কবির কথা
. . . ধাক্কা খেলাম ত্রিপুরায় অধ্যাপনা করতে গিয়ে। অনেক অভিজ্ঞতা, অনেক শিক্ষা, অরাজক তারুণ্যের বেশ খানিকটা বিসর্জন, এসব হ’ল। অর্জন, নন্দিতা ও তার পরিবারের মানুষেরা।
১৯৬৯-এ আবার দিল্লী ফিরে এলাম, ন’বছর বাদে, এখনও সেখানেই আছি। দিল্লিতেই ১৯৭৫- এ আরেকটা কাব্যোপন্যাস লেখা হ’ল “কঙ্কনমালা” ১লা জানুয়ারী ১৯৭৬-এ নন্দিতার জন্মদিনে উপহারকল্পে। ১৯৭৫ সালটি আন্তরজাতিক নারীবর্ষ হিসাবে আখ্যাত হয়েছিল। এই লেখাটা লিখে আমার কিছুদিন মনে মনে আনন্দ আর গর্বের শেষ ছিল না। সব সময়েই জানি আমি তেমন কিছু লিখি না, কিন্তু আমাদের সম্মিলিত নাট্য রচনার কাজে বিকাশ হ’ তে থাকার সময়ে যেমন, তেমন এই “কঙ্কনমালা” লিখেও মনে হয়েছিল আমার চেয়ে যারা অনেক ভাল লেখে, তারা একটা নতুন পথের ইশারা পাবে তাদের প্রতিভাকে চালনা করতে। কাণ্ড দেখ! এদিকে অমিতাভ গুপ্ত জোর করে, আমাকে লুকিয়ে, ১৯৭৮-এ জনপদ পত্রিকায় বেঁচে যাওয়া কাগজে ১৮০ কপি কঙ্কনমালা ছাপল, তাতে কুটোটিও নড়ল না অবশ্য বাংলা কবিতার। জানাই কথা এমন হবে, কিন্তু জানা নেই বত্রিশ বছরের আমার আর আঠাশ বছরের অমিতাভর। . . .
. . . . “কথাজাতক” দ্বারা আগস্ট ২০১০ সালে প্রকাশিত, কবি দিলীপকুমার বসুর “কথানদীর বাঁকে বাঁকে” সংকলনের ভূমিকা থেকে নেওয়া, যেখানে “কঙ্কনমালা” কাব্যনাট্যটিও সংকলিত রয়েছে।
. ***********************
. কঙ্কনমালার সূচিতে . . . . কবির মূল সূচিতে . . .
মিলনসাগর
|
|