কমপিউটরে বাংলা ব্যবহার
কবিদের কালানুক্রমিক সূচি . . . .
কবিদের বর্ণানুক্রমিক সূচি . . . .
মহিলা কবিদের সূচি . . . .
কবিতার প্রথম ছত্রের সূচি . . . .
কবিতা সম্বন্ধে আপনার মতামত . . .
বর্ণানুক্রম
এ আমার শরীরের শিরায় শিরায়
এই অনন্ত রাত
এই আমার অপমান
এই আমি কি সেই আমি চিনিতে নারি
এই কবিতার জন্য আর কেউ নেই..
এই করেছ ভালো নিঠুর
এই কালো দিন
এই কিগো শেষ দান ?
এই কি পৃথিবী সেই
এই কুলে আমি আর ওই কুলে তুমি
এই কোলাহল
এই ক্ষণটুকু কেন এত ভালো লাগে
এইখানে আজ ইতি
এইখানে ছিল সরস্বতীর স্রোত দূর.
এইখানে তোর দাদীর কবর....
এইখানে বিবেক মরেছে, আজন্ম...
এইখানে হেঁটে গেছে
এই গাধার খাটুনীর চেয়ে অনেক ভালো..
এই গান গাওয়া মোর নয় গো...
এই ছোকরা! আলুবোখরা
এই জীবনে
এই জীবন্ত নাটকের নাট্যশালায়
এই জ্যোত্স্নারাতে জাগে আমার প্রাণ
এই তো আমার প্রথম ফাগুন বেলা
এই তো এলে এখনই প্রিয়...
এইতো খেলাম চাংসা নদীর জল
এই তো তোমার প্রেম, ওগো
এই তো সময়
এইতো সেদিন তুমি আমারে বোঝালে
এই দেশ কা'র ? তোর নহে আর
এই দেশ ছিল দেশের সেরা
এই নবান্নে
এই নরকে
এই নিবিড় বাদল দিনে
এই পথ ধরে
এই পথ যদি না শেষ হয়
এই পৃথিবীটা যে এক মস্ত বড়
এই পৃথিবীর থেকে ঐ আকাশ বড়
এই ফাগুনে ডাক দিলে কে ?
এই বঙ্গভূমে
এই বসন্ত জানালে বিদায় ওগো...
এই বাঙালী শোন
এই বেশ ভাল আছি
এই বেশ ভালো
এই ভারতের শহরে নগরে গ্রামে
এই মলিন বস্ত্র ছাড়তে হবে
এই মাত্র যে শব্দ
এই মাল নিয়ে চিরকাল যত গোলমাল
এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না.
এই মোর সাধ যেন এ জীবন মাঝে
এই যে হৃদপিণ্ডের মতো লাল..
এই রং-বেরং-এর খেলার মাঝে
এই রাজ্যে
এই রাত তোমার আমার
এই রাত শেষ রাত হয়তো এ জীবনের
এই রূপে যুবতী সব করিছে নানা....
এই শহরে এই বন্দরে
এই শিকল-পরা ছল মোদের এ...
এই শুরু। এইভাবে শুরু
এই সব বনভোজনে
এই সমাধিতলে কত প্রাণপ্রদীপ জ্বলে
এই সসাগরা ধরণীর অরণ্যের.....
এই সিঁড়ি, এই ভুলের প্রান্তর
এই সূর্য সংবাহন, তীব্র...
এক অচিন পাখি উড়ে উড়ে এল
এক অদ্ভুত মাটির উপর
এক অসুখে দুজন অন্ধ
একই কালিক সীমার দৈর্ঘ্যে এই...
এক একটা মানুষ
এক একটা শব্দ যেন
এক এক্কে এক দুই এক্কে দুই
একই চাঁদ ওঠে
এক কাপ চা
একখানা মেঘ ভেসে এল আকাশে
এক গুচ্ছ
এক গোছা নদী ও স্মৃতিকথা
একচক্ষু
একচক্ষু হরিণ
একচেটিয়া আগ্রাসন বিরোধী মঞ্চ থেকে
একজন অন্ধ, তার গান
একজন আহারে
একজন কৃষকবউ জিজ্ঞেস করছে
একজন গৃহ হারার বিলাপ
একজন মানুষ
একজন্মে একবারই সম্ভব শুধু
একজোট
এক ঝাঁক পাখিদের মত কিছু...
এক ঝাঁক পায়রা
একটা SMS
একটা ছোট্ট শ্রদ্ধাঞ্জলী
একটা নষ্ট ফল
একটি উজ্জ্বল মাছ একবার উড়ে
একটি একটি করে তোমার
একটি কবিতা
একটি কবিতার জন্য
একটি কবিতার জন্য
একটি কবিতার টুকরো
একটি কাহিনী
একটি গুবরে পোকা
একটি চুম্বন
একটি ছোট্ট দ্বীপ সমুদ্রে ঘেরা চারিধার
একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি
একটি নক্ষত্র আসে
একটি নদী কথা
একটি নমস্কারে, প্রভু, একটি নমস্কারে
একটি নাচনি পোকা
একটি বাজনা গাছ
একটি বিধবার প্রতি
একটি বেকার প্রেমিক
একটি ভিখারি ছেলে ভালোবেসে...
একটি মধুর ছবি, অতীত কালের পটে
একটি মানুষ
একটি মেয়ে
একটি মোরগের কাহিনী
একটি লক্ষ্যভ্রষ্ট তারা
একটি শিশু
একটি শুভ্র ফুলের জন্য
একটি সনেট
একটি সূর্যোদয়ের জন্য
একটি হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গ তাপসী.
এক টুকরো ছবি
এক টুকরো জমি দাও
এক টুকরো মেঘ
এক টুকরো রোদ
একটু গেলেই অথৈ সাগর
একটু প্রণত হও
একটু ভাবতে ইচ্ছে হয়না
(একটু) মাথা ঠাণ্ডা কর মা কালী
একটু রক্ত দাও
এক তাজমহল গড়ো
এ কথা সবাই জানে দম্ভ আছে মনে
একদল বধির মানুষ
একদা বিরক্ত হ'য়ে জন-কোলাহল
একদিকে বিষ আর এক দিকে সুধা
একদিন
একদিন
একদিন অস্তগামী দিবাকর-করে
একদিন এই দেখা হয়ে যাবে শেষ
একদিন এ সময় তরঙ্গিণী-তীরে
একদিন এসেছিলে
একদিন চলে যাব অন্য পথে
একদিন দল বেঁধে ক'জন মিলে
একদিন ধীরে ধীরে মনের উল্লাসে
একদিন ফিরে যাব চলে
এক দিন বসন্ত এসেছিল
একদিন রাতে পদ্মানদী চুরি হয়ে গেল
একদিন লিখেছিনু আদর্শ যে হবে
এক দিন শরতের শুক্লা যামিনীতে
একদিন সেই দিন সঙ্গীবিহীন...
এক দুই তিন শুনি যে সারাদিন
এক পথচারীর মর্মন্তুদ মৃত্যু
এক পাঠশালাতে গুরুমশাই
এক বাঁধনে বাঁধা আছি
একবার কুঞ্জবনে কৃষ্ণ বলে ডাক্ রে...
একবার তুমি
একবার তুমি ভালোবাসতে চেষ্টা কর
একবার দেখরে ও জাদুধন
একবার বলিস তো, আসতে বলি....
একবার বিদায় দাও
একবার ভেবে দ্যাখো
এক বার মনে হয়, দূরে-বহু দূরে...
এক বিন্দু অমৃতের লাগি
এক বেশ্যা অনায়াসে ভিতরমন্দিরে ঢুকে.
এক বৈশাখে দেখা হলো দুজনায়
এক ভারতীয় কবির ডায়রি থেকে
এক মুখ দাড়ি গোঁফ
এক মুখ দাড়ি দু হাতে গীটার
এক যে আছে মজার দেশ
এক যে ছিল
এক যে ছিল ছোট্ট ছেলের বরিশাল
এক যে মেয়ে দেখন হাসি
এক যে সাহেব তার যে ছিল নাক
এক রাত জাগা পাখি
এক রুমাল কবিতা
একরূপ, ওরূপ-নাম-বরণ, অতীত...
একলা আমি বাহির হলেম
একলা জেলে বন্দী তিনি
একলা পথের পান্থ হ'য়ে পথিকের...
একশ্বাসে দীর্ঘশ্বাস
একসঙ্গে জ্যোৎস্না দেখে না
একসাথে চল গড়বো মোরা...
এক সে শুন্ডিনী দুই ঘরে সান্ধঅ
এক স্বরে পৌ ধরে
এক হাজার কবির কবিতা পড়ে
এক হাতে মোর পূজার থালা...
একা
একা আমি ফিরবো না আর
একাদশী
একাধারে তুমিই আকাশ, তুমিই নীড়
এ কার অঙ্গনা, অম্বুদবরনা
একা লাগে
একালের মঙ্গলকাব্য
একি ?
একি চমৎকার
এ কি তোমার মানের সময়...
একি দুরাশা, -- একি দুরাশা
একি মুক্তি? নিস্তরঙ্গ সমুদ্র সমান
একি রণ-বাজা বাজে ঘন ঘন...
একি রূপ অপরূপ করি নিরীক্ষণ
একি রূপ হেরি নয়নে
একি সেই চিরশ্রুত ভারত-কৌস্তভ
এ কী অপূর্ব প্রেম দিলে বিধাতা আমায়
এ কী বিষম বিপদে ফেললে আমাকে
এ কী লাইন এলো দেশে দাদা
এ কী শোভা মনোলোভা...
একুশে ফেব্রুয়ারী
একুশে ফেব্রুয়ারী আবার
একে আর
একে একে একে হায় দিনগুলি চলে যায়
একে একে সব মেরেছিস...
এ কেমন রঙ্গ যাদু এ কেমন রঙ্গ
একের নামতা
এ কোন নিয়তি
এ কোন ভারতবর্ষে আমরা আছি
এ কোন মধুর শরাব দিলে আল্-আরাবী.
এখন
এখন অগ্নিবসত
এখন অরাজনৈতিক বুদ্ধিজীবীদের...
এখন অস্ফুট আলো | ফিকে ফিকে
এখন আমরা নিশ্চিন্দিপুরে বাস করছি
এখন আর ক্লান্তি নেই
এখন আসে যদি বাঘ
এখনও অনেক কাজ বাকি
এখনও ভোলা গেল না
এখনও যদি
এখন ওসব কথা থাক
এখন কবির কাল শেষ যদি হয়
এখন কান্নার সময় নয়
এখন কি অসময়
এখন কেন পারবে চিনতে...
এখন জীবন
এখন দেশে কবিদের আকাল
এখন নাকি শান্ত নন্দীগ্রাম
এখন মধ্যাহ্নে
এখন যদি থাকতো ব্যাঙ্কে......
এখন যারা ছোট্ট আছে
এখন যুদ্ধ না শান্তি স্পষ্ট করে...
এখন শান্তিও যুদ্ধ
এখন শ্যাম রাখি কি কুল রাখি গো সই
এখন সন্ধ্যা নেমেছে
এখন সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের পথে চল
এখনো ঘোর ভাঙে না তোর যে
এখানে আকাশ
এখানে আপনি পাচ্ছেন ছোট ছোট...
এখানে ভোর---
এখানেও শীতের শিশির ভেজা...
এ গানে প্রজাপতি পাতায় পাতায় রঙ.
এগিয়ে চল
এগো মইলা, তোমার লাগিয়ে হাছন
এ ঘোর ভব-সাগরের জলে
এ চাঁদ মুখের হাসি নিয়ে
এ জীবনে পূরিল না সাধ ভালবাসি
এ জীবনে যদি আর কোনদিন...
এটা যে নাই রাজার দেশ
এত করে পায়ে ধরে, তবু তারে...
এত কাছে থেকে হায় তবু
এতকাল হাঁউ অচ্ছিলেঁসু মোহেঁ
"এতক্ষণে"-অরিন্দম কহিলা বিষাদে
এতটুকু আমি কতটুকু দিতে পারি
এতদিন ছিল বাঁধা সড়ক
এত দিনের পরে বুঝি বিধি অনুকূল
এত দেরী কেন?
এত দেরী হল কেন?
এত বড় আকাশটাকে ভরলে জোছনায়
এত বৈভব
এত রক্ত কেন? উন্নয়ন
এত সুর আর এত গান যদি...
এত হাসি কোথায় পেলে
এ তো নয় শুধু গান
এতো ভৃঙ্গ নয়, ত্রিভঙ্গ বুঝি...
এ দিনের পদ্য
এদেরও তো গড়েছেন নিজে ভগবান
এ দেশে এসেছে এক দিগ্বিজয়ী বীর
এ দেশে জন্ম লয়ে সই! যে জ্বালা...
এ ধরায় জন্মিল যেদিন
এনেছি আমার শত জনমের প্রেম
এনে দে এনে দে ঝুমকা
এপার বাংলা ওপার বাংলা
এপার বোনগা ওপার খুলনে
এপিটাফ
এ প্লাবনে
এ বংকার দৃঢ় বাখোড় মোড্ডিউ
এবার আমি নিজেকে
এবার ঝড় উঠবে
এবার তাদের পালা
এবার তোরা আমার যাবার বেলাতে
এবার নবীন মন্ত্রে হবে জননী তোর...
এবার নীরব করে দাও হে তোমার
(এবার) ব্যাঙ যাবে সাপের সভাতে
এবার ভাসিয়ে দিতে হবে আমার
এবার মলে সুতো হবো, তাঁতির ঘরে..
এবারে পূজা, মাগো দশভূজা বড়...
এ বালা কার বালা অপরূপ হেরি
এ বৈশাখে
এভাবেই উলঙ্গ অক্ষরেরা
এভাবে মানুষ নিয়ে খেলা
এ মধু রাত শুধু ফুল পাপিয়ার
এমন একটা আসছে-রে দিন
এমন একটি গল্প বলতে পারো যাতে..
এমনও মুহুর্ত আসে
এ মন কেমন করে জেনেছে...
এমন কোনো অনুভূতি আসে যদি...
এমন দুঃখের সময় কালাচাঁদ
এমন দেশটি
এমন নয়ন-বাণ কে তোমায় করেছে দান
এমন পিরীতি কভু দেখি নাই শুনি
এমন বন্ধু আর কে আছে তোমার মত.
এমন মধুর ধ্বনি আর শুনিনি..
এমন যামিনী, মধুর চাঁদিনী
এমন রাত্রি নেই যা প্রভাত হয় না
এমন সৌভাগ্য আমার কবে হবে
এমনি করে যদি চলতে পারি
এমনি বরষা ছিল সেদিন, শিয়রে প্রদীপ..
এমবিশন্
এম সি সি, জনযুদ্ধ
এ মহানগরী আজ
এ মাটির এই ধূলিকণায়
এ মোর অহঙ্কার
এ যদি আকাশ হয় তোমায় কি বলে..
এরা কারা
এ রাত বড় নিলাজ সয়না দেরী সয়না
এরা দাঁড়িয়ে আছে উচ্চবিত্ত হবার..
এরা যদি জানে
এল আবার ঈদ
এল ঈদল-ফেতর এল ঈদ ঈদ ঈদ
এ লড়াই মৃত্যুর সঙ্গে মানুষের
এল নন্দের নন্দন নব-ঘনশ্যাম
এল রে শ্রীদুর্গা
এ লাশ আমরা রাখবো কোথায়
এলাহাবাদ দুর্গ
এলো না সে তো এলো না
এলোপাথাড়ি
এলোমেলো বৃষ্টি
এ শশী কে নীলবর্ণা, মুন্ডমালা-বিভূষণা
এশিয়া
এ শুধু গানের দিন এ লগন গান...
এ সংসারের পান্থশালায়
এস তুমি বাদল বায়ে ঝুলন ঝুলাবে
এসব প্রশ্নের জবাব ফোনেই দেওয়া...
এসেছিলাম একা আবার যাবোও তো...
এসে মাধবের মধুধাম
এসে সংসার প্রবাসে, আশার বসে
এসো আগুন
এসো আমার ঘরে
এসো আমরা তরী বেয়ে যাই
এসো এসো চাঁদবদনি
এসো গো কে যাবি হোরি খেলিতে
এসো পড়ি
এসো বঁধু কাছে এসো
এসো মুক্ত কর
এসো যৌবন এসো হে বন্ধু এসো এসো
এসো হে এসো, সজল ঘন
কমপিউটরে বাংলা ব্যবহার