| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে कवि सूरदास से क्षमा मांगते हुए मैया मोरी मैं नहीं माखन खायो। पहले चार दफा वोट में मईया सब आप ही के बटन दबायो। मैया मोरी मैं नहीं माखन खायो। अकस्मात ही पुलिसवालों की आत्मा जाग उठायो। पकड़ पकड़ कर आपके भाईयों को ऐसी पिटाई करवायो, कि बूथ के आसपास कौई लफंगे नजर ही नहीं आयो। मैया मोरी मैं नहीं माखन खायो। पाँच छे और सातवाँ दफा में, पता नहीं माई, बंगाल के वोट में असली में हो क्या गयो। मैया मोरी मैं नहीं माखन खायो। |
| फिर भी मईया, ज़ईदी लाल ने आशा की वाणी सुनायो . . . कि, घर घर में जाकर भाईयों सब की ऐसी बैन्ड बजायो, कि, शहर गाँव में दूर दूर तक वोटरों ने वोट न देने आयो। मैया मोरी मैं नहीं माखन खायो। अब तो मईया, मई के उनिस ही वोट का फल बता पायो। मैया मोरी मैं नहीं माखन खायो। दुष्टकवि कहे हे मईया मोरी . . . मैं भी न माखन खायो। 7.5.2016 ये कविता आपको हमारे हिन्दी कविताके दीवार पर भी मिलेगा। |
| পরিবর্তনের পরে কে কোথায় দাঁড়িয়ে শাসকদলের জেল-ভরো আন্দোলন তোদের নিয়ে আর পারিনা ছাড়িয়ে গেছিস সব সীমানা তোলাবাজিও করতে শিখিস নি?! যা ইচ্ছা করিস তোরা ইচ্ছা মতো খাওয়া পড়া ওরে বাবা! ভিখিরীদের তোলাও ছাড়িস নি! হাসিনাদির কে যেন হয়! হাসপাতালে, তোলার ঠ্যালায়! শুনিয়ে দিলো ফোনে দুচার কথা! বাধ্য হয়ে জেল-হাজতে হচ্ছে ভরতে তোদের, যাতে কয়েকটা দিন ঠাণ্ডা থাকে মাথা! অপেক্ষা কর আগামী ভোট এলেই আবার পাকাবি ঘোঁট ভোটটা কিন্তু চাই রে আগের মতোই! মা-মানুষে রাখবি ত্রাসে দেখবি যেন ভোটটা আসে তদ্দিন, জেলেরই ভাত খা রে দু-মুঠো! দুষ্টকবির চুলকে টাক! এমন “জেল-ভরোর ডাক”! তোলাবাজ প্রায় সবই শাসক-ঘেঁষা! তোলাবাজদের ধরতে গেলেই উপচে পড়বে সকল জেলই ঠগ বাছতে উজার হবে গাঁ! . ************* কলকাতা ২০.৭.২০১৬ |
