.
.
প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকা
এই পাতাটি পাশাপাশি, ডাইনে-বামে ও কবিতাগুলি উপর-নীচ স্ক্রল করে!
This page scrolls sideways < Left - Right >. Poems scroll ^ Up - Down v.
.            প্রতিবাদী
.        কবিতার
.    আগের
পাতায় যেতে
.    এখানে.
.
        ক্লিক
.               করুন
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার জেলের,
যা যে কোনো রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের উপরে চরম
নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতীক। আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মিলনসাগরের এই প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার কবিদের সাজানো
হয়েছে পাতার পর পাতা কালানুক্রমিকভাবে বাঁ থেকে ডান দিকে।
পাঠকের সুবিধার জন্য কবিদের সূচীটি বর্ণানুক্রমিক রাখা হয়েছে।
প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার সূচীতে যেতে >>>>>
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
এই পাতার প্রতিবাদী কবিরা ---
শ্রীজাত (৭)
মাহমুদ হায়াত (১)
মৃন্ময় চক্রবর্তী (২)
বাপ্পাদিত্য জানা (২)
আকাশ চক্রবর্তী (১)
পূর্ণচন্দ্র বিশ্বাস (১)
মৌমিতা ঘোষ (১)
স্বপ্নিল রায় (১)
চিরশ্রী দেবনাথ (২)
মনামী ঘোষ (১)
তরুণ বাগ (৩)
পবিত্র কুমার আচার্য্য (২)
वरुण ग्रोवर (1)
বরুণ গ্রোভর (১)
শাজাহান পারভেজ রনি (৪)
অসীম হালদার (১)
অবশেষ দাস (১)
শক্তি পুরকাইত (১)
সৌম্য ঋত (১)
বিশ্বরূপ রায় (২)
মুহাম্মদ মুহিদ (১)
পিংকি পুরকায়স্থ চন্দ্রানী (১)
কৌশিক বিশ্বাস (১)
সময়ে অষুধ, নইলে বেড়ে যায় সবরকম রোগই
ভিখ পেতে পেতে তুমি রাজা হয়ে ওঠো, গেঁয়ো যোগী।

উঠেই নির্দেশ দাও, ধর্মের তলব দিকে দিকে
মৃগয়ায় খুঁজে ফেরো অন্য কোনও ধর্মের নারীকে।

যে হরিণ মৃত, তারও মাংসে তুমি চাও অধিকার
এমন রাজত্বে মৃত্যু সহজে তো হবে না তোমার।

বাতাসে হাপর নামে, দেশ জুড়ে অধর্মের ছাই . . .
প্রতি নির্বাচনে আমরা শতাব্দীপিছিয়ে ফিরে যাই।

যেখানে পুরুষ ধর্ম ধর্ম-পুরুষের অন্য নাম
আর আমি নারীর মৃত্যু পার করেও শিকার হলাম।

আমাকে ধর্ষণ করবে যদ্দিন কবর থেকে তুলে ---
কন্ডোম পরানো থাকবে, তোমার ওই ধর্মের ত্রিশূলে!
কবি শ্রীজাত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
অভিশাপ
কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২১.১২.১৯৭৫)। এই চরম প্রতিবাদী কবিতাটি,
কবি ১৯.৩.২০১৭ তারিখে তাঁর ফেসবুক পাতায় প্রকাশিত করেন। ২০০৭-
০৮ সালে উত্তর প্রদেশের সিদ্ধার্থনগরে, হিন্দু যুব বাহিনীর এক নেতার দ্বারা, একটি
নির্বাচনী ভাষণে, নেতা অজয় সিং বিষ্ট (যোগী আদিত্যনাথ) এর উপস্থিতিতে ডাক
দেওয়া হয়েছিল মুসলমান নারীদের কবর থেকে তুলে ধর্ষণ করার। এই ঘটনার
পরিপ্রেক্ষিতে এই কবিতাটির রচনা। কবির বিরুদ্ধে মৌলবাদীরা আদালতে যায়।
.
মিলনসাগরের প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার
আগের পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন . . .
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
সব সাজানো। মিথ্যেকথা।
সব চরিত্র কাল্পনিক।
ওপর থেকে একই দেখায়
যাদবপুর আর শালবনি।

কীসের দাবি, সঠিক কি না
হতেই পারত অন্যথা
তার বদলে গা-জোয়ারি।
তর্ক ছেড়ে বন্যতা।

অলিন্দ এক। রং পাল্টায়
বাহিরে আর অন্দরে
ক্ষমতা সেই লোহার চাকু
না-চমকালেই জং ধরে।
কবি শ্রীজাত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
তফাত কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২১.১২.১৯৭৫)। ২৮শে অগাস্ট ২০১৪ তারিখে যাদবপুর
বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি করা হয়। নিগৃহীতা ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার নিরপেক্ষ
তদন্তের ক্ষেত্রে, উপাচার্য মহাশয়ের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ও কর্তাভজা মনোভাবের বিরুদ্ধে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিবাদ-
অবস্থানে নামেন, যা “হোক কলরব” আন্দোলন নামে খ্যাতি লাভ করে। সেই আন্দেলনের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত
এই বিখ্যাত কবিতাটি, যার শেষ দুটি লাইন আজ প্রায় প্রবাদ-বাক্যে পর্যবসিত হয়ে গেছে। কবিতাটি সেই
সময়ে
মিলনসাগরের হোক কলরবের দেয়ালিকায় তোলা হয়।
.
সব সাজানো। মিথ্যে কথা।
আমিই জানি সত্যিটা।
হাড় ভেঙে যাক অন্ধকারে
নিটোল থাকুক বক্তৃতা!

বানায় কারা নিয়ম কানুন
শানায় কারা আক্রমণ
শরীর যদি ভাঙল তবু
সজাগ হয়েই থাকল মন।

হয় যদি হোক আবার চাবুক
যায় যদি যাক লোক ভেসে
তবুও মুঠো শক্ত হবেই
গর্জে ওঠার অভ্যেসে।
মানুষ থেকেই মানুষ আসে।
বিরুদ্ধতার ভিড় বাড়ায়
আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ।
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
সমাপতন এমনই হওয়া উচিত
আমার মাথা তোমার বন্দুক।
কর্ম থেকে আলাদা হল সূচি
মুখোশ থেকে বেরিয়ে এল মুখ।

তোমার নাকি রাস্তাই ছিল না
মানুষ কেটে ভাসিয়ে দেওয়া ছাড়া?
আমার কাজ মৃত্যু হাতে গোনা
মরলে তবে শান্ত হয় পাড়া।

দেখালে তুমি কি ভাবে নিতে হয়।
গণতন্ত্রে এমনই হওয়া উচিত।
পাতাল থেকে উথলে উঠে ভয়
পোশাক খুলে দাঁত দেখায় রুচি।

আমরা সেই রুচি খাই-পড়ি
আমরা সেই রুচির গান গাই
মুখে যখন বলেছি "মরি মরি"
বুকে তখন বুলেট বেঁধা চাই।

বিঁধেছে | তারই রক্ত লাগে হাতে।
বাকি জীবন তোয়ালে দিয়ে মুছি?
তুমি তখন ছিলে না সাক্ষাতে
সমাপতন এমনই হওয়া উচিত।
কবি শ্রীজাত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
সমাপতন কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২১.১২.১৯৭৫)। সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলন
চলাকালীন এই কবিতাটি 'পর্বান্তর' পত্রিকার মে - আগস্ট ২০০৭ এর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
ধ্বংস বললে কম বলা হবে হয়তো
শেষ বললেও বোঝানো যাবে না কিছু
ভাবার আগেই লাশ হয়ে গেছে, নয়তো
তলায় তলায় সবাই বাঁচতে ইচ্ছুক

ওপরে ওপরে ছিঁড়েখুঁড়ে গেছে সাম্য
হাঁ করলে মুখে ঢুকিয়ে দিচ্ছে বন্দুক
পৈতে ছেড়েও থেকে গেছি চেনা ব্রাহ্মণ
আমারও রয়েছে মুসলিম কিছু বন্ধু

রাতের নিউজে, ভোরের খবর কাগজে
ঘুমচোখে রোজ সবাই দেখেছি মৃত্যু
লুকিয়ে কাঁদছি যাতে প্রতিবেশী না বোঝে
সকলের মতো আমিও আসলে মিথ্যুক
কবি শ্রীজাত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
সাম্প্রদায়িকতা-বিরোধী একটি কবিতা
কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২১.১২.১৯৭৫)।
.
চোখ বুজে, মাথা নিচু ক’রে থাকি। সামনে
শরীরে আগুন লাগানো মানুষ জল চায়...
দু’দিন পরেই ট্যুরিজম ভ্যালু নামলে
গুজরাতটাও ঘোরা যাবে কম খরচায়

তখন হয়তো দাঙ্গা অন্য রাজ্যে
লোক পোড়াচ্ছে, ঘর জ্বালাচ্ছে চুপচাপ...
যাদের পুড়লো, তারা পথে বসে কাঁদছে
যাদের পোড়েনি, তাদেরই কিন্তু খুব চাপ---

কিছু ম্যাগাজিন স্টোরি পেয়ে গেল মুফতে
থিম পেয়ে গেল যারা ছবি আঁকে, গান গায়
ভিড়ের মধ্যে নিজের যায়গা খুঁজতে
আমিও যেমন কবিতা লিখেছি দাঙ্গায়...
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
এই তো আমার সোনার ফসল, দুলছে হাওয়ায় নিশানি...
জয় জওয়ানের সামনে এসে দাঁড়াচ্ছে জয় কিষানই।
যে-জন যেমন চায় মাতাতে, আমরা তাতে মাতিও।
বিধর্মীরা দেশবিরোধী। ধর্ম শুধু জাতীয়।
দিব্যি ঘরে দোর দিয়ে সব মরছিল বেশ নিজেরা –
হঠাৎ করে এই এতসব। দেশের ওপর কী যে রাগ...
ঘুম পাড়াতেই পারি, ওরা শান্ত হয়ে শুলে তো!
ঘেরাও যদি এমনি চলে, ছুটতে পারে বুলেটও।
পুলিশ যখন করছে, সেটা নেহাত কোনও কারণেই।
কিন্তু তাকে প্রশ্ন করে, সেই অধিকার কারও নেই।
হয়তো তুমি বাজারে যাও। চাল কেনো আর ফল আনো।
দাম-না-পাওয়া ফসল কিন্তু তোমার জন্যে ফলানো।
কিন্তু যখন হুকুম আসে, চমকে ওঠে চেতনা,
তুমিও জানো, মৃত্যু ছাড়া সামাল দেওয়া যেত না।
মাঝেমধ্যে আগুন লাগে। রাষ্ট্র ধরান হুঁকোটি,
মরলে নিজে রোজগার কম। খুন হলে তাও দু’কোটি।
খুন কে বলে? আমরা পাতায় ধানজমি আর ঘর আঁকি
এমনি যারা মরেই ছিল, তাদের আবার মরা কী?
ফসল তবু ফলবে জানি। বইবে বাতাস কী শখে...
আমরা শুধু করব তফাত, মানুষে আর কৃষকে।
কবি শ্রীজাত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ফসল কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২১.১২.১৯৭৫)। ২০১৭ সালে
প্রকাশিত কবির “ধ্বংস” কাব্যগ্রন্থের কবিতা।
মিলনসাগরের কৃষক আন্দোলনের
দেয়ালিকায় তোলা হয় ১৪.১২.২০২০ তারিখে।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
আবদুল করিম খাঁর ধর্ম ছিল গান,
আইনস্টাইনের ধর্ম দিগন্ত পেরোনো,
কবীরের ধর্ম ছিল সত্যের বয়ান,
বাতাসের ধর্ম শুধু না থামা কখনও।

ভ্যান গঘের ধর্ম ছিল উন্মাদনা, আঁকা,
গার্সিয়া লোরকার ধর্ম কবিতার জিত,
লেনিনের ধর্ম ছিল নতুন পতাকা,
আগুনের ধর্ম আজও ভস্মের চরিত।

এত এত ধর্ম কিন্তু একই গ্রহে থাকে,
এ ওকে, সে তাকে আরও জায়গা করে দেয়।
তবে কেন অন্য পথ ভাবায় তোমাকে?
তোমার ধর্মের পথে কেন এত অপব্যয়?

যে তোমাকে শিখিয়েছে দখলের কথা,
জেনো সে ধর্মই নয়, প্রাতিষ্ঠানিকতা।
কবি শ্রীজাত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আবদুল করিম খাঁর ধর্ম ছিল গান
কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২১.১২.১৯৭৫)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
চাই যে তবু পাইনে ছুঁতে
হাজার লোকের বাজার বুথে
আঙুল বাড়াই কলঙ্কে আর সামলে রাখি ঠোঁট –

এই তো তোমার ভোট।
সকালবেলার সহজ শিকার
আগলে রাখা ভোটাধিকার
মুখের কাছে আলতো হাসি, বুকের নীচে চোট –

এই তো তোমার ভোট।
তবুও ছুটি এই অছিলায়
বিশ্বাসে যে বস্তু মিলায়,
কিন্তু কোথায়? জলে-ডাঙায় বাঘ-কুমিরের জোট –

এই তো তোমার ভোট।
একজিটে যে পোল-এর কথা,
সম্ভাবনার নীরবতা,
সব ছাপিয়ে তোমারই জিত, অধুনা মূলস্রোত –
কবি শ্রীজাত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
চাই যে তবু পাইনে ছুঁতে
কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২১.১২.১৯৭৫)। কবিতাটি মিলনসাগরের কবিতার দেয়াসিকা ৫
তোলা হয় ১৭.৪.২০১৪ তারিখে।
.
এই তো তোমার ভোট।
আমরা কেবল খেলনাবাটি
যেদিক বলো, সেদিক হাঁটি
বিরুদ্ধে যে বলবে কথা, ক’জন আছে মোট?

এই তো তোমার ভোট।
সন্ধে নামে কোথাও কোনও...
যুদ্ধশেষে আসন গোনো
এর কাছে যা রক্ত তাজা, ওর কাছে শরবত –

এই তো তোমার ভোট।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
বুক উচিয়ে হাঁটা যাবে না, মাথা উঁচু করলেও দোষ,
ঘাড় ডানে থেকে বায়ে ফেরালেও...
জিন্স পরা, চুল দেখানো যাবে না, এমন হলে অমন...
তুমি বরং হামাগুড়ি দিয়ে হাঁটো মেয়ে...
মুরগী ভেবে শিয়ালেরা তোমার পিছু নিক।
খোলা খাবারে পেট নষ্ট হয় এই প্রকার ভেবে যারা কপালে নাক তোলে...
তুমি জানো না তারাও দেবালয়ে বসে ঈশ্বরের পাশাপাশি আদ্যোপান্ত তোমাকে যপে...

ইঁদুর-ইঁদুর খেলা দেখে শিকারী বিড়ালকে তুমি কেন সাধু ভাবো ও ঝুপড়িমেয়ে?
কবি মাহমুদ হায়াত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ঝুপড়িমেয়ে
কবি মাহমুদ হায়াত (জন্ম ২.১০.১৯৭৬)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
অ-নে-ক প্রতীক্ষা করে এক সাথে হল মা ও শিশু
স্তন বাড়ায় মা
শিশুর মুখের মধ্যে। চোপসানো বোঁটা
দিতে আর নিতে কসরত করে দুইজনে
ঘাম ঝরে

চোখ ফেটে জল পড়ে
স্তন থেকে দুধ পড়ে না।
কবি বাপ্পাদিত্য জানা
মা ও শিশু
কবি বাপ্পাদিত্য জানা (জন্ম ১৮.৯.১৯৭৭)। ২০১৭ সালে প্রকাশিত, কবির নিজের
সম্পাদিত “আন্দোলন ঘটনা ও কবিতা বঙ্গভঙ্গ থেকে সাম্প্রতিক ১৯০৫ - ২০১১”
কাব্যসংকলন থেকে নেওয়া।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
রতি হয়নি অ-নে-ক দিন
মনেও পড়েনি সেভাবে, খিদে পেটে
হয় না। হয়তো তাই ইচ্ছেরা দেয়নি উঁকি
ভালোই ছিলাম।

জ্যোৎস্নার বৃষ্টি এলোমেলো করে দিস সব---

আজ শুধু হাড়ে হাড়ে ঠোকাঠুকি---
কবি বাপ্পাদিত্য জানা
মন্দার মতি
কবি বাপ্পাদিত্য জানা (জন্ম ১৮.৯.১৯৭৭)
২০১৭ সালে প্রকাশিত, কবির নিজের সম্পাদিত “আন্দোলন ঘটনা ও কবিতা বঙ্গভঙ্গ
থেকে সাম্প্রতিক ১৯০৫ - ২০১১” কাব্যসংকলন থেকে নেওয়া।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
চিৎকার কর মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায় !
আমাদের শুধু মোমবাতি হাতে নীরব থাকার দায়I
চিৎকার কর মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায় !
আমাদের শুধু ধ্বজা ভাঙা রথে এগিয়ে চলার দায় II

জন্মের আগে মৃত্যু দিয়েছে, জন্মের পরে ভয়
সকালে বিকালে শরীর আগলে লুকিয়ে বাঁচতে হয়
যদি ভুলচুক হয়, কোনোভাবে অসাবধানের বসে
দুই বছরেই ধর্ষিতা তুই! তোরই কিন্তু দোষে।
আরও খানিকটা বড় হলে ওরা ন্যাংটো করবে তোকে
'হোরডিং' জুড়ে তোর খোলা পেট সাপটে গিলবে লোকে  
বিক্কিরি হবে আর আছে তোর যাকিছু ব্যাক্তিগত
আমরা শুধুই খানিক লোলুপ খানিকটা বিব্রত I

চিৎকার কর মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায় !
আমাদের শুধু মোমবাতি হাতে নীরব থাকার দায়
চিৎকার কর মেয়ে দেখি কতদূর গলা যায়
আমাদের শুধু ধ্বজা ভাঙা রথে এগিয়ে চলার দায় II
কবি আকাশ চক্রবর্তী
চিৎকার কর মেয়ে
কথা ও সুর - কবি আকাশ চক্রবর্তী
শিল্পী - ডোনা গুপ্ত। ভিডিওটি সৌজন্যে
Dipankar Sinha YouTube Channel.
.
সম্ভব হলে সূর্যের আলো মাখিস না চোখে মুখে,
না হলেও খুব চুপি চুপি মাখ পাছে দেখে ফেলে লোকে
এরপরও খোলা রাস্তায় ওরা খেয়ে ফেলে গেলে তোকে
প্রশাসন শুধু হাততালি দিয়ে বেশ্যা বলবে তোকে।
চিৎকার কর মেয়ে, দেখি কত দূর গলা যায়
আমাদের শুধু ধ্বজা ভাঙা রথে এগিয়ে চলার দায়...

চিৎকার কর মেয়ে, দেখি কতদূর গলা যায়
আমাদের শুধু মোমবাতি হাতে নীরব থাকার দায়॥
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
বস্ত্র হরণের পালা চলছে সর্বত্র !
প্রকাশ্য দিনের আলোতে ,
অথবা গভীর অন্ধকার রাতে ;
যখন তখন সর্বক্ষণ।
ফুলিয়া-শান্তিপুর-ঢাকায়,
তাঁতকল মিল মালিকের
মুখে লম্বা হাসি।
সেই পৌরাণিক যুগ থেকে আজ অবধি ;
দুঃশাসনের হাত অক্লান্ত।
তথাকথিত বুদ্ধিজীবিগণ ,
মুখে কুলুপ এঁটে ;
বসে থাকে চিরকাল।
পিতামহ ভীষ্ম দ্রোনাচার্যের -
চোখে কালো চশমা !
রজস্বলা রমনীর রক্তে ,
প্লাবিত ঘর সংসার।
দীর্ঘ ল.সা.গু.-র মতো ,
অজস্র মিলের শাড়ি ;
জমা হয় দিগন্তের রাস্তায়।
কবি পূর্ণচন্দ্র বিশ্বাস
শাড়ির ভাজে কালসিটে
কবি পূর্ণচন্দ্র বিশ্বাস (জন্ম ৩.২.১৯৭৮)
.
অসংখ্য ভাজক ,
ভাজ্যকে -ভাগ করে।
অসীম ভাগফল ,
তবু অবশিষ্ট থেকে যায় !
আদিবাসী রমনীর উরু উলঙ্গ !
গাইতি আর বেলচার আঘাতে ;
পাড়ের ভাজে ভাজে ,
নির্বাক শাড়িতে কালসিটের দাগ।
পার্বতী দশভূজা সর্বশক্তিময়ী ;
তবু দ্রৌপদীরা বিবস্ত্র হয়।
কোথায় 'কর্ণ', কোথায় পঞ্চস্বামী?
তোমরা কি আজও নপুংসক !
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
ধর্ষিতা মেয়েটির শরীর কাঁপছে
.                মন কাঁপছে
.                চোখ লুকানো
.                মুখও ---
.                বাকরুদ্ধ।

চ্যানেলে পেছনমুখী ছবি, বড় বড় হেডলাইন।

সামনে সমব্যথী বিশিষ্টব্যক্তিদের বক্তব্য,
.                তাদের একটাই সুর ---
‘মেয়েটির সবচেয়ে বড় সম্পদ নষ্ট হয়েছে।’

এ-কথার পর ---
.        ধর্ষকের সঙ্গে
.        এইসমস্ত লোকের
.        কোনো পার্থক্য খুঁজে পাই না আমি।
কবি স্বপ্নিল রায়
ধর্ষক, ধর্ষিতা ও বিশিষ্টজনেরা
কবি স্বপ্নিল রায় (জন্ম ৩০.৭.১৯৭৮)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
সব মেয়েরা ভীষণ সুন্দর হয়
তাদের ঠোঁটে এক অদ্ভুত খরখরে বালিময়তা
এক অপ্রাপ্তবয়স্ক বেলাভূমি
ঢেউয়ের মত হাজার হাজার মূহূর্তের আসা যাওয়া
উচ্ছ্বাস জমা হয়  ঠোঁটের বাঁধে
শিশির হয়ে টুপটাপ  ঝরে পরে  বুকজলে
একটি ঢেউয়ের আস্তিনেও তখন থাকে না  নারীবাদ
তারপর ঝরনা নেমে আসে শরীর বেয়ে,
মননে অবাধ বারিপাত
মোম আস্তরনে ঢেকে যায় তাদের আঙুল, নখের ডগা
গাঙচিল উড়তে থাকে নদীর বুকে,
গভীর আকাশ জড়ো হয় ধীরে ধীরে তার চারপাশে
মেয়েটি হতে থাকে ক্রমশ নিজস্ব...
নির্ভয়া বা দামিনী বা জ্যোতির গল্প
আমরা শুনে চলেছি দুই হাজার বারো  থেকে
এসব গল্প বহু কালের পুরনো
বলতেও ইচ্ছে করে না, ভাবতেও না
ধর্ষণ আবহকালের নারকীয় উল্লাস
দামিনীর রক্তে ভাসানো কপোল থেকে
নরম চুলের মতো সরিয়ে দিলাম সব নারকীয়তা
আশ্চর্য মুখে পৃথিবীর সব প্রাপ্তি খেলে গেলো
নির্ভয়ার বিনিময়ে তার বাবা টাকা পেয়েছিলেন,
পঁচিশ লাখ বা আরো বেশী
কবি চিরশ্রী দেবনাথ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আমার দেশের একটি ছেলে ও মেয়ে
কবি চিরশ্রী দেবনাথ (জন্ম ১২.২.১৯৭৯)
.
নির্ভয়ার ভাই একটি চাকরি
সরকার আইন বানিয়ে তরিঘরি শাস্তির ব্যবস্হা ও করেছিল
শুধু অনিন্দ্য কুমার পান্ডে, গোরখপুর....
দামিনীকে ভালবাসতো।
ফ্রম দ্য ক্যোর অব্ দ্যা হার্ট, এটাই কি!!
কোন টাকা , চিকিৎসার খরচ নেইনি নিজের জন্য
মিডিয়ার সামনে বাহবা কুড়োয়নি
আগুনের মতো চোখের জল তার বাকি জীবন
ছেড়ে যেতে পারত, সে মুহুর্তে ...যায়নি,
লড়ে গেছে, রক্তাক্ত  উলঙ্গ শরীর নিয়ে
চলন্ত বাসে দিল্লীর রাজপথে  তীব্র শীতের রাতে
সব শেষ হয়ে যাবার পর বান্ধবীকে কোলে নিয়ে
একটি কাপড়ে ঢেকে
হাত দিয়ে গাড়ী থামানোর চেষ্টা করেছে রাতভর
সেদিন আমার দেশ কেঁদেছিলো, এমন ছেলেও আছে তার
রাজপথ মহাকাব্যের হস্তিনাপুর রাজসভা
কেবল সেই যাদববালক বড়ো অসহায়!
অনিন্দ্য কুমার গোখলের চোখে তখন কি ছিল
তার ভালোবাসার মরুঝড়
সেদিন পৃথিবীর মাটি বুঝি বলেছিল,
"এমন পুরুষের জন্য, বাঁজা হয়ে আছি কোটি কোটি বছর...
আমাকে দাও বারংবার ধর্ষণের  উলঙ্গ সম্মান....
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
লোক গুলো হেঁটে যাচ্ছিল
তাদের বাড়ি ঘরে সন্ধ্যা নামছিল
তাদের দুটুকরো জমিতে নষ্ট ফসল
তাদের হাতে পোঁটলা পুঁটলি রুটি
কাঁধে বাচ্চাকাচ্চা আর শরীর জুড়ে ক্লান্তি

মন্দির মসজিদ গুরুদুয়ারা পেরিয়ে
যাচ্ছিল তারা রেললাইনের ধার ধরে
চারপাশে মাঠ আর পথ আর রোদ    
চারপাশে অন্ধকার আর ময়লা চাঁদ
তারা যাচ্ছিল, শুধু যাচ্ছিল দিনরাত
নাগরিক শহরে তারা পথ হারায়নি,
তাদের কালো কালো মাথা
পথে পথে রেখে গেছে রক্তের দাগ
পথে পথে রেখে গেছে ক্ষুধার ছোঁয়াচ
পথে পথে ছড়িয়ে গেছে  সংক্রমিত ভোটচিহ্ন

কিছুদিন পর কিছু হারগোর কুয়োতে
কিছু ক্লান্তিতে ঢলে গেছে বন্ধুর কোলে
পায়ের নখ ও চামড়া খুলে গেছে
ফটো উঠেছে মুখবই এ, দেখেছে কি তারা
কত লাইন লেখা হয়েছে, উড়ে গেছে ঝড়ে
বেঘোরে মরেছে আমার সকল আবেগ
কবি চিরশ্রী দেবনাথ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
পরিযায়ী, ২০২০
কবি চিরশ্রী দেবনাথ (জন্ম ১২.২.১৯৭৯)। মিলনসাগরে কবির পাতায় প্রকাশকাল ১২.৭.২০২০।
.
কার দোষ বলো, বিদেশী ভাইরাস?
কার দোষ বলো,  সরকার অথবা মালিকপক্ষ?

শুধু হেঁটে হেঁটে গেছে যারা
সারা ভারতে তারা নতুন জাতি
নাম তার পরিযায়ী
মহারাষ্ট্রের নোনা হাওয়া থেকে
রাজস্থানের মরুবালি, গঙ্গার পলি
মেখে মেখে তারা প্রমাণ করে গেছে
এই ভারতের তারা কেউ নয়, কেউ নয়
আমাদের ভাত, আসবাব, তেল, নুন
সব কিছুতে আজ রক্ত লেগে আছে
আমরা সাবানজলে ধুয়ে যাচ্ছি আমাদের পাপ,
আমাদের সংসদে চিরস্থায়ী হলো পরিযায়ীর লাশ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
সে তো লাঙল বয়েছে কাঁধে
সেই ঘামে ভিজিয়েছে মাটি
তার রক্তের বিনিময়ে
সে যে সোনা ফলিয়েছে খাঁটি

ওরা নিভিয়ে দিয়েছে বাতি
তার ঘরেতে অন্ধকার
আজ মাঠ নামে রাজপথে
দাবি কৃষকের অধিকার

ওই উত্তাল প্রতিবাদে
তার বুকেতে লাভার স্রোত
তার হাজার পায়ের চাপে
কাঁপে পুঁজিপতি ইমারত
কবি মনামী ঘোষ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ফসলিয়া
কবি মনামী ঘোষ (জন্ম ৫.১০.১৯৭৯)। কবিতাটি
মিলনসাগরের কৃষক আন্দোলনের দেয়ালিকায় তোলা
হয় ২৮.১২.২০২০ তারিখে।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
বুদ্ধ তুমি কখনো কি পেরেছিলে জানতে
সিঙ্গুরের কৃষকের আন্দোলনের বার্তা
পৌঁছে যাবে পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে।

কৃষকের আন্দোলনের চারটি বছর কেটে গেল
বুদ্ধদেবের টাটা দালালরা ধরা পড়ে গেল।

সরকারের কেলেঙ্কারি পড়ল না তো ঢাকা
ভোটের আগে টাটার থেকে
নিয়েছিলেন কয়েক কোটি টাকা।
সর্বগ্রাসী সর্বনাশা আমাদের সরকার
উর্বর জমিতে করবেন প্রোমোটারী কারবার
বাদ দেয় নি শ্মশান, আশ্রম, দেয়নি ভাগাড়
ঋণগ্রস্থ, অপদার্থ, মিথ্যাবাদী সরকার।

পুলিশ ক্যাডার দিয়ে বেড়ারকাজ হল
সেই বেড়ার ভিতর তাপসী খুন হল।
অত্যাচারে অত্যাচারে সিঙ্গুর আজ অশান্ত
তাপসী কে খুন করে
হও নি বুদ্ধ শান্ত।
কবি তরুণ বাগ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ক্ষতবিক্ষত সিঙ্গুর
কবি তরুণ বাগ (জন্ম ৯.১.১৯৮০)। কবি সিঙ্গুরের একজন চাষী যাঁর জমি ২.১২.২০০৬ সালে,
তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে, বলপূর্বক অধিগ্রহণ করা হয়, টাটার ন্যানো গাড়ীর কারখানার জন্য।
মিডিয়ার উপস্থিতিতেই জমি অধিগ্রহণে বাধা দিতে গিয়ে কবি পুলিশের হাতে নিগৃহীত হন।
মিলনসাগরে,
পুলিশ দ্বারা কবির নিগৃহীত হবার ছবি দেখতে এখানে ক্লিক করুন . . .
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
(রবীন্দ্র সঙ্গীতের প্যারডী)

আমি চিনি গো চিনি তোমারে দালাল বুদ্ধবাবু।
তুমি থাক রাইটার্সে দালাল বুদ্ধবাবু।
তোমায় দেখেছি ইন্দোনেশিয়ায়
তোমায় দেখেছি অস্ট্রেলিয়ায়।
তোমায় দেখেছি চিন দেশে ---
দালাল বুদ্ধবাবু।

আমি আকাশে পাতিয়া কান
শুনেছি শুনেছি তোমার এই ভান।
আমি নেব যে তোমার প্রাণ ---
দালাল বুদ্ধবাবু।

বিদেশ ঘরিয়া এসে,
তুমি দালালি করিলে শেষে.
তুমি এসেছ সিঙ্গুরের দ্বারে।
ঝাঁটা খাবার ত্বরে।
দালাল বুদ্ধবাবু।
কবি তরুণ বাগ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আমি চিনিগো চিনি তোমারে
কবি তরুণ বাগ (জন্ম ৯.১.১৯৮০)। কবি সিঙ্গুরের একজন চাষী যাঁর জমি ২.১২.২০০৬ সালে,
তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে, বলপূর্বক অধিগ্রহণ করা হয়, টাটার ন্যানো গাড়ীর কারখানার জন্য।
মিডিয়ার উপস্থিতিতেই জমি অধিগ্রহণে বাধা দিতে গিয়ে কবি পুলিশের হাতে নিগৃহীত হন।
মিলনসাগরে,
পুলিশ দ্বারা কবির নিগৃহীত হবার ছবি দেখতে এখানে ক্লিক করুন . . .
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
(শ্যামা সঙ্গীতের প্যারডী)

আমায় উর্বর জমি দাও,
আমি আবাসন তৈরি করি।
আমি জমির দালাল একজন
অনেক ধণেতে ধনি।
আমায় উর্বর জমি দাও,
আমি প্রমোটারী বিজনেস করি।

ভেবোনা হঠাৎ ক্যাডার পুলিশ দিয়ে ---
কৃষকের জমি ছিনিয়ে নেব।
চাষীরা আন্দোলন যখন করবে।
পুলিশ লাঠি, গুলি মারবে।

আমি রাইটার্সে বসে থাকব,
ভগবানকে মনে মনে ডাকব।
আমায় দেখতে দিও
টাটার মুখের হাসি
আমার টাটার মুখের হাসি।
কবি তরুণ বাগ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আমায় উর্বর জমি দাও
কবি তরুণ বাগ (জন্ম ৯.১.১৯৮০)। কবি সিঙ্গুরের একজন চাষী যাঁর জমি ২.১২.২০০৬ সালে,
তাঁদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে, বলপূর্বক অধিগ্রহণ করা হয়, টাটার ন্যানো গাড়ীর কারখানার জন্য।
মিডিয়ার উপস্থিতিতেই জমি অধিগ্রহণে বাধা দিতে গিয়ে কবি পুলিশের হাতে নিগৃহীত হন।
মিলনসাগরে, পুলিশ দ্বারা কবির নিগৃহীত হবার ছবি দেখতে এখানে ক্লিক করুন . . .
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
বারে বারে ঘু ঘু তুমি
খেয়ে যাও আমার ধান।
আমার বুনো ফসল,
গায়ের ঘাম পেয়ে বেড়ে ওঠা
'সবুজ বিপ্লব'
কা কা করে চিৎকার করে
দু মুঠো সাদা ভাতের জন্যে।

'কৃষি বিপ্লব' মারো গুলি,
একশই নব্বই টাকা-
চাষির কাকের বেল খাওয়া,
সরকারের কুম্ভীরাশ্রু।

ভাতের ভোট বাক্সে
চাষির গণতন্ত্র
বোকা কোকিলের
গলা শুকিয়ে কাঠ।

সব ব্যাটা এক,
কেউ রাম গড়ুর আর
কেউ রাম গরুড়ের ছানা।
কবি পবিত্র কুমার
আচার্য্য
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
রাম গরুড়ের ছানা
কবি পবিত্র কুমার আচার্য্য (জন্ম ২২.১.১৯৮০)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
আমি ৬*৭ এর
নোনা দেওয়ালের কফিনে মোড়া
জ্যান্ত লাশ,
আমার নিবিড় স্বপ্নময় ভাবনারা
বোকা বাক্সে বন্দী -
মগজ থেকে শরীরের তার বেয়ে বেয়ে
স্যাঁত স্যেঁতে  মেঝে টাকে
স্পর্শ করে ঘোরা ঘুরি করে
ধুমসো কালো নিস্তব্ধ ঘরটা তে।
দেওয়াল ভেদ করে বেড়িয়ে
পরতেই কি ভয়ানক জিজ্ঞাসা -
যদি গলা চেপে ধরে একশো কোটির
কালো হাত।

আমি চিৎকার করে গলা ফাটাই
কিন্তু নিজের আওয়াজ নিজেই
শুনতে পাই না কখনো।
আমি চাই শহীদের বেদীতে
শান্তির ফুল ফোটাতে,
আমি হা হা কার করি
অভাবের ঘনত্ব কমাতে,   
আমি স্বাধীনতা চাই
শিক্ষার জন জাগরণে,
কবি পবিত্র কুমার
আচার্য্য
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কফিন থেকে স্বাধীনতা
কবি পবিত্র কুমার আচার্য্য (জন্ম ২২.১.১৯৮০)
.
আমি মুক্তি চাই
মুক্ত চিন্তা বপনে।

আমার শত কণ্ঠের আর্তনাদ,
আমার প্রতিবাদের ভাষা
বোকা বাক্সে বন্দী।

এমনি করে নীরব শুধু,
মানুষ সবাই লাশ
নব চেতনা আসবে কি ভাবে
বন্দী গোটা সমাজ।     
প্রতিবাদের ভাষা কেড়ে নেয় শাসক
গণতন্ত্র এর টুটি চেপে,
তবে পরিবর্তন আসবে নিশ্চয়
সত্যের কাঁধে চেপে।
বোকা কফিনে বন্দী থেকো না,
জাগ্রত জনতা,
জাগো, জাগাও
বুঝে নাও আজ নিজের স্বাধীনতা।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
শাসক আসবে শাসক যাবে
কাগজ আমরা দেখাব না
শোষক আসবে শোষক যাবে
তবু কাগজ দেখাব না
যতই মারো জলকামান
আর যতই চলুক টিয়ার গ্যাস
ভালবাসা আর বিপ্লব বুকে
ভয়ে তো পিছু হটবো না
কাগজ আমরা দেখাবো না
এ দেশ আমার এদেশ সবার
বিসমিল যে সে রামপ্রসাদ
ধর্মে ধর্মে বিভেদ করে
আজকে তুমি বাঁচবে না
কাগজ আমরা দেখাবো না
ইনটারনেট বন্ধ করো
মাথায় মারো পুলিশ লাঠি
স্লোগান তবু থামবে না
কবি বরুণ গ্রোভর
কাগজ আমরা দেখাব না
হিন্দী ভাষায় মূল কবি বরুণ গ্রোভর (জন্ম ২৬.১.১৯৮০)। অনুবাদকের নাম পাওয়া যায়নি। বরুণ গ্রোভারের সিএএ,
এনআরসি নিয়ে জনপ্রিয় 'হাম কাগজ নেহি দিখায়েঙ্গে' কবিতাটির আবৃত্তি বাংলায় বিশিষ্টজনদের কণ্ঠে। ভিডিওটির
পরিচালক রনি সেন। অংশগ্রহণে রয়েছেন সব্যসাচী চক্রবর্তী, মনোরঞ্জন ব্যাপারী, স্বস্তিকা মুখার্জী, দেবলীনা, কঙ্কণা
সেনশর্মা, নন্দনা সেন, আয়ুষ্মান মিত্র, স্নেহা ঘোষ, চিত্রাঙ্গদা শতরূপা, মধুযা মুখার্জী, তিলোত্তমা সোম, রূপম ইসলাম, সুমন
মুখোপাধ্যায় এবং ধৃতিমান চ্যাটার্জী। ভিডিওটি সৌজন্যে
CPIM Bankura YouTube Channel.
.
কাগজ মোটেই দেখাবো না
জাতিভেদের রাজনীতিতে
মনভোলানো মন কি বাতেঁ
আর তো ভবি ভুলবে না
কাগজ আমরা দেখাবো না
গলায় আছে জনগণমন
বুকের মাঝে সংবিধান
লড়ছে সবাই পথে নেমেই
লড়াই আজকে থামবে না
কাগজ আমরা দেখাবো না
জাত নয় আজ ভাত দে বলে
দেড়শো কোটির আবাদি
মন্দির নয় মসজিদ নয়
দেশ জুড়ে চাই আজাদি
কাগজ আমরা দেখাবো না
কাগজ মোটেই দেখাবো না
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA

हम कागज़ नहीं दिखाएंगे,
तानाशाह आके जायेंगे,

तानाशाह आके जायेंगे,
हम कागज़ नहीं दिखाएंगे,

तुम आंसू गैस उछालोगे,
तुम ज़हर की चाय उबालोगे,
हम प्यार की शक्कर घोलके इसको,
गट-गट-गट पी जायेंगे,
हम कागज़ नहीं दिखाएंगे।

ये देश ही अपना हासिल है,
जहां राम प्रसाद भी बिस्मिल है,
मिट्टी को कैसे बांटोगे,
सबका ही खून तो शामिल है,
कवि वरुण ग्रोवर
कवि वरुण ग्रोवर ॥ हम कागज़ नहीं दिखाएंगे ॥
VARUN GROVER || HUM KAGAZ NAHI DIKHAYENGE ||
नागरिकता संशोधन कानून (CAA) और नेशनल रजिस्टर ऑफ सिटिजन्स (NRC) के खिलाफ देशभर में जारी प्रदर्शन
के बीच कॉमेडियन और गीतकार वरुण ग्रोवर ने ट्विटर पर एक कविता का वीडियो शेयर किया है।
Lyrics : Varun
Grover, Music & Vocals : Rahul Ram, Editing : Shoaib Nazeer, Additional Guitar : Nikhil Rao, Additional
Vocals : Nikhil Rao & Pronay Roy.
विडिओ, सौजन्य़ से Opia Films YouTube Channel.
.
ये देश ही अपना हासिल है,
जहां राम प्रसाद भी बिस्मिल है,
मिट्टी को कैसे बांटोगे,
सबका ही खून तो शामिल है,

तुम पुलिस से लट्ठ पड़ा दोगे,
तुम मेट्रो बाँदा करादोगे,
हम पैदल-पैदल आएंगे,
हम कागज़ नहीं दिखाएंगे।
हम मंजी यहीं बिछाएंगे,
हम कागज़ नहीं दिखाएंगे।
हम संविधान को बचाएंगे,
हम कागज़ नहीं दिखाएंगे।
हम जन-गन-मन भी जाएंगे,
हम कागज़ नहीं दिखाएंगे।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
রাস্তাটা আর যারই হোক না কেন
ওই উলঙ্গটার নয়
যে ফুটপাতে শুয়ে চাঁদ দেখতে দেখতে
নির্বুদ্ধের মতো বিড়ি ফুঁকেছিল,
রাস্তাটা আর যারই হোক না কেন
ওই ভিক্ষুকটার তো নয়-ই
যে কিনা থালা লুকিয়ে উঁকি মেরে দেখেছিল
রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে মন্ত্রীর গাড়িবহর।
রাস্তাটা নির্বুদ্ধ উলঙ্গটার নয়,
রাস্তাটা ভিক্ষুকটার নয়, রাস্তাটা.....
এমনকি আমাদেরও নয়;
যারা মানুষ বলতে কেবল ভোটার বোঝেন
যারা কল চাপলেই কালো পুলিশ সাদা পুলিশে ছেয়ে যায় দেশ
চাইলেই সারতে পারেন লাস ভেগাসে জোৎস্না স্নান,
রিলিফের চালে বাজার জমিয়ে যারা
নিজে খান বাসমতি চালের ভাত,
ইতিহাস বলে রাস্তার মালিক তারা-ই।
তবুও একদল আহাম্মক হেঁটেই চলে
আর মনে মনে বলতে থাকে....
এই রাস্তা, এই শহর এবং এই দেশ
আমার তোমার এবং সবার!
কবি শাজাহান
পারভেজ রনি
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বিশেষ সংশোধনী
কবি শাজাহান পারভেজ রনি (জন্ম ৩০.১১.১৯৮০)। কবির কাব্যগ্রন্থ
"জীবন ও জবানবন্দি"-র কবিতা।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
ফারমায়েশী কবি হওয়ার চেয়ে
রাস্তার ভিখীরি হওয়া অনেক ভালো
ও শালা তকমার আশা করেনা।
পদক প্রাপ্তি দোষের কিছু নয়
যারা পাচ্ছেন তারা আরো পান, আপত্তি নেই
কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়
ব্যাপার হলো দরে পোষালে পতিত মেয়েটার মতো
কবিরও কাপড় খুলতে আপত্তি থাকেনা কোন।
সুতরাং কবিকে বেশ্যা বলার জন্য
আমি বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নই।
কবি শাজাহান
পারভেজ রনি
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কবিকে আমি বেশ্যা বলেছি
কবি শাজাহান পারভেজ রনি (জন্ম ৩০.১১.১৯৮০)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
যে লোক এদেশে আসেনি বহু বছর
ফিরতে হলে,তার জেনে আসা উচিত
এখানে এখন কি করে পা ফেলতে হয়
কি করে রাস্তা পেরুতে হয়
কি করে ম্যানেজ করতে হয় দশদিক,
তার জেনে আসা উচিত।
এখানে এখন  প্রেমিকারা হাসেনা
বাগানে গোলাপগুলো ফোটে বিক্রি হবে বলে
যে লোক এদেশের খবর রাখেনি বহু বছর
ফিরতে হলে, তার জেনে আসা উচিত
এখানে জোৎস্নার দালালি খায় পুলিশ
এখানে মানুষ
নিজেই খোঁড়ে নিজেদের কবর
এখানে পোঁদ চাটা বীরত্ব, সত্য বলা অন্যায়।
কবি শাজাহান
পারভেজ রনি
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
সতর্কতা
কবি শাজাহান পারভেজ রনি (জন্ম ৩০.১১.১৯৮০)
রচনা জুলাই ২০২১।
কবির ফেসবুক . . .
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
টাকশালে আজ রেকর্ড ভাঙা নিউজ
মুটের গায়ে গন্ধ মাখা ঘাম
চালের ঘরে চাউমিন হলো সতীন
পুঁজির বেভাব, মন্ত্রীপাড়ায় চাম।
গুমোট গরম আক্কারা আজ জলের
ছলে বলে  মাকাল উন্নয়ন
মরলে চাষা ভোগী গোরখোদক
ভোগের থালায় সবুজ বনায়ন।
কুকুর সাধু ধুলোর চন্ডিপাঠে
ভরলে নদী কোটির হরিবোল
গদির টাকায় যদির পোয়াবারো
পেটায় খাজা নষ্টগুড়ের খোল।
কাজের কথায় অকাজ আমন্ত্রিত
লুটে পুটে খাচ্ছে ঢ্যামনা চাঁন
নয়কো বিড়ি প্যাকেট বিরিয়ানি
তামুক চাষীর রাষ্ট্রীয় সম্মান।
বাজারী আর শ্রাদ্ধফেরত শোক
সমান্তরাল মাক্কু মামুর নোট
চালে ডালে সুস্বাদু হগদানায়
মানুষ মানে তেলেসমাতির ভোট।
কবি শাজাহান
পারভেজ রনি
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ভাবনা রোগ
কবি শাজাহান পারভেজ রনি (জন্ম ৩০.১১.১৯৮০)
রচনা ৬.৬.২০১৫, কুষ্টিয়া।
কবির ফেসবুক . . .
.
মালের মাথায় একুশ পরোয়ানা
ইচ্ছেমতো মগের সংবিধান
তকদিরে ঐ চার আনা পায় জগা
বারো'য় রাজার বর্ধিত খানদান।
বাঁচলে হাতি, মরলেও লাখ টাকা
ভোটার নাকি উন্নয়নের থাম
ব্রেকিং নিউজ "ভোগায় কে কতোটা"
ভাবনা রোগে--মধ্য ডান আর বাম।
যেমনি বলা তেমনি চলাচল
কে মানুষ আর কে হয় মহাশয়
খাজা হলে পরম পূজনীয়
দু'হাত রাজার লুটেই পোক্ত হয়।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
হেস্টিংস থেকে কালিঘাট মজে যাওয়া আদিগঙ্গা
শুয়োর - মোষ - ব্যাকটিরিয়া রাজ করে দূর্গন্ধের সাথে।

পাড়বাসীর ঊষারাণী দেখা দেয়, শরীরে অসহ্য ব্যাথা ও ক্ষিধে নিয়ে
তেল চিটচিটে জামা, শরীরে দূর্গন্ধ এসব তুচ্ছ প্রতিরোধ
যাঁদের সন্ধ্যা নামে বিয়ারের বোতল ধরে
মাথার ভেতর চরে বেড়ায় শুয়োরেরা
রাত বাড়তেই কচু খোঁজে আদিগঙ্গার পাড়ে
শিশু - কিশোরী ভোগ্য হয়, কালোকাঁচের আড়ালে।

দূর্গন্ধমাখা শরীর ধরে ক্ষুধা মেটায় যাঁরা
শাওয়ার তাঁদের সব মুছে দেয় কলঙ্কিনী ওরা!
কবি অসীম হালদার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আদি গঙ্গার পাড়ে
কবি অসীম হালদার (জন্ম ৪.৫.১৯৮১)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
ভাতের থালা থেকে তুলে নিয়ে গেছে পুলিশ
বছর সাতাশের ছেলেটাকে।

সেই থেকে ও বাড়ির দরজাটা
খোলা, আজও।

চোখে ঘুম আসছে না, বলে
মেয়েটার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়
বৃদ্ধা মা।

রাস্তা শুনশান হলে লন্ঠন হাতে বের হয়
ছেলেটার খোঁজে।

কাছাকাছি গুলির শব্দ শুনে
সন্দেহ জাগে।

কাদের ছেলে জঙ্গলে ঢুকেছে
কাদের ছেলে?

অন্ধকারে ছুটে আসা টর্চের আলো
মুখে পড়লে
বোনটার কন্ঠস্বর শোনা যায়।

দাদা পালা, পু-লি-শ...
কবি শক্তি পুরকাইত
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
এক আদিবাসী মায়ের দিনলিপি
কবি শক্তি পুরকাইত (জন্ম ১৪.৮.১৯৮২)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
দেশ দেশ দেশ
স্বাধীন হবে এ দেশ
দেশ দেশ দেশ
স্বাধীন হবে এ দেশ
নিয়েছিল ওরা অস্ত্র তুলে
নিজেদের সুখ আহ্লাদ ভুলে
আমার গল্পে নায়কেরা
বিনয় বাদল দীনেশ
স্বাধীন হবে এ দেশ

মুক্তির কথা ভেবেছিলো ওরা
রক্তে রাঙানো বসুন্ধরা
বিপ্লবের অধিনায়কেরা
বিনয় বাদল দীনেশ
দেশ দেশ দেশ
স্বাধীন হবে এ দেশ

লাঞ্ছিত যত লুণ্ঠিত কত
ভীষণ শোষিত প্রাণ শত শত
কিছুতেই আর নয় মাথা নত
অত্যাচারে পরাধীন কত
শেষ শেষ শেষ
স্বাধীন হবে এ দেশ
কবি সৌম্য ঋত
বিনয় বাদল দীনেশ কথা ও সুর - কবি সৌম্য ঋত (জন্ম ৭.১০.১৯৮২)। শিল্পী রূপম ইসলাম ও সমবেত কণ্ঠে শুনুন, অরুণ রায়ের নির্দেশিত
“৮/১২ বিনয় বাদল দীনেশ” ছায়াছবির গান। গানটি
release করা হয় ১৫ই অগাস্ট ২০২১ এর স্বাধীনতা দিবসে। ভিডিওটি সৌজন্যে KSS MUSIC YouTube Channel.
.
লাঞ্ছিত যত লুণ্ঠিত কত
ভীষণ শোষিত প্রাণ শত শত
কিছুতেই আর নয় মাথা নত
অত্যাচারে পরাধীন কত
শেষ শেষ শেষ
স্বাধীন হবে এ দেশ
বিনয় বাদল দীনেশ
স্বাধীন হবে এ দেশ

ওরা মান ফিরে পেতে ডাক দিয়েছিল
মুক্তির আদেশ
ওরা নিজের দেশে চায়নি
কারুর অনুপ্রবেশ
ওরা মান ফিরে পেতে ডাক দিয়েছিল
মুক্তির আদেশ
ওরা নিজের দেশে চায়নি
কারুর অনুপ্রবেশ
বিনয় বাদল দীনেশ
তোমাদেরকে কুর্নিশ
বিনয় বাদল দীনেশ
মায়ের সাহসী ছেলে
বিনয় বাদল দীনেশ

বিনয় করেছে সন্ত্রাসে ওরা
প্রলয় আনবে দিনকালে ওরা
প্রথম সূর্য দেখবে এ দেশ
মুছতে এবার দেশের গ্লানি
বিদায় মাগো ফিরবোনা জানি
দেশের জন্য এই বলিদান বেশ
ওরা মান ফিরে পেতে ডাক দিয়েছিল
মুক্তির আদেশ
ওরা নিজের দেশে চায়নি
কারুর অনুপ্রবেশ
ওরা মান ফিরে পেতে ডাক দিয়েছিল
মুক্তির আদেশ
ওরা নিজের দেশে চায়নি
কারুর অনুপ্রবেশ

বিনয় বাদল দীনেশ
স্বাধীন হবে এ দেশ
মুক্তির কথা ভেবেছিলো ওরা
রক্তে রাঙানো বসুন্ধরা
বিপ্লবের অধিনায়কেরা
বিনয় বাদল দীনেশ
বিনয় বাদল দীনেশ
স্বাধীন হবে এ দেশ
বিনয় বাদল দীনেশ
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
অস্থির সময়ের পাখি তুমি,
যা তোমার, আজ তাতে অন্যের অধিকার।
যা সহজ সরল সভ্য, আজ তা সময়ের
যাঁতাকলে পিষ্ঠ নিষ্ঠুর ভবিতব্য।
খোলা মনে উড়বার অধিকার নেই কারও,
চোরাবালির পাঁকে মানবতা তলিয়ে যাচ্ছে
আরও ! আরও! আরও!
ঝটপটানি শুনলেই ভয় বাসা বাঁধে মনে।
নীতি,বিবেক, সংস্কৃতি বর্জিত ব্যভিচারিরা
দাপিয়ে চলেছে অতি সাধারণ মননে।
মুক্তিকামীর মর্মবেদনা গুমরে গুমরে কাঁদে,
ওদের স্তব্ধ করতে হবে ; প্রতিযোগীতায়
মেতেছে যত বর্বর জহ্লাদে।
ভয় পেয় নাকো, ডানা ঝাপটাও,
যত আঘাতেই হও বিক্ষত,
এ তোমারই জয়, মুক্তিধারার অমৃতবারি
তোমারই পক্ষ্ণস্নাত।
কবি বিশ্বরূপ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
অস্থির সময়ের পাখি
কবি বিশ্বরূপ রায় (জন্ম ২৩.২.১৯৮৪)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
সারা রাতের ঝড়-ঝাপটা, ছিটেফোঁটা বৃষ্টি
কাটিয়ে ভোরের সূর্য উঠল নতুন বার্তা নিয়ে।
দাবদাহে দগ্ধ ধরনী শান্তি পেল আবার।
কিন্তু চারিদিকে চলছে যেসব অসভ্য বর্বরতা,
তার থেকে সে কবে পাবে নিস্তার?
মানবতা আজ আক্রান্ত জান্তব পশুর আস্ফালনে,
দন্ত-নখরে, কামড়ে-আঁচরে আজ সে রক্তাক্ত।
যার পাশবিকতা থেকে রক্ষা পায়না শৈশব,
তার কি শাস্তি হবেনা?
ব্যভিচারিদের চরিত্রে লাগাম পরাবে কে?
এদের জন্য আসবেনা কোনো যুগাবতার!
প্রয়োজনও নেই। কারন এদের জন্য যথেষ্ট আমরাই।
দাঁড়াও জনতা মানব প্রাচীর গড়ে, বিবেক-বাণে বিদ্ধ কর এদের।
এরা সব ব্রহ্মানন্দের দল, আমরা সবাই বিক্রম!
আমাদের নিঃস্পাপ দৃষ্টিতে এরাও চলে যাবে রসাতলে।
নতুন সূর্য উঠবে, মানবতা-ভালোবাসা-শিষ্টাচার-সহনাগরিকতার নতুন বার্তা নিয়ে।
কবি বিশ্বরূপ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
নতুন বার্তা
কবি বিশ্বরূপ রায় (জন্ম ২৩.২.১৯৮৪)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মায়ানমারে মারছে মানুষ
করছে কত অত্যাচার,
মানবতা এগিয়ে এসো
হয়না যেন হত্যা আর।

অবিচারে মরছে যেজন
প্রশ্ন নয় কি ধর্ম তার,
এগিয়ে এসো সর্বজন
মানবতার কর্মকার।

মানুষ হয়ে মানুষের তরে
করবে জুলুম কত আর,
প্রতিবাদে সব গর্জে উঠো
মানবতাকামী শত বার।
কবি মুহাম্মদ মুহিদ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
মানবতাকামী
কবি মুহাম্মদ মুহিদ (জন্ম ২২.৬.১৯৮৪)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কুয়াশা ঘেরা ভোর, কুয়াশা ঘেরা মন, কুয়াশা ঘেরা স্বপ্নেরা ;
সব কিছু আবছা বহুদূর,  জড়তার প্রকাশ।
শীতের তিব্রতা ছুঁয়ে গেছে বুঝি অজ্ঞাতসারে,
তাইতো রক্ত  জমে হিম প্রতিটি  নাড়ীতে নাড়ীতে।
নিস্তরঙ্গ, নির্বিকার, অপারগ প্রতিবাদে,
বড়ই আত্মকেন্দ্রিক, নিঃস্ব, পুতুলের প্রায়।  
পথ ভুলা পথিক না পথিক হারানো পথ এটাই বড় প্রশ্ন!!
সূর্য গ্রহনের কালিমায়, সূর্যমুখী মূক, ভাষাহীন।
নবান্নের ধান লুকোচুরি খেলে গুদামের আঁধার গুহায়,
রুক্ষ দুপুর, ক্লান্ত বিকেল, অভুক্ত রাত;
হে মাটি মা, আমার বিশ্ব একমুঠো ভাত॥
কবি পিংকি
পুরকায়স্থ চন্দ্রানী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আমার বিশ্ব একমুঠো ভাত
কবি পিংকি পুরকায়স্থ চন্দ্রানী (জন্ম ১.৬.১৯৮৫)
কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৪৩২ বঙ্গাব্দের বঙ্গ সাহিত্য পরিষদ,
তিনসুকিয়া, আসামের মুখপত্র “প্রতীতি” পত্রিকার ৩২তম সংখ্যায়।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
ছেলেটা উদভ্রান্তের মতো ছুটছে।
পিছনে ছুটছে জনা দশ।
সবাই দাঁড়িয়ে মসকো দেখছে রাস্তায়
গুটিকতক সত‌্যিই বিবশ।

কানাঘুষো এল...
এটা নাকি চুরির সাজা।
পাশের দোকানে বেসুরো আওয়াজ,
আজা জানেমন আজা।

ছেলেটা উদভ্রান্তের মতো ছুটছে।
পেরোলো মন্দির, পেরোলো মসজিদ,
পেরোলো গির্জার ঘন্টা...
এরা কী মানুষ, নাকি শুধুই পাষান!
একটু গলেনা মনটা?

সার্কাসটা বেশ মজার...
সম্পর্কটা শুধু খাদ্য-খাদকের
অপেক্ষা খালি খোঁজার।
কবি কৌশিক বিশ্বাস
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
চোর
কবি কৌশিক বিশ্বাস (জন্ম ১৫.৭.১৯৮৫)। কবিতাটির প্রথম প্রকাশ মিলনসাগরে
১৮.৯.২০১৫ তারিখে।
.
আমার কৌতুহলী প্রশ্ন,
কী হাতালো, অর্থ নাকি সোনা-দানা?
"ধুর দাদা, ওসব কিচ্ছু নয়,
এখনও গজিয়েছে নাকি ডানা?

এখনও তো ও দুধের শিশু,
কোথায় ওর এত অওকাত?
খিদের জ্বালা সহ্য হয়নি, তাই
চুরি করেছে, দু-মুঠো ভাত।

ছেলেটা উদভ্রান্তের মতো ছুটছে।
পিছনে ছুটছে জনা দশ।
সবাই দাঁড়িয়ে মসকো দেখছে রাস্তায়
আমরা আজ সত্যি‌ই বিবশ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
ভূমিকা না করে সরাসরি বলি।

আপনার সময়ের মূল্য অনেক ;
আমার কালিও কিছু অ-মূল্য নয় !

এর-ওর থেকে জোগাড়যন্তর করে
আপনার ব্যাংক নিয়মের ফাইলগুলো
চষছিলাম। বহুদিন। বহুভাবে।
নৈব নৈব চ। কি বুঝিনি তাও বুঝিনি।
মানে এত এত ডলার, সোনা
জমির দলিল, দালানকোঠা, ইট পাথর
শেয়ারের কাগজ -
আসলে রিজার্ভ কার জন্য? ঠিক কার
কাজে লাগবে এসব কাগুজে বাঘ !

মতিঝিলের মিডপয়েন্টে বসে আপনি
নিশ্চয়ই দেখেন ; শহরটা কীভাবে আগাগোড়া
মুড়ে যায় কার্বন মনোক্সাইডে। শুনেছেন
পঁচিশ বছরের মধ্যে দেশ  নাকি
বিচ্ছিন্ন দ্বীপে পরিণত হচ্ছে ;
এখানে সেখানে পড়ে থাকবে একেকটা
জমির খন্ড , সমুদ্রসীমা এগিয়ে এসে
ঢুকে যাবে বাড়ির উঠোনে। জানেন?
কবি অপর্ণা
হাওলাদার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর বরাবর
কবি অপর্ণা হাওলাদার (জন্ম ২০.১০.১৯৮৫)
.
জানেন নিশ্চয়ই -

বদ্বীপ থেকে দ্বীপ .......
বেশ পোয়েটিক মেটাফর

ইন্টারজেনারেশনাল ইকুইটি থিওরি
আপনার নখদর্পণে। বিস্তৃত বর্ণনা তাই
নিষ্প্রয়োজন।

আমার কেবল একটি ছোটো আবেদন -

জনাব,
আমি কি আপনার ব্যাংকে আমার
সন্তানের নিমিত্তে কিছু বিশুদ্ধ বাতাস
ভল্ট করতে পারি?

তার সন্তানের জন্য
......খানিকটা মিঠা পানি?

আর ......
তার সন্তানের জন্য -
ভল্ট করার মত মনে হয়
বাকি শুধু লবণ আছে ;
যাতে জন্মের পর গলায় ঢুকিয়ে
দম আটকে মেরে ফেলা যায় !

ব্যাংক নীতি এ ব্যাপারে কতটা শিথিল -
জানাবেন। দয়া করে জানাবেন।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
শিকড় উপড়ে ফেলেছিলাম।
অন্য কিছু নয়,
এক-আধটু রসের জন্য -

অথচ হাতড়ে পেয়ে গেছি....
ভাবিওনি যেমন ; সেই -
পূর্বপুরুষের লাম্পট্যের
একেবারে অকাট্য প্রমাণ
সেখানে প্রাচীন দলিলে আঁকা -
নান্দনিক আলোর মিশেল চিত্রে
দু'একজন শুধু নয় ,
প্রতিটি মুখোশ চায়
পাঁচিল টপকে ঢুকে পড়তে ;

সেখানে
পৃথিবীর সব নারীর বুকেই
শয়তানের দাঁত এর ভরাট দাগ -
কবি অপর্ণা
হাওলাদার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
শিকড়
কবি অপর্ণা হাওলাদার (জন্ম ২০.১০.১৯৮৫)
.
ভীষণ অস্ত্র ভেতরেই ছিলো,
নাগরিক কায়দায়
অনভ্যস্ত সেজে আরেকবার
চতুর নখে বালি ছেনে ছেনে -
কংক্রীট বিছিয়ে দেওয়ার মতো...
সব পৌরাণিক ছাল-বাকড়ে !

যদিও করিনি কিছুই। কেন?

মোহরের লোভে
আমিও কি ধরিনি কুড়াল?
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
দেশ এমন একটা ব্যাপার, আগে
মাথা নত করে দাঁড়াতুম
তার নিচে
ভক্তির এই প্রকাশ আজ পলকা লাগে
এখন দেশপ্রেমের সুদৃশ্য পিরিচে
দারুণ লাথি মারতে ইচ্ছে হয়
দেশ না রাষ্ট্র। রাষ্ট্রই করুণ বাস্তব
সে আমার কেড়ে নেয় ঘুম
অথচ তার দোষ নয়
সে যাদের ঠেলাগাড়ি,
সাধের খেলাঘর—
তাদের বুকের ভিতর
কোনও দেশ নেই, গ্রাম নেই
বেনিয়া সময়ের সর্বাধিক পচে যাওয়া জাতক আসলেই
তারা সব।
তারা মানুষ ঠকায়,
কুবেরের যোজনাপদ্ধতি ভালোবাসে,
তারা রাতের শরীরে ছিপ ফেলে
দেশ ধরতে আসে
মন থেকে দেশ মুছে না গেলে
এভাবে রমণ করা যায়?
কবি স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
নিষাদ
কবি স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তী (জন্ম ২৭.৮.১৯৮৮)
.
দেশ বলতে মনে পড়ে দেশের বাড়ি
বাঁধানো পুকুরঘাট
গাছে অমোঘ দোলনা
রৌদ্র ক্ষুরধার
খোলামেলা আমার সহজপাঠ
রাষ্ট্র মানে রাজনীতি, আত্মতত্ত্বসার
বুড়োদের বাজারি খেলনা
রাষ্ট্র হলো ভোটযন্ত্র, ছবিছাপা কলের বোতাম
দেশ একটা হারানিধি, ভূতপ্রাপ্ত ইজেলের নাম
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
চুলোয় যাক চাষ, এখানে বারোমাস টাটার গাড়ি হোক উৎপাদন—
মন্ত্রী-আমলারা, “দোহাই আপনারা”, বলছে, “বীতশোক, শান্ত হোন”।
শান্ত হব আজ! তুমি তো মহারাজ--- তুমি যা বল তাই সেটাই ঠিক—
উত্তরাধিকার বেবাক চুরমার : নিথর--- শুধু চাই নির্নিমিখ।
বেকার পিছুটান ; একটু দেখে যান কেমন ছিল আর আজ কেমন ;
---‘হেই সামালো’ গান তখন ছিল প্রাণ— অবাক-ক্ষমতার উত্তরণ!
জ্বলছে ঘরদোর, শ্মশানচত্বর-বাড়িতে যেন আজ তফাত নেই—
গোপন শত লাশ ফেলছে সন্ত্রাস, রাজা তো, ---আন্দাজ আনন্দেই!
ঘুমিয়ে আছি সব। টুকরো বিপ্লব--- তেমন তাতে কই আগুন-আঁচ?
প্রজাতি লোপ হোক, গিলব তবু ঢোঁক, আমরা নাচবই পুতুলনাচ!
কবি স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
সিঙ্গুর - এখন
কবি স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তী (জন্ম ২৭.৮.১৯৮৮)। এই কবিতাটি দিলীপ চক্রবর্তী সম্পাদিত
"সপ্তাহ" পত্রিকার ২৯ ডিসেম্বর ২০০৬-এর বর্ষ-৪০/সংখ্যা ১৯-২০/ এ প্রকাশিত
হয়েছিল। এই কবিতাটি রচনার সময় কবির বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর!
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
আমার বন্ধু গিয়েছিল কাল রাতে
হাতে হাত রেখে লড়াই করার ডাকে
সদরদুয়ারে মা-ই দাঁড়িয়েছিল
ত্রস্ত দুচোখে, যেমন সবার থাকে

আমার বন্ধু অনেক বন্ধু মিলে
ক্যাম্পাসে জুটে জাগছিল সারা রাত
কিছু কথা ছিল, কিছু দাবী, কিছু রাগ
বাড়িতে সবার জুড়িয়েছে বাড়া-ভাত

প্রহরার কথা স্লোগানে গেঁথেছে ওরা
আর কিছু নয়, সত্যি জানার টানে
একদল ক্ষুধা নাছোড়বান্দা জেদে
দাউদাউ করে জ্বলে উঠছিল গানে

প্রতিরোধ বড়ো ভয়াল সংক্রামক
এইসব গান মহামারী ডেকে আনে
অবাধ্য পথ কেঁপে কেঁপে ওঠে পায়ে
এ ভয়টুকুই রক্ষককুল জানে

তাই তারা বাছে অন্ধ মধ্যরাত
তাই তারা আসে জংলাপোশাক গায়ে
সাথে ক্রীতদাস, লাঠি আর বন্দুক
ভাতের আগুন পিষে দিতে চায় পায়ে
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
দানবপুর কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন “হোক
কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।  
.
আমার বন্ধু হাঁক দিয়েছিল রাগে
তার পাশে ছিল মহাসমুদ্রক্রোধ
আলো নিভিয়েই ওরা ভেবেছিল বুঝি
শেষ হল যত অতন্দ্র প্রতিরোধ

বাইরের আলো নেভানোটা বড়ো সোজা
মূর্খ রাজার খেয়ালে একথা নেই –
যারা দেখবার দুচোখ জ্বালাবে তারা
যারা জাগবার তারা ঠিক জাগবেই

আমার বন্ধু মার খেল কাল রাতে
তার প্রেমিকার চুল ছিঁড়ে নিল ওরা
মাটিতে শুইয়ে আরও মার, গর্জন –
‘কঠোর শাসন কাকে বলে দেখ তোরা’

কাল শাসন করেছে রাষ্ট্রগুণ্ডাদল
ঝিকিয়ে উঠেছে খুনমাখা সাদা-দাঁত
রক্ত ঝরেছে লাইব্রেরি, ক্লাসঘরে
গোঙানি শুনেছে নিঃস্ব মধ্যরাত

এক পেট খিদে, চোখজোড়া ঘুম নিয়ে
জমি-না-ছাড়ার আহুতি হয়েছে যারা
তাদের বুকের ওপর দাঁড়িয়ে ওই
পুলিশের পাশে চোখ রাঙাচ্ছে কারা?
রাঙানো দুচোখ চিরকাল ভুলে যায়
উপড়ে নেওয়ার হাত নয় খুব দূরে
সেই সব হাত আজ রণ-পা হয়ে
এগিয়ে আসছে ভীষণ যাদবপুরে

আমার বন্ধু এখন বন্দী জেলে
তবু কি বন্দী? সেও কী মিছিলে নেই?
আমরা সবাই ধান খেয়ে যারা বাঁচি
ভাতের আগুন ঢেলে দেব মিছিলেই

যে যেখানে আছি শিকলে শান্ত, বাঁধা
সেখান থেকেই চিৎকার করি রাগে –
আসল শাসক রাজাসনে নয়, যারা
সুখে থুথু চাটে সিংহাসনের আগে

ওই করজোড় লাথি মেরে ভাঙা ছাড়া
ভেবে দেখো আর ধর্ম রয়েছে কিনা
ক্রুদ্ধ দুচোখে এই গোটা লেখা জুড়ে
‘ছিঃ’ বলবার ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
আবার আজকে বিকেলবেলায়
দেখা হবে রোদজলে
দৃপ্ত আমার পাগল বন্ধু
সহাস্যমুখে বলে –

আমরা সবাই সময়ে আসব
তুই কি ভাবলি, যাবি?
আবার উঠবে দশহাজার মুঠো –
পদত্যাগের দাবী

আবার কাঁপবে ধুলোয় ধুলোয়
আঘাত, রক্ত, কষ্ট
রাজার মুকুটে জ্বল্‌জ্বল্‌ করে
ওই দলদাস – ভ্রষ্ট

তাকে যেতে হবে প্রাঙ্গণ ছেড়ে
এক্ষুনি, এইবেলা
নাহলে আবার রক্ত ছিটিয়ে
ভেঙে দেবে ধুলোখেলা

আমাদের দেশে আমরাই রাজা
আমাদের যত কাব্য
লিখব পাতায়, ইস্তেহারে
দেওয়াল ভরিয়ে ভাবব
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
দুন্দুভি কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন “হোক
কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
যত মার পারে গুন্ডার বুট
তার চেয়ে বেশি জেদ
আরেক জেদকে বার্তা পাঠায় –
সলিডারিটি, কমরেড!

তুমি যদি জানো বন্দুক তুলে
চোখ রাঙাবার বিদ্যে
আমরাও পারি কবিতা নামিয়ে
অস্ত্র-বানানো শিখতে

অস্ত্রে অস্ত্রে দেখা হবে আজ
হাড়ে হাড় লেগে ঘর্ষণ,
কলেজে বলবি, কফি হাউসেও
হ্যাঁ, ভালো কথা, আর শোন

ফেরবার পথে স্টেশনের গাছ
বলে যাবি মরা গলিদের,
হাঁক দিয়ে যাবি দীঘিজলে, আর
হাঁকবি কুমোরটুলিতে

এখনও এ মাটি বিক্রি হয়নি
আকাশ এখনও জিন্দা
যে পথ চলেছে সমুখসমরে
সেই রাস্তাই চিনবার
কুমোরটুলির আবছা আলোয়
ত্রিনয়ন একা জাগে
দশখানা হাত দশদিক হয়ে
হাঁটে মিছিলের আগে

আজ দেখা হবে বিকেলবেলায়
বইপত্রিকা ভিড়ে
আমদের ডাকে কবিতা হাঁটবে
সূচিপত্রটি ছিঁড়ে

আবার ফিরব প্রিয় ক্লাসরুমে
মৃত্যুর বাজি জিতে
শারদোৎসব এবছর হবে
মিছিলে – কলেজস্ট্রিটে ...
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
ঘুমের ভেতর ঢেউ থাকে না
জেগে উঠলেই যন্ত্রণা
পথের আওয়াজ স্বপ্ন ভেঙে
আছড়ে পড়ে – শান্ত না

নষ্ট দিনের ভ্রষ্ট আওয়াজ
ঘরে ঢোকবার কী দরকার
গোঙানিরব ঢাকার জন্য
গান এনেছে এ-সরকার

বাজাচ্ছে গান পাড়ায় পাড়ায়
গান শোনাচ্ছে ট্র্যাফিকমোড়
জাগার জন্য জীবন আছে
বহাল থাকুক ঘুমটি তোর

আমরাও সেই গানের ফাঁদে
স্বপ্ন দেখি সরকারী
মিছিলদিনে বৃষ্টি এত
পৌঁছতে কি আর পারি?

আঁচ-বাঁচানোর বোলতানি সব
বৃষ্টি, অসুখ, ব্যস্ততা
আসল অসুখ আরামচেয়ার
শিরায় শিরায় বশ্যতা
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আগুন কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন “হোক
কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
আজকে যারা জাগার কথা
বলতে বলতে হাঁটছে ওই
জিন্দা তাদের রক্তমাংস
ভিজছে দারুণ, ভাগছে কই?

একটা মিছিল দেখছ পথে
তাতেই এত অশান্তি
মধ্যরাতে বুটের মুখে
জন্ম নিল অগুন্তি

রক্তবীজ ওই মিছিলগুলো
মরবে তবু থামবে না
যে ঘুমোচ্ছে – মুক্তিটি তার
স্বপ্ন থেকে নামবে না

কলরবের পাগলগুলো
দিচ্ছে কথা – হাঁটবে ফের
স্বপ্নশাসন দুখান করে
করবে শাসন স্বপ্নদের

ওদের স্বপ্ন রক্তে আমার
উল্লাসিত, বাড়ায় ভিড়
রাস্তা থেকে ডাক পাঠাচ্ছি –
ঘুম ভেঙে যাক বন্দীটির
নতুন স্লোগান হতেই পারে –
‘আমিও যাব, দাঁড়াস তো’
হাঁটার জন্য পা লাগে না
আগুনটুকুই যথেষ্ট !
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
পিঠে মার নিয়ে যখন শিখছি আগুন পেরিয়ে যাওয়া
মিছিলের থেকে স্লোগান উড়িয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে হাওয়া

হাওয়া তো পাগল, ঘরবাড়ি নেই, যেই দেখে হানাদারি
বুক পেতে দেয় লাঠি-বন্দুকে – আমিও লড়তে পারি

দল নেই ওর, রাজনীতি নেই, শুধু কান্নার পাশে
গান এনে রাখে আলোয় আলোয়, গান এনে দেয় ঘাসে

হাওয়ার ফুলকি গায়ে লাগতেই ভিনরাজ্যও হাঁটে
জেএনএউ থেকে আওয়াজ মিশছে যাদবপুরের মাঠে

যারা সারা রাত মার খায় আর পোস্টার লেখে জেগে
তারা একা নয় – ওই দেখো দেশ ঘুমোয় না উদ্বেগে
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
দখল কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)।
সুপ ও কণ্ঠ - রাজেশ দত্ত। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন “হোক কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা। গানটি
সাইণ্ড ক্লাউডের রাজেশ
দত্তর চ্যানেলে শুনুন নীচে ক্লিক করে . . .।
.
একে একে এসে ভিড় করে মাঠে হাজার বন্ধু, ভাই
অগ্নিকুণ্ড ঘিরে রব ওঠে - দ্রুত সুবিচার চাই

চিৎকার লেগে কুশের পুতুল লহমায় জ্বলে খাক
অসুররাজার ঘুম ভেঙে দেয় হল্লা বোলের ডাক

কাঁপছে আকাশ, কাঁপছে বাতাস –এই জল্লাদরাজ না
ক্ষতচিহ্নেরা এক হলে পরে হৃৎস্পন্দও বাজনা

বাজনা বাজছে বাজনা বাজছে হাতে হাত তালে তাল
আজ বিকেলের মিছিল বলছে – আবার আসব কাল

কাল দেখা হবে সংহতিগান, আবার হাঁটব একজোট
নদীও বলেছে কালকে পাঠাবে উত্তাল যত তার স্রোত
RajeshDatta Hok Kolorob : A Bengali Mass Song composed and sung by Rajesh Datta (Mobile Recording)
সে স্রোতে ভাসাব ক্যাম্পাস-ঘেরা যত লালচোখ গুন্ডা
ভয় দেখাচ্ছে চুয়াল্লিশের পা-চাটা কখানা বান্দা

কাল দেখে নিও জংলাপোশাক ‘মানবিক’ প্রতিপক্ষ –
চুয়াল্লিশের চোখে চোখ হানে কয়েক হাজার লক্ষ!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
শব্দের পাশে শব্দ বসে আগুন জ্বালায়, জ্বালায় রোষ
তাদের মধ্যে শান্ত সেতু, ওই যে নীরব শঙ্খ ঘোষ

দাঁড়-পাঁজরের ভীষণ আওয়াজ, জল-বাতাসের কী আক্রোশ
আমাদেরকে সঙ্গে নিয়ে ঢেউ ভেঙে যান শঙ্খ ঘোষ

মধ্যরাত্রি, বর্বরতা – ফুরিয়ে আসছে অস্ত্রকোষ
নিজের হাড়ে বজ্র গড়ে যুদ্ধে দিলেন শঙ্খ ঘোষ

অবাক মুন্ডু হেঁট হয় না – রাজদ্রোহীর এই তো দোষ
দ্রোহ যখন শরীর পেল, আমরা পেলাম শঙ্খ ঘোষ

আসন যতই হোক না উঁচু, আসন তবু – আকাশ নোস্‌
সেই আসনেও ঘেরাও হবে, রাত জাগবেন শঙ্খ ঘোষ

কবজাগুলোর কবজি ভাঙে তাই তো তাদের অসন্তোষ
পোস্টারে ওই পংক্তিগুলোয় তাকিয়ে আছেন শঙ্খ ঘোষ

চুল্লিগুলো উঠবে জ্বলে যতই পুলিশ, গুন্ডা পোষ
তোমার দেহেই ফুঁ দিয়েছি, লড়াই শুরু – শঙ্খ ঘোষ!
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
নির্ঘোষ কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪
সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন “হোক
কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
এখনও যে তুমি ঠিক করোনি
আজকে মিছিল তোমার কি না
তাকেই বলছি – তোমায় ছাড়া
‘হোক কলরব’ জোর পাবে না

এখনও যে তুমি কষছ হিসেব
কার অন্যায়, কার কী দোষে
ডাকছি তোমায় – স্নান করে যাও
আজ আমাদের দারুণ রোষে

এখনও যে আছো দ্বন্দে-দ্বিধায়
রাজার আঙুল স্বপ্নে দেখো
ভয় পেয়ো না – ও-হাতখানা
অক্ষত আর থাকবে নাকো

হাড়ের আসন কবজা করে
তর্জনীর আজ স্পর্ধা ভারী
ভুলেই গেছে – গড়ার মজুর
এক নিমেষে ভাঙতে পারি

ডাক উঠেছে অন্ধরাজা
এক্ষুনি ওই তখ্‌ত ছাড়ো
দুলছে মালা মৃত্যুফুলের  
দেখব কত মারতে পারো
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
হোক কলরব কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন “হোক কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
যে তুমি এখনও শান্ত আছো
ভাবছ হাঁটবে হুকুমমতো
কাল দেখবে নিজের ঘরে
নিজেই কেমন বহিরাগত!

আজকে মিছিল দিনবদলের
হার না-মানা বিচার-চাওয়া
রাজপথে আজ ভয়-না-পেয়ে
পুলিশকর্ডন পেরিয়ে যাওয়া

পুলিশকর্ডন রাত চিরে খায়
পুলিশকর্ডন কন্ঠরোধে
চাইছে ওরা শাসন ছড়াক
আমার প্রেমে তোমার বোধে

তোমার মেয়ের ছেঁচড়ে শরীর
দম্ভ ছেঁড়ে আব্রু, কাপড়
একবারটি তাকিয়ে দেখো –
পুলিশ তোমার বুকের ওপর

আজকে মিছিল হাড়মাংসের
দহনভাষায় কাব্য লেখার
বুকের থেকে উপড়ে শাসন
চোখ-রাঙানি ভাঙতে শেখার
দাবানলের গাছগুলো সব
ঘিরছে শহর কদমতালে
জানলা দিয়ে তুমিও ঠিক
মুখ বাড়াবে কৌতূহলে

সাহস পেয়ে রাস্তা ভাবে
যাক জ্বলে যাক এ রৌরব
শিকল-ছেঁড়ার বন্ধু এসো –
হোক কলরব হোক কলরব ...
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
বন্ধ দরজা বন্ধ দরজা তুমি শুধু সব জানো –
কীভাবে সজীব সাদাকালো ঘুঁটি
অক্ষমতার ছকজুড়ে সাজানো

বন্ধ দরজা বন্ধ দরজা রাজা এল কাল ঘরে
যারা মার খেল আমার মেয়ের হয়ে
সেই মুখগুলো বড্ড মনে পড়ে

বন্ধ দরজা বন্ধ দরজা শিরদাঁড়া বেঁকে যায়
লালবাতিটির আলো এসে পড়ে
ইজ্জতে আর আমার মেয়ের গায়

বন্ধ দরজা বন্ধ দরজা অপরাধ নিও না
হাঁটতে গেলাম অন্ধ দু-চোখে
পুতুলখেলায় বিকিয়ে দিলাম পা

বন্ধ দরজা বন্ধ দরজা আর কী করব বলো
জেগে ওঠবার ভীষণ ক্ষণেই
চাপা হুঙ্কার - সন্ধ্যা নেমে এল

সন্ধ্যা নামে সন্ধ্যা নামে দেশজুড়ে ভয়ভয়
শকুনির ওই চতুর দাবায় দেখো
আমার মেয়ের লজ্জা বিক্রি হয়
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
গ্রাস কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের
ছাত্র আন্দোলন “হোক কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
বন্ধ দরজা বন্ধ দরজা চৌদিকে ক্রুর থাবা
পরের জন্ম যদি দিতে চাও –
আর যাই করো, কোরো না মেয়ের বাবা

ক্ষমা চাইলাম তোমাদের কাছে ওই যারা উত্তাল
আজকে যে দোর বন্ধ রয়েছে
তোমরাই এসে লাথি মেরে ভেঙো কাল

দেখো নিও তার ভেতরে স্তব্ধ মুখচাপা কলরব
বিশ্বাস করো – আজ হাঁটেনি বাবা
হাঁটতে গিয়েছে পরাজিত তার শব
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
তুমি কি ভিজে গেছ খুব? আজ কি হেঁটেছ মিছিলে?
তুমিই কি দূর-থেকে-আসা কিশোরকে পথ বলে দিলে

এই প্রথম মিছিলে আসা। একাই। নন্দন চেনে না ও ছেলে
তুমি কি যাওনি আজ, ভোর থেকে জল হল বলে?

সেদিনও জলের মতো মাঝরাতে ঝরেছিল শতধারা খুন
চিনতে পারোনি ঠিক, শোনো বলি – জল আজ আসলে আগুন

দেখে নিল সঙ্গে কে কে আছে কার আছে বুকফাটা রাগ
আর কে কাঁপে বৃষ্টিভয়ে, লুকোয় উল্কি আঁকা ক্রীতদাস-দাগ

তুমি কি বসেছ ধুলোয়, বলেছ হোক হোক কলরব হোক
অদূরে নিথর ক্ষমতাসীমা টানা – ত্রিস্তরে কাঁপছে শাসক

এভাবে কি রোখা যায় আর, হে আদিম বুরবক সেনা
শব্দ রুখতে পারো? রোখো তবে মেঘে মেঘে ক্রুদ্ধ চেতনা

সে মেঘ বার্তা নিয়ে পৌঁছল দূরদেশে, সেই জলে বন্ধুরা বুঁদ
আসতে পারেনি তবু রাত-জাগা – মনে মনে সবাই বারুদ!
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ধুলোপথ বারুদপথ কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন “হোক কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
এসেছে গঞ্জ গ্রাম, এসেছে মফস্বল, ‘আছি’ বলে এসেছে সবাই
যে আজ আসেনি সে-ও আগামীর রণে – ভাববে একবার যাই

তুমি কি রাজপথ, ছেলেরা বসবে শুনে ধুলোমাখা বুক পেতে দিলে?
আজকে বর্ষা ঘোর, তবু জল নয় – গোটা দেশ ভিজেছে মিছিলে ...
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
না, গুন্ডা ছিল না কোনো, ছিল না মনে কোনো বিষ
শুঁড়ির সাক্ষী ওই চিরকালই বলে – লাঠিচার্জ করেনি পুলিশ

শুধু নরম মনে নিয়মমাফিক সরিয়ে দিয়েছে বহিরাগত
তবে আকাশ থেকে উল্কা পড়ে আমার মেয়ের বুকের ক্ষত

ধক্‌ধক্‌ করে জ্বলছে এখন সর্বগ্রাসী অন্ধকারে
ডুবন্ত লোক খড়কে পেলেও ভীষণ জোরে জড়িয়ে ধরে

আর সেইদিন বন্ধুর পাশে আতঙ্করাত জাগতে দিয়ে
ফিরছে দেখো ক্রুদ্ধ তরুণ, ‘বহিরাগত’ নামটি নিয়ে

নাকি, বাইরে থেকে অস্ত্র হাতে লোক ঢুকেছে পড়ার দেশে
কলম গিটার অস্ত্র এখন – এসব কথাই কী অক্লেশে

ছড়িয়ে দিয়ে রাজার গোলাম পা-চাটবার শপথ নিল
এসব গল্পে ভুলছে না আর ছেঁচড়ে-টানা শরীরগুলো

সেইরাত্রে লাঠির ঘায়ে আঁকছিল যারা বিপুল ধ্বংস
নিজেই জানে না ও–লাঠি কখন তাদের দেহের গভীর অংশ
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কুশপুতুল কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন
“হোক কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
অংশটি শুধু বশ্যতা জানে রাজভক্তির পরমোৎসবে
ওই দেহ ভেঙে আগুনে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়ার যজ্ঞ হবে

আজ মাটির ওপর রক্তবিন্দু রাস্তা আঁকছে অনেক দূর
সে পথ দিয়ে মানুষ হওয়ার ডাক পাঠাচ্ছে যাদবপুর
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
ক্রমশ কেটে যাচ্ছে কুমোরটুলির বিষণ্ণ অন্ধকার।
খড়, মাটি, রঙ-তুলি, দুঃখ ও তেজে
একটু একটু করে ফুটে উঠছ তুমি।

কুমোর পিতার স্পর্শে প্রত্যেক খড়ে আজ ধমনীর গুণ
মাংসের সুদীর্ঘ যন্ত্রণায় থর্‌থর্‌ কেঁপে উঠছে মাটি
ঠিক নিজের মেয়ের মতো তোমায় কালো কেশরাশি
দিয়েছে কুমোর।

শূন্যতা থেকে শরীর নিচ্ছ, সর্বভূত থেকে
গ্রহণ করছ ক্রোধ,
অন্ধকার আকন্দঝোপ থেকে বিক্ষত কন্যা
তোমায় পাঠিয়েছে বজ্রের হাড়
ক্রন্দিত পিতা দিলেন কমণ্ডলু, হাহাকারজল

ঊষালোক এসে কুমোরটুলির শিরে
ছড়িয়ে দিয়ে গেল একমুঠো শিউলির ফুল

ওই দেখো কাঁপে রাজপথ –
এক অবিনাশী মিছিল আজ বয়ে আনে তোমার ত্রিশূল ...
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
মহালয়া কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪
সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন “হোক
কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
তোমায় আমি চিনতাম না।

তুমিও কি আমায় চেনো?

প্রথম দেখি আবছা আলোয় যখন তুমি মধ্যরাতে
হুকুম তামিল করতে এলে
নীল থাবাতে
ভাঙতে গেলে আমার কন্ঠ, শিরদাঁড়াটি

আলোও লাগে, হাওয়াও লাগে চিনতে গেলে
আমার মাটি

তারই সঙ্গে রাগও লাগে!

মায়ের অথই জলের বাড়ি চিনতে হলে
চুমোর সঙ্গে হলুদ-লাগা শুভ্র হাতের মারটি লাগে

ধানের বুকে রক্তঘামের কাব্যগুলির
ছন্দ যখন শিরায় শিরায় বোধন আনে
আমার দেশের ক্রুদ্ধ ও মুখ আকাশজুড়ে ওই তো জাগে

তাই দেখে কী থাকতে পারি?
দৃপ্ত আমার পায়ের মিছিল ঘুরতে ঘুরতে দারুণ রাগে
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
পরিচয়পত্র কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন
“হোক কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
যখন দেখে দূরের কজন দাঁড়ায় পাশে –
এক নিমেষে বন্ধু বলে ঠিক চিনে যাই মারের দাগে

আমার গিটার আমার কলম আর বেহালার সুরকে যখন
অস্ত্র বলো
তখন তুমি আর তোমার ওই দাসের দলও
উলটো দিকে দাঁড়িয়ে পড়ে – মধ্যে কেবল মত্ত শাঁখের শব্দ শুনি

তোমার আমার স্বরূপ চেনে উথালপাথাল যুদ্ধভূমি

সদ্যোজাতক বধির কিনা, ওর দু-ঠোঁটে শব্দ কিনা
জানতে যখন ঝাঁকায় তাকে – উৎসারিত কান্না জাগে

তেমন কিছু অশ্রু আমার, যখন শুনি

আমায় চিনতে তোমার এখন সব দরজায় রক্ষী লাগে!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
তোমার জন্য আজকে দেখো পিঠের ওপর দগ্ধ ক্ষত
তোমার জন্য দরজা ঘিরে রাত জেগেছে বহিরাগত

তোমার জন্য গান গেয়েছে, মার খেয়েছে ছেলের দল
আসবে তুমি আকাশ হয়ে, মুক্তধারায় নতুন জল

সেই জলে স্নান সারবে বলে দাঁড়িয়ে আছি দেশজুড়ে
তোমার নিশান বর্ধমান আর মিশিগানেও ওই ওড়ে

তোমার জন্য বিশ্বজুড়ে একশো শহর স্লোগান লেখে
তোমার মুখটি দেখবে বলে অন্ধ ছেলেও হাঁকতে শেখে

হাঁকতে হাঁকতে দূরদূরান্ত মারের মুখেও বন্ধু হয়
শেখাও তুমি গর্জে ওঠা, তুমিই শেখাও সমন্বয়

তোমার জন্য দু-মুঠো চাল আজ দেখি মা বেশিই নেয়
মায়ের পাগল পথের পাথর রক্ত ঢেলে ধুইয়ে দেয়

ওই যে ছেলে ওই যে মেয়ে বুটের মুখেও অচল, স্থির
তোমার জন্য অতীত গানে নতুন স্তবক মৌসুমির

কখন দ্বারে শব্দ হবে - প্রহর জাগি অপেক্ষায়
যাদবপুরের ভাইয়ের জন্য ভ্রমরদিদির কান্না পায়
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
স্লোগান কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র
আন্দোলন “হোক কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
অশ্রু ওড়ে অশ্রু ওড়ে – শাসক দেখে অলিন্দে
উড়তে উড়তে জলও আগুন তূণ ভরে দেয় স্ফুলিঙ্গে

কলরবের ঝান্ডা তুলে দুনিয়াজোড়া বন্ধুরাজ
তোমার জন্য লিখবে বলে আঙুলগুলোও অস্ত্র আজ!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
এই যে দাঁড়ালাম, আর সরছি না কিছুতেই।

রাজদন্ড নয়, আমি উত্তর চাই – দূরে তুমি প্রশ্নের ভয়ে
কেঁপে কেঁপে ওঠো,
ভাবো তোমার ওই সোনার শিরদাঁড়া বুঝি ছিনিয়ে নিতে চাই!

তুমি পুলিশ পাঠাও – আমি সরছি না
গুণ্ডামহল্লা উজাড় করে নামাও দমনে
দেখো - একেকটা আঘাতের মুখোমুখি আমাকে ঘিরে দাঁড়ায়
আরও এক এক আমি

সেই তিয়েনয়ামেন থেকে দাঁড়িয়ে আছি।
আমিই দাঁড়িয়ে ছিলাম যখন বসন্তে কলম্বিয়ায় –
আমার প্রত্যেক মুখে তখন দাউদাউ করে জ্বলছে ভিয়েতনাম।
আমিই সোরবর্ন থেকে চেয়ে আছি নিষ্পলক
আর আশঙ্কায় ঘামে ভিজে যাচ্ছে তোমার ফ্যাকাশে কাগজের মুখ

আমার দিকে পাথর তাক করে তুমি যত বলছ – পাথর
তুমি যত বলছ – নেশায় চুর
যত তুমি বলছ – ভ্রষ্ট
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
জবাব কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২০১৪ সালে সংঘটিত যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আন্দোলন “হোক কলরব” এর প্রেক্ষিতে লেখা।
.
ততই আমার পায়ের পাতা থেকে, ঊর্ধ্বাকাশ থেকে
নাভীর কেন্দ্র থেকে
উঠে আসছে
নেমে আসছে
ঘিরে ধরছে নেশা – সে-ই আমার নাছোড়বান্দা জেদ –
সমস্ত বন্ধুর পথ, উত্তাল সমুদ্রজলরাশি অতিক্রম করে
মৃত্যুঞ্জয় নেশায় জারিত, বলছি –
উত্তর দাও
উত্তর দাও
উত্তর না জেনে একচুলও নড়ব না।

নড়ব না বলেই শুয়ে আছি Tlatelolco-র রাত্রিজোড়া শব
আমার শরীর দাঁতে নখে করে ছিঁড়ে নিতে চায় জাকার্তা
শ্বাপদসঙ্কুল
কত শতাব্দীকাল তোমার বুলেট শরীরে সঞ্চয় করে করে
আজ অগ্নিগর্ভ থেকে ছুঁড়ে দিই একেকটা জিজ্ঞাসা

তোমাকে প্রশ্ন করে
আমি অপেক্ষায় আছি –ভ্রষ্ট, নেশাতুর, জেদী ও প্রেমিক
তোমার ত্রস্ত শাসন ঝাঁপিয়ে পড়ে আর
উল্লাস করে বুট বন্দুক লাঠি

যবে থেকে চোখে চোখ রেখে রয়েছি নিশ্চল
সেইদিন থেকে প্রত্যেক পাথরের গায়ে, প্রতিশ্রুত
ফুটে আছে তার সঙ্গী ঝর্ণাটি!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
বড়ো হলে সেরে যাবে ব্যথা -
এ-কথায় ভোলাব কি তাকে?
যার মা নাছোড় সিপিএম
যার বাবা বীজপুরে থাকে?

যখন জিজ্ঞাসা করি -
শরীরে কারা দিল মার?
চেনে না 'মানুষ' ঠিক কারা
শুধু বলে - আমার ... আমার ...

সাড়ে তিন বছরের 'আমি'
মায়ের কোলে চড়ে শেখে -
ভোরের সব মার ভুলে
যেতে হবে কেন্দ্রের দিকে

এইভাবে অনেকটা পথ
পেরোতে পেরোতে বড়ো হওয়া
এইভাবে মার খেতে খেতে
দেহটার দেশ হয়ে যাওয়া
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বীজপুর কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। ২৫.৪.২০১৬ কবির
ফেসবুক পাতা থেকে নেওয়া। এপ্রিল ২০১৬-এর পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে
কেন্দ্র করে যে অভূতপূর্ব হিংসা ছড়ায়, তাতে বীজপুরে, ২৪.৪.২০১৬ তারিখে,
একটি ৩ বছরের শিশুকেও আঘাত করা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে লেখা কবির প্রতিবাদ
।    
.
সেই দেশে ভিরু ধানক্ষেতে
কাস্তের মতো ওঠে চাঁদ
সেই দেশে হাতুড়ির ঘায়ে
ঘেমে ওঠে মজুরের কাঁধ

আর লেখা হয় শিলালিপি
মুখ ও মুখোশ চেনো কার
ক্ষত থেকে স্ফুলিঙ্গ ওঠে
সব আঘাত মনে রাখবার

ও যদি ভুলেও যায় তবু
আমি ভুলব না - এই রোখ
সাড়ে তিন বছরের গায়ে
'মা-মাটি-মানুষ'এর নখ ...
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
এই তো তোমার খুনের বাড়ি, রক্তরঙ্গমঞ্চ
কোন কৌশলে পাড়ায় পাড়ায় দানব জাগিয়ে তুলছ?
দানব তোমার ইঙ্গিতে আর দানব তোমার চোখে
নীল-সাদা রঙ পথ গিয়েছে রৌরবনরকে

এই যে তোমার এক ইশারায় ধানের বুকে রক্ত
কার বাহিনী পেরোচ্ছে গ্রাম, মাস্কেটে হাত শক্ত?
আকাশছোঁয়া ছবির বুকে বরাভয়ে তুমি হাসছ
আহা, চোখজুড়ানো খুনের বাড়ি বড়োই ভালোবাসছ!

নিঝুম পাড়ায় অন্ধকারে তোমার শ্রমিক ঘুরছে
আমার বোনের শরীর জুড়ে হীরকখন্ড খুঁড়ছে
সেই মাণিক্য রাজশিরোতাজে কাল ভোরে হবে উজ্জ্বল
ধূপগুড়ি থেকে আসে উপাচার – ছাত্রীর শাখা, বল্কল

আজও যাদের অর্ঘ্য অটুট তোমার পাদপদ্মে
রাত্রে তারাই ফুল নামিয়ে অন্যরকম বাদ্যে
কাঁপিয়ে দিচ্ছে গ্রামমহল্লা – ঘরবাড়ি ছাই রোষে
আমার বাবার আর্তনাদই সুদূর খন্ডঘোষে

ঝিকিয়ে তোলে হাতের মুঠোয় ইস্পাত মেরুদণ্ড
আভাস দিচ্ছে জাগছে আবার সংঘাত প্রচণ্ড
বাবার শূন্য জড়িয়ে মেয়ে ঘুমোচ্ছে ডোমকলে
হত্যাকারীর রক্তবিন্দু শিশিরের মতো জ্বলে
কবি শাশ্বত
বন্দ্যোপাধ্যায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
হীরকরাজ্যে উৎসব কবি শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (জন্ম ২০.৮.১৯৮৭)। এপ্রিল ২০১৬-এর পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে অভূতপূর্ব হিংসা ছড়ায় সেই প্রেক্ষিতে লেখা।
.
ওরই স্বপ্ন আজন্মকাল আমাদের বুকে জাগছে
ওর কন্ঠই প্রথম আগুন বারুদের স্তুপে রাখছে
কোথায় এখন গুণ্ডাবাহিনী? উড়ল কোথায় অস্ত্র?
রুখতে তোমায় গান বেঁধেছেন লেনিন থেকে কাস্ত্রো

এক-মুঠো খড়-ধুলোয় তোমার চোখ এঁকেছিল কাল
সেই প্রবাহই হাঁকছে এখন – এবার আগুন জ্বাল
স্ফুলিঙ্গ আজ লেখার খাতায় স্ফুলিঙ্গ আজ চুম্বন

পুড়ছে তোমার খুনের বাড়ি, হীরকরাজ্যপ্রাঙ্গণ ...
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
পতাকা উড়ছে মাথার উপর,স্বাধীন আমার দেশ।
গণতন্ত্রের বুলি আওড়ে এই তো চলছে বেশ।
ভাত জোটেনি বলে ঐযে আওয়াজ তুলছে কারা।
জোটেনি ভাত তাই বলে কি ধর্ম হবে হারা?
পেট ভরে না ধর্ম নিয়ে এসব যারা বলে,
গণতন্ত্রে ঠিকানা তাদের ঐ গরাদের তলে।
পায়নি আলো, ঘরে আঁধার,বস্তি আমার বাস।
শোন হতভাগা ভোট আসছে আর তো কটা মাস।
বছরের পর বছর গিয়েছে চাকরি পায়নি ছেলে।
গণতন্ত্রে চাকরি মেলেনা নোটটুকু না দিলে।
শিক্ষা মেলেনি,স্বাস্থ্য মেলেনি,এবার ইস্যু ভোটে।
গণতন্ত্রে এসব ইস্যু ফিঁকে হয়ে যায় নোটে।
শাসক চেনায় রাজপ্রহরী, বিরোধী চেনায় ইস্যু।
গনতন্ত্রের ভোট বাক্সে জনগণ নেহাতই শিশু।
কবি রাজীব সরকার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
গণতন্ত্র
কবি রাজীব সরকার (জন্ম ১.১১.১৯৮৮)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মেয়েটা নাকি মরেছে সকালে? এখন চিতায় জ্বলছে?
এমন মেয়ের মরণ ভালো পাড়াপড়শিরা বলছে।
গরীব ঘরের মেয়ে বাপু কিসের এতো পড়া।
বিয়ে করে অল্প বয়সে ঘর সংসার গড়া ।
এই শিখেছি ছোট থেকে মা দিদিমার মুখে।
এসব কথা মেনে চললে মেয়ে থাকবে সুখে।
মেয়ে মানেই লক্ষ্মীমন্ত, মেয়ে মানেই ঘর।
মেয়ে মানে রাগ অভিমান,সবার উপর বর।
পড়বে,গায়বে দেশ গড়বে এমন মেয়ে কে চাই?
মেয়ে মানে এসব ভুলে শ্বশুরবাড়ি যায়।
বাপ মরেছে কোন অকালে, ঘরে একলা মা।
বয়স বেড়েছে মেয়ের তবু বিয়ের কথায় না।
এইতো সেদিন পাত্র এল বয়স না হয় ।
আমাদেরও বিয়ে হয়েছে বিয়ের পরে দাসী।
মেয়ে নাকি পড়েছে কলেজে, দেশ গড়বার ভাবনা।
শোন ওসব ফস্টিনষ্টি আমরা কি ছাই বুঝি না।
কাল বিকেলে শুনলাম কেউ অ্যাসিড ঢেলেছে মুখে।
একটা মেয়েকে টানছিল কজন ও গিয়েছিল রুখে।
ধুর এসব বানানো গল্প টিভির লোকেরা বলে।
আসলে মেয়েটা নষ্ট ছিল তাই গিয়েছে চলে॥
কবি রাজীব সরকার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কথোপকথন
কবি রাজীব সরকার (জন্ম ১.১১.১৯৮৮)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
সূর্য এখনো উঠেনি আকাশে, তারারা যায়নি চলে।
ঘুম ভেজানো ভোর রাতে ওরা পিঠে ব্যাগ তোলে।
ঘুমঘুম চোখ, স্কুল বাসে রোজ নতুন গল্প হয়।
সেই ভোরেতে আরেক দল আবর্জনা বয়।
একদল যায় প্রোপার ড্রেসে ভবিষ্যতের ভাবনা।
অন্যদলে যা পেয়েছি তার বেশি আর চায়না।
ছেঁড়া কাপড় আধপেটা ভাত একটা দলের চাওয়া।
অন্যদলের রেস্তোরা আর শপিংমলে পাওয়া।
একটা দল দেশ গড়বে কিনবে নতুন গাড়ি।
অন্যদলটা কাজ সেরে দেদার টানে বিড়ি।
একটা দলে মার্কস মেলেনি, নতুন স্যারের গল্প।
অন্যদলের কাগজ কুড়িয়ে মিলেছে টাকা অল্প।
দু দিকেতে দুটো ভারত সমান তালে বয়।
লেখাপড়া আর উন্নতিটা সবার জন্য নয়।
কবি রাজীব সরকার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
পিঠব্যাগ
কবি রাজীব সরকার (জন্ম ১.১১.১৯৮৮)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মোমবাতি সব গলে গিয়েছে শুকিয়েছে চোখের জল।
প্রতিবার ভেবে পায়নি মেয়ে একোন পাপের ফল।
কেন বারবার লোলুপ চোখে হয়েছে সে পণ্য।
শরীর ছাড়া কেন বারবার এ সংসারে সে নগন্য।

নষ্ট মেয়ে ঘরের ভিতর, নষ্ট মেয়ে কাজে।
মেয়ে নষ্ট কালো রুপে, নষ্ট মেয়ে সাজে।
শাস্ত্রে নাকি নারী দেবতা, পুরাণেও তা বলে।
শাস্ত্র যদি সত্যি তবে সীতারা কেন জ্বলে?
আইন নাকি সবার জন্য, গণতন্ত্রও তাই।
সেই আইনেই হাজারো জ্যোতির ন্যায় বিচার নাই।
ফুঁপরে কাঁদছে আমার দূর্গা, কাঁদছে মাদার মেরী।
অস্ত্রতোল শোনরে মেয়ে করিসনা আর দেরী।
যতবার তোর কাড়বে কাপড়, ততবার হবি কালী।
শোন হতভাগী নইলে সমাজে প্রতিদিন হবি বলি॥
কবি রাজীব সরকার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
হণ্যতে
কবি রাজীব সরকার (জন্ম ১.১১.১৯৮৮)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
তেরঙ্গাতে ঢেকেছে শরীর, অশোকচক্রে বুক।
জননীর কোলে ঘুমিয়ে বুঝেছি, মরণেও কতো সুখ।
অস্ত্র হাতে লড়তে শিখেছি, বয়স যখন অল্প।
দেশাত্মবোধ, জীবনদেওয়া সেফিন ছিল গল্প।
রাত কেটেছে গ্রেনেড নিয়ে ভোরে গুলির লড়ায়।
পেপারে বেরোনো খবর দেখে দেশবাসি করে বড়ায়।
মরল কজন এই খবরটা নেহাতই একপেশে।
এবার নাকি যুদ্ধ লাগবে? এই গল্প দেশে।
টি.আর.পি তে খবর থাকে রাজনীতিতে গেম।
সীমান্তে ঝাঁঝরা গুলির লড়ায়ে আমার দেশপ্রেম।
যুদ্ধ জিতলে ভোট বাড়বে, পাঁচ বছরের ভাবনা।
যুদ্ধ শেষে আমার গল্প তিন্দিন বই আর না।
তোমার প্রেমে ভোট আছে, জাতিদাঙ্গার ভাবনা।
আমার প্রেমের কফিন স্বাক্ষী তার বেশি আর চাইনা।
কবি রাজীব সরকার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
দেশপ্রেম
কবি রাজীব সরকার (জন্ম ১.১১.১৯৮৮)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
আমি ফুলমনি এই শহরের একটা গলিতে থাকি।
বলুন না বাবু ধর্ম না পেট কোনটাকে আগে রাখি?
বাপ ছেড়েছে মাকে আমার বয়স তখন ছয়।
সেদিন বুঝেছি এসংসারে পুরুষ নামের ভয়।
বই ছেড়েছি সেই থেকেই, একটু খাবার ভাবনা।
বাদ গিয়েছে খেলনাপাতি ভুলেও ওসব আর না।
কাজ নিয়েছি লোকের বাড়ি, পেট ভরানোর দায়।
চেনা পথঘাট ইস্কুল মাঠ ভুলতে শিখেছি হায়।
বয়স বেড়েছে একটু যখন সবে মাত্র নয়।
নষ্ট করেছে সেদিন কাকু দেখিয়ে আমায় ভয়।
স্বভাব নষ্ট অভাবের দায়ে সে কথা তখনো ভাবিনি।
অল্প বয়সে লড়তে শিখেছি হার মানতে পারিনি।
স্বপ্নভেজা দুচোখে আমার নতুন ভাবনা নিয়ে,
প্রেম এসেছিল ভরা যৌবনে জীবনের গান গেয়ে।
অভাবের ঘরে একলা মেয়ে প্রেম করছে জেনে।
বুঝেও না বোঝা মা আমার সব নিয়েছিল মেনে।
ভুলেও ভাবিনি এ সংসারে প্রেমের সওদা হয়।
বিক্রি করেছে প্রেমিক আমায় বিয়েই সেটা নয়।
সেদিন থেকে রঙ মেখে রোজ এই গলিতেই থাকি।
এই গলিতেই জীবন আমার কষ্টটাকে ঢাকি।
শরীর বেচে পেট চালানো এটাই ধর্ম জানি।
বলুননা বাবু ধর্ম না পেট, কোনটাকে আগে মানি?
কবি রাজীব সরকার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আমার ধর্ম
কবি রাজীব সরকার (জন্ম ১.১১.১৯৮৮)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
এভাবেই ফেরি করা আয়ু ও আকাশ
আমাদের করতলে গুঁজে দেয় চাঁদ
চাঁদের ও’পিঠে ধান এ’পিঠে চাবুক
পথ খুঁজি, ঈশ্বর ভরসা জোগান
মালা ঢাকা মাথা-বুক-নিমীলিত চোখ
মার্ক্‌স বোঝ কাস্তে? লালরং-দেহ?
ছানাকাটা মাটি খুঁড়ে কারা আঁকে চাকা
খিদে দিয়ে ধুয়ে রাখে সাম্য ও স্বেদ
সমস্ত পানশালা সাঁঝবাতি জ্বেলে
পসরায় সাজিয়েছে তারার বিছানা
দাঁতনখ খুলে রেখে আয়নার জিভে
অবেলায় ভিজে খাক রুপোর কাঁচুলি
এইসব মোহভার: বিষ্ঠা ও বিষ
দেয়াললিখনে ছাপে মৃদু প্রতিবাদ
অথচ হাঁড়ির হাল একা ফুটে যায়
নুন নিয়ে গান বাঁধে কবি ও মাতাল
কবি পায়েলী ধর
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
হাট
কবি পায়েলী ধর (জন্ম ২৩.২.১৯৮৯)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
রুটির গল্প বলতে-বলতে
তোমরা কারা হেঁটে যাচ্ছ
জন্ম থেকে জনান্তিকে
তোমরা কারা প্রসব ঠেলে
ধুলো-ধোঁয়ায় মাখামাখি
মানচিত্রে লেপ্টে আছো
দেশের পেটে কৃমির মতো
অবাঞ্ছিত তোমরা কারা
স্বপ্ন দেখছো ঘর-বসতির
বোকার মরণ: চাকায় পিষে
ধর্মসমেত পুড়ে যাচ্ছ
এখন এবং আবহমান
রাষ্ট্র তোমার শত্রু তো নয়
বন্ধুও নয় প্রসঙ্গত
রাষ্ট্র তোমার আধ-বিধাতা
কপাল লিখছে ঠাণ্ডা ঘরে
হরেক কিসিম হরেক রঙে
রাজার নীতি ছুতোনাতায়
তোমরা খবর রোজ কড়চা
নিম্নবর্গ ছাইকপালী
আলোয় ফেরার পথ ভুলে যাও
কবি পায়েলী ধর
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
‘ও আলোর পথযাত্রী’
কবি পায়েলী ধর (জন্ম ২৩.২.১৯৮৯)
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
আপনাকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা
কিছু হঠকারী উন্মাদ, খেয়ালের অতি-রঙে
নিজেদের রাঙালেও আপনি কিন্তু কেন্দ্রে।
বৃত্তের কিছু চাপ জুড়ে ছড়ানো রঙ্গ
উদ্দাম হইহুল্লোড়ে দল আর কিছু অপরিণত
মাতলামি হারিয়ে গেছে বৃত্তের বাকি অংশে।
তবু তো আপনি কেন্দ্রে, তাই অজস্র ভিড়ে
হারিয়ে যাওয়া ওরা, নজর কাড়ার লোভে
আপনাকে অপমান করে। জানি ওরা
কেউ না, বিস্মৃতির অতলে অজস্র কোটির মাঝে
হারিয়ে গেছে বহুদিন। ক্ষমতা আর লোভের লালা
দেখুন কেমন ঝরছে ওদের বিষাক্ত ঠোঁট থেকে।
তাই ধিক্কার ওদের, আর চিন্তা কি আপনি তো আছেন
যেমন ছিলেন আমাদের অন্তরে, আমাদের কেন্দ্রে।
কবি ঐশিকা বসু
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
অপরিবর্তনীয়
কবি ঐশিকা বসু (জন্ম ১৫.৮.১৯৮৯)। কোন এক তথাকথিত বিশিষ্ট ব্যক্তি
অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ভারতরত্ন উপাধি কেড়ে নেওয়া হবে বলে
জানিয়েছিলেন। সমগ্র ভারতবাসীর কাছে এ এক চরম লজ্জাজনক ঘটনা
ছিল। এই ঘটনার ধিক্কার জানিয়ে কবির এই রচনা।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
ওরা অনেক আগেই নিজেদের শেষ দেখেছিল,
জ্বলতে জ্বলতে প্রদীপের আলোটাও তখন নিবু-নিবু
দেশের বীর জওয়ান সেখানে ফুঁ দিলে নিস্তব্ধ অন্ধকার।
ওখানে কিছু পশুর উন্মত্ত দাপাদাপি, তবু সব নীরব।
কিন্তু কায়াহীনের কান্না চলতেই থাকে, না কান দিও না ওতে।
বরং দেখ, দিল্লীর ঐ মিছিল, সুবিশাল জনকণ্ঠ।
মোমবাতি ওদের মুখ উজ্জ্বল করে তুলেছে,
সেখানে ওদের কেউ দেখতে পায় না।
সন্ত্রাস দমনে ব্যস্ত কিছু দু-পেয়ে যাই করুক না
শর্মিলাদের মুখ বেঁধে স্যালুট জানাতে তো কোন বাধা নেই।
তবু কবি বলে, ‘নগ্ন হয়ে ওরা আবারও খুলে দিক না সে ‘বীর’ পোশাক’।  
অবশ্য তাতে যতই ব্যবসা বাড়ুক, কাগজওয়ালাদের নজরে আসবে না।
কবি ঐশিকা বসু
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ইরমদের না বলা কথা
কবি ঐশিকা বসু (জন্ম ১৫.৮.১৯৮৯)। মণিপুরে লৌহ মানবী ইরম শর্মিলাদের
Armed Forces (Special Powers) Act, 1958 AFSPA বিরুদ্ধে আন্দোলন ও
মণিপুরের মায়েদের বিবস্ত্র হয়ে প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে লেখা কবিতা।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কিছু পেতে না পেতেই লোভের বাড়বাড়ন্ত
ক্ষমতা তার থাবা নিয়ে এলে উত্তেজনা ছড়ায়।
দার্জিলিং-এর কিছু কালো মেঘের ভ্রূকুটি
রোদের ফিকে আলোর অনুপ্রবেশে বাধা দেয়।
তবুও হিংসা-হানাহানি, বর্বরতার জঞ্জাল সরিয়ে
যখন পৌছবে পাহাড়ের কোলে,
গভীর রাতে অস্পষ্ট স্বরে শুনতে পাবে
কার মৃদু কান্না......হয়ত তোমায়ও কাঁদাবে তা।
তবু ওরা তো ক্ষতি চায় না
চায় কিছু এলিট ক্ষমতাপরায়ণ।
বঙ্গজননীর অঙ্গহানি হলে যাদের কিছু যায়-আসে না।
তবু আমার যায় আসে, আমাদের যায়-আসে।
কবি ঐশিকা বসু
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বিভেদ
কবি ঐশিকা বসু (জন্ম ১৫.৮.১৯৮৯)। উত্তরবঙ্গে গোর্খাল্যাণ্ড নামী
পুনরায় বাংলা ভাগ করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে লেখা কবিতা।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
সিরিয়ার শিশু মৃত্যুর দায়ভার আপনি
এড়াতে পারেন না
বিতর্কিত পঙ্গপাল বলে সংবাদপত্রে
আপনি যে লেখাটি লিখেছেন
সেখানে কোথাও পথের উল্লেখ নেই

মানুষ ও কি পঙ্গপাল হোতে পারে!

টিভিতে মাঝে মাঝে আপনাকে দেখি
খুব সুন্দর গুছিয়ে কথা বলেন আপনি
আপনার মতে
কলেজগার্ল ও কলগার্ল এর পার্থক্য:উভয়েই
যে কোনো সময়ে মৌমাছি থেকে
মধুতে রূপন্তরিত হোতে পারে
পোস্টমর্টন: টেস্ট টিউবে অন্তর্বাস যাচাই
করার মতন
জাতীয় বিপর্যয়: কোনো সঠিক সঙ্গা আপনি দেননি
তবে,
আর একটা উত্তরাখন্ড আমরা দেখতে চাই না
শিরোনামে দেখতে চাই না আর একটা কামদুনি
সীমান্তে পাঁচ জন জওয়ান মরলেও
আপনার চায়ের কাপে একদানা চিনিও
কম পরে না | লাঞ্চ ব্রেকে যখন আপনার প্রিয়
রেশমি কাবাবে তৃপ্তির কামড় লাগান তখন কি মনে হয় ?
কবি সৈকত ঘোষ
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বিতর্কিত পঙ্গপাল
কবি সৈকত ঘোষ (জন্ম ১৭.১.১৯৯০)
.
শরীর নিরাকার ঈশ্বর হোলে
জংলী ফুলের গন্ধেও ম ম করে ইচ্ছেরা
তাদেরই বা দশ কী...
আপনারাও তো ব্রেকফাস্ট টেবিলে  সুখী দাম্পত্ত্য
রাতে পারভাটেড!

আর একটা দিল্লী হোলে দামিনীরা
মোমবাতি মিছিলেই শেষ হয়ে যায়

আপনি না সমাজতাত্ত্বিক, আপনি না বুদ্ধিজীবি
সুতরাং তার দায়ভার আপনার ওপরেও বর্তায়
আমি বলি কি স্যার
পথ ই একমাত্র পথ
সোজা বা উল্টো
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
এই যে ছেলে!
রেশন দোকানে গগল্স পরে দাঁড়িয়ে!!!!?
প্রাইমারীর ফর্ম তোলার লাইনে তে দাঁড়িয়ে ঘাম মুচছো সুন্দর রুমালে!!?????
সুন্দরী গার্লফ্রেন্ড এর সাথে কফি শপে আড্ডার পরে দীর্ঘ নিশ্বাসে বাড়ির পথে!??
বাপের গালি আর ধিক্কারে কুকুরের মত বেঁচে কতদিন বাইরে বডি স্প্রে উড়িয়ে গার্লফ্রেন্ড
আর পরের বউ ঘোরাবে!??
আমরা কি স্বাধীন!????
বেকার জীবনের অভিশপ্ত পাপ নিয়ে রাস্তা ঘাটের গাটার আর ম্যানহোলের মত আর
কতদিন পড়ে থাকবো!?
তুমি কি জানো পার্ল্যামেন্টের ললিত মোদি ইস্যু কি!?
টেবিল চাপড়ে চাপড়ে বিল পাশ করালে ঠিক কতখানি ঠিক কতখানি পপুলারিটি হয়!?
একটা মন্ত্রীর বেতন ঠিক কতখানি!??
মোবাইলের দোকানে গিয়ে ১০০০ এমবি নেট আর হোয়াট্ স আপ তে ভিডিও দেখে মেয়ে
পটিয়ে, স্টারদের পিকতে লাইক, কমেন্ট করে আর কতদিন!!??
রেলের, ব্যাঙ্কের, এসেসসির, লাইনে তো দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আর যোগ্যতার তুলারদাঁড়ির
দরকষাকষিতে কি আমাদের ক্ষুদিরামের যুবসমাজ কি তলিয়ে যাচ্ছে!???
কবি
অরুণিমা মন্ডল দাস
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
স্বাধীনতা
কবি অরুণিমা মন্ডল দাস (জন্ম ২২.২.১৯৯০)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
বিদেশী মশলায় দেশী রান্না!
আমাদের আধুনিক রমনীদের যতসব প্যাকনা! ওই দেখো,
ভিখারী রমনীদের ছেড়া কাপড়ে কলশি হাতে,
দুঃখের আর লাঞ্ছনার স্বীকার!
লাথি আর ঝাটা পড়ে উপহার তাঁর খাওয়ার পাতে!
আর একশ্রেণীর দাম্ভিক রমনীদের কাজ নগ্নতার বাহারের সমূদ্রে নিমজ্জিত করে উল্লসিত
নয়নে চেয়ে থাকে, কখন দৈনিক সংবাদপত্রের পৃষ্ঠাতে তাদের ছবি ভেসে উঠবে!
আধুনিকা শিক্ষিতা নারীগন অহংকারে বাউল গানের সরলতাকে ডিসগাস্টিং বলে খুশিতে
ফেটে পড়ে !
অজানা অভ্যাসগত টিপ্পনির সংস্কারে!
নগ্ন শামুকের শক্ত খোলশ ভাঙবে কে?
চোখের আঙুল দিয়ে ঐশ্বর্য কাঙালি মহিলাদের বাংলার সংস্কৃতির উজ্জ্বল রূপ দেখাবে
কে?
শাড়ি পরেও নারী মাথা তুলে বাঁচতে পারে!
কয়লার আগুনে রান্না করে হাত পুড়িয়ে হাসতেও পারে!!!
বাংলার বুকে মাতঙ্গিনীর মত ও মেয়েরা জন্মাতে পারে!
সেটা বোঝাবে কে!????
কবি
অরুণিমা মন্ডল দাস
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বঙ্গনারী
কবি অরুণিমা মন্ডল দাস (জন্ম ২২.২.১৯৯০)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
আর কতদিন পৃথিবীটা ধিক্কারের যন্ত্রনাতে
শুকনো পলাশের পাপড়ির মত থিতিয়ে থাকবে!
মনের রঙ্গিন আয়নাতে বিধবারা গাঁথতে পারবে না তাঁর রঙ্গিন স্বপ্ন!
পাশবিক অত্যাচারের স্বীকার হয়ে লুটিয়ে পড়বে দেবী দশভুজা নারীশক্তি!
আর কতদিন উপহাসের বাক্যবান দিয়ে জর্জরিত করবে!
ট্রেন ছেড়ে চলে যাওয়ার পর শূণ্য প্লাটফর্ম-জীবন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে ভিখারীদের দাবী!
আর কতদিন রজনীগন্ধার গন্ধ নিয়ে ছেলেখেলা করবে!
শূণ্য মাঠের এদিক ওদিক সরলতার নিষ্পাপতা ফিরিয়ে আনতে চিৎকার করবে!
কবি
অরুণিমা মন্ডল দাস
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আর কতদিন
কবি অরুণিমা মন্ডল দাস (জন্ম ২২.২.১৯৯০)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
স্পিড পোস্টের দামী ধার্মিক স্ট্যাম্পের মধ্যে বাঙালী স্ট্যাম্প টা সবথেকে নড়বড়ে পাঁচ
টাকার স্ট্যাম্প!
একমাস পরে দুয়ারে দুরারোগ্য ক্যান্সারের মতো কড়া নাড়ে!
কথার ছুরির আঘাতে রক্তবমি করায়!
অন্য দামী স্ট্যাম্প গুলোর গায়ে ঠেকে বড় কিছু বেঙ্গল স্ট্যাম্প নতুন বাঙ্গালি
স্ট্যাম্পগুলোকে অসভ্য, বর্বর, লাট্রিন পরিস্কারক হারপিক মনে করে!
মডার্ন ইন্ডিয়ান ডাকবাক্স!
কবি
অরুণিমা মন্ডল দাস
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাঙালী
কবি অরুণিমা মন্ডল দাস (জন্ম ২২.২.১৯৯০)।
.
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি অনুপম পাঠক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
শ্রমজীবী কবি অনুপম পাঠক (৫.৭.১৯৯০)। ব্রততী হালদারের কণ্ঠে কবিতাটির আবৃত্তি শুনুন এই ভিডিওটিতে।
ভিডিওটি সৌজন্যে
Bratati Haldar YouTube Channel.
.
আমি হলভরা লোক, নোংরা
কাঁচা মাটির মানুষ, বৃষ্টিতে গলে যায় আমার সম্মান
আমিতভাষী, পরিমার্জিত শিল্পী চারুকলা আমার নয়,
একগাদা পচা বাসীভাত গিলে জমিতে নামি এক হাঁটু কাদার হ্রদে
পাথর খাদানে, কয়লা খাদানে, ইঁটের ভাটায়
কল কারখানায়, উঁচু বিল্ডিং এর কার্নিশে সেফটি বেল্টে ঝোলা এই আমি--
হাঁটতে হাঁটতে চলি তোমাদের শহরের ফুটপাতে
সেখানে সব যেন কত কি সুন্দর
আমার নীল নীলিমার মত তোমাদের সবুজ মেঘের ঘর,
আমি যা দেখি স্বপ্নে, তোমাদের তা বাস্তবতায়
সন্ধ্যে নামলেই সব কালো অন্ধকার, বোধহয় সবাই সমান
ঘুমোচ্ছে তোমাদের শহর, ঘুমোচ্ছে আমার গ্রাম ...
আমরা কষ্ট করি, আমরা রৌদ্রে পুড়ি, আমরা তিলে তিলে মরি
তোমাদের নির্ধারিত করা বাজারদরে
আমাকে কিনে নাও, আমাদের কিনে নাও, পরিশ্রম কিনে নাও
আমরা তো তোমার চাকর।
তোমরা আমাকে হাতে না মেরে ভাতে  মেরেছ
চুলোর আগুন বোঝে আমার পেটে কতটা ভাত আছে,
আমার সাহস নেই কর্ম না করার
সাহস নেই তোমাদের কথা না শোনার
সাহস নেই আন্দোলনের
অনশনে কেবলই মৃত্যু, অপঘাতে মৃত্যু, আমার মৃত্যু বলতে আত্মহত্যা
আমার কথা কেউ শোনেনা
না মানুষ, না পরিবার
না বুদ্ধিজীবী, না সরকার, না রাজনীতি
হ্যাঁ, আমি শ্রমজীবী মানুষ
আমারও অধিকার আছে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার, বাঁচবার..
তোমরাও তো মানুষ
তোমাদেরও তো আছে মানবিকতা, ভালোবাসা
আমরা না হয় অশিক্ষিত, গ্রাম্য !
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি অনুপম পাঠক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আমার উত্তরাধিকারের জীবন
কবি অনুপম পাঠক (৫.৭.১৯৯০)।
.
ভগাড়ে ভাগ হয়ে যাওয়া মাংসের টুকরো নিয়ে দৌড়াচ্ছি
পেছনে দশটা কুকুর,
এক টুকরো দেবেনা তারা
অথচ, আস্ত একটা গরু মরেছে
যখন আমার মুখ থেকে মাংসের টুকরো পড়ে গেল
তখন সেটা নিয়ে তাদের মধ্যে আবার ঝগড়া শুরু
ধুলো উড়ে গেল জায়গাটার
মাংস খন্ডটাও সেই ধুলোয় হারিয়ে গেল
রক্তাক্ত দেহে তারা এখনো লড়ে চলেছে

যে প্রণীটা মরেছে তার মতই আমারও একটা রক্ত মাংসের শরীর
ভয় হয় মৃত্যুর পরেও যদি এরা আমাকে নিয়ে ছেড়া কামড়া করে ?
তখন হয়ত আমি প্রতিবাদ করবো না,
বুঝবো ....
আমার মরা শরীরেরও দাম আছে
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি অনুপম পাঠক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
স্বাধীন ভারত
কবি অনুপম পাঠক (৫.৭.১৯৯০)।
.
আজ চুয়াত্তর বছর পরে আবার এলো ফিরে
যে দেশের বর্গী হানায় বাচ্চারা সব কোলে ঘুমায়
কিসের ভয়ে শান্ত সবাই? ঘরে আবার ভাঙল হাঁড়ি কিসের আঘাতে?
ভয় নেই রে, ভয় নেই আমার স্বাধীন ভারতে !

ধর্ম নিয়ে হচ্ছে খেলা হিন্দু-মুসলমানে
ওদের শান্তি কোরান নিয়ে, হিন্দু ভোলে গীতার বাগদানে
ওরে লুটল রে তোর নিজের মা কে
বিদেশ থেকে দস্যু এসে,
ধর্ম ওদের শেষ চালাকি
নিজের দোষে পরলি তোরা আবার ওই মরন ফাঁসি!

মরছে শ্রমিক, মরছে চাষী - তবে কি এরা দেশের অন্য জাতি?
এমন মানুষ চালায় বুঝি এ দেশেরই রাজ্যনীতি !
শ্রমিকদের-ই অগ্নি চিতায় জনমানবের খাবার পাকায়
সেই খাবারের পুষ্টি নিয়ে রাজনেতা সব বিদেশ পালায়।
এই পৃথিবীর নীরব রাতে গরিব ঘরের কান্না ভাসে
পেট ভরেছে কেউ মাংস ভাতে , আবার কেউ পান্তা ভাতে
ভয় নেই রে, ভয় নেই আমার স্বাধীন ভারতে !
মিষ্টি কথায় ঘরে ঢুকে সব ভাঙছে তোদের ভাতের হাঁড়ি
আসছে আবার অত্যাচারের সময় ঘড়ি,
মানুষ ভুলে গেছে আজ সেই ইতিহাস
যারা একদিন ভবিষ্যতে বাঁচব বলে পরেছে কত মৃত্যু ফাঁস
কি চেয়েছিল তাঁরা ? বাঁচার জন্য একটু অধিকার।
হয়নি মৃত্যু সেদিন তাঁদের ....
নতুন প্রজন্মকে দেখে তাঁরা আজ করছে আত্মহত্যা।
কি চেয়েছে - কি হয়েছে আজ শহীদের মাতৃঋণে
ভারত আজও বেঁচে আছে সেই আগের মুক্তিপণে!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি অনির্বাণ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
রক্তের রং কালো
কবি অনির্বাণ রায় (জন্ম ১০.১১.১৯৯২)। “এবং স্রোত” পত্রিকার
দ্বিতীয় বর্ষ, পড়ন্ত বিকেল সংখ্যা, ১৪২১ তে প্রকাশিত।
.
আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরা
আঁচড় অথবা দাঁতের দাগ,
ইস! কি বিশ্রী গন্ধ
না না! এতো শরীর!
যে শরীর খুঁজতে খুঁজতে পুলিশ
ঘুমিয়ে পড়ে রাষ্ট্রের পায়ের নখে।
যে শরীরের ছবি হাহাকার করে
বিজ্ঞাপনের ঝলকে
অথবা ইস্কুল ব্যাগে লুকানো
মোবাইলের ফোল্ডারে!
নাকি এই সেই শরীর
যাকে ফেলে গেছে
ক্লান্ত ধর্ষক পুরুষ!
শরীর যে মানুষেরই হোক
এখন তো
কেবল মাংস
আর
সকালের কাগজের খবর।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি অনির্বাণ রায়
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
প্রথমবার
কবি অনির্বাণ রায় (জন্ম ১০.১১.১৯৯২)। এই কবিতাটি
মিলনসাগরেই প্রথম প্রকাশিত হয় ৭.১.২০১৭ তারিখে।
.
ছেলেটা আজ প্রথম বুলেট দেখল
প্রথমবার।
প্রথম চুম্বনের মতই বুক পেতে নিল
তার প্রথম ও শেষতম বুলেট।
মিছিলের সামনে দাঁড়িয়ে প্রথম চুম্বন
আর প্রথম বুলেটের স্বাদ।
শহরে ঢেউ
শহরে মিছিল
শহরে ঝড়
ছেলে টা আজ
প্রথম বুলেট দেখল।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি সুব্রত
বারিশওয়ালা
মিছিলেও প্রেম হোক কবি সুব্রত বারিশওয়ালা। সুর - নিলব্জ নিয়োগী।
কণ্ঠ - সৌমিক দাস। গানটি সৌজন্যে সিপিআইএম দলের
CPI-ML Bankura YouTube Channel.
.
পুরো গানের কথা . . .

ঘামে ভেজা মিছিলের মুখ
স্লোগানেই ভোলে ক্লান্তিকে
লাল পতাকার অভিমুখ
সমাজতন্ত্রের দিকে

হবে না যে নতশির
কাস্তে ও হাতুড়ির
জ্বলবে তারা প্রত্যহ
মিছিলেও প্রেম হোক
ভেঙে যাক মোহ
তুমি সাজো ব্যারিকেড
আমি বিদ্রোহ
বাঁধিয়ে রাখার লাইন . . .

“মিছিলেও প্রেম হোক
ভেঙে যাক মোহ
তুমি সাজো ব্যারিকেড
আমি বিদ্রোহ”


হাত ধরে চল কমরেড
হাঁটি একে অপরের পাশে
ভীড় করা মাথাদের জিত
লেখা থাকবে ইতিহাসে

হবে না যে নতশির
কাস্তে ও হাতুড়ির
জ্বলবে তারা প্রত্যহ
মিছিলেও প্রেম হোক
ভেঙে যাক মোহ
তুমি সাজো ব্যারিকেড
আমি বিদ্রোহ
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি তাপস মন্ডল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
যে ছেলেটা বাড়ি বাড়ি ইস্তেহার পাঠায়
কবি তাপস মন্ডল (জন্ম ৫.১.১৯৯৩)। কবিতাটি মিলনসাগরেই
প্রথম প্রকাশিত হয় ৩.৮.২০১৪ তারিখে, কবির পাতায়।
.
যে ছেলেটা বাড়ি বাড়ি ইস্তেহার পাঠায়
তাকে একদিন...
পরপর দুটো গুলির শব্দে...

তার প্রতিবাদ ছিল-
ধর্ষকদের কঠোর সাজা
ধর্ষিতাদের সুবিচার।
এক থানা থেকে আরেক-
তবুও বিচার মেলেনি ; বিচার মেলেনি
আজও।
আজও ইস্তেহার পাঠায় বাড়ি বাড়ি সেই ছেলে।

কিন্তু, সে তো একদিন...
তাহলে !

প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়, প্রতিবাদের নয়।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি জয়দেব বিশ্বাস
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
মুক্তি কবি জয়দেব বিশ্বাস (জন্ম ২৫.৭.১৯৯৩)।
.
ওর বুকটা চিরে গেছে ,
তবু পতাকা হাতে দাড়িয়ে
আচলটা দিয়ে ক্লান্তি মোছে আর বলে-

আমি নিয়ে যাব আমার পাওনা,

দিনের পর দিন গোনে,
ইচ্ছাগুলোর এক সময় মৃত্যু ঘটে।
তেরঙা পতাকা ঢেউ খেলতে থাকে।
বিচার গড়িয়ে পড়ে টাকার উপর।
পায়ের নীচ থেকে মাটিও সমর্থন তুলে নেয়।

অন্ধকারে টাকা আসে,
'তুই বোবা হয়ে যা'।

কেড়ে নিল তার কথা, তার সেই তীক্ষ্ণ দৃষ্টি।
যে চোখে চোখ রাখা যেত না,
সেই দৃষ্টিতে যে শক্তি ছিল  তা যেন শান্ত করে দিয়েছে।

একদিন সকালে খবর এল মেয়েটি ঝুলছে সিলিং ফ্যানে,

এখন পতাকা উড়ছে অনেক উঁচুতে।

আর 'তারা' বসেছে কয়েকটা বোতলের সাথে মুখরোচক খাবার নিয়ে।
আজ যে মুক্তির দিন।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি জয়দেব বিশ্বাস
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
অন্ধকার গলি ১ কবি জয়দেব বিশ্বাস (জন্ম ২৫.৭.১৯৯৩)।
.
বুকের দুটো বোতাম খুলে রাখলেই পুরুষত্ব বাড়ে না ,
শিড়দাড়া ভাঙা নপুংসক তুমি ।

এবার অন্তত পুরুষ হও,
ছেঁড়া শাড়িটা আর চলছে না।
না ! জুয়া খেলে শাড়ি আনতে হবে না।

চালিয়ে নেব কটা দিন কোনভাবে,
ওপারের আলম ভাই যদি না আসত,
কি করে চলতো এই চারটি পেট?
বুধবার, শনিবার আমার খুউব কষ্ট হয়,
ও ছাড়তে চায় না খিদে না মেটা পর্যন্ত।

আগের দিন ওর নোখের আচড়ে দ্যাখো কালশিটে পড়ে গেছে।

ভেবেছি ছেলেটাকে কোন গ্যারেজে কাজে পাঠাবো,
খেয়ে পরে অন্তত বাঁচবে।

রীতার মা বলছিল -কোলকাতায় ওর এক আত্মীয়ের বাড়িতে
কাজের জন্য ১২-১৪ বছরের
মেয়ে খুঁজছে।

মেয়েকে না হয় ওখানে পাঠিয়ে দেব
অভাব তো ঘুচবে -
জানি তুমি বাঁধা দেবে না
আমাদের উপার্জনের টাকায় হয়তো মদ জুয়ার বহরটা বাড়বে।

মনে আছে, সেবার তোমাকে টাকা দিইনি বলে, উনুনের ওপর
ভাতের হাঁড়িতে
লাথি মেরে বলেছিলে -
মাগি তোর বেশ্যামির টাকায় রান্না খাব না।

কেমন স্বামী তুমি স্ত্রীর শরীর বেচা টাকা ওড়াও !
কেমন বাপ ছেলেমেয়ের মুখে দুটো খাবার তুলে দিতে পার না !

তোমার মত পুরুষের মৃত্যু হোক ....
মৃত্যুই হোক।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি জয়দেব বিশ্বাস
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
অন্ধকার গলি ২ কবি জয়দেব বিশ্বাস (জন্ম ২৫.৭.১৯৯৩)।
.
সারাদিন কষ্টের হাপর টানে
বাবু খুশি হলেই ক'টা টাকা মিলবে।
যেন কোনো ঘরছাড়া কাকের দুঃস্বপ্নের শহরে খাবার খুটে
বেড়ানো।

শহরের রাস্তা ভালো করে চেনে না,
তবু এ গলিটা যেন তার বহুদিনের পরিচিত।
ছোট মেয়েটিকে মা বলেছিল -
শহরে যাস , খাবার কষ্ট হবে না ,
রোজ দুপুরে মিড ডে মিলের জন্য আর তোকে স্কুলে দৌড়াতে
হবে না।

সারা দিনের ভাবনা যার মাথায়, এক বেলার খাবারে তার কি
পেট চলে?

তাই তো শহরে আসা মেয়েটির,
কি সুন্দর হয়েছে মেয়েটি,
মুখে রং না মাখলেও যে কোন পুরুষ তার যৌবনের গন্ধ পায়।
চোখ দিয়ে চেটে খায় তার সমস্ত শরীর।

আজ যে কোনো কষ্ট নেই,
একটা ল্যাপটপ কিনেছে, স্মার্ট ফোনে ফেসবুক করে ছুটির
সময়গুলো কাটায়।
আজ ফুরফুরে আবহাওয়ায় মনটা যেন খুব চনমনে হয়ে গেল।
সকাল থেকে রবীন্দ্রনাথে পেয়েছে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি জয়দেব বিশ্বাস
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
অন্ধকার গলি ৩ কবি জয়দেব বিশ্বাস (জন্ম ২৫.৭.১৯৯৩)।
.
শরীরটা ভেঙে গেছে
সঙ্গমে সঙ্গমে।
একসময় একশো পুরুষ চোখের খিদে ছিলাম,
তখন আমার মসৃণ দেহে -
সূর্য হাসতো,
চোখে যেন বীরঙ্গনার কাহিণী
গোলাপ স্পর্শের কত ইচ্ছে ছিল ওদের,
কাঁটার ভয়ে এগোত না।

যৌবনে যে ফুল ফুটেছিল
সে ফুল এখন ভ্রমরের সাথে খেলা করে।

অহংকার নিয়ে যে নদী বয়ে যেত...
সে নদীর কোলাহল এখন শুধুই বাবুদের সাথে।

মনে আছে ঐ পাঞ্জাবী বাবুটা !
উপহার দিয়েছিল আমায়-
দশ মাস দশ দিন গচ্ছিত রেখেছি সময়ের জঠরে।
শরীর ভেঙে নতুন সূর্যোদয় হ'ল
তিন দিনের মাথায় অস্ত গেল
কুমারী মায়ের কোলে।

তবু চোখ দিয়ে জল গড়াল না,
রক্তের ফোটা পড়ল মাটিতে,

বাবুরা আসে আর শরীরের চুম্বনে জন্ম দিয়ে যায়...
কত ফুলের।
হয়তো কেউ ফোটে কিম্বা ঝরে পড়ে
এমনই কোনো অন্ধকার গলিতে  বেজম্মা হয়ে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি আজাহার
উদ্দিন সাহাজি
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
CAA / NRC পরবর্তী কটা দিন
কবি আজাহার উদ্দিন সাহাজি (জন্ম ১৪.৮.১৯৯৩)। NPR-NRC-CAA বিরোধী
কবিতা। মিলনসাগরের দেয়ালিকায় তোলা হয় ২৭.১.২০২০।
.
কদিন,
আমার দিন কেটেছে মিছিলে মিছিলে
কখনো ভাবিনি এমনও হবে।
কদিন,
আমি চলেছি
কারফিউ ভেঙে
পথে পথে
হাতে প্ল্যাকার্ড ধরে
কখনো ভাবিনি, এমনও করতে হবে।
কদিন,
ব্যারিকেড ভেঙেছি
অল্পের জন্য গুলি খেতে খেতে বেঁচে গেছি
গা বাঁচিয়েছি ধরপাকড় থেকে

কখনো ভাবিনি, এমনও করতে হবে।
কদিন,
স্লোগানে স্লোগানে গলা মিলিয়েছি
চিল্লে চিল্লে---
আজাদীর--- স্বাধীন দেশে
কখনো ভাবিনি, সেটাও করতে হবে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি আজাহার
উদ্দিন সাহাজি
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বর্ষবরণ : ১লা বৈশাখ, ১৪২৭ (১৪.৪.২০২০)
কবি আজাহার উদ্দিন সাহাজি (জন্ম ১৪.৮.১৯৯৩)। বর্তমান মিডিয়া প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে লেখা কবিতা।
.
এবারের বৈশাখ
তুমি বরণ করবে কি দিয়ে?
রক্ত দিয়ে নয়
চোখের পানি দিয়ে নয়
মাথার ঘাম দিয়ে নয়...
খবরের শিরোনাম দিয়ে
ফলা ফলা করে কেটে আমার হৃদয়
ছুড়ে দিয়ো দর্শকের দিকে
তারাও লুফে নেবে
বর্ষশেষ উৎসবের মতন!

এবারের বৈশাখ
তুমি বরণ করবে কি দিয়ে?
মিষ্টি দিয়ে নয়
শুভেচ্ছায় নয়
নেমন্তন্নয় নয়...
তুমি বাটি ভরে দিয়ো যত ঘৃণা ছিল মনের গহনে
আমি চুপচাপ গিলে নেব
কোনো কথা বলবো না
বাধ্য সন্তানের মতো।
এবারের বৈশাখ
তুমি বরণ করবে কি দিয়ে?
দুর্বিষহ গরম দিয়ে নয়
বুক জুড়ানো দক্ষিণের হওয়া দিয়ে নয়
চৈত্রের কঠোর মাটি দিয়ে নয়...
উগরে দিয়ো তোমার যত রাগ ছিল শতাব্দী প্রাচীন
পিঠ পেতে--- রক্ত দিয়ে নিয়ে নেব
আদর্শ নাগরিকের ন্যায়...
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি তন্ময় মণ্ডল
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ডেইলী প্যাসেঞ্জার...
কবি তন্ময় মণ্ডল (জন্ম ২৩.১১.১৯৯৩)।
.
তোমার জন্য বুকভরা প্রেম মুখের হাসি আছে,
উঁকি মেরে দেখ বুকের আনাচে-কানাচে ।
এর চে’ বেশি তোমায় আমি কিই বা দেবো আর
আমি তো এক লোকাল ট্রেনের ডেইলী প্যাসেঞ্জার।

তোমার অনেক ইচ্ছে আমি জোর করে খুন করি
তুমি কি জানো, টাকার জন্য বসের পায়েও ধরি !
রাত চলে যায় সকাল হলে, একই রুটিন আবার
ইচ্ছে করেই খেতে ভুলি দুপুরবেলার খাবার।

রাজারহাটে ফ্ল্যাট কেনা তো অনর্থ আবদার
তোমার স্বামী লোকাল ট্রেনের ডেইলী প্যাসেঞ্জার...
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি শুভাশীষ দত্ত
বাঘ কবি শুভাশীষ দত্ত (জন্ম ২৯.১১.১৯৯৪)।
কবিকণ্ঠে আবৃত্তি শুনুন নীচে দেওয়া প্লেয়ারে . . .।
.
তুমি ছিলে প্রশান্ত বেড়াল।
পা ফেলে ফেলে গুটিসুটি
এগিয়ে আসতে যখন
কানদুটি হয়ে যেত লাল।

আমি থাকতাম থালা হাতে,
এঁটো ভাত ঢেলে দিতাম রাস্তায় ;
তুমি জিভ দিয়ে চেটেপুটে
ধন্য ক'রে দিতে আমায়।

এই বেশ কাটছিল দিন,
এবারেও ভেবেছিলাম এই হবে ;
কিন্তু সময় গেল ঘুরে
.                   বিপ্লবে বিপ্লবে...

ছিলে বেড়াল, হয়ে গেলে বাঘ
এঁটো ভাতে থাকল না রুচি ;
মালিকের মাংসল দেহে
দিয়ে গেলে স্বাধীনতার দাগ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি শুভাশীষ দত্ত
অবশেষে কবি শুভাশীষ দত্ত (জন্ম ২৯.১১.১৯৯৪)।
.
প্রথমে এগোল সবাই,
ওরা একটু পিছিয়ে এসে
সামনে বিছিয়ে দিল কাঁটা।
ভয়ে পালাল কয়েকজন।

বাকিরা এগোল আবার
ওরা পিছোল ;
ভীষণ ডান্ডার বাড়ি মেরে
ঠাণ্ডা ক'রে দিল সব ক'টাকে।

এলো নতুনেরা, এগোল;
ওরা আরেকটু পিছিয়ে এসে
ওঁচালো বন্দুক ! নির্বিচারে
চালিয়ে দিল গুলি।
নিরীহ মশার মতো টুপটাপ
ঝ'রে গেল কিছুজন।

দু'তিনজন এগোল ফের
হনহন ক'রে ; ওরা পিছোল বেদম ;
ভয়ে সিঁটিয়ে দম আটকে
হাত থেকে অচিরাৎ
প'ড়ে গেল বন্দুক।

ওদের পিঠ ঠেকে গেল দেওয়ালে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি শুভাশীষ দত্ত
নতুন আরণ্যক
কবি শুভাশীষ দত্ত (জন্ম ২৯.১১.১৯৯৪)। অযোধ্যার ঠুড়গায়
আন্দোলনের সাথীদের উৎসর্গকৃত।
.
বন ধ্বংস হতে দেবে না তো ওরা
তাই গোটা রাত কারো চোখে নেই ঘুম।
এক একটা গাছ জড়িয়ে একেকজন দাঁড়িয়ে ---
মাথার উপরে চাঁদ নিঃঝুম।

সকালে আসবে সব পালিশ করা লোক
জঙ্গল বিক্রি হবে জলের মতো দামে।
তার আগে কোপ মারুন আমাদের দেখি
বনের ছায়া ভিজুক রক্তে আর ঘামে।

সেইভাবে আঁকড়ে আছি আমিও তোদের
যেমন সহজ ছিলি, তেমন‌ ভাবেই থাক।
তিলে তিলে কীভাবে যে ভালোটি বেসেছি
ভালোবাসতে প্রাণ আমার যায় যদি যাক।

ধ্বংস হতে বিক্রি হতে দেবো না তো আর
বনের ছায়ার নীচে আজ এই কসম ;
যে পাপ করেছি আগে, তা সংশোধনে
নতুন রূপে ফিরে এসেছে এ সত্যচরণ!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি শুভাশীষ দত্ত
ত্রিভঙ্গ মুরলীধর
কবি শুভাশীষ দত্ত (জন্ম ২৯.১১.১৯৯৪)। NRC-CAA এর বিরুদ্ধে সম্মিলিত জনরোষের
সমর্থনে।
.
এই পোড়া দেশে দুপুর একটি স্মৃতিচিহ্ন বাড়ি।
ভাঙা কার্নিশে ঝোলে প্রাচীন রোদ।
কাক ব'সে থাকে জানলায়।

এ বাড়িটি কার?
ভেবে অবসন্ন হ‌ই।
কোথায় এর তীব্র মালিকানা?
ভেবে ভেবে অবসন্ন হ‌ই।

সিঁড়ি বেয়ে গুটি-গুটি সন্ধ্যা
নেমে আসে, কার্নিশের লাল রোদ
গুটিয়ে নেয় তেজ ;
উদাসীন কাক ফিরবে কোথায়?
কোথায় ওর ঘর !
ভেবে অবসন্ন হ‌ই।
শূন্য বাড়ির ছাদে ওঠে কালপুরুষ,
যেন ত্রিভঙ্গ মুরলীধর ;
তরবারি নেই হাতে,
পায়ের কাছে নেই‌ ভক্ত লুব্ধক,
নিরীহ বাঁশি শুধু ঠোঁটে
অন্ধকারে স্পষ্ট প্রতিবাদী স্বর...

গোটা দেশ‌ই নিরাশ্রয় আজ,
ওদের ভাঙা বুকের ওপর
জাগে ত্রিভঙ্গ মুরলীধর।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি শুভাশীষ দত্ত
ন্যাড়া গাছ
কবি শুভাশীষ দত্ত (জন্ম ২৯.১১.১৯৯৪)।
.
ন্যাড়া গাছ দাঁড়িয়ে আছে কেন
সেও জানে না।
মাথার ওপর আকাশ শয়তান,
তার আগুন-জিভ, ভ্যাঙাচ্ছে ওকে।

চারদিকে ওর প্রতিবেশীগুলোর
কত রূপ রস রঙ ;
সভ্যতার ওইসব দামাল সন্তান
ফুলেফলে নিবেদিত প্রাণ।
ন্যাড়ার নিষ্ফল আক্রোশের প্রতি
ওরা সন্দিহান।

তবু এক-আধবার সে
এইসব রূপ রস রঙ
সভ্যতার ডালি-উজাড় উপহার
চায় কিনা, আমরা জানি না
নেচে ওঠে গোপনীয় রক্ত বুকের ?
আমরা জানি না।
একটি লোক‌ও এসে নির্দয় কোপে
কেটে নিয়ে যায় না তো ওকে !
ফাঁকা ফোকলা গাছ
মাটির গভীর দেশে দাঁড়ায় কঠিন
রোগা হাত আরো দৃঢ় মুঠো হয় তার ;
সজোরে মারবে মুখে ঘুষি
দুমড়ে মুচড়ে যেন যায় আকাশ শয়তান।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি প্রদীপ চৌধুরী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
এ রাস্তা কার
কবি প্রদীপ চৌধুরী (জন্ম ১.১০.১৯৯৫)। মিলনসাগরে প্রকাশ
১১.৭.২০১৬।
.
ট্রাম লাইনের ধারে নয়তো পথের পাশে
অসহায় কঙ্কাল গুলো থাকে পড়ে।
একমুঠো খাবার জোটে না তাদের
হয়তো তবু বেঁচে আছে না মরে॥

জানিনা কতো কষ্ট পাবে এরা
নাকি কষ্ট এদের বন্ধু হয়ে গেছে।
তবু রাস্তা নিয়ে হচ্ছে কতো লড়াই
ভাগ আছে কার এই রাস্তার পিছে॥

হাজার মানুষ ঠাঁই পেয়েছে হেথা
একটু খানি গুজবে মাথা বলে।
ঠিক হয়না রাস্তা নেবে কে
তাইতো লড়াই হচ্ছে দলে দলে॥
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি প্রদীপ চৌধুরী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ক্ষুধিত মানুষ
কবি প্রদীপ চৌধুরী (জন্ম ১.১০.১৯৯৫)। মিলনসাগরে প্রকাশ
১১.৭.২০১৬।
.
ক্ষুধার জ্বালায় কাঁদছে মানুষ
কোথাও থাকার জায়গা নাই।
কান্না ভরা চোক্ষু দুটি
হারিয়ে যেতে চাই॥
এদের কথা কেউ ভাবে না
ব্যস্ত সবাই কাজে।
রাগের মাথায় কেউ বা বলে
এরা ভীষণ বাজে॥
হৃদয় হীন সমাজ এখন
নেইকো মায়া দয়া।
ক্ষুধিতরা ক্ষুধায় মরুক
হারাক মাথার ছায়া!!
পরিস্থিতি বড়োই কঠিন
কেউ নইতো কারো।
ক্ষুধার জ্বালায় কাঁদছে মানুষ
তোমরা তবুও মারো॥
সভ্য মানুষ ধন্য তুমি
তোমায় করি সেলাম।
তোমরা না হয় সুখেই থাক
আমরা হব গোলাম॥
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি প্রদীপ চৌধুরী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
জয় হোক
কবি প্রদীপ চৌধুরী (জন্ম ১.১০.১৯৯৫)। মিলনসাগরে প্রকাশ
১১.৭.২০১৬।
.
বাজুক শঙ্খ ধ্বনি
যুদ্ধ আসুক নেমে।
শুভ শক্তির বিজয় হোক
অশুভ যাক থেমে॥
ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বলুক
জ্বলুক সুখের আলো।
অশুভরা শেষ হয়ে যাক
কাটুক রাতের কালো॥
এদেশে শান্তি আসুক
পালাক দুঃখের জোয়ার।
দীন-দুঃখিদের অন্য জুটুক
খুলুক সুখের দুয়ার॥
অশুভকে শেষ করে দাও
তাদের আঘাত হান।
কালো রাতের অবসান হোক
এটাই হয় যেন॥
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি প্রদীপ চৌধুরী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বাঁচা মরার খেলা
কবি প্রদীপ চৌধুরী (জন্ম ১.১০.১৯৯৫)। মিলনসাগরে প্রকাশ
১১.৭.২০১৬।
.
ক্ষুধার জ্বালায় কেউ মরে যায়
কেউ খায় ভুরিভুরি
কারো আছে খাবার পাহাড়
আর কেউ করে তাই চুরি।
অন্ন দাতার কি পরিহাস
দেখে হয়েছি ধন্য!!
ভরা পেটে খাবার ঢালে
আর গরীব হারায় অন্ন॥
ক্ষুধার জ্বালায় দিন কেটে যায়
আসে নতুন সাল।
তবু তাদের চোখে অশ্রু ঝরে
শূন্য খাবার থাল।
চোখের জলের দাম নেই গো
শ্রেয় তাদের মরাই!
ক্ষুধার জ্বালার কি বাঁচা যায়
হয় কি কোনো লড়াই॥
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি প্রদীপ চৌধুরী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
তাদের যন্ত্রণা
কবি প্রদীপ চৌধুরী (জন্ম ১.১০.১৯৯৫)। মিলনসাগরে প্রকাশ
১১.৭.২০১৬।
.
যখন আকাশ স্তব্ধ হয়ে থাকে
শোনা যায় ঝিঝিপোকার গান।
দরিদ্র মানুষগুলো খবর কি জান
তারা পেয়েছে কি কোনো ত্রাণ?
ক্ষুধা অনাহার সঙ্গী তাদের
রাতের ঘুম নাই।
ক্ষুধিত দু চোখ তাইতো শুধু
রাস্তা পানে চাই॥
কিন্তু বৃথায় সে চাওয়া
তাদের দিকে কি কারো দৃষ্টি যাবে!
না চির অবহেলিত হয়ে
সারাটা দিন ক্ষুধায় কাটাতে হবে?
ক্ষুধিতরা তাই প্রার্থনা করে
প্রভু আমাদের দিকে চাও।
সেটাও যদি না হয় তবে
এক ফোঁটা বিষ দাও॥
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি মহঃ
মোজাম্মেল হক
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
আমি কি শুধুই মেয়ে?
কবি মহঃ মোজাম্মেল হক (জন্ম ১০.২.১৯৯৬)।
.
আমি কি শুধুই মেয়ে নাকি অন্যকিছু !
সকাল থেকে সন্ধা অবদি শুধুই কাজ ।
খাওয়া নেই পরা নেই শুধুই কাজ
যখন আমি জন্মে ছিলাম আঁতুড় ঘরে
তখন থেকেই যুক্ত আমি কাজের সাথে ।
মায়ের জন্য হাসতে হোতো-কাঁদতে হোতো বাপের জন্য
মেয়ে হয়ে জন্মেছি বলে !
একটু যখন বড়ো হোলাম কিছু কিছু বুঝতে পারলাম
কেন আমায় কাঁদতে হোতো বাপের চোখে চোখ পড়লে।
বয়স যখন নয় আমার বিয়ে আমার দেবে এবার
করবোনাক বিয়ে আমি বলব এটা কারে ?
বলতে গেলাম মায়ের কাছে
মা বললেন ভুলে গেছিস - তুই যে শুধুই মেয়ে।
বিয়ে হয়ে গেলাম আমি শশুর বাড়িতে
ভুলতে হল সবকিছু যা ছিল এখানে।
পর  ছিল যারা তারা আপন হল
নিজ বলতে যাদের জানি তারাই পর হল।
স্বামীর ঘরে গিয়ে হলাম কাজের  দাসী
কাজ শুধু নই হলাম আরও কত কি....!
তার পরেতে  হলাম আমি কারো জননী।
নিজের বলে কেউ ছিলনা শশুরবাড়িতে
তবু আমায় থাকতে হল সেখানেতে।
দূর্গাও তো এসেছিল মেনকারও  ঘরে
একদিনও তো জুটলোনা তা আমার কপালে।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি এম হাসান উজ
জামান আনসারী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
অভিঞ্জতায় পরিপক্ক
কবি এম হাসান উজ জামান আনসারী (জন্ম ৩০.৩.১৯৯৬)।
কবিতাটি মিলনসাগরে প্রকাশিত হয়েছিল ৩০.১২.২০১৪ তারিখে।
.
গোধূলি জানে, দিগন্তে ঢলে
পড়লে সূর্য
লাল হতে হবে তাকে।
সাজানো পৃথিবীর নাটকীয়
ব্যাঙ গুলোও বোঝে
বর্ষার সাথে তাদের 'গ্যাঙোর গ্যাঙোর'-এর সম্পর্ক।
আনুপাতিক ভাগহারের পাটিগণিতে
ফুটপাতের বাচ্চাগুলোর প্রত্যাশিত
চকলেটের মান শুণ্য-- তাও মেনে নিয়েছে তারা।
ডাকতে থাকা কুকুর আর চলতে থাকা হাতি
---সে গল্প অনেক পুরানো।
মাঝখানে, পাঁচবছর অন্তে প্রতিশ্রুতির
পাঁচফোড়নে মন-পিত্তি জ্বলা ব্যাপারটা
পনেরো বছরের অভিঞ্জতায় পরিপক্ক।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি এম হাসান উজ
জামান আনসারী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বিপরীত ঘোড়ার ডিম
কবি এম হাসান উজ জামান আনসারী (জন্ম ৩০.৩.১৯৯৬)।
কবিতাটি মিলনসাগরে প্রকাশিত হয়েছিল ৩০.১২.২০১৪ তারিখে।
.
ধুলোয় ধুয়ে গেছে অনেক কবি,অনেক
কবিতা ঠোঙা হয়ে ঘুরেছে
পথে-পার্কে, পাঠ্য
বইয়ের দুই মলাট মাঝে
জায়গা হয়নি
তাই তারা এখন বিপরীত
ঘোড়ার ডিম!
সমাজ-সম্মান-স্যালুট কিচ্ছু
পাইনি শুধুই পাতার
পর পাতা ভেবে খেয়েছে সময়, নেয়েছে
ঘামে কিন্তু দাম??
থেঁতলে যাওয়া বেগুন-টম্যাটোর
মতোই অপাঙতেয়-অচিন।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি এম হাসান উজ
জামান আনসারী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
বেকারী কথা
কবি এম হাসান উজ জামান আনসারী (জন্ম ৩০.৩.১৯৯৬)।
কবিতাটি মিলনসাগরে প্রকাশিত হয়েছিল ৩০.১২.২০১৪ তারিখে।
.
এক শহর অন্যমনস্কতার হিজিবিজি
সিসমিক রেখা ক্রমবর্ধমান।
রবিবার-ছুটিবার বলে বিশ্রামের কোনো
ফুলস্টপ নেই। কমা অবশ্য আছে।
তাঁরই ফাঁকে দাঁড়ি কাটার-
ব্লেডের উপর রাখতে হয় হ্মুধার্ত বাঘের
তীহ্ম নজর। মশার গানে
ঘুমে ঢুলে চোখ-- পচা ইদুরের
গন্ধে শক্ত হয় নাসারন্ধ্রের ঘ্রাণগ্রন্থি। কবে
কার মাঁজা কাপের চা ধোঁয়া
ছাড়লে একটু বিরক্তির কুঁয়াশা
দৌড়ায়, কু-আশা ছড়ায়। তবু সময়
নেই আড়মোড়া ভাঙার। ভাঙে
হাঁড়, মিথ্যে স্বপ্নের ভাঁড়ও ভাঙে
প্রতিবার। আর, একটু-আর একটু করে বাড়তে
থাকে একটা বেকারের
বেকারী ইতিহাস---বেকারী কথা।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি এম হাসান উজ
জামান আনসারী
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কালো পথ
কবি এম হাসান উজ জামান আনসারী (জন্ম ৩০.৩.১৯৯৬)।
কবিতাটি মিলনসাগরে প্রকাশিত হয়েছিল ৩০.১২.২০১৪ তারিখে।
.
পূন্যার্থীর ভিড়ে শেষটাই আর অপরাধীদের প্রথমে-
চলছে নৌকা তুলছে যে ঢেউ
কত ভুল মেখেছি জীবনে?
দুধ ভাত খাব-খাওয়াবো বলে মদ মাতালের পথে হাঁটছি-
গড়া এ দেশ বিদ্বেশ বিষে
গাইতি খুচিয়ে ভাঙছি।
জানি এ ভুল চড়াবে শুল তবু মাথা রাখি ঠান্ডা-
লুকিয়ে মিথ্যা উচু করে রাখি
মেকি সত্যের ঝান্ডা।
বিদ্রোহী বিপ্লবী কিছু নয়,চোরা পথে করি কারবার-
প্রশাসন কিছু চাটছে তলা
হচ্ছি বিকার,করছি আমি নোংরামির'ই নারী পাচার।
নোংরামি নয়,সব সুন্দর! আহার দেয় যে লক্ষী-
ফুটো থালা হাতে ঘুরত যারা
আজ তারা আমার রক্ষী।
কাজ পেয়েছি, কাজ দিয়েছি হোকনা সে কালোপথ-
সাদা পোষাকে চুরি করে আমি
গড়ছি ইমারত,চড়ছি বিলাস-রথ।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি বিশ্বজিৎ
হালদার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কিছুটা আমি
কবি বিশ্বজিৎ হালদার (জন্ম ১৫.৫.১৯৯৬)।
.
নীরবতা এখানে একা নয়,
যতটা একা ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা আমি।
অন্ধকারেরও একটা নিজস্ব রঙ আছে
যেটুকু দ্যূতি আমার নেই
এত নির্জনতায় যদি দাঁড়াবার একটু জায়গা পেতাম!

আমার অবহেলা সহ্য হয়ে গেছে;চলে যাচ্ছি!
ঠোঁটের কোণে সত্যিটা লোকানো থাক;সুখে আছি,
ঘুম নেই , খুধা নেই!
আমার উস্কো চুলে হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দাও
অনেক কাজ বাকি . . . .

মেঘের কাছে যেতে হবে
মরুভূমির ভীষণ তৃষ্ণা!
রেললাইনে বিশ্রাম করছে  বেকার ছেলেটা,
রাস্তার পাশে নির্যাতিতা খারাপ মেয়েটা পরে আছে!
মোখোস পরা কুকুর গুলো নাকে রুমাল চেপে আছে,
লম্পটদের চক্রবহূ ভাঙতে হবে
আমি ভিষন একা,
তোমার মা, বোন ভালো আছে তাইতো ব্যস্ত তুমি !
আমার অনেক কাজ. . . . . .
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি বিশ্বজিৎ
হালদার
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
ওরাই তো ভদ্রলোক
কবি বিশ্বজিৎ হালদার (জন্ম ১৫.৫.১৯৯৬)।
.
শুভ আলপনায় সাজিয়ে ছিলেন সৃষ্টিকর্তা
এই সমাজ সংসার তনুধর
সুখ কলরব নীল আকাশের আবরণে  
সমাকীর্ণ রবে এই উপনিবেশে
মৃদু সমীরণ তৃপ্ত সৌরভ সুখ বসন্ত দেবে
দিশেহারা শিহরণ কিন্তু কুলষিত আজ সেই সুরভী
ওনাদের সান্নিধ্যে ওরা আঁটোসাঁটো পোশাকে
ভদ্রলোক ভিড় বাসে কাদামাখা পোশাকের পরসে
নাক সিঁটকে বলে সর সর
মজদূরের হাই তোলা গন্ধ পেয়ে নাকে রুমাল
চেপে ধরে মাঝ রাতে বাড়ি ফিরে টলতে টলতে
মুখে গোজা সিগরেটে
পণের টাকা না পেয়ে পুড়িয়ে মারে ঘরের বধূকে
ওদের লালসার বহ্ণি উপহার দেয়
পথে মাঠে পড়ে থাকা আমার হাজার বোনের
রক্ত মাখা নগ্ন শরীর
কেউ শোনেনি চিৎকার কিংবা করেনি প্রতিবাদ
ওই বিভীষিকা উপভোগের
বিচারকের বাণি বলে অবাঞ্চিত ওরা,
ওরা খারাপ মেয়ে আর ওনারা সবাই ভদ্রলোক !
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি এইচ আই
হামজা
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
লুণ্ঠিত স্বাধীনতা
কবি এইচ আই হামজা (জন্ম ১.১.১৯৯৭)। কবির ছাত্রাবস্থায় লেখা কবিতা।
.
তোমরা এখনও কেউ জানো না
জানার মত বোধ তোমাদের হয়ে উঠেনি
নির্বাক গাছ যেমন জানতে চায় না
ঝরাপাতার কথা
বিশাল আকাশ জানতে চায় না
মেঘের আড়ে লুকিয়ে থাকা চাদের কথা
তেজদীপ্ত দিন জানতে চায় না কেন
সূর্য ঘুরে আবার রাত ফিরে আসে
মানুষও জানে না তার স্বপ্ন লুটের কথা
কবি,বুদ্ধিজীবী এবং কি অধ্যাপকও
মুক্তবাজারে মানুষের স্বপ্ন বিক্রি করে
কেউ কেউ প্রাসাদ গড়ে
কিশোরীর স্বপ্ন লুট হয়
বালকের প্রেম লুট হয়
কৃষকের শ্রম লুট হয়
শ্রমিকের ঘাম লুট হয়
এখানে প্রতিনিয়ত লুট হয় মানুষের অগনিত স্বপ্ন
ওরা লুট করে স্বাধীনতা মুক্তির সাধ
লুট করে ইতিহাস,মানচিত্র সন্তানের প্রতি মায়ের ভালবাসা
লুট করে ফুলের গন্ধ জোনাকির নিঃস্বার্থ আলো
শকুনেরা বারবার ফিরে আসে
শক্ত নখরে আঘাত করে
সবুজ কমল জমিনে
তবুও নগণ্য কিছু মানুষ স্বপ্ন দেখে
সবুজ জমিনে হাতুড়ি কাস্তে খচিত একটি পতাকার
তবুও কিছু মানুষ এখানে স্বপ্ন দেখে সমতার সমাজ গড়ার
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি এইচ আই
হামজা
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
উচ্ছিষ্ট পুঁজিবাদ
কবি এইচ আই হামজা (জন্ম ১.১.১৯৯৭)। কবির ছাত্রাবস্থায় লেখা কবিতা।
রচনা ২২.০৮.২০১৫, ঢাকা।
.
তুমি অভিশাপ দাও আমাদের
তোমার অভিশাপে পুড়ে অঙ্গার হয়
নিন্দুকের অহর্নিশ চপেটাঘাতে পিষে ফেলি বিবেকবোধ
আমরা আমাদের নিস্তেজ করে দেয় ক্রমাগত
রুদ্ধ করি বিবেকের জানালা কপাট
শহরের মস্ত রেস্টুরেন্টের ফেলে দেওয়া উচ্ছিষ্টের আমিও ভাগীদার
তোমাদের কাছে এর চেয়ে বেশি চাওয়া মানে
আমার বিলাসিতা আমার লোভ
এর চেয়ে ভালো তোমার শেভ করার নামি বিদেশি ব্রান্ডের দামি ক্ষুরে
কেটে দাও আমার লোভাতুর জিভ
কৃত্রিম পারফিউমে নষ্ট করে দাও আমার ঘ্রাণইন্দ্রিয়
অস্তিত্ব বিনাশের হিংস্র সভ্যতায় নিঃশেষ করে দাও ভবিষ্যৎ
কান পেতে শুনো ফেলে আসা সুদূর অতীতের
বিমূর্ত আত্মচিৎকারে প্রকম্পিত আকাশ বাতাস
চৈত্রের দহনে ফসলের মাঠে কৃষকের মূর্ত হাহাকার
সাগরে ভাসমান উদ্ধাস্ত শরণার্থী
মাইন টর্পেডোর রণ সমরের রাজ্যতে
অসহায় গোলাপের নিভৃত কান্নায় অঝোর বর্ষণে প্লাবিত স্বপ্ন
ক্ষুধার পৃথিবীতে প্রাকৃত শস্যদানারা উপেক্ষিত পরিপুষ্ট পুঁজিবাদে
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি এইচ আই
হামজা
মিলনসাগরে কবির পাতা . . .   
কিছু লোকের স্বভাব
কবি এইচ আই হামজা (জন্ম ১.১.১৯৯৭)। কবির ছাত্রাবস্থায় লেখা কবিতা।
মিলনসাগরে প্রকাশ ৩০.১১.২০১৮।
.
বাজার নামের এই হাটে মূল্য ভীষণ চড়া।
কার আগে কে পাবে, এক পায়ে সব খারা,
হাতি ঘোড়া স্বর্ণ বাদ যাচ্ছে না তাও!
খাচ্ছে সবাই পারছে যতো, ইচ্ছেমত খাও।
বলছি যতোই একটু দাঁড়া-
মানবতা কি দেয় না সারা?
হাসছে রাজা মনের সুখে, কাঁদছে প্রজা দুঃখে।
শত কষ্ট মনে প্রজার তবুও কেউ বলছে না মুখে,
তবুও রাজা, মন্ত্রী, পেয়াদা বলছে সবাই বেশ
আরে বাবা এ যে দেখছি, হীরক রাজার দেশ!
রাজ্য আছে রাজা আছে নীতির বড় অভাব
নীতি বেঁচে ভাত খাওয়া কিছু লোকের স্বভাব!
.
.
মিলনসাগরের প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার
. . . . পরের পাতায় যেতে এখানে ক্লিক করুন
প্রতিবাদী            .
কবিতার        .
পরের    .
পাতায় যেতে
এখানে    .
ক্লিক         .
করুন              .
এই পাতার পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার জেলের,
যা যে কোনো রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের উপরে চরম
নিপীড়ন ও নির্যাতনের প্রতীক। আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
মিলনসাগরের এই প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার কবিদের সাজানো
হয়েছে পাতার পর পাতা কালানুক্রমিকভাবে বাঁ থেকে ডান দিকে।
পাঠকের সুবিধার জন্য কবিদের সূচীটি বর্ণানুক্রমিক রাখা হয়েছে।
প্রতিবাদী কবিতার দেয়ালিকার সূচীতে যেতে >>>>>
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে

অপর্ণা হাওলাদার (২)
অনির্বাণ ভট্টাচার্য (১)
স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তী (১)
শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (১৫)
আখতারুজ্জামান আজাদ (১)
রাজীব সরকার (৬)
পায়েলী ধর (২)
ঐশিকা বসু (৩)
সৈকত ঘোষ (১)
অরুণিমা মন্ডল দাস (৪)
অনুপম পাঠক (৩)
অনির্বাণ রায় (২)
সুব্রত বারিশওয়ালা (১)
তাপস মন্ডল (১)
জয়দেব বিশ্বাস (৪)
আজাহার উদ্দিন সাহাজি (২)
তন্ময় মণ্ডল (১)
শুভাশীষ দত্ত (৫)
প্রদীপ চৌধুরী (৫)
মহঃ মোজাম্মেল হক (১)
এম হাসান উজ জামান আনসারী (৪)
বিশ্বজিৎ হালদার (২)
এইচ আই হামজা (৩)
মাসুদ রানা (১)
এই পাতার প্রতিবাদী কবিরা ---
শ্রীজাত (৭)
মাহমুদ হায়াত (১)
মৃন্ময় চক্রবর্তী (২)
বাপ্পাদিত্য জানা (২)
আকাশ চক্রবর্তী (১)
পূর্ণচন্দ্র বিশ্বাস (১)
মৌমিতা ঘোষ (১)
স্বপ্নিল রায় (১)
চিরশ্রী দেবনাথ (২)
মনামী ঘোষ (১)
তরুণ বাগ (৩)
পবিত্র কুমার আচার্য্য (২)
वरुण ग्रोवर (1)
বরুণ গ্রোভর (১)
শাজাহান পারভেজ রনি (৪)
অসীম হালদার (১)
অবশেষ দাস (১)
শক্তি পুরকাইত (১)
সৌম্য ঋত (১)
বিশ্বরূপ রায় (২)
মুহাম্মদ মুহিদ (১)
পিংকি পুরকায়স্থ চন্দ্রানী (১)
কৌশিক বিশ্বাস (১)

অপর্ণা হাওলাদার (২)
অনির্বাণ ভট্টাচার্য (১)
স্নিগ্ধদীপ চক্রবর্তী (১)
শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় (১৫)
আখতারুজ্জামান আজাদ (১)
রাজীব সরকার (৬)
পায়েলী ধর (২)
ঐশিকা বসু (৩)
সৈকত ঘোষ (১)
অরুণিমা মন্ডল দাস (৪)
অনুপম পাঠক (৩)
অনির্বাণ রায় (২)
সুব্রত বারিশওয়ালা (১)
তাপস মন্ডল (১)
জয়দেব বিশ্বাস (৪)
আজাহার উদ্দিন সাহাজি (২)
তন্ময় মণ্ডল (১)
শুভাশীষ দত্ত (৫)
প্রদীপ চৌধুরী (৫)
মহঃ মোজাম্মেল হক (১)
এম হাসান উজ জামান আনসারী (৪)
বিশ্বজিৎ হালদার (২)
এইচ আই হামজা (৩)
মাসুদ রানা (১)
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
इस पन्ना का बैकग्राउंड
छवि अंडमान सेलुलर
जेल का एक भीतरी
बरामदा का है, जो
किसी भी राष्ट्र द्वारा
अपने नागरिकों पर
चरम अत्याचार का
प्रतीक है। यही दीवारें
और सलाखों स्वतंत्रता-
प्रेमी लोगों की जान को
दाँव पर लगाकर विरोध
का प्रतीक भी है!
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA

একজন মানুষের তাপে

একজন মানুষের তাপে গোটা রাষ্ট্র পুড়ে যাচ্ছে!
জেলখানার কম্বল চলে গেছে আইনসভায়,
সেখানে বড্ড শীত!
রাষ্ট্র পুড়ে গেলে আইনসভায় মাঘ মাস নামে।

গোটা দেশ অবাক হয়ে ভাবছে
কে বিকলাঙ্গ, কার পা ছিল না কখনো,
কে কোনোদিন ধুলোয় হাঁটেনি,
কার হাঁটুর তলায় লাগানো রয়েছে খুর!

একজন মানুষের তাপে গোটা রাষ্ট্র পুড়ে যাচ্ছে
জেলখানার কম্বল চলে গেছে আইনসভায়!
কবি মৃন্ময় চক্রবর্তী
দুটি কবিতা
কবি মৃন্ময় চক্রবর্তী (জন্ম ১৯৭৬)। ২০১৯ সালে
প্রকাশিত কবি সব্যসাচী দেব সম্পাদিত "এসো মুক্ত
করো" কবিতা সংকলন গ্রন্থের কবিতা।
২.
যে পাগলেরা বন্দি

তোমরা অন্ধকারে বসে একটুও টের পাওনি কমরেড
কী দারুণ পাল্টে গেছে সব।

নাগরিক প্রত্যঙ্গে আলোর অভিনব ঝলসানি দেখে তাক লেগে যাচ্ছে আমাদের
আমাদের, আমরা যারা তোমাদের মতো আর স্বপ্নে বিশ্বাসী নই,
তারা দেখছি নিস্তব্ধতা কতখানি উল্লাসময় হতে পারে,
খাটা পায়খানা উঠে গিয়ে কেমন চারিদিকে মলের স্থাপত্য এনে দিতে পারে
রঙের জৌলুশ,

আকাশের এপার ওপার জুড়ে আকাশবাড়ি, হাওয়াই সেতু এবং
অন্ধকার আড়াল করা বিজ্ঞাপন ঢেকে দিতে পারে শহরের মুখ।
এখানে বন্ধ কলকারখানা আর নেই,
চাষির প্রান্তিক বাগান মুছে গেছে প্রোমোটারি ভাস্কর্ষে।
এদেশে এখন খুনিরা কবিতা লেখে
গুণ্ডারা মন্ত্রী হয়, বাহুবলী সমাজসেবকেরা ধর্মোপদেশ দেয়, দেশপ্রেমের
কথা বলে।

এক অ্জুত সাম্যরসে জারিত স্বদেশে, প্যাগোডার শান্তিজল ছুঁয়ে বাড়ি
ফেরে মুগ্ধ ভোটার।

তোমরা চিনতে পারবে না, কিছুতেই চিনতে পারবে না,
জেলখানার ভেতরে তো এইসব আলো গিয়ে পৌছায়নি!
.
তোমাদের স্বপ্ন আজ বাতিল করেছে সময়।
অন্ধকুঠুরিতে যতটুকু আলো আসে---
তোমাদের রুগ্ন ক্লান্ত কিন্তু আগুনময় জেদি ইচ্ছেগুলোর মত---
তেমন কোনো গভীর প্রত্যয় কোথাও সংগুপ্ত নেই এ শহরে
এখন তারুণ্যের চুলে বৃদ্ধের কলপের মত দিন আসে দিন যায়।
তোমাদের কথা কেউ মনে রাখেনি
কেউ খুঁজে দেখতে চায়নি যে, এদেশেও একদল পাগল আছে
যারা ভুল স্বপ্নে রাত জাগে,
যারা ভাবে বিদেশি অক্টোপাসের দেশি শুঁড় ছিঁড়ে
ভারতবর্ষের কপালে একটা টকটকে লাল সূর্য গড়ে দেবে,
যারা ভাবে খণমুক্ত ভাতের সকালে একদিন একটা উৎসব হবে
আর আসমুদ্রহিমাচল জুড়ে বেজে উঠব অনন্য কনসার্ট।

এই ইটের বাগানে আজ তোমরা বিস্মৃত।
এখানে এখন রমণতাড়িত রাত মাতালের মতো ভেসে ওঠে রোজ।
কে খোঁজ রাখতে চায়, জেলকুঠুরির ঠাণ্ডা মেঝেয়
ছেঁড়া কম্বল পেতে ছারপোকাদের রক্তদান শিবিরে কারা রাত জাগে?
শুধু সেলের গরাদের ওপারে পাহারারত সেপাই সারারাত তোমাদের কাশির
শব্দ শোনে
আর তোমাদের কফের ভেতরে লুকোনো দলা দলা সূর্য অনুভব করে চমকে ওঠে।
আর মাঝখানে কখনো সখনো আমাদের মতো অবিশ্বাসীরা,
যারা আর তোমাদের মতো স্বপ্নবিশ্বাসী নই, ভাবি---
তোমাদের পাগলামি ভেঙে ফেলবে সমস্ত দেওয়াল,
বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয়---
একদিন সকালের মানুষেরা এসে দেখবে ভারতবর্ষে আর কোনো কারাগার নেই।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
তুমি পুরান কে বলো ইতিহাস
ইতিহাস কে বলো পুরানো
তোমার কাজ শিক্ষাকে লাঠি পেটা করে
মূর্খের জ্বালা জুড়ানো

তোমার ভক্তিতে দাগ রক্তের
তুমি কাউকেই ভালোবাসো না
তুমি বেসাতি করতে এসেছ
দেশপ্রেমের কিছুই জানো না

তুমি জানো না...তুমি জানো না

তুমি বহুদূর দূর বহুদূর দূর
বহুদূর বেড়ে গিয়েছ
ধৈর্য্যের রস ঘিলু থেকে
তুমি সবটুকু শুষে নিয়েছ
কবি অনির্বাণ
ভট্টাচার্য
নিজেদের মতে নিজেদের গান
কবি অনির্বাণ ভট্টাচার্য (জন্ম ৭.১০.১৯৮৬)। রচনা - মার্চ ২০২১। সুর - শুভদীপ গুহ। ভিডিও নির্দেশনা - ঋদ্ধি সেন ও - ঋতব্রত মুখার্জী। কণ্ঠশিল্পীবৃন্দ - অর্ক মুখার্জী, শুভদীপ গুহ, অনির্বাণ
ভট্টাচার্য, স্নেহাদ্রিতা রায়, অনুপম রায়, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, রূপঙ্কর বাগচী, দেবরাজ ভট্টাচার্য, শম্পা বিশ্বাস, সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায়, উজান চ্যাটার্জী, ঋতব্রত মুখার্জী, ঋদ্ধি সেন। ভিডিওর
শিল্পীবৃন্দ যে ক্রমে তাঁরা পর্দায় এসেছেন - ঋদ্ধি সেন, ঋতব্রত মুখার্জী, সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যা, উজান চ্যাটার্জী, শুভদীপ গুহ, অরুণ মুখোপাধ্যায়, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, অনির্বাণ ভট্টাচার্য, পরমব্রত
চট্টোপাধ্যায়, সুমন মুখোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, রাহুল, অরুণোদয় ব্যানার্জী, অনুপম রায়, অনিন্দ্য চ্যাটার্জী, রূপঙ্কর বাগচী, শান্তিলাল মুখার্জী, কৌশিক সেন, চন্দন সেন, দেবরাজ ভট্টাচার্য,
শম্পা বিশ্বাস, দেবলীনা দত্ত মুখার্জী, রেশমী সেন, পিয়া চক্রবর্তী, সানোরিতা গারু। ভিডিও সৌজন্যে
Citizens United - নিজেদের মতে নিজেদের গান YouTube Channel. আমরা ভীষণভাবে
কৃতজ্ঞ
আমারকবিতাফরইউ.কম ওয়েবসাইট এর কাছে এই গানটির কথার জন্য। তাঁদের ওয়েবসাইটে যেতে এখানে ক্লিক করুন . . .
.
তোমার কোনো কোনো কোনো
কোনো কোনো কোনো
কোনো কথা শুনব না আর
যথেষ্ট বুঝি কিসে ভালো হবে
নিজেদের মতো ভাববো
আমি অন্য কোথাও যাব না
আমি এই দেশেতেই থাকব

হুমম...হুমম...হুমম

তুমি বাজে কথা খুব
জোড়ে জোড়ে জোড়ে
বারবার করে বলবে
তুমি এত কথার ভিড়ে
সত্যি গুলোকে চুরমার করে চলবে

আমি গোয়েবলস এর আয়নায়
ঠিক তোমাকেই দেখে ফেলেছি
এই হাঙরের দাঁত পুরনো
তাতে পোঁকা লেগে আছে দেখেছি

তুমি গরীবের ভালো চাও না
সেটা বোঝাতে বাকি রাখোনি
তুমি মিথ্যে পুজোতে ব্যস্ত
কোনো সত্যি লড়াইয়ে থাকোনি

তুমি সবধরনের অঙ্ক
পাকিস্তান দিয়ে গুন করেছ
তুমি সবাইকেই খুব রাগিয়ে
নাছোড়বান্দা করে ছেড়েছো
যব জুলমো সিতম কে কুহে গারা
রুহি কি তরহা উড় জায়েঙ্গে
হাম দেখেঙ্গে...হাম দেখেঙ্গে

তুমি বহুদূর দূর বহুদূর দূর
বহুদূর বেড়ে গিয়েছ
ভারতের ভিত নাড়িয়ে
নিজের সমন কে ডেকে নিয়েছ

তোমার কোনো কোনো কোনো
কোনো কোনো কোনো
কোনো কথা শুনব না আর
যথেষ্ট বুঝি কিসে ভালো হবে
নিজেদের মতো ভাববো

আমি অন্য কোথাও যাব না
আমি ভারতবর্ষে থাকব
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
স্বাধীনতা নামেই স্বাধীনতা
আড়াল থেকে ডাকতে থাকে ঘুঘু
চোখের ভুলে পায়রা মনে হলে
রাবণ সাজে অযোধ্যারই রঘু।

স্বাধীনতা প্রকারভেদে কত
ভাষণে সব আসল পরমব্রত
সকাল থেকে সন্ধ্যা নামার আগে
শাসকেরা ভীষণই সংযত।

স্বাধীনতা ভাত কাপড়েই থেমে
কেউবা আরও নীচের দিকে নেমে
ভিক্ষে করার ফুটপাথ আছে খোলা
স্বপ্নগুলো বন্দি খাঁচার ফ্রেমে।

স্বাধীনতা কারখানাতেই বাঁধা
চারটি বেলা নিয়ম করে রাঁধা
গতর যেন যমের সতীন হয়ে
দিনে দিনে বিকোচ্ছে মর্যাদা।

স্বাধীনতা কোন পাড়াতে থাকে
সোনাগাছি নথ পরে না নাকে
পেটের আগুন জলেই যদি নেভে
আগুন কেন কামড়াবে মৌচাকে।
কবি অবশেষ দাস
বহুরূপী স্বাধীনতা
কবি অবশেষ দাস (জন্ম ৮.১০.১৯৮১)।
.
স্বাধীনতা সহজ শহর গ্রামে
বাঁচার জন্যে ডুবছে তো বদনামে
টাকার দৌড় সবচে' বাড়াবাড়ি
বাংলা ভদকা হুইস্কি আর রামে।

স্বাধীনতার আসল নকল মিলে
সংবিধানের মাথামুন্ডু গিলে
স্বাধীনতা একাই স্বাধীনতা
এই দশকের যন্ত্রণাতেই ছিলে।

স্বাধীনতা কেমন স্বাধীনতা
গালভরা এক মিথ্যে কথার মালা
গবেষণায় লিখছি নতুন মানে
স্বাধীনতার খুলেছি পাঠশালা।
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
"এই যে তুমি মস্ত মুমিন, মুসলমানের ছেলে ;
বক্ষ ভাসাও, ফিলিস্তিনে খুনের খবর পেলে।
রোহিঙ্গাদের দুঃখে তুমি এমন কাঁদা কাঁদো ;
ভাসাও পুরো আকাশ-পাতাল, ভাসাও তুমি চাঁদও!
অশ্রু তোমার তৈরি থাকে— স্বচ্ছ এবং তাজা ;
হ্যাশের পরে লিখছ তুমি— বাঁচাও, বাঁচাও গাজা।
কোথায় থাকে অশ্রু তোমার— শুধোই নরম স্বরে,
তোমার-আমার বাংলাদেশে হিন্দু যখন মরে?
মালেক-খালেক মরলে পরে শক্ত তোমার চোয়াল;
যখন মরে নরেশ-পরেশ, শূন্য তোমার ওয়াল!
তখন তোমার ওয়ালজুড়ে পুষ্প এবং পাখি,
কেমন করে পারছ এমন— প্রশ্ন গেলাম রাখি।
তোমরা যারা দত্ত-কুমার, মৎস্য ঢাকো শাকে ;
কবির লেখা পক্ষে গেলেই ভজন করো তাকে।
মুসলমানের নিন্দে করে লিখলে কোথাও কিছু ;
তালির পরে দিচ্ছ তালি, নিচ্ছ কবির পিছু।
কিন্তু তোমার অশ্রু, আহা, কেবল তখন ঝরে ;
বাংলাদেশের কোথাও কেবল হিন্দু যখন মরে!
পুড়লে তোমার মামার বাড়ি, জীবন গেলে কাকুর ;
তখন তোমার কান্না শুনি— রক্ষে করো, ঠাকুর!
কালীর ডেরায় লাগলে আগুন তখন কেবল ডাকো,
রহিম-করিম মরলে তখন কোথায় তুমি থাকো?
বাংলাদেশে সুশীল তুমি, ভারতজুড়ে যম ;
মুসলমানের মূল্য তখন গরুর চেয়ে কম!
কবি আখতারুজ্জামান
আজাদ
কবির ফেসবুক পাতা . . .   
এই যে তুমি মস্ত মুমিন, মুসলমানের ছেলে কবি আখতারুজ্জামান আজাদ (জন্মকাল অজ্ঞাত)। কুমিল্লার দুর্গাপূজার মর্মান্তিক
ঘটনা ও তারপরে বাংলাদেশে যে রায়টের পরিবেশ তৈরী হয়েছে, সেই সময়ে এই কবিতাটি সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।
.
বাংলাদেশের কস্তা-গোমেজ— যিশুর দলের লোক;
বোমায় ওড়ে গির্জা যখন, তখন কেবল শোক।
বস্তাভরা শোকের রঙে কস্তা তখন রাঙে,
যিশুর নামে মারলে মানুষ নিদ্রা কি আর ভাঙে!
মরণ হলে মুসলমানের, হয় না কাঁদার ইশু ;
গভীর ঘুমে থাকেন তখন বাংলাদেশের যিশু!
খেলার ওপর চলছে খেলা— টমের সাথে জেরি ;
বঙ্গদেশের সন্তানেরা এমন কেন, মেরি?
তোমরা যারা কস্তা-গোমেজ কিংবা রোজারিও ;
মুখের ওপর মুখোশ খুলে জবাব এবার দিয়ো।
রোহিঙ্গাদের রক্তে যখন বার্মা মরণ-কূপ ;
বাংলাদেশের বৌদ্ধ যারা, মড়ার মতোন চুপ!
ভিক্ষু যখন বলছে হেঁকে— রোহিঙ্গাদের কাটো ;
তখন কেন, হে বড়ুয়া, ওষ্ঠে কুলুপ আঁটো?
এমন করেই মরছে মানুষ ধর্ম নামের ছলে ;
বাংলাদেশের বৌদ্ধ কাঁদে, বুদ্ধ যখন জ্বলে।
যখন জ্বলে বৌদ্ধবিহার, যখন রামুর পাহাড় ;
সব বড়ুয়ার জবানজুড়ে শান্তিবাণীর বাহার!
শান্তিবাণীর এমন বাহার তখন কোথায় থাকে,
রোহিঙ্গারা যখন মরে নাফের জলের বাঁকে?
পাগড়ি দেখি, পৈতা দেখি, আকাশজুড়ে ফানুশ ;
চতুর্দিকে চতুষ্পদী, হচ্ছি কজন মানুষ!
জগৎজুড়ে সৈয়দ কত, কত্ত গোমেজ-বসু ;
খতম কজন করতে পারি মনের মাঝের পশু!
মরণখেলায় হারছে কে বা, জিতছে আবার কে রে ;
মরছে মানুষ, দিনের শেষে যাচ্ছে মানুষ হেরে।
হারার-জেতার কষতে হিশেব মগজ খানিক লাগে,
একটুখানি মানুষ হোয়ো কফিন হওয়ার আগে।
রক্তখেলা অনেক হলো, সময় এবার থামার ;
বিভেদ ভুলে বলুক সবে— সকল মানুষ আমার।
বন্ধ ঘরের দরজা ভাঙো, অন্ধ দু-চোখ খোলো ;
মরছে কেন আমার মানুষ— আওয়াজ এবার তোলো।"
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
সোফায় হেলান দিয়া কহে নারায়ণ
পানপাত্রে চুমুক দিয়া করে আলাপন।।
বলো প্রিয়ে," আজ নারী কেন অধোগতি?
কিছুতে না হয় সে পতিসেবাব্রতী!"
লক্ষ্মীদেবী মৃদু হাসে শুনে হরি কথা
বলেন তিনি "বুঝিবে কি অন্তরের ব্যথা!
মন দিয়া শুন  তুমি আজ নারায়ণ
নারীর দুঃখের কথা করিবো বর্ণণ।
মার খেয়ে আজো কারো থ্যাঁৎলানো মুখ
শরীর অবশ হয়,হু হু করে বুক।
চাকরি তাহার আজো মানা ঘরে ঘরে
পণ নিয়ে বীর সব নিজ ঘর ভরে।
সাজিয়ে গুছিয়ে তারে ঝুলায় পাখায়
আত্মহত্যা নাম দিয়া আইন বাঁচায়।
কখনো অ্যাসিডে তার পুড়ে যায় মুখ
বলো হরি,আজো কেন বহিবো অ-সুখ?"
লক্ষ্মী দেবী চোখ তুলি কহে,"নারায়ণ!
দেওয়ালেতে ঠেকে গিয়া বদলেছি মন।"
হরি কহে, "এ কী কথা কহ লক্ষ্মীমতি?
পুরুষের সেবা হল নারীদের গতি।"
শুনিয়া লক্ষ্মীদেবী হা হা করে হাসে
ধূর্ত বুদ্ধি সব এত কোথা থেকে আসে?
কবি মৌমিতা ঘোষ
কবির ফেসবুক . . .   
নব-লক্ষ্মী পাঁচালি
কবি মৌমিতা ঘোষ (জন্ম ২১.৩.১৯৭৮)
.
তুমি কবে সেরা হলে, কে দিল বিচার?
নারীকে ঠেকাতে বানাও হাজার আচার।
শিক্ষা,কর্ম , অর্থনীতি সবখানে নারী
যথেষ্ট প্রমাণ নিজে দিয়েছে ভারী।
সে যত এগোয় তুমি টেনে ধরো ডোর
নারী আজ দেখিবেই স্বাবলম্বী ভোর
নিয়ন্ত্রণ করিবে সে আপন জীবন
চরিত্রে কালি যতই করহ লেপন।
মন দিয়া পড়াশোনা করিবার তরে
দেখিবে না কত কাজ পড়ে আছে ঘরে।
বিদেশ বিভুঁই সে করিবে ভ্রমণ
যতই স্বামীর তার ভেঙে যাক মন।
অনেকদিন হেঁসেল আমি ঠেলি প্রিয়তম
আজ থেকে সেই কাজ হল ভাগ সম।
বাচ্চারা বড় হয় , আমিও বুড়ি
রিটায়ার করিতে চাই, আর নই ছুঁড়ি।
মাগনা শরীরখান দিছি সংসারে।
এবার সকল কাজ হবে বন্টন করে।
মৃদু স্বরে কথা আর বলিবোনা আমি।
অত্যাচারী যদি হয় একবার ও স্বামী।
হাসিয়া পড়িবো লুটি,মনে ইচ্ছা হলে
ইচ্ছামতো চলিবে আজ নারীসকলে।
যতই পোড়াও মোরে, ফেলে দাও জলে
ফিরিয়া আসিবো আমি অন্তঃশক্তি বলে।
খুশিটি থাকিবো আমি দুহাত ছড়ায়ে
ফুসফুস ভরি নিবো বিশুদ্ধ বায়ে‌।
এইরূপে লক্ষ্মী পূজা হবে ঘরে ঘরে
আগামীর নারী যেন এই রূপ ধরে।।
ছড়াইবে চতুর্দিকে এই সমাচার।
নব লক্ষ্মী চিনিবে বিশ্বচরাচর।।"
<<<দেয়ালিকার সূচীতে যেতে
এই পাতার
পশ্চাৎপটের ছবিটি
আন্দামানের সেলুলার
জেলের, যা যে কোনো
রাষ্ট্র দ্বারা তার জনগণের
উপরে চরম নিপীড়ন ও
নির্যাতনের প্রতীক।
আবার এই দেয়াল ও
গরাদগুলিই স্বাধীনতাকামী
মানুষের জীবনপণ করা
প্রতিবাদেরও
প্রতীক!
HOME
বাংলা প্রথম পাতা। HOME BANGLA
কবি মাসুদ রানা
দশ কেজি ওজন কথা ও সুর - মাসুদ রানা (জন্ম ১২.১০.১৯৯৭)। সঙ্গীত - মাহফুজ বিল্লাহ শাহী। শিশুশিল্পী: নাওরীন কাউসার তাইফা। সাউন্ড
কম্পোজিশন - সালমান সাদিক সাইফ। ক্যামেরা ও এডিট - রবিউল ইসলাম। শিল্প পোষ্টার ডিজাইন - আলি মেসবাহ। প্রযোজনা: সা রে গা মা একাডেমি।
ভিডিওটি সৌজন্যে  
Sa Re Ga Ma Academy YouTube. আমরা দুঃখিত যে ভিডিওটি এখানে দেখাবার অনুমতি নেই। তাই গানটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন . . .।  
.
শোনেন শোনেন দেশবাসী
শোনেন ভাই ও বোন
ব্যাগের ভেতর বই ঢুকায়া
আমার পিঠে ঝুলায় দিছে
দশ কেজি ওজন
নাইরে উপায় নাইরে উপায়
করবো কি এখন
আমার পিঠে ঝুলায় দিছে
দশ কেজি ওজন॥
-
সকাল বেলা কান্ধে লইয়া
কোমর বাঁকায় হাটি
মানুষ ভাবে ছাত্র বুঝি
এক্কেবারে খাঁটি
ছোটবেলার এই বাঁকাটা
আর কি হবে সোজা
বড় হলে কমবে কি গো
আমার পিঠের বোঝা
তাকাইতে তাকাইতে শেষে
কম দেখে নয়ন॥
ব্যাগের ভেতর দশটা বই আর
দশটা থাকে খাতা
পড়ার উপর পড়া চাপায়
কুলায় না আর মাথা
স্কুলে চাপ স্যার ম্যাডামের
বাসাতে টিউটর
ব্যাগের দিকে দৃষ্টি দিলেই
গায়ে আসে জ্বর
চাপ কম হলে তবেই তো ভাই
পড়তে চাইবে মন॥
.
বিকালবেলা খেলার সময়
খেলার জায়গা কই
টিভি দেখার জন্যে তখন
বাসায় বসে রই
সন্ধ্যা হলেই সিরিয়ালে
বসেন পরিবার
আমার সাধের কার্টুন দেখা
তাইতো হয়না আর
ঝাড়ি দিয়ে সবাই বলে
পড়তে বস এখন॥
সবাই বলে ডাক্তার হবি
পাইলট ইঞ্জিনিয়ার
সরকারী বা বেসরকারী
টাই পরা অফিসার
শিল্পী কবি গায়ক হওয়া
মোটেই ভালো নয়
আজব নিয়ম তাদের লেখাই
ক্লাসে পড়তে হয়
কেউ বলে না মানুষ হবি
মানুষের মতন॥
আসল গানটি YouTube থেকে এখানে শোনানো যাচ্ছে না দেখে আমরা ফেসবুকের
Liton Gazi র পাতা থেকে অন্য এক অনামা শিশুশিল্পীর কণ্ঠে গানটি এখানে দিলাম।