কবি পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছড়া ও গান
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
ছড়া  
যা ছিলাম আছি তাই       
মিঠুর ডাক্তারী        
রাঁধুনী - মিঠুয়া (পরে "আমি শ্রী শ্রী ভজহরি মান্না" গান!)      
প্রেস্ টিজ পাঙ্ক্চার      
এ পদ্য ছাপবে না       
একটা মোটা-মুটি ছড়া       
রঙ রঙ শুধু রঙ     
এমনও হয়         
আজকালকার ছড়া      
লম্বা দাড়ি চৌকিদার        

গান    
আঁকা বাঁকা পথে যদি মন হয়ে যায় নদী       
আকাশপানে চেয়ে চেয়ে সারারাত জেগে জেগে   
আজ আবার সেই পথেই দেখা হয়ে গেল       
আজ, কৃষ্ণচূড়ার আবীর নিয়ে আকাশ খেলে হোলি     
আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাব       
আবার দুজনে দেখা যমুনার কিনারে       
আবেশে মুখ রেখে পিয়াল ডালে         
আমায় একটু জায়গা দাও মন্দিরে বসি      
আমায় চিনতে কেন পারছো না মা সবই ভুলে গেলে       
আমার ক’বার মরণ হবে বলো      
আমার জীবন তরীর হালটি ধরি, আছেন তারিণী        
আমার বলার কিছু ছিল না না গো       
আমার ভালোবাসার রাজপ্রাসাদে           
আমার মনকে নিয়েই আমার যত ভাবনা        
আমার মাধবী লতা ওগো কী আবেশে দোলে     
আমি তফাৎ বুঝি না    
আমি তোমার কাছেই ফিরে আসবো তোমায় আবার ভালোবাসবো     
আমি তোমারে ভালোবেসেছি চিরসাথি হয়ে এসেছি          
আমি দুচোখ ভরে ভুবন দেখি, মায়ের দেখা পাই না      
আমি বলি তোমায় দূরে থাকো      
আমি মিস্ ক্যালকাটা চাই না দিতে টিপ্ স        
আমি রাজী রাখো বাজী       
আমি রামরসায়ন পান করে যে মাতাল হয়েছি         
আমি সারারাত শুধু যে কেঁদেছি বুঝিনি এভাবে তুমি চলে যাবে       
আমি হারিয়েছি মোর ছোট্টবেলা হারাইনি তোমাকে     
আয় খুকু আয়       
আলতা পায়ের আলতো ছোঁয়া পড়েছে          
উদাস উদাস দুপুরে ঝরা পাতার নূপুরে     
এইতো সেদিন তুমি  আমারে বোঝালে      
এই রাত শেষ রাত হয়তো এ জীবনের     
এক বৈশাখে দেখা হলো দু’জনায়      
এ কী অপূর্ব প্রেম দিলে বিধাতা আমায়          
এত বড় আকাশটাকে ভরলে জোছনায়           
এসো যৌবন এসো হে বন্ধু এসো এসো      
ও আমার চন্দ্রমল্লিকা বধূ চন্দ্র দেখেছে      
ও কালো কোকিল তুমি আর ডেকো না         
ও কোকিলা, তোরে শুধাইরে      
ওগো আবার নতুন করে ভুলে যাওয়া নাম ধরে ডেকো না      
ওগো কাজলনয়না হরিণী, তুমি দাও না ও দু’টি আঁখি               
ওগো বৃষ্টি আমার চোখের পাতা ছুয়োনা         
ওগো সুন্দরী আজ অপরূপ সাজে সাজো        
ও চাঁদ, সামলে রাখো জোছনাকে       
কতদিন পরে এলে একটু বসো     
কত রাগিণীর ভুল ভাঙাতে বাঁশি ভরে গেছে আঘাতে     
কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায়  
কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই    
ক’ফোঁটা চোখের জল ফেলেছো যে তুমি ভালবাসবে?      
কবে কোন্ তারা জ্বলা রাতের ছায়ায়     
কাজল নদীর জলে ভরা ঢেউ ছলছলে       
কেন নয়নে আবীর ছড়ালে         
কেন সর্বনাশের নেশা ধরিয়ে তুমি এলে না যে        
কোনো কথা না বলে গান গাওয়ার ছলে      
খিড়কি থেকে সিংহদুয়ার, এই তোমাদের পৃথিবী       
গান ফুরানো জলসাঘরে     
চামেলি মেলো না আঁখি        
জলে নেবো না আর থই পাবে না        
জানি তোমার প্রেমের যোগ্য আমি তো নই        
ঝুমকোলতার বনে দোল্ দোল্ দখিনায়        
তুমি আর আমি আর আমাদের সন্তান       
তোমায় কিছুই বলিনিতো ভালো বা মন্দ কিছু         
দরদী গো---কী চেয়েছি আর কী যে পেলাম     
দিয়ে গেছি সবি তবু দিলে ফাঁকি        
দীপ জ্বেলে ওই তারা এ কি কথা বলে যায়      
দুরাশার বালুচরে একা একা আজও গান গাই            
নদীর যেমন ঝরনা আছে ঝরনারও নদী আছে     
না, অভিমানে চলে যেও না       
না বলে এসেছি তা বলে ভেবো না     
নিঝুম সন্ধ্যায় পান্থ পাখিরা বুঝি বা পথ ভুলে যায়        
নীলাম নীলাম হল শুরু নীলাম     
বড়ো ময়লা জমেছে মনে       
বাদলের মাদল বাজে গুরু গুরু দুরু দুরু মন           
বেহাগ যদি না হয় রাজি, বসন্ত যদি না আসে      
বৌ কথা কও গায় যে পাখী বৌ কি কথা কয়       
ভুলে থাকার কথা ছিল তোমারই, আমার তো নয়           
ভোর হ’ল বিভাবরী গগনে আলোক লগনে      
মধুমতী যায় বয়ে যায় রে      
মনে কর আমি নেই বসন্ত এসে গেছে       
মনে রেখো মোরে যদি আমি চলে যাই       
মা গো মা, মা গো আমি এলাম তোমার কোলে        
মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে যায় মনে হয়       
মা মাগো মা আমায় ছেড়ে কোথাও তুমি চলে যেও না      
ম্যানোলিয়া আর ক্যামেলিয়া ফুল যার খোঁপায় আজ দুলছে লাজে      
যখন এমন হয়, জীবনটা মনে হয় ব্যর্থ আবর্জনা        
যেদিন তোমায় আমি দেখেছি      
যে সমাধি বেদিটার ঠিক উপরে       
রিম ঝিম ঝিম বৃষ্টি মাটির কানে কানে        
লজ্জা! মরি মরি একী লজ্জা!     
ললিতা গো, ওকে আজ চলে যেতে বল্ না           
লাজবতী নূপুরের রিনি ঝিনি ঝিনি          
শুধু একবার বলে যাও যদি তুমি চলে যাও     
শুধু পথ চেয়ে থাকা রঙে রঙে ছবি আঁকা        
সব লাল পাথরই তো চুনি হতে পারে না     
সবাই তো মেনে নিলো আমি বড়ো হয়েছি       
সুন্দরী গো, দোহাই দোহাই, মান করো না         
সুরের আসর থেকে মন নিয়ে এসেছি গো     
সূর্যের মতো শাশ্বত হোক পৃথিবীর ইতিহাস       
সেই দু’টি চোখ আছে কোথায় কে বলে দেবে আমায়      
সেই মেয়েটি নয়নে দু’টি কাজল পরেছে        
সোনায় ঢেকে অঙ্গ কেন এতো রঙ্গ করিস্ এই ধরায়    
সোনার নামে নাম দিল কে ও সুন্দরী       




মিলনসাগর

১।
২।
৩।
৪।
৫।
৬।
৭।
৮।
৯।
১০।


১১।
১২।
১৩।
১৪।
১৫।
১৬।
১৭।
১৮।
১৯।
২০।
২১।
২২।
২৩।
২৪।
২৫।
২৬।
২৭।
২৮।
২৯।
৩০।
৩১।
৩২।
৩৩।
৩৪।
৩৫।
৩৬।
৩৭।
৩৮।
৩৯।
৪০।
৪১।
৪২।
৪৩।
৪৪।
৪৫।
৪৬।
৪৭।
৪৮।
৪৯।
৫০।
৫১।
৫২।
৫৩।
৫৪।
৫৫।
৫৬।
৫৭।
৫৮।
৫৯।
৬০।
৬১।
৬২।
৬৩।
৬৪।
৬৫।
৬৬।
৬৭।
৬৮।
৬৯।
৭০।
৭১।
৭২।
৭৩।
৭৪।
৭৫।
৭৬।
৭৭।
৭৮।
৭৯।
৮০।
৮১।
৮২।
৮৩।
৮৪।
৮৫।
৮৬।
৮৭।
৮৮।
৮৯।
৯০।
৯১।
৯২।
৯৩।
৯৪।
৯৫।
৯৬।
৯৭।
৯৮।
৯৯।
১০০।
১০১।
১০২।
১০৩।
১০৪।
১০৫।
১০৬।
১০৭।
১০৮।
১০৯।
১১০।