কমপিউটরে বাংলা ব্যবহার
কবিদের কালানুক্রমিক সূচি . . . .
কবিদের বর্ণানুক্রমিক সূচি . . . .
মহিলা কবিদের সূচি . . . .
কবিতার প্রথম ছত্রের সূচি . . . .
কবিতা সম্বন্ধে আপনার মতামত . . .
বর্ণানুক্রম
যখন আমায় বাঁধ আগে পিছে
যখন এমন হয় জীবনটা মনে হয়
যখন গুরু দৃষ্টি রাখে
যখন তুমি গাইতে বল গান
যখন বড় হব
যখন বরফ গলেনা আগুন জ্বালাতে
যখন র'ব না আমি দিন হলে অবসান
যতকাল তুই শিশুর মতো
যতদিন রবে পদ্মা যমুনা
যতদূর দৃষ্টি যায়, সারি সারি...
যতদূর চোখ যায় ই-মেল প্রান্তর
যতনে যত যন্ত্রণা এ যাতনা...
যতবার আলো জ্বালাতে চাই
যত ব্যথা পাই তত গান গাই...
যত মত তত পথ
যতিচিহ্ন
যতীন দাসের ফটো
যথাবিধি বন্দি কবি, আনন্দে আসরে
যদি
যদি একবার মন বলে-সে জনে ভাবিব..
যদিও উভয়ে এবে আছি বহুদূরে
যদিও তাপসী মালিক
যদি কথাই হয়
যদি কাগজে লেখ নাম কাগজ ছিঁড়ে.
যদি কিছু আমারে শুধাও
(যদি) কুমড়োপটাশ নাচে
যদি কুসুম-শরে হৃদয় বেঁধে
যদি কেউ হেথা প্রেমে প'ড়ে...
যদি কোনোদিন ঝরা বকুলের গন্ধে...
যদি গো কাছে আসি ফিরায়ো না...
যদি চাঁদ আর সূর্য একই সাথে ওঠে
যদি ছত্রে ছত্রে কথার চমক...
যদি ডাকার মতন পারিতাম ডাক্ তে
যদি ডাকো এপার হতে এই আমি...
যদি তোমার দেখা না পাই, প্রভু
যদিদং হৃদয়ং----
যদি পার, এসো
যদি ভব নদী পার হতে থাকে বাসনা
যদি ভুলে যাও মোরে জানাব না অভি..
যদি শেষ মুহুর্তের দ্বিধা নিয়ে
যদি স্পর্শ করি
যদি হয় দেখা
যন্ত্রণা
যন্ত্রণা
যন্ত্রণার কয়েক পংক্তি
যবনিকা
যবে এসেছিলে তুমি প্রিয় জীবনে মম
যমুনা
যমুনালহরী
যযাতি কাল
যশের মন্দির
যা আগে থেকেই ছেঁড়া
যাই তবে চলে যাই, চোখে যদি আসে.
যাইব কোথায় ?
যাই যাই করে শীত চলে গেল...
যাও গিরিরাজ, কেন কর ব্যাজ
যাও গো জননী জানি তোরে
যাও! তারে কহিও, সখি, আমারে...
যাও, স'রে যাও
যাঁরা এলেন তাঁদের আমি চিনি না
যাঁহাতক সাহস করে
যাঁহা পহু অরুণ-চরণে চলি যাত
যাক যাক দিন যাক রাত চলে যাক
যা কিছু আমার চার পাশে ছিল
যা খুশী ওরা বলে বলুক ওদের কথায়.
যাচনা
যাচ্ছ কোথায় সিংহ মামা
যাচ্ছ যদি মেদিনীপুর
যাচ্ছি
যা ছিলাম তাই
যাত্রা
যাত্রা করি রঘুনাথ করিলেন গমন
যাত্রী
যাত্রী আমি ওরে
যাত্রীরা রাত্তিরে হ'তে এল খেয়া পার
যা দিয়েছ আমার এ প্রাণ ভরি
যাদু মুকুটের ইতিহাস
যাবার দিনে এই কথাটি
যাবার বেলায় পিছু থেকে ডাক দিয়ে
যাবে যদি যাও আমি বাধা দেব না
যা ভেবেছি তাই ইঁদুরের...
যামিনী
যারে যারে উড়ে যারে পাখী
যাযাবর
যা যারে যা যা পাখী
যায় যায় দিন
যার ওপরে পতাকা উড়ছে ওটাই
যারা ফিরে যেতে চায় তারা যাক্
যারে আমি "মোর" বলি
যারে তারে কেউ ভালবাসা দিসনে
যারে যারে উড়ে যারে পাখী...
যাহা কিছু মম আছে প্রিয়তম
যাহার লাগিয়ে জাগিযে যামিনী
যা হারিয়ে যায় তা আগলে বসে
যাহারে অবজ্ঞা করি
যা হোক এখন সে কথাটা
যুদ্ধ আতঙ্ক ভারত জুড়িয়া
যুদ্ধ নয় শান্তি
যুদ্ধ-নাট্যে যবনিকা; শান্ত মৃত্যু...
যুদ্ধের মোড় ঘুড়িল এবার
যুবক-যুবতী
যেইদিন ও চরণে ডালি দিনু এ জীবন
যেই ফুলে নিরন্তর মম মন মধুকর
যেই স্থানে আজ কর বিচরণ
যে কালে রজনী নিদ্রা স্বজনীর সনে
যে কোনও সময়
যেখানে প্রাণের মগ অরণ্য মাতায়
যেখানে যে বই আছে পাখি সম্বন্ধে
যেখানে রূপালি
যেখানে রূপালি ঢেউয়ে দুলিছে....
যে ঘরটিতে আমাকে বাধ্য করা...
যে চায় যারে পায় না তারে
যে জীবন অস্তায়মান গোধূলির...
যেতে দাও আমায় ডেকো না
যেতে দে
যেতে পারি কিন্তু কেন যাব
যেতে সিঁড়ি
যেথা গান থেমে যায় দীপ নেভে হায়
যেথায় গেলে হারায় সবাই ফেরার...
যেথায় তোমার লুট হতেছে ভূবনে
যেথায় থাকে সবার অধম দীনের হতে...
যেথা রামধনু ওঠে হেসে আর...
যেদিন চৈত্রমাস
যেদিন তোমায় আমি দেখেছি
যেদিন ফুটল কমল কিছুই জানি...
যেন ঠিক থাকে
যেন শেষ গানে মোর সব রাগিণী পূরে
যে নারী পেরিয়ে যায় অসংখ্য শিখর
যে বাণীবিহঙ্গে আমি আনন্দে....
যে পথেই যাও
যে বাঁশি ভেঙে গেছে তারে কেন গাইতে.
যে ভালোবাসায় কেবলই কাঁদায়...
যে ভালোবাসায় ভোলায় মোরে...
যে ভাষায় আজ তুমি কাছে
যেমন মধুর স্নেহে ভরপুর
যেমন শ্রীরাধা কাঁদে শ্যামের অনুরাগী...
যেমন সাপিনীকে পোষ মানায় ওঝা
যে মন্দির পানে সতঃ মনে হয়
যে যাকে ধরে রাখে
যে যায় লঙ্কায়
যে রাতে মোর--
যে শান্তি গৃহের কোণে স্নেহ স্নিগ্ধ ছায়া
যে সমাধি বেদিটার ঠিক উপরে
যোগীবেশে
যোগেন্দ্রবালা
যৌবন
যৌবন-চাঞ্চল্য
যৌবন-জল-তরঙ্গ
যৌবন তুমি বাড়ো...
যৌবন প্রয়াণ
যৌবনেরই বীণার তারে তুলেছি ঝংকার
কমপিউটরে বাংলা ব্যবহার