রস-সাগর কবি কৃষ্ণকান্ত ভাদুড়ীর সমস্যা পূরণ কবিতা
যে কোন কবিতার উপর ক্লিক করলেই সেই কবিতাটি আপনার সামনে চলে আসবে।
সমস্যার সূচি . . .             
অতি’ কথা ভাল নয়, ওহে যদুপতি     
অদ্যাপি মার্হাট্টা ডিচ্ রহে বিদ্যমান   ( ঐতিহাসিক ঘটনা )    
অন্ন বিনা অন্য ধন্য বস্তু কিবা আর   ( ১৮২৩ সালের বন্যার বিবরণ - ১ )   
অমাবস্যা গেল, আবার পূর্ণিমা আসিল        
অম্বুধি উদধি অন্ধি বনধি বারিধি     
অর্জ্জুন বালিকা বধূ, প্রৌঢ়া দুর্যোধন      
অমাবস্যার চন্দ্র পিপীলিকায় খায়      
আত্মীয়ও পর হয় বিপৎ-সময়       
আর না, আর না     
আর মেনে পারি নে      
আর সয় না                  ( কবি রসসাগরের মাইনে জানিয়ে কবিতা!)  
আসতে আজ্ঞা হোক       
ইদুর বড় সাঁতারু, তার মার্গে খুদের পরো    
ইস্ ইস্      
ঈশ্বর গুপ্তের নাম লুপ্ত নাহি হবে          ( ঐতিহাসিক ঘটনা )        
ঈশ্বরের মত পাপী কেবা আছে আর       
উপাধি বিষম ব্যাধি স্কন্ধে চাপে তার    
এই আছিস, এই নাই, বাপ্ রে বাপ      
এক জন করে দোষ, অন্যে পায় সাজা     
এক জন করে দোষ, অন্যে শাস্তি পায়      
এক নড়ীতে সাত সাপ মারে     
এক নীলমণি বিনা তথা নন্দরাণী      
একমাত্র বিষ-বৈদ্য তুমি নারায়ণ!     
এক সঙ্গে সব গুণ কোথা রয় কবে?    
এ সংসারে খোসামুদে বিসর্গের মত     
এ সংসারে রমণীই সাক্ষাৎ রাক্ষসী      
ওজনে কমায় ব্যাটা, দামেতে চড়ায়     
ওমা সরস্বতী! তব অপূর্ব্ব ভাণ্ডার    
ওরে আমার তুমি     
ওরে সর্ব্বনেশে    
ঔষধ জাহ্নবী-জল, বৈদ্য নারায়ণ     
কচু ঘেঁচু নীচু বটে, উঁচু কিন্তু কাজে  
কত দেবী পড়ে দেবী-সিংহের কবলে    ( ঐতিহাসিক ঘটনা ও জনশ্রুতি )     
ক’নে বৌ রহে যথা ঘোমটা ভিতরে   
কবিতা লিখিতে যেন কপিতা না হয়    
কমলার আগমন ব্রাহ্মণের ঘরে     
কলঙ্ক ঘুচাতে এসে হইল কলঙ্ক    
কাচ্ছা বাচ্ছা লয়ে কিসে বাঁচে দিগম্বর  
কাছে আগুয়ান    
কাঠ পাথরে বিশেষ কি?      
কান্ত বাবু হ’য়ে কাবু হাবু-ডুবু খায়         ( ঐতিহাসিক ঘটনা )     
কামানের গোলা দিয়া উড়াইয়া দিলি       ( ঐতিহাসিক ঘটনা )  
কারো ভাগ্যে পৌষ-মাস, কারো সর্ব্বনাশ  ( ঐতিহাসিক ঘটনা )     
কারো স্বস্তি, কারো নাস্তি, কারো মহোল্লাস     
কার্য্য শেষ হলে আর কেহ কারো নয়     
কালী-পদ বক্ষে তাই ধরেন শঙ্কর    
কাঁদিতে বসিয়া কেহ কাঁদিতে না পাবে     
কি করে তা দেখি     
কি ছার পতঙ্গ      
কি নাটক অভিনয় না করেছি আমি   
কি ভীষণ শাস্তি ছিল নবাবী আমলে  ( ঐতিহাসিক ঘটনা )    
কি রকমে ছয় রিপু দিব বলি-দান      
কিষণ্ কহো, কিষণ্ কহো, রাধে মৎ কহো রে    
কীর্ত্তি যদি না রহিল, কি ফল জীবনে?     
“কুখাদ্যও শোভা পায়, উষ্ণ যদি রয়     
কুড়ি লক্ষ টাকা    
কুবৈদ্য যমের দাদা, --- বুঝিলাম সার      
কুস্বপনের গোড়া      
কৃষ্ণনগরের মত নগর কোথায়      ( মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভার বর্ণনা )     
কেবা সিংহ, কেবা ব্যঘ্র, ---বুঝে উঠা ভার      
ক্ষুদ্র হতে মহতেরো হয় উপকার    ( প্রতাপাদিত্য কে নিয়ে ঐতিহাসিক ঘটনা )    
খলের সর্ব্বাঙ্গে, বিষ রহে সর্ব্বক্ষণ      
খেটে খেটে জান গেল, --- মাহিনা না পাই    
খেতে খেতে খেলে না    
গগন-মণ্ডলে শিবা ডাকে হোয়া হোয়া      
গগনে ডাকিছে শিবা হুয়া হুয়া করি     
গঙ্গাতীরে বাস করি’ চায় কূপ-জল   
গজের উপরি গজ, তদুপরি অশ্ব    
গমনের আয়োজন শমনের ঘরে      
গাভীতে ভক্ষণ করে সিংহের শরীর   
গৌরীকে অর্দ্ধাঙ্গে ধরি’ রেখেছেন হর   
ঘোল খাবে হরিদাস, কড়ি দেবে নিধি     
চক্রবাকী বাঞ্ছা করে চন্দ্রের উদয়     
চপলা না হ’লে তাঁর কিবা আর গতি    
চারি বর্ণ এক ক’রে দিও এই দেশ     ( ঐতিহাসিক ঘটনা )       
চি-প্রত্যয় বলে তারে হয় অনুমান   
চিরদুঃখী হ’লে তার মঙ্গল মরণ    
চোক্ গেল রে বাবা    
ছি ছি ছি অমৃত-পান করেছিলাম কেনে?    
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর অতি ভয়ঙ্কর     ( ঐতিহাসিক ঘটনা )   
জগৎ শেঠের কাছে কুবের কোথায়  ( ঐতিহাসিক ঘটনা বা জনশ্রুতি )
জননীর গর্ভ হ’তে প্রসবে জননী      
জয় জয় জয় তার জয় জয় জয়     
জলধর গর্জ্জে শুধু, নাহি বর্ষে জল   
জাঙ্গাল বয়ে যান কৃষ্ণ পায়ে দিয়ে ছাতি   
ঝাল খেয়ে মরে পাড় পড়্সী     
টাকা কড়ি দিবার সময়    
টুক টুক টুক   
ঠিক্ ঠিক্ ঠিক্    
ডিস্ মিস্ ভাল নয়, ভাল রিজাইন     
ডেঙ্গায় বাঘের ভয়, জলেতে কুমীর    
টেঁক্ শেলে চাঁদোয়া                 ( সেকালের কলকাতার বর্ণনা )    
তথা বিদ্যমান     
তবু খল কিছুতেই না হয় সরল     
তলব হ’য়েছে শ্যাম-চাঁদের দ’রবারে    
তাই পাইয়াছি হেন সোণার চাকর     
তাই বুড়ি নড়ি ধ’রে গুড়ি মেরে যায়    
তারে শাপ দিই মোরা ব্যাকুল হইয়া     
তাল-তরু নিজ তাপ নাশিতে না পারে    
তিরিশ সালের বন্যা শুনে কান্না পায়  ( ১৮২৩ সালের বন্যার বিবরণ - ২ )   
তুমিই সর্ব্বস্ব মোর ওহে নারায়ণ     
তুমি কার, কে তোমার, মর কার তরে    
তৈল থাকিতে দীপ গেল নিবাইয়ে     
তোমা বিনা অধমের গতি নাই আর    
থোতা মুখ ভোতা হ’য়ে গেল  ( ঐতিহাসিক ঘটনা )  
দক্ষিণা করিল দান গুরুগৃহে গিয়া      
দণ্ড-ভয়ে দণ্ডধর দণ্ডবৎ করে  
দরিদ্র পতিকে পত্নী ফে’লে চলে যায়    
দালান চুরির কথা কে শুনেছে কাণে  ( ঐতিহাসিক ঘটনা )  
দিতে হয়, দিবার নয়, দিই কি না দি   
দিনে রেতে কামান্ধ না দেখিবারে পায়    
দ্বিভূজা রমণী, তার দশ-ভূজ পতি    
দুইটী গৃহিণী যার নিত্য ঘরে রয়   
দেখিতে দেখিতে তোর জীবনের ভোর    
দেখিলে কলুর মুখ কার্য্য-সিদ্ধি হয়    ( ইতিহাস এবং জনশ্রুতি )   
দেশের হবে কি?  
ধন্য ধন্য ধন্য সেই রাধিকা সুন্দরী    
ধন্য মা কিরীটেশ্বরী! মহিমা তোমার ( নন্দকুমারকে নিয়ে ইতিহাস ও জনশ্রুতি )  
ধন্য হে ‘জলদ’ তুমি, ধিক্ ‘জলনিধি   
ধরাতল স্বর্গস্থল, কিছুমাত্র ভেদ তার নাই  
ধর্ম্ম সম সার বস্তু কি আছে কোথায়?     
ধান ভান্তে মহীপালের গীত    
ধিক্ তান্ ধিক্ তান্ ধিক্ তান্ রবে     
ধিন্ তা ধিনা, পাকা নোনা    
ধূধূ করে মরে বিধু নিধুর নিকটে     ( নিধুবাবুকে নিয়ে কবিতা )  
নন্দ-কুমারের ফাঁসি শুনে বুক ফাটে  ( প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ )   
নন্দের দুলাল তুমি, আদুরে গোপাল ( নন্দকুমার কে নিয়ে কবিতা )    
না ভাল সুন্দর-বন, ভাল কচু-বন     
নারী নাহি তৃপ্ত রয় বহু নর ল’য়ে   
নাহি যায় বলা    
নাহি লয় কড়ি    
নিধুর মধুর টপ্পা শুনিলে বিধুর      ( নিধুবাবুর গান নিয়ে কবিতা )  
নিশা অবসান    
নিশ্বাসে বিশ্বাস নাই, কখন কি ঘটে    
নিষ্কন্ধ চুম্বন করে রমণীর মুখ    
পড়িলে ভেড়ার শৃঙ্গে ভাঙ্গে হীরের ধার  
পণ্ডিতের নিন্দা করে মুর্খ অনুক্ষণ    
পণ্ডিতের শোভা হয় পণ্ডিত-সভায়   
পতির বাসনা মনে স্ত্রীর গর্ভে যায়    
পদ্মিনী উদিত নিশি, কুমুদিনী দিনে    
পদ্মিনী নয়ন মুদে সন্ধ্যাকাল হ’লে     
পদ্মিনীর কাছে ভাঙে ভ্রমরের হুল   
পদ্মে পদ্ম ফুটে, --- ইহা অসম্ভব নয়    
পরম প্রবল বিষ নয়নের কোণে    
পর্বত শিখরে মীন উচ্চপুচ্ছে নাচে     
পাছে তার পুত্র কন্যা ধন হ’রে লয়    
পান-খয়েরের মত তোমায় আমায়    
পায় পায় পায়     
পায় পায় পায় না    
পিতামহের মাতামহ রথের সারথি  
পিতার বৈমাত্র ভাই নিজ সহোদর   
পিতার বৈমাত্র যে সে আমারো বৈমাত্র     
পুণ্যবলে যশোলাভ হয় ভূমণ্ডলে    
পুণ্যময় রাম-নাম বিচিত্র ব্যাপার    
পুত্রবধূ ইচ্ছা করে শ্বশুর লাগুক গায়     
পৃথিবীর মত ভার মস্তকে সহিব   
পোড়া বিধাতার লেখা    
প্রচণ্ড সূর্য্যের কর কিন্তু বুকে রাখে     
প্রাণ-পাখী ফাঁকী দিয়া যাবে পলাইয়া    
প্রাণেশ্বরে রে মম্মথ    
প্রেম সনে নাহি হয় প্রাণের তুলনা    
প্রেমের বন্ধন কভু ছিন্ন নাহি হয়  
ফতেচাঁদ জগৎশেঠ ফাঁপরে পড়িল  ( ঐতিহাসিক ঘটনা ও জনশ্রুতি )   
বজ্রাঘাতে মরে                       ( ঐতিহাসিক ঘটনা ও জনশ্রুতি )    
বড় দুঃখে সুখ    
বঁড়শী বিঁধিল যেন চাঁদে   
বদর বদর    
বধূর অধর নয় এত সুমধুর    
বন্ধ্যা নারীর অন্ধ পুত্র চন্দ্র দেখ্ তে পায়    
বল বল বল    
বলবান্ বলি তারে মনে তেজ যার    
বসন্ত-কালের পদে লক্ষ নমস্কার    
বহু গুণ আছে, তাই আদর তোমার    
বাঙ্গালীর মত হায় কাঙ্গালী কে আর ( বাঙালীর বর্ণনা! আজও এমনই আছে!! )  
বাছা বাছা বাছা   
বাজপেয়ী খুড়া   
বারাণসী পরিহরি’ ব্যাসকাশী-বাস    
বাহবা বাহবা বাহবা জী    
বাহিরে সরল, কিন্তু ভিতরে গরল    
বিদ্বানের মধ্যে শ্রেষ্ঠ যাঁর তত্ত্ব-জ্ঞান  
বিদ্যা বুদ্ধি না থাকিলে কি ফল জীবনে?   
বিদ্যাহীন ভট্টাচার্য্য, মহা-বিড়ম্বন   
বিশ-লাখি দায়                             ( ইতিহাস )   
বিষয়-তৃষ্ণার মত বড় কিছু নাই   
বিষ্ণুত্ব পাইতে মোর ইচ্ছা নাহি রয়  
বুঝিলাম যে বিচার করিবেন কালী  
বুঝিলাম যে বিচার করিবেন হর    
বুদ্ধি-শুদ্ধি নাহি থাকে বিপৎ-সময়    
বেশ্যা রহিয়াছে বশে, --- কে শুনে কোথায়     
বেহায়ার চুপ্ ক’রে থাকাই মঙ্গল    
ব্রাহ্মণের পদধূলি একমাত্র সার   ( ইতিহাস এবং জনশ্রুতিতে নন্দকুমার )  
ব্রাহ্মণের বাটী নাহি করি পদার্পণ   
ভগবান্ শাস্তি দেন বেইমান্ জনে  
ভক্তি-তরি দাও হরি! পার হ’য়ে যাই    
ভক্তি থাকিলেই তুষ্ট হন্ নারায়ণ    
ভাঙ্ লো এইবার                  ( ইতিহাস বা জনশ্রুতি )  
ভোজন সার্থক, যদি অন্ন জীর্ণ হয়    
মক্ষিকার পদাঘাতে কাঁপে ত্রিভুবন    
মদনের মত নাহি আছে ধনুর্দ্ধর   
মর্কট বুঝিবে কিসে কর্কটের রস    
মহাপাপ যার, তার বৈকুন্ঠে গমন  ( জনশ্রুতি )  
মহাযোগী কিংবা পশু নিশ্চয় সে জন    
মহারাজ নবকৃষ্ণ করে হান্ –টান্  ( জনশ্রুতি এবং কৃষ্ণনগরের ইতিহাস )  
মহারাজেন্দ্র বাহাদুর               ( জনশ্রুতি এবং কৃষ্ণনগরের ইতিহাস )
মহী দূর কর, হাম্ নৃত্য করি       ( জনশ্রুতি এবং কৃষ্ণনগরের ইতিহাস )  
মাটী হয়েছেন তাই দেব মহেশ্বর   
মানের মাথায় আজ প’ড়ে যাক্ বাজ   
মা যাঁর সধবা, বিমাতা তাঁর রাঁড়ি    
মিছ্ রির ছুরি তুমি, বুঝিলাম হরি   
মিত্র যার নাই, তার সুখ নাহি হয়    
মুকুন্দ মুরারে    
মুদ্রিত কনক-পদ্ম নীল-পদ্ম বিনে    
মুন্সী গোলাম মুস্তাফা    
মূর্খের সহিত স্বর্গে যেতে নাহি চাই    
মৃগনাভি-প্রায়                         ( জনশ্রুতি )
মেকী হ’লো সাচ্চা, আর সাচ্চা হ’লো মেকী  ( কলিকালের বর্ণনা )  
মেরা জান্      
মোরে শুদ্ধ করহ এখন    
যখন ছেলে জন্মাইল, মা ছিল না ঘরে   
যখন যেমন হায় তখন তেমন    
যত কিছু দোষ দেখি মানুষের বেলা    
যত কিছু পড়া শুনা সব অকারণ    
যত লীলা খেলা   
যা আছে অদৃষ্টে যার, তাই ঘটে তার    
যাও যাও যাও হে    
যার ধন তার ধন নয়, নেপো মারে দই   
যাহার কপাল পোড়া, সুখ নাই তার    
যেন কচি খোকা    
যে ভাবে যে ডাকে সদা, সেই পায় হরি   
যে যাহার চোখে লাগে, তার ভাল তাই   
যেরূপ স্বভাব যার, তাই থাকে তার     
রক্ষ রক্ষ রক্ষ মোরে দক্ষের নন্দিনি   
রন্ ভূমণ্ডলে    
রমণী অবলা নয়, পরম প্রবলা    
রমণীর গর্ভে পতি ভয়ে লুকাইল   
রমণীরে বশে আনা বড়ই বিষম    
রস থাকিলেই তবে সবে বশ হয়    
রসের সাগরে ভাসে এ রস-সাগর   
রহ রহ রহ    
রাণী ভবানীর আজ হ’ল সর্ব্বনাশ       ( জনশ্রুতি ও ইতিহাস )  
রাম রাম রাম    
রামের কঠিন প্রাণ, সীতার কোমল    
রেখেছি একটী ইষিকা    



মিলনসাগর      

১।
২।
৩।
৪।
৫।
৬।
৭।
৮।
৯।
১০।
১১।
১২।
১৩।
১৪।
১৫।
১৬।
১৭।
১৮।
১৯।
২০।
২১।
২২।
২৩।
২৪।
২৫।
২৬।
২৭।
২৮।
২৯।
৩০।
৩১।
৩২।
৩৩।
৩৪।
৩৫।
৩৬।
৩৭।
৩৮।
৩৯।
৪০।
৪১।
৪২।
৪৩।
৪৪।
৪৫।
৪৬।
৪৭।
৪৮।
৪৯।
৫০।
৫১।
৫২।
৫৩।
৫৪।
৫৫।
৫৬।
৫৭।
৫৮।
৫৯।
৬০।
৬১।
৬২।
৬৩।
৬৪।
৬৫।
৬৬।
৬৭।
৬৮।
৬৯।
৭০।
৭১।
৭২।
৭৩।
৭৪।
৭৫।
৭৬।
৭৭।
৭৮।
৭৯।
৮০।
৮১।
৮২।
৮৩।
৮৪।
৮৫।
৮৬।
৮৭।
৮৮।
৮৯।
৯০।
৯১।
৯২।
৯৩।
৯৪।
৯৫।
৯৬।
৯৭।
৯৮।
৯৯।
১০০।
১০১।
১০২।
১০৩।
১০৪।
১০৫।
১০৬।
১০৭।
১০৮।
১০৯।
১১০।
১১১।
১১২।
১১৩।
১১৪।
১১৫।
১১৬।
১১৭।
১১৮।
১১৯।
১২০।
১২১।
১২২।
১২৩।
১২৪।
১২৫।
১২৬।
১২৭।
১২৮।
১২৯।
১৩০।
১৩১।
১৩২।
১৩৩।
১৩৪।
১৩৫।
১৩৬।
১৩৭।
১৩৮।
১৩৯।
১৪০।
১৪১।
১৪২।
১৪৩।
১৪৪।
১৪৫।
১৪৬।
১৪৭।
১৪৮।
১৪৯।
১৫০।
১৫১।
১৫২।
১৫৩।
১৫৪।
১৫৫।
১৫৬।
১৫৭।
১৫৮।
১৫৯।
১৬০।
১৬১।
১৬২।
১৬৩।
১৬৪।
১৬৫।
১৬৬।
১৬৭।
১৬৮।
১৬৯।
১৭০।
১৭১।
১৭২।
১৭৩।
১৭৪।
১৭৫।
১৭৬।
১৭৭।
১৭৮।
১৭৯।
১৮০।
১৮১।
১৮২।
১৮৩।
১৮৪।
১৮৫।
১৮৬।
১৮৭।
১৮৮।
১৮৯।
১৯০।
১৯১।
১৯২।
১৯৩।
১৯৪।
১৯৫।
১৯৬।
১৯৭।
১৯৮।
১৯৯।
২০০।
২০১।
২০২।
২০৩।
২০৪।
২০৫।
২০৬।
২০৭।
২০৮।
২০৯।
২১০।
২১১।
২১২।
২১৩।
২১৪।
২১৫।
২১৬।
২১৭।
২১৮।
২১৯।
২২০।
২২১।
২২২।
২২৩।
২২৪।
২২৫।
২২৬।
২২৭।
২২৮।
২২৯।
২৩০।
২৩১।
২৩২।
২৩৩।
২৩৪।
২৩৫।
২৩৬।
২৩৭।
২৩৮।
২৩৯।
২৪০।
২৪১।
২৪২।
২৪৩।