মুক্তিযুদ্ধের তথ্য-ভিডিওর দেয়ালিকা
|
|
|
এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে ও কবিতাগুলি উপর-নীচ স্ক্রল করে! This page scrolls sideways < Left - Right >. Poems scroll ^ Up - Down v.
|
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
ভয়েস ওভার স্ক্রিপ্ট - ইফতেকার মুনিম।
ভাষ্যপাঠ - সাদাত হোসেন বাবুল ইমতিয়াজ।
পরিকল্পনা ও ভাবনা - হর জুয়েল।
গবেষণা, নির্দেশনা, নির্মাণ ও সম্পাদনা - ওয়াহিদুর
রহমান খন্দকার ছোটন।
সহ-পরিচালক - দেবলীনা মজুমদার।
প্রযোজনা - রেয়াজ আহমেদ খান।
এই তথ্যচিত্রটিতে মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার
কেন্দ্রের কন্ঠযোদ্ধাদের সাক্ষাৎকার স্মৃতিচারণা রয়েছে।
তথ্যচিত্র : শব্দের যুদ্ধযাত্রা ( "The Sounds of War" ) [১ ঘন্টা ৬ মিনিট] - 'স্বাধীন বাংলা বেতার
কেন্দ্র'-র ইতিহাস নিয়ে নির্মিত একটি মূল্যবান তথ্যচিত্র। ভিডিওটি সৌজন্যে Tarak KB YouTube Channel.
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
তথ্যচিত্র : দুর্বার-গতি পদ্মা - ১৯৭১-এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে
'ট্রায়ো ফিল্মস'-এর নির্মিত ঋত্বিক ঘটকের তথ্যচিত্র : ‘দুর্বার-গতি পদ্মা’। কাহিনি,
চিত্রনাট্য, সংগীত ও পরিচালনা : ঋত্বিক ঘটক। প্রযোজনা: বিশ্বজিৎ। অভিনয়ে ছিলেন
বিশ্বজিৎ, নার্গিস দত্ত প্রমুখ। ভিডিওটি সৌজন্যে GaroHill Cine-Theatre YouTube
Channel.
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
যুদ্ধের শেষ দিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান। আর্থিক
পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তিনি ডকুমেন্টারি তৈরি করতে
পারেননি। দীর্ঘ দুই দশক পর ১৯৯০ সালে তারেক মাসুদ ও
ক্যাথরিন মাসুদ নিউইয়র্কে লেভিনের কাছ থেকে এই ফুটেজ
সংগ্রহ করেন। এ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য
তাঁরা আরো বিভিন্ন উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা সংরক্ষিত
উপাদান সংগ্রহ করেন, বিশ বছর আগের সেই শিল্পীদের সাথে
যোগাযোগ করেন। লেভিনের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফুটেজের সাথে
সংগৃহীত অন্যান্য উপাদান যোগ করে ছবিটি নির্মিত হয়।
বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্পী 'মুক্তির গান'-এ কণ্ঠ দিয়েছিলেন।
কণ্ঠশিল্পীরা ছিলেন বিপুল ভট্টাচার্য, দেবব্রত চৌধুরী, দুলাল চন্দ্র
শীল, নায়লা খান, লতা চৌধুরী, লুবনা মরিয়ম, মাহমুদুর
রহমান বেনু, শাহীন সামাদ, শারমিন মুর্শিদ, স্বপন চৌধুরী,
এবং তারিক আলী। ছবিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.)
গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী, আমিনুল হক চৌধুরী প্রমুখ এবং নাম না
জানা আরো অনেক মুক্তিযোদ্ধারা অংশগ্রহণ করেন। ছবিটি
শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে 'দক্ষিণ এশিয়া চলচ্চিত্র
পুরস্কার', ও 'জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার', ১৯৯৫ (বাংলাদেশ)-এ
সম্মানিত হয়েছিল। ভিডিওটি সৌজন্যে S.I. Raju YouTube
Channel.
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
তথ্যচিত্র : মুক্তির গান - ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'মুক্তির গান' তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত বাংলাদেশের
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি বহুল প্রশংসিত প্রামাণ্য তথ্যচিত্র। দৈর্ঘ্য: ১ ঘন্টা ২০ মিনিট এই প্রামাণ্যচিত্রটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে
পুরস্কৃত ও প্রশংসিত হয়। মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি ডকুমেন্টারি
নির্মাণের অভিপ্রায়ে এদেশের একদল সাংস্কৃতিক কর্মীর সঙ্গ নেন। বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা নামের দলের এই সদস্যরা
বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী গান শুনিয়ে উজ্জীবিত করতেন। এই শিল্পীদের সাথে
থেকে লেভিন প্রায় ২০ ঘণ্টার ফুটেজ সংগ্রহ করেন। ভিডিওটি সৌজন্যে S.I. Raju YouTube Channel.
১৯৯৬ সাল থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত একদল তরুণ-তরুণী
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রত্যন্ত গ্রামগুলি ঘুরে ঘুরে
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রামাণ্য তথ্যচিত্র 'মুক্তির গান'
(১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি) দেখাতে শুরু করেন। প্রদর্শনী
শেষে গ্রামবাসীরা প্রজেকশনিস্ট দলের কাছে তাঁদের নিজস্ব
অভিজ্ঞতা আর অভিযোগের কথা বলতে শুরু করেন। কখনও
কখনও প্রদর্শনী হয়ে ওঠে মুক্তিযুদ্ধের লোকগানের আসর।
শহরের তরুণ প্রজেকশনিস্ট দল উপলব্ধি করেন যে, গ্রামের
মানুষের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা পৌঁছাতে এসে
তাঁদের কাছ থেকেই মুক্তিযুদ্ধের বৃহত্তর ইতিহাস জানতে
পেরেছেন। ২০১২ সালের ২৫ মার্চ 'লেজার ভিশন' থেকে
'মুক্তির কথা' চলচ্চিত্রের ডিভিডিটি মুক্তি পায়। এটিকে
বাংলাদেশের প্রথম ডিভিডি বলে উল্লেখ করা হয়। ভিডিওটি
সৌজন্যে Tareque Masud Memorial Trust YouTube Channel.
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
তথ্যচিত্র : মুক্তির কথা - 'মুক্তির কথা' (Songs of Freedom) -- পরিচালনা: তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ। ১৯৯৯
সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি নাট্য চলচ্চিত্র। এই ছবিটিতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সাধারণ মানুষের সংগ্রামের
কাহিনি বিবৃত হয়েছে। ছবিটিতে সাধারণ জনগণ কীভাবে পৈশাচিক গণহত্যা, ধর্ষণ ও বর্বরতার শিকার হয়েছে তার উল্লেখ রয়েছে।
প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনো মানুষ তেমনি সংগ্রামের মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করছে। চলচ্চিত্রের কিছু ফুটেজ মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা
লেয়ার লেভিন-এর থেকে নেওয়া হয়েছে। ভিডিওটি সৌজন্যে Tareque Masud Memorial Trust YouTube Channel.
বাংলাদেশের 'নিউজ টোয়েন্টিফোর' (NEWS24) টিভি
চ্যানেলের উদ্যোগে আয়োজিত এবং ২০১৭ সালের ১৫
ডিসেম্বরে সম্প্রচারিত বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানে 'স্বাধীন বাংলা
বেতার কেন্দ্রে'র তিনজন বিশিষ্ট কণ্ঠযোদ্ধা ইন্দ্রমোহন
রাজবংশী, রথীন্দ্রনাথ রায় ও তিমির নন্দীর কণ্ঠে মুক্তিযুদ্ধের
গান ও স্মৃতিচারণা। সঞ্চালক: সৌমিত্র শেখর। (সময় দৈর্ঘ্য: ১
ঘন্টা ৩২ মিনিট)।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গভীর বেদনার সাথে জানাই ২০২১ সালের ৭
এপ্রিল কণ্ঠযোদ্ধা ইন্দ্রমোহন রাজবংশীর জীবনাবসান হয়েছে।
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের লোকপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে বিশেষ টিভি অনুষ্ঠান
-- প্রথম পর্ব ১৫ই ডিসেম্বর ২০১৭ (সৌজন্যে: 'নিউজ টোয়েন্টিফোর')। ভিডিওটি সৌজন্যে NEWS24 YouTube Channel.
বাংলাদেশের 'নিউজ টোয়েন্টিফোর' (NEWS24) টিভি
চ্যানেলের উদ্যোগে আয়োজিত এবং ২০১৭ সালের ১৬
ডিসেম্বরে সম্প্রচারিত বিশেষ সংগীতানুষ্ঠানে 'স্বাধীন বাংলা
বেতার কেন্দ্রে'র দু'জন বিশিষ্ট কণ্ঠযোদ্ধা শাহীন সামাদ ও
রফিকুল আলমের কণ্ঠে মুক্তিযুদ্ধের গান ও স্মৃতিচারণা।
সঞ্চালক: সৌমিত্র শেখর। (সময় দৈর্ঘ্য: ১ ঘন্টা ২৬ মিনিট)।
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের লোকপ্রিয় শিল্পীদের নিয়ে বিশেষ টিভি
অনুষ্ঠান -- দ্বিতীয় পর্ব ১৬ই ডিসেম্বর ২০১৭ (সৌজন্যে: 'নিউজ টোয়েন্টিফোর')। ভিডিওটি সৌজন্যে NEWS24 YouTube
Channel.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় স্নাতকে (সম্মান) অধ্যয়নকালে একাত্তর
সালে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন তিনি। ১৯৭২ সালে সাংবাদিক হিসেবে
যোগ দেন 'সাপ্তাহিক বিচিত্রা'য় এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে গঠিত
গণ-আদালতের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার পর
১৯৯২ সালে তৎকালীন সরকার কর্তৃক পদচ্যুত হওয়ার আগে পর্যন্ত
তিনি 'বিচিত্রা'র নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৫
সালে তিনি 'বাংলা অ্যাকাডেমি সাহিত্য পুরস্কার'-এ সম্মানিত হন।
তাঁর আরেকটি পরিচয় তিনি শহিদজননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে
গঠিত 'একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি'র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা
ও কার্যনির্বাহী সভাপতি। ১৯৯২ সালের জানুয়ারি মাসে ১০১ জন
ব্যক্তি মিলে 'একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠন' করেন।
এই কমিটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের
সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে একত্রে মিলে মানবতার বিরুদ্ধে
অপরাধকারী ব্যক্তিদের বিচারের আহ্বান জানায়। মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি
বন্ধুদের সম্মাননা প্রদানের জন্য যে জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়,
শাহরিয়ার কবির তারও অন্যতম সদস্য।
ভিডিওটি সৌজন্যে Nirmul Committee Documentary YouTube
Channel.
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
তথ্যচিত্র : মুক্তিযুদ্ধের গান ('Songs of Freedom Struggle') - নির্দেশক ও নির্মাতা: শাহরিয়ার কবির। ১ ঘন্টা ২৯ মিনিটের
তথ্যচিত্রটির ভিডিওটি সৌজন্যে Nirmul Committee Documentary YouTube Channel.
ছবিটির পরিচালক শাহরিয়ার কবির (জন্ম: ২০ নভেম্বর ১৯৫০) বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য লেখক, সাংবাদিক ও তথ্যচিত্র নির্মাতা। তিনি
মানবাধিকার, সাম্যবাদ, মৌলবাদ, ইতিহাস এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ৭০টিরও বেশি বই লিখেছেন।তিনি ‘মুক্তিযুদ্ধের
গান’ ও ‘দুঃসময়ের বন্ধু’ নামে দুটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেন।
অংশগ্রহণে ১৯৭১ সালের 'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে'র
কণ্ঠসৈনিক শাহীন সামাদ, রফিকুল আলম, বেগম ডালিয়া
নওশিন, বুলবুল মহলানবীশ, মাহমুদুর রহমান বেণু, বিশিষ্ট
নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য গবেষক লুবনা মরিয়ম, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী
আবিদা সুলতানা এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের
‘অল ইন্ডিয়া রেডিও (আকাশবাণী)’-র প্রথিতযশা সাংবাদিক,
আন্তর্জাতিক মিডিয়া-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব (কলকাতা দুরদর্শন
কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক), কবি ও লেখক পঙ্কজ সাহা।
ভিডিওটি সৌজন্যে Pankaj Saha Official YouTube Channel.
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বিশেষ সাংস্কৃতিক
আয়োজন ‘মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু’ - মুক্তিযুদ্ধের গান ও স্মৃতিচারণা -- প্রথম পর্ব ২৮ নভেম্বর,
২০২১। ভিডিওটি সৌজন্যে Pankaj Saha Official YouTube Channel.
অংশগ্রহণে ১৯৭১ সালের 'স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে'র
কণ্ঠসৈনিক শাহীন সামাদ, রফিকুল আলম, বেগম ডালিয়া
নওশিন, বুলবুল মহলানবীশ, মাহমুদুর রহমান বেণু, বিশিষ্ট
নৃত্যশিল্পী ও নৃত্য গবেষক লুবনা মরিয়ম, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী
আবিদা সুলতানা এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের
‘অল ইন্ডিয়া রেডিও (আকাশবাণী)’-র প্রথিতযশা সাংবাদিক,
আন্তর্জাতিক মিডিয়া-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব (কলকাতা দুরদর্শন
কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক), কবি ও লেখক পঙ্কজ সাহা।
ভিডিওটি সৌজন্যে Pankaj Saha Official YouTube Channel.
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে বিশেষ সাংস্কৃতিক
আয়োজন ‘মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু’ - মুক্তিযুদ্ধের গান ও স্মৃতিচারণা -- দ্বিতীয় পর্ব ২৮ নভেম্বর,
২০২১। ভিডিওটি সৌজন্যে Pankaj Saha Official YouTube Channel.
পাঠকদের জানাচ্ছি যে এই ভাষণটি কোনোও ভিডিও ইউটিউব চ্যানেলে
সম্পূর্ণরূপে পাওয়া যায়নি। নামে “পূর্ণাঙ্গ ভাষণ” লেখা থাকলেও তা বহুল
সম্পাদিত, কাটছাট করা। এমন কি অতি নির্ভযোগ্য সূত্র থেকে আপলোড
করা ভিডিওতেও পুরো ভাষণটি, এখনও আমরা পাই নি। বিভিন্ন
ওয়েবসাইট ও ব্লগে, ভাষণের লিখিত রূপগুলিতেও এত সম্পাদনা করা
হয়েছে যে তা আর বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের, একটি অলিখিত সরাসরি
দেওয়া (extemporate) ভাষণ আর বলা চলে না। তাই ভাষণটি আমরা
ইনটারনেটে প্রাপ্ত বিভিন্ন ভিডিও থেকে শুনে শুনে লিখেছি। বানানের
দিকে বিশেষ লক্ষ্য রাখা হয়েছে যাতে বঙ্গবন্ধুর ভাষা ও উচ্চারণ সুরক্ষিত
রাখা হয়। তিনি যে মাটির কাছাকাছি বিরাজ করতেন তা তাঁর ভাষণের
ভাষা ও উচ্চারণ থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায়। যে কথাগুলি ভিডিওর
সম্পাদনার জন্য বোঝা যাচ্ছে না সেই সেই সম্পাদিত অন্য রঙে লেখা
স্থানে, আমরা বন্ধনীর মধ্যে কিছু টীকা-টিপ্পনী করেছি পাঠকের সুবিধার
জন্য। ভাষণটির লিখিত রূপ পড়তে এখানে ক্লিক করুন . . .।
আমরা মানছি যে এই ভাষণটি শেষ হবার পর থেকেই বাংলাদেশে
মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ এত মারাত্মকভাবে উত্তপ্ত ও অনিশ্চিত হয়ে
পড়েছিল যে এই ভিডিওটা (ফিল্মটা) যে পুরোপুরি ধ্বংস বা নষ্ট হয়ে
যায়নি, সেটাই বড় কথা। যাঁরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তা রক্ষা করেছিলেন
তাঁদের আমরা জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম ও কৃতজ্ঞতা।
১। ভিডিও সৌজন্যে Jabed Haidar Jeorje জাবেদ হায়দার জর্জ
YouTube Channel. ।
তথ্যচিত্র - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রমনায়, রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের
ভাষণকে কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেছেন "অমর কবিতা"। তিনি তাঁর "স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো" কবিতাটি রচনা করেছেন
বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণকে কেন্দ্র করেই। মিলনসাগরে আমরাও কবি নির্মলেন্দু গুণের সঙ্গে পরিপূর্ণ সহমত পোষণ করে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণটি
একটি কবিতার রূপে উপস্থাপন করেছি এই সংকলনের কবিতার পাতায়। সেই পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন . . .। ৭ই মার্চ ১৯৭১ এর
এই ভাষণটিকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। ভাষণটিকে “মেমরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে” (এম.
ও.ডাব্লিউ.) তালিকাভুক্তও করা হয়েছে।
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
<< এপার বাংলার কলকাতায়, ভারতমাতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তির সামনে, ভারতবর্ষের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। >> ঢাকায় ২৫ বছরের মৈত্রী চুক্তি সাক্ষর >>
দিল্লীর গেটওয়ে অফ ইণ্ডিয়াতে, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া ভারতীয় সেনার স্মৃতিতে বিগত ৫০ বছর যাবৎ প্রজ্বলিত "অমর জওয়ান জ্যোতি" নামক অনির্বাণ অগ্নিশিখাকে নিভিয়ে দিয়ে, আমাদের ইতিহাস থেকে, মুক্তিযূদ্ধের কালে, ভারত ও বাংলাদেশের মৈত্রী, সহযোগিতা ও ভারতীয় সেনার আত্মবলিদান এবং ইন্দিরা গান্ধীর অবিস্মরণীয় অবদান মুছে ফেলার বর্তমান ভারতের ক্ষমতাসীন সরকারের আপ্রাণ চেষ্টার প্রতিবাদে আমরা এই ছবিটি এখানে তুলে দিলাম।
মোদী সরকার বলছেন যে তাঁরা নাকি ওই অনির্বাণ অগ্নিশিখাটিকে অন্যত্র নিয়ে গিয়ে অন্যান্য সেনাদের সৌধের অগ্নিশিখার সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছেন। যা আমরা হাস্যকর মনে করি।
দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সারা ভারত তথা এপার বাংলায়, দেশের শাসকদলের ছড়ানো বিদ্বেষ-বিষে বুঁদ হয়ে থাকা নাগরিক সমাজ ও বিরোধী দলগুলি থেকে এই সিদ্ধান্তের কোনো জোরালো প্রতিবাদ চোখে পড়ে নি।
|
১১:৫৩ মিনিটের ঐতিহাসির ৭ই মার্চের ভাষণের তথ্যচিত্রের ভিডিও
|
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রথম কন্ঠ শিল্পী শাহ্ আলী সরকার
দ্বিতীয় পর্ব ২৮ নভেম্বর, ২০২১। বাংলাদেশের একটি টিভি চ্যানেলের একটি প্রতিবেদন, ভিডিওটি সৌজন্যে
Ekattor Sirajganj YouTube Channel. । "আরেও বাঙ্গালীরে/ দুশমনেরে দেশে রাইখো না" গানটির গীতিকার ও
সুরকার শাহ আলী সরকার। তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রথম কণ্ঠশিল্পী।
কবির রচিত ও পরিবেশিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের (২৬ মে ১৯৭১) প্রথম গান ছিল -- 'তোরা
কোথায় রে বাংলা ভাষী/ মুক্তিযুদ্ধে চলো যাই'। তথ্যসূত্র - - সেবাহটনিউজ.অর্গ)।
The Concert for Bangladesh, 1st August, 1971
George Harrison with Pandit Ravi Shankar staged two concerts at New York’s
Madison Square Garden on 1st Aug 1971, that brought together a star-studded cast of
musicians like Bob Dylan, Eric Clapton, Ringo Starr, Leon Russel, Billy Preston,
Ustad Allarakha, Ustad Ali Akbar Khan, and others to alert the world of the plight of the
Bangladeshi people, victims of simultaneous floods, famine and liberation war. Harrison's
inspiration for the song came from his friend Ravi Shankar, a Bengali musician, who
approached Harrison for help in trying to alleviate the suffering. "Bangla Desh" has been
described as "one of the most cogent social statements in music history" and helped gain
international support for Bangladeshi independence by establishing the name of the
fledgling nation around the world. The VDO, courtesy of The Beatles YouTube Channel.
The background photograph is a darkened collage of famous photos of the Bangladesh War of Liberation or Mukti Juddho, of brave men and women of Bangladesh alongside the photos of the Indian Soldiers whose selfless sacrifice and martyrdom should never be forgotten. This page is the outcome of the research work carried out by Poet Rajesh Datta.
|
|
|
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সংকলক, কবি গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর কী সম্পর্ক?
|
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে মিলনসাগর.কম এর পরিচালক মিলন সেনগুপ্তর কী সম্পর্ক?
|
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সংকলক, কবি গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর কী সম্পর্ক?
|
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে মিলনসাগর.কম এর পরিচালক মিলন সেনগুপ্তর কী সম্পর্ক?
|
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে ঐতিহাসিক 'ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী'
তথা দুই বাংলার মানুষের কণ্ঠে ধ্বনিত 'জয় বাংলা' সত্যি
অসাধারণ এক ক্ষণের ছবি। ফিল্মস ডিভিশনের নির্মিত
তথ্যচিত্র সঙ্গে শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী। ১৯৭২
ভিডিওটি সৌজন্যে Films Division Facebook Channel.
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
"He is Back" --- এস. এন. এস শাস্ত্রীর পরিচালিত 'ফিল্মস ডিভিশন' নির্মিত এই তথ্যচিত্রটি ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়। বঙ্গবন্ধুর পাকিস্তান
থেকে ছাড়া পেয়ে, ইংল্যাণ্ড হয়ে ভারতে শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ, জনতাকে ভাষণ, ঢাকায় ফিরে যাওয়া, সেখানে জনসভা, পুনর্মিলন ও
ভারতে কলকাতায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউণ্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বিশাল জনসভায় ভাষণ। ১৯৭২ সালের ডকুমেন্টারি ছবিটির নাম ছিল --- "He is Back"।
কেবল কলভাতার ব্রিগেডে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ, পরের ভিডিওতে >>>>
এই ভিডিওটি সৌজন্যে Films Division Facebook Channel.
সমাবেশে দশ লক্ষাধিক লোকের সমাবেশ হয়েছিল, ব্রিগেড
ময়দানের এই জনসভাকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড়
জনসমাবেশ বলে আখ্যায়িত করা হয়। সঙ্গে শ্রীমতী ইন্দিরা
গান্ধী। ৬ই ফেব্রুয়ারি,১৯৭২
ভিডিওটি সৌজন্যে মুজিবুল হক মুজিব Facebook Channel.
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কিছু বিখ্যাত ছবির কৃষ্ণকায় করা কোলাজ! রয়েছে বাংলাদেশের বীর নারী ও পুরুষ স্বাধীনতা সৈনিকদের ছবির পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ছবিও, যাঁদের নিঃস্বার্থ আত্মবলিদানের কথা কখনোই ভুলবার নয়। এই পাতার গান কবিতা ও তথ্য, কবি-গণসঙ্গীতকার রাজেশ দত্তর গবেষণালব্ধ সংগ্রহ।
|
|
|
ভারতের কোলকাতা ব্রিগ্রেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ সমাবেশে বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের দুর্লভ ভিডিওর অংশবিশেষ।
-- ৬ই ফেব্রুয়ারি,১৯৭২ । ভিডিওটি সৌজন্যে মুজিবুল হক মুজিব Facebook Channel.