কবি প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের গান ও কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
আমি বাংলায় গান গাই              
ডিঙা ভাসাও     
চ্যাপলিন   
কৃষি মোদের ভিত্তি এবং শিল্প মোদের ভবিষ্যত্ (সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কবিতা)   
আগে বলতাম (সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কবিতা)   
বৃহত্তর স্বার্থে (সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কবিতা)   
লগ্নি হবে? যাবেন কোথায়? (সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কবিতা)   
স্বদেশ এখন (সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কবিতা)      
শুভকর্ম (সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের কবিতা)       
পেতেছিলাম জবর ফাঁদ (২৮.৫.২০১০ এর জ্ঞানেশ্বরী রেল দুর্ঘটনার পর লেখা)               

অন্যান্য গণসঙ্গীত             
আকাশে লাল সূর্য ওঠে, সে-ও ত অস্ত যায়        
আমরা চূর্ণ করেছি পাহাড়     
আমরা মেশিন চালাই      
আমাদের বিপ্লবী কাজে নেতৃত্বের কেন্দ্রশক্তি বল কি        
আমি কি গান গাব যে ভাবে না পাই      
আমি শুনেছি তোমার ড্রামের শব্দ, ফিরে এসো আফ্রিকা        
আয় কালবৈশাখী হাওয়া, উড়িয়ে নে      
আর কেঁদোনা, মা, আমায় যেতে দাও       
আরব্য রজনীর কথা নয়রে এটা ভাই        
আসে বিপ্লবের আহ্বান জাগে লাঞ্ছিত সর্বহারা       
এই তপ্ত অশ্রু দিক শক্তি       
এক হও এক হও        
এশিয়াড---’৮২      
ওভাবে নয় এভাবে চলো     
কি এমন কাজ আর করেছে শঙ্কর         
খাওয়া-পরা-থাকার গান       
ঘর পুড়েছে সব গিয়েছে বলেন তো যাই কোথা?      
চুপ চুপ চুপ      
জয় যম জয় যম      
ঝিরঝিরে বৃষ্টিধারা আষাঢ়ের একদিনে      
তরীতে নির্ভর কর্ণধার     
দেশে নববিধান---     
পথের ধারে খোকা ঘুমায়, ঘুমায় খোকা ঘুমায় রে       
পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম পিতাহি পরমস্তপঃ     
বড় সুখবর শুনিলাম বাঘা জোতদার মরিল নাকি      
মায়ের জাত বোনের জাত      
যেখানেই জনগণ সংগ্রামরত     
লং মার্চের গান হয়ে ওঠার গান      
লাল পার্টির যত বীর কমরেড        
সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই      
সুর দিগন্ত আলো করে সূর্য ওঠে       
হাওয়ার হাত মরা ডালে      
হেমাঙ্গ বিশ্বাসের প্রয়াণে       



মিলনসাগর      
১।
২।
৩।
৪।
৫।
৬।
৭।
৮।
৯।
১০।


১১।
১২।
১৩।
১৪।
১৫।
১৬।
১৭।
১৮।
১৯।
২০।
২১।
২২।
২৩।
২৪।
২৫।
২৬।
২৭।
২৮।
২৯।
৩০।
৩১।
৩২।
৩৩।
৩৪।
৩৫।
৩৬।
৩৭।
৩৮।
৩৯।
৪০।
৪১।
৪২।
৪৩।