আমি মানুষ হ্যাঁ হ্যাঁ মানুষ কথা, সুর ও শিল্পী - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)। যন্ত্রানুষঙ্গ
পরিচালনা - মধু মুখোপাধ্যায়। কবিতাটি প্রকাশিত হয় দীপক মিত্র সম্পাদিত ও সংকলিত “আগুনের স্বরলিপি” গ্রন্থে। পশ্চিমবঙ্গ
গণসংস্কৃতি পরিষদের সৌজন্যে এই গানটি ১৯৯৫ সালে প্রবীর বলের “আমি মানুষ” ক্যাসেটে প্রকাশিত হয়, সামান্য পরিবর্তন করে।
কবি বিপুল চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে এই ক্যাসেটটি আমাদের দিয়েছেন। আমরা তাঁর কাছে এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম।
নীচে গানের কথা। ভিডিওটি সৌজন্যে
MILANSAGARwebsite YouTube Channel.
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আমি মানুষ হ্যাঁ হ্যাঁ মানুষ
আমার নেই কোন জাত।

ওগো মানুষ শুধুই মানুষ
মানুষের নেই কোন জাত।
আমি মানুষ হ্যাঁ হ্যাঁ মানুষ
আমার নেই কোন জাত।

আমার স্বপ্ন লাল আগুন লাল
জীবন লাল রক্ত লাল        
লালে লাল আগুনে অগ্নিস্নাত আমি
ইস্পাত দৃঢ় মানুষ
.                আমি মানুষ . . .।

সৃষ্টির আদিতে প্রশ্ন তোল
জাত কোথা খুঁজে পাবে ?
তবে কেন জাত নিয়ে বেলেল্লাপনা আজ
.                মানুষের সহ্য হবে
তাই ওঠো জাগো মানুষ
আজ গাণ্ডীব টংকারে ছিন্ন করো
এই কালো মেঘ ঝড়ো হাওয়া
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
.
প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকা
এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে ও কবিতাগুলি উপর-নীচ স্ক্রল করে!
This page scrolls sideways < Left - Right >. Poems scroll ^ Up - Down v.
.            প্রতিবাদী
.        কবিতার
.    আগের
পাতায় যেতে
.    এখানে.
.
        ক্লিক
.               করুন
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার জেলের,
যা যে কোনো রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের উপরে চরম
নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতীক। আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মিলনসাগরের এই প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার কবিদের সাজানো
হয়েছে পাতার পর পাতা কালানুক্রমিকভাবে বাঁ থেকে ডান দিকে।
পাঠকের সুবিধার জন্য কবিদের সূচীটি বর্ণানুক্রমিক রাখা হয়েছে।
প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার সূচীতে যেতে >>>>>
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার প্রতিবাদী কবিরা ---
প্রবীর বল (১০)
অমল নায়েক (১)
অশোক দে (১)
সুমিতা চক্রবর্তী (৩)
সংযুক্তা বসু (১)
সুমিত কুমার দাম (২)
বিজয় মাহাতো (৭)
সুনীল মাহাতো (১)
লক্ষ্মণ রায় (১)
স্বপ্ন মধুকর (১)
জয় গোস্বামী (১১)
নীতীশ রায় (৭)
মানিক মাঝি (১)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
বিপুল চক্রবর্তী (২৩)
মৃদুল দাশগুপ্ত (৩)
গৌতম দত্ত (৩)
অনিতা অগ্নিহোত্রী (৪)
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১)
বাবলু গিরি (২)
অরুণ ভট্টাচার্য (৩)
ইরা ভঞ্জ (২)
দয়াময় ব্যানার্জী (১)
ইভা চক্রবর্তী (৩)
অঞ্জলি দাশ (১)
বীথি চট্টোপাধ্যায় (৩)
অনুরাধা মহাপাত্র (৬)
মিলনসাগরের প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার
আগের পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন . . .
আমি মানুষ হ্যাঁ হ্যাঁ মানুষ
আমার নেই কোন জাত।
ওগো মানুষ শুধুই মানুষ
মানুষের নেই কোন জাত।

চাইনা জ্যোত্স্নাহীন রাতের আকাশ
স্বজন হারানো শান্তি
জাতের নামে আজ হায়নার আনাগোনা
তোমার চোখে কি পড়েনি
তাই ওঠো জাগো মানুষ
আঘাতে আঘাতে আজ চুরমার করো
এই অপমান মানবতার।
.                আমি মানুষ . . .
হৃদয় আমার জুড়াস না কথা, সুর ও শিল্পী - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)। যন্ত্রানুষঙ্গ
পরিচালনা - মধু মুখোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সৌজন্যে এই গানটি ১৯৯৫ সালে প্রবীর বলের
“আমি মানুষ” ক্যাসেটে প্রকাশিত হয়। কবি বিপুল চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে এই ক্যাসেটটি আমাদের
দিয়েছেন। আমরা তাঁর কাছে এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম। নীচে গানের কথা। ভিডিওটি সৌজন্যে

MILANSAGARwebsite YouTube Channel
.
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
হৃদয় আমার জুড়াস না
যন্ত্রণা তুই মরিস না
স্বপ্নগুলো দোহাই তোদের
বুকের মাঝে দাপাস না॥

এই রাতেরই আঁধার মাঝে
সূর্যকিরণ লুকিয়ে আছে
এমনি করেই তারার ভিড়ে
বীরের হৃদয় লুকিয়ে আছে।
এমন সময় হৃদয়টা তুই
ভুলের মাঝে থাকিস না॥

কালবোশেখি ঝড় উঠেছে
মনের কোণের আঙিনাতে
হৃদয় যখন মাতছে আজি
দিনবদলের বেভোল খোঁজে
এমন সময় হৃদয়টা তুই
ফুলের সাজে সাজিস না॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই দেশে এই মাটির বুকে কথা, সুর ও শিল্পী - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)।
যন্ত্রানুষঙ্গ পরিচালনা - মধু মুখোপাধ্যায়। ১৯৯৫ সালে সাগরিকা থেকে, পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সৌজন্যে
প্রকাশিত “আমি মানুষ’ ক্যাসেটের গান। কবি বিপুল চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে এই ক্যাসেটটি
আমাদের দিয়েছেন। আমরা তাঁর কাছে এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম। ভিডিওটি সৌজন্যে
MILANSAGARwebsite
YouTube Channel.
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
এই দেশে এই মাটির বুকে
দূর পাহাড়ে ঘরের কাছে
রক্ত ঝরে মানুষ মরে
হাজার বছর এমনি করে
কাটলো সাথী এবার দাঁড়াও
আগুন জ্বেলে সর্বনাশে

পুড়ছে হৃদয় লোপাট হাওয়া
ধানের কাছে যায় না যাওয়া
হায়না এসে দিচ্ছে হানা
শূন্য খাঁ খাঁ জ্বলছে আবাদ
ঐ হাতে নাও হাসুই স্যাঙাৎ
ডাকছি তোমায় মেলাও দুহাত

এই দেশে এই মাটির বুকে . . .
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
আমরা জানি রক্ত নিতে
শহিদ হয়ে রক্ত দিতে
ফুল ফোটাবই আমরা আবার
আনব নদী গুঁড়িয়ে পাহাড়
তীরের ফলায় পালটে দেব
এই জীবনের যতই দিবা

এই দেশে এই মাটির বুকে . . .
বরফে বারুদ ঢেকো না কথা, সুর ও শিল্পী - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)। যন্ত্রানুষঙ্গ
পরিচালনা - মধু মুখোপাধ্যায়। ১৯৯৫ সালে সাগরিকা থেকে, পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সৌজন্যে প্রকাশিত
“আমি মানুষ’ ক্যাসেটের গান। কবি বিপুল চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে এই ক্যাসেটটি আমাদের দিয়েছেন।
আমরা তাঁর কাছে এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম। ভিডিওটি সৌজন্যে
MILANSAGARwebsite YouTube Channel.
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বরফে বারুদ ঢেকো না . . .

পারো যদি উস্ কে দিয়ে সাথী
আকাশ থেকে সূর্যকে নাও জিনে
স্বপ্ন মলিন কোরো না
বরফে বারুদ ঢেকো না . . .

উপোসি মন গুমরে কাঁদে শোনো
বসন্ত কি শোনায় না আর গান?
বুক আগুনে জ্বলতে শেখাও তারে
যেমন জ্বলে চোত-বোশেখে ধান
বরফে আগুন ঢেকো না . . .

রাত্রি যতই দুয়ারে দিক্ হানা
মনের লড়াই থামতে জানে না
খরস্রোতা উজান বাওয়া আবেগ
কালের কাছে হার তো মানে না
হতাশায় জীবন বেঁধো না
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
পারো যদি উস্ কে দিয়ে সাথী
আকাশ থেকে সূর্যকে নাও জিনে
স্বপ্ন মলিন কোরো না
বরফে বারুদ ঢেকো না . . .
আনত নয়নে কথা, সুর ও শিল্পী - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)। যন্ত্রানুষঙ্গ পরিচালনা - মধু মুখোপাধ্যায়।
১৯৯৫ সালে সাগরিকা থেকে, পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সৌজন্যে প্রকাশিত “আমি মানুষ’ ক্যাসেটের গান। কবি বিপুল
চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে এই ক্যাসেটটি আমাদের দিয়েছেন। আমরা তাঁর কাছে এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম। ভিডিওটি
সৌজন্যে
MILANSAGARwebsite YouTube Channel.

. . . মজুর কামাল, কতই বা বয়স হবে? বারো, কি তেরো। দেখা হয়েছিল বাস টারমিনাসে। শৈশবের টানে ঘুড়ির
পিছনে দৌড়ে যায় সে। পড়ে থাকে কাজ। কাজের ক্ষতিতে মালিক তাকে প্রচণ্ড মারে। রক্তাক্ত কামাল জামার
অস্তিনে রক্ত মুছতে মুছতে ক্ষোভে অপমানে ফুঁসছে। তাকে দেখে আমার হৃদয় মুচড়ে ওঠে। মনে হয় . . .
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আনত নয়নে
আমার সামনে এসে দাঁড়ায় মজুর কামাল
ও কি আমার ভাই নাকি আমার সন্তান
বয়েস বারো কি তেরো তার . . .

ফুলে ওঠা অধরে কাটা ফাটা ভাজে ওই
রক্তের দাগ গেছে শুকিয়ে
দিনের কাজের ফাঁকে নিষ্ঠুর শৈশব
মালিকের জাত দিল চিনিয়ে।

অশান্ত মন মাঝে লাঞ্ছনা অপমানে
ছল ছল্ আঁখি ভরা অভিমান
ও কি আমার ভাই নাকি আমার সন্তান
বয়েস বারো কি তেরো তার . . .

হয়তো বা ছেলেটার ঝাপসা ও দুচোখে
স্বপ্নে প্রতিশোধ গড়ে আজ
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
হঠাৎ ছিনায় @ আজও চায় শুধু প্রতিবাদ
থাক নয় প্রতিরোধ দূরে থাক্
ওল্টানো আস্তিনে ছিটেফোঁটা রক্তে
তাই নিয়ে মন করি তোলপাড়
ও কি আমার ভাই নাকি আমার সন্তান
বয়েস বারো কি তেরো তার . . .
আনত নয়নে
আমার সামনে এসে দাঁড়ায় মজুর কামাল
ও কি আমার ভাই নাকি আমার সন্তান
বয়েস বারো কি তেরো তার . . .
@ ছিনায় - হিন্দীতে "সিনা"। বাংলায় বহুল প্রচলিত শব্দ নয়। অর্থ - বুক বা বক্ষস্থল।
কোনখানে ওই কোনখানে কথা, সুর ও শিল্পী - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)। যন্ত্রানুষঙ্গ পরিচালনা -
মধু মুখোপাধ্যায়। ১৯৯৫ সালে সাগরিকা থেকে, পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সৌজন্যে প্রকাশিত “আমি মানুষ’ ক্যাসেটের গান
। কবি বিপুল চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে এই ক্যাসেটটি আমাদের দিয়েছেন। আমরা তাঁর কাছে এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম
। ভিডিওটি সৌজন্যে
MILANSAGARwebsite YouTube Channel.
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
.        কোনখানে ঐ  কোনখানে
.        জংলা  সুরে  মন টানে
ধিন্ তা  ধিতাং  মাদল   বাজায় বোল
দ্যাখ্, ধিন্ তা  ধিতাং  মাদল   বাজায় বোল
.        শাল পিয়ালের মাঝখানে
.        সূর্য বাড়ায় হাতখানি
লাল-রঙা ওই সূয্যি পরশ মন॥

.        রুখা-শুখা মাটির বুকে
হাজার মানুষ আকাশ ছোঁওয়া কঠিন শপথ তোলে।
.        সর্ষে ফুলের উছল ক্ষেতে
দমকা হওয়ায় উঠল তুফান দিন বদলে মেতে।
.        মাত না রে মন মাত না লো
.        দিন বদলে মাত না লো
লাল নিশানে হাত রাঙিয়ে তোল
দ্যাখ্, ধিন্ তা ধিতাং মাদল  বাজায় বোল॥

মোর মায়ের খুনে সোঁদা মাটি নতুন ফসল বোনে
মোর ভাইয়ের খুনে সোঁদা মাটি নতুন ফসল বোনে
তার ছোঁওয়াতে জাগছে লড়াই মনের ঈশান কোণে
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.        বুকে জ্বলে তুষের আগুন
.        আগুন রাঙা শপথ জাগে
.        দেশের গাঁয়ে-মাঠে॥

.        নাচ না রে মন নাচ না  লো
.        শেষ লড়াইয়ে  নাচনা  লো
.        দিন বদলে নাচ না লো
টাঙ্গি কুড়াল তোল হাতিয়ার তোল
দ্যাখ্, ধিন্ তা ধিতাং মাদল বাজায় বোল॥
প্রতিদিন বাঁচার এ লড়াই প্রতিদিন কথা, সুর ও শিল্পী - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)। যন্ত্রানুষঙ্গ
পরিচালনা - মধু মুখোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সৌজন্যে এই গানটি ১৯৯৫ সালে প্রবীর বলের “আমি মানুষ”
ক্যাসেটে প্রকাশিত হয়। কবি বিপুল চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে এই ক্যাসেটটি আমাদের দিয়েছেন। আমরা তাঁর কাছে
এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম। নীচে গানের কথা। ভিডিওটি সৌজন্যে
MILANSAGARwebsite YouTube Channel.

ছত্তিশগড়ের জননায়ক শঙ্কর গুহ নিয়োগীকে হত্যা করলো ঘাতকেরা। দিনবদলের পথে নিবেদিত আরও একজন মহান মানুষকে
হারালাম আমরা। রাইনোনাইলের সেই লড়াই গঙ্গা-হোয়াংহোর পথ ধরে রাজহারা ভিলাইয়ে নতুন জন্ম নিয়েছে। এ সড়াই শেষ
হয়নি। শঙ্কর গুহ নিয়োগীর মৃত্যু তাই আরও অসংখ্য লড়াইয়ের জন্ম দিচ্ছে প্রতিদিন। তাঁকে মনে রেখে আমার এই গান . . .
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
প্রতিদিন বাঁচার এ লড়াই প্রতিদিন
মৃত্যুর মুখোমুখি মিছিলে
একরোখা মানুষের ভিড়ে
ওপারেই সূর্য-সকাল ---

দু’কূল ভাসানো প্লাবনে প্লাবনে
দুনিয়া কাঁপানো চিন্তা-চেতনে
রাজহারার ভিলাইয়ের মাঠঘাট পথ-প্রান্তে,
লড়াকু মানুষ, জ্বলে ওঠা মুখ
এদেশের গাঁয়েগঞ্জে॥

তোমাকে দেখেছি রাইনে নাইলে
গঙ্গা হোয়াংহোর প্রতিটি জনপথে
ভোর হয়ে আসা আজানের সুরে
চেতনার উচ্ছ্বাসে
স্বপ্ন স্বদেশ জেগেছে আবার
দিন বদলের দম্ভে॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
প্রতিরোধের আওয়াজ উঠুক কথা, সুর ও শিল্পী - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)। যন্ত্রানুষঙ্গ
পরিচালনা - মধু মুখোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সৌজন্যে এই গানটি ১৯৯৫ সালে প্রবীর বলের “আমি মানুষ”
ক্যাসেটে প্রকাশিত হয়। কবি বিপুল চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে এই ক্যাসেটটি আমাদের দিয়েছেন। আমরা তাঁর কাছে
এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম। নীচে গানের কথা। ভিডিওটি সৌজন্যে
MILANSAGARwebsite YouTube Channel.
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
প্রতিরোধের আওয়াজ উঠুক
আওয়াজ উঠুক প্রাণে প্রাণে
এ দেশ আমার এ ক্ষেতখামার
বেচবো না আর আমার অধিকার

কুচক্রী আর ফন্দিবাজে
স্বপ্ন দেখায় নতুন দিনের
স্বপ্ন মরে ঘরের কোণে
স্বপ্ন মরে ঋণের ফাঁদে
স্বপ্ন মরে ক্ষেতে-কলে
স্বপ্ন মরে বাজার দরে
তাই প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল হোক আজ
লাখো লাখো জনতার জঙ্গি মিছিল

মনমোহিনী গ্যাটের রূপে
ভুলছে মানুষ ভুলছে বিবেক
মুক্ত বাজার অর্থনীতির
অন্তরালে বিপন্ন স্বদেশ
এসো বুদ্ধিজীবী দেশপ্রেমিক
সামনে মোদের কঠিন লড়াই
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এসো বন্ধু সুজন চলতি মানুষ
সামনে মোদের কঠিন লড়াই

আজ দ্বিতীয় আজাদীর লড়াইয়ে সামিল হই
কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে গড়ি প্রতিরোধ॥
এ প্রাণের মূল্য তোকে দিতেই হবে
কথা ও সুর - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)।
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
এ প্রাণের মূল্য তোকে দিতেই হবে
যে প্রাণের রক্তধারা এই দেহে রবে॥

যে শহিদ বুকের খুনে জীবনের ফসল বোনে
ঝড়ের তুফান আনে মনের ঈশান কোণে
তাদের এই আত্মদানের ঋণ তো এবার শুধতে হবে॥

মাটি মা জাগছে আবার নতুন এক জীবন পানে
তরাইয়ের রক্তে রাঙা দু'চোখের আকুল টানে
শহিদের শপথ নিয়ে নতুন জীবন গড়তে হবে॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
ও সুজনা
কথা ও সুর - কবি প্রবীর বল (৩.৩.১৯৫৪ - ২.১০.২০২০)। লেখাটি ‘আগুনের
স্বরলিপি’ সংকলন ও সম্পাদনা, দীপক মিত্র, পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের
সৌজন্যে প্রাপ্ত। লেখাটি আমাদের পাঠিয়েছেন কবি রাজেশ দত্ত।
.
কবি প্রবীর বল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ও সুজনা সুজনা কোথাক যাবো বল
পেটের জ্বালায় শরীর জ্বলে কেমনে বাঁচি বল
ইখানে চা বাগানে সকালেও আন্ধার নামে
ইখানে দুটি পাতা একটি কুঁড়ি ফোটে না হায় ফোটে না
কেমনে বাঁচি বল।

ইখানে সর্বনাশা ঘোঘেরা বাঁইধ্ ছে  বাসা
লালসা ঘোড়েল চোখে জমিনে শনির দশা
ই জমিন প্রাণ দিয়েছে, ই জমিন মান দিয়েছে

সোহাগি পাতার ছোঁয়া মনেতে রঙ দিয়েছে
ই সাধের জমিন আমার,
ছাইড়তে যে মন মানে না - মন মানে না,
কেমনে বাঁচি বল।

পাহাড়ি ঝোরা ডাকে বলে তুই যাবিক কোথা
ই চাঁদ জোসনা ডাকে বলে তুই যাবিক কোথা
তোকে লো সই মেনেছি সে কত দিনের কথা
তু বলিস মনের কথা শুনি তোর দুঃখের ব্যথা
ই গরল জ্বালায় আমার বুক ফাটে দিন কাটে না
দিন কাটে না, মন মানে না কেমনে বাঁচি বল।
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
একবার আইসো ফিরে রবি ঠাকুর কবি অমল নায়েক (জন্মকাল অজ্ঞাত)। সুর - গোপাল অধিকারী। শিল্পী গোপাল
অধিকারী এবং ভাগিরথী দাস। শিল্পী - শুভেন্দু মাইতির ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত, “মঈনুদ্দীন কেমন আছ” সি.ডি.র গান। গানটি শুনে লেখা।
এই কবি সম্ভবতঃ মেদিনীপুর IPTA এর সদস্য।
তাঁদের ফেসবুক পাতায় যেতে . . .। ভিডিওটি সৌজন্যে Ipta west bengal YouTube Channel.
.
কবি অমল নায়েক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
একবার আইসো ফিরে রবি ঠাকুর আমাদের এই গাঁয়ে
ছিটা ব্যাড়ার ঘরে আইসো তালপাতা এই ছাঁয়ে গো
আমাদের এই গাঁয়ে . . .

খাবো সুখে পান্তা পিয়াঁজ গামছা ধুতি পরনের সাজ
ঘাম ঝরায়ে চাষবাসের কাজ করবো বুঝি বয়ে গো
আমাদের এই গাঁয়ে . . .

মজুরি তো ফুরায়ে যায় বিকি কিনির হাটে
ধুকে ধুকে কাল কাটে ভাই কেবল খাটে খাটে গো . . .

বৌয়ের ব্যামো বিটির বিয়া
ব্যাটা যে রয় বেকার হইয়া গো . . .
কলম তোমার ব্যাথায় কেঁপে
ঝলসাইয়ে ফের উঠবে গো . . .

একবার আইসো ফিরে রবি ঠাকুর আমাদের এই গাঁয়ে . . .

আরো কোমর বেন্ধে লড়বো তখন
এই আঁধার ঘুচাতে
তোমার কমলা করীম কেষ্টা উপেন
পিলসূজ এদের সাথে গো . . .
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
ওগো রবি সুরের ছটায়
মন রাঙায়ে দাও না মাতায়
তোমার নতুন বিজয় গান
গাইবো শির উঁচায়ে গো . . .

একবার আইসো ফিরে রবি ঠাকুর আমাদের এই গাঁয়ে . . .
কমরেড বলে ডাক দিলে কেউ কথা ও সুর – কবি অশোক দে (জন্মকাল অজ্ঞাত)। শিল্পী - প্রবীর বল। যন্ত্রানুষঙ্গ পরিচালনা - মধু মুখোপাধ্যায়।
পশ্চিমবঙ্গ গণসংস্কৃতি পরিষদের সৌজন্যে এই গানটি ১৯৯৫ সালে প্রবীর বলের গাওয়া “আমি মানুষ” ক্যাসেটে প্রকাশিত হয়। কবি বিপুল চক্রবর্তী তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহ
থেকে এই ক্যাসেটটি আমাদের দিয়েছেন। আমরা তাঁর কাছে এর জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম। নীচে গানের কথা। ভিডিওটি সৌজন্যে
MILANSAGARwebsite YouTube Channel.
.
কবি অশোক দে
কমরেড বলে ডাক দিলে কেউ
কমরেড বলে ডাক
বুকের ভিতর রক্তে ছলাৎ
ঢেউ ছলাৎ ছলাৎ

ধু ধু বালিয়াড়ি উদ্দাম নদী
পাহাড়ের ব্যারিকেড
সব মিলেমিশে হয় একাকার
কমরেড কমরেড

কমরেড বলে ডাক দিলে কেউ
কমরেড বলে ডাক
বুকের ভিতর রক্তে ছলাৎ
ঢেউ ছলাৎ ছলাৎ

দেখো লাখো হৃদয়ের বন্দরে এক সূর্য ওঠে
লাখো স্বপ্নের অরণ্যে সেই একই ফুল ফোটে
লাখো শহিদের সবুজ সমাধি রক্তে পিছিল পথ
তোমাকেই তাই ডাকে বার বার দুর্জয় দুর্বার

কমরেড কমরেড - কমরেড কমরেড
কমরেড বলে ডাক দিলে কেউ
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
কমরেড বলে ডাক
বুকের ভিতর রক্তে ছলাৎ
ঢেউ ছলাৎ ছলাৎ

কমরেড মানে পাশাপাশি থাকা
কমরেড মানে সাথী
কমরেড মানে নতুন পৃথিবী
নতুন একটা জাতি
দেখো আজি এ দুনিয়া রাগে গরগর ফুঁসছে
কারাগার ভেঙে মুক্ত আলোয় তোমাকেই কাছে ডাকছে
চাবুকের নীচে রক্ত ঘামের
তুমিও তো ভাই ভালো মানুষের একজন
সাড়া দেবে নাকি দেবে নাকি সাড়া
উত্তাল এই ডাকে?

কমরেড কমরেড - কমরেড কমরেড
কমরেড বলে ডাক দিলে কেউ
কমরেড বলে ডাক
বুকের ভিতর রক্তে ছলাৎ
ঢেউ ছলাৎ ছলাৎ

ধু ধু বালিয়াড়ি উদ্দাম নদী
পাহাড়ের ব্যারিকেড
সব মিলেমিশে হয় একাকার
কমরেড কমরেড

কমরেড বলে ডাক দিলে কেউ
কমরেড বলে ডাক
বুকের ভিতর রক্তে ছলাৎ
ঢেউ ছলাৎ ছলাৎ
অনেক ডেকে মিছিল গেছে ফিরে
কবি সুমিতা চক্রবর্তী (জন্মকাল অজ্ঞাত)। সুর - অনুপ মুখোপাধ্যায়।
আমরা গানটি পেয়েছি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত ও
সংকলিত গণসংগীত সংগ্রহ সংকলন থেকে।
.
কবি সুমিতা চক্রবর্তী
দুয়ার এঁটে ঘুমিয়েছিলো পাড়া
নাকি তুমিই ঘুমের ঘোরে ছিলে?
পাড়ায় তখন ছিলো প্রাণের সাড়া
তোমার দুয়ার বন্ধ রেখেছিলে।

উঠোন ভরা সবুজ নরম ঘাস
চাঁদের আলোয় কখনো-বা ঘুম আসে
তোমার ঘরে মৃদু ফুলের বাস
বাইরে তখন রক্তগন্ধ ভাসে।

সুখের মতোই ব্যথা তোমায় ঘিরে
অনেক ডেকে মিছিল গেছে ফিরে
আঁধার প্রদোষ তুমি আপনহারা
জাগছে সারা পাড়া আলো জ্বালিয়ে॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দ্বার খোল্‌ দ্বার খোল্‌ এত জনকল্লোল
কবি সুমিতা চক্রবর্তী (জন্মকাল অজ্ঞাত)। সুর - অনুপ মুখোপাধ্যায়।
আমরা গানটি পেয়েছি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত ও
সংকলিত গণসংগীত সংগ্রহ সংকলন থেকে।
.
কবি সুমিতা চক্রবর্তী
দ্বার খোল্‌ দ্বার খোল্‌ এত জনকল্লোল
চেয়ে দ্যাখ্‌ বুঝি বাঁধ ভেঙেছে
দুর্জয় শপথে গর্জায় লাখো স্বর
লাখো প্রাণ প্রতিবাদে জেগেছে॥

ক্লান্তির দিন নেই ভীরুতার রাত শেষ
কেটে যায় এ দ্বিধার কুয়াশা
সূর্য ওঠার রঙে রাঙানো দিগন্তে
নেই আর সংশয় হতাশা
বজ্রের গর্জনে এ মিছিল উতরোল
লাখো হাত করতালে বেজেছে॥

চেতনার দরজায় দিয়েছিস খিল তুলে
স্বার্থের আলেয়ায় অন্ধ!
মুক্তির দাবানলে প্রেরণার বন্যায়
তোর দ্বার রইবে কি বন্ধ?
কান পেতে এ শোন্‌ সাগরের কলরোল
জীবনে জীবন বুঝি মিলেছে॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
ও সাথীরে ও সাথীরে কবি সুমিতা চক্রবর্তী (জন্মকাল অজ্ঞাত)। সুর - দিলীপ সেনগুপ্ত।
আমরা গানটি পেয়েছি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত ও সংকলিত গণসংগীত সংগ্রহ সংকলন
থেকে। ৫ জুলাই, ১৯৮৩ মালদহ জেলার মালোপাড়ায় প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের ভাড়াটেবাহিনী গণতান্ত্রিক
আন্দোলনের ১৩ জন কর্মীকে হত্যা করে। তারই প্রতিবাদে রচিত ও সুরারোপিত এ গান।
.
কবি সুমিতা চক্রবর্তী
ও সাথীরে ও সাথীরে
গানের ভাষা বলবে কেমন করে
রক্তমাখা তেরটি প্রাণের কথা!

চোখ বুজলে অন্ধকারেও
শহীদের ঐ রক্তরেখা
মনের গভীরে আঁকা।

কথার সুরে কান্না ফোটে
মায়ের বিলাপ বধূর হাহাকার
গান কবিতা বলতে পারে তা কি
জীবন-নদীর কেমন ভাঙে পাড়!

গানের সুরে পাই যে ভাষা
অশ্রঝরা কণ্ঠে ঘৃণার স্বর
আকাভরা কান্না মুছে নিয়ে
উঠলো যে আজ প্রতিবাদের ঝড়॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
আকাশে মেঘ ভেলা কবি সংযুক্তা বসু (জন্মকাল অজ্ঞাত)। সুর - অনুপ মুখোপাধ্যায়।
আমরা গানটি পেয়েছি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত ও সংকলিত গণসংগীত সংগ্রহ
সংকলন থেকে।
.
কবি সংযুক্তা বসু
আকাশে মেঘ ভেলা
পরাণে দেয় দোলা
আয়রে তুচ্ছ দুঃখ ভুলে
জীবনে সুর মেলা।

শোন্‌...
কান পেতে ঐ শোন্‌ শোন্‌
আগমনীর গান আজ কোন্‌
এনেছে নতুন প্রাণ
তুচ্ছ স্মৃতির ব্যথার গীতির
বাঁধন ছাড়িয়ে আন
লা-রা-লা রা লা-লা-লা
আয় রে সবাই কাঁচা পাকা
সবুজ অবুঝ আয়

গণ্ডী-টানা জগৎ ফেলে প্রাণের মোহনায়
আয় আয়
শিশিরে ভিজেছে ঘাস
শেফালী আনে সুবাস
সাজ আজ তুই নতুন সাজে
মেটাতে ছুটির আশ।
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
শোন্...
শোনরে নতুন দিনের বাঁশি
সবাই মিলে আয় ভাসি
এই জীবন জোয়ারে
সকল অতীত বিভেদ ভূলে
সবার হাত ধরে
লা-রা-লা রা লা-লা-লা
আয়রে সবাই ছেলেবুড়ো, ছোটো বড়ো আয়
আঁধার দিনের গ্লানি মুছে আলোর নিশানায়
আয় আয়
শিশিরে ভিজেছে ঘাস
শেফালী আনে সুবাস
সাজ আজ তুই নতুন সাজে
মেটাতে ছুটির আশ॥
লুকোচুরি
কবি সুমিত দাম (জন্ম ১১.৭.১৯৫৪)। সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের কবিতা।
এই কবিতাটি প্রথম মিলনসাগরে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের কবিতা
সংকলনে ৬ এপ্রীল ২০০৭ তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল।
.
কবি
সুমিত কুমার দাম
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
নন্দীগ্রাম অবরুদ্ধ
পুলিশ ক্যাডার সুদ্ধ
ঘোষণা করেছে যুদ্ধ
দাম্ভিক রাজা বুদ্ধ।

পলিটবুরো মুগ্ধ
বুদ্ধিজীবীরা ক্ষুব্ধ
ভাবনা-চিন্তা স্তব্ধ
দেশবাসী বাকরুদ্ধ।

কেমন করেছি জব্দ
বিরোধীরা বোকার হদ্দ
প্রতিবাদের স্বর রুদ্ধ
কম্যুনিজম উপলব্ধ।

মার্ক্স ভাবধারা শুদ্ধ
যেন মাতৃসম গো-দুগ্ধ
শরিকরা হলেও ক্রুদ্ধ
টেনে ধরে শুধু “বৃদ্ধ”॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
স্লোগান কবি সুমিত দাম (জন্ম ১৯৫৪)। সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের
কবিতা। এই কবিতাটি প্রথম মিলনসাগরে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামের
কবিতা সংকলনে ৬ এপ্রীল ২০০৭ তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল।
.
কবি
সুমিত কুমার দাম
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
রক্তে ভেজা ঘাস
লাল সন্ত্রাস
প্রজার জমি খাস
লাল সন্ত্রাস
বন্ধ হোল চাষ
লাল সন্ত্রাস
অনাহারে কাটে মাস
লাল সন্ত্রাস
পুলিশ হ'ল দাস
লাল সন্ত্রাস
মা-বোনের সর্বনাশ
লাল সন্ত্রাস
বোমা-পিস্তস-ইনস্যাস
লাল সন্ত্রাস
শ'য়ে শ'য়ে পড়ে লাশ
লাল সন্ত্রাস
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
সংখ্যালঘুর তাস
লাল সন্ত্রাস
বিরোধীদের বনবাস
লাল সন্ত্রাস
মিডিয়ার গলে ফাঁস
লাল সন্ত্রাস
ভয়হীন জোটের প্রয়াস
রুখবই সন্ত্রাস।
বেঙ্গল বলে ‘তুই ছোটো’, বিহার বলে ‘দূর হঠো’
কবি বিজয় মাহাতো (জন্ম ১৯৫৪)। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত, স্বপন দাসাধিকারী
সম্পাদিত “যুদ্ধ জয়ের গান” থেকে নেওয়া।
.
কবি বিজয় মাহাতো
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বেঙ্গল বলে ‘তুই ছোটো’, বিহার বলে ‘দূর হঠো’,
তবে ঝাড়খন্ড কি ঝাঁপ দিবেক জলে?
বাঙ্গালী বলে ভাই, বিহারী ভাই যেন টুকু বলে !
শাল মহুল বনে ঘেরা, তাও কেন সকল হারা
পাহাড়ে পর্বতে ঘেরা, তাও কেন সকল হারা
কারখানায় কার খানা চলে?
হামদেরই বিজলী কারখানা
মেঘের উপর তার টানা
কলকাতায় পাখা চলে হে
টাউনে টাউনে বাতি জ্বলে হে
বাঙ্গালী ভাই, বিহারী ভাই দে না টুকু বলে
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
সরষা তেল দুকুড়ি টাকা পোস্ত দু একশ টাকা
কথা, সুর ও শিল্পী - কবি বিজয় মাহাতো (জন্ম ১৯৫৪)। গানটি শুনে লেখা। গানটি
সাউণ্ডক্লাউডে শুনতে
এখানে ক্লিক করুন . . .
.
কবি বিজয় মাহাতো
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
সরষা তেল দুকুড়ি টাকা পোস্ত দু একশ টাকা
কেমন করে কিনবে টুসু পাকিট যে হইল ফাঁকা
ভোটের সময় নেতারা সব মুহে ভাই বহিন ডাকে
ভোট ফুরালে বিপদ আলে কে তখন কাকে দেখে।

দু কিলো গহম আর দুটাকায় গরীব লোক রাখে ভুলায় গো
দুয়ারে দারুয়ানায় কুকুর বাঁধে, নেতারা ভটভটি চালায় গো
কোট কাচারী উকিল পুলিশ সব হয়েছে লড়বরা
ললিত বলে টুসুমণি মারনোগো ঝাঁটার মুড়া।
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
Bijoy Mahato Sorsa Tel du kuri taka BIJOY MAHATO
ভোটের বুথে কি খেল দেখাইল
কথা, সুর ও শিল্পী - কবি বিজয় মাহাতো (জন্ম ১৯৫৪)। গানটি শুনে লেখা। গানটি
সাউণ্ডক্লাউডে শুনতে
এখানে ক্লিক করুন . . .।        
.
কবি বিজয় মাহাতো
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ভোটের বুথে কি খেল দেখাইল
আমার আগাশটা শুখাই গেল  
ভোটের বুথে কি খেল দেখাইল
বিষ আঙুলে কালির ফোঁটা
ফট ফটাছে বাঁহাতে
ভোট পড়েছে গোটা গোটা
রাস্তায় গুলে শেষ রাতে
ব্যালট নিয়ে আনকা লোকে
আনটিনে হায় ছাপ দিলো
ভোটের বুথে কি খেল দেখাইল
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
Bijoy Mahato Vote er boothe ki khel BIJOY MAHATO
মুর্দা গুলে হরি বলে মরা লোকেরও  টিপ নিলো
দশের ভালো করতে যায়ে দেশটার যে কি হাল হইল
এখন ই দেশে আর রইবো না ভাই বিদেশে পালাই চলো
বিদেশে পালাই চলো
ভোটের বুথে কি খেল দেখাইল
আহা কি খেল দেখাইল
ওহো কি খেল দেখাইল।
কলকাতার মিছিলে গেলেক গাঁয়ের সকলে কবি বিজয় মাহাতো (জন্ম ১৯৫৪)। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত,
স্বপন দাসাধিকারী সম্পাদিত “যুদ্ধ জয়ের গান” থেকে নেওয়া।
.
কবি বিজয় মাহাতো
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কলকাতার মিছিলে গেলেক গাঁয়ের সকলে
মরদ হামার ঘুরি আইল না
নাই গো মরদ হামার ঘুরি আইল না
দিনে দিনে বছর গেল, ভাবে ভাবে গতর গেল
চোখের পাতা এক হইল নাই
নাই গো, মরদ আমার ঘুরি আইল নাই

বাবুগুলান বুলাইছিল কলকাতার মিছিল গেলে
আরো মজুরী বেশি হবে গতর খাটার দাম
অভাব নুচি ঘুচি যাবে       দুওয়া বেলা খাতি পাবো
রোগাভোগা ছেলাগুলার      হাড়গিলগিলা পাঁজরাগুলায়
গজাই যাবেক টাক
উ বাবু ছাড়ি আলেক কুথায় বল
কেনে রে বাপ ভুলাই দিছি করিস ছল
সবাই লোকের অভাব গেল আমার গেল নাই
কেনে মরদ আমার ঘুরি আইল নাই
সংগে যদি যাতি তবে হাতটি ধরে
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
মরদ হামার হারাইত নাই লোকের ভিড়ে
আমার জনম বাতি নিভে যাইত নাই
রিক্সা টানা ভালই ছিলো
গেলেই যদি মিছিলে, এমন করে ভুলে গেলে ছানাপোনার মুখ
মজুর খাটা ভালোই ছিলো
গেলেই যদি মিছিলে, এমন করে ভুলে গেলে ছানাপোনার মুখ
বড়ো বড়ো লোকের কাছে আমাদের কি দাম আছে
যখন পাবেক তখন ভালো
কখন চুটি ফেলাই দিবে
এ জগতের এটাই নিয়ম কেউ বোঝে না দুখ।
ও বাবু বল কেন পরব দিনে
আমার ছানাগুলা লটপটাইছে ঘরের কোনে
কারো সাথে হাঁড়িয়া খাতে ভালো লাগে নাই
মরদ আমার ঘুরি আইল নাই।
ঝাড়গাঁর হাট যাতে ও বিহায়ে ধরল হাতে কবি বিজয় মাহাতো
(জন্ম ১৯৫৪)। ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত, স্বপন দাসাধিকারী সম্পাদিত “যুদ্ধ জয়ের গান” থেকে
নেওয়া। ভিডিওটি সৌজন্যে
aanchaal YouTube Channel.
.
কবি বিজয় মাহাতো
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ঝাড়গাঁর হাট যাতে ও বিহায়ে ধরল হাতে
বিহায় ছাড়ো হাত, ঝুড়ি ঝাঁটি বিকে সাধের বাঁক।
বিলে ঝাড়ে কাম নাই সকাল সাঁঝে বনে যাই
পেটের জ্বালায় কাটি বনের কাঠ গো।
ছোটো ছোটো ছানাপোনা অভাব-স্বভাব বুঝে না
ভোখের জ্বালায় কাঁদে সারা রাত
উধার ধারের বালাই নাই কেমনে বাঁচবে ভাই
মহাজনে বলে ছোটোজাত॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
চল গো ধনি পেপার মিল যাব কথা, সুর ও শিল্পী - কবি বিজয় মাহাতো (জন্ম ১৯৫৪)। গানটি
শুনে লেখা। গানটি সাইণ্ডক্লাউডে শুনুন
এখানে ক্লিক করে . . .
.
কবি বিজয় মাহাতো
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
চল গোধনি পেপার মিল যাব
নাইলে মকর দিনে কি খাব
নাইলে পরব দিনে কি খাব
পেপার মিলে গেস কৈলা দুজনাতে কুড়াব
মোরাই পড়ে ঘুরে ঘুরে ঘরে ঘরে বিকিব
হামরা ঘরে ঘরে বিকিব।

বারে বারে বারুণ করি শাল গাছে চোট দিয়না
রেঞ্জার সাহেব জানতে পারলে করবে গো জরিবানা
বাবু করবে গো জরিবানা
আসতে যাতে ঝারগেরাম থানা
হামরা ভয় করি না জেলখানা।
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
Bijoy Mahato Chol go dhoni BIJOY MAHATO
চুরির কেসে একমাস দুমাস
কাঠের কেসে বছর দিন
কোট বাবুরাই টাকা মাগে
দিতে খুঁজে নাই জামিন
নাইলে দিতে খুঁজে নাই জামিন।

উধার ধার তো দেশে মিলে না
কিসে বাঁচাব ছানাপোনা
হামরা ভয় করিনা জেলখানা
আসতে যাতে ঝাড়গেরাম থানা
হামরা ভয় করিনা জেলখানা।
মুহ মুলুকে নাহি মিলে কাম
কবি বিজয় মাহাতো (জন্ম ১৯৫৪)। স্বপন দাসাধিকারী সম্পাদিত
“যুদ্ধ জয়ের গান” থেকে নেওয়া।
.
কবি বিজয় মাহাতো
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
মুহ মুলুকে নাহি মিলে কাম
ক্যামনে বাঁচে প্রাণ
সাঁঝে খালে বিহানে হয় টান
পরের ঘরের পরখাটালি
সকাল হলেই যাই বাগালি রে
খাটি খাটি পিঠে বহে ঘাম
নাওয়া গড়ের কুটুম আইল
খাওয়া দাওয়া চিরাই গেল রে
মাড়ভাতে রাখলই মান
কিসে বাঁচে প্রাণ
যাও ছিল নুড়ি গুঁড়ি
তাও নিল লক্ষ্যা শুঁড়িরে
এখন আড়ে জুড়াত নয়ান
কেমনে বাঁচে প্রাণ
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান কথা - কবি সুনীল মাহাতো (জন্মকাল অজ্ঞাত)। সুরকার ও শিল্পী - বিজয় মাহাতো।
ভিডিওটি সৌজন্যে
aanchaal YouTube Channel.
.
কবি সুনীল মাহাতো
মন্দির, মসজিদ, গির্জা, থান ---
আরে, একই তো ভগবান রে।
মন্দির, মসজিদ, গির্জা, থান ---
একই তো ভগবান রে।
গুরুদুয়ার আর মঠে সার নাই,
একই মেহেরবান রে।
গুরুদুয়ার আর মঠে যাহি নাই,
একই মেহেরবান রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান,
মানুষেই শয়তান রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান…
গুরুদুয়ার আর মঠে সার নাই,
একই মেহেরবান রে।
গুরুদুয়ার আর মঠে যাহি নাই,
একই মেহেরবান রে।
মানুষেই শয়তান...
হে দাদা, মানুষেই শয়তান রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান॥

স্বরগ-নরক, হেল আর হেভেন,
বেহেস্ত আর দোজখ, রে।
স্বরগ-নরক, হেল আর হেভেন,
বেহেস্ত আর দোজখ, রে।
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
জীবনেই ভাই সবই আছে,
জীবনেই ভাই সবই আছে,
মরে গেলে নাই।
আহা, জীবনেই ভাই সবই আছে,
মরে গেলে নাই রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান,
মানুষেই শয়তান…
হে দাদা, মানুষেই শয়তান রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান॥

পাহাড়, নদী, সমুন্দর,
জমিন আর আসমান রে।
পাহাড়, নদী, সমুন্দর,
জমিন আর আসমান রে।
এক সুরজেরই আলো,
এক সুরজেরই আলো,
রাতে একই চান্দ...
আহা, এক সুরজেরই আলো,
রাতে একই চান্দ রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান,
মানুষেই শয়তান…
হে দাদা, মানুষেই শয়তান রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান॥
জনম-মরণ জীবের ধরম,
জীবেই তো ভগবান রে।
জনম-মরণ জীবের ধরম,
জীবেই তো ভগবান রে।
ঝুমুর গানে গাহি তাই ভাই,
ঝুমুর গানে গাহে যাই ভাই,
মানুষের জয়গান।
আহা, ঝুমুর গানে গাহে যাই ভাই,
ঝুমুর গানে গাহে যাই ভাই,
মানুষের জয়গান রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান,
মানুষেই শয়তান রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান…
গুরুদুয়ার আর মঠে যাহি নাই,
একই মেহেরবান রে।
গুরুদুয়ার আর মঠে সার নাই,
একই মেহেরবান রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান,
মানুষেই শয়তান…
হে দাদা, মানুষেই শয়তান রে।
মানুষের দুনিয়ায় মানুষেই ভগবান॥
শুন গো বাবু বহু বিটি....  কথা ও সুর  - কবি লক্ষ্মণ রায়। কণ্ঠ - বিজয় মাহাতো। ভিডিওটি সৌজন্যে Jangalmahal News Junglemahal TV
YouTube Channel. গানটি শুনে লেখা। কোনো ভুল দেখলে জানাবেন।
.
কবি লক্ষ্মণ রায়
শুন গো বাবু, বহু-বিটি,
আরে, জল-জঙ্গল, হামাদের মাটি,
বাপের ভিটা ---
তবে বাপের ভিটা বিকাই দিবো নাই হে,
বাপের ভিটা বিকাই দিবো নাই হে।
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।
বাপের ভিটা বিকাই দিবো নাই হে,
বাপের ভিটা বিকাই দিবো নাই হে।
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।
শুন গো বাবু, বহু-বিটি,
জল-জঙ্গল, হামাদের মাটি,
বাপের ভিটা বিকাই দিবো নাই হে,
বাপের ভিটা বিকাই দিবো নাই হে।
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই॥

মাড় ভাতে ভখা ভকৎ,
লাটাগুড়ায় হামাদের ঘর হে।
মাড় ভাতে ভখা ভকৎ,
লাটাগুড়ায় হামাদের ঘর হে।
ওই সাহেব-সুবার আইন জানি নাই,
হামরা সাহেব-সুবার আইন জানি নাই হে,
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
বাপের ভিটা বিকাই দিবো নাই হে,
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।

তবে কারা গঠে রাইতে দিনে
হুড়কাঁই বুইলছে পরব-দিনে,
কারা গঠে রাইতে দিনে
হুড়কাঁই বুইলছে পরব-দিনে,
হামাদের কি জাতি-ধরম নাই হে,
হামাদের কি জাতি-ধরম নাই হে ?
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।
হামাদের কি জাতি-ধরম নাই হে ?
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই॥
সিধু-কানহু, বীর বিরসা,
ওই বিনয়-বাদল হামাদের দিশা হে ----
সিধু-কানহু, বীর বিরসা,
ওই বিনয়-বাদল হামাদের দিশা হে।
ক্ষুদিরামের ফাঁসি ভুলি নাই,
ক্ষুদিরামের ফাঁসি ভুলি নাই হে।
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।
ক্ষুদিরামের ফাঁসি ভুলি নাই,
ক্ষুদিরামের ফাঁসি ভুলি নাই হে।
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।
জহর মাঈ ভারত দিশম!
তোমার দিশা তোমার ধরম গো ----
জহর মাঈ ভারত দিশম!
তোমার দিশা তোমার ধরম গো।
ওই বিদেশ-ভুঁইয়ে বিকাই দিবো নাই,
ওই বিদেশ-ভুঁইয়ে বিকাই দিবো নাই হে।
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।
বাপের ভিটা বিকাই দিবো নাই হে,
বিদেশ-ভুঁইয়ে বিকাই দিবো নাই হে,
বিদেশ-ভুঁইয়ে বিকাই দিবো নাই হে।
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই।
অধিকারটা কাড়ি লিবো ভাই॥
জেল খাটা শহর কবি স্বপ্ন মধুকর (জন্ম ২.৮.১৯৫৪)। করোনা ভাইরাসের
লকডাউন নিয়ে লেখা কবিতা। রচনা ২৩.০৪.২০২০। মিলনসাগরে প্রথম প্রকাশ।
.
কবি স্বপ্ন মধুকর
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কোন এক বিভীষিকাময় সন্ধ্যা বেলায়,
পুর্নিয়া লাইন বাজারের মোড়ে ;
এক আগন্তুক এসে জিজ্ঞেস করে,
শহর তুমি কেমন আছো?
লকডাউনের জেরে !
জেল খাটা ক্লান্ত শহর,
তাও থাকে চুপ করে ;
নির্বাক শহর -
আফিস ফেরত বাবুদেরকে,
ভিড় গাড়িতে এপার ওপার করে।
বহুদিন পর খুলল শহর,
মলিনতার হাঁপ ছেড়ে ;
লোকের জবাব দেয় না,
সে যে-
রাখে মাথাটি হেঁট করে॥
ঈশ্বর তুমি বলতে পারো !
আর কতো চাও বলিদান?
মানুষ ছিল তোমার শ্রেষ্ঠ জীব,
এই তো ছিল নিদান।
মর্ত্যে যদি মানুষ নাই বা রাখো,
দাও না কেন, অন্য গ্রহের সন্ধান?
তোমার শক্তি, মোদের ভক্তি,
দুই মিলে কাজ হউক আবার মহান॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
আজ এরা ভিখারি কবি স্বপ্ন মধুকর (জন্ম ২.৮.১৯৫৪)। রচনা ১লা জুলাই
২০২০। মিলনসাগরের দেয়ালিকায় প্রকাশ ২০.২.২০২১। করোনা কালের কবিতা।
.
কবি স্বপ্ন মধুকর
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
শহরে এখন দেখা মেলা ভার-
.             যত্র তত্র ভিখখারির।
মধ্যবিত্তের বুক ফাটে তো,
.              মুখ নাহি ফাটে এ ভিখারির॥

লকডাউনের জেরে পড়েছে-
.             মধ্যবিত্তরাই  যাতা-ক'লে।
তাই এঁরা আজ লিখিয়েছে-
.            নাম সর্বহারার দলে॥

ঘরে ঘরে আজ অভাব অনটন-
.        মধ্যবিত্তের প্রাণ অষ্ঠাগত।
গরীবের ক্ষুদা,মিটায় ত্রাণদাতা,
.     শুধু বিত্তবানের কোষাগার ঠাসা যত॥

গরীবের পো দোকানে যায় ছুটে-
.      নুন আনতে পান্তা ফুরায় যে।
ছাদে দাঁড়ায় অভাগা মধ্যবিত্ত,
.          ভাগ্যকে কোষে যায় যে॥
ব্যাঙ্কের খাতা,তলানিতে ঠ্যেকা-
.       বলিতে না পারে কাউকে।
ধিক্ ধিক্ করে হার্ট বিট চলে,
.        শুধু বুঝাইতে পারে গিন্নিকে॥
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
দিন গত পাপক্ষয়,
.       সবার মনেই শংসয়।
এ ভীষণ সামাজিক  জ্বালা-
.           অনাহারে মরিবার ভয়॥
শাসকের প্রতি কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে লেখা এই
কবিতাটি ২০০৬ সালের ৮ই ডিসেম্বর তারিখে “তারা নিউজ চ্যানেলে” সর্বপ্রথম কবি পাঠ করেন, কবীর সুমনের সঞ্চালিত
“মতামত” অনুষ্ঠানে। পরে এই কবিতাটি তাঁর এই নামেরই কাব্যগ্রন্থে প্রকাশিত হয়। প্রতিবাদের ইতিহাসে, মোড় ঘোড়ানো
এই কবিতাটি কবিকে অমর করে রাখবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটাই ছিল বামফ্রন্ট আমলের “প্রতিষ্ঠিত” বুদ্ধিজীবীদের
তরফের, সরকার বিরোধী প্রথম উচ্চারণ। তারপরেই শাসকের গড়ে তোলা নন্দন-সংস্কৃতির ইমারতে, তাসের ঘরের মতো
ভাঙন শুরু হয়। মৌমিতার কণ্ঠে কবিতা আবৃত্তির ভিডিওটি সৌজন্যে
শ্রুতিমধুর YouTube Channel.
.
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আপনি যা বলবেন
আমি ঠিক তাই কোরবো
তাই খাবো
তাই পরবো
তাই গায়ে মেখে ব্যাড়াতে যাবো
কথাটি না বলে
বললে গলায় দড়ি দিয়ে
ঝুলে থাকবো সারা রাত
তাই থাকবো
পরদিন যখন বলবেন
এবার নেমে এসো
তখন কিন্তু লোক লাগবে আমাকে নামাতে
একা একা নামতো পারবো না
ও টুকু পারি নি বলে
অপরাধ নেবেন না যেন
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
তুমি আর তোমার ক্যাডার   
কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)
এই কবিতাটি নন্দীগ্রামের প্রথম ঘটনার পর লেখা। সিঙ্গুর-
নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে লেখা কবিতা।
.
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   

দলে দলে মোটর বাইকে ঢুকে পড়ে
কারা ঢুকে পড়ে ভোর বেলা
কারা ঢুকে পড়ে
জানা যায় না
কিন্তু তারই পরে
এ গ্রামে, ও গ্রামে, ঘরে ঘরে
অবাধে কৃষক-রক্ত ঝরে
জাগ্রত কৃষক রক্ত ঝরে

অস্ত্র প্রয়োগের অধিকারী
তুমি আর তোমার ক্যাডার
আমরা শুধু খুন হতে পারি
মুখ বুজে খুন হতে পারি
এই একমাত্র অধিকার
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
ভরত মণ্ডলের মা কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম
আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে লেখা এই কবিতাটি বিজল্প প্রকাশিত কবি জয় গোস্বামীর “শাসকের
প্রতি” বই থেকে নেওয়া। দৈনিক স্টেটসম্যান পত্রিকার সৌজন্যে প্রাপ্ত।
.
বৃদ্ধা বললেন:
”আমার এক ছেলে গেছে,
আরেক ছেলে কে নিয়ে যাক
জমি আমি দেব না ওদের।
এই যে হাত দু'টো দেখছো বাবা...”
ব'লে তাঁর কাঁপা কাঁপা
শিরা ওঠা হাত দু'টি উঠিয়ে
দেখালেন : “এ দু'টো হাতে
ক্ষেতের সমস্ত কাজ
এতদিন করেছি, এবার
এই হাত দু'টো দিয়েই
জমি কেড়ে নেওয়া আটকাবো।”

মাসীমা, আপনার নেই
ইটভাটার অস্ত্রভাণ্ডার
মাসীমা, আপনার নেই
সশস্ত্র পুলিশ
মাসীমা, আপনার নেই
পুলিশ-পোষাক পরা
চটি পায়ে হাজার ক্যাডার
তা সত্বেও এত শক্তি
কোথা থেকে পান?
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
তা আমরা জানি না---
শুধু এইটুকু জানি

কৃষকজননী হ'য়ে মাঝে মাঝে দেবী দুর্গা
আমাদের দেখা দিয়ে যান।
কে বেশি কে কম কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম
আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে লেখা এই কবিতাটি বিজল্প প্রকাশিত কবি জয় গোস্বামীর “শাসকের
প্রতি” বইয়ে প্রকাশিত হয়। দৈনিক স্টেটসম্যান পত্রিকার সৌজন্যে প্রাপ্ত।
.
চিনতে পেরে গেছে বলে যার জিভ
কেটে নিল ধর্ষণের পরে
দু'হাতে দু'টো পা ধরে
ছিঁড়ে ফেললো যার শিশুটিকে
ঘাড়ে দু'টো কোপ মেরে যার স্বামীকে
ফেলে রাখলো উঠোনের পাশে
মরা অবধি মুখে জল দিতে দিল না
সেই সব মেয়েদের ভেতরে
যে-শোকাগ্নি জ্বলছে
সেই আগুনের পাশে
এনে রাখো গুলির অর্ডার দেওয়া
শাসকের দু'ঘন্টা বিষাদ
তারপর মেপে দ্যাখো
কে বেশি কে কম
তারপর ভেবে দেখ
কারা বলেছিল
জীবন নরক করব, প্রয়োজনে
প্রাণে মারব, প্রাণে!
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই ব'লে ময়ূর আজ
মুখে রক্ত তুলে
নেচে যায় শ্মশানে শ্মশানে

আর সেই নৃত্য থেকে দিকে দিকে
ছিটকে পড়ে জ্বলন্ত পেখম।
স্বেচ্ছা কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে
লেখা এই কবিতাটি বিজল্প প্রকাশিত কবি জয় গোস্বামীর “শাসকের প্রতি” বইয়ে প্রকাশিত হয়
। দৈনিক স্টেটসম্যান পত্রিকার সৌজন্যে প্রাপ্ত।
.
ওরা তো জমি দিয়েছে স্বেচ্ছায়
ওরাতো ঘর ছেড়েছে স্বেচ্ছায়
লাঠির নিচে ওরা তো স্বেচ্ছায়
পেতেছে পিঠ, নীচু করেছে মাথা

তোমরা কেন দেখতে পাও না তা

দেখেছি, সবই দেখেছি স্বেচ্ছায়
বাধ্য হয়ে দেখেছি স্বেচ্ছায়
মানব অধিকারের শবদেহ
বানের জলে দেখেছি ভেসে যায়

রাজ-আদেশে হাতকড়া-পড়ানো
রক্তঝরা গণতন্ত্রটিকে
প্রহরীদল হাঁটিয়ে নিয়ে যায়
প্রহরীদল মশানে নিয়ে যায়

আমরা সব দাঁড়িয়ে রাজপথে
দেখেছি, শুধু দেখেছি --- স্বেচ্ছায়
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
শিল্প কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে
লেখা এই কবিতাটি বিজল্প প্রকাশিত কবি জয় গোস্বামীর “শাসকের প্রতি” বইয়ে প্রকাশিত হয়
। দৈনিক স্টেটসম্যান পত্রিকার সৌজন্যে প্রাপ্ত।
.
জমি কেড়ে নেওটাই কাজ
ঘর ছাড়া করাটাই কাজ
আমাদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে
তাড়াও, তারপর তৈরি করো
আমাদেরই বুকের উপরে
উঁচু শিল্প, উদ্ধত সমাজ।

সঙ্গে কিন্তু পুলিশকেও চাই
নাহলে কি করে ছলে ব'লে
আমার হাড়গোড় ভাঙবে, ভাই!

গণতন্ত্র আজ থেকে এটাই
গণতন্ত্র আজ থেকে এটাই।
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
বলি কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে
লেখা এই কবিতাটি কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র এবং দৈনিক
স্টেটসম্যান পত্রিকার সৌজন্যে প্রাপ্ত।
.
...অনামিকা কই? কাজল কোনদিকে গেল?
সায়ন কোথায়?
পিছনে তাকিয়ে দেখি সঙ্গে কেউ নেই
প্রান্তরের মধ্যে এক যূপকাষ্ঠ---অর্ধেক
প্রোথিত---
ধারে কাছে কোনও ধড় নেই
মুণ্ডুরা উধাও।
ধুলোয় শোওয়ানো আছে খাঁড়া।
চেনে চেনে লাগে বড়।
ইতি পূর্বে দেখা হয়েছে কি?
সত্তর - একাত্তর - বাহাত্তর সালে
এঁদের দেখেছি বটে।
তারপর কি কোখাও দেখিনি?
হ্যাঁ মনে পড়েছে।
লালাবাজারে এই খাঁড়া ঝোলানো রয়েছে।
যূপকাষ্ঠ আছে মহাকরণের বুদ্ধিঘরে।
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
সোজা কথা কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে লেখা এই
কবিতাটি কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র এবং দৈনিক স্টেটসম্যান পত্রিকার সৌজন্যে
প্রাপ্ত।

“কার কী ক্ষমতা আছে দেখি এবার। ওরা মাঠে নামছে। আমরাও নামব। ...কার কী ক্ষমতা দেখি... অতীতেও
এমন অবস্থা হয়েছে। তবে এখন আমাদের ক্ষমতা অনেক বেশি” --- রবিবার ১১ মার্চ ২০০৭, কলকাতার ব্রিগেড
প্যারেড গ্রাউণ্ডে পশ্চিমবঙ্গ প্রাদেশিক কৃষকসভার সমাবেশে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী-প্রদত্ত ভাষণের অংশ।
.
গুলি লেগে পড়ে গেল।
তুলে ধরতে যাচ্ছে তার বউ।
বন্দুক উঁচিয়ে ধরো।
বলো--- 'না, তুলবি না---'
বলো--- 'যা সরে যা বলছি---' তাও
যদি না শোনে তাহলে
স্বামীর সাহায্যকারী হাতদুটোয়
সোজা গুলি করো।
যে-নারী ধর্ষণ করতে বাধা দিচ্ছে তার
যৌনাঙ্গে লাঠির মাথা সোজা ভরে দাও
যন্ত্রণায় সে যখন দয়া চায়, গালাগালি করে
তার সামনে তার শিশুটিকে দু'পা ধরে
দুই দিকে টানো,
টানো,
যতক্ষণ না সোজাসুজি ছিঁড়ে যাচ্ছে
টানো!
একে বলে সোজা কথা।
এরই নাম ক্ষমতা দেখানো!
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
আইনশৃঙ্খলা কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে লেখা এই
কবিতাটি কলকাতা লিটল ম্যাগাজিন লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র এবং দৈনিক স্টেটসম্যান পত্রিকার সৌজন্যে প্রাপ্ত।

“নন্দীগ্রামে, আইনশৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য, আজ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।“
--- ১৪ মার্চ বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলনে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুর বক্তব্যের অংশ।
.
কপালে স্টিকার আঁটা : সুকুমার গিরি।
বুকে মস্ত ছ্যাঁদা নিয়ে চিত হয়ে আছে
তমলুক হাস্পাতালে।
ডাক্তার বুঝেছেন
এ লোকটাকে বেডে তুলতে গেলেই
এক্ষুনি মরে যাবে।
ঠিক। গেল তাই। কিন্তু, ছেলে তার
বুঝছে না এখনো।
বলছে, “বাবু, পায়ে পড়ি,
বাবাকে বাঁচান”।
ডাক্তার কি করবে আর!
ওর ছেলে জানেও না
লিডারের কয়েকটি কথায়
নির্দেশিত আমাদের শোয়া বসা
হাঁটা চলা মরা আর বাঁচা---
আমাদের কাজ শুধু মর্গ আর হাসপাতালে
পুলিশের গুলি খাওয়া মৃতদেহ হয়ে
“আইনশৃঙ্খলা” রক্ষা করা।
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
চোখ
কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে লেখা
এই কবিতাটি “নন্দীগ্রাম থেকে কলিঙ্গনগর” পত্রিকার মে ২০০৭ এর সংখ্যায় প্রকাশিত
হয়েছিল।
কাঠের তক্তার মতো খাল দিয়ে ভেসে আসছে মৃতদেহগুলি
কারো চোখ নেই। সবার চোখের জায়গায়
গোল অন্ধকার।
ঝুঁকে দেখতে গিয়ে আমি হঠাৎ চোখের গর্তে
পা হড়কে পড়েছি।
তত্ক্ষণাৎ মাথা থেকে ভিন্ন হয়ে নিচু দিকে নেমে চলে ধড়
নেমে চলে, নেমে চলে, উপরে আটকানো মুণ্ডু তলায় তাকিয়ে দেখতে পায়
ঝিকমিক তারা জ্বলছে, তারা জ্বলছে, ঘোর অন্ধকার ভেদ করে
সবেগে পতনশীল কবন্ধশরীর
ক্রমে বিন্দু হয়ে এল ...
.         শেষ হয়নি তখনো গহ্বর ...
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
বাংলার গা থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে কবি জয় গোস্বামী (জন্ম ১০.১১.১৯৫৪)। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম
আন্দোলনের পরিপ্রক্ষিতে লেখা এই কবিতাটি কলকাতার “দেশ” পত্রিকার ২রা মে ২০০৭ এর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।
বাংলার গা থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে,
.                       রক্ত
গড়িয়ে পড়ছে...
.       কেউ ছুটে গেল খালের ওদিকে
বুক ফাটা গলায় কার মা ডাকল : "রবি রে..."
উত্তরের পরিবর্তে, অনেকের স্বর মিলে একটি প্রকাণ্ড হাহাকার
.              ঘুরে উঠল...

কে রবি? কে পুষ্পেন্দু? ভরত?
কাকে খুঁজে পাওয়া গেছে? কাকে আর পাওয়া যায় নি?
কাকে শেশ দেখা গেছে
ঠেলাঠেলি জনতাগভীরে?

রবি তো পাচার হচ্ছে লাশ হয়ে আরও সর লাশেদের ভিড়ে...


...বাংলার গা থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়েছে
.                       রক্ত
গড়িয়ে পড়েছে
রক্ত
গড়িয়ে পড়েছে...

পিছনে কুকুর ছুটছে
ধর্, ধর্...
কবি জয় গোস্বামী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
পিছনে শেয়াল
তার পিছু পিছু আসছে ভাণ্ড হাতে
রাজ অনুচর

এই রক্ত ধরে রাখতে হবে

এই রক্ত মাখা হবে সিমেন্টে বালিতে
গড়ে উঠবে সারি সারি
কারখানা ঘর
তারপর
চারবেলা ভোঁ লাগিয়ে সাইরেন বাজবে

এ কাজ না যদি পার, রাজা
তাহলে
বণিক এসে তোমার গা থেকে
শেষ লজ্জাবস্ত্রটুকু খুলে নিয়ে যাবে


আমার গুরুত্ব ছিল মেঘে
.                 প্রাণচিহ্নময় জনপদে
আমার গুরুত্ব ছিল...
.                  গা ভরা নতুন শস্য নিয়ে
রাস্তার দুপশ থেকে চেয়ে থাকা আদিগন্ত ক্ষেতে আর
.                                         মাঠে
আমার গুরুত্ব ছিল...
.            আজ
আমার গুরুত্ব শুধু রক্তস্নানরত
হাড়িকাঠে!


অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে
সূর্য উঠে আসে

বন্ধ থাকা ইশ্কুলের গায়ে ও মাথায়
.         রোদ পড়ে

রোদ পড়ে মাটি খুড়ে চলা
কোদালে, বেলচায়

রোদ পড়ে নিখোঁজ বাচ্চার
রক্তমাখা স্কুলের পোশাকে...


...না, না, না, না, না---
না বলে চিত্কার করছে গাছ
না বলে চিত্কার করছে এই গ্রীষ্ম দুপুরের হাওয়া
না বলে চিত্কার করছে পিঠে লাশ বয়ে নিয়ে চলা
.        ভ্যান  গাড়ি

আর আমরা শহরের কয়েকজন গম্ভীর মানুষ
ভেবে দেখছি না বলার ভাষারীতি ঠিক ছিল কিনা তাই নিয়ে
আমরা কি বিচারে বসতে পারি?


তুমি কি খেজুরি? তুমি ভাঙাবেড়া?
.                        সোনাচূড়া তুমি?
বার বার প্রশ্ন করি। শেষে মুখে রক্ত উঠে আসে।

আমার প্রেমের মতো ছাড়খার হয়ে আছে আজ গোটা দেশ
ঘোর লালবর্ণ অবিশ্বাসে।


আমরা পালিয়ে আছি
আমরা লুকিয়ে আছি দল বেঁধে এই
.           ইটভাটায়
.           মাথায় কাপড় ঢেকে সন্ধ্যেয় বেরোই
মন্টুর আড়তে---
.           মল্লিকের
বাইকের পিছন-সিটে বসে
আমরা এক জেলা থেকে অপর জেলায়
চলে যাই,
যখন যেখানে যাই কাজ তো একটাই।
.           লোক মারতে হবে।
.                       আপাতত ইটভাঁটায়
.                             লুকিয়ে রয়েছি...
.                                    অস্ত্র নিয়ে...
কখন অর্ডার আসে, দেখি।

পিছু ফিরে দেখেছি পতাকা।
সেখানে রক্তের চিহ্ন, লাল।

ক'বছর আগে যারা তোমাকে সাহায্য করবে বলে
ক'বছর আগে যারা তোমার সাহায্য পাবে বলে
রক্তিম পতাকটিকে নিজের পতাকা ভেবে কাঁধে নিয়েছিল

তাঁদের সবাইকে মুচড়ে দলে পিষে ভেঙে
দখল করেছ মুক্তাঞ্চল

পতাকাটি সেই রক্তবক্ষ পেতে ধারণ করলেন।

তোমার কি মনে পড়ছে রাজা
শেষ রাত্রে ট্যাঙ্কের আওয়াজ?
মনে পড়ছে আঠারো বছর আগে তিয়েন-আন-মেন?


ভাসছে উপুর হয়ে। মুণ্ডু নেই। গেঞ্জি পড়া কালো প্যান্ট।
.                       কোন বাড়ির ছেলে?
নব জানে। যারা ওকে কাল বিকেলে বাজারে ধরেছে
তার মধ্যে নবই তো মাথা।

একদিন নব-র মাথাও
গড়াবে খালের জলে,
ডাঙায় কাদার মধ্যে উলটে পড়ে থাকবে স্কন্ধকাটা
.           এ এক পুরনো চক্র।
এই চক্র চালাচ্ছেন যে-সেনাপতিরা
তাঁদের কি হবে?

উজ্জ্বল আসনে বসে মালা ও মুকুট পরবে
.                      সেসব গর্দান আর মাথা

এও তো পুরনো চক্র। কিন্তু তুমি ফিরে দেখ আজ
সে চক্র ভাঙার জন্যে উঠে দাঁড়িয়েছে গ্রাম---
ঘুড়ে দাঁড়িয়েছে কলকাতা।

১০
অপূর্ব বিকেল নামছে।
রোদ্দুর নরম হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে সারা মাঠে।
রোদ্দুর, আমগাছের ফাঁক দিয়ে নেমেছে দাওয়ায়।
.         শোকাহত বাড়িটিতে
শুধু এক কাক এসে বসে।
ডাকতে সাহস হয় না তারও।

অনেক কান্নার পর পুত্রহারা মা বুঝি এক্ষুনি
ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লেন।
.        যদি ঘুম ভেভে যায় তাঁর!
যত হামলা করো কথা ও সুর - কবি নীতীশ রায় (জন্ম ৪.১২.১৯৫৪)।
শিল্পী অসীম গিরির কণ্ঠে এই গানটি বর্তমান ২০২০-২০২১ এর কৃষক আন্দোলনেও সারা ফেলেছে। ১৯৯৭ সালে
প্রকাশিত স্বপন দাসাধিকারী সম্পাদিত “যুদ্ধ জয়ের গান” থেকে নেওয়া। ভিডিওটি সৌজন্যে
Pintu Pohan YouTube
Channel.
যত হামলা করো
সব সামলে নেবো
চ্যালেঞ্জ তোমায় যদি মারতে পারো

অনেক মেরেছ তবু
মরিনি আজো
বিছন হয়ে গেছি আজ ---
.                  তাই ছড়িয়ে যাবো।

ছড়িয়ে গেছি আমি অনেক দূরে
পাখির মুখে মুখে গানের সুরে
মাঠ-ঘাট-নদ-নদী গ্রাম পেরিয়ে
মাটির গভীর থেকে গভীরে যাবো।
.                  বিছন হয়ে গেছি ---॥

ডাক হয়ে উত্তর পাহাড় থেকে
শন শন কিষানের তীরের মুখে
বসন্তে বজ্রের নয়া ঘোষণায়
জীবনের স্রোত হয়ে সাগরে যাবো ---
.                  বিছন হয়ে গেছি ---
কবি নীতীশ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
আমাদের শহরটা মেগাসিটি কথা ও সুর - কবি নীতীশ রায় (জন্ম ৪.১২.১৯৫৪)। কণ্ঠ - কবি অসীম (গিরি) বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০০৮ সালে
প্রকাশিত, অসীম গিরির প্রথম গানের এলবাম “নন্দীগ্রাম টু মেগাসিটি” র গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
Srijan Chatterjee YouTube Channel.
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
মেগাসিটি বড়সিটি বড় মানে কত বড়
আরো বড় আরো বড় হবে গো
আরো বড় আরো বড় হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
মেগাসিটি মানে কি?
বড় বড় বাড়ী হবে বড় বড় গাড়ী
সারি সারি ভিআইপি মন্ত্রীর সারি
বড় বড় বাড়ী হবে বড় বড় গাড়ী
সারি সারি ভিআইপি মন্ত্রীর সারি
হবে যে টুরিস্ট স্পট বিদেশীর কট্ মট্
হোটেল বাড়ী হবে কেলেঙ্কারি, কত কেলেঙ্কারি
পথ হবে ঘাট হবে ছেলে মেয়ে স্মার্ট হবে
ইংলিশ মিডিয়ামে শহরটা ভরে যাবে
পপ হবে চিপস হবে মাম্মি ড্যাডি হবে
মা বাবারা কোথায় যাবে গো?
মা বাবারা কোথায় যাবে গো?
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা, মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
শহরটা বড় হবে বড় প্রশাসন
দুর্নীতি ঢেকে দেবে নীতির গঠন
শহরটা বড় হবে বড় প্রশাসন
কবি নীতীশ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
দুর্নীতি ঢেকে দেবে নীতির গঠন
কে হবে চেয়ারম্যান কে হবে ভাইস
মেগাসিটিটায় হবে প্রাইস রাইস
কে হবে চেয়ারম্যান কে হবে ভাইস
মেগাসিটিটায় হবে প্রাইস রাইস
বিশ্বব্যাঙ্ক দেবে একশো কোটি
নেতা কনট্র্যাক্টার বেঁধেছে জুটি
বিশ্বব্যাঙ্ক দেয় একশো কোটি
নেতা কনট্র্যাক্টার বেঁধেছে জুটি
ক্যামনে শুধিবে ঋণ তাই এবারে কন
কড় কড় বাজ পড়ে মাথার উপর,
বাজ মাখার উপর বাজ মাথার উপর
বাজ পড়ে গো, পৌরসভার কর বাড়ে গো
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা, মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
বিজনেস কমপ্লেক্স নাটকের ঘর
একসাথে বানাবার মেগা কৌশল
বিজনেস কমপ্লেক্স নাটকের ঘর
একসাথে বানাবার মেগা কৌশল
সাত মন তেল পোড়ে ব্যাবসায়ি রাধা
নাচছে ডিসকোথেকে সা রে গা মা পা ধা
সাত মন তেল পোড়ে ব্যাবসায়ি রাধা
নাচছে ডিসকোথেকে সা রে গা মা পা ধা
নাটক পাগল যত আছে এ শহরে
মঞ্চ মঞ্চ চাই চেঁচিয়েই মরে
পাগলের চিৎকারে কিবা এলো গেলো
মেগাসিটি মেগা প্ল্যান জয় জয় বলো
আহা জয় জয় বলো আহা জয় জয় বলো
মেগাসিটি মেগা প্ল্যান এলো গো
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা, মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো

স্টেশনের রাস্তাটা কিবা ভাবা যায়
রাস্তায় গর্ত গর্তে সাঁতার
স্টেশনের রাস্তাটা কিবা ভাবা যায়
রাস্তায় গর্ত গর্তে সাঁতার
যে বছর এ শহর বন্যায় ভাসে
রিলিফের রাজনীতি মুচকিয়ে হাসে
যে বছর এ শহর বন্যায় ভাসে
রিলিফের রাজনীতি মুচকিয়ে হাসে
মরে গেলে শ্মশানেতে চলে যাও সোজা
বিদ্যুৎ চুল্লিতে পুড়তে কি মজা, আহা পুড়তে কি মজা
মরে গেলে শ্মশানেতে চলে যাও সোজা
বিদ্যুৎ চুল্লিতে পুড়তে কি মজা, আহা পুড়তে কি মজা
মিলে যাবে লাল মাছ প্রতিশ্রুতি
না হলেও মনে জাগে সুখানুভূতি,
কি সুখানুভূতি, কি সুখানুভূতি মনে জাগে গো
মিলে যাবে লাল মাছ হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা, মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো

চৈতন্যদেবের বাণী ছিল ত্যাগ মোর কথা, ভগবান তথাগত বুদ্ধের
বাণী ছিল ত্যাগ মোর কথা, লাল কবীর সকলের বাণী ছিল ত্যাগ
মোর কথা

চৈতন্যদেবের বাণী ছিল ত্যাগ মোর কথা
বৈষ্ণব সাহেব আনে ভোগের বারতা
চৈতন্যদেবের বাণী ছিল ত্যাগ মোর কথা
বৈষ্ণব সাহেব আনে ভোগের বারতা
ধর্ম বিকিয়ে যায় বিদেশী ডলারে
গঙ্গার বুকে চড় দিন দিন বাড়ে
ধর্ম বিকিয়ে যায় বিদেশী ডলারে
গঙ্গার বুকে চড় দিন দিন বাড়ে
মেগাসিটি চলবে না ঠকাঠক গান
গরীবেরা কোথায় যাবে গো
গরীবেরা কোথায় যাবে গো
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা, মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
মেগাসিটি বড়সিটি বড় মানে কত বড়
শব্দদূষণে হবে ঘুমের ব্যাঘাত
মেগাসিটি চলবে না কৃষকের হাত
গরীবের ভুখা পেটে জুটবে না ভাত
ধনীদের মেগাসিটি গরীবেরা পাবে
আরো বড় আরো বড় হবে গো
আরো বড় আরো বড় হবে গো
আমাদের শহরটা মেগা মেগা মেগাসিটি হবে গো
আমাদের শহর আমাদের শহরটা মেগা মেগা
মেগা মেগা মেগা মেগা দুম্ ফটাস্
মরা গাঙে তোলরে তুফান কথা ও সুর - কবি নীতীশ রায় (জন্ম ৪.১২.১৯৫৪)।
১৯৯৭ সালে প্রকাশিত স্বপন দাসাধিকারী সম্পাদিত “যুদ্ধ জয়ের গান” থেকে নেওয়া।
মরা গাঙে তোলরে তুফান, কিষাণ জোয়ারে
.           নৌকার পাল তুলে দে
.           নৌকার পাল তুলে দে॥

কিষাণের মুখে আজ উঠিছে খুন
বুকে তাই ধিকি ধিকি ক্রোধের আগুন---
.                 জ্বলে ক্রোধের আগুন
জহ্লাদের তলোয়ারে আর মোরা মরবোনারে
এ আগুন হোক না দ্বিগুন দাবানলে॥       নৌকায়---

খাঁ খাঁ মাঠে তুলি মোরা ফসলের জোয়ার
আলোর জোয়ার তুলে ঘুচাই জমাট অন্ধকার
.                         ঘুচাই জমাট অন্ধকার
জোয়ার তোলে প্রাণে প্রাণে আটপৌরে এ জীবন
হতাশার ডোবাখানা দে ভাসিয়ে দে॥        নৌকায়---

তিতুমীর আর সিধু কানু বীর বাবুলাল
খুনের জোয়ার তুলে ভাসায় মাটি লালে লাল
.                 ভাসায়, মাটি লালে লাল
তাদের ঐ তাজা খুনে লড়াই-এর বীজ গেল বুনে
সোনালী ধান খুন মেখে তাই ডাকে কিষাণে॥
.                                   নৌকায় পাল---
কবি নীতীশ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
আমরা নওজোয়ান নওজোয়ান নওজোয়ান কথা ও সুর - কবি নীতীশ রায় (জন্ম
৪.১২.১৯৫৪)। আমরা গানটি পেয়েছি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত সুব্রত রুদ্র সম্পাদিত ও সংকলিত গণসংগীত সংগ্রহ
সংকলন থেকে।
আমরা নওজোয়ান নওজোয়ান নওজোয়ান
কালো রাত্রির বুকে তীব্র ঘোষণা নওজোয়ান
আটটা-নটার সূর্য সোনালী দীপ্ত প্রাণ
কালবৈশাখী দারুণ আবেগ ঝড় তুফান

চলো একছুটে পাহাড়ে উঠে
লাথি মেরে ভাঙি পাহাড়টা
মোদের হিম্মৎই সমুদ্রের গতি
পালটে দিতে পারে হাঃ হাঃ হাঃ
জীবন যখন দীপান্তরে পথহারা
আমরা তখন ভবিষ্যতের ইশারা
কবি নীতীশ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
ভায়ের খুন দেখে মায়ের কান্নাতে
হৃদয় যখন গুমরে ভেঙে যায়
তখন এই বয়স দেখায় দুঃসাহস
রুখে দাঁড়াই দারুণ দৃঢ়তায়
( হয় ) শত্রুর হাত পাঞ্জা লড়ে দিই ভেঙে
( নয় ) আমার খুনে মায়ের আঁচল যাক রেঙে
শ্রমিক-কৃষাণে জীবন সংগ্রামে
( কিংবা ) মুক্তিযুদ্ধে যখনই দিয়েছে ডাক
মোদের দৃপ্ত প্রাণ ধরে লাল নিশান
দিয়েছি জীবন আমরা ঝাঁকে ঝাঁকে
( ঐ ) নকশালবাড়ি তেলেঙ্গনার প্রান্তরে
কাকদ্বীপ আর বোম্বাইয়ের বন্দরে
করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী! কথা, সুর ও শিল্পী - কবি নীতীশ রায় (জন্ম
৪.১২.১৯৫৪)। গণশিল্পী নীতীশ রায়ের স্বকণ্ঠে গাওয়া এই গানটির ভিডিও শিল্পীর ফেসবুক প্রোফাইলে।
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি!
করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী!

কাশি-জ্বর-গলাব্যথা --
হইলে নাও সতর্কতা,
ডাক্তারের সঙ্গে কথা
বলো রে ভাই এখনি।
পজেটিভ রিপোর্ট এলে
যেতে হবে হাসপাতালে ---
নেগেটিভ হলে পরেও ঘরে থাকলে নাই ক্ষতি।
করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী!

লকডাউনে ঘরে থাকো, চোখ-কান খোলা রাখো,
শারীরিক দূরত্ব রাখো, সামাজিক সংহতি।
সাবানজল-অ্যালকোহলে --
বারেবারে হাত ধুইলে,
ঠিক মতো মাস্ক পরিলে ভয়ের বলো আছে কী!
করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী!

কত মানুষ কাজ হারিয়ে,
ঘরে ক্ষুধার জ্বালা সয়ে!
বাহিরখাটা মানুষ নিয়ে
সরকার ব্যাটায় করছে কী?
কবি নীতীশ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
থালাবাটি বাজাইয়ে, মোমবাতি সাজাইয়ে
কুসংস্কার ছড়াইয়ে শুধুই করে হুজ্জুতি!
করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী!

ইনফ্লুয়েঞ্জা, প্লেগ কলেরা ---
মরতো মানুষ জগৎ জোড়া ।
ওষুধ বানায় বিজ্ঞানীরা ---
ঘুচলো রোগের মস্তানি।
রোগ নিয়ে ব্যবসা করা ---
সেই সমাজ চাই না মোরা।
বাঁচবে মানুষ জগৎ জোড়া ----
সেই সুদিনের দিন গুনি।
করোনা ভাইরাসে বলো ভয়টা কী!
ফুল হাতে গোটা বাড়ি কবি নীতীশ রায় (জন্ম ৪.১২.১৯৫৪)। র‍্যাডিক্যাল প্রকাশনী থেকে ২৫
জানুয়ারি ২০১২-তে প্রকাশিত কিষেনজির হত্যার প্রেক্ষিতে প্রকাশিত কবিতা সংকলন “যুদ্ধে ছিলে স্বপ্নে আছো”-
র কবিতা।
হাঁড়ি ভাগ হয়ে গেছে অনেকদিন আগে
বাড়ি কিন্তু এখনও একটাই আছে।
এবাড়িতে কোন ঘরে “হলে” কিংবা “মলে”
নীরবে উৎসব নামে, নামে হাহাকার।

ভাঙাচোরা এই বাড়ি
তবু তার ঘরে ঘরে স্বপ্নের পুটলী বাXধা আছে।
এবাড়ির ছেলে মেয়ে একটু বড় হলে
এখনো বেরিয়ে পড়ে স্বপ্নের ফেরিয়ালা হয়ে।

ওঘরের একছেলে এইভাবে গিয়েছিল
জঙ্গল-মানুষের কাছে---
কেউ বলে এপথ মোটে ঠিক নয়
কেউ বলে এ পথেই আসবে বিজয়।

খবর এসেছে আজ---
সে আর নেই...
জঙ্গলে রক্ত ঢেলে দিয়ে
স্বপ্নকে সজীব করেছে।

এবাড়ি তাই আজ শোকে নিথর
সব ঘরে হেঁসেলের ভাত
আঁস্তাকুড়ে জমা পড়ে গেছে।
কবি নীতীশ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
অশৌচ নেমেছে বলে
ঘরে ঘরে দেব-দেবীর সকলেরই আজ উপবাস।
এ বাড়ির বাগানের ফুলে মা আমার অঞ্জলি দিতো।
অশৌচ নেমেছে বলে মাও আজ বাগানে আসেনি
আমি কিছু ফুল তুলে
“তাঁর” নামে অঞ্জলি দেব বলে বাগানে এসেছি---

বাগানে এসেই দেখি আমি একা নই
গোটা বাড়ি ফুল হাতে বাগানে হাজির।

হাঁড়ি ভাগ হয়ে গেছে অনেকদিন আগে
বাড়ি কিন্তু এখনও একটাই আছে
.                                “নকশালবাড়ি”।
সময়ের কথামালা কবি নীতীশ রায় (জন্ম ৪.১২.১৯৫৪)। ২০১১ সালে প্রকাশিত, সব্যসাচী গোস্বামী
সম্পাদিত "শেকল ভাঙার কবিতা" কবিতা সংকলন গ্রন্থের কবিতা। গ্রন্থটির প্রকাশক "বন্দীবার্তা" পত্রিকার পক্ষ
থেকে শুক্লা ভৌমিক, কলকাতা।
পুকুর সেচলে উঠে আসে শুধু অস্ত্র
মাটি খুঁড়লে সারি সারি মেলে লাশ
লুঠ হয়ে যাওয়া দ্রৌপদীদের ছিন্ন ভিন্ন বস্ত্রে
শুধু লেখা আছে রাষ্ট্রিয় সন্ত্রাস॥

শান্তি আনতে কোবরা-গ্রেহাউন্ড
খাকি-জলপাইয়ে যৌথ-যুগলবন্দী
ডানা ঝাপটায় খাঁচার পাখিরা
জেলে জেলে আজ অজস্র রাজবন্দী

কত বিপ্লবী বন্ধুর রক্তে রাঙা
বন্দীশালার ওই শিকল ভাঙা
তারা কি ফিরিবে আজ . . .

সন্ত্রাস আজ ছড়িয়ে পড়েছে ছোট ছোট ম্লান চোখে
মা'র চোখ গেছে বাপ তার জেলে কি করে ছাড়াবে
তাকে
ইস্কুলে গেলে জুটে যেত তবু একটি বেলার খাবার
দখল নিয়েছে যৌথবাহিনী উপায় নেই তো যাবার
ঘাম ঝড়িয়ে পায়নিকো ভাত
হাত মুঠো করে পথে
পথের ধূলাও ইজ্জত চায়
উদ্ধত ঘোষণাতে
কবি নীতীশ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কালো কালো মেঘ গর্জন করে
শালপিয়ালেরা গর্জন করে
ধামসা মাদল গর্জন করে
ঝড়ের পূর্বাভাস
সে ঝড় রুখতে জেলখানা ভরে
রাষ্ট্রিয় সন্ত্রাস॥
বন্দিমুক্তির গান মানিক মাঝি (জন্মকাল অজ্ঞাত)। ২০১১ সালে প্রকাশিত, সব্যসাচী গোস্বামী সম্পাদিত
"শেকল ভাঙার কবিতা" কবিতা সংকলন গ্রন্থের কবিতা। গ্রন্থটির প্রকাশক "বন্দীবার্তা" পত্রিকার পক্ষ থেকে শুক্লা
ভৌমিক, কলকাতা।
খবর পাঠাই গ্রামশহরে ভাইবোনেদের কাছে
আমাদের চোখের মণি বুকের মানিক বন্দি হয়ে আছে।

বন্দি মজুর বন্দি কিষান বন্দি মাঝারি
আমাদের দেশ বন্দি আজও ভুলতে কি তা পারি
তাই এগিয়ে-থাকা মজুর চাষির দল
মুক্তিগানের সাধনব্রতে হয়েছে উতল
তাইতো ওরা ভীষণ ভয়ঙ্কর দেশবিদেশের শোষক রাজার কাছে।

রুখে দাঁড়ায় গ্রামশহর পাহাড়-খনি-বন
বন্দিদশা ভাঙবে ওরা মনে কঠিন পণ
ঝড়ের মেঘে বার্তা বেগে পাঠায় ওরা
সারাদেশে সব জনতার কাছে।

দেশের মুক্তি জাতির মুক্তি গণমুক্তি পাবার তরে
লালসেনানীর স্বপ্ন নিয়ে ডঙ্কা বাজে ঘরে ঘরে
বলে ডেকে, ভেঙে পাষাণ কারা আগল দেব খুলে
মুক্ত হবে ভাইবোনেরা বন্দি যারা আছে।
কবি মানিক মাঝি
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
তোমার নাম আমার নাম রক্তেস্নাত নন্দীগ্রাম
কথা ও সুর - কবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ৫.১.১৯৫৫)। শিল্পী - অসীম গিরি। ২০০৮ সালে প্রকাশিত, অসীম গিরির
প্রথম গানের এলবাম “নন্দীগ্রাম টু মেগাসিটি” র গান। সঙ্গীতায়োজনে - কজমিক হারমনি।
তোমার নাম আমার নাম রক্তেস্নাত নন্দীগ্রাম
হলদী নদী লাশে ভাসে ধর্ষিত হয় ক্ষেতের ধান
নন্দীগ্রাম ওমা নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রাম মাগো নন্দীগ্রাম
নন্দীগ্রাম হাজার সেলাম, নন্দীগ্রাম হাজার সেলাম

লড়াই চলছে চলবে, প্রতিবাদ চলছে চলবে
প্রতিরোধ চলছে চলবে, কিষাণ জাগছে জাগবে
জনতা জাগছে জাগবে, দুষমনের বুক কাঁপিয়ে
মিটি জল জঙ্গল জাগবে
দুষমনের বুক কাঁপিয়ে, মিটি জল জঙ্গল জাগবে

তোমার নাম আমার নাম রক্তেস্নাত নন্দীগ্রাম
হলদী নদী লাশে ভাসে ধর্ষিত হয় ক্ষেতের ধান
নন্দীগ্রাম ওমা নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রাম মাগো নন্দীগ্রাম
নন্দীগ্রাম হাজার সেলাম, নন্দীগ্রাম হাজার সেলাম

স্বাধীনতা এনেছিলে তুমি, তেভাগার লাঙল চুমি
স্বাধীনতা এনেছিলে তুমি, তেভাগার লাঙল চুমি
ভূমিপুত্রের রক্তে রাঙানো মাগো তুমি মোর জন্মদায়িনী
তুমি মোর জন্মদায়িনী
ভূমিপুত্রের রক্তে রাঙানো মাগো তুমি মোর জন্মদায়িনী
তুমি মোর জন্মদায়িনী
কবি মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
নন্দীগ্রাম ওমা নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রাম মাগো নন্দীগ্রাম
নন্দীগ্রাম হাজার সেলাম, নন্দীগ্রাম হাজার সেলাম

সকালের প্রত্বয় তুমি, তুমি দাও সূর্যের বহ্নি
সকালের প্রত্বয় তুমি, তুমি দাও সূর্যের বহ্নি
বিকালের গোধূলি আলোয়, মায়ের আচলধারী
তুমিই মাতঙ্গিণী, তুমিই মাতঙ্গিণী বীরাঙ্গনা মাতৃভূমি
বীরাঙ্গনা মাতৃভূমি

তোমার নাম আমার নাম রক্তেস্নাত নন্দীগ্রাম
হলদী নদী লাশে ভাসে ধর্ষিত হয় ক্ষেতের ধান
নন্দীগ্রাম ওমা নন্দীগ্রাম নন্দীগ্রাম মাগো নন্দীগ্রাম
নন্দীগ্রাম হাজার সেলাম, নন্দীগ্রাম হাজার সেলাম
তাপসী কবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ৫.১.১৯৫৫)। ধর্মতলার সিঙ্গুর-আন্দোলনের অনশন মঞ্চে বসে লেখা  কবিতা। রচনা ১৯.১২.২০০৬।
তাপসী তুমি তপস্যার তপোবন
তুমি আজ সুদূর নীহারিকা
তুমি চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা
হয়তো আকাশের তারকা॥

তোমার স্বপ্ন মাটির পৃথিবা
নওতো শুধু কন্যা, তুমি বিদ্রোহিনী
মাটির আন্দোলনে, জমির লড়াইয়ে
তুমি ছিলে অগ্রগণ্যা, তুমি বিজয়িনী॥

তোমার মাংসে যাদের নৃত্য
জানে না তারা পাশবিকতার অভিশাপ
তোমার আত্মত্যাগ মানব সমাজে দর্পণ
তোমার জ্বলন্ত চিতা শাসকের মহাপাপ॥

তোমার আর্তনাদ আমাদের বুকে
করছে শুধু পদাঘাত আর পদাঘাত
আজ তোমার রক্তে যাদের আনন্দ
তাদের জন্য রইল সবার ধিক্কার কষাঘাত॥

তুমি তো নও সিঙ্গুরে একা
স্বপ্নের সিঙ্গুরে আর হবে না দেখা
তোমাকে যারা এ পৃথিবী থেকে করেছে নিশ্চিহ্ন
তারা জানে না তোমাকে ছাড়া সিঙ্গুর বিষন্ন॥
কবি মমতা
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
খুব মনে পড়ছে দেখা হয়েছিলো
তোমার সাথে আমার উজ্জ্বল সঙ্ঘের ধারে
দেখেছিলাম তোমাদের অদম্য সাহস
সবুজ খেতগুলোকে সব ঘিরে॥

আন্দোলনেও তুমি ছিলে নির্ভিক সহকর্মী
অত্যাচারীদের বুটের আঘাতে বিদ্ধ
তাপসী, তুমি চিত্কার করে প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলে
পাষণ্ডরা তোমাকে করেছিল নিথর স্তব্ ধ॥

মুখটা নাকি তোমার বেঁধে রেখেছিলো
নীরবে সইলে অমানবিক যন্ত্রণা
তারপরেও তোমার প্রাণ চলছিলো
অগ্নিগর্ভে হোল জীবন্ত বেদনা॥

অনেক কষ্টে গিয়েছে তোমার জীবন
পাষণ্ডরা আজ করছে শাসন
তুমি বেঁচে থাকবে আজ সিঙ্গুরের ধানে
বাঁচবে তুমি শহীদ ইতিহাসের মনে॥

তাপসীরা কখনও মরে না
তারা বেঁচে থাকে আন্দোলনের অন্তরে
তোমার জীবন স্বপ্ন বেঁচে থাকবে
সিঙ্গুরের জমির ফসলের প্রান্তরে॥
সব আন্দোলনেই থাকে শহীদের ইতিহাস
তোমার আত্মত্যাগ সিঙ্গুরের নিঃশ্বাস
কৃষিজমি রক্ষার আন্দোলনে তুমি সোনার ধান
শস্যরাঙা সবুজ ধানে থাকবে তোমার প্রাণ॥

তোমার তরে কাঁদে মোদের প্রাণ
শিহরিয়া ওঠে সবুজ ধান
কেঁদে উঠছে মা-মাটি-মানুষ
তুমি সিঙ্গুরের সূর্যোদয়, তুমি প্রত্যুষ॥

রইলো প্রণাম রইলো সালাম
তুমি বীরাঙ্গনা তুমি মহান॥
তোমার মারের পালা শেষ হলে
কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)। ১৯৮০ সালে প্রকাশিত, কবির
"তোমার মারের পালা শেষ হলে" কাব্যগ্রন্থের কবিতা।
পা থেকে মাথা পর্যন্ত চাবুকের দাগ যেন থাকে
এমন ভাবে মারো

দাগ যেন বসে থাকে বেশ কিছু দিন
এমন ভাবে মারো

এমন ভাবে মারো
তোমার মারের পালা শেষ হলে
আমাকে দেখায় যেন ডোরাকাটা বাঘের মতন
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
পুরনো পোস্টার
কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)
১৯৮৮ সালে প্রকাশিত, কবির "তোর মুখ দেখতে চাই" কাব্যগ্রন্থের কবিতা।
কে বলে তাদের মৃত

ভীষণ ঝড়ের রাতে গাছেরা যখন শনশন
হাওয়ায় শ্লোগান তোলে হাওয়ায় হাওয়ায়

ঝরা পাতারাও কথা বলে

ভীষণ ঝড়ের রাতে
প্রতিটি শহিদ বেদি জেগে ওঠে
ডানা ঝাপটায় ছিঁড়ে যাওয়া পুরনো পোস্টার
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
ধ্যাৎ তেরি কি কথা ও সুর – কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)। ১৯৯১ সালে প্রকাশিত “আমরা
হাঁটি যেখানে মাটি” ক্যাসেট এর গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
dharasahasra YouTube Channel
ধ্যাৎ তেরি কি বইলে
হামার মন চায় উইঠে যেইতে
যখন বাবুরা দেশের কথা বলে, হেহে
যখন বাবুরা দশের কথা বলে

বাবুদের ছানা-পুনা
ইস্কুলে আনাগুনা
হামাদের টুকচা নুনা ভাইসলেক বানের জলে

ধ্যাৎ তেরি কি...

বাবুদের বিবিগুলা
বাজারের রাঙা মূলা
হামাদের মেইয়েগুলা
হায় গো হায় পথের ধূলা
হামাদের মেইয়েগুলা রইলেক পায়ের তলে

ধ্যাৎ তেরি কি...

বাবুদের খানা-পিনা
হবেক নাই মাছ বিনা
বাবুদের খানা-পিনা
হবেক নাই মাংস বিনা
হামাদের ভুখা পেটে হিলিহিলি আগুন জ্বলে
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
ধ্যাৎ তেরি কি...

ধ্যাৎ তেরি কি বইলে
হামার মন চায় উইঠে যেইতে
যখন বাবুরা দেশের কথা বলে, হেহে
যখন বাবুরা দশের কথা বলে
মান্যবরেষু! কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)। ২০২০ সালের কৃষক আন্দোলনের
প্রেক্ষিতে রচিত কবিতা। মিলনসাগরের কৃষক আন্দোলনের দেয়ালিকায় তোলা হয় ১৫.১২.২০২০
তারিখে।
সেই পাতায় যেতে . . .
আগামীকাল না আগামী পরশু
কবে আসছেন, মান্যবরেষু!
আমরা রয়েছি পথে পথে পথে
রক্তে ভিজেছি বাঁচার শপথে

নানা মত, তবু গাই একই গান---
ফ্যাসিস্ট রাজের চাই অবসান
মানা অছিলায় ভাগ করে ওরা
আমাদের কাজ বারবার জোড়া

ফসলের দাম না-পেয়ে কৃষক
বাঁচে কতদিন?---আজ শেষতক
পথ হাঁটবার নিয়েছে শপথ
পায়ে পায়ে তার জেগে ওঠে পথ

না-পেয়ে শ্রমের মর্যাদা, দাম
এসেছে শ্রমিকও, হাঁটে উদ্দাম
শরীর শুকিয়ে যদিও প্যাকাটি
পায়ে পায়ে তবু কেঁপে ওঠে মাটি
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
আমরা তাদের বোন আর ভাই
কেউবা সাহেলা, কেউবা কানহাই
হাঁটছি এখনও গান গেয়ে গেয়ে
বন্ধুকে ডাকি, থাকি পথ চেয়ে

মনে মনে ফেরে রোহিতের স্মৃতি
অসম্পূর্ণ যেন কোনও গীতি
সেই ব্যথা নিয়ে ফুঁসছে নাকাড়া---
জল-জঙ্গল ---আদিবাসী-পাড়া

যে আপনি আজও আছেন দ্বিধায়
আপনার দিকে গান ছুটে যায়
ঢেউ ভাঙা ঢেউয়ে জীবন সফেন
মান্যবরেষু, কবে আসবেন!
ও শস্য, ও জন্মভূমি
কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)। রচনা ১৬ অগ্রহায়ণ
১৮২৭ (৩০.১১.২০২০)।২০২০ সালের কৃষক আন্দোলনের প্রেক্ষিতে
রচিত কবিতা। মিলনসাগরের কৃষক আন্দোলনের দেয়ালিকায়
তোলা হয় ১০.১২.২০২০ তারিখে। সেই পাতায় যেতে . . .।
ঘুঘুতে চাষি ও চাষ
এভাবে কি করবে সাবাড়

দারুণ অঘ্রাণ মাস
কৃষকেরা রাস্তায় আবার

আদানি আম্বানি ঘুঘু
ঘুঘু আরও রঙবেরঙেরও

পার্লামেন্টে সব ঘুঘু
তাই এই পার্লামেন্ট ঘেরো

ঘুঘুটি দেখেছ, তুমি
কৃষকের ফাঁদ তো দেখনি

ও শস্য, ও জন্মভূমি
তোর পাশে আমার লেখনী
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
উলু উলু উলু দে
কথা, সুর ও কণ্ঠ - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)। ১৯৯১ সালে প্রকাশিত “আমরা হাঁটি যেখানে মাটি” ক্যাসেট এর
গান। পণপ্রথার বিরুদ্ধে গান। সৌজন্যে
dharasahasra YouTube Channel.  
উলু উলু উলু দে
হলুদ মাখা কনেকে
বিকেলে আজ বিয়ে রে ভাই বিকেলে আজ বিয়ে
আসছে ইঞ্জিনিয়ার বর
মাথায় শোলার টোপর
ইঞ্জিনিয়ার বর আসছে টোপর মাথায় দিয়ে

পাত্র ভালো, এক পয়সা পণ নেবে না সে
শুধু কনেকে তার মনের মতো সাজাতে বলেছে
বলেছে গলায় সোনার হার দিও, কানে সোনার দুল
হাতের বালা দেবেই, বাউটি দিতেও হয় না যেন ভুল
আর যা বাকি টুকিটাকি, তা আর থাকবে কি না-দিয়ে
বিকেলে আজ বিয়ে রে ভাই বিকেলে আজ বিয়ে

উলু উলু উলু দে
হলুদ মাখা কনেকে
বিকেলে আজ বিয়ে রে ভাই বিকেলে আজ বিয়ে
আসছে ইঞ্জিনিয়ার বর
মাথায় শোলার টোপর
ইঞ্জিনিয়ার বর আসছে টোপর মাথায় দিয়ে
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
পাত্র খুবই শিক্ষিত, তাই পণ নেবে না সে
শুধু লোকনিন্দার ভয়ে কিছু জিনিষ চেয়েছে
চেয়েছে একটি কালার টি ভি, একটি রেফ্রিজারেটার
সোফা, আলমারি, খাট আর একটি বাজাজ স্কুটার
আর যা বাকি টুকিটাকি, তা আর থাকবে কি না-দিয়ে
বিকেলে আজ বিয়ে রে ভাই বিকেলে আজ বিয়ে

উলু উলু উলু দে
হলুদ মাখা কনেকে
বিকেলে আজ বিয়ে রে ভাই বিকেলে আজ বিয়ে
আসছে ইঞ্জিনিয়ার বর
মাথায় শোলার টোপর
ইঞ্জিনিয়ার বর আসছে টোপর মাথায় দিয়ে
ঝিম ঝিম নিশা লাগে
কথা ও সুর - বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)। কথা, সুর ও কণ্ঠ - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)
১৯৯২ সালে প্রকাশিত “ঝিম ঝিম নিশা লাগে” ক্যাসেট এর গান। গানটি শুনুন নীচে প্লেয়াকে ক্লিক করে . . .।
ঝিম ঝিম নিশা লাগে মহুয়ার বনেতে
সাজ সাজ রণসাজে য্যাইতে হবেক রণেতে
ঝিম ঝিম নিশা লাগে

ম্যাইরেছি বহুত হাতি-ভালুক-বাঘ-বনশুয়ার
ম্যাইরব ইবার শালা ক্ষেতি-লুটা জমিদার
ঝিম ঝিম নিশা লাগে

ও সিধু –  
ও কানু –
ও বিরশা –  
লে সিধু, গাঁইতি উঠা - লে কানু, শাবল উঠা
লে সিধু, টাঙ্গি উঠা – লে কানু, কুড়াল উঠা
লুটা রে, ই মাটিতে জমিদারি-রাজ লুটা
লে তুহর গাঁইতি উঠা – লে তুহর শাবল উঠা
লে তুহর টাঙ্গি উঠা – লে তুহর কুড়াল উঠা

ই ক্ষেতি ই ধান হামার, ই দেশ হামার বোল্‌ রে বোল্‌
বিরশা হুকুম পাড়ে, খোল রে তুহর বাঁধন খোল
ঝিম ঝিম নিশা লাগে
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
ঝিম ঝিম নিশা লাগে মহুয়ার বনেতে
সাজ সাজ রণসাজে য্যাইতে হবেক রণেতে
ঝিম ঝিম নিশা লাগে...
সুদূর বাঁকুড়া থেকে কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। ১৯৯৩ সালে
প্রকাশিত “জীবনের গানে তুই ফিরে আয়” ক্যাসেট এর গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
folkways4 YouTube Channel.
সুদূর বাঁকুড়া থেকে দূর পুরুলিয়া থেকে
রুখা শুখা ছেলেরা গান গায়
মাঠের আগুন থেকে প্রাণের ফাগুন থেকে
রুখা শুখা ছেলেরা গান গায়
পলাশের গান গায় শিমুলের গান গায়
শিমুলের সাদা তুলো কীভাবে যে উড়ে এল
উড়ে এল এ শহর কলকাতায়

কলকাতা কত আর ঝিমোবি তুই
কলকাতা কত আর ঘুমোবি তুই
ব্লু জিন্‌স – ব্যাগিসার্ট – প্যারালেল – বয়কাট
বিলিতি হুইস্কি আর ড্রাগের নেশায়

সুদূর বনগাঁ থেকে সুন্দরবন থেকে
নোনা ধরা ছেলেরা গান গায়
নিজন নিঝুম থেকে জাগরণ, ঘুম থেকে
নোনা ধরা ছেলেরা গান গায়
সুনীলের গান গায় সাগরের গান গায়
সাগরের সাদা ফেনা মেলে দিল শত ডানা
উড়ে এল এ শহর কলকাতায়
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কলকাতা কত আর ঝিমোবি তুই
কলকাতা কত আর ঘুমোবি তুই
এ সি মার্কেট আর স্টার টি ভি – ভি সি আর
ব্লু ফিল্মের নীল বিষের নেশায়

আকাশ – প্রান্তর – নদী হোক গান তোর
জীবনের গানে তুই ফিরে আয়
একটি শিশু কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত
“নাগরিক” ক্যাসেট এর গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
d0oOt /ডট YouTube Channel.
একটি শিশু রিকশা চালায়  
একটি শিশু ইস্কুলে যায়
        সেই রিকশায় চড়ে
ইস্কুলে সে পড়ে, আহা পড়ে –
লেখা-পড়া করে যেইজন
        সেইজন গাড়ি-ঘোড়া চড়ে

একটি শিশু রিকশা চড়ে, একটি শিশু রিকশা টানে
দুটি শিশু দাঁড়ায় এসে মুখোমুখি আমার গানে

একটি শিশু গেলাস সাজায়  
একটি শিশু বোর্নভিটা খায়
           সেই গেলাসে করে
নীতি-কথায় পড়ে, আহা পড়ে –
জীবে প্রেম করে যেইজন
           সেইজন সেবিছে ঈশ্বরে

একটি শিশু বোর্নভিটা খায়, একটি শিশু বাসন মাজে
দুটি শিশু পাশাপাশি কিছুতেই আসে না যে

একটি দিবস শিশু দিবস, একটি শিশুর কথা শোন –
নেকা-পড়া করতি বলে, নেকা-পড়া করবো কি রে
পেটে নাই দানা-পানি, না-খেয়ে মরবো কি রে
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
বল গে হতচ্ছাড়া, বল গে ছুঁচো, পাজি
ঠোঙা বেঁচে পয়সা পেলে, আমি বই ছিঁড়তে রাজি
ভিক্ষা চাইলে ভিক্ষা দেয় না, ভিক্ষা চাইলে ভিক্ষা দেয় না
বলে, খেটে খাও – খাটো
কেউবা আবার খাটতে নেয় না, খাটতে চাইলে খাটতে নেয় না
বলে, সোনা তুই ছোট
কিন্তু আমার ছোট্ট পেটটা, আমার এই ছোট্ট পেটটা
ভরবে কেমন করে  –  কোথাও যদি একটু বলা হোত –

একটি দিবস শিশু দিবস, একটি শিশুর কথা শোন –
কান পাতো কান পাতো
হাজার শিশুর কথা শোন, লক্ষ শিশুর কথা শোন –
কান পাতো কান পাতো
একই চাঁদ ওঠে কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। ২০০০ সালে
প্রকাশিত “এলোমেলো বৃষ্টি” ক্যাসেট এর গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
Sourastra Das YouTube Channel
একই চাঁদ ওঠে রাশ-পূর্ণিমায়
একই চাঁদ ওঠে ঈদে
একই সে বেদনা মাথা কুটে মরে
মন্দিরে, মসজিদে

একই সে মানুষ –
ভাঙা-চোরা মুখ
একই সে মানুষ –
বেঁকে যাওয়া, ন্যুব্জ
একই আকাশের নিচে আমাদের
জঠরের একই খিদে

কেন অকারণ কেন এ মারণ
কেন এ মরণখেলা
হাসে যুদ্ধের ফেরিওয়ালা
হাসে মৃত্যুর ফেরিওয়ালা

একই সে মানুষ –
একই প্রাণ-মন
একই সে মানুষ –
একই নিপীড়ন
একই গান বাঁধে বাউল ফকির
দরবেশ মুরশিদে
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
একই চাঁদ ওঠে রাশ-পূর্ণিমায়
একই চাঁদ ওঠে ঈদে
একই সে বেদনা মাথা কুটে মরে
মন্দিরে, মসজিদে
ই কাদা পায়ের ছাপ কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল।।
২০০২ সালে প্রকাশিত “ডুলুং নদির জলে” ক্যাসেট এর গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
d0oOt /ডট YouTube Channel.
ই কাদা পায়ের ছাপ
ই তেরছা পায়ের ছাপ
দেইখে সইরে দাঁড়ায় সাপ
আল-কেউটা, খড়িশ সাপ
হিঙ্গুল-পিঙ্গল-জঙ্গলঘাঁটি
চন্দন-টিকা চন্দন-মাটি – হা
ই লদি হামাদের
ই জঙ্গল হামাদের
ই জমিন হামাদের
ই ফসল হামাদের
কুঁকড়া-কক্কর-কাঁকরমাটি
মেঝেনমেইয়ে-মরদ বটি – হা
ই দেশ হামাদের
ই দেশ হামাদের

হামরা আইসছি হে –
সঙ্গে ধামসা-মাদল
হামরা আইসছি –
সঙ্গে-সঙ্গ বাবলাকাঁটা
আরে ভাল্‌ কেনে ইদিকপানে – ইদিকে –  
সঙ্গে বাঁশির ছোবল
ই কুহর কাটাইয়ে হামরা আইসছি –
সঙ্গে-সঙ্গ ইঁটের ভাটা
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
ই ইঁট-ভাটির হাত
ই আঙরা-খাকী হাত
দেইখে কাঁইপছে কুহর রাত
ই কুটিল কুহর রাত
হিঙ্গুল-পিঙ্গল-জঙ্গলঘাঁটি
চন্দন-টিকা চন্দন-মাটি – হা
ই পাহাড় হামাদের
ই জঙ্গল হামাদের
ই জমিন হামাদের
ই ফসল হামাদের
কুঁকড়া-কক্কর-কাঁকরমাটি
মেঝেনমেইয়ে-মরদ বটি – হা
ই দেশ হামাদের
ই দেশ হামাদের

হামরা আইসছি হে –
উলকি-উলু-মুলুকমাটি  
উলকি-উলু-মুলুকমাটি…
বাংলায় গান কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল।। ২০০৬ সালে প্রকাশিত “গানের
পাখিরা” সিডি-র গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
Bipul Chakraborty - Topic YouTube Channel.
বাংলায় গান গেয়েছি আমরা, গান গাই আজো বাংলাতেই
তবু, বলতেই হবে বাংলা আজকে আগেকার সেই বাংলা নেই

বাংলা শরীরে চাপিয়েছে জিনস ধুতি কামিজের পাশে
জিনস পরা কিছু ছেলে মেয়ে দেখি বাংলাকে ভালবাসে
কী বা ভালো কী বা মন্দ
তাই নিয়ে চলে দন্দ্ব     চলুক চলুক
আমি রেখে যাই আমার দুঃখ উলুক ঝুলুক
আমাদের এই বঙ্গে পোষাক ছিল না যাদের অঙ্গে
পোষাক বলতে তাদের তো আজও কিছুই নেই

কত রকমের খাবার দাবার, বারগার চাউমিন
পা বাড়ালেই বেদুইন, হাত বাড়ালেই ক্যাথলিন
কত রকমের খাবার দাবার কত যে রান্না বান্না
কিন্তু তোমার খাবারে মিশছে পথশিশুদের কান্না

বাংলার হাসি হেসেছে ক্রিকেটে সৌরভ গাঙ্গুলি
কোথায় হারিয়ে গিয়েছে হা-ডু-ডু কোথায় বা ডাংগুলি
কী বা ভালো কী বা মন্দ
তাই নিয়ে চলে দন্দ্ব     চলুক চলুক
আমি রেখে যাই আমার দুঃখ উলুক ঝুলুক
আমাদের এই বঙ্গে খেলা ছিল তো ধুলোর সঙ্গে
খেলা আছে আজ এ কোন খেলায়, ধুলো যে নেই
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
বাংলায় গান গেয়েছি আমরা গান গাই আজো বাংলাতেই
তবু, বলতেই হবে বাংলা আজকে আগেকার সেই বাংলা নেই
ওরা ভগৎ সিং এর ভাই, ওরা ক্ষুদিরামের ভাই
কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। ২০০৬ সালে প্রকাশিত “গানের পাখিরা” সিডি-র গান।
ভিডিওটি সৌজন্যে
Peoples Film Collective YouTube Channel.
ওরা ভগৎ সিং এর ভাই, ওরা ক্ষুদিরামের ভাই,
সমস্ত রাজবন্দীদের মুক্তি চাই।

ওরা দেশের কাজে জেলে গেছে, অন্য কাজে নয়।
ওরা জেলে বসে এখনও সেই দেশের কথাই কয়।
ওরা সিধু কানুর ভাই, ওরা তিতুমীরের ভাই,
সমস্ত রাজবন্দীদের মুক্তি চাই।

ওরে নরম গরম ফারাক কেন গণতন্ত্র যদি
এখন মজার নানা তালবাহানা তুই পেয়েছিস বুঝি
কিন্তু তিরিশ সালের আগে ওদের চুক্তি ছিল তাই
সমস্ত রাজবন্দীদের মুক্তি চাই।

এবার কোন আইনের বলে ওদের রাখবি তোরা বল
দেশের জনগণ যে দুষছে তোদের হিম্মতে অটল
এ সব কালা কানুন ছিঁড়ে ফেল পুড়িয়ে কর ছাই
সমস্ত রাজবন্দীদের মুক্তি চাই।

ওরা ভগৎ সিং এর ভাই, ওরা ক্ষুদিরামের ভাই,
ওরা সিধু কানুর ভাই, ওরা তিতুমীরের ভাই,
সমস্ত রাজবন্দীদের মুক্তি চাই।
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
আমরা দেব বোবাকে ধ্বনি
কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। ২০০৬ সালে প্রকাশিত
“আমরা হাঁটি যেখানে মাটি” সিডি-র গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
dharasahasra YouTube Channel.
আমরা দেবো বোবাকে ধ্বনি
কথা ও সুর – বিপুল চক্রবর্তী

আমরা দেবো বোবাকে ধ্বনি
খোঁড়াকে দ্রুত ছন্দ
অসম্ভবের পথে হেঁটেই
আমাদের আনন্দ

দু-হাত ভরে ভোরের মাঠে
সূর্য ছড়ায় সোনা
মুক্তো ছড়ায় অন্ধকারে
লক্ষ লক্ষ জোনাক
দেখতে যারা পায় না, তারা
চোখ থাকতে অন্ধ

আমরা দেবো বোবাকে ধ্বনি
খোঁড়াকে দ্রুত ছন্দ
অসম্ভবের পথে হেঁটেই
আমাদের আনন্দ
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
মাথার ওপর খোলা আকাশ
পায়ের নিচে মাটি
মিলেছি এই ছাতিমতলায়
গোটা আকাশ ছাতিম
আমরা হাঁটি যেখানে মাটি
মানি না প্রতিবন্ধ

আমরা দেবো বোবাকে ধ্বনি
খোঁড়াকে দ্রুত ছন্দ
অসম্ভবের পথে হেঁটেই
আমাদের আনন্দ
আন্ধারে কে গো
কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। গানটি শুনে লেখা, কিছু ভুল
থাকতে পারে। ভিডিওটি সৌজন্যে
srimilansengupta YouTube Channel.
আন্ধারে কে গো, আন্ধারে কে
বসি একা ফেল চোখের জল

জমিদারে মারছে তোর মরদ বুঝি
সাধের জমি নিছে রে দখল
আন্ধারে কে গো, আন্ধারে কে
বসি একা ফেল চোখের জল

জমিদারে মারছে তোর মরদ বুঝি
টানছে রে তোর বুকেরি আঁচল
আন্ধারে কে গো, আন্ধারে কে
বসি একা ফেল চোখের জল

দিম দিম দিদাম্ দিদাম্
দিম্ দিমি দিম্ দিদাম্ দিদাম্
দিম দিম দিদাম্ দিদাম্
দিম্ দিমি দিম্ দিদাম্ দিদাম্
লড়াই হাঁকে গো, লড়াই হাঁকে
দিদাম্ দিদাম্ বাজিছে মাদল
লড়াই হাঁকে গো, লড়াই হাঁকে
দিদাম্ দিদাম্ বাজিছে মাদল
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কাঁদিস্ না তুই, কাঁদিস না লো
কাঁদিস্ না তুই
কাঁদিস্ না তুই, কাঁদিস না লো
কাঁদিস্ না তুই,
হকের জমি ছিনাই লিব চল
চলরে ভাইয়া, চলরে মরদ বল
হকের জমি ছিনাই নিব চল
আরে উঠা রে তুই উঠা রে তু বল
হকের জমি ছিনাই নিব চল
চলরে ভাইয়া, চলরে মরদ বল
হকের জমি ছিনাই নিব চল
বলো, ভুলতে কি পারি
কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। ২০০৬ সালে প্রকাশিত
“আমরা হাঁটি যেখানে মাটি” সিডি-র গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
Bipul Chakrabarti YouTube Channel.
বলো, ভুলতে কি পারি
বলো, ভুলতে কি পারি
সাথীদের খুনে রাঙা পথ
বলো, ভুলতে কি পারি
বলো, ভুলতে কি পারি
সাথীদের স্বপ্ন, শপথ

সাথীদের গানে গানে আগামীর আহ্বানে
চঞ্চল এই পথ, চঞ্চল
সাথীদের মায়েদের শিশুদের কান্নায়
ছলছল এই ছলছল

সাথীদের স্মৃতি আজও
মহাজীবনের কলরোলে
সাথীদের স্মৃতি আজও
আঁধারে মশাল হয়ে জ্বলে

সাথীদের প্রাণে প্রাণে মুক্তির সন্ধানে
উজ্জ্বল এই পথ, উজ্জ্বল
সাথীদের মায়েদের শিশুদের কান্নায়
ছলছল এই ছলছল
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
বলো, ভুলতে কি পারি
বলো, ভুলতে কি পারি
সাথীদের খুনে রাঙা পথ
বলো, ভুলতে কি পারি
বলো, ভুলতে কি পারি
সাথীদের স্বপ্ন, শপথ
বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে
কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। ২০০৬ সালে প্রকাশিত
“আমরা হাঁটি যেখানে মাটি” সিডি-র গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
Bipul Chakrabarti YouTube Channel.
বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে
তোমার স্বদেশ লুঠ হয়ে যায়
প্রতিদিন প্রতি রাতে
বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে
তোমার মাঠের ফসল কেন হে
পরের জাহাজে ওঠে
খুদকুঁড়ো শুধু তোমার জন্যে
তাও কি দুবেলা জোটে
তোমার কয়লা লোহা কেন যায়
আমেরিকা রাশিয়াতে
বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে
তোমার বুকে উপুর চাপানো
বিরাট পাষাণ ভার
তোমাকে পিষছে দেশের মাটিতে
পুঁজিপতি জমিদার
তোমার বাঁপাশে ডান পাশে সাখি
উদ্ধত বেয়োনেট
দুশমনদের শাবাস জানায়
মারকিন সোভিয়েত
বিদেশী ঘাতক মেলায় যে হাত
দেশী ঘাতকের সাথে
বিরুদ্ধতার চাবুক ওঠাও হাতে
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
মে দিন এ দেশে প্রতিটি দিনই তো মেদিন
কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। ২০০৬ সালে প্রকাশিত “আমরা হাঁটি যেখানে
মাটি” সিডি-র গান। ভিডিওটি সৌজন্যে
Bipul Chakrabarti YouTube Channel.
ডাকে মে দিন, ডাকে মে দিন, ডাকে মে দিন
হাঁকে মে দিন, হাঁকে মে দিন, হাঁকে মে দিন

মে দিন এ দেশে প্রতিটি দিনই তো মেদিন
মে দিন এ দেশে প্রতিটি দিনই তো মেদিন
যে সকাল যে সন্ধ্যা রাত্রি শোষিতের খুনে লাল
মে দিনের গানে স্লোগানে কাঁপুক সে দিন
মে দিন এ দেশে প্রতিটি দিনই তো মেদিন

হতাশার দিন দূর হটুক, ডাকে মে দিন
দিকে দিকে মজদুর উঠুক, হাঁকে মে দিন
লাখো শহীদের লাল খুনে লাল, নিশানে কাঁপুক মেদিন
মে দিন এ দেশে প্রতিটি দিনই তো মেদিন
মে দিন এ দেশে প্রতিটি দিনই তো মেদিন

হে মার্কেটে এক দিন সাথি প্রাণ দিয়েছিল যারা
তাদেরই রক্তে মাথা তোলে আজ দেশে দেশে সবহারা
দেরি নয় দেরি নয় সাথি আর, ডাকে মে দিন
গড়ে তোলো গড়ে তোলো হাতিয়ার, হাঁকে মে দিন
জোটের জোয়ারে শেকল ভাঙার শপথে কাঁপুক মে দিন
মে দিন এ দেশে প্রতিটি দিনই তো মেদিন
মে দিন এ দেশে প্রতিটি দিনই তো মেদিন
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
যে সকাল যে সন্ধ্যা রাত্রি শোষিতের খুনে লাল
মে দিনের গানে স্লোগানে কাঁপুক সে দিন
মে দিন এ দেশে প্রতিটি দিনই তো মেদিন
ডাকে মে দিন, ডাকে মে দিন, ডাকে মে দিন
হাঁকে মে দিন, হাঁকে মে দিন, হাঁকে মে দিন
কেন খরা ও বন্যা আসে বছর বছর
কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। গানটি শুনে লেখা। ভিডিওটি সৌজন্যে Bipul Chakrabarti YouTube
Channel.
কেন খরা ও বন্যা আসে বছর বছর
দাও আজ জবাব দাও
কেন ভাঙে ভিটে বাড়ী ভাসে গ্রাম ও শহর
দাও আজ জবাব দাও
মায়া কান্নায় ভুলবো না শোষণের বঞ্চনা
দাও আজ জবাব দাও

হায় কত যে বছর পার আমরা স্বাধীন
কত যে বছর হয় পার
তবু চোখের জলেই ভাসে রাত্রি ও দিন
মারী ও মরণ হাহাকার
চোখের জলেই ভাসে রাত্রি ও দিন
মারী ও মরণ হাহাকার
বলি, কুশাসনে বলে তবে করলে টা কি
দাও আজ জবাব দাও
বলি আর কত কাল বল চলবে ফাঁকি
দাও আজ জবাব দাও
মায়া কান্নায় ভুলবো না শোষণের বঞ্চনা
দাও আজ জবাব দাও
দাও আজ জবাব দাও
যে নদী হোয়াংহো ছিল দুঃখ চীনের
আজ তাও বুঝে দেয় সুখ
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
জলের ধারায় ভাসে ফসলের গান
আর নাচে জল-বিদ্যুৎ
হায় গঙ্গা যমুনা তবু আজও অভিষাপ
গঙ্গা যমুনা তবু হায়
আহা কত প্রাণ মুছে যায় কে রাখে হিসাব
নিষ্ঠুর এ ভরা বন্যায়
কত প্রাণ মুছে যায় কে রাখে হিসাব
নিষ্ঠুর এ ভরা বন্যায়
বলি কেন এ মৃত্যু অসহায়ের মতন
দাও আজ জবাব দাও
বলি পশুরো অধম আজি কেন এ জীবন
দাও আজ জবাব দাও
মায়া কান্নায় ভুলবো না শোষণের বঞ্চনা
দাও আজ জবাব দাও
কেন খরা ও বন্যা আসে বছর বছর
দাও আজ জবাব দাও
কেন ভাঙে ভিটে বাড়ী ভাসে গ্রাম ও শহর
দাও আজ জবাব দাও
মানুষের হাতে গড়া মানুষের দেবতারা
কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫), কণ্ঠ - অনুশ্রী-বিপুল। ২০০৬ সালে প্রকাশিত “আমরা হাঁটি
যেখানে মাটি” সিডি-র গান। গানটি শুনুন প্লেয়ারে ক্লিক করে . . .।
মানুষের হাতে গড়া মানুষের দেবতারা
মানুষের মতন সবাই
উদ্ভট, আজে বাজে প্রশ্নেরা মাঝে মাঝে
এ মগজে ভীড় করে তাই

ভাবি একটি ঘোড়ার যদি জানা থাকত
খোদাই করার জাদুবিদ্যা
তবে তার গড়া ঈশ্বর কেমন হোত –
হোত কি ঘোড়ার মতো ঠিক তা

মাঝে মাঝে মাঝরাতে স্বপ্নের বিছানাতে
গাধা এক, দেখি ছবি আঁকে দেবতার
আঁকা তার শেষ হলে, হায় রে, তা হাতে তুলে
দেখি সে এঁকেছে ছবি একটি গাধার

ভাবি সত্যি গাধার যদি জানা থাকত
তূলি ধরবার জাদুবিদ্যা
তবে তার আঁকা ঈশ্বর কেমন হোত –
হোত কি গাধার মতো ঠিক তা
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
মানুষের হাতে গড়া মানুষের দেবতারা
মানুষের মতন সবাই
উদ্ভট, আজে বাজে প্রশ্নেরা মাঝে মাঝে
এ মগজে ভীড় করে তাই
আর কতকাল, বন্ধু
কথা ও সুর - কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)
আর কতকাল, বন্ধু
আর কতকাল
এই অপমান, বন্ধু
আর কতকাল

বানে ডুবে খরায় জ্বলে
তবু জীবন মাথা তোলে
সয় না রে, তাই চুপি চুপি
মরণ কাটে খাল
কখনও চাষনালা, বন্ধু
কখনও ভূপাল

আর কতকাল, বন্ধু
আর কতকাল
এই অপমান, বন্ধু
আর কতকাল
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
নিজ-দেশে পরবাসী
জীবন জুড়ে মরণ-ফাঁসি
দিন বদলায় সন বদলায়
বদলায় না আর হাল
কখনও চাষনালা, বন্ধু
কখনও ভূপাল

আর কতকাল, বন্ধু
আর কতকাল
এই অপমান, বন্ধু
আর কতকাল...
কইলকাতা শহরে
কথা ও সুর – কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)
কইলকাতা শহরে
সিধু-কানু ডহরে
সিধু-কানু নাই
সিধু-কানু নাই

কেনে মিছা আনালি
কইলকাতা শহরে
কেনে বোকা বানালি
কইলকাতা শহরে

ঘুইরে ফিরে সাহেবরা
মহাজন, নায়েবরা
সিধু-কানু নাই
সিধু-কানু নাই
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কুথা গেলি ভাই রে
ও চাঁদ, ও ভৈরো
কুথা গেলি, আয় রে
ও চাঁদ, ও ভৈরো

শালে শালে, পলাশে
সিধু-কানুর তলাশে
চল ফিরে যাই
চল ফিরে যাই
শাসকের গান কবি বিপুল চক্রবর্তী (জন্ম ২৫.৩.১৯৫৫)। ২০১৯ সালে প্রকাশিত কবি
সব্যসাচী দেব সম্পাদিত "এসো মুক্ত করো" কবিতা সংকলন গ্রন্থের কবিতা।
কাদের. খাদ্য জোটে না, একথা তোমরা বলার কারা হে__
দাড়াও, দেখছি, তোমাদের যেন একটি দানাও না-জোটে
বাম তাডিয়েছি, অতি-বামকেও দিতে তো হবেই তাড়ায়ে
আপাতত, জেনো, কথা বললেই সোজা পুরে দেবো হাজতে

শৃঙ্খলা চাই--শৃঙ্খলা চাই- শৃঙ্খল চাই তাইতে
আমরা এসেছি সুশীলের স্বরে শাসনের গান গাইতে

মার্জ-লেনিনের পুজো চাও যদি, তাও দিতে পারি সাজিয়ে
আমাদের কাছে রয়েছে তেমন অনেক পুরুত-পাণ্ডা
ঝামেলা ক'রো না, ঝামেলা করলে তুলতেই হবে ডাণ্ডা

শৃঙ্খলা চাই__শৃঙ্লা চাই__শৃঙ্খল চাই তাইতে

রাম আছে থাক, রাম আমাদেরও, রামে অত ভয়ডর কি
শিশুকাল থেকে “রাম রাম" ব'লে ভুত তাড়িয়েছি আমরা
উহাদের রাম ধনুক লইলে, আমাদের রাম সড়কি

হাতে তুলে নেবে, কিছুতেই যেন না-আসে কোথাও বামরা

শৃঙ্খলা চাই- শৃঙ্খলা চাই- শৃঙ্খল চাই তাইতে
আমরা এসেছি সুশীলের স্বরে শাসনের গান গাইতে
কবি বিপুল চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
অনুশ্রী-বিপুলের
মিলনসাগরে গানের পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
বর্গি হানা ২০০৬
কবি মৃদুল দাশগুপ্ত (জন্ম ৩.৪.১৯৫৫)। সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের
প্রতিবাদী কবিতা। এই কবিতাটি হুগলী জেলা থেকে প্রকাশিত পাক্ষিক
'প্রতিপক্ষ' পত্রিকাতে ১৬ - ৩০ এপ্রিল ২০০৭ সংখ্যায় প্রকাশিত
হয়েছিল।
ওরা যদি এসে গায়ে হাত দেয়
মা-র কোল থেকে শিশু কেড়ে নেয়
শুরু হলে সেই কালো অধ্যায়
আমি বলবোই --- এটা অন্যায়।

সেই যুগ যদি এই যুগে আসে
গ্রামগুলি কাঁপে খাকি সন্ত্রাসে
ঘোরতর সেই সর্বনাশে
কৃষিজমি যায় নগরের গ্রাসে
আমি বলবোই --- সেটা অন্যায়।

ধনখেতে যদি নামে রাজ হাতি
অতি বিদ্যুতে নেভে দীপবাতি
শুরু হয়ে যায় বর্গী ডাকাতি
ফের এলে সেই কালো অধ্যায়
আমি বলবোই --- সেটা অন্যায়।
কবি মৃদুল দাশগুপ্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
ক্রন্দনরতা জননীর পাশে
কবি মৃদুল দাশগুপ্ত (জন্ম ৩.৪.১৯৫৫)। সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের
প্রতিবাদী কবিতা। এই কবিতাটি 'পর্বান্তর' পত্রিকাতে মে-আগস্ট
২০০৭ এর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।
ক্রন্দনরতা জননীর পাশে
এখন যদি না থাকি
কেন তবে লেখা, কেন গান গাওয়া
কেন তবে আঁকাআঁকি?

নিহত ভাইয়ের শবদেহ দেখে
যদি না-ই হয় ক্রোধ
কেন ভালবাসা, কেন বা সমাজ
কিসের মূল্যবোধ !

যে মেয়ে নিখোঁজ, ছিন্নভিন্ন
জঙ্গলে তাকে পেয়ে
আমি কি তাকাব আকাশের দিকে
বিধির বিচার চেয়ে?

আমি তা পারি না | যা পারি কেবল
সেই কবিতায় জাগে
আমার বিবেক, আমার বারুদ
বিস্ফোরণের আগে।
কবি মৃদুল দাশগুপ্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
ধানখেত থেকে
কবি মৃদুল দাশগুপ্ত (জন্ম ৩.৪.১৯৫৫)।সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের
প্রতিবাদী কবিতা। এই কবিতাটি ৯/৩ ট্যামার লেন, কলকাতা-
৭০০০০৯ থেকে প্রকাশিত “কবিসম্মেলন” পত্রিকার জানুয়ারী ২০০৭
এর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।

কিশোর ধানের চারা, শিশু ধান
ওড়ে ধর্মবক
উদ্বেগে তাকিয়ে থাকি
আমিও তো কবিতা-কৃষক।


দানব জেগেছে আজ
কী অবাক, তারও
দুটো হাত
ঠেলা দাও
হয়ে যাবে কাৎ।


রাজা ধানখেতে ছুটিয়েছে
ঘোড়া
হতাহত পড়ে আছে
কেউ বা বুলেটে বেঁধা
কেউ আধপোড়া।
কবি মৃদুল দাশগুপ্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
ভরে গেছে বিষ
কবি গৌতম দত্ত (জন্ম ৯.৪.১৯৫৬)। মিলনসাগরের করোনা ভাইরাস ও
পরিযায়ী শ্রমিকের দেয়ালিকায় ২৮.৪.২০২১ তারিখে তোলা কবিতা।
রচনা ২৪ এপ্রিল, ২০২১।
তর্ক কোরো না –
শুধু সতর্ক হও
.
বাতাসে উড়ছে শুধু বিষ –
আর ভাষণের অহর্নিশ চিৎকার
এ দেশ কার !  ভেবে নিও শুধু
.
শ্বাসবায়ু বিক্রি চলে বাজারে বাজারে
অন্ধকারে     গোপনে দাম ওঠে
পড়ে যে যেমন পারে
লাভ বুঝে নেয় অচেতন অন্তরে
.
এই দেশ চেয়েছিলে বুঝি উল্লাসকর !
ভাঙা ঘটি বাটি হাতে মাঠের ওপর
দল বেঁধে সারি সারি মাথা
গুণতিতে গাঁথা আঙুলের চাপ
তিনরঙা কাপড় ওড়ে খোঁয়ারে ভাগাড়ে
অগুন্তি সাদা সাদা লাশ বেহিসেবি
অংকের গড়ে !
.
মাস্ক নাও মুখের ওপরে।
কবি গৌতম দত্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
রাজা কবি গৌতম দত্ত (জন্ম ৯.৪.১৯৫৬)। মিলনসাগরের করোনা ভাইরাস ও পরিযায়ী
শ্রমিকের দেয়ালিকায় ২৮.৪.২০২১ তারিখে তোলা কবিতা। রচনা ২৫ এপ্রিল, ২০২১।
চুপ করো –
থামো শব্দহীন হও
যা বলছি শোনো
রাজার বিকল্প নেই কোনও
.
মহাশ্মশানের সংজ্ঞা বদলে দিয়েছি দেখো
মাঠ ঘাট ফুটপাথ আজ
লাশের আঁচে কি সহজ রঙিন
সারা দিন খোঁড়ো
যে যেখানে পারো যতখানি
কবরের মাপ  
মৃতের অভাব নেই
চারদিকে আগুনের তাপ।

বেওসায়ী শোনো ---
লুটে নাও যত পারো
বাধা নেই কোনো      শুধু
চাঁদাটুকু দিয়ে যেও সঠিক অফিসে
তাহলেই ঠিকঠাক সবকিছু
কত অনায়াসে

মাস্ক নিও অন্তত
পোড়া এই দেশে
শুন্য সাহসে।
কবি গৌতম দত্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
মাতৃভূমি কবি গৌতম দত্ত (জন্ম ৯.৪.১৯৫৬)। মিলনসাগরের জন্য কবির পাঠানো
কবিতা, ২০১৫ সাল।
কু ঝিক ঝিক স্মৃতির মননে আজ,  
তান্ডব লীলা উড্ডীন গরিয়ান-
স্বপ্ন বিগত, হারিয়েছে বহুদূরে -
অপু দূর্গার হাসিমাখা মুখ ম্লান।

অধিকার আজ ঝান্ডার ঝড়ে উঁচু
স্পর্ধিত মুখ কালো মুখোশেতে ঢাকা ;
পরমাত্মীয় পর হয়ে আসে পথে
কু ঝিক ঝিকে চলে দ্রুতগামী চাকা।

উপলখন্ড হাতে হাতে ফেরে দেখি -
শত-অর্জুন নিবিড় লক্ষ্যে স্থির,
যুদ্ধে হাজির কত না দ্বিপদজন ;
পিছনে কি তবে রাজনীতি গম্ভীর ?

“পুরুষোত্তম” শব্দটা বেঁচে আছে ?
কোন অভিধান কি মানে লিখছে আজ,
নতুন শতকে সবকিছু বদলেছে –
বিপ্লব আজ স্থবির ডাকের সাজ।

তবুতো এখনো মাঝে মাঝে যেন শুনি –
চেতনা আনবে মুক্তি এ পোড়া দেশে।
আধুনিক যত জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিয়ে,
ভুল হয়েছিল স্বীকৃত অবশেষে।
কবি গৌতম দত্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
যাপিত জীবন দিন দিন অধোগামী,
মা বোন ঠাকুমা দিদিমারা ভয়ে বাঁচে –
মাঠে ঘাটে পথে শিকারী শিয়াল জনে, -
এই বুঝি ফেলে গনগনে লাল আঁচে।

নারী শুধু নারী, নারী চাই শুধু রোজ –
যেভাবেই হোক, মারো, ধরো, দাও ফেলে
ঘরে বা বাইরে ধর্ষিতা প্রতি ক্ষণে,
সংখ্যাতত্ত্বে সংখ্যা মাপাই চলে।

জাতীয় লিষ্টে আমাদেরো পরে আছে
সান্ধ্য মেজাজে কত না বক্তা বকে ;
রাত নামলেই সেই নেতা করে খোঁজ
তার মেয়েটা কি ফিরেছে কলেজ থেকে !

দ্বিচারিতা আর চলবে না বেশিদিন –
জাগছে মানুষ, হটবেই নানা মত,
সব শ্রীমতীই যেন ঘরে ফেরে রোজ
এই শপথেই মিলবেই জানি পথ।
স্বাধীনতা কবি গৌতম দত্ত (জন্ম ৯.৪.১৯৫৬)। মিলনসাগরের জন্য কবির পাঠানো কবিতা, ২০১৫ সাল।
স্বাধীনতা মানে নেশায় গভীর রাত,
স্বাধীনতা মানে গলায় তরল জ্বালা –
স্বাধীনতা মানে মাইক ফাটানো ব্যথা,
স্বাধীনতা মানে রাইসের চাঁদ-মালা।

স্বাধীনতা কবে এসেছিল,- মনে পড়ে?
আকাশে কি ছিল বারুদের বোঝাপড়া?
কি জানি এখন, আমরা তো মৃতপ্রায় –
ইতিহাস শুধু নেতাদের মন গড়া।

ক্ষুদিরাম নাকি গ্যাস খেয়ে পেল ফাঁসী –
যতীন্দ্রনাথ আজো কি আছেন বেঁচে?
স্বপ্নে যদি বা চাটগাঁ কখনো আসে –
টনটনে মনে ক্ষোভ আসে নেচে নেচে।

কচিকাঁচা আজ নেতাজী বলতে বোঝে,
পকেটে গোলাপ শিশুদের নিয়ে খেলা -  
আমরাও তাই স্মৃতিকে দিয়েছি ঠেলে –
গোপন গুদামে পচে মরে কথামালা।

বিপ্লবী সব সন্ত্রাসবাদী, লোকে বলে,
রাসবিহারী’র টিকিও পারেনি ছুঁতে -
সুভাষ কি করে কোথায় হারিয়ে গেল?  
বিনয় বাদল দীনেশে’রা বি-বা-দী’তে।
কবি গৌতম দত্ত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
টিকটিকিগুলো আজো পেনশন পায় –
কত না বিধবা বাড়ীর বাসন মাজে,
তাঁদের স্বামীর রঙীন নকশীকাঁথা –
কেঁদে কেঁদে ফেরে তাঁদের মনের মাঝে।

ঝুটা আজাদীর সেই সব বুলি আজ,
আলকাতরার কালো রঙ দিয়ে মেখে –
প্রশ্ন শুধোয়; কারা কবে বলেছিল?
নির্‌লজ্জতা হেসে ফেলে মুখ ঢেকে।

আরো আছে কথা, তোজোর কুকুর আজ-
নিজের বানানো দলের ঘরেতে ছবি।
দেখিনা বলতে, “ইতিহাস খুঁড়ে দেখো”,
মিলে মিশে আজ একতারে বাঁধা সব’ই।

স্বাধীনতা মানে দেখেছি লড়াই কতো !
স্বাধীনতা মানে  চুক্তির আলপনা?
স্বাধীনতা মানে টুকরো টুকরো দেশ?
স্বাধীনতা মানে শুধুই কি দিন গোনা।

স্বাধীনতা শুধু বিভেদ বাড়ায় কেন?
কেন স্বাধীনতা রাস্তায় ছেঁড়া শাড়ী?
দুমুঠো ভাতের কেন স্বাধীনতা নেই?
খরা বন্যায় বারে বারে মহামারী?
স্বাধীনতা শুধু খদ্দরে মেলে পাখা?
স্বাধীনতা কেন চরকায় সূতো বোনে?
স্বাধীনতা আজ ভেঁপুটি বাজিয়ে চলা?
কেন স্বাধীনতা সবে’তে বিভেদ আনে?

স্বাধীনতা আজ চুক্তির নোটে ভরা –
দেয়নি শিক্ষা, দেয়নি ঘরের আলো।
তাইতো এমন লুকোচুরি খেলা আজ,
স্বাধীনতা শুধু শ্লোগানে’তে জমকালো।
আগুন লাগা শরীর নিয়ে যদি
কবি অনিতা অগ্নিহোত্রী (জন্ম ১০.১০.১৯৫৬)
আগুন-লাগা শরীর নিয়ে যদি
জ্বলতে জ্বলতে তোমার বাড়ি আসি
ভেজা বাতাস জড়িয়ে দিও গায়ে
ভয় পাবে না, ঘরপোড়া সন্ন্যাসী

সরিয়ে নিও পুড়তে পারে যা যা
আসবাব আর জীবন-জোড়া ফাঁকা
তুষের কাঁথা খড়ের কঙ্কালে,
ঝাঁপির বেত, ঘাসের আংরাখা।

জ্বলছে জ্বলছে সলতে-পোড়া প্রাণ
পুড়ছে হাড় পুড়ছে শিরদাঁড়া
চোখের কোটর আলজিভ আর নাভি
হতভম্ব দাঁড়িয়ে আছে পাড়া।

এক ফোটা জল, এক ছিঁটে জল কেউ
দেয় না, কত তেষ্টা জীবন জুড়ে
একটু নরম ছায়ার অন্য পাখি
উড়ছে ধু-ধু আগুন-পাঁচিল ঘুরে।

তোমার কাছে নয়নভরা জল
তোমার কাছে পদ্মজাগা বিলও
ভেজা-বাতাস, বৃষ্টি-নেভা রাত,
তোমার কোলেই মরণ লেখা ছিল।
কবি অনিতা
অগ্নিহোত্রী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
আগুন-লাগা শরীর নিয়ে যদি
জ্বলতে জ্বলতে তোমার কাছে যাই,
পাগল নদী জড়িয়ে দেবে গায়ে?
তারায় তারায় ছড়িয়ে দেবে ছাই?
এসেছি তোমার বাড়ি
কবি অনিতা অগ্নিহোত্রী (জন্ম ১০.১০.১৯৫৬)
এসেছি তোমার বাড়ি। কী দিবা, চিন্তামণি, খেতে
পেরিয়ে ধূসর পথ, উইঢিপি, ফণিমনসার
তর্কাতীত, গাঢ় সম্বন্ধতার সূচিমুখ, খুব খিদে
তোমার পুকুরে চাঁদ মরে ভেসে আছে দুঃখী
আতারা ঝুঁকে প’ড়ে দেখে আর মৃত্যুভয় পায়
ধানখেতে খুড়ে কারা রেখে গেছে শিশুর
কঙ্কাল : কপালে এখনো তার ধ্যাবড়ানো
কাজলের দাগ, মার অক্ষমতা ভালোবাসা হয়ে
ফুটে ওঠে মর্গের হাতায় : এসেছি তোমার
বাড়ি : কী দেবে, চিন্তামণি, পেতে
কাঁতা পাতো, পাহাড়, নদীর বুক, শালবন ঢাকা
একখানি, ছেঁড়া কাঁথা, তাতে কলকা পাকা আম
সফেদার কচি মুখ দিও, যাতে ওই দিনমজুরের
হাড় জাগায় বুক আর বেঁধে না মাজায়
রমণীর ছেঁড়া চটি সেফটিপিন অসাড় কনুই
ঘুমের নীচের স্তরে এই সব ভালো নয় থাকা
এসেছি তোমার বাড়ি : বহু সন্ধ্যা সকালের গন্ধ মাখা
অনেক ধূলির চেয়ে ধূলিসর : কী দিবে চিন্তামণি
কী আছে তোমার : ভাত নেই, কাঁথা নেই, একাকীর
বিফল সংসার। এসেছি তোমার কাছে, স্বর্গের পথে
ভাঙা ঘর। কপালে তিলক দাও, মৃত্তিকাধূসর
অন্নের চিন্তাকে দিও অঙ্কুরের সদ্যোজাত পাখা।
কবি অনিতা
অগ্নিহোত্রী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কাগজকুড়ানিদের জন্য গাথা কবি অনিতা অগ্নিহোত্রী
আমার মতো তুমিও যদি চুমুক দিতে
আয়না-ভাঙা পারার মতো বিষের কাপে
তুমিও দেখতে কুঁচকে যাচ্ছে রোদের কাঁথা
ছিটকে উঠছে রক্তমাখা ছিন্ন হাওয়াই
তুমিও দেখতে জীবন ঠোঁটে রুচছে না আর
হাড়ে মধ্যে শীতের ছুরি, পায়ের নীচে
কনকনে রাত, দিনের বেলা জুড়িয়ে বরফ
রোদ ও আকাশ সঙ্গে তাদের অট্টহাসি

সবচে বড় শ্রেণীশত্রু কারা : কাগজকুড়ানিরাই
বলেন নাগর : গুলিবারুদ বরাত দেওয়া হয়নি বলে
লাঠি এবং রক্ষিদলেই চালাতে হয়। রাত্রে তারা
স্তব্ধ শহর শাসন করে : উড়ালপুলের বিষ-কোটরে।

যদিও মানা উড়ালপুলে পদারোহণ
কুড়ানিরাই ছড়িয়ে পড়ে সদলবলে : এবং করে সমাজদূষণ
ফেলে দেওয়া আবর্জনা বাছতে বসে, চাঁদের আলোয়
শুকায় তাদের, খাদ্যবস্তু থাকলে সেঁটে কামড়িয়ে খায়
এখন তারা শক্ত। শীতল। মৃতদেহে। শহর আকাশ
দিন পনোরে বর্ষেছে শীত, রৌদ্রবিহীন
স্বাভাবিকের অনেক নীচে দুমড়ানো শীত, এসব
কাগজকুড়ানিদের ধ্বংস হেতু : সমাজদূষণ

বন্ধ করো, শীতের চেয়ে ক্ষিপ্র কে আর? সমাজবন্ধু!
মাথার উপর ছাত না থাকা ভবঘুরে!
কবি অনিতা
অগ্নিহোত্রী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১৬.১০.১৯৫৬ - ২১.৬.১৯৯১)। আমরা ভীষণভাবে কৃতজ্ঞ কাংলারকবিতা.
কম ওয়েবসাইটের কাছে, যেখান থেকে আমরা এই কবিতাটি পেয়েছি। সেই ওয়েবসাইটে যেতে
এখানে ক্লিক করুন . . .
তাঁর চোখ বাঁধা হলো।
বুটের প্রথম লাথি রক্তাক্ত করলো তার মুখ।
থ্যাতলানো ঠোঁটজোড়া লালা-রক্তে একাকার হলো,
জিভ নাড়তেই দুটো ভাঙা দাঁত ঝরে পড়লো কংক্রিটে।
মা...মাগ... চেঁচিয়ে উঠলো সে।

পাঁচশো পঞ্চান্ন মার্কা আধ-খাওয় একটা সিগারেট
প্রথমে স্পর্শ করলো তার বুক।
পোড়া মাংসের উৎকট গন্ধ ছড়িয়ে পড়লো ঘরের বাতাসে।
জ্বলন্ত সিগারেটের স্পর্শ
তার দেহে টসটসে আঙুরের মতো ফোস্কা তুলতে লাগলো।

দ্বিতীয় লাথিতে ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে গেলো দেহ,
এবার সে চিৎকার করতে পারলো না।

তাকে চিৎ করা হলো।
পেটের ওপর উঠে এলো দু’জোড়া বুট, কালো ও কর্কশ।
কারণ সে তার পাকস্থলির কষ্টের কথা বলেছিলো,
বলেছিলো অনাহার ও ক্ষুধার কথা।

সে তার দেহের বস্ত্রহীনতার কথা বলেছিলো-
বুঝি সে-কারণে
ফর ফর করে টেনে ছিঁড়ে নেয়া হলো তার সার্ট।
প্যান্ট খোলা হলো। সে এখন বিবস্ত্র, বীভৎস।
কবি রুদ্র মুহম্মদ
শহিদুল্লাহ
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
তার দুটো হাত-
মুষ্টিবদ্ধ যে-হাত মিছিলে পতাকার মতো উড়েছে সক্রোধে,
যে-হাতে সে পোস্টার সেঁটেছে, বিলিয়েছে লিফলেট,
লোহার হাতুড়ি দিয়ে সেই হাত ভাঙা হলো।
সেই জীবন্ত হাত, জীবন্ত মানুষের হাত।

তার দশটি আঙুল-
যে-আঙুলে ছুঁয়েছে সে মার মুখ, ভায়ের শরীর,
প্রেয়সীর চিবুকের তিল।
যে-আঙুলে ছুঁয়েছে সে সাম্যমন্ত্রে দীক্ষিত সাথীর হাত,
স্বপ্নবান হাতিয়ার,
বাটখারা দিয়ে সে-আঙুল পেষা হলো।
সেই জীবন্ত আঙুল, মানুষের জীবন্ত উপমা।
লোহার সাঁড়াশি দিয়ে,
একটি একটি করে উপড়ে নেয়া হলো তার নির্দোষ নখগুলো।
কী চমৎকার লাল রক্তের রঙ।

সে এখন মৃত।
তার শরীর ঘিরে থোকা থোকা কৃষ্ণচূড়ার মতো
ছড়িয়ে রয়েছে রক্ত, তাজা লাল রক্ত।

তার থ্যাতলানো একখানা হাত
পড়ে আছে এদেশের মানচিত্রের ওপর,
আর সে হাত থেকে ঝরে পড়ছে রক্তের দুর্বিনীত লাভা---
প্রজাহীন রাজপ্রাসাদে কবি বাবলু গিরি (জন্ম ২৫.১০.১৯৫৬)। রচনা ২৪.৫.২০২১। কবিতাটি
মিলনসাগরের করোনা ভাইরাস ও পরিযায়ী শ্রমিকের দেয়ালিকায় তোলা হয় ২৪.৫.২৯০২১ তারিখেই।
সমস্ত চরাচরে আজ মৃতরা শুয়ে আছে
নদীর পাড় ধরে পড়ে আছে,
হাত পা করোটী, ফ্যাকাসে কাপড়!
আহা পার্লারের রঙ করা চুল সব -
চুপি চুপি উড়ে উড়ে,
মৃতদের মুখ ঢাকে লজ্জায়।

সমস্ত শ্মশান জুড়ে আহা -
আগুনের উৎসব।
এতো চিতা কখনোকি জ্বলেছিলো
বলো না রাজন হরিশ্চন্দ্র?
এতো কবরের মাটি কখনো খুঁড়েছিলে,
পৃথিবীর হৃদয় খুঁড়ে খুঁড়ে?
চারিদিকে ভয়ংকর সংবাদ উড়ছে,
আমরা অপেক্ষায় আছি
এক একটা মৃত্যু সংবাদের।
আর তখনো শয়তানেরা, বেরিয়ে পড়েছে
রক্ত মাংসের খোঁজে।
স্বপ্নের রাজকুমারেরা আজ
প্রজাহীন রাজপ্রাসাদে -
মিশাইল আঁকড়ে বসে আছে মমি'র মতো।
কবি বাবলু গিরি
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
হে ঈশ্বর জানি, এইভাবে হারিয়ে যাবো
তুমি আমি, ও তোমার সভ্যতা।
হয়তো জানি আবার ফিরিয়ে দেবে -
আমার প্রিয় উড়োজাহাজ খানি।
এইসব ব্রহ্মাণ্ড ও নক্ষত্র ঘেরা
সবুজ বনানী।
কিন্তু এইসব ভেসে আসা মৃতদের স্বপ্ন,
উন্মাদ ভালোবাসা, ফিরিয়ে দেবে কি?

জীবন এইভাবে ভেসে ভেসে, ভেসে ভেসে-
থেমে যাবে নদী কূলে এসে।
এইভাবে হঠাৎ মাটির ভিতরে, মৃতদের ভীড়ে,
ঘুমিয়ে পড়বে -
ভাবিনি, ভাবিনি শূন্য হবে
মানব নগরী, এভাবে।
বুদ্ধ ঘাড়ে করছে ভর কবি অরুণ ভট্টাচার্য (জন্ম ৪.১২.১৯৫৬)। এই
কবিতাটি অরুণ ভট্টাচার্য সম্পাদিত 'আকিঞ্চন' পত্রিকার ২৫ বৈশাখ ১৪১৪ এর
সংখ্যায় (২০০৭) প্রকাশিত হয়েছিল।
বুদ্ধ ঘাড়ে করছে ভর
দুই কাঁধে দুই ডাইনোসর
একটা সালিম একটা টাটা
ভালো মাইনষের মুখোষ আঁটা
কৃষক শ্রমিকের হচ্ছে ত্রাস
নেবে কেড়ে মুখের গ্রাস
বাংলাতে আজ পড়ছে সারা
কৃষক শ্রমিক রুখে দাঁড়া
যতই মারো লাথি ঝাটা
দালাল মন্ত্রীর দুকান কাটা।
কিছুতেই তার লজ্জা নাই
সালিম টাটার টঙ্কা চাই
'দড়ি ধরে মারো টান'
দালাল মন্ত্রী খানখান
জমি যার রইবে তার
জমি পাবে বর্গাদার
আয় সবে ছুটে আয়
সিঙ্গুর আজ পথ দেখায়
রাজকুমারের রক্ত
হবে নাকো ব্যর্থ।
কবি অরুণ ভট্টাচার্য
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
তাক দুমা দুম তাক দুমা দুম
কবি অরুণ ভট্টাচার্য (জন্ম ৪.১২.১৯৫৬)। এই কবিতাটি অরুণ ভট্টাচার্য সম্পাদিত
'আকিঞ্চন' পত্রিকার ২৫ বৈশাখ ১৪১৪ এর সংখ্যায় (২০০৭) প্রকাশিত হয়েছিল।
তাক দুমা দুম তাক দুমা দুম
.           তাক দুমা দুম তাক,
মখ্যমন্ত্রী বুদ্ধবাবু
.           বাজাচ্ছে জয়-ঢাক।
চাষিরা কেউ করবে না চাষ
.           খরচা বাড়ে চাষে,
খাবারদাবার পণ্য যে সব
.           বিদেশ থেকে আসে।
দেশের ভিকর গড়বো বিদেশ
.           অভাব যাবে উড়ে,
টাটা মোটর চড়ে এবার
.           আসবি বিদেশ ঘুরে।
উদয়-অস্ত থাকবি মজায়
.           সুদের টাকায় খাবি,
বিনোদনে বৌ পাঠালে
.          মোটা টাকা পাবি।
এসব কথা না শুনলে তো
.           কাটবো মাথা হাতে,
নন্দীগ্রামের দায় নিয়েছি
.           সবার সাক্ষাতে।
কবি অরুণ ভট্টাচার্য
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কেন্দ্র আমার হাতের পুতুল
.          রাষ্ট্রপতি ঠুঁটো,
আমার মতো ধোপদুরস্ত
.           বিশ্বে নেইকো দুটো।
কি মজা কি কি মজা কি
.           অন্ধ কানুন চুপ,
মরা চাষির ঢাকতে দেহ
.           তাই খুঁড়েছি কূপ।
তাক দুমা দুম তাক দুমা দুম
.           তাক দুমা দুম তাক,
সাংস্কৃতিক মন্ত্রী বাজায়
.           উন্নয়নের ঢাক।
জিজ্ঞাসা
কবি অরুণ ভট্টাচার্য (জন্ম ৪.১২.১৯৫৬)। এই কবিতাটি অরুণ ভট্টাচার্য সম্পাদিত আশ্বিন ১৪১৪ এর
'আকিঞ্চন' বর্ষ ২৭ সংখ্যাঃ ৬৮ এ প্রকাশিত হয়েছিল (২০০৭)।
১.
হলদি নদীর জল লাল হওয়ার আতঙ্কে
কৃষক রমণীরা বিনিদ্র রজনী জাগে।
সিঙ্গুর-হলদিয়ার নয়াচরেও কী
এবার নন্দীগ্রাম ঘটাতে চাইছো তবে?

২.
কত লোক মরলে তুমি নন্দীগ্রামের
মতো হাত ধুয়ে উঠে বলবে
না, না, বড় ভুল হয়ে গেছে, সব দায় আমার
কিন্তু বলবে না কোন জমিতেই
কেমিকেল হাব -- পেট্রোকেম-শিল্প হবে না।
কত লোক আরও মরলে কত ধর্যিতা হলে
কৃষকের নির্বাক আতঙ্কের মতো
তোমার হৃদপিণ্ডটা ধুকধুক করবে?
তুমি কি বাম জমানার
সেরা নায়ক হতে চাইছো?
কবি অরুণ ভট্টাচার্য
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
৩.
খেজুরি থেকে আজো গ্রামদখলের জন্য
হার্মাদদের অবিশ্রান্ত গুলি চলেছে।
কমরেড বলেছিলেন "লাইফ হেল হয়ে যাবে।"
আজ নন্দীগ্রামে সমস্ত পরিসেবা বন্ধ
কমরেড কথা রেখেছেন।

নন্দীগ্রাম তুমি কি এবার
এই কালো দিনরাত্রির অবসানে
অসহযোগের আন্দোলন গড়ে তুলবে?
নরক
কবি অরুণ ভট্টাচার্য (জন্ম ৪.১২.১৯৫৬)। ২০১১ সালে প্রকাশিত, সব্যসাচী গোস্বামী সম্পাদিত "শেকল
ভাঙার কবিতা" কবিতা সংকলন গ্রন্থের কবিতা। গ্রন্থটির প্রকাশক "বন্দীবার্তা" পত্রিকার পক্ষ থেকে
শুক্লা ভৌমিক, কলকাতা।
(জেলে আটক রাজবন্দীদের মনে রেখে)

মাঝরাতে হঠাৎ গুলির শব্দ শুনলে
জীবনটা যে কত ছোট বেশ অনুভব করা যায়।

অনুভব করা যায়
পাঁচ ফুট বাই তিন ফুট অন্ধকার ঘরে,
জানালা নেই, আছে ঘুলঘুল দু'একটি
মানুষ নামধেয় জন্তুদের আটকে রাখা
নীতির উপদেশ!

(ফ্রিজের ঠাণ্ডা জলে, সোফায় হেলান দিয়ে)
চারটে টেলিফোন চারদিকে আদেশ যাচ্ছে,
এখনো বন্ধ ঘর খুলো না, হাওয়া ঢুকবে
ভয়ঙ্কর, সব উড়িয়ে নিয়ে যাবে।
বন্ধ করে রাখো ঘর জীবাণুগুলো যেন
মুক্ত বাতাসে না যেতে পারে। যেন
বাইরে আকাশ দূষিত না হয়।

চারিদিকে এপ্রিলের উষ্ণ বাতাস, গভীর রাত্রে
পূর্ণিমার পঞ্চদশী চাঁদ
মাধবীলতার গন্ধে মশগুল হয়ে আছে।
কবি অরুণ ভট্টাচার্য
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
নবান্ন
কবি ইরা ভঞ্জ (জন্ম ১৯৫৬)। এই কবিতাটি সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলন চলা কালীন প্রতিবাদী কবিতা,
১/৬৩ এ, বিদ্যাসাগর কলোনী, কলকাতা ৭০০০৪৭ থেকে প্রকাশিত "বুলেটিন" পত্রিকার ২৫শে বৈশাখ
১৪১৪ (২০০৭) এর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।
আমি "নবান্নের" প্রধান সমাদ্দার
রাজার কূটচক্রে লুট হয়ে গেছে ধানের ক্ষেত
ভাঙা সানকি নিয়ে হাত পেতে দাঁড়িয়েছি
তোদের দরোজায় মা একটু ফ্যান দিবি'
কান্না জড়ানো রুক্ষ উত্তর ছুটে আসে
"ফ্যান দেব কিরে মিনসে
চাল বাড়ন্ত আজ ঘরে ঘরে
জানিস নে তুই সোনা ধান
ডলে দিয়েছে সামন্ত সেনারা
রক্তনদী বইছে এখন বাংলার মাঠে
আমি প্রধান হেঁকে উঠি,
দয়াল লাঠি গাছ আনো,
রাজার জাল ছিঁড়ে চলো
আমরা নতুন ধান ফলাবো,
ভাতের গন্ধে ভরে উঠবে মায়ের আঙিনায়
আবারও ইতিহাস গড়ে দেওয়া "নবান্ন"।
কবি ইরা ভঞ্জ
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
নয়া ইতিহাস
কবি ইরা ভঞ্জ (জন্ম ১৯৫৬)। এই কবিতাটি সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলন চলা কালীন প্রতিবাদী কবিতা, 'একুশে
ফেব্রুয়ারি উদযাপন কমিটি'-র পত্রিকার ১ জুলাই ২০০৭ এর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।
পিপীলিকার পাখা ওঠে মরণের তরে
কত যে ঝাপটানি দিল তিরিশ বছরে।
"বলে লোকে, অতি বাড় বেড়ো না ঝড়ে পড়ে যাবে।"
বিশ্বায়নের গানে শিল্পায়নের ধুয়ো ধরে
শিশুর মুখের গ্রাস নেবে কেড়ে।
করতে গিয়ে ধুরন্ধর দলবাজি
দিলি যে নিজেরই মুখে চুনকালি,
যখন আগ্রাসী থাবায় আপন ঘর ভাঙে
ফেলা থুতু চাটিস তাই বারে বারে
এক কান পকেটে পুরে
দু-কান কাটাদের লজ্জা নাইরে।
আবরণ খুলে গেছে মগজের কোশে
সুচেতনার জলবিন্দুমাত্র নেই অবশেষে।
দু-হাজার সাতে গিরগিটির জাত
লিখে দিল মানবতার কালা-ইতিহাস
মানুষের বুকের রক্তে করে যারা স্নান
বাস্তুহারা শস্যহীন নিপীড়িত জন
ছিঁড়েকুটে করবে এবার স্বেচ্ছাচারী রাজা খানখান।
কবি ইরা ভঞ্জ
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
বেঁচে থাক ঘরে ঘরে যত ভাইবোন
মানুষের জেগেছে পিঠে কুলো বাঁধা হুঁশ আর মান
ভাঁওতাবাজিতে নয় আর অসম উন্নয়ন
নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুর দিয়েছে সাহসী আহ্বান
তারা আজ প্রতিজ্ঞায় অটল, প্রতিবাদী
বিনা যুদ্ধে দেবে না কণামাত্র আবাদি ভূমি,
নজির গড়ল তাবৎ মানুষই
দেশবাসীর জন্য দেশ, দেশের জন্য নয়া ইতিহাস
.                       আমরাই গড়ে তুলি।
তিলোত্তমা কবি ইভা চক্রবর্তী (জন্মকাল অজ্ঞাত)। এই সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের
প্রতিবাদী কবিতাটি আন্দামান থেকে প্রকাশিত, "দ্বীপবাণী" পত্রিকার ১৪১৪ এর  
শারদীয়া সংখ্যায় (২০০৭) প্রকাশিত হয়েছিল।
পরাণসখা বন্ধু এসো
এসো আমার ঘরে
আবাদ জমি তৈরী আছে,
বোসো তাহার পরে।

ওদের কথা দাওনা ছেড়ে
ওরা নাদান ভারী
বুঝবে কাল লাঙল নয়,
গাড়িটা দরকারি।

বাস্তুভিটে নাইবা থাক
বাবুর ঘরে সুখ
আঁধার রাতে গলির মোড়ে
আঁচল ঢাকা মুখ।

মুখ নয় তো বারুদ ভরা
জ্বালামুখের সারি
দেয়ালে পিঠ শরম ভুলে
অবলা সব নারী।
কবি ইভা চক্রবর্তী
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
আমার ঘরে পরাণ সখা
ছোঁয়াও যাদু কাঠি
ভাবছ কেন ওদের হাতে
শুধু বাঁশের লাঠি।

লাঠি নয় ও হিসহিসিয়ে
লকলকে জিভ ফণা
কাস্তে বঁটি কোদাল নিয়ে
বেআব্রু বীরাঙ্গনা।

ঘুম ভাঙলে সবাই যদি
কালকে ওঠে খেপে
আসন টলমল তোমার
চরণ যাবে কেঁপে।
বিরোধী পক্ষ
কবি ইভা চক্রবর্তী (জন্মকাল অজ্ঞাত)। এই সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের প্রতিবাদী
কবিতাটি 'দৈনিক স্টেটসম্যান' পত্রিকাতে ১৮ জুন ২০০৭ এ প্রকাশিত হয়েছিল।
ওই পাড়াতে
রক্ত ঝরে
চালায় গুলি
গানধারীরা
কুলুপ মুখে
তখন ঘরে
প্রগতিবাদী
গান্ধারীরা
করবটা কী
ও দুটো চোখ
ওদের দেওয়া
আমার নয়।
ওরা যেমন
দেখায় দেখি
দেখব নিজে
ভীষণ ভয়।
কবি ইভা চক্রবর্তী
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কান্না শুনে
বুক ফাটে গো
ভাসতে থাকে
চোখ ও জলে
পারছি না তো
কাঁদতে তবু
যদি বিরোধী
পক্ষ বলে।

বলতে চাই
তোমার মতো
তোমার পাশে
দাঁড়াই এসে
দুই পা গিয়ে
পিছিয়ে আসি
যদি সুযোগ
হারাই শেষে।
এমনটা তো
হয়েই থাকে
হয়েছে হবে
অনেক আরও
গড়তে গেলে
ভাঙবে কিছু
অজানা এটা
নয় তো কারও।
ঘটল যেটা
যাও ভুলে তা
ভাবছ কেন
আর ওসব !
শিল্পায়ন
হবেই হবে
পড়ে পড়ুক
আরও শব।
চুনি কোটালের ডায়রি
কবি অঞ্জলি দাশ (জন্ম ২৯.৫.২৯৫৭)
তৃতীয়বার পলক তুলতেই, অন্ধকার খেলার কৌশল ভুলে গেলেন
প্রণম্য আলোকদাতা।

ফর্সা হয়ে উঠেছে দেয়াল, মাথা থেকে খুলে পড়েছে শার-শাপান্তের
মেখলা। চোখ বুজে ছুঁড়ে ফেলে দিলাম সিন্দুকের চাবি।

পড়ে নিও কতবার না না লেখা আছে ঠোঁটে, আর জিভ কেন
কৃষ্ণবর্ণ---ওটুকু জানাতে পারিনি শেষ পর্যন্ত।

শুধু কপালের চামড়া সরিয়ে দেখাতে চাই, আর একটি সবুজ
রঙের শ্লেটে সোনার জলের ছবি। কত যত্নে মা লিখেছে
বড় হও, মা লিখেছে গাছের ছায়ার মতো সত্যি হও।

জানাতে চাই, কতবার মাথা নুইয়ে তবে মহাশূন্যের সমস্ত ভর
সহ্য করেছি একা . . .। আজ ঘুম।

আমার মাথার চারপাশে চাঁদ তারার মালা। হাততালি দেবে না ?
কবি অঞ্জলি দাশ
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
ভারতবর্ষ ২০০২ কবি বীথি চট্টোপাধ্যায় (জন্ম ১১.৬.১৯৫৭)। ২০১৩ সালে মিলনসাগরের জন্য কবি এই কবিতাটি পাঠান।
তারপর থেকে আমি চুপ ক’রে গেছি
এতদিন আমি গভীর আত্মরতি,
থেমে গেছে সব মধুর কলস্বর
ছোট নদী আমি বলছি সবরমতী।

পশ্চিম দেশ ধূসর চতুর্দিক
আমার শরীরে মৈথুনকামী ঢেউ,
একটি কিশোর নৌকা ভাসাতো রোজ
তার রক্তেই আজকে আমার ঢেই।

উছলে পড়ছে আমি রাগে ফেটে পড়ছি
তবুও আমার চারিদিকে কত গ্রাম,
ঝলসে যাচ্ছে চকচকে তরবারি
তৃপ্তি পাচ্ছে মিটিয়ে মনস্কাম।

আমার দুপাশে ক্ষুধার তৃতীয় বিশ্ব
তবু মাঝে মাঝে জ্যোত্স্নালোকিত রাত,
আদিম জগতে যুবক ও যুবতীরা
ক্ষুধাতুর বুকে শরীরের গিরিখাত।
কবি বীথি
চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
শরীর ছাড়া তো
আমাদের কিছু নেই
আমরা আদিম নিঃস্ব শরীর বিশ্ব,
সেটুকুও আজ ছিঁড়ে নিয়ে যেতে চায়
ধর্ম নামক আবহমানের দৃশ্য।

যে মেয়েটি রোজ ছুঁচের ডগায় নকশা
বুনে যেত প্রিয় ঘাঘরাচোলিকে ঘিরে,
সেই মেয়েটির নূপুরটি পড়ে আছে
এইখানে এই সবরমতীর তীরে।

সেই মেয়েটির জীবন ও বারোমাস
হাতের লাগানো ছোট্ট শিউলি চারা,
ছেলেবেলাকার সঙ্গী ধবলীটিও
তছনছ ক’রে আনন্দ পায় কারা ?

মনে পড়ে যায় এই তো কদিন আগে
যে রোগা রাখাল সরল চক্ষে হাসতো,
তার মৃতদেহ শনাক্ত করা যায়নি
তাকে যে মেয়েটি চুপি চুপি ভালোবাসতো . . .
সেও তো নিখোঁজ কয়েক সপ্তা ধরে
তার ঘরে আজ বাতাস খেলছে ধু ধু,
শেষবার তাকে দাঙ্গার প্রান্তরে
কয়েক ঝলক দেখা গিয়েছিল শুধু।

জনহীন খাঁ খাঁ চকচকে রাজপথে
প্রহরী শুধুই সাম্প্রদায়িক চোখ,
হিংস্র চক্ষু হা হা ক’রে তেড়ে আসে
ফাঁকা রাস্তার নিরস্ত্র এক লোক।

ফাঁকা রাস্তায় পোট্রোল পোড়া গন্ধ
আগুনের শিখা দ্রুতগতি লকলক,
ব্যাকুল গলায় আমাকে মেরো না ভাই
পুড়ে যাচ্ছেন নিরস্ত্র শিক্ষক।

অববাহিকার কত না চিত্রপট
সুখদুঃখের রেখাময় কিছু রূপ,
সাম্প্রদায়িক ভারতবর্ষে আজ
পশ্চিমদেশ নিখুঁত ধ্বংসস্তূপ।
রিকশাওয়ালার চিঠি কবি বীথি চট্টোপাধ্যায় (জন্ম ১১.৬.১৯৫৭)।
২০১৩ সালে মিলনসাগরের জন্য কবি এই কবিতাটি পাঠান।
শাশকগোষ্ঠী আমাকে চিনতে পারো?
আমি থাকি দূরে, সবুজ একটি গ্রামে,
পাখি গান গায়, জ্যোত্স্নায় পুঁইলতা
লেভেল ক্রসিং ভ্যান রিকশাটি থামে।
ভ্যান রিকশাটি বহুদূর পথে চলে
ভোরের আলো বা দুপুরের ঝলকানি,
ভ্যান রিকশাটি চাঁদের আলোয় ডোবে
কিসের আশায় ভ্যান রিকশাটি টানি?
নবান্ন স্মৃতি সমাজ বদল কথা
খিদের কষ্টে সব কিছু ভুলে যাই,
সারা দিনরাত খাটবার বিনিময়
এখন আমরা একবেলা খেতে চাই।
এখন কাশলে দমকা রক্ত ওঠে
কলকাতা থেকে প্রলোভন হাত নাড়ে,
একথোক কিছু পয়সার পরিবর্তে
কিশোরী মেয়েকে ওরা দেখে আড়ে আড়ে।
আমিো তাদের আঢ়চোখে দেখে নিয়ে
নিজ সন্তান দরদস্তুর করি---
ক্ষমতা-যন্ত্র আমাকে দেখতে পাচ্ছো?
প্রত্যেকদিন কত হাহাকার করি?
হাহাকার করি তবু চুপ ক’রে থাকি
ভয় করে পাছে তোমরা শুনতে পাও,
সত্যি তোমরা বশে রাখতেও জানো!
শাসকগোষ্ঠি আমাকে দেখতে চাও?
কবি বীথি
চট্টোপাধ্যায়
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
জন্মভূমি কবি অনুরাধা মহাপাত্র (জন্ম ৩০.৬.১৯৫৭)। এই কবিতাটি ১৪ই মার্চ ২০০৭
এ নন্দীগ্রামের প্রথম গণহত্যার পর প্রকাশিত কবির কাব্যগ্রন্থ "শোকাঞ্জলি" থেকে নেওয়া হয়েছে।
শাশকগোষ্ঠী আমাকে চিনতে পারো?
আমি থাকি দূরে, সবুজ একটি গ্রামে,
পাখি গান গায়, জ্যোত্স্নায় পুঁইলতা
লেভেল ক্রসিং ভ্যান রিকশাটি থামে।
ভ্যান রিকশাটি বহুদূর পথে চলে
ভোরের আলো বা দুপুরের ঝলকানি,
ভ্যান রিকশাটি চাঁদের আলোয় ডোবে
কিসের আশায় ভ্যান রিকশাটি টানি?
নবান্ন স্মৃতি সমাজ বদল কথা
খিদের কষ্টে সব কিছু ভুলে যাই,
সারা দিনরাত খাটবার বিনিময়
এখন আমরা একবেলা খেতে চাই।
এখন কাশলে দমকা রক্ত ওঠে
কলকাতা থেকে প্রলোভন হাত নাড়ে,
একথোক কিছু পয়সার পরিবর্তে
কিশোরী মেয়েকে ওরা দেখে আড়ে আড়ে।
আমিো তাদের আঢ়চোখে দেখে নিয়ে
নিজ সন্তান দরদস্তুর করি---
ক্ষমতা-যন্ত্র আমাকে দেখতে পাচ্ছো?
প্রত্যেকদিন কত হাহাকার করি?
হাহাকার করি তবু চুপ ক’রে থাকি
ভয় করে পাছে তোমরা শুনতে পাও,
সত্যি তোমরা বশে রাখতেও জানো!
শাসকগোষ্ঠি আমাকে দেখতে চাও?
কবি অনুরাধা
মহাপাত্র
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের নারীদের অভিশাপ
কবি অনুরাধা মহাপাত্র (জন্ম ৩০.৬.১৯৫৭)। এই কবিতাটি ১৪ই মার্চ ২০০৭ এ নন্দীগ্রামের প্রথম গণহত্যার পর
প্রকাশিত কবির কাব্যগ্রন্থ "শোকাঞ্জলি" থেকে নেওয়া হয়েছে।
বাঁচতে দেয় নি              ওরা আমাদের
বাঁচতে দিচ্ছে না
না-শুকোতে                      চোখের জল
আবার দ্বিগুণ শোক
কেড়ে নিচ্ছে                      ওরাইতো!
শিশুর মুখ
সকল মুখের                       একটু ভাত
একটু শাক
উঠোনভরা ধান       আর পুকুরভরা জল
কেড়ে নিচ্ছে
ওরাই তো!                       মানুষ নয়
এই পৃথিবীর,
ওরা কোনো                      প্রাণও নয়
কেড়ে নিচ্ছে ঘুম
ঐ সুদূরে                      মাঠের কোলে
একটি শান্তি শ্বাস
কবি অনুরাধা
মহাপাত্র
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
তাই                                হে ধরিত্রী
শোনো এই আমাদের অভিশাপ
বেজন্মারা                      মরুক হিক্কায়
বেজন্মারা
মরুক                                  প্রলয়ে
বেজন্মারা
মরুক                              রক্ত উঠে
কুলাঙ্গার
মরুক                              বজ্রপাতে।
১৪ই মার্চ, নন্দীগ্রাম     
কবি অনুরাধা মহাপাত্র (জন্ম ৩০.৬.১৯৫৭)। এই কবিতাটি ১৪ই মার্চ ২০০৭ এ নন্দীগ্রামের
প্রথম গণহত্যার পর প্রকাশিত কবির কাব্যগ্রন্থ "শোকাঞ্জলি" থেকে নেওয়া হয়েছে।
হাজার বছরে আদিম মাটির শিখেছিল ওরা পাঠ
সাগরের কাছে শিখেছিল ওরা মুক্তির অক্ষর
কোনো রাজনীতি ভোলাতে পারেনি, সে পাঠের ধারাস্রোত ;
"ফাঁসি হোক আজ যত শেঠদের। ও বিদেশী সরে যাক"।
আকাশের কাছে শিখেছিল পাঠ স্বাতন্ত্র্য শক্তির
শিখেছিল ওরা হৃদয়ের স্বর --- বৃষ্টিতে, বজ্রে ;
যে কোনো খরায়, কলমিলতায়, শিখেছিল প্রাণ সেচন।
এক হাঁড়ি জল, তিন মুঠো চাল --- শিখেছিল ওরা বাঁচতে
সজনে পাতায় রাখছিল এঁকে অশ্রুর ঘন খাম্বাজ
বটবৃক্ষের নীড় ছুঁয়ে তাই আকাল উঠতো বেজে।

ওরাই জানতো শিয়রে শমন, শিয়রচিতির ফণা ;
টুঁটি ধরে ছিঁড়ে না ফেললেই, ছোবল মারবে অচেনা
ওরাই জানতো ধানভানা আর ধানসিঁড়ি পেতে
ইঁদুরের কাছে সমস্ত ক্ষণ মরণ বাঁচন জানা
দুর্ভিক্ষের প্রকৃতি কখনো লাঞ্ছনা মানতো না
ওরাই জানতো সাপ-নেউলের যুদ্ধ কীভাবে হয়,
ভিটের ভেতর কোন্ ঘুঘু চড়ে, দোয়েল কী ভেবে কয়।
ওরাই জেনেছে মাকে কখনো জয় করা যায় না
ওরাই জেনেছে কন্দমূলের, ধানের শীষের, মানুষের কাছে
স্বাধীনতা, শুধু স্বাধীনতা ছাড়া ভিক্ষা অসম্ভব!
কবি অনুরাধা
মহাপাত্র
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কৃষিকন্যা কবি অনুরাধা মহাপাত্র (জন্ম ৩০.৬.১৯৫৭)। এই কবিতাগুলি ১৪ই মার্চ ২০০৭ এ নন্দীগ্রামের প্রথম গণহত্যার
পর প্রকাশিত কবির কাব্যগ্রন্থ "শোকাঞ্জলি" থেকে নেওয়া হয়েছে।
আনাজবেচা মেয়েটিকে ডাকি, মা বলে
মাছকাটা বঁটি হাতে নারীটিকে দেখি আমি প্রচণ্ডা রূপে
প্রতিটি কৃষিকন্যাকে দেখি নরসিংহী আদ্যাশক্তি রূপে
দেখিতো বটেই --- সত্য সব আলোর উদ্ভাস।
গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে দেখি, ছোটো লণ্ঠন ক্রমে
বড় হতে হতে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড ব্যাপী ফেটে পড়ে আলোকশিখায়।

তোমাদের হত্যাকাম, শিল্পায়ন এ-ভাবেই
ভ্রম মনে হয়।
কাস্তে হাতে উন্মাদিনী, ভাঙাবেড়ার জানুপাড়
অর্ধবসনাকে দেখি নবদূর্গা রূপে
শিশুহত্যার পরে ধর্ষিতা মায়ের মুখে চণ্ডিকার ঘৃণা
তীব্র জলতেষ্টায় মরা গুলিবিদ্ধ পুরুষের রক্ষায়
ধেয়ে আসে রুদ্রচণ্ডারূপে
আর দেখি অনন্ত আকাশ জুড়ে আলোয় আলোয়
তাঁকে বিশ্বরূপে --- শুধু আমি নয়
সমস্ত গ্রামবাসী তাঁকেই তো দেখে।
আর ছাতামাথায়, ভ্রাতুষ্পুত্র কাঁখে ঠাকুরমার
পিছু পিছু এ-গ্রাম ও-গ্রাম ঘুরি
"মহাভারতের গ্রাম" --- ঠাকুরমা বলেন---
প্রতিটি কৃষকরমণী তবে দ্রৌপদী ও গান্ধারীই বটে!
কবি অনুরাধা
মহাপাত্র
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
"যেদিকে সত্য, যেদিকে ধর্ম
     সেদিকে জয়"।
শাককুড়ুনি শাকম্ভরীকে দেখি কঞ্চির
বেড়ার গায়ে --- শুকনো রক্তমাখা শাড়ি
শাক কই? অন্ন কই?
উন্মাদিনী ঘোরে গ্রামে গ্রামে মৌন হাহাকারে

এইসব নারী তবে সসাগরা অনন্ত মৃত্তিকা
মৃত্তিকা তবে আজ নবরূপে কৃষিসাধিকা
সূর্যাস্ত ফেটে পড়ে ; আকুল ক্রন্দন আর
সমস্ত শরীরের বোবা চামড়া ছিঁড়ে
সমস্ত আছড়ে পড়ে রক্তক্ষরণে
শ্মশানসদৃশ গ্রাম, পথ-ঘাট, মাঠের প্রান্তর
আর চাপা আর্ত নদীজল
সূর্যোদয় দেখছে না কিশোরীরা কোনো
এ-গ্রামে জন্মেছি, বলুন, এই গ্রাম ভুলে থাকা যায়!
শোকাঞ্জলি কবি অনুরাধা মহাপাত্র (জন্ম ৩০.৬.১৯৫৭)। এই কবিতাগুলি ১৪ই মার্চ ২০০৭ এ নন্দীগ্রামের প্রথম গণহত্যার
পর প্রকাশিত কবির কাব্যগ্রন্থ "শোকাঞ্জলি" থেকে নেওয়া হয়েছে।
অনন্ত মাটির দেশ, হেলেঞ্চাশেকড়ের গ্রাম
ঘেঁটুফুল, কলমিলতা, আষাঢ় শ্রাবণ
সজনেফুল, সরপুঁটি, ধানের সুঘ্রাণ
এই গ্রামে নেমে এল, অকাল শ্মশান।

এখানে এখন কোনো শৈশব নেই
এখানে এখন কেনে শাপলাও নেই
রক্তে রক্তে স্নাত হল সরস্বতী, শ্রাবস্তীর স্নান
হলদি নদী তালপাটি খেয়া খুলে রক্তের বান।

এখানে মায়ের দুধে রক্ত মাখে কারা
এখানে বপন হয় শিশুদের চোখ
এখানে মাটির নিচে পোঁতা হয় মাথা
এখানে পরেন গৌরী রক্তমাখা শাড়ি
এখানে বিরামহীন হত্যা, ভাসান।

তোমাদের কাছে যাব, শুধু তোমাদের
কোথায় বাবুইয়ের মা, উঠে এসো তুমি
কোথায় আমিনা নানি, কোলে নাও তুমি
যেরকম নিতে বুকে শৈশবে মার কোল থেকে
যেরকম কপালের ক্ষতে দিতে থেঁতে দুর্বাঘাস।
কবি অনুরাধা
মহাপাত্র
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
কোথায় পাষাণী তুই? তোর সঙ্গে খেলবো এবার
কোথায় ভূষণজ্যাঠা? নৌকো খুলে দাও
কোথায় অশ্বিনীর মা, বাটাভরে পান আর ভালোবাসা
নাথবিবাহের গানে ঘুম এনে দাও।
কোথায় নিশিদা তুমি, মাটির ঘরের চালা
নতুন খড়ের রঙে, নন্দীগ্রাম বীরগাথা আবার শোনাও

কোথায় বিশাল তারা, অসীম ধানের সবুজ?
হলদি নদীর জলে মায়ের চোখের রঙে পূর্ণিমার চাঁদ?
কোথায় শ্রাবণজ্যোত্সনা? ভিজে যায় স্ফুট গন্ধরাজ?
অন্ধকারে কারা যেন অভিশাপ দেয়।
আজ স্বজনই ঘাতক আর স্বজনের শবের বাহক
যেদিক তাকাই মাটি, রক্ত উপচানো মাটি, প্রিয় নন্দীগ্রাম?

অন্ধকারকে আর অভিষাপ দেব না এখন
মাটির গভীরে, ও প্রদীপ, রয়েছে যখন
আকাশকে দেখি, শুধু মাটি
জল, সে-ও মাটির প্রণয়
কলসে অক্ষর দেখি, মাটির প্রত্যয়।

তোমাকে প্রণাম করি, রক্তমাখা মাটি
তোমাকে প্রণাম করি, হেলেঞ্চাশেকড়
তোমাকে প্রণাম করি, ও হলদি নদী
তোমাকে প্রণাম করি, ভাঙাবেড়া গ্রাম
তোমাকে প্রণাম করি, রক্তমাখা ধান

তোমাকে প্রণাম করি, ও তাপসী শ্যামা
তোমাকে প্রণাম করি, গৌরী বীরাঙ্গনা
তোমাকে প্রণাম করি, স্তনছেঁড়া শিশুবুকে সোনাচূড়া
গ্রাম
তোমাকে প্রণাম করি, কাস্তে হাতে, আমিনা
ও অশ্বিনীর মা

অন্ধকার রূপকথা বলবে এখন।
এখনই কি ফেটে পড়বে, চৌচির লণ্ঠন?
অন্ধকার প্রতীককে ভাঙবে এখন।
এখন তো শ্মশানেই ভোর হবে!
আলো আজ প্রাণময় পট হবে, মাটির গড়ন।
.
.
মিলনসাগরের প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার
. . . . পরের পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন
প্রতিবাদী            .
কবিতার        .
পরের    .
পাতায় যেতে
এখানে    .
ক্লিক         .
করুন              .
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার জেলের,
যা যে কোনো রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের উপরে চরম
নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতীক। আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মিলনসাগরের এই প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার কবিদের সাজানো
হয়েছে পাতার পর পাতা কালানুক্রমিকভাবে বাঁ থেকে ডান দিকে।
পাঠকের সুবিধার জন্য কবিদের সূচীটি বর্ণানুক্রমিক রাখা হয়েছে।
প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার সূচীতে যেতে >>>>>
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার প্রতিবাদী কবিরা ---
প্রবীর বল (১০)
অমল নায়েক (১)
অশোক দে (১)
সুমিতা চক্রবর্তী (৩)
সংযুক্তা বসু (১)
সুমিত কুমার দাম (২)
বিজয় মাহাতো (৭)
সুনীল মাহাতো (১)
লক্ষ্মণ রায় (১)
স্বপ্ন মধুকর (১)
জয় গোস্বামী (১১)
নীতীশ রায় (৭)
মানিক মাঝি (১)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (২)
বিপুল চক্রবর্তী (২৩)
মৃদুল দাশগুপ্ত (৩)
গৌতম দত্ত (৩)
অনিতা অগ্নিহোত্রী (৪)
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (১)
বাবলু গিরি (২)
অরুণ ভট্টাচার্য (৩)
ইরা ভঞ্জ (২)
দয়াময় ব্যানার্জী (১)
ইভা চক্রবর্তী (৩)
অঞ্জলি দাশ (১)
বীথি চট্টোপাধ্যায় (৩)
অনুরাধা মহাপাত্র (৬)
প্রার্থনা কবি বাবলু গিরি (জন্ম ২৫.১০.১৯৫৬)। রচনা ১৯.১০.২০২১।
কুলিল্লার দুর্গাপূজার মর্মান্তি ঘটনার পরে লেখা।
বড় যন্ত্রণা, দাউ দাউ জ্বলছে,
কুমিল্লা, নোয়াখালী, ইসকন, মা দূর্গা,
পবন পুত্র, সব জ্বলছে ।
ঐ পবিত্র শান্তির ইসলামকে কারা অপবিত্র করছে?
জিব্রাঈল কি আবার আসবেন ওহী নিয়ে,
কোনো প্রেমের বাণী নিয়ে?
না কি ঈস্রাফিল শিঙায় ফুৎকার দেবেন,
কোনো মহা প্রলয়ের জন‍্য?
মহাদেবের মতো প্রলয় নৃত‍্য শুরু হবে।
হে মিকাইল স্বর্গীয় সেন‍্যদের প্রেরণ করুণ,
যারা আল্লাহ্ এঁর মহান সৃষ্টিকে ধ্বংস করতে চায়।
তাদের প্রেম দিন প্রভু।
তোমার মহান সৃষ্টি মানুষ ও পৃথিবীকে রক্ষা করুণ, প্রভু  ।
কবি বাবলু গিরি
মিলনসাগরের কবির পাতা . . .   
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.
হা ঘরে ক্ষুদিরাম কবি দয়াময় ব্যানার্জী (জন্ম ১৯৫৬)। একজন সরকারি
আমলার ক্ষুদিরাম সম্পর্কে অনৈতিক আলোচনার জবাবে এই কবিতা।
ছিল সে বখাটে ছেলে ছিল না সে আদরে
যতন পায়নি কোন ছিল বড় হা ঘরে।
বোকা তোরা পাস দেখা দেশ প্রেম সেখানে
মরিবার সাধ ছিল জ্বালাতন জীবনে।
উস্কানি দিয়েছিল নেতা কিছু গোপনে
শহীদ হবার সাধ জেগেছিল স্বপনে।
নেতাজি সুভাষ বোস তারও ছিল বড় দোষ
আদর্শ তারও ছিল ওই ক্ষুদিরাম বোস।
ক্ষুদিরাম ই দিয়েছিল কানাই এরে বন্দুক
তাই শুনে কেঁপেছিল সাহসী ব্রিটিশ বুক।
শহীদ ভগৎ সিং স্মৃতি যার অক্ষয়
তারো নাকি আত্মীয় ওই ক্ষুদিরামই হয়।
গুলি আর বন্দুকে রোমাঞ্চ রচেছে
চেতনার মরা গাঙ্গে ক্ষুদি বান ডেকেছে।
আজও ক্ষুদি নিরবধি জাগাইছে প্রত্যয়
সত্যের বেদীমূলে প্রাণ বলি দিতে হয়।
প্রতিবাদী চেতনায় জাগ্রত ক্ষুদিরাম
কুৎসার ঝড় তাই আজো বহে অবিরাম।
ফাঁসির মঞ্চে তাই জীবনের জয়গান
মহাপ্রাণ ক্ষুদিরাম রয়ে যাবে অম্লান।
হিসেবীর দোষ নাই সেতো বোঝে অংক
বেদরদি মন তার ফাঁকা লবডঙ্ক।
কবি দয়াময় ব্যানার্জী
কবির ফেসবুক . . .    
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
HOME
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
.