কবি গোবিন্দ দাসের করচার বৈষ্ণব পদাবলী যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
|
গোবিন্দ দাসের করচার পদাবলীর অংশ . . .
বর্দ্ধমান কাঞ্চননগরে মোর ধাম কবি গোবিন্দ কর্মকারের পরিচয় ও গৃহত্যাগের কারণ...
ক্রমে পহুচিনু আমি কাটোয়ার ধাম স্নানের ঘাটে সপার্শদ শ্রীচৈতন্যের দেখা ও আশ্রয় লাভ...
গঙ্গার উপরে বাড়ী অতি মনোহর শ্রীচৈতন্যের গৃহ, নিত্যানন্দ, শচীদেবী, বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী...
পৌষমাস সংক্রান্তি সন্ধ্যার সময়ে শ্রীচৈতন্যের সন্ন্যাসের জন্য গৃহত্যাগ
এইরূপে দিন রাত্রি অতীত হইলা কণ্টকনগরে পৌঁছে একদিন পরে কেশ মুণ্ডন, সন্ন্যাসগ্রহণ...
তারপর পূর্ব্বদিকে চলে আবেশেতে শচীমাতার সঙ্গে দেখা ক’রে পথে বর্দ্ধমানে গিয়েও কবির ঘরে না ফেরা...
পরদিন বেতরণী নদী তীরে গিয়া শ্রীচৈতন্যের প্রথমবার পুরীতে আগমন, দক্ষিণ যাত্রায় কেবল গোবিন্দ...
ক্রমে ক্রমে আলাল নাথের শ্রীমন্দিরে সার্বভৌম ভট্টাচার্য্যে, গোদাবরী তীরে রায় রামানন্দের সঙ্গে দেখা...
বহুবৌদ্ধ বাস করে ত্রিমন্দ নগরে ত্রিমন্দ নগরে বৌদ্ধ রামগিরি রায়, তুঙ্গভদ্রাবাসী ঢুণ্ঢিরামে ভক্তি বিতরণ...
অক্ষয় নামেতে বট বহু দূরে ছিল পন্থ-গুহা যাত্রা, বেশ্যা সত্য বাই, লক্ষ্মী বাই ও ধনী তীর্থরামের উদ্ধার...
দেখিয়া দেবলেশ্বর প্রভু গুণমণি জিজুরী নগরীতে মুরারি নামের দেবদাসীদের ও বেশ্যাদের উদ্ধার...
এমন দয়াল প্রভু কভু দেখি নাই চোরানন্দী বনে নারোজী নামের মহা বলবান দস্যুকে উদ্ধার...
পশ্চিমেতে প্রভাতে উঠিয়া চলে যাই আমোদাবাদে সন্ন্যাসীর সঙ্গে ভাগবত আলোচনা, করচা রচনা সঙ্গোপনে...
কিছু দূর গিয়া দেখি নদী শুভ্রামতী সাবরমতী তীরে শ্রীচৈতন্য, বারমুখী বেশ্যা উদ্ধার, টীকায় ভক্তমালের তুলনা...
সোমনাথ দেখিবারে চলিল ধাইয়া শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সোমনাথ দর্শন...
মাঘের তৃতীয় দিনে মোর গোরা রায় তীর্থ-ভ্রমণ সেরে শ্রীচৈতন্যের পুরীতে প্রবেশ, মন্দিরে জগন্নাথ দর্শন,
সার্বভৌমের সঙ্গে কথোপকথন, কাশীমিত্রের গৃহে বাস, ভক্তের আগমন, শ্রীচৈতন্য নগরকীর্তনে, পিছু পিছু মহারাজ
দীনবেশে, একদিন গোবিন্দকে ডেকে একটি পত্র দিয়ে আচার্য্যের (অদ্বৈতাচার্য্য) কাছে প্রেরণ। এখানেই গোবিন্দদাসের
করচা শেষ হয়, খণ্ডিত পুথি।
মিলনসাগর
. ১। ২। ৩। ৪। ৫। ৬। ৭। ৮। ৯। ১০। ১১। ১২। ১৩। ১৪। ১৫। ১৬।
|
( - ) সূচীতে দেওয়া পদের পাশের বন্ধনীতে - সেই পদটির বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে প্রাপ্ত প্রকাশিত রূপের সংখ্যা।
# একই পদের একাধিক রুপের ভিন্ন প্রথম পংক্তি।