কবি বাদল সরকারের কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
কবি বাদল সরকারের পরিচিতির পাতায় . . .
.
১।
২।
৩।
৪।
৫।
৬।
৭।
৮।
৯।
১০।
১১।
১২।
১৩।
১৪।
১৫।
১৬।
১৭।
১৮।
১৯।
২০।
২১।
২২।
২৩।
২৪।
২৫।
২৬।
২৭।
২৮।
২৯।
৩০।
৩১।
৩২।
৩৩।
৩৪।
৩৫।
৩৬।
৩৭।
৩৮।
৩৯।
৪০।
৪১।
.
লক্ষ্মীছাড়ার পাঁচালী
(সম্পূর্ণ কাব্যনাটিকা)
নেশা
(কবির “নানামুখ” গ্রন্থের কবিতা)
তারার আলো
(কবির “নানামুখ” গ্রন্থের কবিতা)
মাটিতে
(কবির “নানামুখ” গ্রন্থের কবিতা)
এক---দুই---তিন
(“এবং ইন্দ্রজিৎ”)
দিকে দিকে ঐতিহাসিক পাথুরে নয়ন মেলা
(“এবং ইন্দ্রজিৎ”)
নাগরদোলার আবর্ত-ছাঁদে গড়া
(“এবং ইন্দ্রজিৎ”)
এই পেয়ে গেছি! সব্বাই করছে
(“এবং ইন্দ্রজিৎ”)
মৃত্তিকা সমুদ্রে শেষ
(“এবং ইন্দ্রজিৎ”)
আমি ক্লান্ত। বৃথা প্রশ্ন থাক
(“এবং ইন্দ্রজিৎ”)
তথাপি নিষ্কৃতি নেই
(“এবং ইন্দ্রজিৎ”)
আজো তাই এ পথের শেষ নাহি পাই
(“এবং ইন্দ্রজিৎ”)
আমি বসে বসে ভাবি
(“এবং ইন্দ্রজিৎ”)
সা-----রা-----রা-----ত্তি-----র
(“সারারাত্তির”)
সারারাতির খোলা দুই চোখে
(“সারারাত্তির”)
তোমাকে স্বপ্ন দেখেছি
(“সারারাত্তির”)
মন বসে তবু আবার আবার
(“সারারাত্তির”)
যা হবার হোক। সারারাত্তির
(“সারারাত্তির”)
চারুশীলা মহিলা ও বিচক্ষণ মহোদয়গণ
(“যদি আর একবার”)
রাতের পৃথিবী রাতের আকাশ রাতের চাঁদ
(“যদি আর একবার”)
মহামতি রতিকান্ত, ব্রিজলাল এবং সঞ্জয়
(“যদি আর একবার”)
নাড়ির বন্ধন
(“শেষ নেই”)
বদ্ধ জল। গভীরের অন্তরালে
(“শেষ নেই”)
পা ডুবিয়ে পা ডুবিয়ে পাথরে পাথরে চলে গেছি
(“শেষ নেই”)
আমি যেতে চাই যাওয়া ছাড়িয়ে
(“শেষ নেই”)
কল্যানীয়াসু
(“শেষ নেই”)
কোমল মসৃণ গাত্রচর্ম
(“কবি কাহিনী”)
ফুলদানি
(“কবি কাহিনী”)
সা রে গা মা পা ধা নি সা
(“আবু হোসেন”)
হরদম চালাতে পারো পরোয়া কারো নাই রে
(“আবু হোসেন”)
সা রে গামা পাপাপাপা
(“আবু হোসেন”)
সরল প্রাণে মোর ব্যথা লেগেছে
(“আবু হোসেন”)
বাদশার বিচার চিনে রেখো বাপু হে
(“আবু হোসেন”)
হেথা কী রঙ্গে রঙ্গিনী
(“আবু হোসেন”)
কোথায় গেলে আমায় ফেলে
(“আবু হোসেন”)
কৌতুকপুর্ণ গীতিনাট্য আবু হোসেন শেষ হোলো
(“আবু হোসেন”)
পাঁচমিশালি মশলা-ঠাসা আমাদের এই জগৎ খাসা
(“মিছিল”)
পুরাণ পুরোনো কথা তবু সে নতুন
(“উদ্যোগপর্ব”)
এই তোর মহাভারত?
(“উদ্যোগপর্ব”)
রথে রথে যুদ্ধ হইল অশ্বে আসোয়ার
(“উদ্যোগপর্ব”)
চলো চলো যুদ্ধে চলো হুকুম এসেছে
(“গণ্ডী”)
মিলনসাগর